বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬

মন্ত্রিসভায় থাকছে যেসব নতুন মুখ

natrদশম জাতীয় সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করছে আওয়ামী লীগ। আজ রবিবার বিকাল সাড়ে তিনটায় শপথ নিবে নতুন মন্ত্রিসভা। বঙ্গভবনে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজারো অতিথি উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে খালেদা জিয়াকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
বিকাল সাড়ে তিনটায় প্রথমে প্রধানমন্ত্রী, পরে মন্ত্রীরা শপথ নিবেন। এরপর পর্যায়ক্রমে প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা শপথ নিবেন। ইতিমধ্যে মন্ত্রিসভার সদস্যদের তালিকা অনুমোদন করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। নয়া মন্ত্রিসভায় কমপক্ষে ২৭ জন মন্ত্রী, ১৭ জন প্রতিমন্ত্রী এবং ২ জন উপমন্ত্রী শপথ নিতে যাচ্ছেন বলে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা নিশ্চিত করেছেন। মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা আপাতত ৫০-এর মধ্যে সীমিত থাকতে পারে।
এদিকে মন্ত্রিসভায় কারা আসছেন- এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা হচ্ছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগদলীয় এমপিদের আগ্রহ বেশি। এ নিয়ে বেশ টেনশনে রয়েছেন সর্বদলীয় সরকার গঠনের আগে মহাজোট সরকারের মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়া মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রয়েছেন সর্বদলীয় সরকারের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরাও। সবাই উদগ্রীব হয়ে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের সর্বশেষ খবর রাখছেন। তবে নতুন এই মন্ত্রিসভা নতুন মুখ থাকছেন কে কে তা নিয়েও চলছে বেশ আগ্রহ।
জানা গেছে, নীলফামারী-২ আসনের এমপি আসাদুজ্জামান নূর, জামালপুর-৩ আসনের এমপি মির্জা আজম, চাঁদপুর-২ আসনের এমপি মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম,রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহরিয়ার আলম, কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের এমপি ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের ছেলে নাজমুল হাসান পাপন, গাজীপুর-৪ আসনের এমপি সিমিন হোসেন রিমি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, খুলনা-৫ আসনের এমপি নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, ঢাকা-৩ আসনের এমপি নসরুল হামিদ বিপু, নাটোর-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক থাকছেন নয়া এই মন্ত্রিসভায়।
এছাড়া শেরপুর-১ আসনের এমপি আতিউর রহমান আতিক, নওগাঁ-৪ আসনের এমপি ইমাজউদ্দিন প্রামানিক, বান্দরবানের বীর বাহাদুর উশৈ সিং, চট্টগ্রাম-১৩ আসনের এমপি সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, গাজীপুর-১ আসনের এমপি আ ক ম মোজাম্মেল হক, মৌলভীবাজার-৩ আসনের এমপি সৈয়দ মহসিন আলী, জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মানিকগঞ্জ থেকে নির্বাচিত এমপি নাঈমুর রহমান দুর্জয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের এমপি ছায়েদুল হকও থাকছেন বলে শোনা যাচ্ছে।
সুনামগঞ্জ-৩ আসনের এমপি এমএ মান্নান, পাবনা-৪ আসনের এমপি শামসুর রহমান শরীফ ডিলু, মাগুরা-২ আসনের এমপি বীরেন শিকদার, ময়মনসিংহ-৪ আসনের সাবেক এমপি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, ভোলা-৪ আসনের এমপি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এবং নেত্রকোনা-২ আসনের এমপি আরিফ খান জয়। তাদের মধ্যে কেউ কেউ এ দফায় না হলেও পরবর্তী সময়ে মন্ত্রী হতে পারেন।
প্রসঙ্গত, গত ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। প্রধান বিরোধীদল বিএনপির অংশগ্রহণ ছাড়া এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৩২টি, জাতীয় পার্টি ৩৩ টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ছয়টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) পাঁচটি, জাতীয় পার্টি  (জেপি) একটি, বিএনএফ একটি, তরিকত ফেডারেশন একটি এবং স্বতন্ত্র ১৩টি আসন পায়।
রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে নির্বাচন হয়নি আটটি আসনে। ৮ জানুয়ারি নির্বাচনী ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হয়। এর পরদিনই নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেন। নির্বাচনী আইন সংক্রান্ত জটিলতায় যশোর- ১ ও ২ আসনের সাংসদদের নাম গেজেটে না থাকায় তারা শপথ নিতে পারেননি। এছাড়া ওইদিন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদসহ পাঁচজন শপথ নেননি। পরে ১১ জানুয়ারি এরশাদ, নাসিম ওসমানসহ কয়েকজন শপথ নেন।

এমপিদের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

দশম জাতীয় সংসদের নব-নির্বাচিত ২৯০ সংসদ সদস্যের (এমপি) প্রজ্ঞাপণ প্রকাশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে।
রবিবার সকালে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ড. ইউনুস আলী আকন্দ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন।
রিটে একই সাথে মন্ত্রিপরিষদ গঠন এবং তাদের শপথের ওপরও স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিসভার শপথ, প্রস্তুত বঙ্গভবন

asনতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুত বঙ্গভবন। ইতোমধ্যে শপথ অনুষ্ঠান করার জন্য যে প্রস্তুতি দরকার তা সেরে ফেলেছে বঙ্গভবন। এই শপথের মধ্যে দিয়েই তৃতীয়বারের মতো শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ।
রোববার বিকাল সাড়ে ৩টায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে প্রধানমন্ত্রী এবং পর্যায়ক্রমে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীরা শপথ নেবেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইঞা ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, মন্ত্রিসভার সদস্যদের দপ্তর বণ্টন রোববারই হবে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের দায়িত্বও এদিনই বণ্টন করবেন সরকারপ্রধান।
নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিলেই গত নভেম্বরে গঠিত ২৯ সদস্যের নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভার দায়িত্ব শেষ হবে। যারা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টা ছিলেন, মন্ত্রিসভার শপথের আগেই তাদের অব্যাহতি দেয়া হবে। এরপর প্রধানমন্ত্রী নতুন করে উপদেষ্টা নিয়োগ দেবেন।
এই শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রধান দায়িত্বে থাকা মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানিয়েছেন, তারা ইতোমধ্যে শপথের প্রস্তুতি শেষ করে এনেছেন। শপথ অনুষ্ঠানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এক হাজারের মতো অতিথিকে। তাদের দাওয়াতপত্র পাঠানোর কাজ চলছে শনিবার থেকেই।
বঙ্গভবনের একজন কর্মকর্তা জানান, নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য ও অতিথিদের জন্য দরবার হলে সাজানো হয়েছে আটশর বেশি চেয়ার। সামনের সারির চেয়ারগুলোতে যারা বসবেন তাদের নামের ট্যাগ ইতোমধ্যে লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। শপথ শেষে অতিথি ও নতুন মন্ত্রীদের জন্য থাকছে চা চক্রের ব্যবস্থা । তার আয়োজন পাশের মাঠে হবে।
আগের সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও সামনের সারিতে কোনো চেয়ারে তার নাম দেখেননি বলে ওই কর্মকর্তা জানান।
দশম সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা হিসাবে ইতোমধ্যে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য রওশন এরশাদের নামের গেজেট জারি হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, তার দলের সদস্যরা মন্ত্রিসভাতেও থাকবেন, যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য এখনো আসেনি।
প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন। শনিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি সেই তালিকা অনুমোদনও করেছেন। মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের শপথের আমন্ত্রণ জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ফোন করা হচ্ছে শনিবার থেকেই।
ওই তালিকায় কাদের নাম আছে আর আগের সরকারে থাকা কারা বাদ পড়ছেন, তা নিয়ে চলছে জল্পনা কল্পনা। বলা হচ্ছে, মন্ত্রীসভার আকার হবে মাঝারি।
গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, মন্ত্র্রী-প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী মিলিয়ে এবার মন্ত্রিসভার আকার ৫০ জনের মধ্যে সীমিত থাকতে পারে। অবশ্য শনিবার ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
তিনি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “নতুন সরকার যে ধরনের আকৃতি হয় সে ধরনেরই হবে। এবার দু’একজন উপমন্ত্রী থাকবেন।”
২০০৮ সালের নির্বাচনে জিতে প্রায় ৫০ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নিয়ে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। ওই সরকারে না থাকলেও শেখ হাসিনার ১৯৯৬ সালের সরকারে উপমন্ত্রী ছিলেন।
১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর থেকে ক্ষমতার বাইরে থাকা আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে সপ্তম সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় ফেরে। ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দ্বিতীয়বার সরকার গঠন করেন হাসিনা।
বিএনপি ও তাদের শরিকদের বর্জনের মধ্যে গত ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচনের ভোট হয়, যাতে ২৩১টি আসনে জয়ী হয়ে  আবারো নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় আওয়ামী লীগ।
দশম সংসদ নির্বাচনে ৩০০ সংসদীয় আসনে ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। আর গত ৫ জানুয়ারি ভোটে নির্বাচিত হন ১৩৯ জন। বাকি আটটি আসনে পুনর্ভোট হবে ১৬ জানুয়ারি। ২৯০ আসনের গেজেট প্রকাশের পর গত বৃহস্পতিবার শপথ গ্রহণ করেন দশম সংসদের সদস্যরা।

আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়বে নতুন সরকার

sansodনতুন সরকারের মন্ত্রিসভা শপথ নেবে আজ বিকালে। একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত এই সরকার শুরুতেই আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্র এবং বৃটেনের গণমাধ্যম সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে৷
মার্কিন সিনেটের প্রস্তাবে সরাসরি দৃশ্যমান সংলাপের কথা বলা হয়েছে৷ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ মনে করেন আগামী বাজেটের আগেই সরকারকে বিরোধী ১৮ দলীয় জোটের সঙ্গে একটি সমঝোতায় আসতে হবে৷
বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসন এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে চিঠি দিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর এবং সিনেটের ফরেন রিলেশেন্স কমিটির চেয়ারম্যান রবার্ট মেনেনডজ৷ তিনি চিঠিতে লিখেছেন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার৷ দু’দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ৬০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে৷ চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা অর্থনীতিতে গুরুতর প্রভাব ফেলছে এবং তা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থাকে আরো দুর্বল করে দেবে৷ এর আগে ৭ জানুয়ারি সিনেট কমিটিতে ৬ দফা প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়৷ তাতে দৃশ্যমান সংলাপের কথা বলা হয়েছে৷
অন্যদিকে বৃটেনের একটি প্রভাবশালী পত্রিকা তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ আংশিক বৃটিশ অর্থনৈতিক সহায়তা হারাতে পারে৷ জাতীয় সংসদের কার্যকারিতা এবং স্বচ্ছতার উন্নয়নে বৃটেন দু’টি প্রকল্পে বছরে ৫ কোটি পাউন্ডের বেশি অর্থ সহায়তা দেয়৷ এবার এই সহায়তা কমানো হবে৷ আর অন্যান্য ক্ষেত্রেও আর্থিক সহায়তা কমানো হবে৷ রিপোর্টে বলা হয়েছে বাংলাদেশে ৫ জানুয়ারির একপাক্ষিক নির্বাচনকে যুক্তরাজ্য ভালভাবে নেয়নি৷
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ জানান মার্কিন সিনেট কমিটির প্রস্তাব পাস এবং চিঠি পাঠানো গুরুত্ব বহন করে৷ তারা বাংলাদেশের নির্বাচনকে গ্রহণ করেনি৷ তাই তারা আরেকটি নির্বাচন চায়, যা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে৷ নতুন সরকার সংলাপের মাধ্যমে সেটা কত দ্রুত করে তা তারা দেখবেন৷ তিনি মনে করেন আগামী বাজেটের আগেই তা না হলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে সরকারের ওপর৷ তিনি বলেন বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে জিএসপি সুবিধা এই পরিস্থিতিতে ফিরে পাবে বলে মনে হয় না৷ আর তা হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নও জিএসপি সুবিধা বাতিল করতে পারে৷ ড. ইমতিয়াজ বলেন অ্যামেরিকা, বৃটেন এবং ইউরোপ বাজেটের আগেই তাদের প্রতিক্রিয়া দেখাবে- যা নতুন সরকারকে চাপে ফেলবে৷
এই অবস্থায় রবিবার বিকেলে বাংলাদেশে নতুন সরকার শপথ নেয়ার কথা৷ এ কারণে নতুন মন্ত্রিসভায় একজন দক্ষ পররাষ্ট্রমন্ত্রী খোঁজা হচ্ছে৷ জানা গেছে, আন্তর্জাতিক মহলে ভাল যোগাযোগ আছে এবং চাপ সামাল দেয়ার যোগ্যতা রাখে এমন একজনকেই পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী৷ দক্ষতার বিচারে অর্থমন্ত্রী হিসেবে অন্তত আগামী বাজেট পর্যন্ত আবুল মাল আব্দুল মুহিতকেই বিবেচনা করা হচ্ছে৷ মন্ত্রিসভায় এবার অভিজ্ঞদের স্থান হতে পারে৷ বাদ পড়বেন বিতর্কিতরা৷ জানা গেছে সামনের দিনগুলোতে ঘরে বাইরের চাপ সামাল দেয়াকে মাথায় রেখে সাজানো হচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভা৷
এদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শনিবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে নতুন সরকারকে অবৈধ বলে অভিহিত করেছেন৷ তিনি বলেছেন, ‘১২ জানুয়ারি যে সরকার গঠিত হবে তা মানুষের প্রতিনিধিত্বহীন স্বৈরাচারী একনায়কতান্ত্রিক৷ এই সরকার কোনো দিক দিয়েই বৈধ হিসেবে দেশে বিদেশে বিবেচিত হবে না৷’ তিনি চলমান আন্দোলন অব্যাহত রাখার কথা বলেছেন৷ সূত্র: ডিডব্লিউ।

নাটোরে ১৮ দলের বিক্ষোভ মিছিল

natoreঅবরোধের সমর্থনে নাটোরে মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ১৮ দলের নেতাকর্মীরা।
রবিবার সকালে শহরের আলাইপুর ও বড়গাছা এলাকায় যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ব্যানারে নেতাকর্মীরা নাটোর-রাজশাহী মহাসড়কে পেট্রল ঢেলে ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। পরে তারা হাফরা এলাকায় একটি বিক্ষোভ মিছিল করে মহাসড়কে দাঁড়িয়ে সমাবেশ করে। সমাবেশে জেলা এবং স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

একসঙ্গে সরকার ও বিরোধীদলে থাকা অনৈতিক: সুরঞ্জিত

sueএকই সঙ্গে সরকার ও বিরোধী দলে থাকার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। তিনি বলেন, আমরা একটি নির্ভেজাল বিরোধীদল চাই। যারা সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করবে। মাথাটা সরকারি দলের আর লেজটা বিরোধী দলে কিংবা মাথা-লেজ বিরোধী দলের আর পেট সরকারি দলে এমন ইউ আকৃতির বিরোধীদল হতে পারে না। এটা অনৈতিক ও গণতান্ত্রিক শিষ্টাচার বহির্ভূত।

আজ  শনিবার দুপুরে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারস বাংলাদেশ এর সেমিনার কক্ষে নৌকা সমর্থক গোষ্ঠী আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

সুরঞ্জিত সেন বলেন, বিরোধী দল থেকে মন্ত্রী হওয়ার বৈধতা নিয়ে ২০০৬ সালে একটি মামলা হয়েছে। দেলোয়ার হোসেন বনাম রাষ্ট্রের এই মামলায় তৎকালীন বিচারপতি মোস্তফা কামাল একটি পর্যবেক্ষণ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, একই সঙ্গে সরকারে এবং বিরোধী দলে থাকা অনৈতিক, গণতান্ত্রিক শিষ্টাচার ও সাংবিধান বহির্ভূত।

 

মন্ত্রীত্ব প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, সবাই যদি মন্ত্রীত্বের জন্য কাঙ্গাল হয়ে পড়ি, তাহলে গণতন্ত্রের কাঙ্গাল কে হবে?

 

তিনি বলেন, গণতন্ত্রের পাহারা দেয়ার সবচেয়ে বড়শক্তি গণমাধ্যম। তারপর হচ্ছে বিরোধী দল। আজকের বিরোধীদলকে সংসদে বিরোধীদলের ভূমিকা পালনের মধ্যদিয়ে রাজপথের বিরোধীদলের মোকাবেলা করতে হবে। বিরোধীদলবিহীন সংসদ, গণতান্ত্রিক এ প্রতিষ্ঠানকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পারবে না। তাদের দায়িত্ব ভালো কাজের সমর্থন দেয়া। আর খারপ কাজের সমালোচনা করা।

 

খালেদা জিয়া স্বেচ্ছাবন্দীত্বের ভান করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এবার খালেদা জিয়ার শুভবুদ্ধির উদয় হবে। স্বেচ্ছাবন্দীত্ব থেকে বেরিয়ে আলোচনার মাধ্যমে রাজনীতিতে আসবেন। তার হাসিনাবিহীন রাজনীতির এই ‘আবদার’ বাদ দিতে হবে । শেখ হাসিনাকে কি আপনে বসাইছেন? এই অন্যায় ও অগণতান্ত্রিক আবদার রক্ষা করা যাবে না। তবে, তিনি (খালেদা জিয়া) সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের নেতা। তাঁকে তাঁর অবস্থান অনুযায়ী নিরাপত্তা দিতে হবে। এটা হবে রাজনৈতিক বদান্যতা, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উদারতা। সে অনুযায়ী সকল ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

সংসদের বিলুপ্তি নিয়ে তোফায়েল ও আশরাফ ভিন্নমতের বিষয়ে জানতে চাইলে সুরঞ্জিত বলেন, ‘এটা তোফায়েল-আশরাফ আর সরঞ্জিত বাবুর বিষয় নয়। এটা একটা কেতাবে লেখা আছে। এটা এবার নতুন হয়েছে, এজন্যই তো এটা নিয়ে আলোচনা হবে। সাংবিধানিক বিষয়ে সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ীই হবে। আগামীতে যারা সরকার গঠন করবে তারাও এই নীতি অনুসরণ করবে।’

 

সংগঠনের উপদেষ্টা চিত্ত রঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জাসদ নেতা নাজমুল হক প্রধান এমপি, মীর হোসেন আখতার, আওয়ামী লীগ নেতা হেমায়েত উদ্দিন প্রমুখ।

দুই নেত্রীকে মার্কিন সিনেট কমিটির চেয়ারম্যানের চিঠি

  1. cenetমার্কিন সিনেটের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান বাংলাদেশের দুই প্রধান দল বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে পাঠানো ঐ চিঠিতে বর্তমান অচলাবস্থার অবসানে তাদেরকে সংলাপে বসার আহবান জানিয়েছেন।

রাজপথে সংঘাত হানাহানি বন্ধ করে একটি অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথ সুগম করতে সংলাপ শুরু করার আহবানও জানিয়েছেন সিনেট কমিটির চেয়ারম্যান রবার্ট মেনেনদেজ।

তার এই চিঠিটি ১০ জানুয়ারি শুক্রবার প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশের প্রধান দুই দলের নেত্রীদের কাছে পাঠানো ঐ চিঠিতে বাংলাদেশের গার্মেন্টস খতে শ্রমিকদের জীবন মান উন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

সন্ধ্যায় কার্যালয়ে যাবেন খালেদা

020আজ সন্ধ্যায় দলের গুলশান কার্যালয়ে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এর মধ্যদিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে যে হতাশা বিরাজ করছিল তা কেটে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর ওই কার্যালয়ে গিয়েছিলেন খালেদা। পর কয়েক দফা বের হওয়ার চেষ্টা করা হলেও পুলিশি বাধার কারণে তা সম্ভব হয়নি।

দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে খলেদা জিয়া কার্যালয়ে যাচ্ছেন না। নির্বাচনে পর দিন তার বাসার সামনে থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সরিয়ে নেয়া হলেও তিনি গণমাধ্যমকে এড়িয়ে যাচ্ছিলেন।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় খালেদা জিয়া কার্যালয়ে যাবেন। সাড়ে ৭টায় সেখানে চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।

নির্বাচন ঠেকানোর ঘোষণা দিয়ে গত ২৯ ডিসেম্বর গণতন্ত্র অভিযাত্রা কর্মসূচির পর খালেদার গুলশানের বাড়ি ও কার্যালয়ে পুলিশ পাহারা বাড়ানো হয়। নির্বাচনের পরপরই তা প্রত্যাহার করা হয়।

গণজাগরণ মঞ্চের রোড মার্চ মালোপাড়ায়

ganoসাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস রুখে দাঁড়ানোর আহ্বানে গণজাগরণ মঞ্চের রোড মার্চ অভয়নগরের চাপাতলা মালোপাড়ার পৌঁছেছে।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারা মালোপাড়ায় পৌঁছান গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা। সেখানে তারা মালুপাড়ার মন্দিরে একটা অস্থায়ী মঞ্চে বক্তব্য দেন।

এ সময় মঞ্চে বক্তব্য রাখেন- ডা. ইমরান এইচ সরকারইমরান, লাকি আক্তার, বাপ্পা দিপ্ত বসু, সামসুর ইসলাম সুমন, স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইনামুল হক বাবু প্রমুখ।

বক্তব্য শেষে তারা অভয়নগরের চাপাতলা মালোপাড়া ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ বিতরণ করেন।

গণজারণ মঞ্চের যশোরের অন্যতম সংগঠক সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাস জানান, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তারা অভয়নগরের চাপাতলা মালোপাড়ার পৌঁছেছেন। মালুপাড়ার মন্দিরে একটা অস্থায়ী মঞ্চে বক্তব্য তাদের কয়েকজন বক্তব্য দেন। তারপর তারা অভয়নগরের চাপাতলা মালোপাড়া ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ত্রাণ বিতরণ করেন।

সেখানে তারা একটি সংহতি সমাবেশও করবেন। এরপর সেখান থেকে ফিরে যশোর শহরের চিত্রামোড়ে বিকেল সাড়ে তিনটায় তাদের গণসমাবেশ করার কথা রয়েছে।

এর আগে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা শহরের খাজুরা বাসস্ট্যান্ডে শুক্রবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটে তারা পৌঁছান। সেখান থেকে তারা সরাসরি রাতযাপনের জন্যে বেসরকারি সংস্থা ‘বাঁচতে শেখা’র ডরমেটরিতে যান।

মঞ্চের কর্মীদের বহরে ৮টি বাস, ৮টি মাইক্রোবাস ও পুলিশের দুটি পিকআপ ভ্যান রয়েছে। বহরে চার শতাধিক কর্মী রয়েছে বলে জানা যায়।

প্রসঙ্গত, ৫ জানুয়ারি ভোট শেষে সন্ধ্যায় অভয়নগরের চাপাতলা মালোপাড়ায় তাণ্ডব চালায় দুর্বৃত্তরা। হামলায় ২০/২৫টি বাড়িসহ দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়। প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

দিল্লিতে মার্কিন কূটনীতিককে বহিষ্কার

deদেবজানি বিতর্কে ভারত-মার্কিন বিরোধ তুঙ্গে উঠেছে। দেবজানিকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ দেয়ার পর পাটকেলটি হিসেবে এবার এক মার্কিন কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে ভারত।

ভিসা জালিয়াতি ও ভুল তথ্য প্রদানের অভিযোগে শুক্রবার ভারতীয় কূটনীতিক দেবজানি খোবরাগাড়ের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে মার্কিন গ্র্যান্ড জুরি। তবে কূটনীতিক হওয়ায় তাকে বিচার প্রক্রিয়া থেকে রেহাই দিয়ে দেশে ফিরতে নির্দেশ দেয় মার্কিন প্রশাসন। আর তারই জবাব হিসেবে নাকি এবার দেবজানিরই সম মর্জাদার এক মার্কিন কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে দিল্লি।
একটি সূত্র জানায়, দেবজানি সংক্রান্ত মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগেই ওই মার্কিন কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে দিল্লি। ডিরেক্টর পদমর্যাদার ওই কূটনীতিককে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দিল্লি ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এদিকে পাল্টা কূটনীতিক বহিষ্কার নিয়ে এখনো মুখ খোলেনি যুক্তরাষ্ট্র। তবে নানা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক খারাপ হওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে মার্কিনিরাও একটি কড়া জবাবই দেবে দিল্লিকে।
উল্লেখ্য, এর আগে দেবযানির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন নিয়ে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয় ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে। গৃহকর্মীর ভিসা আবেদনে মজুরি নিয়ে ভুল তথ্য উপস্থাপন এবং চুক্তি অনুযায়ী তাকে পারিশ্রমিক না দিয়ে বেশি কাজ করানোর অভিযোগে গত ১২ ডিসেম্বর নিউইয়র্কে গ্রেপ্তার করা হয় দেবযানিকে। তিনি নিউইয়র্কে ভারতীয় উপদূতাবাসের ডেপুটি কনসাল জেনারেল হিসেবে কাজ করছিলেন।
বলা হয় যে, সেসময় পুলিশ তাকে প্রকাশ্যে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যায় এবং বিবস্ত্র করে তল্লাশি করে। একইসঙ্গে তাকে চোরাকারবারি ও যৌনকর্মীদের সঙ্গে এক সেলে থাকতে দেয়া হয় যা নিয়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয় ভারতে।
ওই ঘটনায় ভারতও নিজেদের কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় নয়াদিল্লিতে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ও কূটনীতিকদের সুযোগ সুবিধা কমিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া দেবযানিকে অপমানের জন্য প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
যদিও মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী জন কেরি বিষয়টির জন্য ফোন করে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী সালমান খুরশিদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন তারপরও দেশটি ক্ষমা চাইবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে।