বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬

দেখা দিলেন ‘খলিফা’

প্রথমবারের মতো ভিডিও ভাষণে আত্মপ্রকাশ করলেন ইরাক ও সিরিয়ার অংশবিশেষ দখল করে নেওয়া জিহাদি গ্রুপ ইসলামিক এস্টেট ইন ইরাক অ্যান্ড লেভান্টের (আইএসআইএস) নেতা আবু বকর আল বাগদাদি।

উত্তর ইরাকের মশুল শহরে অবস্থিত আল-নূরি মসজিদে গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের আগে বয়ান করেন আল বাগদাদি। ওই বয়ানের ভিডিওচিত্র শনিবার বিবিসি প্রচার করে।image_89300_0

ভিডিওতে ধারণ করা ওই ভাষণে বাগদাদি তাকে খলিফা হিসেবে মেনে নেওয়ার জন্য মুসলিম উম্মাহর প্রতি আহ্বান জানান।

আবু বকর আল বাগদাদি সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় নিহত কিংবা আহত হয়েছেন বলে শনিবার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর মধ্যেই নাটকীয়ভাবে বাগদাদির ভিডিও ভাষণ প্রচার করা হয়।

জুমার বয়ানে বাগদাদি বলেন, একজন খলিফা নির্বাচিত করে সেই খলিফার নেতৃত্বে এগিয়ে যাওয়া মুসলমানদের ইমানি দায়িত্ব। অথচ যুগ যুগ ধরে মুসলমানেরা এ বিষয়টিকে উপেক্ষা করে এসেছে।

উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশে আল বাগদাদি বলেন, তিনি ‘ইসলামি রাষ্ট্রের’ খেলাফতের দায়িত্ব নেওয়াকে ‘বোঝা’ মনে করেন। সে কারণে তিনি তা নিতে চাননি। তবে অনুসারীরা তাকে এই পদে অধিষ্ঠিত করেছেন। তিনি মুসল্লিদের বলেন, ‘আপনাদের চেয়ে যোগ্য না হলেও আমিই এ মুহূর্তে আপনাদের নেতা। যদি মনে করেন আমি সঠিক পথে আছি, তাহলে আমাকে সমর্থন করুন। যদি মনে করেন আমি ভুল পথে যাচ্ছি, তাহলে আমাকে উপদেশ দিয়ে শুধরে দিন।’

এর আগে এক অডিওবার্তায় বাগদাদি ইরাক ও সিরিয়ায় এসে তাদের সঙ্গে লড়াইয়ে যোগ দেওয়ার জন্য সারা বিশ্বের মুসলমানদের প্রতি আহ্বান জানান।

চলতি সপ্তাহে আইএসআইএস ইরাক ও সিরিয়ায় তাদের দখল করা অংশে খেলাফত প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়। একই সঙ্গে তারা আবু বকর আল বাগদাদিকে খলিফা এবং সারা বিশ্বের সব মুসলমানের নেতা হিসেবে ঘোষণা দেয়।

তালেবান হামলায় জ্বলল ন্যাটোর ২০০টি তেলের ট্যাঙ্কার

কাবুলে ঢোকার মুখে ন্যাটোর তেলবাহী ট্যাঙ্কারের উপরে আক্রমণ চালাল তালেবানরা। শনিবারের এই আক্রমণে ২০০টি ট্যাঙ্কার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আফগান প্রশাসন সূত্রে খবর, তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলি আফগানিস্তানে মোতায়েন ন্যাটো ও মার্কিন সেনার জন্য তেল নিয়ে যাচ্ছিল। কাবুলে ঢোকার আগে image_89302_0একটি পার্কিং প্লেসে ট্যাঙ্করগুলি অপেক্ষা করছিল। কী ভাবে ট্যাঙ্কারগুলির উপরে আক্রমণ করা হয় তা এখন পরিষ্কার নয়। কাবুল পুলিশের প্রধান গুল আফগান হাসিমি জানান, আক্রমণে ম্যাগনেটিক বোমা ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু অন্য সূত্রে খবর, রকেট লঞ্চারের মাধ্যমে আক্রমণ চালানো হয়েছে।

আফগানিস্তানে ন্যাটো সেনার রসদবাহী কনভয়ের উপরে এর আগে একাধিক বার আক্রমণ হয়েছে। তবে সে ক্ষেত্রে পাকিস্তান থেকে আফগানিস্তান যাওয়ার পথে (খাইবার পাস) আক্রমণ হতো। এবার আক্রমণ হয়েছে কাবুলের দোরগোড়ায়। তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাব মুজাহিদ এই ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন। শুক্রবার বাগরাম বিমানবন্দর লক্ষ করে রকেট আক্রমণ চালানো হয়। বুধবার কাবুলের কাছে আত্মঘাতী হামলায় আট জন সেনা অফিসারের মৃত্যু হয়। সব ঠিকঠাক চললে ডিসেম্বরে মার্কিন সেনার আফগানিস্তান ছেড়ে যাওয়ার কথা। তার আগে পর পর ঘটে যাওয়া এই ধরনের ঘটনা আফগানিস্তানের নিরাপত্তাকে আবার প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়ে দিল।– সংবাদ সংস্থা

স্বাধীন হতে চায় কুর্দিরা, মানতে নারাজ মালিকি

ইরাকে সঙ্কটের মুহূর্তে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পথে এক ধাপ এগোনোর সিদ্ধান্ত নিল কুর্দি সম্প্রদায়। উত্তরের কুর্দিপ্রধান এলাকা ইরাক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নয়া রাষ্ট্র গঠন করবে কি না তা নিয়ে গণভোট করতে চায় তারা।

দু’দশক ধরে স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে কুর্দিরা। সাদ্দাম হোসেনের জমানায় তাদের রক্ষা করার জন্য উত্তরে বিমান নিষিদ্ধ এলাকা কার্যকর করেছিল জাতিসংঘ। কুর্দি এলাকায় হামলা চালালে আন্তর্জাতিক বাধার মুখে পড়তে হতো সাদ্দাম বাহিনীকে। ইরাক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কুর্দি রাষ্ট্র গঠনের দাবি দীর্ঘদিনের। তুরস্কের কুর্দিরাও ওই রাষ্ট্রে যোগ দিতে আগ্রহী।আইএসআইএল জঙ্গিদের সঙ্গে শিয়াপ্রধান নুরি আল-মালিকি সরকারের সংঘর্ষে ইরাকের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তখনই বিচ্ছিন্ন হওয়ার ডাক তীব্র করেছে কুর্দি সম্প্রদায়। কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকারের প্রেসিডেন্ট মাসুদ বারজানি জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে একটি গণভোটের আয়োজন করতে চলেছেন তারা। উদ্দেশ্য একটাই। নিজেদের স্বাধীন কুর্দি রাষ্ট্র গঠন। বিগত দু’দশক ধরেই স্বায়ত্তশাসনে অভ্যস্ত কুর্দিরা।image_89304_0

খনিজ তেল তো বটেই, উত্তর ইরাকের পাহাড় ঘেরা কুর্দিস্তান বিখ্যাত তার গম উৎপাদনের জন্যও। স্বায়ত্তশাসনে থাকাকালীনই নিজেদের তেল উৎপাদন শিল্প গড়ে তুলেছে তারা। রয়েছে নিজেদের সেনাও। সারা দেশ যখন আইএসআইএলের দখলে চলে যাচ্ছে, তখন কুর্দি এলাকা রক্ষায় তৎপর সুশিক্ষিত ওই ‘পেশমের্গা’ সেনা। তেলসমৃদ্ধ কিরকুক-সহ কয়েকটি এলাকায় আইএসআইএলের সঙ্গে সংঘর্ষও হয়েছে তাদের। বারজানি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কিরকুক বাদ দিয়ে তাদের স্বাধীন রাষ্ট্র তৈরির স্বপ্ন কোনো দিনই বাস্তবায়িত হতে পারে না।

তবে বারজানি যা-ই দাবি করুন, গণভোট হলেও তার ফলাফল বাগদাদ সরকার মানবে কি না, সে প্রশ্নও ইতিমধ্যেই উঠতে শুরু করেছে। আমেরিকা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, তারা কুর্দিদের আলাদা রাষ্ট্র গঠনের দাবিকে একেবারেই সমর্থন করে না। উল্টো মার্কিন বিদেশ দফতর একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরাকের এই দুর্দিনে বিচ্ছিন্নতার কথা না বলে কুর্দিদের বাকি দেশের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করা উচিত।

সুতরাং আমেরিকাকে চটিয়ে বারজানিরা তাদের স্বপ্ন কী ভাবে বাস্তবায়িত করবেন, সে নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অসুবিধা আরও আছে। স্বায়ত্তশাসন থাকলেও কুর্দিস্তান আর্থিক দিক থেকে পুরোপুরি স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। বাগদাদের বাজেটের একটা অংশ ওই এলাকার জন্য বরাদ্দ করা হয়। ওই বরাদ্দ ছাড়া কুর্দিরা এগোতে পারবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তবে মালিকি সরকারের শিয়াতোষণ নীতিই যে সুন্নি ও কুর্দি বিচ্ছিন্নতা বাড়িয়েছে সেই বিষয়ে একমত প্রায় সব শিবিরই। কিন্তু ঘরে-বাইরে প্রবল চাপ সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তে রাজি নন প্রধানমন্ত্রী নুরি আল-মালিকি। গত কাল এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, “ইরাকি পার্লামেন্টে আমাদের দলই সংখ্যাগরিষ্ঠ। ফলে বিরোধীরা কোনও শর্তই আমাদের ঘাড়ে চাপাতে পারবে না। আর আমারও প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী থেকে সরে যাওয়ার কোনো প্রশ্ন নেই।”

আমেরিকা ও রাশিয়া মালিকিকে সরতে চাপ দিচ্ছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে খবর। তা সত্ত্বেও মত বদলানোর লক্ষণ দেখাচ্ছেন না মালিকি। কূটনীতিকদের মতে, এর কারণ প্রতিবেশী ইরানের সমর্থন। মালিকির সরকারের সমর্থনে আইএসআইএলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছে শিয়া ইরান। এত দিন ইরাকে বাহিনী পাঠানোর কথা অস্বীকার করেছিল তারা। কিন্তু আজ ইরান মেনে নিয়েছে, সামারা শহরের লড়াইয়ে তাদের বায়ুসেনার এক পাইলট নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের জন্মভূমি আওজা পুনর্দখল করেছে ইরাকি সেনা। তবে বাগদাদের উত্তরের এই সুন্নি শহর দখল ছাড়া আপাতত তেমন কোনো সাফল্য নেই সেনাবাহিনীর। আওজার উত্তরে তিকরিত শহরে এখনও জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষ চলছে সেনার।- সংবাদ সংস্থা

জমে উঠছে রাজধানীর ঈদ বাজার

ঢাকাসহ সারা দেশে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা রোজার শুরুতেই বন্ধ হওয়ায় এবার আগে আগে ঈদের বাজার জমে উঠতে শুরু করেছে। তাতে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন ব্যবসায়ীরা।image_89261_0

গত কদিন ধরে মেঘে ভারী আকাশ। ক্ষণে ক্ষণে নামছে বৃষ্টি। কাদাপানি একাকার রাজধানীর বিভিন্ন রাস্তা। এরই মধ্যে ক্রেতারা ছুটছে বিপণিবিতানে।প্রিয়জনের জন্য কেনাকাটা করতে।

ইতিমধ্যে সেজে উঠেছে বিপণিবিতানগুলো। শো-রুমের প্রতিটি কোণ সাজিয়ে তুলতে ব্যস্ত দোকানিরা। কোনো কোনো দোকানে বাড়তি বিক্রয়কর্মী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। খণ্ডকালীন কাজ করছেন অনেক শিক্ষার্থী। শপিং মলগুলো আলোকসজ্জা থেকে শুরু করে রঙিন বেলুন, ফুল আর বর্ণিল শিপনের কাপড়ে ঝলমল করছে।

রাজধানীর বিভিন্ন বিপণিবিতান ঘুরে এমনই দৃশ্য চোখে পড়েছে।

মাসের শুরুতে রমজান শুরু হওয়ায় ঈদ-বাজার জমে ওঠার একটা কারণ বলে মনে করেন দোকানিরা। তারা আশাবাদী, এবার তাদের বেচাকেনা ভালো হবে। কেননা, রোজার শুরুতেই চাকরিজীবীদের হাতে বেতন এসেছে।

শুক্রবার মোহাম্মদপুর সুপার মার্কেটে মমতা গার্মেন্টস নামের দোকানের মালিক ফরিদ হোসেন বলেন, “আজই (শুক্রবার) পুরোদমে ঈদের কেনাকাটা শুরু হবে। সকাল থেকে বৃষ্টি থাকায় ক্রেতা কম ছিল। এখন গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যে মানুষ আসছে। ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে।”

এ দোকানে কথা হয় দল বেঁধে কেনাকাটা করতে আসা ফারজানা, মিনু, শিমু ও সিহার সঙ্গে। তারা সবাই সলিমুল্লাহ রোডের একটি মেসে থাকেন। তারা বলেন, কদিন পর মার্কেটে ভিড় বেড়ে যাবে, তখন আর দরদাম করে কেনাকাটা করা যাবে না। তাই আগেভাগেই ছেলেমেয়েসহ আত্মীয়স্বজনদের জন্য শপিং সেরে নিচ্ছেন তারা। তবে তারা বলেন, জিনিসপত্রের দাম অনেক বেশি।

এদিকে ক্রেতা আকর্ষণের জন্য এরই মধ্যে বেশ কিছু বিপণিবিতান ঘোষণা করেছে কেনাকাটার ওপর র্যা ফল ড্র, বিভিন্ন প্যাকেজ ও আকর্ষণীয় পুরস্কার। এ ছাড়া দোকানিরা নিজেদের দোকানটি সাজিয়েছেন আকর্ষণীয় করে।

রাজধানীর ফার্মগেট, নিউমার্কেট, গাওছিয়া, চাঁদনি চক, কৃষি মার্কেট, আড়ং, সানরাইজ প্লাজা, রাপা প্লাজা, মেট্রো প্লাজা, অরচার্ড প্লাজা, প্লাজা এ আর, ক্রিসেন্ট মার্কেটসহ বুটিক শপগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। তাদের মধ্যে তরুণ-তরুণী ক্রেতাই বেশি। আড়ং, কে ক্রাফট, অঞ্জন’স, ওজি, বাংলার মেলা প্রভৃতি ফ্যাশন হাউসে সালোয়ার-কামিজের প্রতি তাদের আগ্রহ বেশি দেখা গেছে।

ইরাকে বাংলাদেশী কোনো নার্স জিম্মি হননি

ইরাকের তিকরিত শহরে বাংলাদেশী কোনো নার্স জিম্মি হননি বলে জানিয়েছেন সে দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল রেজানুর রহমান। তিনি বলেছেন, ইরাকে বসবাসরত বাংলাদেশীরা নিরাপদে আছেন।image_89264_0

বাংলাদেশের সংবাদ সংস্থা ইউএনবি এ খবর জানায়।

শুক্রবার ভারতের এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছিল, তিকরিত শহরে কর্মরত ১০ বাংলাদেশী নার্সকে জিম্মি করেছে সুন্নিপন্থী সংগঠন ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্টের (আইএসআইএল) সদস্যরা।

রেজানুর রহমান জানান, হাসপাতালে কর্মরত ৩১ বাংলাদেশি পুরুষ শ্রমিককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তাদের বেশির ভাগই পরিচ্ছন্নতাকর্মী। এ পর্যন্ত বাংলাদেশি কোনো নাগরিকের হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি বলে জানান রাষ্ট্রদূত।

সরকারি হিসাবে ইরাকে ১৪ হাজারের বেশি বাংলাদেশি নাগরিক কাজ করছেন। তবে বেসরকারি হিসাব অনুযায়ী সংখ্যাটা ৩০ হাজারের কাছাকাছি।

পেঁয়াজে আগুন, আমদানির বিকল্প উৎস খোঁজার পরামর্শ

ভারত দফায় দফায় রফতানি মূল্য বাড়িয়ে দেয়ায় দেশে আবারো অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে পেঁয়াজের বাজার। রোজার এই ক’দিনে কেজিপ্রতি দাম বেড়ে গেছে ১০ টাকারও বেশি। সাধারণত রোজা এলেই প্রতিবেশী দেশ এ পণ্যটির রফতানি মূল্য বাড়িয়ে দেয় বলে আমদানির জন্য নতুন বাজার খোঁজার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। খবর সময় টেলিভিশনের।image_89197_0

রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেল পেঁয়াজের দামের উঠানামা নিয়ে ব্যবসায়ীরাই অসন্তুষ্ট। দিনের ব্যবধানে দাম বেড়ে যাওয়াও পেঁয়াজ বিক্রি কমে গেছে বলে জানালেন তারা।

এ প্রসঙ্গে এক ব্যবসায়ী জানান, ‘বুধবারে যে পেঁয়াজটা কিনেছি সেটা ৩৪ টাকা কেজি কিন্তু ওই পেঁয়াজটাই বৃহস্পতিবার কিনেছি ৩৯ টাকা করে।’

শুক্রবারের পাইকারি বাজারে মান ভেদে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩২ থেকে ৪২ টাকা কেজি দরে। আর খুচরা বাজারে এই দাম বাড়ছে প্রতি কেজিতে আরো ছয় থেকে আট টাকা বেশি। কয়েক দিনের ব্যবধানে দাম বাড়াই আতঙ্কিত বাড়ছে খুচরা ক্রেতাদের।

এদিকে, আমদানি কারকরা বলছেন, বাজারে পেঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে, দাম অচিরেই কমে সহনীয় পর্যায়ে আসবে।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর কৃষিপণ্য আমদানি কারক সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক খন্দকার বাবুল বলেন, “আমাদের আমদানির প্রস্তুতি আছে পাশাপাশি দেশীয় পেঁয়াজও আছে, তাই মার্কেটে খুব একটা প্রভাব পড়ার কথা না। কিন্তু দাম টন প্রতি ৩০০ ডলার থেকে বাড়িয়ে যদি ৫০০ ডলার করা হয় তবে স্বাভাবিকভাবেই মার্কেটে এর প্রভাব পড়ে।”

তবে অর্থনীতি বিশ্লেষকের মতে, চাহিদার তুলনায় বাজারে যোগান বাড়লেই দাম আবারো নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। তবে দামের লাগাম টেনে ধরতে এখনই ভারতীয় বাজারের বিকল্পও খুঁজে বের করার পরামর্শও তাদের। এছাড়া ভোক্তাদের কম করে পেঁয়াজ কেনার পরামর্শও তাদের।

আন্দোলন ও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি: ফখরুল

দলকে সুসংগঠিত করে রাজপথে আন্দোলন ও আগামী দিনের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা জানিয়েছেন।image_89209_0

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার সময় মিরপুর ডেল্টা হেলথ কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বেগম খালেদা জিয়ার মিডিয়া উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদারকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ফখরুল এ কথা জানান। এ সময় মির্জা ফখরুল আহত দিদারের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং দ্রুত তার সুস্থতা কামনা করেন।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন দিদারের স্ত্রী খাতুনে জান্নাত ও দিদারের ছোট ভাই শামসুদ্দিন শিমুল। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রফেসার এম এ মান্নান ও এমডি এসএম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।

বিএনপি রাজপথে আন্দোলন করতে পারে না আওয়ামী লীগ মন্ত্রীদের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, “বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার জনবিচ্ছিন্ন সরকার। তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলেই যখন যা ইচ্ছে তাই বলছে।”

৫ জানুয়ারির নির্বাচন জনগণ মেনে নেয়নি দাবি করে শিগগিরই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবি জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, রমজানের প্রথম দিনে খালেদা জিয়ার ইফতার মাহফিল থেকে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন শামসুদ্দিন দিদার। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রাঙ্গামাটিতে সুলতানা কামালের গাড়িতে হামলা

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কমিশনের (সিএইচটি) কো-চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সুলতানা কামালসহ সিএইচটির প্রতিনিধি দলের গাড়িতে হামলা চালিয়েছে বাঙালিদের কয়েকটি সংগঠনের কর্মীরা। এতে সুলতানা কামাল, ইফতেখারুজ্জামান, খুশি কবিরসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তারা বর্তমানে রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী থানা পুলিশের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। প্রশাসনের সহযোগিতায় তাদের ঢাকা পাঠানোর ব্যবস্থা হচ্ছে।image_89217_0

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিরোধের মুখে শনিবার সকাল সোয়া দশটার দিকে রাঙ্গামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের মোটেলে অবস্থান নেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। বেলা দেড়টার দিকে পুলিশি প্রহরায় রাঙ্গামাটি ত্যাগের সময় পর্যটন এলাকায় তাদের ওপর হামলা চালায় আন্দোলনরত কর্মীরা। এতে কোতোয়ালী থানার ওসিসহ প্রতিনিধি দলের বেশ কয়েকজন আহত হন। সুলতানা কামাল ও ইফতেখারুজ্জামানের আঘাত গুরুতর নয় বলে জানা গেছে।

প্রশাসনের দায়িত্বশীল একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় তাদেরকে বার বার অনুরোধ করা হয়েছে রাঙ্গামাটিতে না আসতে। তা সত্ত্বেও প্রশাসনের কাউকে না জানিয়ে তারা রাঙ্গামাটি আসেন।

প্রতিনিধি দলে আরো রয়েছেন সিএইচটি কমিশনের সদস্য খুশি কবির, ড. ইফতেখারুজ্জামান, স্বপন আদনান, হানা সামশ প্রমুখ।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ সোহেল জানান, তারা বর্তমানে পুলিশের তত্ত্বাবধানে রযেছেন। পুলিশি প্রহরায় তাদের রাঙ্গামাটি ত্যাগের ব্যবস্থা করা হবে।

এর আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কমিশনের প্রতিনিধি দলের গোপনে রাঙ্গামাটি সফরের প্রতিবাদে শনিবার সকালে রাঙ্গামাটি শহরের প্রধান সড়কে অবরোধ সৃষ্টি করে বাঙালি ছয় সংগঠন। অবরোধের কারণে রাঙ্গামাটি শহরে প্রধান সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সিএইচটি কমিশনের প্রতিনিধি দল যতক্ষণ পর্যন্ত রাঙ্গামাটি ত্যাগ না করে ততক্ষণ পর্যন্ত অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।

সিএইচটি কমিশনের রাঙ্গামাটি সফরের প্রতিবাদে শুক্রবার থেকে ৩৬ ঘণ্টার অবরোধ শুরু করে কমিশন না আসায় সাত ঘণ্টা পর অবরোধ প্রত্যাহার করে বাঙালি সংগঠনগুলো। কিন্তু শুক্রবার রাতে সিএইচটি কমিশনের প্রতিনিধি দল গোপনে রাঙ্গামাটি অবস্থান করলে সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। শনিবার সকালে বাঙালি সংগঠনগুলো কাঠালতলী ফিসারি বাঁধের সড়কের উপর ব্যারিকেড দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়।

প্রসঙ্গত, সুলতানা কামালের নেতৃত্বে সিএইচটি কমিশনের একটি দল গতকাল খাগড়াছড়িতে যায়। আজ তারা রাঙামাটি আসছিল। পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙালিদের ছয়টি সংগঠন সিএইচটি কমিশনের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক উসকানি দেয়ার অভিযোগ তোলে। সিএইচটি কমিশনের রাঙামাটি সফর প্রতিহত করতে বাঙালি সংগঠনগুলো রাঙামাটিতে ৩৬ ঘণ্টার অবরোধ ঘোষণা করে।

যুদ্ধকবলিত ইরাকে অসহায় বাংলাদেশিরা

আমরা সরকারি বাহিনীকে যেমন ভয় পাই, তেমনি বিদ্রোহীদের নিয়ে আতঙ্কিত। যা কিছু নড়াচড়া করছে, তার ওপরই গুলি ছুড়ছে সেনাদের হেলিকপ্টার। আমরা যেতে চাই, কিন্তু পারছি না।

ইরাক প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিক শেখ বেলাল টেলিফোনে তার এই দুর্গতির কথা জানান। শুক্রবার ইউএনবির খবরে এ কথা জানানো হয়েছে।image_89193_0

বেলাল জানান, গত বুধবার তিকরিত শহরে ইরাকি সেনা ও সুন্নি জঙ্গিদের মধ্যে যখন সংঘর্ষ চলছে, এ সময় গোলাগুলি থেকে রক্ষা পেতে শেখ বেলাল ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন বাংলাদেশি শ্রমিক একটি গুদামে গুটিসুটি মেরে লুকিয়ে ছিলেন। এ সময় ইরাকে বাংলাদেশি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা সংঘর্ষ থামলে উদ্ধার করা হবে বলে আশ্বাস দেন। পরে দূতাবাসের সহায়তায় তারা মুক্তি পান।
আক্ষেপ করে বেলাল বলেন, এটি তাদের দুর্ভাগ্য। তারা সবাই ইরাকে শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে কাজ করতে চান।

২৯ বছরের বেলাল বাংলাদেশের একজন কৃষক। তিনি গত বছর ইরাকে নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করতে যান। বেশি উপার্জনের আশায় ইরাকে যাওয়ার পরে বাংলাদেশি, ভারতীয় ও নেপালি শ্রমিকদের জীবন রয়েছে ঝুঁকির মধ্যে। তাদের প্রায়ই জঙ্গি ও সেনাদের সংঘর্ষের মধ্যে পড়তে হয়। জীবন থাকে হুমকির মুখে।

ইরাকে অস্থিতিশীলতা সত্ত্বেও অভিবাসী শ্রমিকদের বড় একটি অংশ সেখানে যাচ্ছেন। তারা বেশির ভাগই নির্মাণশ্রমিক, সেবিকা, গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেন। ইরাকে ভারতের ১০ হাজার শ্রমিক ও বাংলাদেশের ৩৫ হাজার শ্রমিক অভিবাসী হিসেবে কাজ করছেন।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা শওকত হোসেন বলেন, সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। প্রয়োজনে ইরাক থেকে বাংলাদেশি অভিবাসীদের দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, বাগদাদের বাংলাদেশি দূতাবাস ৫১ জন বাংলাদেশি শ্রমিককে গত মাসে ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় শহর মসুল থেকে সরিয়ে নিয়ে আসতে সহায়তা করেছে। কিন্তু অভিবাসী শ্রমিকেরা বাংলাদেশে ফিরতে চান না; বরং তারা ইরাকের অন্য কোথাও থেকে কাজ করতে চান।

রবেন, ভ্যান পার্সিদের রুখতে টোটাল ফুটবলেই ভরসা পিন্টোর

টোটাল ফুটবল শুধু ডাচরাই খেলতে পারে, তা নয়। বাকিরাও কিন্তু সেটা জানে।’

কথাটা যিনি বলছেন, তিনি চলতি বিশ্বকাপে চমক দেওয়া দলগুলির মধ্যে একটির কোচ। কোচিং শিখেছেন টোটাল ফুটবলের আবিষ্কর্তা রাইনাস মিশেলসের কাছ থেকেই। আশির দশকের শুরুর দিকে কোলোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন জর্জ লুইস পিন্টো। যিনি বর্তমানে কোস্টারিকার কোচ। সেই সময় কোলোনের একটি ক্লাবে কোচিং করাচ্ছেন রাইনাস মিশেলস। এর কয়েক বছর পরেই হল্যান্ডকে তাদের একমাত্র খেতাব এনে দেবেন মিশেলস। ১৯৮৮সালের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ। সে সময় প্রায়ই মিশেলসের প্রশিক্ষণ দেখতে চলে যেতেন পিন্টো। কথাও বলতেন ডাচ কিংবদন্তীর সঙ্গে। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে পিন্টো বলেছেন, ‘যখনই ক্লাস থাকতো না, ক্লাবে গিয়ে অনুশীলন দেখতাম। মিশেলসের সঙ্গে কথাও হতো। অনেক কিছু দেখতাম। শিখেওছি।’ খোদ টোটাল ফুটবলের জনকের থেকে শেখা বিদ্যেই যে কাজে লাগাতে চান ডাচ বধের জন্য, সেই ইঙ্গিত দিয়ে দিলেন পিন্টো।image_89175_0

সালভাদোরের এরিনা ফন্টে নোভাতে আজ শনিবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলতে নামছে কোস্টারিকা। বিপক্ষে হল্যান্ড। সেই ম্যাচে নামার আগে কার্যত হল্যান্ডের বিরুদ্ধে এভাবেই মনস্তাত্বিক লড়াই শুরু করে দিলেন পিন্টো। একা তিনি নন। ডাচ ফুটবলের অন্দরের সঙ্গে পরিচিত আরও একজন। ব্রায়ান রুইজ। কোস্টারিকার অধিনায়ক গত ম্যাচে গ্রিসের বিরুদ্ধে গোল করেছিলেন। তিনি বর্তমানে খেলেন পি এস ভি আইন্দহোভেনে। সেখানে তার সতীর্থ হল্যান্ডের জিয়র্জিনিও উইজনালদাম এবং মেমফিস ডিপে। রুইজের পাশাপাশি কোস্টারিকার আরেক ভরসা জোয়েল ক্যাম্পবেল। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ড্র, ইতালি ও উরুগুয়েকে হারিয়ে নকআউটে ওঠার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন ক্যাম্পবেল। শুধু আক্রমণে নয়। রক্ষণেও বেশ চমকপ্রদ পারফরম্যান্স কোস্টারিকানদের। এখনও পর্যন্ত মাত্র দু’টি গোল হজম করেছে তারা দিয়েছে পাঁচটি গোল।

সেমিফাইনালে ওঠার পথে হল্যান্ডের সামনে যে মোটেই সহজ হবে না কোস্টারিকা হার্ডল, সেটা ভালো করেই জানেন আর্জেন রবেন। বলেছেন, ‘কোস্টারিকা যথেষ্ট ভালো দল। ওরা এতদূর আসবে তা কেউ ভাবেনি। ম্যাচটা মোটেই সহজ হবে না।’ বিশেষত রবেন এবং ভ্যান পার্সি জুটিকে রুখে দেয়ার জন্য যে বিশেষ পরিকল্পনা থাকবে কোস্টারিকার, তা বলা বাহুল্য।

কোস্টারিকার মিডফিল্ডার সেলসো বর্জেস বলেছেন, ‘ওদের কোনোভাবেই জায়গা দেয়া যাবে না। সামান্য সুযোগ পেলেই ওরা বিপদে ফেলে দিতে পারে।’ হল্যান্ডকে নিয়ে ইতোমধ্যেই হোমওয়ার্ক করেছেন পিন্টো। সেটা বোঝা গেলো তার বিশ্লেষণে। রবেনের প্রশংসা করলেন। একইসঙ্গে বলছিলেন, ‘মেক্সিকো হল্যান্ডের বিরুদ্ধে গোল করেও তা রক্ষা করতে অনেকটা পিছিয়ে গিয়েছিল। ফলে হল্যান্ড জায়গা পাচ্ছিলো। আবার চিলি হল্যান্ডের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক খেললেও অনেকটা জায়গা দিয়ে ফেলেছিলো রবেনদের। তাই ওদের জায়গা দিলেই সমস্যা হবে।’

হল্যান্ডের বিরুদ্ধে পিন্টো পাবেন না ডিফেন্ডার অস্কার দুরাতেকে। গ্রিসের বিরুদ্ধে জোড়া হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। গত ম্যাচে টাইব্রেকারে শট বাঁচিয়ে নায়ক দলের গোলকিপার কেইলর নাভাসের কাঁধে সমস্যা থাকলেও আপাতত সুস্থ তিনি। ফলে শনিবার হল্যান্ডের বিরুদ্ধে তার খেলার সম্ভাবনা বেশি। উল্টোদিকে হল্যান্ড শিবিরে চোট আঘাতের সমস্যা ক্রমেই বাড়ছে। সেকথা মাথায় রেখেই এবং কোস্টারিকার পারফরম্যান্সের নিরিখে হল্যান্ড কোচ লুইস ভ্যান গালও সমীহ করছেন কোস্টারিকাকে। বলেছেন, ‘কোস্টারিকা যথেষ্টই শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। তা না হলে ওরা শেষ আটে উঠে আসতো না।’

অতীতে কখনও মুখোমুখি হয়নি কোস্টারিকা এবং হল্যান্ড। ফলে প্রথম সাক্ষাতেই বিপর্যয় এড়ানোর লক্ষ্যে সতর্ক থেকে এগোতে চায় হল্যান্ড। উল্টোদিকে শেষ আটে উঠে ইতোমধ্যেই ইতিহাসে নাম লিখিয়ে ফেলেছে টিকো’রা। হারানোর কিছুই নেই তাদের। বরং, পাওয়ার আছে সবটাই। ফলে ইতিহাসের আরও অধ্যায়ে নিজেদের নাম লিখিয়ে ফেলার সোনার সুযোগ হাতছাড়া করতে কোনওভাবেই রাজি নয় কোস্টারিকা। আর সেই লক্ষ্যে কার্যত ‘গুরুমারা বিদ্যে’ই অবলম্বন করতে চান পিন্টো। রবেন, ভ্যান পার্সিদের আটকাতে ডাচ ফুটবলের প্রতীকি ঘরানা ‘টোটাল ফুটবল’ই ভরসা তার।- ওয়েবসাইট।