বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬

অভিনেতা রাজ্জাকের অবস্থার উন্নতি

শ্বাসকষ্ট ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন চলচ্চিত্র অভিনেতা রাজ্জাক। শুরুতে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়।image_91262_0

শনিবার দুপুরে তার ছোট ছেলে সম্রাট বলেন, ‘আব্বার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে। আশা করছি, আজ-কালের মধ্যে তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হবে।’

এর আগে গত মার্চ ও এপ্রিল মাসে শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে দুবার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন রাজ্জাক। অনেক দিন থেকেই ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছেন রাজ্জাক।

১৫ ইসরাইলি সেনা নিহতের দাবি হামাসের

ফিলিস্তিনি ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস যোদ্ধাদের সঙ্গে সংঘর্ষে ইসরাইলের ১৫ সেনা নিহত এবং তিনটি সামরিক যান ধ্বংস হয়েছে। হামাসের সামরিক শাখা ইজাদ্দিন আল-কাসসাম এক বিবৃতিতে এ দাবি করেছেন।image_91257_0

এতে বলা হয়েছে, গাজা থেকে সুড়ঙ্গপথে দক্ষিণাঞ্চলীয় ইসরাইলি শহর এশকোলে চালানো অতর্কিত হামলায় ইহুদিবাদী ইসরাইলের ছয় সেনা নিহত হয়েছে। ইজাদ্দিন আল-কাসসাম বিগ্রেডের ১২ সদস্য নিয়ে গঠিত একটি নির্বাচিত ইউনিট এ হামলা চালিয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া সুড়ঙ্গপথে চালানো অপর দুই হামলায় আরো সাত ইসরাইলি সেনা নিহত হয়েছে।

ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা ইসরাইলি এক একটি গাড়ি উড়িয়ে দিলে এক মেজর নিহত হয়। নেগেব মরুভূমির দিমোনা শহরে আরেক ইসরাইলি সেনা নিহত হয়েছে।

হামাসের দেয়া হিসাব মোতাবেক গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর স্থল অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের হাতে কমপক্ষে ১৬ ইহুদিবাদী সেনা নিহত হয়েছে।

অবশ্য ইসরাইল এ পর্যন্ত কেবল মাত্র তিন সেনা নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছে।

এদিকে, টানা ১২ দিনের ইসরাইলি আগ্রাসনে প্রায় সাড়ে তিনশ’ ফিলিস্তিনি নিহত ও আড়াই হাজার আহত হয়েছেন। সূত্র: আইআরআইবি

আজ থেকে ট্রেন ও বিআরটিসি বাসের অগ্রিম টিকিট

রোববার থেকে পাওয়া যাবে ট্রেন এবং বিআরটিসি বাসের অগ্রিম টিকিট। ঈদ উপলক্ষে ট্রেন এবং বিআরটিসি কর্তৃপক্ষ এ টিকিট বিক্রি শুরু করবেন। প্রতিদিন ট্রেনের ১৮ হাজার টিকিট বিক্রি হবে। আর ২৪ জুলাই থেকে শুরু হবে ঈদ স্পেশাল ট্রেন ও বাস সার্ভিস। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হয়ে চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।image_91156_0

এদিকে ঈদের পর ফিরতি ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২৭ জুলাই থেকে। ওই দিন বিক্রি করা হবে ৩১ জুলাইয়ের ফিরতি টিকিট। প্রতিবারের মতো এবারো একজন যাত্রী সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারবেন।

রেল সূত্র জানায়, ঈদ উপলক্ষে রেলের অগ্রিম টিকিট রোববার থেকে বিক্রি শুরু হবে। বিক্রি চলবে ২৪ জুলাই পর্যন্ত। রোববার বিক্রি হবে ২৪ জুলাইয়ের টিকিট, ২১ জুলাই ২৫ জুলাইয়ের, ২২ জুলাই ২৬ জুলাইয়ের, ২৩ জুলাই ২৭ জুলাইয়ের এবং ২৪ জুলাই ২৮ জুলাইয়ের টিকিট বিক্রি হবে।

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট করপোরেশন (বিআরটিসি) প্রতিবছরের মতো এবারো ঈদে যাত্রীদের চাহিদা পূরণে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করবে রোববার থেকে। আর বিশেষ সার্ভিস শুরু হবে ২৪ জুলাই থেকে। ঈদে বিআরটিসি এসি ও নন-এসি মিলে মোট ৯০০ বাস পরিচালনা করবে।

রোববার দেয়া হবে ২৪ জুলাইয়ের টিকিট। পর্যায়ক্রমে ২৮ অথবা ২৯ জুলাইয়ের টিকিট বিক্রি হবে। মতিঝিল, গাজীপুর, জোয়ার সাহারা, উথলী, নারায়ণগঞ্জ, দ্বিতল বাস ডিপো, কল্যাণপুরসহ সাতটি ডিপো থেকে অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন যাত্রীরা। এ ছাড়া, যাত্রীদের সুবিধার্থে আগামী ২৪ জুলাই ঈদ স্পেশাল সার্ভিস চালু করবে। চলবে ঈদপরবর্তী তিন দিন পর্যন্ত।

১০০ মিলিয়ন ছুঁয়ে রেকর্ড গড়লেন শাকিরা

রেকর্ড সৃষ্টি করলেন কলোম্বিয়ার জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী শাকিরা। গিনেস ওয়ার্ল্ডস রেকর্ডস নিশ্চিত করেছে সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুকে তিনি একটি নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন৷শাকিরাই ইতিহাসে প্রথম ব্যক্তি যিনি ফেসবুকে ১০০ মিলিয়ন লাইক পেয়েছেন।index

‘লা লা লা’ খ্যাত কলোম্বিয়ার এই সঙ্গীতশিল্পী রেকর্ড সৃষ্টির মধ্য দিয়ে চলে গেলেন অন্য মাত্রার  উচ্চতায়। সম্প্রতি তিনি ব্রাজিলের  মারাকানা স্টেডিয়ামে দাঁড়ানো একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন৷  ব্রাজিল বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার আগের মুহূর্ত ছিল সেটা। ছবিটি মাত্র চার দিনের মধ্যেই ৩.৫ মিলিয়ন লাইক পায়৷ এটাই এই তারকার সবচেয়ে বেশি লাইক পাওয়া ছবি।

এ সফলতার ব্যাপারে মন্তব্য করতে গিয়ে শাকিরা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘আমি সম্মানিত এবং আনন্দিতবোধ করছি এই মাইলস্টোন অর্জন করার জন্য৷  কারণ এটা একান্তই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সমর্থকদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সংযুক্ত হবার একটা মুক্ত প্রকাশ।’

তিনি এও বলেন, ‘ সোসাল নেটওয়ার্কিং সাইট বিশেষ করে ফেসবুক আমাকে ও আমার মতো অন্যান্য তারকাদের জন্য মঞ্চ এবং দর্শকদের মধ্যেকার ব্যবধান ঘুচিয়ে দিয়েছে । আমরা এখন কথোপকথন তৈরি করতে পারি৷ যেখানে শিল্পী এবং সমর্থক দু’জনই নিজেদের চিন্তা, অর্জন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, ছবি, ভিডিও শেয়ার করতে পারে আলাপচারিতার মাধ্যমেই ।’– ওয়েবসাইট।

বিমান বিধ্বস্তে চাপ বাড়ছে রাশিয়ার ওপর

পূর্ব ইউক্রেনে রাশিয়াপন্থী বিদ্রোহীদের ওপর চাপ বাড়িয়ে বিমান বিধ্বস্তের স্থানে পূর্ণ তদন্ত করতে দিতে রাশিয়ার প্রতি দাবি করছে পশ্চিমা দেশগুলো।
গত বৃহস্পতিবার ২৯৫ জন আরোহী একটি মালয়েশিয়ান যাত্রীবাহী বোয়িং পূর্ব ইউক্রেনে বিধ্বস্ত হয়। এই ঘটনায় অধিকাংশ নিহত যাত্রী ছিলেন ডাচ।

ওদিকে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে বলেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সহযোগিতা করতে চান কিনা তা প্রমাণের সময় গড়িয়ে যাচ্ছে। অবশ্য রাশিয়া পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে তথ্য যুদ্ধের অভিযোগ তুলেছে।image_91254_0

আমেরিকা ও বৃটেন, রাশিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলেছে, পূর্ব ইউক্রেনের যেখানে বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে সেখানে আন্তর্জাতিক তদন্তকারীদের গিয়ে পূর্ণ তদন্ত করতে দিতে হবে।

ওদিকে বিধ্বস্ত বিমানের ব্লাকবক্স ফ্লাইট রেকর্ডারের ভাগ্যে কি ঘটেছে তা এক রহস্য রয়ে গেছে।

রাশিয়াপন্থী বিদ্রোহীরা বলেছে তারা ওই ব্লাকবক্স পায়নি। রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন নিহতদের মৃতদেহকে চূড়ান্ত অসম্মান করা হচ্ছে।

মালয়েশিয়ার এই বিমানে দুই শতাধিক ডাচ নাগরিক ছিলেন। রুটে বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব মৃতদেহগুলো উদ্ধার করা দরকার।

তিনি বলেন, এই মুহূর্তে প্রয়োজন যত দ্রুত সম্ভব নিহতদের মৃতদেহ সৎকারে হস্তান্তর করা। যারা এ কাজে সহযোগিতা করবে না তাদের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন থাকবে। মৃতদেহগুলোর প্রতি চরম অবজ্ঞা করা হচ্ছে।

রুটে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করেছেন বলে সাংবাদিকদের জানান।

তিনি বলেন, পুতিন তদন্তে সহযোগিতা করতে চান কিনা তা দায়িত্ব নিয়ে দেখাতে হবে এবং বিদ্রোহীদের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে হবে।

রুশপন্থী বিদ্রোহীরা ওই ঘটনার সাক্ষ্যপ্রমাণ নষ্ট করে ফেলার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছে ইউক্রেনের সরকার।

বিবিসির সংবাদদাতা জানাচ্ছেন, বিমান বিধ্বস্ত হবার স্থানটি নিরাপদ নয়। কিছু মৃতদেহ স্ট্রেচার ও প্লাস্টিক ব্যাগে করে সরানো হয়েছে। বেসামরিক স্বেচ্ছাসেবীরা এসব কাজ করছেন। ইউক্রেন ও রাশিয়াপন্থী বিদ্রোহীদের উভয়পক্ষই বিমান বিধ্বস্ত হবার দায় অস্বীকার করেছে। সূত্র: বিবিসি

মদিনায় পৌঁছেছেন খালেদা-তারেক

পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরবের মদিনায় পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তার জ্যেষ্ঠ ছেলে, দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার স্ত্রী জোবায়দা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান। বিএনপির একটি সূত্র এ খবর নিশ্চিত করেছে।image_91256_0

স্থানীয় সময় শনিবার রাত সোয়া ৩টায় এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে মদিনা আমির মোহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা।

এর আগে রাত সাড়ে ৯টায় হজরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে দুবাই পৌঁছেন খালেদা জিয়া। ওদিকে পরিবার নিয়ে লন্ডন থেকে আগেই দুবাই পৌঁছেন তারেক রহমান। ২০১১ সালের পর বিমানবন্দরে মা-ছেলের প্রথম সাক্ষাৎ হয়। এরপর তারা দুবাই বিমানবন্দর থেকে একই ফ্লাইটে মদিনায় পৌঁছেন।

সৌদি আরবের বাদশাহ আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজের রাজকীয় মেহমান হিসেবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ তার সফরসঙ্গীরা দেশটিতে অবস্থান করবেন। খালেদা জিয়া মদিনায় দুদিন অবস্থানকালে তিনি মহানবী হজরত মুহাম্মদ সা.-এর রওজা মোবারক জিয়ারত ও মসজিদে নববিতে এবাদত বন্দেগি করবেন। এরপর তিনি মদিনা থেকে মক্কায় গিয়ে ওমরাহ পালন করবেন।  আগামী ২৭ জুলাই ভোরে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

আমার পরিকল্পনায় আন্দোলন, এ ধারণা বানানো: তারেক

তারেক রহমানের পরিকল্পনা ও নির্দেশে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট রমজানের পরপরই সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরু করতে যাচ্ছে- এই ধারণার সঙ্গে একমত নন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নিজেই। লন্ডনে কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমার পরিকল্পনায় আন্দোলন হবে, এই ধারণা বা পারসেপশন কিছু লোকের বানানো। আন্দোলন হবে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি ও এর জোট নেতাদের পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী।’ সময়মতো রাজনীতিতে আবার সক্রিয় হবেন বলেও জানান তারেক রহমান।image_91252_0

দীর্ঘ দিন বাংলাদেশে নিজের অনুপস্থিতি সম্পর্কে তার ভাষ্য- ‘আমি দেশে থাকার সময় দেশের টাকা নাকি পাচার হয়ে যেত। সন্ত্রাস হতো, অনেক খারাপ কাজ হতো। এখন তো আমি দেশে নেই। দেশ তো এখন অনেক ভালো থাকার কথা।’ নিজের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তিনি জানান, ওয়ান ইলেভেনের সময় তার ওপর নির্যাতনের ক্ষতি সারা জীবনই তাকে বয়ে বেড়াতে হবে।

গত ১৫ জুলাই উত্তর-পূর্ব লন্ডনের রমফোর্ড উপশহরের একটি সিটি প্যাভিলিয়নে যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত ইফতার পার্টিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওই অনুষ্ঠানে তিনি তার বক্তব্যে বাংলাদেশের নানা সমস্যা ও উন্নয়ন সম্পর্কে নিজের ধারণা ও পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে আমাদের প্রত্যেককে কিছু কিছু ক্ষুদ্র স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠতে হবে। দেশটা কারো একার নয়, কারো বাবার নয়, দেশটা সবার।’ ইফতারের পর তিনি স্থানীয় নেতা-কর্মীদের ভিড় এড়িয়ে কালের কণ্ঠের সঙ্গে কিছু সময় কথা বলেন।

৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর ছয় মাস পেরিয়ে গেছে। দেশে একপক্ষের প্রত্যাশা ও অন্যপক্ষের আশঙ্কা ছিল বিএনপি ও তার শরিক দলগুলো বড় ধরনের আন্দোলনে নামবে। কিন্তু আজও সে প্রত্যাশা বা আশঙ্কা বাস্তবে রূপ পায়নি। এর জবাবে তারেক রহমান বলেন, আন্দোলন তো অনেক বড় আকারে হয়েছে। এক মাসের বেশি সময় ঢাকা শহর সারা দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল।

আমরা নির্বাচন-পরবর্তী আন্দোলনের কথা জানতে চাইছি-  এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আপনারা- সাংবাদিকরা মাঠের অবস্থার কথা ভালো জানেন। পাঁচ জানুয়ারির পরের দিনের সব সংবাদপত্রের রিপোর্টগুলো যদি আমরা এক জায়গায় করি, তাহলে সহজেই বলে দেওয়া যায়, ৯৫ শতাংশ ভোটার ওই নির্বাচনে ভোট দিতে যায়নি। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে করাপ্ট এবং পলিটিক্যালি বায়াস বর্তমান ইলেকশন কমিশনও বলেছে, যে ১৪৭টি আসনে ভোট হয়েছে তার মধ্যে ৪৪টি কেন্দ্রে কোনো ভোট পড়েনি। ওই ৪৪টি কেন্দ্রে কি আওয়ামী লীগের কোনো লোকজন ছিল না? তারাও ভোট দিতে যায়নি। তার মানে ক্ষেত্রবিশেষে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে আওয়ামী লীগের একটি অংশও নির্বাচন বয়কট করেছে। এখানে প্রমাণ হচ্ছে বর্তমান অবৈধ সংসদের বিরোধী দল নয়, সত্যিকারের বিরোধী দল যদি আন্দোলনের ডাক দেয় তাহলে তা অবশ্যই সফল হবে। এ বিষয়ে বিএনপি ও এর নেতৃত্বাধীন জোটের নেতারা আলোচনায় বসবেন। তাঁদের সিদ্ধান্তেই ধীরে ধীরে কর্মসূচি আসবে।

আপনি নিজে এ আন্দোলনে কিভাবে অ্যাকটিভ থাকতে চাইছেন- এ প্রশ্নের জবাবে তারেক বলেন, সময়মতো এটাও হবে। আগে তো আমি অ্যাকটিভলিই রাজনীতি করেছি।

দেশে বিএনপির মধ্যে একটা স্ট্রং পারসেপশন আছে, তারেক রহমানের উপস্থিতি ছাড়া আন্দোলন তেমন জোরদার হবে না- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই একানব্বই সালে আমরা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করেছি এবং জয়ী হয়েছি। আপনাদের নিশ্চয় মনে আছে, সে সময় সব দল একসঙ্গে একটি প্রতিবাদ মিছিল করতে চেয়েছিল। চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার জনসভায় এরশাদ সরকার গুলি চালিয়েছিল। তারই প্রতিবাদে সে মিছিলের আয়োজন হয়। কিন্তু শেখ হাসিনা প্রাণের ভয়ে তাতে অংশ নেননি। সে সময় খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই আন্দোলন সফল হয়েছিল। যে পারসেপশনের কথা বলছেন, তা কিছু লোকের বানানো। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই আন্দোলন হবে এবং তা সফল হবে।

আরেক প্রশ্নের উত্তরে তারেকের জবাব, দলের অনেকে এই মুহূর্তে আন্দোলনে আমার সক্রিয় অংশগ্রহণ দেখতে চায়। আমি দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতি করেছি। এটি তারই সুফল।

নিজের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, আগের থেকে অনেক ভালো। তবে আমার শারীরিক ক্ষতি যেটা করা হয়েছিল, মানে ফ্যাকচারটা- তার এক বছর পর আমি এখানে এসেছি। ডাক্তার আমাকে বলেছেন, তৎক্ষণাৎ যদি অপারেশনটা করা হতো তাহলে সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যেত। কিন্তু দেরি হয়ে গেছে। টেন টু ফিফটি পারসেন্ট সমস্যা সারা জীবনই থেকে যাবে।

এই সাক্ষাৎকারের আগে তারেক রহমান যখন সিটি প্যাভিলিয়নে বক্তব্য রাখছিলেন তখন মাঝে মধ্যেই সেখানে স্থানীয় কর্মীদের বসার জায়গা নিয়ে বিতর্ক ও হৈচৈ হচ্ছিল। এতে বারবার বক্তব্য থামাতে বাধ্য হন তারেক রহমান। তবে বিষয়টি সম্পর্কে তার মন্তব্য, নিজের সংসারকেও কি আমরা সব সময় সমস্যামুক্ত রাখতে পারি? সূত্র: কালের কণ্ঠ

তালায় কুড়িয়ে পাওয়া বোমা বিস্ফোরণে স্কুলছাত্রী আহত

সাতক্ষীরার তালায় কুড়িয়ে পাওয়া বোমা বিস্ফোরনে মিম (১১) নামের এক স্কুলছাত্রী গুরুতর আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল আটটায় তালা উপজেলার জালালপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।image_90903_0

গুরতর আহত অবস্থায় মিমকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। সে জালালপুর গ্রামের মৃত রুহুল আমিন গাজীর মেয়ে।

স্থানীয়রা জানান, মিম সকালে বাড়ির উঠানে একটি জর্দ্দার কৌটা দেখতে পেয়ে তা উঠাতে যায়। এ সময় কৌটাটি বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে শিশু মিম। তার আহাজারীতে লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে। মিমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে বোমার স্প্রিন্টারের ক্ষত বিক্ষত হয়।

তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিকী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কে বা কারা বাড়ির উঠানে বোমাটি ফেলে রেখে যায়। জর্দ্দার কৌটা ভেবে শিশু মিম তা উঠাতে গেলে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

বেনাপোলে শিশুসহ আটক ১৭

ভালো কাজের আশায় দালালের মাধ্যমে অবৈধ সীমান্ত পথে ভারতে যাওয়ার সময় বেনাপোলের পুটখালী সীমান্ত এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার ভোরে শিশুসহ ১৭ জন নারী-পুরুষকে আটক করেছে বিজিবি।image_90889_0

বেনাপোল পোর্ট থানার পরিদর্শক অপুর্ব হাসান জানান, বিজিবি সদস্যরা ভোরের দিকে পুটখালী সীমান্তের বালুরমাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশুসহ ১৭ বাংলাদেশী নাগরিককে আটক করে।

আটককৃত সকলকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করেছে বিজিবি। এরা দালালের মাধ্যমে ভালো কাজের জন্য ভারতে যাচ্ছিল বলে তিনি জানান। এদের মধ্যে তিনজন নারী ১২ জন পুরুষ ও দুইজন শিশু রয়েছে।

এদের সকলের বাড়ি নড়াইল,পিরোজপুর,বাগেরহাট ও বরিশাল জেলার বিভিন্ন এলাকায়।

এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি মামলা হয়েছে।

আর্জেন্টিনাকে কটাক্ষ করে নাচ, জার্মানিতেই তুমুল সমালোচনা

ফুটবলে শুধু যে বোকাই আছে তা নয়, বোকার হদ্দও আছে’ – এ কথা জার্মানির বিশ্বকাপজয়ী কয়েকজন ফুটবলারকে উদ্দেশ্য করে লিখেছে জার্মানিরই এক পত্রিকা৷

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আর্জেন্টাইনদের কটাক্ষ করে নেচে জার্মানিতেই এখন তুমুল সমালোচিত মারিও গ্যোৎসেরা৷ গ্যোৎসের গোলেই ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারায় জার্মানি৷ তারপর থেকে আরেকটি উপমাও যোগ হয়েছে নামের আগে, গ্যোৎসে এখন ‘ওয়ান্ডার বয়’ গ্যোৎসে৷ তবে মঙ্গলবার বার্লিনে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ‘ওয়ান্ডার বয়’ এবং তার আরো পাঁচ সতীর্থ যে কাণ্ড করেছেন তাকে জার্মান সংবাদ মাধ্যম মোটেই ভালোভাবে নেয়নি৷ তাদের নাচকে ‘কুরুচিপূর্ণ’ বলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ফুটবলার হিসেবে তাদের বুদ্ধি নিয়ে উল্টো কটাক্ষই করেছে পত্রিকাগুলো৷image_90866_0

বার্লিনের ব্রান্ডেনবুর্গ গেটের পেছনে বিশাল মঞ্চে ৫ লাখ সমর্থকের সামনে নেচে-গেয়ে বিশ্বকাপ জয় উদযাপন করার এক পর্যায়ে অদ্ভুত ভঙ্গিমায় কুঁজো হয়ে নেচে বেড়াতে দেখা যায় গ্যোৎসেসহ ছয় জার্মান ফুটবলারকে৷ কী নাচ ছিল সেটা? খেলোয়াড়রা তা-ও বলে দিয়েছেন৷ নাচতে নাচতে তারা তখন গাইছিলেন, ‘‘এইভাবে গাউচোরা (আর্জেন্টাইনরা) হাঁটে, গাউচোরা হাঁটে ঠিক এইভাবে৷” তারপরই লাফিয়ে নাচের ভঙ্গি বদলে ফেলেন তারা৷ সোজা হয়ে নাচতে নাচতে তারা তখন গাইতে থাকেন, ‘‘আর এভাবে জার্মানরা হাঁটে, জার্মানরা হাঁটে ঠিক এইভাবে৷” উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের কাছে পুরো পরিবেশনাটি নিছক বিনোদনই মনে হয়েছিল৷ তাই নাচ দেখে তারা প্রাণ খুলে হেসেছেন আর হাত তালি দিয়ে উৎসাহ দিয়েছেন বিশ্বকাপ জিতে দেশে ফেরা ফুটবলারদের৷

কিন্তু সংবাদ মাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়াটা হয়েছে উল্টো৷ ফ্রাঙ্কফুর্টার আলগেমাইনে সাইটুং গ্যোয়েৎসেদের সমালোচনা করে লিখেছে, ‘‘ব্রান্ডেনবুর্গ গেটের কাছে বিজয় উদযাপনের অনুষ্ঠানটা জার্মানদের জন্য যেন এক আত্মঘাতী গোল৷ ফাইনালের প্রতিপক্ষকে ভাঁড়ের মতো কটাক্ষ করে ফুটবলাররা একটি মুক্তমনা, সহনশীল জাতিকেই খাটো করেছে৷”

টাগেসস্পিগেল গ্যোৎসেদের নাচকে ‘রুচিহীন’ আখ্যা দিয়ে লিখেছে, এর মাধ্যমে ফুটবলাররা ব্রাজিলের মাঠে যে সুন্দর আচরণ দেখিয়ে সুনাম কুড়িয়েছিল তার অনেকটাই মাটি করে দিল৷ পত্রিকাটি জনসমক্ষে একটি জাতিকে কটাক্ষ করার মতো ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণের সমালোচনা শেষ করেছে এভাবে, ‘‘জার্মানদের শালীনতাবোধের নিজস্ব অহংকারটাও গেল৷ তাদের কাছে নিজেদের আনন্দটাই যথেষ্ট ছিলনা, বোঝা গেল, দুঃখে নুয়ে পড়া প্রতিপক্ষের ওপর আরেকটু অত্যাচার চালানোর পরই শুধু তাদের আনন্দ পূর্ণতা পায়৷ জার্মানির বাইরের অনেক মানুষের মাথায় বিশ্বকাপের স্মৃতি হিসেবে এখন হয়তো এ ব্যাপারটাই থাকবে৷ এটাও হয়তো ঠিক যে এভাবে নেচে তারা হয়তো বিশেষ কিছু বোঝাতে চাননি৷ কিন্তু তারা দেখিয়ে দিয়েছেন, ফুটবলে শুধু যে বোকাই আছে তা নয়, বোকার হদ্দও আছে৷ ”-এএফপি