বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬

রাজধানীর মুগদায় দুই শিশুকে ধর্ষণ

যাত্রীবাহী একটি বাসের চালক ও তার সহযোগী রাজধানীর মুগদা এলাকার একটি বাসায় ফুসলিয়ে নিয়ে আটকে রেখে দুই শিশুকে গণধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ দুইজনকেই গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। তারা হলেন- বাসচালক আহমেদ শেখ ও তার সহকারী হাসনাইন। শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।sex-nigraha_22890

মুগদা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুস্তাফিজুর  রহমান বলেন, শুক্রবার বিকেল পাঁচটার দিকে ওই দুই শিশু যাত্রাবাড়ি এলাকা থেকে সাভার যাওয়ার জন্য লাব্বাইক পরিবহন নামের যাত্রীবাহী বাসে ওঠে। পরে ওই বাসের চালক আহমেদ শেখ ও তার সহকারী হাসনাইন দুই শিশুকে নিয়ে দক্ষিণ মুগদার সিঙ্গাইর গলির ৮৫/২ নম্বর বাড়ির তৃতীয় তলায় নিয়ে রাতভর গণধর্ষণ করে। পরে পুলিশ বিষয়টি টের পেয়ে ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে ধর্ষকদের গ্রেফতার করে শিশু দুইটিকে উদ্ধার করে। শনিবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুই শিশুকে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা  হাসপাতালের ২১২ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় মুগদা থানায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি  একটি মামলা  হয়েছে। মামলা নম্বর ১৮।

সুষমার কাছে বাংলাদেশের প্রত্যাশা

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ২৫ জুন তিন দিনের সফরে ঢাকা আসছেন৷ ভারতের পররাষ্ট্র দফতর শনিবার এই তথ্য জানানোর পর তার সফর নিয়ে বাংলাদেশে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে৷image_87364_0

বিশ্লেষকরা বলছেন, সুষমা পারেন ভারতের নতুন সরকার নিয়ে বাংলাদেশে যে ভয় আছে তা কাটিয়ে দিতে৷ আর ভারতের পররাষ্ট্র দফতর বলেছে এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে৷

সুষমা স্বরাজ তিনদিনের সফরে ২৫ জুন ঢাকায় আসবেন৷ আর ঢাকা ছেড়ে যাবেন ২৭ জুন৷ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলীর আমন্ত্রণে শুভেচ্ছা সফরে তিনি বাংলাদেশে আসছেন৷

ভারতে বিজেপি সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর সুষমা স্বরাজই প্রথম মন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশ সফর করছেন৷ বাংলাদেশের যদিও প্রত্যাশা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রথম বিদেশ সফর হবে বাংলাদেশে৷ তবে তিনি ভুটানকেই বেছে নিয়েছেন৷

বাংলাদেশ সফরের সময় সুষমা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলীর সঙ্গে বৈঠক করবেন৷ এ ছাড়া তিনি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত্ করবেন৷ তবে তিনি বিএনপিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে কোন বৈঠক করবেন কিনা তা এখনো জানা যায়নি৷ সফরকালে তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক নানা বিষয়ে আলোচনা করবেন৷ভারতের পররাষ্ট্র দফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘‘এই সফর ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরে সুদৃঢ় করবে৷”

সুষমা স্বরাজের সঙ্গে নীতি নির্ধারক ও ব্যবসায়ী এবং শিল্পপতিদের প্রতিনিধিরাও ঢাকায় আসবেন৷

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ-এর বাংলাদেশ সফরকে দুই দেশের জন্যই একটি সুযোগ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক ড. শান্তনু মজুমদার বলেন, ‘‘ভারতের মোদি সরকার নিয়ে বাংলাদেশে এক ধরনের ভয় কাজ করছে৷ সুষমা তার এই সফরে সেই ভয় কাটিয়ে দিতে পারেন৷”

জানা গেছে, সুষমার বাংলাদেশ সফরে স্থল সীমান্ত চুক্তি প্রাধান্য পাবে৷ ভারত এ ব্যাপারে মোটামুটি সিদ্ধান্ত নিয়েই রেখেছে৷ তারা চাইছে এই চুক্তিটি করে ফেলতে৷ আর বাংলাদেশ থেকে পণ্যবাহী যানবাহন ভারতে প্রবেশের সুযোগ দেয়া হতে পারে৷ বিনিময়ে বাংলাদেশ যদি ভারতীয় পণ্যবাহী যানবাহন বাংলাদেশেও ঢুকতে নাও দেয় তাতেও আপত্তি থাকবেনা৷ কারণ ভারত মনে করে এতে তাদের বাংলাদেশ থেকে পণ্য পরিবহণের খরচ কমে যাবে৷ এই বিষয়ে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে একাধিক খবরও প্রকাশ পেয়েছে৷

বাংলাদেশের তরফে তিস্তার পানি বণ্টন, সীমান্ত হত্যা, ভারতের আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প এবং বন্দি বিনিময়কে প্রাধান্য দেয়া হবে বলে জানা গেছে৷

ড. শান্তনু মজুমদার বলেন, ‘‘ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন ইস্যুতে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সময় বাংলাদেশকে দক্ষতার পরিচয় দিতে হবে৷ এটা কোনো বিনিময় বা মান-অভিমানের বিষয় নয়৷ প্রত্যেকটি বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত এবং যুক্তি দিয়ে আলোচনা করলেই সুফল পাওয়া যেতে পারে৷ সূত্র: ডিডব্লিউ

ইয়েমেনে শিয়া-সুন্নি সংঘর্ষে নিহত ৮৫

ইয়েমেনে বিবাদমান দুটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সংঘর্ষে গত এক সপ্তাহে কমপক্ষে ৮৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন সৈন্যও রয়েছেন।image_96848_0.gif

ইয়েমেনের সেনা কর্মকর্তারা বলছেন, রাজধানী সানার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় আমরান শহরের চারপাশে গত কয়েক দিন ধরে শিয়া বিদ্রোহী গোষ্ঠি হাওয়াথিসদের সঙ্গে সুন্নি উপজাতিদের দল ইসলামিস্ট ইসলাহ পার্টির সমর্থদের সংঘর্ষ চলছে। সানা এবং আমরান শহরের মধ্যবর্তী সড়ক জুড়ে দু পক্ষের লোকজন এ সংঘর্ষ চালিয়ে যাচ্ছে এবং রাজধানীর শহরতলিতেও তা ছড়িয়ে পড়েছে।
আমরানের স্থানীয় কর্মকর্তাদের অভিযোগ, এই সংঘর্ষে সেনা ইউনিটগুলো ইসলামি উপজাতীদের সমর্থন দিচ্ছে এবং হাওয়াতিসদের শহরে প্রবেশে বাধা দিতে চারপাশ ঘেরাও করে রেখেছে। এর মধ্যেই শিয়া বিদ্রোহীরা আমরানের বিভিন্ন শহরতলি দখল করে ফেলেছে।

আমরানের মাহমুদ তাহা নামের এক সমাজ কর্মী বলেন, দু পক্ষের লড়াইয়ের ফলে শহরটিতে নানা মানবিক বিপর্যয় চলছে। শহরের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এবং জ্বালানি ও ওষুধ সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।নিরাপত্তা বাহিনী শহরটি অবরোধ করে রাখায় এখানে খাদ্য সামগ্রি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। ফলে এগুলোর আকাশছোঁয়া দাম বেড়েছে।

শিয়া সম্প্রদায়ভুক্ত হাওথিসরা গত কয়েক মাস আগে চরমপন্থি সুন্নি উপজাতি সালাফিদের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। গত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে তারা সালাফিদের শক্তিশালী ঘাঁটিগুলো দখল করে নেয়ার পর লড়াই তীব্র আকার নিয়েছে। বেশ কয়েকবার এ লড়াই বন্ধের উদ্যোগ নেয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।

সিরিয়ায় অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের পরামর্শ

জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি-মুন সিরিয়ায় অস্ত্র সরবারহের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্যে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে পরামর্শ দিয়েছেন।image_96858_0

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে সিরিয়ার ইস্যুতে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি এ পরামর্শ দেন। ৩ বছর ধরে গৃহযুদ্ধে আক্রান্ত সিরিয়ায় অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করতে এখনও পর্যন্ত অসমর্থ হওয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ৩ বছরের গৃহযুদ্ধে সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা দেড় লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া ১ কোটি ১০ লাখ মানুষ গৃহহারা হয়েছে এবং ৩০ লাখ মানুষ হয়েছে শরণার্থী।
এছাড়া, দেশটির রাষ্ট্রপক্ষের সমর্থনে আছে রাশিয়া ও ইরান। এবং বিরোধীদের সমর্থন যুগিয়ে যাচ্ছে অন্যান্য পশ্চিমা শক্তি এবং উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলো।
বান কি মুন এই উভমুখী শ্রেণিকৃত সমর্থন-বিরোধীতার, যা সিরিয়াকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্রে’ পরিণত করেছে, তীব্র নিন্দা জানান।
আলোচনায় সৌদি আরব ও ইরানের বর্তমান বন্ধুভাবাপন্ন রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের কথা উঠে আসে। তিনি এ দু দেশের সম্পর্কোন্নতির প্রশংসা করেন।
একই সঙ্গে সিরিয়া, ইরাক, লেবাননসহ পৃথিবীর মানচিত্রে বর্তমান গৃহযুদ্ধে জর্জরিত প্রতিটি দেশের সামনে ইরান ও সৌদি আরব মৈত্রীর উদাহরণ হতে পারেন বলে  মত প্রকাশ করেন।

প্যারাস্যুট অ্যাডভান্সড বেলীফুল স্টাইলিসে শীর্ষ ১১ জন প্রতিভাবানের নাম ঘোষণা

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনের মধ্যে দিয়ে চলছে প্যারাস্যুট অ্যাডভান্সড বেলীফুল স্টাইলিস হেয়ার অফ দ্য ক্যাম্পাস ২০১৪। এটি আয়োজন করেছে ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড এর জনপ্রিয় ব্র্যান্ড প্যারাস্যুট অ্যাডভান্সড বেলীফুল।

প্যারাসুট অ্যাডভান্সড বেলীফুল স্টাইলিশ হেয়ার অফ দ্য ক্যাম্পাস শুরু হয়েছিল সেপ্টেম্বর ২০১৩ তে এবং এখন পর্যন্ত এতে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। এই ইভেন্টির লক্ষ্য ছিল, এই দেশের প্রতিভাবান মেয়েদের জন্য এমন এক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যাতে তারা নিজেদের প্রতিভা দেখাতে পারে এবং তাদের স্বপ্ন পূরণের আরো কাছে পৌঁছে গিয়ে নিজেদের জীবনে নিয়ে আসতে পারে এক অভাবনীয় পরিবর্তন।image_87291_0

প্যারাসুট অ্যাডভান্সড বেলীফুল স্টাইলিশ হেয়ার অফ দ্য ক্যাম্পাস এর দ্বিতীয় রাউন্ড শুরু হয় মে’ ২০১৪ তে। সারা দেশের তিন লাখেরও  বেশি মেয়েদের কাছে এ প্রতিযোগিতাটি পৌঁছে গেছে। ৩২৮টি  কলেজের প্রত্যেকটি থেকে ৬ জন করে বাছাই করা হয় এবং পরবর্তীতে এদের মধ্যে থেকে শীর্ষ ১০০জন প্রতিভাবান মেয়েদের নির্বাচিত করা  হয়।

১৩ এবং ১৪ জুন শীর্ষ ১০০ জনের মধ্যে থেকে তাদের পারর্মেন্সের ওপর ভিত্তি করে বাছাই করা হয় ২০ জন প্রতিভাবানকে। বাংলাদেশের স্বনামধন্য গ্রুমিং এক্সপার্টরা এই ২০ জনকে গ্রুমিং করিয়েছেন এদের মধ্য থেকেই গ্র্যান্ড ফিনালের জন্য ১৯ জুন ২০১৪ বাছাই করা হয়েছে ১১ জনকে এবং গ্র্যান্ড ফিনালেতে নির্বাচিত করা হবে শ্রেষ্ঠ তিনজনকে। ২৫ জুন ২০১৪ হোটেল র্যা ডিসন- ব্লু – তে অনুষ্ঠিত হবে গ্র্যান্ড ফিনালে যেখানে ঘোষাণা করা হবে শ্রেষ্ঠ তিন জন প্রতিভাবানদের নাম। গ্র্যান্ড ফিনালে সম্মানিত বিচারকর হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশের খ্যাতিমান নাট্যব্যক্তিত্ব জাহিদ হাসান, পরিচালক জনাব রেদওয়ান রনি এবং সিইও, রেড আফরোজা পারভীন।

প্যারাসুট অ্যাডভান্সড বেলীফুল স্টাইলিশ হেয়ার অফ দ্য ক্যাম্পাসের পর্দার পেছনের গল্প অনুষ্ঠানটি প্রচার করা হবে ২০ ও ২১ শে জুন রাত ৮টায় গাজী টিভিতে এবং গ্র্যান্ড ফিনালে প্রচার করা হবে  ২৬ জুন গাজী টিভিতে রাত ৮ টায়।

এই উদ্যোগের মিডিয়া পার্টনার জিটিভি, রেডিও টুডে এবং জনসংযোগ পার্টনার মাস্টহেড পি আর। -বিজ্ঞপ্তি

ফরমালিন মাপার যন্ত্র নিয়ে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যেই বিভ্রান্তি

ফরমালিন পরিমাপের যন্ত্র নিয়ে খোদ সরকারের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে  মতবিরোধ ও বিভ্রান্তি রয়েছে  বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস কনজুর্মাস অ্যাসোসিয়েশন ( বিএফএফসিএ)।ল্যাবরেটরি টেস্ট ছাড়া ফলে ফরমালিন মিশানোর অজুহাতে ফল ধ্বংস করে কৃষক, ফল ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের ক্ষতিগ্রস্ত  করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে করেছে এই অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনটি।

শনিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করে বিএফএফসিএ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস্ কনজুর্মাস অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক ড. আবদুল ওয়াদুদ। এতে বিশেষজ্ঞের বক্তব্য দেন,  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োক্যামিস্ট্রি ও মোলেকুলার বায়োলোজির প্রফেসর ড. ইশতিয়াক মাহমুদ, রসায়ণ বিভাগের প্রফেসর ড. নিলুফার নাহার এবং বুয়েটের ক্যামিক্যাল বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ড. মুহিদুস সামাদ খান।image_87261_0

ড. আবদুল ওয়াদুদ বলেন, “গত কয়েক বছর ধরে ফলে ফরমালিনের উপস্থিতি সম্পর্কে  যেসব  তথ্য প্রকাশ হয়ে আসছে তার অধিকাংশই বিভ্রান্তিকর। এসব তথ্য জনমনে ফল সম্পর্কে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। ইতিমধ্যে অনেকেই ফল খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। চাষীরা ফল চাষে নিরুৎসাহিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অনেক ফল আমদানিকারক ইতিমধ্যে আমদানি করা বন্ধ করে দিয়েছেন, খুচরা ব্যবসায়ীরা তাদের পুঁজি হারিয়ে পথে বসার উপক্রম। ফল নিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গড়িয়েছে যে ফল যেন একটি অভিশাপ। বিষয়টির প্রকৃত রহস্য ও সত্যতা উদ্ঘাটন করা এখন সমায়ের দাবি।”

তিনি বলেন, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে প্রতিটি মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দৈনিক ১৫০ গ্রাম ফল গ্রহণ করা উচিত। ফলের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ও মিনারেল্স, যা রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। শিশুদের মেধা ও শারীরিক বিকাশে ফলের গুরুত্ব অপরিসীম। অসুস্থ রোগীদের রোগ নিরাময় ও শারীরিক শক্তি বৃদ্ধিতে ফলের কার্যকারিতা সবচেয়ে বেশি। গর্ভবতী মায়েদের জন্য ফলের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু বর্তমানে ফল নিয়ে কী পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তা আমাদের সবারই জানা। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এই মুহূর্তে আমাদের হাত গুটিয়ে বসে থাকলে চলবে না। আমাদের সত্য ঘটনা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।”

ড. আবদুল ওয়াদুদ বলেন, “আমরা ফল বিক্রেতা, উৎপাদক ও আমদানিকারক কারো পক্ষে বা বিপক্ষে কথা বলতে এখানে আসিনি। সত্য সবসময় সত্য। আমরা সত্য ও সঠিক তথ্য তুলে ধরতে চাই। ভোক্তাদের ফল সম্পর্কে বিভ্রান্তি দূর করতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। অসাধু ব্যবসায়ী, অসাধু আমদানিকারক ও অসাধু উৎপাদক শাস্তির আওতায় আসুক এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

তিনি বলেন, “বিশ্বের কোনো দেশে ফল নিয়ে এরকম বিভ্রান্তি ও তুলকারাম নজির নেই। সর্বকালের সর্বযুগে মানুষের খাদ্য তালিকায় ফল ছিল ও আছে। হঠাৎ ফলে এমন কী হলো ! কাদের স্বার্থে ফল সম্পর্কে এরূপ বিভ্রান্তির সৃষ্টি করা হচ্ছে তা আমাদের কাছে বোধগম্য নয়। ফল নিয়ে সমস্যা হলে শুধু বাংলাদেশেই নয় বিশ্বের অন্যান্য দেশেও হতো।”

ড. আবদুল ওয়াদুদ জানান, কৃষকদের দাবি ফরমালিন কি তা তারা চেনেন না, এ সম্পর্কে তারা কিছুই জানেন না। বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক, ওষুধ ও ক্যামিক্যাল তারা একজনের দেখাদেখি আরেকজন প্রয়োগ করে আসছেন। এই ব্যাপারে কেউ তাদের মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা ও সচেতন করার উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। খুচরা বিক্রেতাদের দাবিÑ দিনে ফল ক্রয় করে নিয়ে ও দিনে বিক্রি করে দেয়। বাড়তি টাকায় ফরমালিন কিনে ফলে মিশিয়ে অতিরিক্ত লাভ করার প্রশ্নই উঠে না। আমদানিকারকদের দাবি ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, আমেরিকা অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, দক্ষিণ-আফ্রিকা, চীন থেকে হিমায়িত কন্টেইনারে ফল এনে নিজস্ব কোল্ড স্টোরেজ এ রেখে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করা হয়। বর্তমান প্রযুক্তিতে ফল এক বছরেও বেশি সময় সংরক্ষণ করা সম্ভব। সে ক্ষেত্রে ফরমালিন মেশানোর কোনো প্রয়োজন পড়ে না। তাহলে ফরমালিনের বিভ্রান্তি কোথায়? বিভ্রান্তি শুধু মাত্র একটি জায়গায় তা হলো দেশীয় ফলের ক্ষেত্রে মধ্যস্বত্ত ভোগীরা (ফরিয়া) এহেন কাজ করে ভোক্তাদের প্রতারিত করছে। তাছাড়া ফরমালিন ডিটেকটার মেশিন বাড়তি ঝামেলা করে মানুষকে বিভ্রান্তি করছে।”

ড. আবদুল ওয়াদুদ অভিযোগ করেন, “বিভিন্ন জায়গার ফল পরীক্ষার রিপোর্ট বিভিন্ন রকম। সাইন্স ল্যাবরেটরি টেস্টের রিপোর্ট একরকম, বিএসটিআই টেস্টের রিপোর্ট আরেক রকম, আইপিএইচ এর রিপোর্ট আরেক রকম, বিদেশী ফ্রুট সেফটির রিপোর্ট আরেক রকম, তাৎক্ষণিক ফরমালিন ডিটেকটার মেশিনের রিপোর্ট আরেক রকম। কোনটি যে সত্য আর কোনটি যে মিথ্যা তা আমাদের ভোক্তা সাধারণের জানার অধিকার রয়েছে। টেস্ট রিপোর্ট পৃথিবীর সব জায়গায় একই হওয়ার কথা।”

তিনি জানান, জেড ৩০০ মেশিন দিয়ে বাংলাদেশের ফলমূলে ফরমালডিহাইড-এর উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। কিন্তু উক্ত মেশিন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের ভাষ্যমতে, ‘এই মেশিন শুধুমাত্র বাতাসে ফরমালডিহাইডের বাষ্প নিরূপণ করতে সক্ষম।’ ব্লাড সুগার পরীক্ষা করার জন্য শরীরের রক্ত নিয়ে পরীক্ষা করতে হয়। শরীরের বর্হিবিভাগের কোন মেশিন স্থাপন করে যেমন ব্লাড সুগার নির্ণয় করা যায় না ঠিক তেমনি ফলের বাইরে কোনো মেশিন স্থাপন করে ভিতরে কী উপাদান আছে তা নির্ণয় করা সম্ভব নয়। ফল ভেঙে পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। তখনই শুধুমাত্র জানা সম্ভব এই ফলের মধ্যে কী ক্ষতিকারক উপাদান রয়েছে।

“আমাদের আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষাগার থাকা সত্ত্বেও যেমন (বিসিএসআইআর, পিএইচআই) কেন এই যন্ত্র ব্যবহার করে তাৎক্ষণিক একটি সিদ্ধান্ত দিয়ে সাধারণ কৃষক ও ব্যবসায়ীদের ফল ধ্বংস করা হচ্ছে তা আমাদের কাছে বোধগম্য নয়। এভাবে কৃষক, ব্যবসায়ী ও আমদানিকারক ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার প্রভাব পড়বে আমাদের সার্বিক অর্থনীতি ও স্বাস্থ্যসেবায়।”- বলেন ড. আবদুল ওয়াদুদ।

ড. আবদুল ওয়াদুদ বলেন, “আপনারা জানেন, আমাদের দেশে অনেক পাখি ফল খেয়ে বেঁচে থাকে। ফলে কোনো ক্ষতিকারক ক্যামিক্যাল মিশানো হলে পাখিদের বংশ বৃদ্ধি মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে ক্ষতিকারক কীটনাশক ও মাত্রাতিরিক্ত ক্যামিক্যাল মিশানোর কারণে অনেক পাখি ইতিমধ্যে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আমাদের দেশে অনেকেই বিদেশী পাখিদের লালন-পালন করে থাকেন। বিদেশী পাখিদের প্রধান খাদ্য ফল। ফলের ব্যবসায়ীরা ইতিমধ্যে ধর্মঘট ডেকেছেন, আমদানিকারকরা ফল আমদানি বন্ধ করে দেওয়ার পায়তারা করছেন । এই পরিস্থিতিতে এইসব বিদেশী পাখিরাও মানুষের মতো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।” সার্বিক পরিস্থিতিতে ফল সম্পর্কে সরকারকে এখনই একটি সঠিক সমাধানে আসার জোর দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বিএফএফসিএ’র পক্ষ থেকে ১০টি দাবি জানানো হয়। এগুলো হলো: সাধারণ ভোক্তাদের জন্য কম খরচে ও সহজে ফলে ফরমালিনের উপস্থিতির মাত্রা চিহিৃতের ব্যবস্থা করা। ফরমালিন পরিমাপের যন্ত্র নিয়ে খোদ সরকারের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে যে মতবিরোধ ও বিভ্রান্তি রয়েছে তা দূর করা। রাজধানীসহ সারা দেশের মার্কেটগুলোকে ফরমালিন মুক্ত ঘোষণা ও কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ । প্রাকৃতিকভাবে কোন ফলে কী মাত্রার ফরমালিনের উপস্থিতি রয়েছে তা জনগণকে অবহিত করা। ল্যাবরেটরি টেস্ট ছাড়া ফলে ফরমালিন মিশানোর অজুহাতে ফল ধ্বংস করে কৃষক, ফল ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের ক্ষতিগ্রস্ত না করা।  খুচরা বাজারে ফরমালিন ও ক্ষতিকারক ক্যামিক্যাল বিক্রি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা। ফলে বিষাক্ত ক্যামিক্যালের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং তার ক্ষতিকর দিকগুলো শনাক্তকরণের বিষয়ে উন্নতমানের ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা এবং গবেষকদের সহায়তা করা। ফল উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় মাঠপর্যায়ে ফল চাষীদের কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো। ফলসহ বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্যে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক ক্যামিকেল ও ফরমালিন মিশানো হলে দায়ী ব্যক্তিদের আইন করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা।

আরো একটি স্তরের সন্ধান রূপগঞ্জে নতুন গ্যাসক্ষেত্রে

ঢাকার অদূরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আবিষ্কৃত নতুন গ্যাসক্ষেত্রটির আরো একটি স্তরে গ্যাস পাওয়া গেছে।image_87278_0

এই গ্যাস কূপটি খনন করা হয়েছে রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহর এলাকায়।
বাপেক্সের ব্যবস্থা পরিচালক এম এ বাকি এ তথ্য জানিয়েছেন।

১৪ জুন ক্ষেত্রটিতে প্রথম গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। তখন কূপটির তিন হাজার ৬০০ মিটার গভীরে গ্যাস পাওয়া যায়। শনিবার বেলা সোয়া একটায় কূপটির তিন হাজার ৩০০ মিটার গভীরে আরেকটি স্তর থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়েছে।

বাপেক্সের ব্যবস্থা পরিচালক এম এ বাকি জানান, গ্যাসের এই নতুন স্তরটি প্রায় ছয় মিটার পুরু। শুরুতেই দুই হাজার ৫০০ পিএসআই (পাউন্ড পার ইঞ্চি) চাপে কূপটি থেকে গ্যাস উঠছে।

বিএসএফ’র পরামর্শে বিজিবি’র নতুন ব্যাটালিয়ন!

বিএসএফ’র বিশেষ ডিরেক্টর জেনারেল বিডি শর্মা বলেছেন, প্রয়োজনের তুলনায় বিজিবির জওয়ান সংখ্যা কম হওয়ায় বাংলাদেশের মাটি থেকে ভারতীয় জঙ্গিদের একেবারে মুছে ফেলা সম্ভব হচ্ছে না। এ জন্য আমাদের পরামর্শে বিজিবি নতুন নতুন ব্যটালিয়ন সৃষ্টি করছে।image_87277_0

তিনি বলেন, সীমান্তে বিজিবির বর্তমান কর্মকাণ্ডকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বিএসএফ।

বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার পর শুক্রবার আগরতলার শালবাগানে বিএসএফের সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

আগরতলা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ‘প্রতিবাদী কলম’ শনিবার এ খবর দিয়েছে।

তিনি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আরো ৪৫টি ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আস্তানা রয়েছে উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশে ত্রিপুরার জঙ্গিদের কমপক্ষে ২১টি আস্তানা রয়েছে। আর উত্তর-পূর্বের অন্য রাজ্যগুলোর সীমান্তের ওপারে কমপক্ষে এরকম ৪৫টি শিবির রয়েছে।

বিডি শর্মা বলেন, এসব আস্তানা মূলত নিষিদ্ধ সংগঠন অল ত্রিপুরা টাইগার ফোর্স-এটিটিএফ এবং ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট অব ত্রিপুরা-এনএলএফটি’র। যেগুলো বেশির ভাগই পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় কাজ করে।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএসএফের এই কর্মকর্তা বলেন, বর্তমানে বিজিবি বিএসএফের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করছে। তারা সীমান্তে ভারতীয় বিদ্রোহীদের তাড়া করছে। কিন্তু ভৌগোলিক অবস্থান ও পার্বত্য চট্টগ্রামে বিএসএফের জনবল স্বল্পতার কারণে সব সময় কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, কোনো সীমান্তেই স্রেফ বন্দুক দিয়ে পুরোপুরি সুরক্ষিত করা যায় না। সীমান্তের উভয় প্রান্তে বসবাসকারী জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রয়োজন ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনা। এই পরিপ্রেক্ষিতে পূর্ব সীমান্তে ৬০টি সীমান্ত হাট গড়ে তোলার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ

টাঙ্গাইলের কালীহাতি উপজেলায় বৃষ্টির কারণে একটি রেলসেতুর মাটি ধসে যাওয়ায় উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।image_87272_0

শনিবার সকাল আটটার দিকে উপজেলার আনালিয়াবাড়ির রেলসেতুর মাটি ধসে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তনগর সিল্কসিটি এক্সপ্রেস বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব স্টেশনে এবং ঢাকা থেকে দিনাজপুরগামী তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনটি টাঙ্গাইল স্টেশনে আটকা পড়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে যাত্রীরা।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে মেরামতকারী দল গিয়ে ওই রেলসেতুটি মেরামত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কয়েক ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

নারায়ণগঞ্জে একই পরিবারের ছয়জন দগ্ধ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় একই পরিবারে ছয়জন অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন। তারা হলেন- আজিজুর রহমান (৬৫), তার স্ত্রী তবিরন বেগম (৬০), তাদের মেয়ে তানিয়া আক্তার (১৬), তন্বি আক্তার (১২), তকিরন (৯) ও নাতনি মাহমুদা আক্তার (৭)। তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ  হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।image_87247_0

দগ্ধ আজিজ জানান, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাত দশটার দিকে পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। শনিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে বিকট শব্দে কিছু একটা বিস্ফোরণের পর ঘরে আগুন লেগে যায়। তবে কী বিস্ফোরিত হয়েছে তা তিনি বলতে পারেননি। দগ্ধ আজিুার ফতুল্লার ভোলাইল এলাকার দেবক নুর মাদ্রাসার পাশের সেলিমের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তাদের চিৎকার শুনে  প্রতিবেশীরা ছুটে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ  হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শংকর পাল জানান, তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক। আজিজের শরীরের ৭০ ভাগ, তবিরনের ১৮ ভাগ, তানিয়ার ২২, তকিরনের ২৭, তন্বির ২০ ও মাহমুদার ৩০ ভাগ পুড়ে গেছে।