বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬

মার্কিন অভিনেত্রী লরেন ব্যাকলের মৃত্যু

আমেরিকার খ্যাতিমান অভিনেত্রী লরেন ব্যাকল মঙ্গলবার মারা গেছেন। তিনি তার নিউ ইয়র্কের বাড়িতে মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণজনিত অসুস্থতার কারণে মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।image_94170_0

মঞ্চ ও চলচ্চিত্রে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী ১৯২৪ সালে নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিনে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ১৯ বছর বয়সে হলিউডে তার অভিষেক ঘটে। ১৯৪৪ সালে মুক্তি পায় ব্যাকলের প্রথম ছবি ছিল ‘টু হ্যাভ অ্যান্ড হ্যাভ নট’। এ ছবিতে তার বিপরীতে ছিলেন হলিউডের আরেক জনপ্রিয় অভিনেতা হামফ্রে বোগার্ট যার সঙ্গে পরের বছর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ব্যাকল।

হলিউডের ৩০টিরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন ব্যাকল। ২০০৯ সালে সম্মানসূচক অস্কার পান তিনি।  সূত্র: বিবিসি

২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকায় ই-কমার্স মেলা

আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকায় শুরু হচ্ছে তিন দিনের ই-কমার্স মেলা। কমপিউটার জগৎ-এর আয়োজনে দ্বিতীয়বারের মতো অনলাইন কারবারিদের এই অফলাইন মেলা অনুষ্ঠিত হবে বেগম সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগার চত্বরে।image_94165_0

মেলায় দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পণ্য এবং সেবাগুলো দর্শনার্থীদের কাছে তুলে ধরবে। প্রদর্শনী ছাড়াও মেলায় থাকছে সেমিনার, কর্মশালা, অ্যাওয়ার্ড নাইট, ই-ডাইরেক্টরি প্রকাশ এবং গেমিং প্রতিযোগিতাসহ নানা আকর্ষণ।

মেলা উপলক্ষে মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান আয়োজকরা।

সংবাদ সম্মেলনে মেলার আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ জানান, বাংলাদেশে তিন কোটির বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে। এসব ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর বেশির ভাগই তরুণ। আর তারা বেশির ভাগই ই-কমার্স সম্পর্কে আগ্রহী তরুণ। অনেক উদ্যোক্তা নিজেদের ই-কমার্স কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে সফল হয়েছেন। এই বাস্তবতায় মেলার সফলতা নিয়ে আশাবাদও ব্যক্ত করেন তিনি।

কমপিউটার জগত্-এর সহকারী সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল হক বলেন, ‘দেশে ই-কমার্সের ভবিষ্যত্ সম্ভাবনাময়। এ ক্ষেত্রটিকে এগিয়ে নিতে এবং সাধারণ মানুষকে ই-কমার্স সম্পর্কে উৎসাহী করতে ই-কমার্স মেলার আয়োজন করা হচ্ছে।

সোয়ানসফট লিমিটেডের মার্কেটিং অ্যা- সেলস ডিরেক্টও মো. সিদ্দিকুর রহমান জানান, তার প্রতিষ্ঠান ২০১২ সাল থেকে অনলাইনে বাসের টিকিট বিক্রি করে আসছেন এবং বর্তমানে ২০টি পরিবহন সংস্থার টিকিট তারা বিক্রি করছেন। এবারের ঈদে তারা প্রায় ২০ হাজার বাস টিকেট বিক্রি করেছেন। ভবিষ্যতে এই টিকেট বিক্রি আরো বাড়বে বলে আশা করেন তিনি।

এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার ৭৮.৩৩

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি)  ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৭৮ দশমিক ৩৩। এই পরীক্ষায় মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭০ হাজার ৬০২ জন শিক্ষার্থী।image_94164_0

বুধবার শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের নেতৃত্বে বোর্ডের চেয়ারম্যানরা গণভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের কপি হস্তান্তর করেন।
ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ, রাজশাহীতে ৭৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ, সিলেটে ৭৯ দশমিক ১৬, কুমিল্লায় ৭০ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং বরিশাল বোর্ডে ৭১ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৯৪ দশমিক ০৮ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে ৮৫ দশমিক ০২ শতাংশ।
শিক্ষামন্ত্রী বেলা ১টায় মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এবারের বিস্তারিত ফলাফল তুলে ধরবেন। এছাড়া (www.educationboardresults.gov.bd) ওয়েবসাইট থেকেও সব বোর্ডের ফল জানা যাবে।
মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে এইচএসসির ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৪ লিখে ১৬২২২ নম্বেরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেয়া হবে।
আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসহ ১০ বোর্ডে এবার ১১ লাখ ৪১ হাজার ৩৭৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ছাত্র ছয় লাখ ছয় হাজার ২৯ এবং ছাত্রী পাঁচ লাখ ৩৫ হাজার ৮১ জন। গত ৩ এপ্রিল তত্ত্বীয় পরীক্ষা শুরু হয়ে চলেছে ৫ জুন পর্যন্ত। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ৭ জুন শুরু হয়ে ১৬ জুন শেষ হয়। এবার ২৫টি বিষয়ে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মোট ২৫টি বিষয়ে এবার সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা হয়। এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বেশ কয়েকটি বিষয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় সরকারকে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ৯ এপ্রিল ঢাকা বোর্ডের এইচএসসির ইংরেজি দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। স্থগিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ৮ জুন।
সরকারি তদন্ত শেষে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ইংরেজি দ্বিতীয়পত্র ও গণিত দ্বিতীয়পত্রের প্রশ্নপত্র ফাঁসের সত্যতা স্বীকার করেন। তবে একইসঙ্গে পদার্থ, রসায়নসহ আরো বেশ কিছু বিষয়ের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এ বছর সারাদেশে মোট দুই হাজার ৩৫২টি কেন্দ্রে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

অনিয়ম আর অব্যবস্থাপনাই নৌ-দুর্ঘটনার কারণ

অনিয়ম আর অব্যবস্থাপনায় নৌ-দুর্ঘটনা ঘটছে-এই অভিযোগ করে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দোষী মালিকদের বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তির দাবি জানিয়েছে উপকূলীয় ১৬টি সংগঠন।image_93391_0

বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব বর্ধিত হলরুমে আয়োজিত ‘অনিয়ম আর অব্যবস্থাপনাই নৌ-দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ: নৌ-যানের নকশা অনুমোদন এবং তদারকি ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ প্রয়োজন’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এ দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনটি যৌথভাবে আয়োজন করে অর্পণ, আকাশ, উদয়ন বাংলাদেশ, নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন, এনবিএস, এসডিও, প্রান্তজন, শাপলা ফুল, প্রাণ, ডোক্যাপ, গ্রাউস, পালস-বাংলাদেশ, রয়েল বেঙ্গল ফাউন্ডেশন, সমাজ, সিডিপি ও কোস্ট ট্রাস্ট।

বক্তারা বলেন, অনিয়ম আর অব্যবস্থাপনাকে নৌ দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে দেশের নৌ-পথগুলোকে নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত রাখার জন্য দায়িত্বে অবহেলাকারী, দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মচারী-কর্মকর্তা এবং দোষী মালিকদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন- কোস্ট ট্রাস্টের পক্ষে মো. মজিবুল হক মনির, নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলনের সদস্য সচিব আমিনুর রসূল বাবুল, কোস্ট ট্রাস্টের মোস্তফা কামাল আকন্দ, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী প্রমুখ।

মো. মজিবুল হক মনির লিখিত বক্তব্যে বলেন, পিনাক-৬ ডুবে যাওয়া কোনো দুর্ঘটনা নয়। প্রকাশ্য অনিয়ম আর অব্যবস্থাপনার পরিণতিকে কোনোভাবেই ‘দুর্ঘটনা’ বলা যায় না। অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা-অবহেলার একটি করুণ পরিণতি পিনাক-৬ নামের লঞ্চটির এই ডুবে যাওয়া। পিনাক-৬ লঞ্চের চলাচল অনুমোদনের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল, এর যাত্রী ধারণক্ষমতা ছিল ৮৫ অথচ বহন করছিল তিন শতাধিক।

তিনি বলেন, পদ্মায় ২ নম্বর সতর্কসংকেত দেখানো অবস্থায় ৬৫ ফুটের কম দৈর্র্ঘ্যরে লঞ্চ চলাচল নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু পিনাকের দৈর্ঘ ছিল ৫২ ফুট। অর্থাৎ পিনাক-৬ এর চলাচল, ডুবে যাওয়া এবং অনকাঙ্ক্ষিত প্রাণহানি প্রমাণ করে পুরো নৌ পরিবহন ব্যবস্থাপনাটাই আসলে এখানে ছিল অকার্যকর।

তিনি আরো বলেন, প্রত্যেকটা দুর্ঘটনার পরই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। মনে হয় যেন তদন্ত কমিটি গঠন করার মাধ্যমেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তার দায়িত্ব শেষ করতে চায়। কারণ স্বাধীনতার পর এখন পর্যন্ত পাঁচ শতাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও  প্রকাশ করা হয়েছে মাত্র তিনটি তদন্ত প্রতিবেদন। অনেক তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমাও দেয় না। দুর্ঘটনার তদন্তে প্রায়ই উঠে আসে মালিক-চালক বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা-গাফিলতির কথা। কিছু  কিছু মামলাও হয়, কিন্তু কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বললেই চলে।

আমিনুর রসূল বাবুল বলেন, দেশে এই মুহূর্তে চলমান নৌযানের সংখ্যা জানতে নৌশুমারি করার প্রয়োজন। প্রচণ্ড স্রোতের মধ্যে ডুবে যাওয়া লঞ্চটি তিন ঘণ্টা পরেও ডুবে যাওয়ার স্থানে থাকার কথা নয়, অথচ লঞ্চটি খোঁজার কাজটি শুরু করা হলো সেখানেই। এটা আসলে এক ধরনের আই ওয়াশ।

যাত্রীর সংখ্যা কম দেখানোর জন্য কর্তৃপক্ষ ইচ্ছে করেই ভুল জায়গায় লঞ্চ খুঁজচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মোস্তফা কামাল আকন্দ বলেন, নৌ দুর্ঘটনা প্রতিরোধে এবং একটি দুর্ঘটনা ঘটলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সরকারের প্রস্তুতির অভাব রয়েছে। দেশে ডুবুরি আছেন মাত্র ২৫ জন, তাও আবার তারা পূর্ণকালীন নন।

এধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগকে সম্পৃক্ত করে তাদের স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতা নেয়া প্রযোজন বলেও মত দেন বক্তারা। সংবাদ সম্মেলন থেকে আট দফা দাবি তুলে ধরেন তারা।

মৌসুমের শুরু থেকেই মাঠে নামছেন নেইমার

স্প্যানিশ লা লিগার ২০১৪-১৫ মৌসুমের শুরু থেকেই বার্সেলোনা তারকা নেইমার সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরতে পারবেন বলে কাতালানদের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। বুধবার ক্লাবের পক্ষ থেকে মেডিকেল পরীক্ষার পরে এই নিশ্চয়তা দেয়া হয়।image_93387_0

ঘরের মাঠের বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে কলম্বিয়ান ডিফেন্ডার হুয়ান ক্যামিলো জুনিগার আঘাতে ব্রাজিলিয়ান এই তারকার মেরুদণ্ডের কশেরুকায় চিড় ধরে। তারপর থেকে তিনি মাঠের বাইরে রয়েছেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল, তারকা এই স্টাইকারের হয়তোবা ছয় সপ্তাহের বিশ্রামের প্রয়োজন রয়েছে। আর তাই আগামী ২৩ আগস্ট এলচের বিপক্ষে বার্সেলোনার লা লিগার প্রথম ম্যাচে ২২ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকারের অংশগ্রহণ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছিল।

কিন্তু ক্লাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নেইমারের সঙ্গে তার আরো তিন কাব সতীর্থ যারা বিশ্বকাপে খেলেছেন, প্রত্যেকেই মেডিকেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। এখন তারা নিবিড় অনুশীলনে যোগ দিতে পারবেন।

স্প্যানিনশ জায়ান্টদের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নেইমার, লিওনেল মেসি, জেভিয়ার মাসচেরানো এবং দানি আলভেজ প্রত্যেকেই তাদের সতীর্থদের সঙ্গে মঙ্গলবার অনুশীলন করেছেন এবং তারপর তারা মেডিকেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ক্লাবে ফিরে আসেন। ফিটনেস পরীক্ষায় তারা প্রত্যেকেই উতরে গেছেন এবং এখন থেকে আগামী তিন সপ্তাহ তারা আনুষ্ঠানিক ম্যাচ শুরুর আগে অনুশীলনের সময় পাচ্ছেন।

তবে ডিফেন্ডার আদ্রিয়ানো এখনো পুরোপুরি ফিট হয়ে ওঠতে পারেননি। তিনি ছাড়া মিডফিল্ডার জাভি এবং নতুন চুক্তিভূক্ত জেরেমি ম্যাথিউ আলাদা অনুশীলন করেছেন।  -ওয়েবসাইট

অতিরিক্ত ক্রিকেটই পেসারদের চোটের কারণ: কপিল দেব

ফাস্ট বোলারদের চোটের জন্য অতিরিক্ত ক্রিকেটই দায়ী৷ এমনটাই মনে করছেন ভারতের কিংবদন্তি তারকা কপিল দেব৷
ভারত-ইংল্যান্ডের চলতি সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে লর্ডসে ৭৪ রানে সাত উইকেট নিয়েই একাই ইংল্যান্ড দলকে ধরাশায়ী করেছিলেন ভারতের অন্যতম অভিজ্ঞ পেসার ইশান্ত শর্মা৷ তাঁর বোলিংয়ের সুবাদে ৯৫ রানে সেই টেস্ট জিতে নেয় সফরকারী ভারত৷image_93388_0

কিন্তু, চোট পাওয়ায় সাউদাম্পটন টেস্টে মাঠে নামতে পারেননি ইশান্ত শর্মা৷ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডেও তাঁর মাঠে নামা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

কপিল জানান, “আমি বছরে পাঁচ মাস ক্রিকেট খেলতাম৷ কিন্তু, এখন বোলাররা বছরে ১০ মাস ক্রিকেট খেলে৷ সে কারণেই চোট পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়৷ বিসিসিআই-এর এই বিষয়টা নিয়ে ভাবা উচিত।”  -ওয়েবসাইট

তোবা’র শ্রমিকদের বের করে দিয়েছে পুলিশ, ধর্মঘটের ডাক

কারখানার ভেতর থেকে তোবার শ্রমিকদের বের করে দিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া একটার দিকে রাজধানীর বাড্ডায় অবস্থিত তোবার কারখানার ভেতরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ প্রবেশ করে সব শ্রমিককে বের করে দেয়। এর আগে পৌনে একটার দিকে তোবার পাঁচটি কারখানার অপর অংশের শ্রমিকরা বিক্ষোভসহ সড়ক অবরোধ করতে চাইলে পুলিশ তাদের লাঠিচার্জ করে। এ সময় শ্রমিকরা গাড়ি ভাঙচুর করলে পুলিশ রাবার বুলেট ও জলকামান নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে বেশ কয়েকজন শ্রমিক আহত হয়েছে। এছাড় শ্রমিক নেত্রী মোশরেফা মিশু ও জলি তালুকদারসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।image_93386_0

পুলিশের হাতে আটক হওয়ার আগে আজ থেকে সব গার্মেন্টে ধর্মঘট ও শহীদ মিনারে অনশন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন গার্মেন্ট শ্রমিক নেত্রী মোশরেফা মিশু।

সর্বশেষ বেলা ২টা পর্যন্ত বাড্ডার প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন শাখা সড়কে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছিল। এছাড়া বাস ভাঙচুর করায় শ্রমিরাও সংঘর্ষে জড়ায়। অপরদিকে ওই এলাকার গার্মেন্ট মালিকদের পক্ষের লোকেরাও শ্রমিকদের প্রহিত করতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অংশ নিতে দেখা গেছে।

তোবা গার্মেন্টের অভ্যন্তরে শ্রমিকরা বরাবরের মতো আজও তাদের অনশন অব্যাহত রাখে। একই সঙ্গে দ্বিতীয় দিনের মতো পোশাক রফতানিকারক সংগঠন বিজিএমইএ ভবনে বেতনও নিতে যায় তোবার পাঁচটি কারখানার অপর অংশের শ্রমিকরা।

বৃহস্পতিবার বেলা ২টা পর্যন্ত প্রায় ২১৩ জন শ্রমিক তাদের দুই মাসের বেতন গ্রহণ করেছে বলে তোবার পাঁচটি কারখানা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছিল।

আগের দিন বুধবার প্রায় ৫৮৩ জন শ্রমিক তাদের বকেয়া বেতন গ্রহণ করেছেন বলেও বিজিএমইএ সংগঠকরা জানান।

বৃহস্পতিবার বিজিএমইএ ভবনে সকাল ৯টা থেকে বেতন দেয়া শুরু করেন কর্মকর্তারা। শ্রমিকদের মে ও জুন মাসের বকেয়া বেতন সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেয়া হবে বলে জানান সংগঠনের সভাপতি আতিকুল ইসলাম।

বুধবার প্রথম দিনের মতো আন্দোলনরত তোবা শ্রমিকদের বেতন দেয় বিজিএমইএ। ওই দিন তোবা গ্রুপের পাঁচটি কারখানার ১৪২৭ শ্রমিকের মধ্যে ৫৮৩ জন বেতন নেন।

সম্প্রচার নীতিমালাবিরোধী আন্দোলনে থাকবেন আইনজীবীরাও

সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত সম্প্রচার নীতিমালাকে মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ করার নীতিমালা হিসেবে উল্লেখ করেছে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। এটাকে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার অপচেষ্টা বলেও উল্লেখ করে সমিতি।  জনগণের স্বার্থবিরোধী এ নীতিমালার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সঙ্গে আইনজীবীরাও থাকবেন বলেও জানিয়েছেন সমিতির নেতারা।image_93381_0

বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের বার অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন এ মন্তব্য করেন।

আইনজীবী সমিতির সেক্রেটারি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঞ্চলনায় সংবাদ সম্মেলনে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন,  “সরকার বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা হরণ করার অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে এই নতুন সম্প্রচার নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে। বাক স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ও গণতন্ত্রকামী জনগণ তা কখনো মেনে নেবে না। ”

খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, “অতীতেও আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধানে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছিল। বাক স্বাধীনতা খর্ব করে আইন প্রনয়ণ করে ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার চেষ্টা করেছিল। সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল। এবারো ব্যর্থ হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।”

তিনি বলেন, “প্রিন্টিং প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন অ্যাক্ট ১৯৭৩ সংশোধন করে সম্প্রতি মন্ত্রিসভা যে সম্প্রচার নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে তা সংবাদপত্রসহ সব গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করবে।” এ নীতিমালার মাধ্যমে টক শোও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে বলে তিনি মনে করেন।

এই আইনজীবী বলেন, “বর্তমান সরকার জনগণের সমর্থন বিহীন সরকার। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর করে অবৈধভাবে ক্ষমতায় রয়েছে। সরকার দুর্নীতি, অপশাসন ও সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ড যাতে জনসম্মুখে প্রকাশ না পায় সে কারণেই নতুন সম্প্রচার নীতি প্রণয়ন করা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, “সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত জনগণের মৌলিক অধিকার, বাক স্বাধীনতা এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব করে সরকার অতীতের মতো একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করার হীন উদ্দেশ্য নিয়ে এই নীতিমালা করা হয়েছে।”

এই নীতিমালা বাতিলের দাবিতে গণমাধ্যমকর্মীরা যে আন্দোলন শুরু করেছেন তার সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেন এই আইনজীবী নেতা।

সমিতির সেক্রেটারি মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, “গণমাধ্যমর এই নীতিমালা শুধু সাংবাদিকদের জন্য সমস্যা নয়, এটি সমগ্র জাতির জন্য সমস্যা”

সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি এম খালেদ, ড. মেহেদী, সহ-সম্পাদক রেজাউল করিম খন্দকার, সদস্য আফসানা রশিদ সুভ্রা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তবুও থামছে না ঝুঁকিপূর্ণ স্পিডবোট ও লঞ্চের চলাচল

এমভি পিনাক-৬ প্রবল স্রোতে ডুবে যাওয়ার পরও মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ঝুঁকি নিয়ে বেপরোয়া ভাবেই চলছে স্পিডবোট ও লঞ্চ। এতে জান-মাল নিয়ে শঙ্কিত দক্ষিণাঞ্চলের সাধারণ যাত্রীরা।image_93379_0

সূত্রে জানা যায়, ঈদের আগে গত ২৪ জুলাই কাওড়াকান্দি ঘাটে অনুষ্ঠিত একটি সভায় নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান ও মাদারীপুর জেলা প্রশাসনের কড়া নির্দেশের পরও মাওয়া-কাওরাকান্দি নৌরুটে স্পিডবোট ও লঞ্চগুলো বেপরোয়াভাবে চলাচল করছিল।

লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন ও স্পিডবোটে জীবনরক্ষাকারী জ্যাকেট ও বয়া রাখার ওই দিনের নির্দেশের পরেও স্পিডবোটে চালু হয়নি লাইফ জ্যাকেট ও বয়া। যানবাহনে নেয়া হচ্ছিল অতিরিক্ত যাত্রী ও বাড়তি ভাড়া।

জানা যায়, মাওয়া-কাওরাকান্দি নৌরুটে পাঁচ শতাধিক স্পিডবোট ছাড়াও ৮৭টি লঞ্চ, দুই শতাধিক ট্রলার ও ১৮টি ফেরি নিয়মিত চলাচল করে।

লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন, স্পিডবোটে জীবন রক্ষাকারী জ্যাকেট ও বয়া রাখার নির্দেশ নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌরুট দিয়ে প্রতিদিনই চলাচল করছে ফিটনেসবিহীন অর্ধশতাধিক লঞ্চ ও পাঁচ শতাধিক স্পিডবোট।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে প্রতিদিনই হাজার হাজার যাত্রী নিয়মিত যাতায়াত করেন। প্রতি বছর ঈদের আগে ও পরে বেশি চাপ বেড়ে যায়।

ফলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অথচ এসব আদেশ নির্দেশ উপেক্ষা করে এই রুটে চলাচলকারী যানবাহন মাঝে মধ্যেই দুর্ঘটনায় পড়ে জীবনহানির ঘটনা ঘটছে।

ভারতীয় টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ চেয়ে রিট

বাংলাদেশে ভারতীয় টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দা শাহীন আরা লাইলি এ রিট করেন।image_93374_0

বৃহস্পতিবার তথ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিবাদী করে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট করা হয়েছে। রিটকারীর আইনজীবী একলাস উদ্দিন ভূঁইয়া এ তথ্য জানান।

এর আগে রোববার বিকেলে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এ বিষয়ে আইনি নোটিশ পাঠান আইনজীবী একলাস উদ্দিন ভূঁইয়া।

নোটিশ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশে ভারতীয় টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধের ব্যবস্থা না নেয়া হলে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট করা হবে বলে নোটিশে জানানো হয়।