পাঁচ ব্যাংক নিয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ১৩ হাজার ৮৯৬ গ্রাহক দুইদিনে ৫৭৭ কোটি টাকা উত্তোলন করেছেন।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয়দিনে সাত হাজার ৮৯৬ জন গ্রাহক মোট ৩২৭ কোটি টাকা তুলেছেন। আগেরদিন সোমবার ছয় হাজার গ্রাহক ২৫০ কোটি টাকা তুলেছিলেন।
ব্যাংকটির কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন।
ব্যাংকটির কর্মকর্তারা বলেন, গ্রাহকরা টাকা উত্তোলনের জন্য যতটা অধীর আগ্রহে ছিলেন, সেই তুলনায় দুইদিনে অর্থ উত্তোলন কম। অবশ্য প্রথমদিনের চেয়ে দ্বিতীয়দিনে ৭৭ কোটি টাকা বেশি তুলেছেন। একীভূত পাঁচ ব্যাংকের মোট শাখা রয়েছে ৭৬১টি। টাকা ফেরত পেতে পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের কাছ থেকে ৭৪ হাজার ২২১টি আবেদন জমা পড়েছিল। এসব আবেদনের বিপরীতে অর্থের দাবি রয়েছে তিন হাজার ৯২৫ কোটি টাকা।
টাকা উত্তোলন প্রসঙ্গে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবেদুর রহমান সিকদার বলেন, আবেদন করা গ্রাহকদের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনেক গ্রাহক ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের আমানত চালু রাখার কথা জানিয়েছেন। টাকা নেওয়ার দুইদিনে অনেকেই ব্যাংকটির বিভিন্ন শাখায় এসেছেন, অনেকে টাকা তুলেছেন, কেউ কেউ আমানতের পুরো টাকা তুলেছেন। কেউ কেউ টাকা তুলে পরে আবার ব্যাংকে জমা করেছেন।
নগদ অর্থের সংকট নেই, চাহিদামতো টাকা উত্তোলন করতে পারবেন গ্রাহকরা জানিয়ে রহমান সিকদার বলেন, গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে আমানতের টাকা তোলার আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আবেদন গ্রহণ চলমান রয়েছে। অপরদিক গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের জমে থাকা আমানত ফেরত দেওয়াসহ ব্যাংকটির তারল্য সংকট মোকাবিলায় ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে পাঁচ হাজার কোটি টাকা বিশেষ ধার বা ঋণ দিয়েছে।
উল্লেখ্য, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত হয় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক। এর পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা।



