বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬

ময়লার স্তুপ থেকে নারীর লাশ উদ্ধার

রাজধানীর ফার্মগেটে একটি গার্মেন্টসের গলিতে ময়লার স্তুপ থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার পরিচয় পাওয়া যায়নি।image_95798_0

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোলা জখমের চিহ্ন রয়েছে।

লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শেরেবাংলা নগর থানার এসআই সন্দ্বীপ কুমার ঘোষ বলেন, আনন্দ সিনেমা হলের বিপরীতে দুলাল গার্মেন্টসের গলির ময়লার স্তুপ থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তার পরনে ছিল লাল চেক জামা-পায়জামা। হাতে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোলা জখমের চিহ্ন রয়েছে।

তিস্তা প্রটেকশন বাঁধের দুই কি.মি. নদীগর্ভে, আতঙ্ক

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগহীনতা ও খামখেয়ালীপনার কারণে তিস্তায় পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তা নদীর ডান তীর রক্ষা বাঁধের প্রটেকশনের জন্য দেয়া মার্জিনাল ডাইক বাঁধের দুই কিলোমিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের তীব্রতা কোনোভাবে মূল বাঁধে এসে পৌঁছলে অন্তত তিন হাজার পরিবার রাতারাতি বিলীন হয়ে যাবে বলে আশংকা করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। এই ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে এলজিআরইিডি প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা।image_95560_0

গত সপ্তাহে ভারত গাজলডোবার সবকটি গেট খুলে দেয়ায় উজানের ঢল আর বৃষ্টির পানিতে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টে একলাফে ৮৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে।

পরে তার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে এখন পর্যন্ত তার ওপর দিয়েই প্রবাহিত হচ্ছে। রোববার ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৩১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্চিল পানি।

এতে বিস্তৃণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি শুরু হয়েছে ভয়াভহ ভাঙন। পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গত ১৬ আগস্ট পানির তোড়ে তিস্তার গর্ভে বিলীন হয়ে যায় রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার আলমবিদিতর ইউনিয়নের পাইকান ব্যাঙপাড়া এলাকায় অবস্থিত পানি উন্নয়ন বোর্ডের মার্জিনাল ডাইক বাঁধের আধা কিলোমিটার এলাকা।

ধসে যায় ব্যাংক পাড়ার ৫০ ফিট এবং বৈরাতি এলাকার ২৫০ ফিট এলাকার ব্লক পিচিং। এক সপ্তাহের ব্যবধানেও পানি উন্নয়ন বোর্ড এই ডাইক বাঁধটির ভাঙন রোধে কোন কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়ায় শনিবার পর্যন্ত এই ডাইক বাঁধটির দুই কিলোমিটার এলাকার তিস্তার গর্ভে চলে গেছে।

আলমবিদিতর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোকাররম হোসেন সুজন নতুন বার্তা ডটকমকে জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুর্নীতি ও  অবহেলার কারনেই মার্জিনাল ডাইক বাঁধটি তিস্তার গর্ভে চলে গেছে।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার পানি কমে স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসার সঙ্গে সঙ্গে স্রোতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় আলমবিদিতর পাইকান পীরপাড়া এলাকার মার্জিনাল ডাইকটির ব্লক পিচিংসহ তিস্তায় বিলীন হয়ে গেছে।

ব্যাঙপাড়া হতে ভদভদিপাড়া পর্যন্ত এক কিলোমিটার এবং শুক্রবার ব্যাঙপাড়া হতে পীরপাড়া পর্যন্ত আরও এক কিলোমিটার ডাইক বাঁধ তিস্তা খেয়ে ফেলেছে।

তিনি জানান এই বাঁধটি মুলত মূল বাঁধের প্রটেকশনের জন্য দেয়া হয়েছিল। প্রটেকশন বাঁধ নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় মুল বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। এতে ভদভদিপাড়া, ব্যাঙপাড়া, পীরপাড়া ও হাজীপাড়ার তিন হাজার পরিবার ভাঙন হুমকির মুখে পড়েছে।
এছাড়াও ভাঙ্গন হুমকির মুখে পড়েছে পাইকান ইউসুফিয়া মাদ্রাসা, এতিমখানা, মসজিদ ও প্রাইমারি স্কুল। এসব স্থাপনা মাত্র ১৫ থেকে ২০ ফুট দুরুত্বে অবস্থান করছে তিস্তা থেকে।

ইউপি চেয়ারম্যান সুজনের অভিযোগ, গত জুন মাসে এই মার্জিনাল ডাইক বাঁধে ভাঙ্গন শুরু হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা সত্বেও তারা কোনো উদ্যোগ না নেয়ায় এলাকাবাসী বাঁশের বেড়া দিয়ে বাঁধটি ঠেকিয়ে রাখার চেষ্টা করলেও পাউবো এ নিয়ে কোনো ভূমিকায় দেখায়নি তখন।

তিনি বলেন, দ্রুত গতিতে ভাঙন ঠেকানো না গেলে গ্রাম চারটিসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সব ধ্বংস হয়ে যাবে। আমি ভাঙন রোধের জন্য ব্যক্তিগতভাবে দুই হাজার বালুর বস্তা, দুই হাজার টাকা দিয়েছি। কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল।

এদিকে ভাঙন ঠেকাতে এলাকাবাসী নিজেদের মধ্যে টাকা তুলে তা দিয়ে বাঁশ বালির বস্তা ফেলে রক্ষার চেষ্টা করছেন। কিন্তু সেটি কাজে আসছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন ঠেকাতে লাল নিশান উড়িয়ে বালুর বস্তা দিয়ে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু প্রবল  স্রোতে কারণে তাও কাজে আসছে না।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল কুদ্দুস নতুন বার্তা ডটকমকে জানান, তিস্তায় পানি বাড়ার কারনে তীব্র স্রোতেই এই ভাঙন দেখা দিয়েছে। বালুর বস্তা দিয়ে ভাঙনরাধের চেষ্টা করছি।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ সহকারী প্রকৌশলী তবিবুর রহমান নতুন বার্তা ডটকমকে জানান, পানি বৃদ্ধিও কারণে বিভিন্ন এলাকায় বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। তবে পর্যাপ্ত বরাদ্দ না থাকার কারনে ভাঙন রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতি বছর বর্ষা মওসুমে ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কিছু উদ্যোগ নেয়। কিন্তু সেটি সাময়িক। সেই কাজের মধ্যেও থাকে আবার শুভংকরের ফাঁকি। যখন পানি বাড়া এবং ভাঙ্গন শুরু হয়, তখন সামান্য কাজ করেই বাজেটের টাকা আত্মসাত করে থাকেন পাউবোর একশ্রেণীর কর্মকর্তার যোগসাজসে ঠিকাদাররা।

ফলে মানুষ ভাঙনের হাত থেকেও রক্ষা পায় না। বন্যার সময়ও দুর্বিসহ কষ্টে পড়েন। নদী তীরবর্তী মানুষ তাই সরকারের কাছে ভাঙন ও বন্যার ব্যাপারে আগাম প্রস্তুতি রাখার দাবি জানিয়েছেন সরকারের কাছে।

পাশাপাশি যেসব এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে সেসব এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়া এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে  স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা সম্প্রীতি উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের চিলাখাল ও আলমবিদিতর ইউনিয়নের ব্যাঙপাড়া এলাকা পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি ভাঙ্গন রোধে পাউবোর কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন এবং ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান আশ্বাস দেন এলাকাবাসী।  এসময় তিনি নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।

৫০০ ফিলিস্তিনি শিশুকে হত্যা করেছে ইসরাইল: ইউনিসেফ

জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় ফিলিস্তিনের প্রায় ৫০০ শিশু নিহত হয়েছে। আর আহত হয়েছে তিন হাজারের বেশি।image_95559_0

ইনিসেফের গাজা অফিসের প্রধান পার্নিল ইরনজিদ বলেছেন, সেখানে ৪৬৯ জন শিশু নিহত হয়েছে। এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ৯ শিশুর মৃত্যুর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইসরাইলি যুদ্ধের প্রভাব ও ক্ষয়ক্ষতি গাজার শিশুদের জন্য খুবই খারাপ হবে।

অবশ্য ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেখানে নিহত শিশুর সংখ্যা ৫৬০। আর আহত হয়েছে প্রায় ১০ হাজার শিশু।

বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা বলছে, যুদ্ধের সময় শিশুদের লক্ষ্যবস্তু বানানো যুদ্ধাপরাধ। আর এজন্য অপরাধীদের অবশ্যই শাস্তি পাওয়া দরকার।

ইউনিসেফ জোর দিয়ে বলছে, শিশুদের জন্য গাজায় জীবনযাপন দুসহ হয়ে পড়েছে। সংস্থাটি আরো বলেছে, গাজার জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই শিশু। ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৫০ হাজার শিশুর ঘরবাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর।

মানব পতাকা গড়ে বিশ্ব রেকর্ডের পথে নেপাল

৩০ হাজার মানুষ, জাতীয় সঙ্গীতের তালে, হাতে হাত মিলিয়ে গড়ে তুললেন জাতীয় পতাকা। নেপালের পতাকা। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ‘মানব পতাকা’। এমনই এক বিশাল মানব পতাকা গড়ে গিনেস বুকে নতুন ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করতে চলেছে নেপাল।

ইতিমধ্যেই পতাকার ভিডিও, ছবি ও তথ্য তুলে দেয়া হয়েছে গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের কাছে। চলতি বছরে পাকিস্তানের লাহোরে ২৮, ৯৫৭ জনের তৈরি মানব পতাকার রেকর্ডই ছিল বিশ্বের বৃহত্তম মানব পতাকার নজির।image_95554_0

তবে শুধু বিশ্বে নজির গড়াই নয়, মানব বন্ধনের এই পতাকা আসলে এক নতুন শপথ নেপালাসীর কাছে। জানালেন, অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা ভবেশ খানাল।

তিনি বলেন, ‘সমস্ত মানুষ একই দেশের নাগরিক, সকলেই এক, দেশের শক্তি। সকলেই রয়েছেন একই পতাকা তলে, একতার এই বার্তাই আমরা দিতে চেয়েছিলাম।’

কাঠমাণ্ডু সিটি সেণ্টারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবেই এগিয়ে আসেন দেশের বিভিন্ন্ বয়সের মানুষ।

অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল নীল, লাল ও সাদা রঙের একই মাপের কার্ডবোর্ড। জাতীয় সঙ্গীতের তালে তালে প্রত্যেকেই নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে দাঁড়ান। তৈরি হয় দুটি ত্রিভুজযুক্ত নেপালের জাতীয় পতাকা।

দীর্ঘ বছরের গৃহযুদ্ধ শেষে গণতন্ত্রের পথে পা বাড়িয়েছে হিমালয়ের কোলের এই দেশটি। দেশের নতুন সংবিধান রচনা শুরু হয়েছে। নতুন সংবিধানে দেশবাসীর মধ্যে কোনো জাতিভেদ, বিভাজন থাকবে না, এমনই আশ্বাস দিয়েছেন দেশের জনপ্রতিনিধিরা।

সে কারণে, এই মানব পতাকা তৈরির অনুষ্ঠানটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণও হয়ে উঠেছে দেশবাসীর কাছে।

মানব পতাকায় অংশগ্রহণকারী অনিতা গৌতমের কথায়, ‘অদ্ভূত সুন্দর এক অভিজ্ঞতা। যখন জাতীয় সঙ্গীতের সুর বাজছিল। আমরা বিভিন্ন্ রঙের কার্ডবোর্ড নিয়ে পতাকা তৈরি করলাম, তখন বুকের মধ্যে এক অন্য অনুভূতি হচিছল। মনে হচিছল এ আমার দেশ। আমরা সকলে এই দেশের নাগরিক।’

এই অনুষ্ঠানের কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন অনিল শাহ। পেশায় ব্যাংককর্মী। বললেন, ‘ওই পতাকা দেখে চোখে পানি এসে গিয়েছিল। নেপালি বলে ভীষণ গর্ব হচিছল।–ওয়েবসাইট।

ব্যর্থতা আর বিতর্কে শুরু রোনাল্ডোর স্প্যানিশ মৌসুম

দু’সপ্তাহও হয়নি রিয়াল মাদ্রিদকে মৌসুমের প্রথম ট্রফি ইউরোপিয়ান সুপার কাপ জিতিয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপও জেতার হুঙ্কার দিয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। কিন্তু তা হলো কোথায়!image_95551_0

লস ব্লাঙ্কোসকে ট্রফি তো দিতে পারলেনই না। দ্বিতীয় পর্বের ০-১ ব্যর্থতা ধরে দু’পর্বে রিয়াল হারল ১-২। উল্টে আটলেটিকো মাদ্রিদের ডিফেন্ডারের মুখে ঘুসি মেরে নতুন বিতর্কে জড়ালেন সিআর সেভেন।

প্রথম পর্বের ম্যাচে পর্তুগাল মহাতারকার চোট পেয়ে অনিশ্চিত হয়ে পড়ার পরেই অশনি সঙ্কেত দেখেছিলেন সমর্থকরা। ফিরতি ম্যাচে প্রথম দলে না থাকায় আশঙ্কা আরও বাড়ছিল।

শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয়ার্ধে রোনাল্ডোকে নামান রিয়াল কোচ কার্লো আন্সেলোত্তি। কিন্তু ছন্দে দেখা যায়নি ‘রিয়াল রকেটকে’। কার্ডিফের দাপট ভিসেন্তে কালদেরনে দেখাতে না পারার হতাশা থেকেই হয়তো ম্যাচের শেষ দিকে দিয়েগো গডিনকে ঘুসি মেরে বসেন রোনাল্ডো।

টিভি রিপ্লেতে যেটা পরিষ্কার ধরাও পড়েছে। যার পরই প্রশ্ন উঠে গিয়েছে, কোটি কোটি সমর্থকের রোল মডেলের এ ভাবে মেজাজ হারানোটা কি যথোচিত? এ তো ফুটবল-গুণ্ডামি। রেফারি হলুদ কার্ড দেখালেও সোশ্যাল মিডিয়ায় রোনাল্ডোর আরও বড় শাস্তির দাবিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

এক মহাতারকার নিষ্প্রভ হওয়ার ম্যাচে আবার উত্থান আর এক তারকার। আর এক মারিও-র। মান্ডুকিচ। বিশ্ব ফুটবলে আটলেটিকোর একটা অদ্ভুত ক্ষমতা রয়েছে। সফল স্ট্রাইকারের জায়গায় পরের মৌসুমে নতুন কাউকে এনে সাফল্য পাওয়ার।
তা সে দিয়েগো ফোরলান, সের্জিও আগেরো, রাদামেল ফালকাও থেকে গত মৌসুমে দিয়েগো কোস্তা, যিনিই হোন, উত্থান আটলেটিকোতেই। ২৯ বছর পর টিমকে সুপার কাপ জিতিয়ে সেই পরম্পরা রেখে দিলেন মান্ডুকিচ।

ম্যাচের ভালো করে ঘুম ভাঙার আগেই মান্ডুকিচ দু’মিনিটে গোল করে এগিয়ে দেন আটলেটিকোকে। এমনিতেই অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া আর স্যামি খেদিরার দল বদল নিয়ে সমস্যা কম নেই রিয়ালে।

এ মৌসুমেও মারিয়াকে টিমে রাখার আবেদন করে পরিস্থিতি আরো জটিল করে তুলেছেন রোনাল্ডোরা। কিন্তু আটলেটিকো ম্যাচে ডি মারিয়াকে না নামিয়ে রিয়াল বোধহয় তাদের অনড় মনোভাবটাই অ্যাঞ্জেলের জন্য স্পষ্ট করে দিল। আর খেদিরা ম্যাচের আগেই জার্মানিতে চলে গিয়েছিলেন ভাইয়ের খেলা দেখতে।

ম্যাচে শুরুতে রোনাল্ডো, ডি মারিয়া আর ডিফেন্সে পেপে-র না থাকার সুযোগে মান্ডুকিচ বাজিমাত করে যান। গোটা ম্যাচে যার জবাব খুঁজে পাননি গ্যারেথ বেল, হামেস রদ্রিগেজরা। সিআর সেভেন নামার পর ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে চলে গিয়েও আন্সেলোত্তি কাজের কাজ করতে পারেননি।

ম্যাচের পর হতাশাটা তাই স্পষ্ট ধরা পড়ছিল তার কথায়, “সুপার কাপকে আমরা গত মৌসুমের শেষ ম্যাচ ধরতে পারি। আমাদের এ দিনের হারে লিসবনে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের কৃতিত্বও যেন চাপা পড়ে গেল।”

তবে ১৫ বছর পর কালদেরনে রিয়ালের বিরুদ্ধে রাজকীয় জয়ের পাশাপাশি কাঁটাও রয়েছে আটলেটিকোর। বিরতির আগেই রেফারির সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে যে ভাবে লাল কার্ড দেখার পরেও স্ট্যান্ডে বসেছিলেন তাতে বড় শাস্তি হতে পারে কোচ দিয়েগো সিমিওনের।

লালকার্ড দেখার পর সরাসরি ড্রেসিংরুমে যাওয়াটাই নিয়ম। যা ভাঙায় সিমিওনেকে তিন ম্যাচ বা তারও বেশি সাসপেন্ড করা হতে পারে। যদিও আর্জেন্টিনীয় কোচ ম্যাচের পর রেফারির কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন। -ওয়েবসাইট।

একাত্তরের টক শো থেকে উঠে চলে গেলেন দিলারা চৌধুরী

রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধ হবে? এমন প্রশ্ন নিয়ে শনিবার রাতে ৭১ সংযোগ লাইভ অনুষ্ঠান চলাকালে সেখান থেকে উঠে চলে গেছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী। যাওয়ার আগে তিনি বলেন, “৭১ টেলিভিশনে কোনো ভদ্রলোক, কোনো একাডেমিশিয়ান এখানে কোনো আলোচনায় অংশ নিতে আসতে পারে না।”

অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন, ২১ আগস্টের ঘটনায় প্রকাশ্যে জনসভায় আপনি ১৬টি গ্রেনেড মারলেন, তারমধ্যে দুটি ফোটে নাই। সে দুটি গ্রেনেড নষ্ট করে ফেললেন। জেলখানার ভেতরে গ্রেনেড পাওয়া গেল। আপনার ওসমানি উদ্যানের ভেতর গ্রেনেড পাওয়া গেল। এ সবকটি গ্রেনেডকে আপনি নষ্ট করে ফেলা হলো। এ পর্যায়ে দিলারা চৌধুরী বলেন, এসব ঘটনার তদন্ত হওয়া দরকার। শ্যামল দত্ত, দিলারা চৌধুরীর সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, তদন্ত হওয়া দরকার, আনফরচুনেটলি তদন্ত হয়নি। আপনি জজ মিয়া বের করলেন। ৭৫’এর খুনিদের চাকরি দিলেন বিভিন্ন মিশনে। এ পর্যায়ে দিলারা বলেন, কে দিয়েছে মোশতাক। শ্যামল দত্ত বলেন, মোশতাক দিয়েছে। দিলারা প্রশ্ন তোলেন, মোশতাক আওয়ামী লীগ না? শ্যামল দত্ত বলেন, এবং এই চাকরি কন্টিনিউ করেছেন বেগম জিয়া পর্যন্ত। মোশতাক মীরজাফর বেঈমান।image_95547_0

এ পর্যায়ে দিলারা জামান শ্যামল দত্তকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি এমন এক সময়ে এ কথা তুললেন যারা এখনো ক্ষমতায় আছেন এবং তারা মোশতাকের ক্যাবিনেটের সদস্য ছিলেন। তাদের কথা বলেন, যে তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে, পারবেন তাদের নাম বলতে? শ্যামল বলেন, অবশ্যই আছে। দিলারা ফের তাকে তাদের নাম বলতে বললে শ্যামল দত্ত হেসে বলেন, আমিতো ইয়াহিয়া ক্যাবিনেটে যারা ছিলেন তাদেরো নাম বলব আপা..দিলারা জামান বলেন, হ্যাঁ নাম বলেন। ওই ক্যাবিনেটে আমার হাজবেন্ট ছিল। শ্যামল এপর্যায়ে বলেন, ইয়েস। দিলারা বলেন, যদি ইতিহাস ঘাটতে হয় তাহলে আমার হাজবেন্ডের বই পড়ে দেখবেন। আপনার হাজবেন্ড’এর বই পড়ে দেখেছি ম্যাডাম। দিলারা বলেন, আমি এখানে আমার হাজবেন্ডকে রিপ্রেজেন্ট করতে আসিনি। আমিতো বলিনি যে আমার হাজবেন্ডের কাসুন্দি ঘাটেন। আমি বলেছি মোশতাকের ক্যাবিনেটে যারা ছিল তাদের নাম বলেন। তার সঙ্গে ইয়াহিয়া ক্যাবিনেটের সদস্যদের নাম বলার কি যোগাযোগ আছে। আপনি কি বলেন, এটা বলে পারসোনালি হিউমিলেট করতে পারবেন আমাকে ?

এসময় তুমুল বিতর্ক শুরু হয় অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের মধ্যে। শ্যামল দত্ত এক পর্যায়ে বলেন, ইয়াহিয়া ক্যাবিনেটে আপনার হাজবেন্ড ছিল একথা তো বলিনি আমি। দিলারা বলেন, তাহলে আপনি হাসি দিয়ে কেন বললেন যে, তাহলে আমাকে ইয়াহিয়া ক্যাবিনেট মেম্বারদের নাম বলতে হবে। শ্যামল দত্ত বলেন, যুগে যুগে বিভিন্ন ক্যাবিনেটে বেঈমানরা ছিল। ইয়াহিয়ার ক্যাবিনেটেও ছিল, মুজিবের ক্যাবিনেটেও ছিল।

দিলারা এ সময় শ্যামল দত্তকে বলেন, তাহলে সেই বেঈমানরা যারা এখন পাওয়ারে চলে আসছে তাদের নাম বলেন। কোনো সদুত্তর না পেয়ে দিলারা চৌধুরী এসময় বলেন, আমার বক্তব্য শেষ হয়নি। আমি বলতে চাচ্ছি অন রেকর্ড ৭১ টেলিভিশনে কোনো ভদ্রলোক, কোনো একাডেমিশিয়ান এখানে কোনো আলোচনায় অংশ নিতে আসতে পারে না।

এ পর্যায়ে অনএয়ারে দিলারা চৌধুরী উঠে দাঁড়ান এবং স্টুডিও ত্যাগ করতে উদ্যত হন। এ পর্যায়ে অধ্যাপক মেজবাহ কামাল বলেন, আচ্ছা ঠিক আছে অনুষ্ঠান আমাদের শুরু করতে হচ্ছে। যাবার আগে উপস্থাপক শাকিল আহমেদ, দিলারা চৌধুরীকে বসতে বললে তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয়ভাবে কথা উঠালে আমি বসব না। শাকিল আহমেদ জানান, সে দায় ৭১ টেলিভিশন কিভাবে নেবে? জবাবে দিলারা চৌধুরী বলেন, ৭১ টেলিভিশনের উপস্থাপকের যে রোল, সে রোলটা হবে মডারেট করা। মডারেট করতে যেয়ে অনেককে অনেক কিছু চান্স দিয়ে ফেলছেন। অনুষ্ঠানে শ্যামল চৌধুরী ও অধ্যাপক মেজবাহ কামালকে লক্ষ্য করে দিলারা বলেন, আমি এখানে বসে বসে অতীতে আপনার কোথায় ছিলেন, কোনখান থেকে জাম্প করে এখানে এসেছেন এগুলো বের করি?

এ পর্যায়ে স্টুডিও থেকে দিলারা চৌধুরী বের হয়ে গেলে উপস্থাপক শাকিল আহমেদ বলেন, আমার মনে হয় বিরতিতে যাওয়া ছাড়া .. ধন্যবাদ আমরা একটা বিরতির পর ফিরে আসছি। বিরতির পর উপস্থাপক শাকিল আহমেদ দিলারা চৌধুরীকে ছাড়াই বাকি দুই অতিথি শ্যামল দত্ত ও অধ্যাপক মেজবাহ কামালকে নিয়ে অনুষ্ঠান চালিয়ে যান।

বেনাপোলে হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

ভারত থেকে পাচার হয়ে আসার পর বেনাপোল বাজার থেকে শনিবার রাতে ২৫ লাখ টাকা মূল্যের হেরোইন সহ আলাউদ্দিন নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে বিজিবি।image_95539_0

২৬ বিজিবি’র ব্যাটালিয়ন কমান্ডার লে. কর্নেল জাহাঙ্গীর আলম জানান,  গোপন সংবাদের মাধ্যমে খবর পেয়ে বিজিবি সদস্য শহিদুল ও ফিরোজ শনিবার রাতে বাজারের তালসারী নামক স্থানে বেনাপোল থেকে ঢাকার উদ্দ্যেশ্যে ছেড়ে যাওয়া সোহাগ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস তল্লাশি করে হেরোইন সহ আলাউদ্দিন নামে হেরোইন ব্যবসায়ীকে আটক করতে সক্ষম হয়।

আটক হেরোইনের মূল্য ২৫ লাখ টাকা বলে বিজিবি জনায়। আটক আলাউদ্দিন বেনাপোলের সাদিপুর গ্রামের মৃত দলিল মোড়লের ছেলে। এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি মামলা হয়েছে।

সাভারে বাংলাদেশ জাতীয় প্রিমিক্স সামিট ২০১৪

নভো নরডিস্ক ‘বাংলাদেশ জাতীয় প্রিমিক্স সামিট ২০১৪’ শীর্ষক এক সায়েন্টিফিক সেমিনারের আয়োজন করতে যাচ্ছে।

সাভারের ব্র্যাক-সিডিএম এ শুক্রবার এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।image_95254_0

সায়েন্টিফিক সেমিনার নভো নরডিস্ক এর একটি ধারাবাহিক কার্যক্রম।

সেমিনারে আধুনিক প্রিমিক্স ইনসুলিনের উপকারি দিক, টাইপ-২ রোগীদের দ্রুত ইনসুলিন চিকিৎসার আওতায় আসার উপকারিতা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

নভো নরডিস্ক বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী একটি প্রতিষ্ঠান। যারা ৯০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ডায়াবেটিস চিকিৎসায় নতুন নতুন ওষুধ আবিস্কার এবং ডায়াবেটিস স্বাস্থ্য সেবায় নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ডায়াবেটিস চিকিৎসার উন্নতিতে অবদান রেখে চলছে।

ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় প্রচলিত বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি ও সম্প্রতি প্রচলিত আধুনিক প্রিমিক্স ইনসুলিন চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে চিকিৎসকদের অবগত করাই এই সামিটের মূল উদ্দেশ্য।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক্স এসোসিয়েসনের সভাপতি প্রফেসর এ.কে. আজাদ।

উপস্থিত থাকবেন প্রফেসর এমেরিটাস ও চিফ কনসালটেন্ট মেডিসিন, বিআইএইচএস এর প্রফেসর হাজেরা মাহতাব,  বারডেম একাডেমির পরিচালক প্রফেসর জাফর আহমেদ লতিফ, বারডেমের এন্ডোক্রাইনলজি ডিপার্টমেন্টের প্রধান প্রফেসর ফারুক পাঠান।

সভাপতিত্ব করবেন বিএসএমইউ এর এন্ডোক্রাইনলজি ডিপার্টমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক প্রফেসর ফরিদ উদ্দিন।

এছাড়াও নভো নরডিস্ক এর গ্লোবাল মেডিকেল ডিরেক্টর (ইন্ডিয়া) ডা. প্রসন্ন কুমার এবং নভো নরডিস্ক ফার্মা (প্রাইভেট) লিমিটেড এর বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মি.এ রাজন কুমার প্রমুখ উপস্থিত থাকবেন।

সারাদেশ থেকে দুই শতাধিক ডায়াবেটিস চিকিৎসক এই সামিটে অংশ নেবেন।

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা ডায়াবেটিসের নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির উপকারি বিভিন্ন দিক নিয়ে এই সামিটে আলোচনা করবেন।

মাহবুব, মান্নান ও বদির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ক্ষমতাসীন দলের সাবেক দুই প্রতিমন্ত্রী ও একজন এমপিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
image_95246_0
বৃহস্পতিবার দুদকের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

যাদের নামে মামলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তারা হলেন- পটুয়াখালী-৪ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত এমপি ও সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান, সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের এমপি আবদুর রহমান বদি।

ভাষাসৈনিক মতিনের অবস্থার উন্নতি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার অবসরপ্রাপ্ত আব্দুল মজিদ ও আবদুল মতিনের স্ত্রী গুলবদন নেসা মনিকা বৃহস্পতিবার সকালে এ তথ্য জানান। তবে অবশ হওয়া অংশটি কাজ করতে আরো সময় দরকার বলে জানান আব্দুল মজিদ।image_95249_0

বুধবার আব্দুল মতিনের মস্তিষ্কের জমাট বাধা রক্ত অপসারণ করা হয়। এজন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে তার মাথায় অস্ত্রপাচার করা হয়েছে।

গুলবদন নেসা মনিকা জানান, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে আব্দুল মতিনের শরীরের ডান পাশ কর্মক্ষমতা হারিয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে আব্দুল মতিনকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আaনা হয়। এর আগে সোমবার দুপুরে ব্রেন স্ট্রোক করার পর রাজধানীর সাতমসজিদ রোডের সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসায় কোনো ত্রুটি হচ্ছে না বলে জানান আব্দুল মতিনের সহধর্মিনী গুলবদন নেসা মনিকা।