আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহে সার্বভৌম বন্ড ইস্যুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই বন্ড ছাড়ার সম্ভাব্যতা যাচাই ও কৌশল নির্ধারণে বৈশ্বিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান জেপি মরগানের বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করা এবং সরকারি অর্থায়নের উৎস বৈচিত্র্যময় করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে বিদেশি স্থির-আয় ও ইকুইটি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
সার্বভৌম বন্ড ইস্যু করার লক্ষ্যে গত জুলাই মাসে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গণিকে প্রধান করে গঠিত এ কমিটিতে অর্থ বিভাগ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) প্রতিনিধিরা রয়েছেন।
বন্ড ইস্যুর পরিমাণ, কোন মুদ্রায় কত অর্থ সংগ্রহ করা হবে, মেয়াদ, সুদের কাঠামো, ইস্যুর সময় ও বাজার নির্বাচনসহ সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে এই কমিটির সুপারিশ দেওয়ার কথা রয়েছে। কমিটি গঠনের পর এখন বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নেওয়ার জন্য জেপি মরগানকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সার্বভৌম বন্ড আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ঋণ নেওয়ার আরেকটি পথ। তবে এ ধরনের বন্ড ইস্যুর ক্ষেত্রে সুদের হার, পরিশোধ সক্ষমতা এবং বৈদেশিক মুদ্রায় দায় পরিশোধের বিষয়গুলো অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। সেই সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতিতে বন্ডের আকার ৫০০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। বন্ডের আকার এর থেকে বড় করা উচিত হবে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের ভেতরে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ওপর সরকারের ঋণের নির্ভরতা কমানো এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বহুমুখিতা আনার অংশ হিসেবে এই সার্বভৌম বন্ড ইস্যুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে বন্ড ছাড়ার ক্ষেত্রে সঠিক সময় নির্ধারণ, মুদ্রার ধরন, সুদের হার এবং বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার কৌশল নির্ধারণে জেপি মরগানের মতো একটি বৈশ্বিক শীর্ষ সারির আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চায় সরকার।
বাজার পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের সাড়া যাচাই করতে প্রাথমিকভাবে একটি ছোট অংকের ইউএস ডলার ডেনোমিনেটেড বন্ড বা চীনের বাজারে ‘পান্ডা বন্ড’ ছাড়ার চিন্তাভাবনা চলছে। অতীতে আর্জেন্টিনা বা শ্রীলঙ্কার মতো উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর অনিয়ন্ত্রিত সার্বভৌম বন্ড ইস্যুর কারণে ঋণের যে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা রয়েছে, তা মাথায় রেখে বাংলাদেশ কোনো ধরনের আর্থিক ঝুঁকিতে পড়তে চায় না। তাই প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিতে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ পরামর্শক নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন মুদ্রায় বন্ড ছাড়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। নিউইয়র্কের বাজারে ডলার বন্ড, চীনের বাজারে পান্ডা বন্ড এবং জাপান ও হংকংয়ের বাজারে সংশ্লিষ্ট দেশের মুদ্রায় বন্ড ইস্যুর সম্ভাবনা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি সার্বভৌম বন্ডের পরিপ্রেক্ষিতে শ্রীলঙ্কায় ঋণের যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল সে বিষয়টিও মাথায় রাখা হচ্ছে। এ কারণে জেপি মরগানের মতো প্রতিষ্ঠানকে পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, জেপি মরগানকে পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দিতে হলে সেখানে পরামর্শক ব্যয়ের একটি বিষয় আছে। এক্ষেত্রে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের প্রয়োজন হবে। সুতরাং জেপি মরগানকে পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, বিষয়টি এখনই চূড়ান্ত বলা যায় না। মন্ত্রিসভা কমিটি অনুমোদন দিলে তারপর বিষয়টি চুড়ান্ত হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ যদি সফলভাবে এই বন্ড আন্তর্জাতিক বাজারে ছাড়তে পারে, তবে তা দেশের ইতিহাসে একটি গ্লোবাল প্রাইসিং বেঞ্চমার্ক বা মানদণ্ড হিসেবে কাজ করবে। এর ফলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বেসরকারি খাত ও বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানও আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সহজে এবং কম সুদে বৈদেশিক ঋণ বা তহবিল সংগ্রহ করতে সক্ষম হবে।
সার্বভৌম বন্ড আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ঋণ নেওয়ার আরেকটি পথ। তবে এ ধরনের বন্ড ইস্যুর ক্ষেত্রে সুদের হার, পরিশোধ সক্ষমতা এবং বৈদেশিক মুদ্রায় দায় পরিশোধের বিষয়গুলো অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।—বলছেন অর্থনীতিবিদরা
এই কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের ঋণ-জিডিপি অনুপাত তুলনামূলক কম। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা থেকে ঋণ নেওয়া হয়। দেশ কখনো কোনো ঋণ পরিশোধে খেলাপি হয়নি। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের বন্ড ইস্যুর সক্ষমতা রয়েছে। বন্ড থেকে পাওয়া অর্থ সরকার বিভিন্ন ব্যয়ে ব্যবহার করতে পারবে।
সরকার আন্তর্জাতিক বাজারে সার্বভৌম বন্ড ছাড়ার উদ্যোগ নিলেও এর আকার ও শর্ত নির্ধারণে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) বাংলাদেশের চেয়ারম্যান জায়েদী সাত্তার।
তিনি জাগো নিউজকে বলেন, সার্বভৌম বন্ড আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ঋণ নেওয়ার আরেকটি মাধ্যম। এতে সরকারের সার্বভৌম নিশ্চয়তা থাকে। বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) মতো বহুপাক্ষিক সংস্থার কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রেও সরকারের নিশ্চয়তা থাকে। তবে সার্বভৌম বন্ডের ক্ষেত্রে এসব প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে আন্তর্জাতিক বাজারের বিভিন্ন বিনিয়োগকারী বাংলাদেশি কিংবা অন্যান্য দেশের বিনিয়োগকারীরা বন্ড কিনতে পারেন।
জায়েদী সাত্তারের মতে, সার্বভৌম বন্ডের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো কী সুদের হারে তা ইস্যু করা হচ্ছে। কারণ বন্ডের অর্থ নির্দিষ্ট সময় পরপর পরিশোধ করতে হয় এবং বৈদেশিক মুদ্রায় দায় তৈরি হয়। তাই বন্ড ছাড়ার আগে দেশের ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা, বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ও ভবিষ্যৎ দায় পরিশোধের সক্ষমতা সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, অনেক দেশ সার্বভৌম বন্ড ইস্যু করে পরে সংকটে পড়েছে। ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ হতে পারে। তবে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি সে রকম নয় এবং এখন দেশের ঋণ গ্রহণের সক্ষমতা ভালো রয়েছে।
বাংলাদেশের জন্য প্রাথমিকভাবে বড় অঙ্কের সার্বভৌম বন্ডে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এই অর্থনীতিবিদ। তিনি বলেন, ২০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে দিয়ে শুরু করা যেতে পারে।
জায়েদী সাত্তার বলেন, বর্তমানে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি যাওয়া উচিত হবে না। ২০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে দিয়ে শুরু করা যেতে পারে। এখনই এক বিলিয়ন ডলারে যাওয়া ঠিক হবে না।
এ প্রসঙ্গে শ্রীলঙ্কার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়ার পর দেশটি সংকটে পড়ে এবং এক পর্যায়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও যাতে এমন পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে জন্য বন্ডের আকার নির্ধারণ ও পরিশোধ সক্ষমতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
সার্বভৌম বন্ডের ইতিবাচক দিকও তুলে ধরেছেন জায়েদী সাত্তার। তার মতে, সরকার যখন দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে বেশি ঋণ নেয়, তখন বেসরকারি খাতে ঋণ পাওয়ার সুযোগ কমে গিয়ে ‘ক্রাউডিং আউট’ তৈরি হতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সার্বভৌম বন্ডের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা হলে দেশের অভ্যন্তরীণ ঋণবাজারের ওপর চাপ কিছুটা কমার সুযোগ রয়েছে। এতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের জন্য অভ্যন্তরীণ ঋণের সুযোগ বাড়তে পারে।
তবে সার্বভৌম বন্ড ইস্যুর প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এই অর্থনীতিবিদ। তার মতে, বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও এডিবির মতো বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রয়োজনীয় ঋণ সময়মতো পাওয়া না গেলে বিকল্প হিসেবে সার্বভৌম বন্ডের কথা বিবেচনা করা হতে পারে।
এ সময় আইএমএফের ঋণের একটি অংশ না পাওয়ার প্রসঙ্গে উল্লেখ করা হলে জায়েদী সাত্তার বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আগের সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ও কমিটমেন্টের বিষয়গুলো নতুন সরকারের সঙ্গে নতুন করে সমন্বয় করার প্রয়োজন হতে পারে। এ কারণে আইএমএফের সঙ্গে নতুন করে বোঝাপড়া হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের প্রয়োজনীয় সংস্কারও এগিয়ে নেওয়া দরকার।
সার্বভৌম বন্ড ইস্যুর উদ্যোগের মধ্যে চীনের পান্ডা বন্ডকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গত মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের আগে চীনা সরকার বাংলাদেশকে চীনা মুদ্রা ইউয়ানে পান্ডা বন্ড ইস্যুর প্রস্তাব দেয়।
এ বিষয়ে আলোচনা করতে সম্প্রতি চীনের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় এসে বাংলাদেশ ব্যাংক, ইআরডি ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরকালে দুই দেশের প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতেও পান্ডা বন্ড চালুর উদ্যোগের বিষয়ে দুই দেশের সম্মতির কথা উল্লেখ করা হয়।
গত জুলাই মাসে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদের নেতৃত্বে সরকারের বিকল্প ঋণ অনুসন্ধান কমিটির সভায় পান্ডা বন্ডসহ বিদেশি মুদ্রায় বন্ড ইস্যুর বিষয়টি আলোচনা হয়। ওই সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান প্রাথমিকভাবে ৫০ মিলিয়ন ডলারের পান্ডা বন্ড চালুর পক্ষে মত দেন।
সার্বভৌম বন্ড ইস্যু করা হলে অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে এর আকার, সুদের হার ও পরিশোধ কাঠামো নির্ধারণ করা উচিত, যেন ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধে কোনো ধরনের চাপ তৈরি না হয়।—জায়েদী সাত্তার
সভায় বৈদেশিক মুদ্রায় বন্ড ইস্যুর ক্ষেত্রে আইএমএফের অবস্থানসহ সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সভায় ইআরডির সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী জানান, পান্ডা বন্ড ইস্যু করতে চীন বাংলাদেশকে সহায়তা করবে। তবে এ ক্ষেত্রে আইএমএফের আপত্তির সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে সার্বভৌম বন্ড ছাড়ার পরিকল্পর অংশ হিসেবে জুলাই মাসের শেষের দিকে অর্থ বিভাগ আট সদস্যের কমিটি গঠন করে। বন্ডের পরিমাণ, মুদ্রা নির্ধারণ, অফারিং সার্কুলার, ইনফরমেশন মেমোরেন্ডাম, ডিউ ডিলিজেন্স, ক্রেডিট রেটিং, রোডশো, বিনিয়োগকারী উপস্থাপনা ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের মতো বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার কথা এই কমিটির।
এছাড়া বুকরানার, লিড ম্যানেজার, আর্থিক ও আইনগত উপদেষ্টা, রেটিং এজেন্সি, পেইং এজেন্ট, রেজিস্ট্রার, ট্রাস্টি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানকারী নিয়োগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করবে কমিটি। একই সঙ্গে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরামর্শক ও সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন, বিধি-বিধান ও সরকারি ক্রয় নীতিমালা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেওয়াও বিষয়টিও কমিটির কার্যপরিধির মধ্যে রয়েছে।
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও গভীরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বন্ড ও ইকুইটি বাজারের জন্য প্রয়োজনীয় নীতি, কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে সরকারকে সুপারিশ করবে কমিটি। পাশাপাশি সরকারি সিকিউরিটিজ, করপোরেট বন্ড, সুকুক, গ্রিন বন্ডসহ বিভিন্ন ধরনের বন্ড ও ঋণপত্র ইস্যুর সম্ভাব্যতা, সময়োপযোগিতা, ব্যয়, ঝুঁকি এবং বাজার পরিস্থিতিও পর্যালোচনা করবে কমিটি।
