মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬

ফোন চুরি ঠেকাতে ওরাকল সফটওয়্যার

oracle softস্মার্ট ফোনের চুরি কমাতে কমিউনিকেশন ইগল আইডেন্টিটি রেজিস্টার নামের নতুন সফটওয়্যার দেশের বাজারে এনেছে ওরাকল।

ওরাকলের নতুন এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে কমিউনিকেশন সার্ভিস প্রোভাইডার (সিএসপি) প্রতিষ্ঠানসমূহ সহজেই এই কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে তাদের গ্রাহকদের তথ্য সংযুক্ত করতে পারবে বলে জানিয়েছেন ওরাকল কমিউনিকেশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং জেনারেল ম্যানেজার বাকসার গর্তি।

তিনি জানিয়েছেন, ওরাকলের এই সফটওয়্যার ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের গ্রাহকদের স্মার্টফোনের ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুয়িপমেন্ট আইডেনটিটি (আইএমইআই) কোড সহজেই কেন্দ্রীয় রেজিস্টারে প্রবেশ করিয়ে দিতে পারবে এবং তা কালো তালিকাভুক্ত হয়ে যাবে। যেহেতু স্মার্টফোনটি কালো তালিকাভুক্ত হয়ে যাবে সেহেতু কোনো নেটওয়ার্কেই আর এই ফোন ব্যবহার করা যাবে না। ফলে স্মার্টফোন চুরির প্রবণতাও কমে যাবে।

ওরাকলের এই সফটওয়্যারটি একটি ডাটাবেজের মাধ্যমেই ২জি, ৩জি এবং ৪জি তথ্য এবং চুরিকৃত মোবাইল ডিভাইসের তথ্য সহজেই ব্যবস্থাপনা করতে পারবে।

প্রধানমন্ত্রীকে ইংল্যান্ড সফরের আমন্ত্রণের ইচ্ছে নেই : ব্রিটিশ হাই কমিশনার

gibson0বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আপাতত ইংল্যান্ড সফরের আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইংল্যান্ডের হাই কমিশনার রবার্ট ডাব্লিউ গিবসন।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইংল্যান্ডে সফরের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না। এর পাশাপাশি র‌্যাব ও পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেয়ারও কোনো পরিকল্পনা ইংল্যান্ডের নেই।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোমেটিক করসপন্ডেন্ট এসোসিয়েশন-বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ডি-ক্যাব টক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইনের শাসন ও মানবাধিকার নিশ্চিত করাই গণতান্ত্রিক শাসন। এটা কমনওয়েলথের ভাবধারা। রাশিয়া ও চীন কমনওয়েলথের সদস্য না। কিন্তু বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য। তাই কমনওয়েলথের সদস্য হিসেবে বৃটেন এ ব্যাপারে কথা বলতে পারে। এ সময় তিনি ৫ জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের বিষয়ে হতাশা প্রকাশ করেন।

গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার মতো ইস্যুতে বৃটেন চোখ বন্ধ করে নেই বলেও জানান রবার্ট গিবসন।

তিনি বলেন, সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অধিকাংশ মানুষ অংশ নিতে পারেনি, যা আমাদের অত্যন্ত ব্যথিত করেছে। এই নির্বাচনে সহিংস ঘটনা বাংলাদেশের সাফল্যকে ম্লান করে দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

হাইকমিশনার বলেন, ভোট ছাড়া গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন শক্তিশালী দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিতামূলক প্রতিষ্ঠান, স্বাধীন গণমাধ্যম, আইনের শাসন এবং নারী-পুরষের সমঅধিকার।

এ সময় ৫ জানুয়ারি নির্বাচন নিয়ে বৃটেনের আগের অবস্থান পূর্ণব্যক্ত করেন তিনি। একইসঙ্গে সমঝোতার জন্য বিরোধী দলের সঙ্গে সংলাপে বসতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

এক প্রশ্নের জবাবে রবার্ট গিবসন বলেন, অধিকাংশ পোষাক কারখানা এখনো যথাযথ মান অর্জন করতে পারেনি।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, পোশাক খাতের উন্নয়নে ইংল্যান্ড বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চায় কিন্তু তাজরীন ফ্যাশন্স এবং রানা প্লাজার মতো মতো অনাকাঙিক্ষত ঘটনা আর দেখতে চায় না। বাংলাদেশের পোশাক খাত খুবই সম্ভাবনাময় একটি খাত। এই খাতের সর্বোচ্চ সাফল্য কামনা করি কিন্তু তা মানুষের জীবনের বিনিময়ে নয়।

ধর্ষণের প্রতিবাদে আইনজীবীদের নগ্ন মিছিল

rape_ieবিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে। হক কথা? না, নিভৃতে কেঁদে যে বিচার পাওয়া যায় না, তা ভারতের মানুষ ঠেকে শিখেছে বা বলা ভালো ঠেকে শিখছে। এই সোচ্চার প্রতিবাদের বাণী দেশের কিছু সংখ্যক মানুষকে বোধহয় চোখে আঙুল ঢুকিয়ে শিখিয়েছিলেন ভারতের মণিপুরের সাহসীনীরা। সেনা জওয়ানের হাতে ধর্ষণ এবং নিগ্রহের প্রতিবাদে নগ্ন মিছিল করেছিলেন মণিপুরের রাজপথে।

কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সহ্যশক্তি এবং লজ্জার পরত জমতে থাকে প্রতিবাদের ভাষার উপরে। কিন্তু মানুষ যে এখনো নধরকান্তি মেষশাবক হয়ে যায়নি তা আরও একবার প্রমাণ করলেন নির্ভয়া। মৃত্যুর আগে নিজের মধ্যে জ্বলতে থাকা প্রতিবাদের আগুন সঞ্চারিত করেছিলেন আম জনতার মধ্যে। তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল সারা দেশ। কিন্তু তাতে পৈশাচিকতায় কোনো ভাঁটা পড়েনি।

কথায় বলে রক্ষকই ভক্ষক। কিন্তু সেই রক্ষককের শরীরে যদি পড়ে ধর্ষণের আঁচড়? তখন কোথায় মুখ লোকায় গণতন্ত্র? সেই প্রশ্নের উত্তর জানা না থাকলেও একদল সাহসী মহিলা আইনজীবী যে তাদের সহকর্মীর উপর হওয়া পৈশাচিক অত্যাচার মুখ বুজে সহ্য করে নেবেন না তা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিলেন। হোক না সেই সহকর্মী অপরিচিতা। তাতে কী যায় আসে! মনুষ্যত্বের কর্তব্য তো অপরিচিত নয়। সেই কর্তব্যের তাগিদেই উত্তরপ্রদেশের মহিলা বিচারকের সঙ্গে হওয়া ধর্ষণের প্রতিবাদে কেরল-এর হাইকোর্টের মহিলা আইনজীবীরা নগ্ন হয়ে পথে হাঁটলেন।

গায়ের উপর আলগা হয়ে পড়ে রইল সাদা, গেরুয়া এবং সবুজ কাপড়। পাশাপাশি দাঁড়ালে তবেই যে পূর্ণ হয় ভারতের পতাকা। কিন্তু একজনও ছিটকে গেলে হারিয়ে যায় পতাকার বা দেশের অস্তিত্বও। কোচির রাজপথ সাক্ষী থাকল এই ধিক্কারের। বদল কী আসবে? নাকি ক্রমশ আরও বিপন্ন হয়ে উঠবে এদেশের বুকে নারীদের অস্তিত্ব। প্রশ্নটা এলোমেলো হয়ে ঘুরে বেড়ায় এদেশেরই পথে ঘাটে।

বাবার বয়স ১৫, মায়ের বয়স ৪২

ma_eসম্প্রতি ইংল্যান্ডের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসের ডাডলিতে একটি শিশুর জন্ম হয়েছে। ভাবতে অবাক লাগলেও সত্য, তার মায়ের বয়স ৪২ আর বাবার বয়স ১৫।

মূল ঘটনাটা হলো- ৪২ বছর বয়সী তিন সন্তানের মা হেলেন কার্টরিট ১৫ বছরের এক বালকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। আর তাদের শারীরিক মেলামেশায় ওই সন্তানের জন্ম হয়। আর এ ঘটনায় হেলেনকে আটক করেছে পুলিশ। কারণ তিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক বালকের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে মা হয়েছেন। আদালত বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

আদালত বলেছে, হেলেন সচেতনভাবেই ওই বালকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এছাড়া সন্তান হওয়ার পরও তিনি ওই সম্পর্ক চালিয়ে যান।

হেলেনের আইনজীবীও বলেছেন, হেলেন পুলিশের কাছে তার অপরাধ স্বীকার করেছেন।

তালেবান: যে শত্রুর সঙ্গে নিজের স্বার্থে সমঝোতা করে আমেরিকা

chak hegalমার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী চাক হ্যাগেল তার দেশের একজন সেনাকে মুক্ত করার জন্য তালেবানের সঙ্গে সমঝোতার পক্ষে জোরালো বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মার্কিন সেনা বো বার্গডালের ‘জীবন বিপন্ন’ ছিল বলে এ সমঝোতা করতে হয়েছে।
 
একইসঙ্গে বিষয়টি মার্কিন কংগ্রেসকে না জানিয়ে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আমেরিকার আইন লঙ্ঘন করেছেন যে অভিযোগ উঠেছে তারও ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করেছেন হ্যাগেল।
 
গত শনিবার কুখ্যাত গুয়ান্তানামো বে’র নির্যাতন শিবির থেকে পাঁচ তালেবান নেতার মুক্তির বিনিময়ে মার্কিন সেনা সার্জেন্ট বো বার্গডালকে ছেড়ে দিয়েছে আফগানিস্তানের তালেবান। কাতারের মধ্যস্থতায় এ বন্দি বিনিময় হওয়ার আগে পাঁচ বছর তালেবানের হাতে পণবন্দি ছিলেন বার্গডাল।
 
চাক হ্যাগেল বলেছেন, হোয়াইট হাউজের সব কর্মকর্তার সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে বার্গডালকে ছাড়িয়ে আনা হয়েছে। ওই মার্কিন সেনার জীবন ‘বিপন্ন’ হয়ে পড়েছিল বলে ওয়াশিংটনের মনে হচ্ছিল; এ কারণে তাকে তড়িঘড়ি করে ছাড়িয়ে আনতে গিয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে পরামর্শ করা যায়নি বলে তিনি দাবি করেন। অথচ আমেরিকায় প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়ার ৩০ দিন আগে কংগ্রেসকে জানানোর আইন রয়েছে।
 
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেছেন, বার্গডালের জীবন ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে ছিল বলে আমরা দেরি করতে পারি নি। আরো ৩০ দিন অপেক্ষা করতে হলে কী হতো তা কল্পনাও করা যায় না।
 
মার্কিন সরকার এমন সময় তালেবানের সঙ্গে এ সমঝোতা করল যখন এই তালেবানকে ধ্বংস করার জন্য এখনো আফগানিস্তানে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। অথচ আফগানিস্তানে রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এক সময় পাকিস্তানের সহযোগিতায় এই মার্কিন সরকারই তালেবান সৃষ্টি করেছিল। কাজেই পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, কথিত সন্ত্রাসবাদ দমন বা অন্য যেকোনো অজুহাতের কথাই সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা বলুক না কেন আসলে সবকিছুর মূলে রয়েছে মার্কিন স্বার্থ। আমেরিকার স্বার্থে যখন তখন যাকে খুশি তাকে বন্ধু আবার যাকে খুশি তাকে শত্রু করা যায়। এজন্য লজ্জা-শরমের ধার ধারে না আমেরিকা।– আইআরআইবি।

পদ্মা সেতুর জন্য বরাদ্দ ৮ হাজার ১০০ কোটি টাকা

padma7সদ্য পেশ হওয়া ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে পদ্মা সেতুর জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৮ হাজার ১০০ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) এ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

গত অর্থবছরে (২০১৩-১৪) এ খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল ৬ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৫ হাজার ২৫২ কোটি এবং ভারতীয় অনুদান থেকে এক হাজার ৬শ কোটি টাকা ব্যয় করার কথা ছিল।

অন্যদিকে ২০১২-১৩ অর্থবছরে এ প্রকল্পে বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল ৮০৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রকল্প সাহায্য ছিল ৫৭২ কোটি টাকা এবং সরকারী তহবিল থেকে ২৩২ কোটি টাকা।

এরআগে বিশ্বব্যাংকের সিদ্ধান্ত দিতে কালক্ষেপনের কারণে এবং পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন দ্রুত করতে ২০১৩ সালে নানা নাটকীয়তার মাঝে সরকার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্বব্যাংকের সহায়তা ছাড়াই এই প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে। প্রয়োজনে প্রকল্পের ব্যয় কমানোরও সিদ্ধান্ত হয়। পরবর্তীতে সরকার নিজস্ব অর্থায়নেই পদ্মা সেতু বাস্তবায়নে প্রক্রিয়া এগিয়ে যেতে থাকে।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার। প্রাথমিকভাবে এ সেতু নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

২০১১ সালের ২৮ এপ্রিল বিশ্বব্যাংকের সাথে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এছাড়া অন্যান্য দাতা গোষ্ঠীর মধ্যে ওই বছরের ১৮ মে জাপানের সাথে ৪০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ প্রদান বিষয়ক চুক্তি করে সরকার। একই বছরের ২৪ মে ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের সাথে ১৪ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

৬ জুন এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) সঙ্গে ৪ হাজার ৪৮৯ কোটি টাকা (৬১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা খেলোয়াড় এবি ডি ভিলিয়ার্স

viliyars0দক্ষিণ আফ্রিকারে টেস্ট দলের অধিনায়ক পদে নির্বাচিত না হলেও দেশের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের চার চারটি পুরস্কার জয় করে নিয়েছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স।

বুধবার কেপটাউনে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে ২০১৩-১৪ সালে দঃ আফ্রিকার সেরা ক্রিকেটারদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

ভিলিয়ার্স দঃ আফ্রিকার বর্ষসেরা ক্রিকেটার, বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার, খেলোয়াড়দের (ভোটে নির্বাচিত)সেরা খেলোয়ার ও দর্শকদের (ভোটে নির্বাচিত)সেরা খেলোয়াড়- এই চারটি পুরস্কার জয় করে নেন।

ভিয়িয়ার্স পুরস্কারের জন্য পাঁচটি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হয়েছেন।এর মধ্যে শুধু বর্ষসেরা ওয়ানডে খেলোয়াড়ের পুরস্কারটি জিততে পারেনেনি।বর্ষসেরা ওয়ানডে খেলোয়াড় নির্বাচিত হন রে টানা তিন ম্যাচে তিন সেঞ্চুরি করে রেকর্ড গড়া কুইনটন ডি কক।

এছাড়া বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি খেলোয়ারের পুরস্কার জয করেন নয় ম্যাচে ১৮ উইকেট শিকার করা ইমরান তাহির বর্ষসেরা বলের পুরস্কার জয় করেন দলের পেসার ডেল স্টেইন।

দাম বেড়েছে প্রযুক্তিপণ্য ও জ্বালানি তেলের

electriccআজ বৃহস্পতিবার সংসদে পেশকৃত ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটের প্রভাব পড়বে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের বাজারে। বাজেট বিশ্লেষণে দেখা গেছে প্রস্তাবিত বাজেটে জ্বালনি তেল ও প্রযুক্তি পণ্যের দাম বাড়ছে। অন্যদিকে কমছে ভোগ্যপণ্য ও ফার্নিচারের দাম।

যেসব পণ্যের দাম বাড়ছে তা হলো- জ্বালানি তেল, সিগারেট, মোবাইল ফোনসেট, সিলিং ফ্যান, এলপিজি সিলিন্ডার, সেভিং ল্যাম্প, আমদানি করা বাইসাইকেল টিউব, হাইব্রিড গাড়ি।

আর যেসব পণ্যের দাম কমছে তা হলো- পেয়াজ, রসুন, ভোজ্য তেল, সরকারি সেবা, কাগজ, ছোলা, চিনি, আয়ুর্বেদিক ওষুধের কাঁচামাল, ২৭০০ সিসি গাড়ি, ফার্নিচার।

সংসদের সাংবাদিক লাউঞ্জে রাষ্ট্রপতি

hamid1বরাবরের মতো সাংবাদিকদের খোঁজ নিতে সংসদ ভবনের সাংবাদিক লাউঞ্জে ছুটে এলেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এ্যাডভোকেট।

আজ বৃহস্পতিবার বাজেট অধিবেশন চলাকালীন বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে তিনি সাংবাদিক লাউঞ্জে আসেন।

এ সময় লাউঞ্জে উপস্থিত সব সাংবাদিকের সঙ্গে একে একে হাত মেলান সাবেক এ স্পিকার। সাংবাদিকদের সার্বিক খোঁজ খবর নেন তিনি। সবাইকে বঙ্গভবনে আমন্ত্রণও জানান রাষ্ট্রপতি।

ভাটির সার্দুলখ্যাত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তার স্বভাবসুলভ হাসি দিয়ে কথা বললেন সবার সঙ্গে। জনকণ্ঠের অসুস্থ সাংবাদিক নাজনীন আক্তারের খোঁজ নিতে গিয়ে বলেন, “আমি তার সঙ্গে একবার মোবাইলে কথা বলব।”

প্রায় ১০ মিনিট সাংবাদিক লাউঞ্জে অবস্থান করেছেন রাষ্ট্রপতি। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “আমার তো আসতে ইচ্ছে করে। কিন্তু আমি বের হলেই তো রাস্তা আটকে দিতে হয়। মানুষের কষ্ট হয়। সেজন্য না পারলে কোথাও যাই না।”

সাংবাদিকরাও তার সার্বিক খোঁজ খবর নেন। যাওয়ার আগেও একদফা হাসি ছড়িয়ে দেন রাষ্ট্রপতি।

এর আগেও একাধিকবার অধিবেশন চলাকালীন সাংবাদিক লাউঞ্জে এসে সাংবাদিকদের খোঁজ খবর নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।

সোমবার সারাদেশে ১৯ দলের প্রতিবাদ সমাবেশ

rizvi_jসারাদেশে অব্যাহত খুন, গুম ও অপহরণের প্রতিবাদে আগামী ৯ জুন আগামী সোমবার সারাদেশে প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১৯ দলীয় জোট।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের যুগ্ম মহাসচিব  রুহুল কবির রিজভী এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

রিজভী আহমেদ বলেন, র‌্যাবকে গঠন করা হযেছিলো জনগণের জান-মাল রক্ষা ও নিরাপত্তার জন্য। কিন্তু এ অবৈধ সরকার র‌্যাবকে কিলিং স্কোয়াডে পরিণত করেছে।

তিনি গতকালের ১৯ দলীয় জোটের বৈঠকে সারাদেশে অব্যাহত গুম-খুনের প্রতিবাদ জানানো হয় বলে উল্লেখ করেন।

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে উদ্দেশ্য করে রিজভী বলেন, তার মতো পরান্নজীবি বৃন্তচ্যুত বামপন্থীরা অপহরণ আর লাশের মিছিলের বাস্তবতায় এখন মন্ত্রী। নিজের এই অবৈধ চাকরীকে টিকিয়ে রাখার জন্য অবৈধ মনিব প্রধানমন্ত্রীকে সবসময় খুশী রাখতে বিরোধী দলের প্রতি এই সমস্ত উস্কানী, প্ররোচণা, অসভ্যতামূলক বক্তব্য প্রদান করে যাচ্ছে। আত্মবিশ্বাস হারিয়ে গেলে, স্নায়ু শিথিল হলে, হৃদয় দুর্বল হলে তখন পা চাটা মুসাহেব হওয়া ছাড়া কোনো কর্মই থাকেনা।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি হাসানুল হক ইনু বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে জঙ্গীবাদের নেত্রী বলার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান।

রিজভী বলেন, নিজের পাতে ক্ষমতার সামান্য একটু ঝোল ঢেলে নিতে হাসানুল হক ইনুর মতো মন্ত্রী ও নেতারা এতটাই উন্মত্ত্ব ও বিপথগামী যার ফলে এখন তাদের চৈতন্য লোপ পেয়ে গেছে।

ইনুকে উদ্দেশ্য করে রিজভী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত হয়ে ওঠা গডফাদারের রক্তঝরানো জনপদ নারায়ণগঞ্জের মানুষ যার নামে শুনলে গভীর ঘুমের মধ্যে আঁতকে উঠে তাকেই যখন প্রধানমন্ত্রী মাতৃস্নেহে আশ্রয় দেন তখন নিশ্চুপ থাকতে আপনার বিবেকে বাধে না ? ফেনীর নিজাম হাজারী, লক্ষীপুরের আবু তাহের কার স্নেহে লালিত পালিত হয় সেটি কী আপনি জানেন না?

হাসানুল হক ইনু অবৈধ ক্ষমতার জোরে রাজনীতিতে নি:স্ব, নিসম্বল মুশীক এখন ঐরাবতে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, বাস্তবতা হলো তিনি নিশ্চিত হতে পারছেন না, কতটুকু চামচামি করলে মন্ত্রীত্ব টিকে থাকবে।

তিনি বলেন, যে প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক খেতাবপ্রাপ্ত দুর্নীতিবাজকে দেশপ্রেমিক বলতে পারেন সেই প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে প্রতিনিয়ত গুণকীর্তন আর বাণীবন্দনা ইনুদের মতো লোকদের মুখেই শোভা পায়। দুর্নীতি-নীতিহীনতা-স্বজনপোষণ, প্রতিপক্ষকে হত্যা, মহামারীর ন্যায় গুম, খুন যে সরকারের প্রধান কর্মসূচি সেই সরকারের তথ্যমন্ত্রী হাতকচলানো অর্থিপ্রার্থী ছাড়া তার কাছ থেকে আর কিইবা জনগণ আশা করতে পারে।

রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা চট্টগ্রামে একটির বদলে দশটি লাশ ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন, এহেন আত্মস্বীকৃত হত্যার নির্দেশদাতাকে আপনি কী বলবেন ইনু সাহেব ? আপনি কী তখন কোনো শব্দ খুঁজে পান না ?

তিনি বলেন, কথায় বলে তেলাপোকাও পাখী আবার ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনও গণতন্ত্র। এই নির্বাচনকে গণতন্ত্র হিসেবে পরিকীর্তিত করার জন্য ইনু সাহেবদের কী প্রাণান্তকর চেষ্টা।

তিনি বলেন, হিটলারের দলের নামও ছিল সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি। দেশে দেশে নিষ্ঠুর ফ্যাসিষ্ট সরকার’রা গালভরা বুলি দিয়ে জনগণকে ধোকা দেয়ার চেষ্টা করতেন। তাতে কারো শেষ রক্ষা হয়নি।

বুধবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৯ দলীয় জোটের সভার কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, সভায় কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তগুলো হলো-

১। সমপ্রতি বেআইনী গুম, খুন, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় চরম মাত্রায় উপনীত হয়েছে। বর্তমানে র‌্যাবকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করে কেবল বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদেরকেই হত্যা নয় বরং টাকার বিনিময়ে গডফাদারদের দুস্কর্মের সঙ্গী হয়ে র‌্যাব সাধারণ মানুষকেও হত্যার বানিজ্যে নেমে পড়েছে। সমপ্রতি নারায়ণগঞ্জ ও ফেনীতে লোমহর্ষক হত্যাকান্ডের ঘটনা তারই চরম বহি:প্রকাশ। সভায় দেশব্যাপী অবৈধ সরকারের মদদে অপহরণ, গুম, খুনের প্রকোপ বৃদ্ধি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বিশেষ করে র‌্যাবের অনৈতিক অরাজক  কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

২। অবৈধ সরকার ভয় পেয়ে ঢাকা মহানগরীতে সভা সমাবেশ করতে দিচ্ছে না। এমনকি ঘরোয়া রাজনীতিতেও যতটুকু সভা সমাবেশ করার সুযোগ থাকে সেটিকেও কেড়ে নেয়া হয়েছে। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ঢাকা মহানগরীতে সভা সমাবেশ উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জোর দাবি করা হয়।

৩। কয়েকদিন আগে বাংলাদেশের নাইক্ষংছড়ি সীমান্তে বার্মার সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর গুলিতে বিজিবি’র নায়েব সুবেদার মিজানুর রহমান নিহতের ঘটনায় সভায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। সভায় আরো বলা হয়-এই মর্মান্তিক ঘটনা সরকারের নতজানু পররাষ্ট্র নীতিরই প্রতিফলন। সরকার দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৈৗমত্ব বিষয়ে উদাসীন বলেই সীমান্ত সুরক্ষিত করতে কোন কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করতে পারেনি।

৪। অবৈধ সরকারের ব্যর্থতার কারণেই দেশে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতর খুব দ্রুতগতিতে অবনতি ঘটছে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য দায়ী গডফাদারদের প্রকাশ্য বক্তব্য দিয়ে পৃষ্ঠপোষকতা দান করছেন। ফলে দেশব্যাপী সাধারণ মানুষের জান মালের নিরাপত্তা সর্বকালের মধ্যে এখন সবচেয়ে বেশী বিপন্ন। সভায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং অবিলম্বে মানুষের মনে স্বস্তি, শান্তি, নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনার জন্য জোর দাবি জানানো হয়।

৫। গত ৫ জানুয়ারী ভোটারবিহীন তামাশার নির্বাচন করে নিজেদের বাছাইকৃত অস্ত্রধারীদের দিয়ে এই অবৈধ সরকার জোর করে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রেখেছে। সভায় অবিলম্বে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার আহবান জানানো হয়।