বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬

ব্রাজিল-জার্মানি ম্যাচ খেলাবেন সেই মার্কো

রিও ডি জেনেরো: ইতালির ডিফেন্ডার চিয়েলিনিকে সুয়ারেজ কামড়েছেন কি না, তা দেখতেই পাননি তিনি। বিতর্ক তৈরি হয়েছিলো তার রেফারিং ঘিরেও। মেক্সিকোর সেই রেফারি সেই মার্কো রডরিগেজই ব্রাজিল এবং জার্মানির মধ্যে সেমিফাইনাল ম্যাচটি খেলাতে চলেছেন বেলো হরিজন্টের এস্তাদিও মিনেইরাওতে। ব্রাজিল বিশ্বকাপের বাকি চারটি ম্যাচের রেফারি তালিকা এদিনই প্রকাশ করেছে ফিফা। তাতে জানানো হয়েছে ব্রাজিল বনাম জার্মানির প্রথম সেমিফাইনাল ম্যাচটি পরিচালনা করবেন মার্কো রডরিগেজ। চলতি টুর্নামেন্টে রডরিগেজ ইতালি বনাম উরুগুয়ে ম্যাচটি সহ মোট দু’টি ম্যাচ খেলিয়েছেন।image_89575_0

প্রসঙ্গত, ২৪ জুন ইতালির বিরুদ্ধে উরুগুয়ের ম্যাচে ইতালির ডিফেন্ডার জিয়র্জিও চিয়েলিনির কাঁধে কামড়ে দেন সুয়ারেজ। সেই সময় রেফারি তাকে কোনো কার্ড দেখাননি। সতর্কও করেননি। ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছিলো রেফারি মার্কো রডরিগেজ সেসময় অন্যদিকে মুখ করেছিলেন। এর ফলে তৈরি হয় বিতর্ক। সেদিন ইতালির ক্লদিও মাসচেরানোকে লালকার্ডও দেখিয়েছিলেন মার্কো। ব্রাজিল-জার্মানি ম্যাচে চতুর্থ রেফারি হিসেবে থাকছেন আমেরিকার মার্ক গাইগার। উরুগুয়ে বনাম ইতালি ম্যাচের সময়ও চতুর্থ রেফারি ছিলেন গাইগার। – ওয়েবসাইট।

সর্বোচ্চ ভ্যাটের জন্য পুরস্কার পাচ্ছে ৯ প্রতিষ্ঠান

আগামী ১০ জুলাই বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট দিবস পালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে ১০ থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত পালিত হবে মূসক সপ্তাহ। দেশব্যাপী ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের ভ্যাট সম্পর্কে সচেতন করতে বড় শহরগুলোতে শোভাযাত্রা ও সেমিনারের আয়োজন করা হবে। দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীতেও অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।image_89605_0

ভ্যাট দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতাদের সম্মাননা জানিয়ে আসছে রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এবারো সারা দেশের সর্বোচ্চ ৯ প্রতিষ্ঠানকে ও জেলা পর্যায়ে ১১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হবে সেরা মূসক দাতার পুরস্কার। ইতিমধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানের নাম চূড়ান্ত করেছে এনবিআর।

জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ ভ্যাট প্রদানের জন্য সিলেটের হবিগঞ্জের রশিদপুর কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন পুরস্কৃত হচ্ছে। এছাড়া মৌলভীবাজারের ফেঞ্চুগঞ্জ গ্যাসফিল্ড প্রজেক্ট লিমিটেড, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রডাকশন লিমিটেড, আর এফ এল প্লাস্টিক, টিইউভি এসইউডি বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড, ন্যাশনাল টেলিভিশন (এনটিভি) লিমিটেড, হুওয়াই টেকনোলোজিস বাংলাদেশ লিমিটেড, চট্টগ্রামের এম এম ইস্পাহানী এবং ব্র্যাক আড়ং সেরা ভ্যাট প্রদানের জন্য পুরস্কৃত হচ্ছে।

শপথ নিলেন সেলিম ওসমান

দশম জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন জাতীয় পার্টির সেলিম ওসমান।image_89604_0

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন থেকে উপনির্বাচেন নির্বাচিত জাতীয় পার্টির এ সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের দফতরে শপথ গ্রহণ করেন।  তাকে শপথ পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ, মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, বিরোধী দলীয় প্রধান হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, সরকার দলীয় হুইপ শহিদুজ্জমান সরকার প্রমুখ।

গত ২৬ জুন অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে প্রায় ১৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন বিরোধী দল জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী নাসিম ওসমানের ভাই সেলিম ওসমান।

নেইমার মস্তিষ্ক হলে ডি মারিয়া ফুসফুস!

তাজ্জব হওয়ার মতো ব্যাপার! সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন হিসেবে গোটা দুনিয়া যে দুটো দলকে চিহ্নিত করেছিল, কাকতালীয়ভাবে, পর পর দুটি খেলায় ওই দুটি দলের দুই স্তম্ভ কি না চোটের কারণে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল৷ কে, কাকে, কীভাবে মারল- তা নিয়ে অকারণ শক্তিক্ষয় করে চলেছে ফুটবল-পাগলরা৷

এখন আলোচনা করে কি নেইমার বা ডি মারিয়াকে সুস্হ করে তোলা সম্ভব হবে? কিন্তু আলোচনা চলছে, আসলে দুই প্রিয় দলের দুই প্রিয় তারকা ছিটকে যাওয়ায় দুটো দলই কিন্তু নড়বড়ে হয়ে গেছে বলে মনে করছে তাদের সমর্থকেরা৷ এটা মেনে নিতে হবে যে, নেইমারের অবর্তমানে ব্রাজিল যেমন অনেকটাই অকেজো হয়ে পড়বে, তেমনি ডি মারিয়ার অনুপস্হিতিতে আর্জেন্টিনাও খানিকটা পিছিয়ে থাকবে৷ থাকতেই হবে৷ কারণ, ডি মারিয়া ছিল আর্জেন্টিনা দলের নিউক্লিয়াস৷ বাঁদিক অথবা ডানদিক, অথবা ইনসাইড ফরোয়ার্ড হিসেবে যে অক্লাম্ত পরিশ্রম ডি মারিয়া করছিল, তা তো সবাই এবার বিশ্বকাপে দেখেছেন৷ চমৎকার বল কন্ট্রোল, ছিপছিপে শরীরে গতি, চমৎকার ফুটবল-মস্তিষ্ক– মেসির ছায়ায় থাকতে হয় বলে ডি মারিয়াকে কিন্তু সে ভাবে, আমরাও কৃতিত্ব দিইনি৷ এবার, হল্যান্ডের বিরুদ্ধে বোঝা যাবে ডি মারিয়া কতটা জায়গা জুড়ে দৌড়োদৌড়ি করত৷ নেইমার যদি হয় মস্তিষ্ক, তা হলে ডি মারিয়া হল ফুসফুস!image_89583_0

মনে হয়, মাসচেরানোকে দিয়ে খানিকটা ফাঁক ভরাট করতে চাইবেন আর্জেন্টিনার কোচ সাবেয়া৷ মানেটা বোঝা গেল? মাসচেরানো তো আর্জেন্টিনাকে টানছে৷ যেহেতু ওর পায়ে আক্রমণ করার প্রবণতা আছে, তাই, ওকে ডানপ্রাম্ত থেকে আরও বেশি ওপরে ওঠার পরামর্শ দিতে পারেন আর্জেন্টিনার কোচ৷ যতই ঘিরে রাখা হোক না কেন মেসিকে, ও বেরবেই৷ কিন্তু বেরনোর পথে, ওয়াল খেলার জন্য বা মেসির হিল বোঝার জন্য তো এমন একজনকে চাই, যে এই কাজটা প্র্যাকটিসেও করেছে৷ ডি মারিয়া না থাকায়, মাসচেরানোকে, খানিকটা হলেও, এ কাজে ব্যবহার করা যেতেই পারে৷

হিগুয়েন গোল পেয়েছে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে৷ ফুটবলের সঙ্গে যারা ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে, তারা জানে, গোল পাওয়ার পর কিন্তু গোলের খিদে যায় বেড়ে৷ হিগুয়েন যেহেতু খুব বেশি গোল করেনি আম্তর্জাতিক ফুটবলে, তাই ও কিন্তু গোল পাওয়ার জন্য হল্যান্ড ডিফেন্সে বার বার ছোঁকছোঁক করতে করতে পৌঁছে যাবেই৷ এটাও সবাই জানেন, হল্যান্ডের কোচ লুই ভ্যান গাল অম্তত দু-থেকে তিন জন ফুটবলারকে মেসির পেছনে লাগিয়ে দেবেন৷ তখনই তো কাউন্টার অ্যাটাকটা তৈরি করতে হবে৷ হল্যান্ড কিন্তু ওপেন ফুটবলই খেলবে৷ সঙ্গে থাকবে দ্রুত গতি৷ এটা সামাল দেওয়ার জন্য আর্জেন্টিনার কোচ কিন্তু মাঝমাঠের পেছনে একজন হাইন্ড সুইপার রাখতে পারেন৷ যে কি না মিডফিল্ড এবং ডিফেন্সিভ থার্ডের মাঝখানে যে ফাঁকফোকর তৈরি হবে বা ছিটকে আসবে লুজ বল, সেগুলোকে ছড়িয়ে দেওয়ায় হবে তার ভূমিকা৷ জাবালেতাকে এই ভূমিকায় খেলানো যেত৷ কিন্তু, তাকে তো আর রক্ষণ থেকে সরানো যাবে না৷ তাই গাগো বা পেরেজের মধ্যে একজনকে ওই ভূমিকায় ভাবা যেতেই পারে৷ এখন যে উচ্চতায় বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল খেলতে হবে, তাতে কিন্তু গোটা মাঠেই দৌড়ে বেড়াতে হবে অম্তত ৯ জন ফুটবলারকে৷ খুব বেশি আলট্রা ডিফেন্সিভ ফুটবলের দিকে নজর দিলে হল্যান্ড যে মেসিদের ঘাড়ে উঠে পড়বে, সেটা আমাদের চেয়ে বেশি জানেন সাবেয়া৷ এটুকু বলা যায়, ডি মারিয়া চোট পেয়ে যাওয়ায়, হল্যান্ডের সুবিধাই হবে৷ যেমন সুবিধা হবে জার্মানির, নেইমার না থাকায়৷

প্রবল জাতীয়তাবোধ থেকে যদি ব্রাজিল জেগে না ওঠে, তা হলে অবাক হব৷ খুব ভালো খবর, নেইমারের জন্য এবার বিশ্বকাপ জিততে চাইছে অস্কার, পাওলিনহোরা৷ ওরা সবাই এটাও জানে, ৬২ সালে পেলে চোট পাওয়ার পর গ্যারিঞ্চা নামের এক মহানায়ক একার কাঁধে দায়িত্ব তুলে নিয়ে ব্রাজিলকে সেবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করেছিল৷ স্কোলারির হাতে কোনো গ্যারিঞ্চা নেই ঠিকই৷ কিন্তু, কে বলতে পারে, উগ্র জাতীয়তাবাদের ঢেউয়ে স্কোলারির হাতের সামনে তেমন কোনো পরিত্রাতা উঠে আসবে না? আদতে তো খেলাটার নাম ফুটবল৷ যেভাবেই হোক, জেতার জন্য কখন যে কেউ তারা থেকে মহাতারা হয়ে যায়, তা কে বলতে পারে৷ তবে, এটাও উল্লেখ করতে হবে, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিলকে কিন্তু ছিটকে দিতেই পারে হল্যান্ড এবং জার্মানি৷ দুটো সেমিফাইনালই দেখতে বসব এই প্রস্তুতি নিয়ে যে, ফাইনাল দেখছি! – ওয়েবসাইট।

দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে ইরাক থেকে ফিরলেন ৪১ জন

ইরাকে কর্মরত ৪১ জন বাংলাদেশি শ্রমিক দেশে ফিরে এসেছেন। মঙ্গলবার সকালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছেন তারা। ইরাকের বিভিন্ন্ স্থানে কর্মরত ছিলেন এসব শ্রমিক।

তারা জানান, ইরাকে বর্তমান পরিস্থিতিতিতে বাংলাদেশিরা খুবই ভীতিকর অবস্থায় আছেন। অনেক সময় ইরাকি পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে তাদের নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। অনেক দুঃসহ স্মৃতি তারা কখনো ভুলতে পারবেন না বলে জানান।image_89600_0

বিমানবন্দরে নামা বেশ কয়েকজন ইরাক ফেরত শ্রমিক জানায়, সুন্নি বিদ্রোহী নয়, তারা শিয়া নিরাপত্তাবাহিনীর হাতেই বেশি নির্যাতিত হয়েছেন। সুন্নি পরিচয় পেলেই পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর লোকেরা তাদের নির্যাতন করেছে। এমনকি দাড়ি কেটে নিয়েছে। বন্দুকের নল ঠেকিয়ে গুলি করার হুমকি দিয়েছে। এসব ভয়ে তারা নিজ খরচে দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছে।

নির্যাতনের শিকার এক বাংলাদেশি তার ওপর নির্যাতনের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, “আমার দাড়ি ছিল, পাসপোর্ট আছে। তারপরও আমার ওপর অসংখ্য নির্যাতন করা হয়েছে। আমার পায়ের গিট বরাবর তারা আমাকে আঘাত করেছে। তার আমার ঘাড়ে ধরে দাড়ি টেনে ওঠিয়েছে। দাড়ি ধরে যখন টান দিচ্ছিল তখন আমার মনে হচ্ছিল যেন আমার প্রাণ বেড়িয়ে যাচ্ছে।”

জিম্মি দশায় নির্যাতনের শিকার অপর এক বাংলাদেশি শ্রমিক বলেন, “আমাদের ওপর যে পরিমাণ নির্যাতন হয়েছে তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। সেই ঘটনা মনে পড়লে এখনো আমাদের শরীর শিউরে ওঠে।”

শ্রমিকরা জানিয়েছেন, জিম্মি দশা থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রত্যেক পরিবারকে বিমানের টিকিট বাবদ খরচ করতে হয়েছে ৫৫ হাজার টাকা। টাকার অভাবে আরো প্রায় ছয় হাজার শ্রমিক দেশে ফিরতে পারছে না বলেও জানান তারা।

জিম্মি দশা থেকে বাংলাদেশে ফেরত আসা এক শ্রমিক বলেন, “আমার বাড়ি থেকে ৫৫ হাজার টাকা দিয়ে টিকেট কেটে পাঠিয়েছে, তাই আমি দেশে আসতে পেরেছি। আমার মতো অসংখ্য মানুষ ইরাকে রয়েছে যারা এই টাকা যোগার করতে না পারায় দেশে ফিরতে পারছে না।”

এদিকে, ট্রাভেলিং এজেন্সি’র বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন তারা। পাশাপাশি ইরাকে বাংলাদেশি দূতাবাসের বিরুদ্ধেও এনেছেন নির্লিপ্ততার অভিযোগ।

ইরাকে নির্যাতিত এক বাংলাদেশি শ্রমিক বলেন, “আমাদের ওপর এতো অত্যাচার সত্ত্বেও সেখানকার প্রতিনিধি কোনো উদ্যোগ নেয়নি। অ্যাম্বাসিতে ফোন করার পর তারা বলে আমরা দেখছি।”

অবিলম্বে জিম্মি দশায় থাকা অন্যদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন শ্রমিকরা।

প্রসঙ্গত, ইরাকে নতুন করে যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় সেখানে বিভিন্ন কোম্পানিতে বাংলাদেশিসহ বহু বিদেশি শ্রমিক আটকা পড়ে।  ইরাকে প্রায় ২৫ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক রয়েছে।

সঙ্ঘের রাম মাধব এলেন সঙ্ঘের রাম মাধব এলেন বিজেপিতে

ভারতে কট্টর হিন্দুবাদী সংগঠন আরএসএসের বিশিষ্ট নেতা রাম মাধব আজ নাটকীয় ভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন। আরএসএস ও বিজেপির মধ্যে সমন্বয় রক্ষাকারী সাংগঠনিক সম্পাদক রামলাল যেমন আছেন তেমনি থাকবেন। তার উপরে রাম মাধবের যোগদান বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তা ছাড়া শুধু রাম মাধব নন, উত্তরপ্রদেশ থেকেও কমপক্ষে আরও দু’জন প্রচারক, যারা আরএসএসের মতাদর্শগত বিষয়ে যথেষ্ট সমঝদার বলে সঙ্ঘ পরিবারে বিশেষ ভাবে পরিচিত, তারাও বিজেপিতে যোগ দিলেন। ভবিষ্যতে দলে নরেন্দ্র মোদির একাধিপত্য নিয়ন্ত্রণে একে মোহন ভাগবতের কৌশল বলে মনে করছেন অনেকে। দলের বর্তমান সভাপতি রাজনাথ সিংহকে লোকসভার ডেপুটি লিডার মনোনীত করেছে মোদি সরকার। সঙ্ঘ নেতাদের বিজেপিতে আসা নিয়ে তিনি অবশ্য বলছেন, “এতে আরএসএস এবং বিজেপির মধ্যে সংঘাত নয়, সমন্বয় সাধনই বেশি করে হবে।”image_89582_0

অমিত শাহকে বিজেপির সভাপতি করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বদ্ধপরিকর। মোদির সেনাপতি অরুণ জেটলির মতো নেতা অমিত শাহকে সভাপতি করার জন্য দলের মধ্যে যথেষ্ট সক্রিয়। সঙ্ঘ পরিবারের পক্ষ থেকে অমিত শাহকে এখনই সভাপতি করার প্রশ্নে আপত্তি ছিল। বিশেষ করে অমিত শাহের বিরুদ্ধে যেখানে হত্যার মামলা পর্যন্ত রয়েছে। সে অভিযোগের শুনানিও চলছে আদালতে। চলতি জুলাই মাসের মাঝামাঝি অমিত শাহের ওই মামলার চূড়ান্ত শুনানি। অবশ্য মোদি সরকার গঠনের আগেই আদালতকে সিবিআই জানিয়ে দিয়েছে, অমিত শাহের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ প্রমাণ করা যাচ্ছে না।

এই অবস্থায় জুলাই মাসের মাঝামাঝি আদালত যদি অমিত শাহকে ক্লিনচিট দিয়ে দেয় তা হলে মোদি সঙ্গে সঙ্গে অমিতকেই সভাপতি করবেন বলে ঠিক করে ফেলেছেন। সে ক্ষেত্রে অমিত শাহের বিরুদ্ধে মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জে পি নাড্ডার মতো কাউকে সভাপতি করার প্রস্তাবটি নিয়ে তখন আর ভাবতে হবে না মোদিকে।

এই পরিস্থিতিতে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে দল সম্পূর্ণ মোদির নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে বলে আশঙ্কা সঙ্ঘ পরিবারে রয়েছে। কার্যত মোদি একচ্ছত্র অধিপতি হয়ে উঠবেন বলেও আশঙ্কা রয়েছে। মোদির কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করার মতো সঙ্ঘ পরিবারেও এখন কেউ নেই। সেটা জেনেই এখন মোহন ভাগবত আরএসএসের হয়ে আগাম ঘুঁটি সাজাচ্ছেন। অদূর ভবিষ্যতে স্বদেশি ও হিন্দুত্বের বিষয়গুলি নিয়ে মোদি সরকারের সঙ্গে যদি কোনো কারণে সংঘাত বাড়ে তা হলে সে ক্ষেত্রে যাতে আরএসএস বিজেপির মাধ্যমে মোদি সরকারের সঙ্গে মতাদর্শগত লড়াইটি চালাতে পারে, আসলে তার ব্যবস্থাই এখন থেকে করে রাখতে চাইছেন মোহন ভাগবত। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে কতটা সংঘাতের আবহে যাওয়া হবে, তিব্বত নিয়ে অবস্থান কী হবে, ৩৭০ ধারা থেকে রাম মন্দির এবং অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার মতো বিষয়গুলি নিয়ে যেখানে বিজেপির উপরে মতাদর্শগত নিয়ন্ত্রণ রাখাটা খুব জরুরি বলে মনে করছেন আরএসএসের শীর্ষ নেতৃত্ব।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আদলে প্রতিটি রাজ্য সংগঠনেও সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে সঙ্ঘের প্রতিনিধি থাকে। পশ্চিমবঙ্গে সত্যব্রত মুখোপাধ্যায় রাজ্য সভাপতি থাকার সময় ওই সাংগঠনিক সম্পাদকের পদটি তুলতে গিয়ে আরএসএসের কোপে পড়েছিলেন। এখন রাম মাধব ও অন্য সঙ্ঘ নেতাদের বিজেপিতে যোগ দেওয়ার মতো দলের বিভিন্ন রাজ্য শাখাতেও সঙ্ঘের নেতাদের উপস্থিতি বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। যেমন রাম মাধবের সঙ্গেই সঙ্ঘের উত্তরপ্রদেশ শাখার প্রান্ত-প্রচারক শিবপ্রসাদ এ দিন বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।- ওয়েবসাইট।

ইসরাইলি ভূখণ্ডে রকেট হামলা চালালো হামাস

ইসরাইলের ভূখণ্ডের অনেক ভেতরে রকেট হামলা করেছে অধিকৃত ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের গত শুক্রবার থেকে চালানো হামলার জবাবে এ রকেট হামলা করা হয়েছে।image_89595_0

অসমর্থিত সংবাদে বলা হয়েছে, আশদোদ শহরে একটি ভবনে রকেট আঘাত হানলে অন্তত এক ব্যক্তি আহত হয়েছে। সোমবার শেষ বেলায় এ সব হামলা চালানো হয়।
হামলার সময়  ইসরাইলের মধ্যাঞ্চলে চরম বিপদ সংকেত প্রদানকারী ‘কোড রেড’ সাইরেন বাজানো হয়। বর্তমান উত্তেজনা সৃষ্টির পর এই প্রথম ইসরাইলে এ জাতীয় সাইরেন বাজাতে হলো।

ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলে কয়েক মিনিটের মধ্যে বিপুলসংখ্যক রকেট দিয়ে হামলা চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে তেল আবিবের সেনাবাহিনী। ইসরাইলের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে- সন্ধ্যার পর অল্প সময়ের ব্যবধানে হামাস অন্তত ৪০টি রকেট ছুঁড়েছে।

এ হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে হামাসের সামরিক শাখা ইজাদ্দিন আল-কাসসাম ব্রিগেড।–ওয়েবসাইট।

নাইকোর মামলায় বাংলাদেশ জয়ী

নাইকোর দায়ের করা মামলায় ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক সালিসি আদালত ইকসিড (ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউট) বাংলাদেশের পে রায় দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান ড. হোসেন মনসুর। সোমবার এই রায়ের কপি হাতে পেয়েছেন বলে তিনি জানান।image_89587_0

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জানান, রোববার এই রায় হয়েছে। আর সোমবার তারা হাতে পেয়েছেন। নাইকো দু’টি মামলা করেছিল। একটির চূড়ান্ত রায় দিয়েছে অপরটির বিষয়ে ডিসেম্বরে অধিকতর শুনানি হবে।

এই রায়ের ফলে নাইকোর কাছ থেকে তিপূরণ আদায়ে আর কোনো বাধা থাকলো না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান ড. হোসেন মনসুর জানান, ছাতক গ্যাস ফিল্ডের টেংরাটিলায় দুর্ঘটনার কারণে কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকোর পাওনা পরিশোধ স্থগিত ও তাদের কাছে ক্ষতিপূরণ আদায়ে মামলা দায়ের করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পদক্ষেপ চ্যালেঞ্জ করে ইকসিডে যায় নাইকো।

২০১০ সালের জুলাইয়ে ইকসিডে মোট দু’টি মামলা করা হয়। একটি গ্যাসের বকেয়া বিল আদায়সংক্রান্ত (আরবি/১০/১৮) মামলা আর অন্যটি টেংরাটিলা বিস্ফোরণে তিপূরণের মামলা (আরবি/১০/১১)।

নাইকোর প্রধান দাবি ছিল, বাংলাদেশ সরকারের কাছে ২৭ দশমিক ৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পাবে গ্যাস বিল বাবদ। কিন্তু সেই বিল বাংলাদেশ সরকার পরিশোধ করছে না। বিল পরিশোধের নির্দেশনা চাওয়া হয়। অথবা সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক গ্যারান্টি দিতে হবে বাংলাদেশকে।

অন্য দাবি হচ্ছে, বাংলাদেশে অবস্থিত তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রির অনুমতি। প্রথম মামলার বিষয়ে ডিসেম্বরে অধিকতর শুনানি হবে।

আর দ্বিতীয়টি পুরোপুরি খারিজ করে দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের অনুমতি ছাড়া নাইকো তাদের স্থাবর-অস্থাবর কোনো মালামাল হস্তান্তর করতে পারবে না বলে জানান তিনি।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আরো জানান, নাইকোর মালামাল ক্রোক করার জন্য বাংলাদেশের আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। সেই মামলা পরিচালনাতেও কোনো বাধা থাকলো না।

টেংরাটিলায় অনুসন্ধান কূপ খননের সময় নাইকোর অবহেলার কারণে ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি ও ২৪ জুন দুই দফা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

বিস্ফোরণের ঘটনায় বিপুল পরিমাণ গ্যাসের ক্ষতি হয়। একই সাথে ওই এলাকার গাছপালা পুড়ে পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় নাইকোর কাছে ৭৪৬ কোটি ৫০ লাখ ৮৩ হাজার ৯৭৩ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে পেট্রোবাংলা।

বেসিক ব্যাংকে চার পরিচালক নিয়োগ

রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে চারজন পরিচালক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।image_89511_0

পরিচালক পদে নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন- যুগ্ম সচিব মামুন আল রশীদ, বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের সাবেক এমডি রায়হানা আনিসা ইউসুফ আলী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মজিব আহমেদ ও হাসান মাহমুদ এফসিএ।

প্রজ্ঞাপন জারির দিন থেকে এরা পরবর্তী তিন বছর দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংকে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের লক্ষ্যে রবিবার দুপুরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পুরনো পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয়া হয় এবং আলাউদ্দিন এ মজিদকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেয়া হয়। ৬ জুলাই রোববার নিয়োগ কার্যকর করা হয়।

এদিকে বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়ার পর রোববারই ব্যাংকের নতুন পরিচালনা পর্ষদ নিয়োগে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনাপত্তির জন্য মন্ত্রণালয় থেকে ছয় জনের নামের একটি তালিকা পাঠানো হয়। এদের মধ্যে চার জনের বিষয়ে অনাপত্তি জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

যে দুজনের ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক এখনও অনাপত্তিপত্র পাঠায়নি তারা হলেন- কমার্স ব্যাংকের সাবেক ডিএমডি মো. আসাদুজ্জামান ও শিল্পম ন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগ।

ঋণ বিতরণে অনিয়ম ও নিয়োগ-পদোন্নতিতে কেলেঙ্কারি ঠেকাতে ব্যর্থ বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয়ার সুপারিশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গত ২৯ মে বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠায় বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে ২৬ মে ব্যাংকের গুলশান, দিলকুশা, শান্তিনগরসহ বিভিন্ন শাখায় ঋণ বিতরণে অনিয়ম ঠেকাতে ব্যর্থতার অভিযোগে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ফখরুল ইসলামকে অপসারণ করা হয় এবং ব্যাংকের সিনিয়র ডিএমডি ফজলুস সোবহানকে ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত এমডি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারিশ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী তখন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ‘পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হবে না, তবে পুনর্গঠন করা হবে।’

এ ধারাবাহিকতায় বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চু গত শুক্রবার বিকেলে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে তার সরকারি বাসভবনে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন। এর দুই দিন পরই রোববার ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয় সরকার।

হিরনের স্ত্রীর সংসদের সদস্য পদ নিয়ে হাইকোর্টের রুল

নির্বাচনপূর্ব আচরণ বিধি লঙ্ঘনের দায়ে বরিশাল-৫ আসনের উপ-নির্বাচনে প্রয়াত সংসদ সদস্য শওকত হোসেন হিরনের স্ত্রী জেবুন্নেছা আফরোজকে কেন সংসদ সদস্য হিসেবে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।image_89504_0

এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি সোমবার বিচারপতি জিনাত আরা ও বিচারপতি মো. নুরুল হুদা জায়গীরদারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন কমিশন, বরিশাল জেলার রিটার্নিং অফিসার ও সংসদ সদস্য জেবুন্নেছাসহ সংশ্লিষ্টদেরকে এ রুলের জবাব দিতে আদেশ দেয়া হয়েছে।

বরিশাল-৫ আসনের উপ নির্বাচনে বিএনএফ’র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম লিটন গত ৮ জুন হাইকোর্টে এ রিট দায়ের করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস তালুকদার কাজল।

এর আগে এ রিটের পর প্রাথমিকভাবে বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি খোরশেদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে শুনানি করতে বিব্রতবোধ করেন।

এরপর প্রধান বিচারপতি তৃতীয় বেঞ্চ হিসেবে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন। এই বেঞ্চও শুনানি করতে বিব্রতবোধ করেন।
এরপর প্রধান বিচারপতি শুনানি করতে নতুন বেঞ্চ ঠিক করে দেন। সোমবার প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত জেবুন্নেছা আফরোজকে সংসদ সদস্য হিসেবে কেন অযোগ্য ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।