রবিবার, অক্টোবর ৪, ২০২৬

ন্যায্য নগর গঠনে ভূমিকা রাখবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি : ডিএনসিসি প্রশাসক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেছেন, ন্যায্য নগর গঠনে ভূমিকা রাখবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি। শুধু সরকার বা সিটি করপোরেশন নয়, নাগরিকদের সঙ্গে নিয়ে ন্যায্য নগর প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

সোমবার (২৮ এপ্রিল) গুলশানের নগর ভবনে অনুষ্ঠিত ডিএনসিসি এবং বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্রের (ক্যাপস) যৌথ আয়োজনে ‘ন্যায্য নগর গঠনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভূমিকা’ শীর্ষক একটি পলিসি ডায়ালগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রশাসক।

স্টেট ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী নকীর সভাপতিত্বে পলিসি ডায়ালগে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্যাপসের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, ‘ঢাকা শহরের বেশ কিছু পরিকল্পিত এলাকা আছে, যেখানে বিল্ডিংগুলোর উচ্চতা কাছাকাছি, ফলে সেই বিল্ডিংগুলোর সোলার ক্লিয়ারেন্স অনেক বেশি। সেই এলাকাগুলোতে পরিকল্পিতভাবে সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে নিজস্ব বিদ্যুতের চাহিদা মিটিয়ে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব। পাশাপাশি ঢাকার আশপাশের উদ্ধারকৃত নদীর পাড়কে কাজে লাগিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন সম্ভব।’

তিনি জানান, ‘রুফটপ সোলার প্যানেল ব্যবহারকারীদের হোল্ডিং ট্যাক্সের ওপর ৫ শতাংশ কর রেয়াত দেওয়ার কথা ভাবছে সিটি করপোরেশন।
’

পলিসি ডায়ালগের মূল প্রবন্ধে ক্যাপসের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার বলেন, ‘জীবনের মান সূচকে ঢাকা শহর শেষ দিক থেকে চতুর্থ, বিশ্বের সবচেয়ে ধীরগতির শহর, বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষে, দূষিত শহরের তালিকায় ষষ্ঠ, বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকার প্রথম সারিতে, বিশ্বে যানজটের সূচকে ৫ নম্বরে, পৃথিবীর চতুর্থ ঘনবসতিপূর্ণ শহর, শব্দদূষণেও শীর্ষে ঢাকা এবং স্বাস্থ্যসেবার সূচকে শেষের দিকে। আর এই দূষণগুলো থেকে পরিত্রাণের অন্যতম উপায় হতে পারে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি।’

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) প্রেসিডেন্ট পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, পরিবহন ও শিল্প খাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করে আমরা একটি সুস্থ ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি।’

ডায়ালগে আরো অংশ নেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক এবং চেয়ারম্যান ড. এম. শহীদুল ইসলাম, বিআইপির উপদেষ্টা বোর্ডের আহ্বায়ক মোহাম্মদ ফজলে রেজা সুমন, বুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির সাবেক ডিন ড. ইজাজ হোসেনসহ প্রমুখ।

কালো মাস্ক পরে আদালতে নাসির-তামিমা

অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে করা মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি আদালতে হাজিরা দিয়েছেন। এ সময় তারা কালো মাস্ক পরে মুখ ঢেকেছিলেন। তবে বিচারক বিব্রতবোধ করায় এ মামলার কোনো শুনানি হয়নি। আজ ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামানের আদালত মামলাটি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের (সিএমএম) কাছে পাঠিয়েছেন।

এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, এ মামলার আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে বিচারক বিব্রতবোধ করে মামলাটি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) কাছে পাঠিয়েছেন। তিনি এই মামলা পরিচালনা করতে চান না। এখন মামলার বিষয়ে সিএমএম সিদ্ধান্ত নিবেন।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মির স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে আদালতে এ মামলা করেন। এরপর গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক (নি.) শেখ মো. মিজানুর রহমান তিনজনকে দোষী উল্লেখ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। ২০২২ সালের ২৪ জানুয়ারি ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালত নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। তবে এ মামলার অপর আসামি তামিমার মা সুমি আক্তারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
একই বছরের ৬ মার্চ মহানগর দায়রা আদালতে অভিযোগ গঠনের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করেন নাসির ও তামিমা।

অন্যদিকে তামিমার মা সুমি আক্তারকে অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করেন বাদীপক্ষ। শুনানি শেষে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুর্শিদ আহাম্মেদ রিভিশন খারিজ করে দেন। একইসঙ্গে নাসিরের শাশুড়ি সুমি আক্তার মামলার দায় থেকে অব্যাহতির আদেশ বহাল রাখেন। গত ১৬ এপ্রিল এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।
বিচার চলাকালীন ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

ঐকমত্য কমিশনের লক্ষ্য জাতীয় সনদ তৈরি করা : আলী রীয়াজ

ঐকমত্য কমিশনের লক্ষ্য জাতীয় সনদ তৈরি করা বলে জানিয়েছেন কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেছেন, ঐকমত্য কমিশনের লক্ষ্য হচ্ছে জাতীয় সনদ তৈরি করা, যাতে করে ক্ষমতার বিন্যাসে পরিবর্তন ঘটে; বাংলাদেশ যাতে সব সম্ভাবনা নিয়ে জাগ্রত হতে পারে।

সোমবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে সংলাপের সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

রাষ্ট্র সংস্কার প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে রাজপথে।
সাবার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে চর্চা ও ঐক্যে এবং সবাই সম্মিলিতভাবে জাতীয় সনদ তৈরি করতে।

আলী রীয়াজ বলেন, গত ৫৩ বছর মানুষ যে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করছে, সেই আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়ন করা যায়, পথ উন্মুক্ত করা যায়, যেন সবাই মিলে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পারি। এরই অংশ হিসেবে এ আলোচনা।

তিনি আরো বলেন, শুধু সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন, মতামত ও সুপারিশই যথেষ্ট নয়।
সব রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর জনমানুষের ঐক্যের মধ্য দিয়ে আমরা বাংলাদেশকে নতুন বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর করতে পারব। কাজে কী লিখছি তা নয়, চর্চার মধ্য দিয়ে, অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে, প্রতিশ্রুতির মধ্য দিয়ে আমাদের এ কাজে অগ্রসর হতে হবে। আমরা সেই প্রচেষ্টায় আছি।

ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ তরুণদের নেতৃত্বে প্রাণ দিয়ে যে সম্ভাবনা তৈরি করেছে, সবাই মিলে সে সম্ভাবনাকে বাস্তবায়নের পথে অগ্রসর হতে হবে।
সেই পথ ও প্রচেষ্টায় সবাই একত্রিত আছি, থাকব। একত্রিত থাকার তাগিদ জারি রাখব।

রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়ে স্প্রেডশিট আকারে ৩৯টি দলের কাছে মতামত চেয়েছিল জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এর মধ্যে ৩৫টি দল মতামত জমা দিয়েছে বলে জানান আলী রীয়াজ। রোববার পর্যন্ত কমিশন ১৯টি দলের সঙ্গে সংলাপ করেছে।
২০তম দল হিসেবে গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে কমিশন সংলাপ করেছে বলে জানান আলী রীয়াজ।

২০১৮ সালে বর্তমান গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত কোটা সংস্কার আন্দোলনের কথা তুলে ধরে আলী রীয়াজ বলেন, তাদের অকুতোভয় সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের নতুন পর্যায় সূচনা হয়েছিল। যার ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন ও পরবর্তী পর্যায়ে একটি অভূতপূর্ব ও অভাবনীয় গণ-অভ্যুত্থান হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দারের সঞ্চালনায় কমিশনের সদস্য সফর রাজ হোসেন, বিচারপতি এমদাদুল হক, ড. বদিউল আলম মজুমদার ও ড. ইফতেখারুজ্জামান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সমালোচকদের একহাত নিলেন নুসরাত

সমালোচনা আর নুসরাত জাহান যেন একইসঙ্গে হাঁটেন। ক্যারিয়ারের পাশাপাশি তার ব্যক্তিজীবন নিয়েও কম কাটাছেঁড়া হয়নি। বারবার সমালোচনার শিকারও হয়েছেন। তবে নেটিজেনদের কটাক্ষ নিয়ে মাথা ঘামান না অভিনেত্রী।

তিনি বাঁচেন নিজের ছন্দে। আপাতত ব্যস্ত রয়েছেন ‘আড়ি’ নিয়ে। সদ্যই মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। তার মাঝে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচকদের একহাত নিলেন নুসরাত।

‘আড়ি’ কোন কোন প্রেক্ষাগৃহে দেখা যাচ্ছে, তা ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন নুসরাত। সঙ্গে লিখেছেন, ‘কাউকে নিচে নামানোর জন্য কে কী বলছে, তাতে কিছু যায় আসে না। আপনার কাজের প্রতি সততা সবসময় বাঙালির মন জয় করবেই। চমৎকার প্রতিক্রিয়া! অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।
’

আপাতত নতুন ছবির জন্য প্রশংসার জোয়ারে ভাসছেন অভিনেত্রী। শুধু নুসরাতই নন, যশকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অনুরাগীদের অনেকেই।

‘আড়ি’ ছবির সবচেয়ে বড় চমক মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়, যিনি প্রায় এক যুগ পর বাংলা ছবিতে অভিনয় করেছেন। শেষবার ২০১৩ সালের অপর্ণা সেনের ‘গয়নার বাক্স’ ছবিতে দেখা গিয়েছিল তাকে। ছবিতে আইটেম গানে দেখা গেছে শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কে।

জিৎ চক্রবর্তী পরিচালিত ‘আড়ি’ যশ-নুসরাতের প্রযোজনা সংস্থার দ্বিতীয় ছবি। তাই এই ছবি নিয়ে যে যশ-নুসরাতের উন্মাদনা অনেক বেশি, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

ইসরায়েলের সামরিক ব্যয় বেড়েছে ৬৫ শতাংশ

২০২৪ সালে সামরিক ব্যয় ৬৫ শতাংশ বাড়িয়েছে ইসরায়েল। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই) এই তথ্য জানিয়েছে। খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২.৭২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা ঠাণ্ডাযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি।

এসআইপিআরআই জানিয়েছে, ২০২৪ সালে ইসরায়েলের সামরিক ব্যয় ৪৬.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৬৫ শতাংশ বৃদ্ধি — ‘১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় বাৎসরিক বৃদ্ধি’।

এসআইপিআরআই আরো জানিয়েছে, ইসরায়েলের সামরিক ব্যয় জিডিপির ৮.৮ শতাংশে পৌঁছেছে, যা বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

লেবাননের সামরিক ব্যয়ও ২০২৪ সালে ৫৮ শতাংশ বেড়েছে, যদিও তাদের মোট ব্যয় ইসরায়েলের তুলনায় অনেক কম ছিল — মাত্র ৬৩৫ মিলিয়ন ডলার।

এর বিপরীতে এসআইপিআরআই জানিয়েছে, ইরানের সামরিক ব্যয় ২০২৪ সালে ১০ শতাংশ কমে ৭.৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
তবে এটি হয়েছে আংশিকভাবে নিষেধাজ্ঞার কারণে।

এসআইপিআরআই-এর সামরিক ব্যয় ও অস্ত্র উৎপাদন কর্মসূচির গবেষক যুবাইদা করিম বলেন, যদিও ২০২৪ সালে মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশের সামরিক ব্যয় বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছিল, তবে প্রকৃতপক্ষে বড় ধরনের বৃদ্ধি শুধু ইসরায়েল এবং লেবাননের ক্ষেত্রেই ঘটেছে।

অনলাইন জুয়ার নামে টাকা পাচার, বন্ধে হচ্ছে আইন পাস

দেশে অনলাইন জুয়া নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। এসবের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাস হওয়ার অপেক্ষায় থাকা সাইবার সুরক্ষা আইনে বিষয়টি রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব।

রবিবার রাতে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব তথ্য জানান।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী জানান, কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন সাইবার সুরক্ষা আইনটি পাস হবে বলে আশা করি। এ আইনে সাইবার স্পেসে জুয়া কিংবা অনলাইন জুয়াকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইন পাস হওয়ার পরে আমরা জুয়ার সঙ্গে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে জড়িত কম্পানিকে শাস্তি দেওয়া এবং বেটিং সাইটগুলো নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নেব ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরও জানান, সঙ্গে সঙ্গে বেটিং সাইটগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত এমএফএস কোম্পানিগুলোর সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হবে।
বেশ কিছুদিন ধরে কয়েকটি মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল কম্পানির বিরুদ্ধে অনলাইন জুয়া, ক্রিপ্টো কারেন্সি এবং ই-কমার্স এমএলএম এর নাম করে অর্থ পাচারের অভিযোগ ঘনীভূত হচ্ছে। সাইবার আইন পাস হওয়ার পরে আমরা বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করব ইনশাআল্লাহ।

আমরা মোবাইল ব্যাংকিংসহ ফাইনান্সিয়াল অর্গানাইজেশনগুলোকে আগাম সতর্কতা জানিয়ে রাখি। কেননা সাইবার জুয়া কোম্পানিগুলো মোবাইল ব্যাংকিংসহ ব্যাংক, ফাইনান্সিয়াল হাউজ কিংবা পেমেন্ট গেটওয়ে, এমএফএস/পিএসও/পিএসপি ইত্যাদির সঙ্গে ইন্টিগ্রেটেড।

মাসের পর মাস নির্দিষ্ট কিছু পুলের মোবাইল ফাইনান্সিয়াল অ্যাকাউন্টে ইরেগুলার, একমুখী এবং অস্বাভাবিক ট্রানজেকশন হচ্ছে। একটা পুল অফ নাম্বারে টাকা যাচ্ছে, সেটা নির্দিষ্ট নাম্বারে গিয়ে ক্যাশ আউট হয়ে বাইরে পাচার হচ্ছে, আপনি দেখেও না দেখার ভান করে বলবেন, আমি জড়িত না! এটা হবে না। সুতরাং অবৈধ জুয়ার জড়িত সবাই সাবধান।

ইয়েমেনে মার্কিন হামলায় ৩০ আফ্রিকান অভিবাসী নিহত

মার্কিন হামলায় ইয়েমেনের সা’দা প্রদেশের একটি কারাগারে বন্দি থাকা ৩০ আফ্রিকান অভিবাসী নিহত হয়েছেন। আফ্রিকান অভিবাসীরা প্রতিবেশী সৌদি আরবে কাজের সুযোগের জন্য ঝুঁকি নিয়ে ইয়েমেন অতিক্রম করার সময় আটক হয়েছিল।

হুথি-সমর্থিত আল মাসিরাহ টিভির বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, ওই কারাগারে ১১৫ জন বন্দী ছিল এবং হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। আরো ৫০ জন আহত হয়েছেন এবং তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহতদের বেশিরভাগের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

একটি নিরাপত্তা সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে ইয়েমেনের সরকারি সংবাদ সংস্থা সাবা জানিয়েছে, সেখানে ডজনখানেক হতাহত রয়েছে এবং উদ্ধারকারী দলগুলো বোমা হামলার ফলে সৃষ্ট আগুন নেভানোর কাজ করছে।

তবে এই হামলা সম্পর্কে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য আসেনি।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) হামলার খবর প্রকাশের আগেই একটি বিবৃতি দিয়েছিল।
তারা বলেছিল, অপারেশনাল নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের চলমান বা ভবিষ্যতের অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত প্রকাশ করিনি। আমরা আমাদের অভিযান পরিচালনায় অত্যন্ত সচেতন। তাই আমরা কী করেছি বা ভবিষ্যতে কী করব, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করব না।

মধ্যাহ্ন বিরতির আগে বাংলাদেশের অর্জন ২ উইকেট

টেস্টের প্রথম দিন চট্টগ্রামে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামে জিম্বাবুয়ে। মধ্যাহ্ন বিরতি পর্যন্ত সফরকারীরা ২ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৮৯ রান।

নাহিদ রানার অনুপস্থিতিতে দলে অভিষেক হয় তরুণ পেসার তানজিম সাকিবের। নিজের অভিষেক টেস্টেই বাংলাদেশকে এনে দেন দিনের প্রথম সাফল্য।
১১তম ওভারে দলীয় ৪১ রানে ফেরান সিলেট টেস্টে দারুণ ব্যাট করা ব্রায়ান বেনেটকে। তবে ফেরার আগে চট্টগ্রামের মাঠে বেশ দারুণভাবেই বাংলাদেশের বোলিংকে সামলেছে বেনেট-বেন কারেন জুটি।

বোলিংয়ে এসেই সাফল্য এনে দিলেন তাইজুল ইসলাম। তার ভেতরে ঢোকা বল বুঝতে না পেরে বোল্ড হয়ে গেলেন বেন কারেন।
৫০ বল মোকাবেলায় ২১ রান করেন তিনি। এর আগে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে একবার জীবন পেয়েছিলেন কারেন, কিন্তু এবার আর রক্ষা হয়নি।

চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিনের প্রথম সেশনে খেলা হয়েছে ২৮ ওভার। ৫৩ বলে ৩২ করে অপরাজিত আছেন নিক ওয়েলচ, ৩২ বলে ৬ রান করে ক্রিজে শন উইলিয়ামস।

গাজায় ইসরায়েলের হামলায় আরো ১৭ ফিলিস্তিনি নিহত

ফিলিস্তিনের গাজায় রোববার মধ্যরাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত ইসরায়েলের হামলায় ১৭ জন নিহত হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, এর আগের দিনও গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৫৬ জন প্রাণ হারান।

এদিকে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) জানিয়েছে, গত ২ মার্চ থেকে ইসরায়েল গাজায় ত্রাণ, ওষুধ, জ্বালানিসহ কোনো পণ্য গাজায় প্রবেশ করতে দিচ্ছে না।
এ কারণে গাজায় তাদের খাদ্যমজুদ শেষ হওয়ায় দুর্ভিক্ষের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ডব্লিউএফপির ফিলিস্তিন প্রতিনিধি বলেছেন, গাজার চার লাখের বেশি মানুষ খাবারের জন্য ডব্লিউএফপির ওপর নির্ভরশীল। খাবারের মজুদ ফুরিয়ে যাওয়ায় এত বিপুলসংখ্যক মানুষের যাওয়ার মতো বিকল্প জায়গা নেই।

তাই গাজা এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের জন্য জরুরি মানবিক সহায়তা প্রদানে ইসরায়েলকে কী করা দরকার, তা নিয়ে আজ সোমবার থেকে ৪০টি দেশের শুনানি শুরু করবে জাতিসংঘের শীর্ষ আদালত আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (আইসিজে)।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে ইসরায়েলে হামাসের হামলায় প্রায় এক হাজার ২০০ মানুষ নিহত হয় এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। সেই থেকে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ৫২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে উপত্যকাটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

এবার জ্যাকলিন-সুকেশের প্রেমকাহিনী সিনেমার পর্দায়!

বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ ও কনম্যান সুকেশ চন্দ্রশেখর। বিগত কয়েক বছর ধরেই আলোচিত এ দুজনের গল্প। ২০০ কোটি টাকা আর্থিক প্রতারণা মামলার আসামি সুকেশ বরাবরই জ্যাকলিনকে নিজের প্রেমিকা দাবি করে এসেছে। জ্যাকলিনের প্রতি সুকেশ চন্দ্রশেখরের প্রেম বলতে গেলে সব সীমা পার করেছে একাধিকবার।
জেলে বসেই জ্যাকলিনকে একের পর এক প্রেমের চিঠি, উপহার পাঠিয়েছেন সুকেশ। দুজনের প্রেমকাব্য প্রায়ই শিরোনাম হয় খবরের। তবে এবার সেই প্রেম উঠে আসতে চলেছে সিনে পর্দায়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্র অনুসারে, এবার নাকি সুকেশ ও জ্যাকলিনের প্রেম উঠে আসবে পর্দায়।
এই খবর ২০২১ সালে সুকেশই প্রথম জানিয়েছিলেন। তবে সেই সময় এই কথাকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন জ্যাকলিন।

বলিউডের অভ্যন্তরীন সূত্র অনুসারে ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন এই যে, সুকেশ ও জ্যাকলিনের প্রেমকাহিনি নির্ভর তথ্যচিত্রের প্রস্তাব গিয়েছে অভিনেত্রীর কাছে। কারণ, জ্যাকলিন ছাড়া এই গল্পের মাত্রা উন্নত হবে না বলে মনে করছেন নির্মাতারা।
যদিও জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মের প্রস্তাবে এখনও সাড়া দেননি অভিনেত্রী। তবে মনে করা হচ্ছে, ইতিবাচক দিকেই এগোবে এই তথ্যচিত্রটির কাজ।

মনে করা হচ্ছে, ২০২৬ নাগাদ এ ছবির কাজ শুরু হতে পারে। যে হেতু সুকেশ এখনও বিচারাধীন তাই আইনি কিছু জটিলতা রয়েছে ছবি তৈরির ক্ষেত্রে। সূত্রটি জানিয়েছে, সে সব মিটিয়ে নিতে পারলেই শুরু হবে শুটিং।

২০১৫ সালের ২৯ মে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ ও ১২০-বি ধারায় গ্রেপ্তার করা হয় সুকেশ চন্দ্রশেখরকে। এছাড়াও একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের হয় তার বিরুদ্ধে। গত মাসে বম্বে হাইকোর্ট তাঁর জামিন মঞ্জুর করলেও এখনও তিনি জেলেই রয়েছেন কারণ তার বিরুদ্ধে চলছে আরও একাধিক মামলা। ২০২২ সালে ইডির পেশ করা চার্জশিটে দাবি করা হয় যে সুকেশ তার বেআইনি অর্থ খরচ করে জ্যাকলিনকে একাধিক দামী উপহার কিনে দিতেন। এমনকী জেলে বসেও সুকেশ জ্যাকলিনকে একের পর এক উপহার পাঠিয়েছেন। যদিও জ্যাকলিনের দাবি, সুকেশের সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই।