বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬

ফরিদপুরে জমে উঠেছে পশুর হাট

ঈদুল আযহাকে ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে ফরিদপুরের পশুর হাটগুলো। মৌসুমী ব্যবসা হিসাবে এই সুযোগেই একশ্রেনীর অসাধু ব্যবাসায়ীরা কৃত্রিম উপায়ে বেশি মুনাফার আশায় গরু মোটাতাজা করছে। আর অবাধে ভারত থেকে গরু আসায় লোকসানের আশঙ্কা করছে স্থানীয় খামারী।

মুসলমানদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা অর্থাৎ কোরবানীর ঈদ। ঈদের আর মাত্র কিছু দিন বাকি। ঈদুল আজহার মূল উদ্দেশ্যে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানি করা। তাই এই সময়টাতে পশু কেনা বেচা হয় সবচেয়ে বেশি।image_98204_0

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই ভিড় জমতে শুরু করেছে ফরিদপুরের পশুর হাটগুলোতে। হাটগুলোতে এই সময় ক্রেতাদের বেশিরভাই ব্যবসায়ী।

এখন কম দামে গরু কিনে ঈদের আগে ঢাকাসহ অন্যান্য হাটে বেশি দামে বিক্রি করাই তাদের উদ্দেশ্য। অভিযোগ রয়েছে, একশ্রেণীর অসাধু ও মৌসুমী ব্যাবসায়ীরা কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কম দামে ছোট গরু কিনে মোটাতাজাকরণ ট্যাবলেট ও সার খাইয়ে কৃত্রিম উপায়ে গরু স্বাস্থ্যবান করে থাকে। যা গরুর জন্য ক্ষতিকর এবং ওই গরুর মাংস খেলে অসুস্থ হতে পারে মানুষও।

অন্যদিকে বৈধ ও অবৈধ পথে ভারত থেকে অবাধে আসছে গরু। এই দুই কারণে ফরিদপুরের প্রকৃত খামারীরা প্রতিবছরের মত এবারও পরেছেন দুশ্চিন্তায়। ভারত থেকে আসা গরুর দাম দেশী গরুর চেয়ে কম। সেক্ষেত্রে দেশি গরুর ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখোমুখি হবেন বলে তাদের আশঙ্কা।

ফরিদপুরের খামারী ও গরু ব্যাবসায়ীরা জানিয়েছে, যারা কৃত্রিম উপায়ে গরু মোটাতাজা করে তাদের পশু যেন হাটে বিক্রি না হতে পারে সে ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট এবং কোরবানির ঈদের সময়টাতে ভারত থেকে গরু আমদানি না করারও দাবি জানিয়েছেন।

খামার মালিক হাবিবুর রহমান বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এবারও আমি স্বল্প পরিসরে ১৯টি উন্নতজাতের গরু ক্রয় করে লালন পালন করি। আমি আমার খামারের গরুগুলোকে খড়, ঘাষ, খইল, গম ও ছোলার ভূসি খাইয়ে গরুগুলোকে লালন পালন করেছি। এখন আমার গরুগুলো সম্পূর্ণ বিক্রয়ের উপযোগী হয়ে উঠেছে।

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এ গরুগুলো আমি লালন-পালন করেছি। ইতিমোধ্যেই বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গরু ব্যবসায়ীরা আমার খামারে এসে গরু গুলোকে দেখে গেছে দামও উঠেছে। আমার ১৯টি গরুর মূল্য ধরেছি এক কোটি ২০লাখ টাকা। ব্যাপারিরা আমার ১৯টি গুরুর দাম বলেছে ৮০লাখ টাকা।

তিনি আরও বলেন, আমি সম্পূর্ণভাবে স্বাভাবিক খাবার খাইয়ে গরু লালনপালন করছি। গরু মোটা-তাজা করার জন্য আমি কোন রকম ওষুধ ও ইনজেকশন দেইনি। একধরনের অসাধু খামারি ওষুধ ও ইনজেকশন দিয়ে গরু মোটা-তাজা করে।

ওষুধ ও ইনজেকশন দিয়ে গরু মোটা-তাজা করলে ওই গরুর মাংস খেলে মানুষের অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও ওষুধ দিয়ে মোটা-তাজা করলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গরু বিক্রি করতে না পারলে ওই গরু ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং ওই গরু আর বাজারে বিক্রয় করতে পারবে না। কিন্তু আমার গরুগুলো কোরবানির সামনে বিক্রয় করতে না পারলেও কোনো অসুবিধা হবে না। কারণ আমার গরুগুলো স্বাভাবিক খাবার খেয়ে বড় হয়েছে।

খামার মালিক হাবিবুর রহমান বলেন, যে সকল শিল্পপতিরা কোরবানি করার জন্য গরু ক্রয় করবেন তারা আমার খামারের গরু ক্রয় করলে লাভবান হবেন। কারণ আমার খামারের গরু সম্পূর্ণ সূস্থ্য ও নিবাপদ। আমি বেছে বেছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ভাল জাতের নিখুত গরু সংগ্রহ করে লালন-পালন করে থাকি।

তিনি ঈদের আগে ভারত থেকে গরু আমদানি না করার জন্যও সরকারের আছে দাবি জানিয়েছেন।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন স্থানে গবাদি পশু’র এ্যানথ্রাক্স (তড়কা) রোগের কথা শুনা গেলেও ফরিদপুরের কোথায় এখনো এ রোগের লক্ষণ দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগে কর্মকর্তা ডা. হাসানুজ্জামান।

ফরিদপুরে কৃত্রিম উপায়ে গরু মোটাতাজা করন হচ্ছে না বলে দাবি করেন এই কর্মকর্তা। কোরবানির পশুর হাটগুলোতে যাতে রোগাক্রান্ত পশু ক্রয় বিক্রয় না হয় সে ব্যাপারে মনিটরিং করা হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

মৌসুমী ব্যবসায় লাভবান হওয়ার জন্য যারা ক্ষতিকর ওষুধ-পত্র ব্যবহার করে গরু মোটাতাজা করছে। তাদেরকে রুখতে এখনই কার্যকর প্রদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন এমনটি মনে করছেন ফরিদপুরবাসী।

হিলিতে ৭০০ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক ৪

হিলির বাসুদেবপুর সীমান্ত থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ফেনসিডিলসহ চার মাদক চোরাকারবারীকে আটক করেছে বিজিবি। আটককৃ ব্যক্তিরা হলেন হাকিমপুর উপজেলার কাঁকরাপালি গ্রামের আফসার আলীর ছেলে গোলাম রাব্বানী, নবাবগঞ্জ উপজেলার শালখুরিয়া গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে image_98206_0হাসান আলী,একই এলাকার মৃত আকুমদ্দিনের ছেলে মোত্তালেব, একই উপজেলার কুরাহটি এলাকার আফজাল হোসেনের ছেলে শহিদুল ইসলাম।

আটককৃতদের হাকিমপুর থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

বাসুদেবপুর বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার দেলোয়ার হোসেন জানান, রোবাবার ভোরে একটি সংঘবদ্ধ মাদক চোরাকারবারীর একটি দল ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল দেশে পাচার করে আনছে- এমন  সংবাদ পেয়ে বিজিবির একটি টহল দল চন্ডিপুর মাঠে অভিযান চালায়।

এ সময় সেখান থেকে আটটি বস্তায় ৭০০ বোতল ফেনসিডিল সহ চার মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়।

শিকাগোতে জিয়াউর রহমান ওয়ে’র বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের মামলা

শিকাগোতে ‘জিয়াউর রহমান ওয়ে’র বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের পক্ষে শিকাগো প্রবাসী এক বাংলাদেশি আমেরিকান নাগরিক এ মামলার বাদী।

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট ড. সিদ্দিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ইতিমধ্যেই মেয়র রাম এমানুয়েলের কাছে তিনি অভিযোগও করেছেন, জিয়াউর রহমান একজন সামরিক স্বৈরশাসক শাসক ছিলেন এবং বহু সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা করেছেন। তিনি একজন ‘নোন কিলার।’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রেও তিনি জড়িত। শিকাগো শহরের আইননানুযায়ী তার নামে কোনো ধরনের রাস্তা ও অন্য কোন স্থাপনার নামকরণ হতে পারে না।image_98210_0

শিকাগো’র আইন অনুযায়ী কোনো বিতর্কিত রাজনৈতিক ব্যক্তির নামে কোন স্থাপনার নামকরণ হতে পারে না উল্লেখ করে ড. সিদ্দিকুর রহমান আরো বলেন, জিয়াউর রহমান ওয়ে নামকরণের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি নয়, ‘জেনারেল জিয়াউর রহমান’ উল্লেখ করে আবেদন করা হয়েছে, এ বিষয়টি মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ড. সিদ্দিক আরো জানান, মেয়রের পক্ষ থেকে প্রক্লেমেশন দেয়ার সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই বাতিল করা হয়েছে এবং রোববার নামকরণ অনুষ্ঠান যদি হয়ও, মেয়র রাম এমানুযেল সেখানে যাবেন না।

এদিকে মেয়র অফিসের সামনে শুক্রবার দুপুরে বিক্ষোভ করেছে শিকাগো, মিশিগান, নিউজার্সি, ফ্লোরিডা, আটলান্টা ও নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

রোববার  ১৪ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে একটি সড়কের নামফলক উন্মোচনের কথা রয়েছে।

দুর্দিনে পোশাক শিল্প

রানা প্লাজা ধসের পর বাংলাদেশে অন্তত ২০০ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে৷ সেই সঙ্গে বেকার হয়েছে ৮৪ হাজার পোশাক শ্রমিক৷ আরো অন্তত ২০০ কারখানা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিএমইএ৷

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ জানিয়েছে, বন্ধ হওয়া কারখানার মধ্যে ২০ শতাংশ হচ্ছে শিফট হওয়া, ৪০ শতাংশ ‘শেয়ার্ড বিল্ডিং’ কারখানা৷ বাকি কারখানাগুলো সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করা কারখানা৷ এর মধ্যে ভালো মানের কারখানা ৫ শতাংশেরও কম৷image_98199_0

সর্বশেষ ১ সেপ্টেম্বর মিরপুরে ‘ইমাকুলেট প্রাইভেট লিমিডেট’ নামের গার্মেন্টসটি বন্ধ করে দেয় মালিকপক্ষ৷ এর কয়েকদিন আগে একই মালিকের আরো একটি কারখানাও বন্ধ হয়ে যায়৷

বিজিএমইএ জানায়, গত ঈদের আগে বন্ধ হয়েছে ২০টি পোশাক কারখানা৷ যা বিজিএমইএ জানে না বা বিজিএমইএকে জানানো হয়নি।তাই বাস্তবে বন্ধ হওয়া পোশাক কারখানার সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে৷ তবে ঢাকায় বন্ধ করে গাজীপুর-আশুলিয়ায় একই নামে আবার কারখানা চালু করছেন অধিকাংশ মালিক৷

কারখানা বন্ধের পাশাপাশি নতুন কারখানা করার হারও কমছে৷ ২০১৪ সালে ৮০টি, ২০১৩ সালে হয়েছে ১৪০টি আর ২০১২ সালে ২০০টি কারখানা নতুন করে স্থাপন করা হয়েছে৷ বর্তমানে বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত সাড়ে তিন হাজার কারখানা চালু রয়েছে৷ যদিও বিজিএমইএর সদস্য কারখানার সংখ্যা পাঁচ হাজার ৭৫১টি৷

কারখানা বন্ধ হওয়া প্রসঙ্গে বিজিএমইএ সভাপতি শহীদুল্লাহ আজিম বলেন, ‘‘কারখানা বন্ধ হওয়ার অনেকগুলো কারণ আছে৷ এক নম্বর কারণ হচ্ছে রানা প্লাজা ধসের প্রভাবে ক্রয় আদেশ কমে যাওয়া৷”

এছাড়া ‘অ্যাকর্ড অ্যালায়েন্সের’ কারখানা পরিদর্শন, শেয়ার্ড বিল্ডিং কারখানা থাকার কারণে ক্রেতারা অর্ডার না দেওয়া, ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির কারণে মালিকরা কারখানা চালাতে না পারা এসব কারণেও কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি৷

শহীদুল্লাহ আজিম বলেন, ‘‘আমাদের হিসাবে রানা প্লাজা ধসের পর থেকে ২১৮টি গার্মেন্ট কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে৷ যেসব কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে সেগুলোর বেশিরভাগই ছোট ও মাঝারি আকারের এবং প্রত্যেক কারখানায় ৩০০-৮০০ শ্রমিক কাজ করতেন৷”

তিনি জানান, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে গার্মেন্ট রফতানি ১.৬ শতাংশ কমে গেছে৷তবে এ সময় নিটওয়্যার রফতানি বেড়েছে ৫ শতাংশ৷ যদিও গত অর্থবছরের একই সময়ে এ খাতে রফতানি বেড়েছিল ১২ শতাংশ৷

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারে রানা প্লাজা ধসে এক হাজার ১৩৮ জন মারা যাওয়ার পর থেকে ইউরোপ ও আমেরিকার ২০০ ক্রেতার পক্ষ থেকে অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স নামের দুটো প্রতিষ্ঠান প্রায় এক হাজার ৭০০ গার্মেন্ট পরিদর্শন করেছে৷ এর মধ্যে অ্যাকর্ড এক হাজার ১০০ এবং অ্যালায়েন্স ৬০০ কারাখানা পরিদর্শন করে৷ তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে অনেক গার্মেন্ট ব্যাপক সংস্কার করতে বাধ্য হয়৷ সূত্র: ডিডব্লিউ

সুইডেন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা

১৪ সেপ্টেম্বর রোববার সুইডেনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ওইদিন সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত ভোটাররা ভোট দেবেন। তবে ১৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ হলেও ভোট দেয়া শুরু হয়েছে গত ২৮ আগস্ট থেকে। এই সময় দেশের বিভিন্ন লাইব্রেরিতে ভোট প্রধানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১৪ সেপ্টেম্বর রাত আটটায় ভোট গ্রহণ শেষ হলেই প্রাথমিক ফলাফল স্থানীয় মিডিয়া প্রকাশ করা শুরু করবে।image_98197_0

প্রতিবারের মতো এবারও প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিভিন্ন দল থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভেনসটার পার্টি থেকে লিও আহমেদ স্টকহলম সিটি কাউন্সিল ও মহিবুল ইজদানী খান ডাবলু স্টকহলম কাউন্টি কাউন্সিল এ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দলের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে লিও আহমেদের নাম অনেক উপরে থাকাতে তিনি ইতিমধ্যেই জয়ী হয়েছেন বলে ধরা যেতে পারে। অন্যদিকে মহিবুল ইজদানী খান ডাবলুর নাম নিচে থাকাতে তার পক্ষে জয়ী হওয়া অত্যন্ত কঠিন বলা যেতে পারে। তবে ছোট রাজনৈতিক দল হওয়ার কারণে তার জয়ী হওয়ার সম্ভাবনাকে একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না। সব কিছুই নির্ভর করছে স্টকহলম প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপর। আপাত দৃষ্টিতে যতটুকু ধারণা করা যায় মহিবুল ইজদানী খান ডাবলু পরাজিত হলে সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হবেন। সবকিছুই নির্ভর করছে ভোটারদের ভোটের ওপর।

উপরোক্ত দুইজন প্রার্থী ছাড়াও সুইডিশ লেবার পার্টি থেকে স্টকহলম সিটি কাউন্সিলে শাশি হোসেন এবার প্রথমবারের মত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সদ্য রাজনীতিতে আগত ২৭ বছরের এই তরুণের নাম দলের প্রার্থী তালিকায় উপরে থাকার কারণে তিনি ইতিমধ্যেই জয়ী হয়েছেন বলে ধরা যেতে পারে। অন্যদিকে বাসিত চৌধুরী ও আবুল কালাম আজাদ সুইডিশ রক্ষনশীল দল মডারেট্ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের জয় হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নাই বললেই চলে। কারণ বড় দল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কারণে জয়ী হতে হলে তাদের দুজনেরই প্রচুর ভোটের প্রয়োজন রয়েছে। এছাড়া প্রায় বেশিরভাগ বহিরাগতরা দলটির প্রতি তেমন সমর্থন প্রধান করে না। আর বাংলাদেশিদের বেলায় একেবারেই নাই বললেই চলে। সেদিক দিয়ে তুলনা করলে মহিবুল ইজদানী খান ডাবলু ছোট রাজনৈতিক দল সুইডিশ লেফট পার্টি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাতে রাজধানী স্টকহলমে তার খুব একটা বেশি ভোটের প্রয়োজন হবে না। তাকে জয়ী হতে হলে ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তায় জয়ী হতে হবে যা অত্যন্ত কঠিন।

সুইডেনের রাজনীতিতে বর্তমানে দুইটি জোটের অবস্থান রয়েছে। ক্ষমতাসীন ডানপন্থী এলায়েন্স ও বামপন্থী রেড গ্রিন জোট। প্রবাসি বাংলাদেশি ভোটারসহ বেশির ভাগ বহিরাগতরা সবসময় রেড গ্রিন জোটের পক্ষে ভোট দিয়ে থাকেন। সুইডেনের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় পর পর দুবার ক্ষমতায় এসেছে ডানপন্থী এলায়েন্স। তবে বিভিন্ন জরিপ অনুসন্ধান রিপোর্টে ইতিমধ্যে সরকার পরিবর্তনের আভাস দেয়া হয়েছে। সবকিছুই নির্ভর করছে বহিরাগত বিরোধী রাজনৈতিক দল স্ভেরিয়া ডেমোক্রাটারনার আসনের উপর। দলটি ভালো ফলাফল করলে সরকার গঠনে সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। কারণ ইতিমধ্যেই দুটি জোটই স্ভেরিয়া ডেমোক্রাটারনার সাথে জোট না করার কথা ঘোষণা করেছে। এধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে হয় মাইনরিটি সরকার নতুবা পুনরায় নির্বাচন হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিতে পারে। তবে পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন বিরোধী দলের পক্ষে আশাতীত ফলাফল না হলে বর্তমান ডানপন্থী এলায়েন্স সরকার পরোক্ষভাবে স্ভেরিয়া ডেমোক্রাটারনার সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা করতে পারে।

স্টকহলম কাউন্টি কাউন্সিলের সাবেক নির্বাচিত কাউন্সিলার মহিবুল ইজদানী খান ডাবলু প্রবাসীর কন্ঠ ডট কম এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেন ব্যক্তিগতভাবে জয়ী হওয়াটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমার দল সুইডিশ লেফট পার্টি (ভেনসটার) পক্ষ থেকে জয়লাভকে বরং গুরুত্ব দিচ্ছি বেশি।

পাগলামি করলে খালেদা সব হারাবেন: মায়া

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, “বেগম খালেদা জিয়ার সুমতি হলে তিনি শেখ হাসিনার অধীনেই ২০১৯ সালের নির্বাচনে অংশ নেবেন। আর যদি ২০১৪ সালের নির্বাচন নিয়ে তিনি পাগলামি করেন, তাহলে তিনি সব হারাবেন।”image_98193_0

শনিবার সন্ধ্যায় চাঁদপুরের মতলব উত্তরের পাঠানবাজার এলাকায় কমিউনিটি পুলিশের এক সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী মায়া চৌধুরী এসব কথা বলেন। এ সময় জেলা পুলিশ সুপার আমির জাফরসহ জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মায়া বলেন, “বিএনপি প্রধান অসুস্থ নন, বরং তিনি বিশ্রামে আছেন। কারণ আগামী ২০১৯ সালের নির্বাচনের জন্য তিনি সেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন।”

মা’ হতে চান সানি

সবাই জানে সানি লিওন ‘অ্যাডাল্ট স্টার’৷ একসময় নীল ছবিতে কাজ করতেন৷ এখন তিনি সেই জগত থেকে দূরে সরে গিয়ে বাণিজ্যিক ছবিতে কাজ করছেন৷ সানি অবশ্য কোনো দিনই নিজের অতীত নিয়ে লুকোছাপা করেন না৷ বরং মুক্তকন্ঠেই বলেন, নীল ছবির দৌলতে আজ তিনি অন্যরকম একটা প্ল্যাটফর্ম পেয়েছেন৷image_98075_0

তা সেই অ্যাডাল্ট স্টার সানি লিওন-ই বললেন, শুধু মাত্র প্রাপ্তবয়স্করাই নন, শিশুরাও তাকে চেনে৷ কোথাও গেলে ছোটবড়, সকলে মিলে তার সঙ্গে ছবি তুলতে চায়৷ শিশুদের প্রসঙ্গেই এবার সন্তানধারনের কথা বলেছেন সানি৷

তার কথায়, “আমি অবাক হয়ে যাই শিশুরা চট করে কীভাবে আমায় চিনে ফেলে৷ আমি আর আমার স্বামী ড্যানিয়েল এবার পরিবার তৈরির কথা ভাবতে পারি৷ কিন্ত্ত সেটা কবে, এখনও ঠিক নেই৷ সময়ই সেটা বলতে পারবে৷ এই মুহূর্তে আমি কেরিয়ার নিয়েই বেশি ভাবছি৷ কেরিয়ারেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি৷ তবে মা হওয়ার পরও আমি কাজ করে যাবো৷ আমি চেষ্টা করবো শরীরটাকে ফিট রাখতে৷ শরীর ঠিক থাকলে কাজ করতে কোনো অসুবিধা হবে না৷ আমেরিকায় সকলে এমনটাই করে৷”- ওয়েবসাইট।

নিজেদের পায়ে নিজেরাই কুড়াল মেরেছে আইএস

আমেরিকার দুই সাংবাদিককে শিরশ্ছেদ ও ভিডিও প্রকাশ করে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জঙ্গিরা নিজেরাই নিজেদের বিপদ ডেকে এনেছে।

কলাম লেখক ও আমেরিকান টাস্ক ফোর্স অন প্যালেস্টাইনের জ্যেষ্ঠ ফেলো হুসেন ইবিস এক নিবন্ধে এ মত ব্যক্ত করেছেন। সম্প্রতি নিবন্ধটি নাও লেবানন-এ প্রকাশিত হয়েছে।
index
গত বুধবার টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আইএস জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ‘নির্মম’ যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। গোষ্ঠীটিকে নির্মূল করতে ইরাকের মতো সিরিয়ায়ও বিমান হামলা চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

হুসেন ইবিস তার নিবন্ধে উল্লেখ করেন, যুদ্ধের প্রতি বীতশ্রদ্ধ মার্কিন জনগণের মতামতে সম্প্রতি নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে। এ জন্য আইএসের যোদ্ধারাই দায়ী। তারা মার্কিন সাংবাদিক জেমস ফলি ও স্টিভেন সটলফের শিরশ্ছেদ করেই ক্ষান্ত নয়, ওই বর্বর কাণ্ডের ভিডিওচিত্র ইন্টারনেটে প্রকাশ করেছে। এতে যুদ্ধের ব্যাপারে ত্যক্তবিরক্ত মার্কিন জনগণের মন ঘুরে গেছে।

দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ও এবিসি নিউজ পরিচালিত জরিপের ফলে দেখা গেছে, ৭১ শতাংশ মার্কিন জনগণ ইরাকে আইএসের অবস্থানে বিমান হামলার পক্ষে মত দিয়েছেন। তিন সপ্তাহ আগে এই সংখ্যা ছিল ৫৪ শতাংশ। গত জুনে ছিল ৪৫ শতাংশ।

৬৫ শতাংশ মার্কিনি আইএসের বিরুদ্ধে বিমান হামলা ছাড়াও আরও কঠোর ব্যবস্থার পক্ষে মত দিয়েছেন।

আইএসের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে অন্যান্য জনমত জরিপের ফলাফলেও এই নাটকীয় পরিবর্তনের চিত্র উঠে এসেছে।

ইরাকে নাস্তানাবুদ হয়ে সেখান থেকে সেনা গুটিয়ে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। আফগানিস্তান থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া চলছে। সিরিয়ার যুদ্ধ থেকে দূরে থেকেছে ওয়াশিংটন।এসব বিবেচনায় নিয়ে জঙ্গিগোষ্ঠীটি চেয়েছে, নির্মম হত্যাযজ্ঞকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের আইএসবিরোধী যুদ্ধে জড়ানো থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে। কিন্তু গোষ্ঠীটির এই পরিকল্পনা নিজেদের জন্য বুমেরাং হয়েছে। তারা মার্কিন জনগণের মনস্তত্ত্ব বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে। ভুল পরিকল্পনায় চালিত হয়ে তারা নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই রচনা করেছে। জঙ্গিগোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে অধিকাংশ মার্কিন জনগণ মত দিয়েছেন।

জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে ওবামা বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি হয়ে ওঠা কোনো গোষ্ঠীই নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পাবে না।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমাদের দেশের জন্য হুমকি হয়ে ওঠা যেকোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, তারা যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের খুঁজে বের করব।…এর মানে হলো, আইএস দমনে ইরাকের মতো সিরিয়ায়ও হামলা চালাতে পিছপা হবে না যুক্তরাষ্ট্র।’

আইএসের জঙ্গিদের নির্মূল করতে ‘বিস্তৃত পরিসরের জোটের’ নেতৃত্বে থেকে যুক্তরাষ্ট্র মূল ভূমিকা পালন করবে বলে জানান ওবামা।- ওয়েবসাইট।

ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি, ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শুক্রবার রাতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।image_98074_0

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. এম আমজাদ আলী জানান, নগরীর বিভিন্ন থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সহযোগীসহ এসব শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, এসব শিক্ষার্থী যাতে ভবিষ্যতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে না পারে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

যেসব শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে তারা হলো জায়েদ হাসান (রোল-৪৪৬২৮৭), প্রিয়ম সরকার (রোল-৪৩৫৩৭৮), সাদমান আহমদ সৈকত (রোল-৪০৩৬৬৬), মো: বদিউজ্জামান (রোল-৪৩৩০৬৩), তরিকুল ইসলাম (রোল-৪৬৪০৯৬), সৈয়দ আলমগীর কবীর (রোল-৪৯৪৬৮৫), রাইসুল ইসলাম (রোল-৪৬৯৬৬০), ফারহানা ফারজান নিশাদ (রোল-৪৭৩৭৫৭), কে এম রেজওয়ানুল এহসান (রোল-৪৭২৮০০), ইসরাতুল কাওসার (রোল-৪৭২৭৬১), রাফিয়া হাসান (রোল-৪৮২১৪৯), মো: রুহুল আমিন সেতু (রোল-৪৫২৭২৭), মো: ফুয়াদ হাসান (রোল-৪৫২৭৩১)। সহযোগীরা হলো ইমদাদুল হক খোকন (পিতা জাবেদ আলী) ও মো. আব্দুর রহিম (ধানমণ্ডি আইডিয়াল কলেজের কর্মচারী)।

রওশনকে ঠেকাতে মরিয়া এরশাদ

জাতীয় পার্টিতে এখন দলের চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ এবং প্রেসিডিয়াম সদস্য রওশন এরশাদের মধ্য দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করেছে৷ এর ফলে এরশাদ রওশনের আস্থাভাজন দুই নেতাকে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্যের পদ থেকে অপসারণ করেছেন৷  মূলত রওশনকে ঠেকাতেই এরশাদ এসব ব্যবস্থা নিচ্ছেন৷ কারণ রওশন সরকারের সমর্থনে এরশাদকে দলে কোণঠাসা করে ফেলেছেন৷image_98051_0

গত ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের পর থেকেই এরশাদ এবং রওশনের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এরশাদ নির্বাচনে না যাওয়ার পক্ষে থাকলেও শেষ পর্যন্ত জয়ী হন রওশন৷ রওশন এরশাদ শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে নিতে সক্ষম হন।এমনকি এরশাদও সংসদ সদস্য হয়ে এখন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত৷ আর রওশন সংসদে বিরোধী দলীয় নেত্রী৷

নির্বাচনের পর থেকেই এরশাদ দলে কোণঠাসা৷ এমনকি জাতীয় পার্টির ৩৪ জন সংসদ সদস্যের অধিকাংশই এখন রওশনপন্থি৷ আর সরকারের নীতি-নির্ধারকরা রওশনকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন৷ অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে এরশাদকে হটিয়ে সরাসরি দলের প্রধানের দায়িত্ব নিচ্ছেন রওশন৷

আর একারণে এর আগে দলের মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারকে সরিয়ে দেন এরশাদ৷ তার জায়গায় মহাসচিব করা হয় জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুকে।

এবারের সংকট ঘনীভূত হয় সংসদে বিরোধী দলীয় উপনেতা নিয়ে৷ এরশাদ চাইছেন তার অনুগত জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুকে উপনেতা করতে৷ আর রওশন চাইছেন কাজী ফিরোজ রশীদকে৷ এনিয়ে দু’জনই সরকারের নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে কথা বলেছেন৷ কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে বিরোধী দলীয় উপনেতার ব্যাপারে রওশন এরশাদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত৷

আর এতেই ক্ষিপ্ত হন এরশাদ৷ এই ক্ষোভের অংশ হিসেবে বুধবার রওশনের আস্থাভাজন জাপার দুই নেতা তাজুল ইসলাম চৌধুরী ও মশিউর রহমান রাঙ্গাকে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য পদ থেকে সরিয়ে দেন এরশাদ৷ তাছাড়া এ দুই নেতার জেলা রংপুর ও কুড়িগ্রামে জেলা কমিটিও বিলুপ্ত করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে দেন তিনি৷

জানা গেছে, এই ঘটনার পর তাজুল ও রাঙ্গা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এরশাদের বিরুদ্ধে নালিশ করেন৷ এরশাদ এর আগে দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি পদ থেকে কাজী ফিরোজ রশিদকে সরিয়ে দেন৷

দলের প্রেসিডিয়াম সদস্যের পদ থেকে বহিষ্কারের ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, ‘‘আমরা এখনো কোনো চিঠি পাইনি৷ পেলে তখন ভেবে দেখব কী করা যায়৷”

তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “এরশাদ মহাসচিবকে উপনেতা করতে আমাদের সমর্থন না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷”

কাজী ফিরোজ রশীদ বলেছেন, “দুজনকে প্রেসিডিয়াম সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার ব্যাপারে ম্যাডাম (রওশন) ধৈর্য ধরতে বলেছেন৷” তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘‘দু-এক দিন পার হলেই সব ঠিক হয়ে যাবে৷”

এদিকে সড়ক, পরিবহণ ও সেতু বিষয়ক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের শুক্রবার বলেছেন এরশাদের জাতীয় পার্টিতে এখন উভয় সংকট চলছে৷ তিনি বলেন, জাতীয় পার্টির মধ্যে অভ্যন্তরীণ যে বিরোধ তৈরি হয়েছে, তা নিজেদেরই সমাধান করতে হবে৷ এর পেছনে সরকারের কোনো হাত আছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘‘সংসদে আওয়ামী লীগের দুই তৃতীয়াংশের ওপরে আসন রয়েছে৷ তাই জাতীয় পার্টির ভাঙনে আওয়ামী লীগ সরকারের কোনো লাভ নেই৷” সূত্র: ডিডব্লিউ