সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

সরকারি টাকা লুটপাট ও বিদেশে পাচার হবে না : ফয়জুল করীম

ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, ‘তারা ক্ষমতায় এলে এ দেশের একটা টাকাও বিদেশ পাচার হবে না। সরকারি কোনো টাকা লুটপাট হবে না।’

রবিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। উপজেলার জিয়া অডিটরিয়ামে ইসলামী আন্দোলনের ব্যানারে এ আয়োজন করা হয়।

সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, ‘জনগণ যাদের মাধ্যমে জানমালের নিরাপত্তা পাবে তাদেরই ভোট দেবে। হিন্দুরাও জানমালের নিরাপত্তা যেখানে পাবে, সেখানেই ভোট দেবে। ইসলামী আন্দোলন বিজয় হলে প্রত্যেক নাগরিকের জানমালের গ্যারান্টি দেওয়া হবে। রাস্তাঘাট করা একজন এমপির দায়িত্ব নয়।
ওরা রাস্তাঘাট দেখিয়ে আমাদের ঈমানকে ধ্বংস করে। ইসলামের বিরুদ্ধে আইন রচনা করে। একজন এমপির কাজ হলো বাংলাদেশ আগামীতে কিভাবে চলবে, কোন আইনে চলবে, কোন ভিত্তিতে চলবে এটা প্রণয়ন করা।’

রামগঞ্জ উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি ডা. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ন মহাসচিব ইমতিয়াজ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিক, জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দেলাওয়ার হোসাঈন, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন পাটওয়ারী, জেলা কমিটির সহসভাপতি মহি উদ্দিন ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয় মুফতি শেখ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ইসির বৈঠক কাল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আগামীকাল সোমবার (২০ অক্টোবর) আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে ১৩টি ইস্যুকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান, বিমানবাহিনী প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, মহাপুলিশ পরিদর্শক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ/কোস্টগার্ড/আনসার ও ভিডিপি/ডিজিএফআই/এনএসআই/এনটিএমসি/র‍্যাবের মহাপরিচালক এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি)/সিআইডি অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।

এর আগে গত ১৪ অক্টোবর নির্বাচন ভবনে ইসি সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এই বৈঠকের কথা জানান।

আ. লীগের কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার

কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য মো. জাহিদ সরকারকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)।

রবিবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুর-১১ মেট্রো রেল স্টেশন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার মো. জাহিদ সরকারের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ৩টি মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

মোহামেডানের ড্রয়ের দিনে হার আবাহনীর

ফিফা উইন্ডোর বিরতি শেষে আজ থেকে আবারও শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল লিগ। মাঠে ফেরার আনন্দ হলেও জয়ে শুরুটা করতে পারেনি দুই ঐতিহ্যবাহী দল মোহামেডান ও আবাহনী।

মোহামেডান ড্রয়ে মাঠ ছাড়লেও হার দেখতে হয়েছে আবাহনীকে। গাজীপুরে পুলিশ এফসির বিপক্ষে এগিয়ে গিয়েও শেষে ১-১ গোলে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে সাদাকালোদের।
ম্যাচের ১৯ মিনিটে গোলটি এনে দিয়েছিলেন রহিম উদ্দিন। বিরতি শেষ হতেই গোল শোধ করে পুলিশ। দলকে এক পয়েন্ট এনে দেওয়ার নায়ক শেখ বাবলু ম্যাচের ৪৯ মিনিটে গোলটি করেন।

অন্যদিকে কুমিল্লায় ব্রাদার্সের কাছে ২-১ গোলে হেরেছে আবাহনী।
ম্যাচের শুরুতেই ধাক্কা খায় আকাশি নীলরা। ৪ মিনিটে ব্রাদার্সকে এগিয়ে দেন অঞ্জন বিস্তা। নেপালি ফরোয়ার্ডের গোলে পরে বিরতিতে যায় ব্রাদার্স। দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধ দিতে নেমে উল্টো প্রতিপক্ষকে ‘উপহার’ দেয় আবাহনী।

আবাহনীর এক ডিফেন্ডার নিজেদের বক্সে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় ব্রাদার্স। ৫৮ মিনিটে সফল স্পটকিকে দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড মার্কোস গানেস সিলভা। ২-০ গোলের হার যখন প্রায় নিশ্চিত ঠিক তখনি ব্যবধান কমায় আবাহনী। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে গোলটি করেন মোহামেডান থেকে আবাহনীতে যোগ দেওয়া মালিয়ান স্ট্রাইকার সুলেমান দিয়াবাতে।

এতে দুই ম্যাচ শেষে জয়ের মুখ এখনো দেখেনি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডান-আবাহনী।
কেননা লিগের প্রথম ম্যাচে ফর্টিসের কাছে হারা মোহামেডানের বিপরীতে রহমতগঞ্জের সঙ্গে ড্র করেছিল আবাহনী। দিনের অন্য ম্যাচে মানিকগঞ্জে ফকিরেরপুল ইয়ংমেনসকে ২-০ গোলে হারিয়েছে রহমতগঞ্জ। গোল দুটি করেন আদু ও রাজন হাওলাদার।

শিল্প-সাহিত্যকে নোংরা রাজনীতির বাইরে রাখতে হবে : বেবী নাজনীন

শিল্প-সাহিত্যকে নোংরা রাজনীতি থেকে বাইরে রাখতে হবে। শিল্পীরা যাতে ভালোভাবে গাইতে পারেন, নাটক-সিনেমা করতে পারেন, ড্যান্স করতে পারেন, খেলোয়াড়রা খেলতে পারেন এ জন্য তাদের নিরাপত্তা দিতে হবে। আমি মনে করি, সর্বক্ষেত্রে এটা খুবই জরুরি।

বলছিলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বেবী নাজনীন।
সংস্কৃতি অঙ্গনের সাংবাদিকদের সংগঠন কালচারাল জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ সিজেএফবি অ্যাওয়ার্ড-এর ২৪তম আসরে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেবী নাজনীন। সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য তাকে ‘বিশেষ সম্মাননা’ দেওয়া হয়।

বেবী নাজনীন আরো বলেন, ‘রাজনীতিতে আমি সক্রিয়। ভবিষ্যতে আমার শিল্পীদের এবং নতুন প্রজন্মকে যাতে সুন্দর একটা ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করছি।
আমার উদ্দেশ্য সমাজ সেবা করা, কালচারকে লালন করা ও ধারণ করা এবং শিল্পীদের নিরাপত্তা দেওয়া। দেশের কালচারকে যদি সমৃদ্ধ না করি তাহলে এ দেশ সমৃদ্ধ হবে না। এই উদ্দেশ্যে আমি রাজনীতিতে সক্রিয়।’

বেবী নাজনীন বলেন, ‘আমি নিজেও একজন শিল্পী।
এ জন্য আমি চাইব, নিজের দেশে আমি যেন ভুক্তভোগী না হই। আমার মতো অন্য শিল্পীরাও যেন ভুক্তভোগী না হন।’

শিল্পীদের মধ্যে বিভাজন দেখা যায়। বেবী নাজনীন বলেন, ‘এই বিভাজন আসে অন্য জায়গা থেকে। যারা কালচারকে লালন করে না তারাই এই বিভাজন তৈরি করে।
শিল্পীরা দেশের সম্পদ। তাদের নিরাপত্তা দিতে হবে। শিল্পীর ফ্রিডম অব স্পিচ থাকতে হবে। সে যেকোনো ভালো গান গাইতে পারে। তারা ভালো লাগার যে কোনো মানুষকে নিয়ে গাইতে পারে। এ জন্য সে কেন অপরাধী হবে বা কালো তালিকাভুক্ত হবে?’

অনেক দিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন বেবী নাজনীন। বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ততার কারণে বিগত সরকারের আমলে পেশাগত কর্মকাণ্ড প্রায় থেমে যায় এই শিল্পীর। গেল বছর ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পর নভেম্বরে বেবী নাজনীন দেশে ফেরেন। তখন তিনি বলেছিলেন, বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার কারণেই আমার গানের কার্যক্রমে প্রতিনিয়ত বাধা এসেছে।

অস্ট্রেলিয়ার সহজ জয়, হারে ওয়ানডে অধিনায়কত্ব শুরু গিলের

পার্থের ওয়ানডে যেন পেয়েছিল ‘কই মাছের প্রাণ’। এক বা দুবার নয়, ভারতের ইনিংসে চারবার বৃষ্টির হানা। বেরসিক বৃষ্টি যেন খুব করে চেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া-ভারতের প্রথম ওয়ানডে ভেস্তে যাক।

তবে পার্থের মাঠ কর্মীরা বৃষ্টির কাছে হার মানতে নারাজ।
নিরলস পরিশ্রমে প্রতিবারই ম্যাচ খেলার উপযোগী করেন তারা। তাতে ২৬ ওভারের চূড়ান্ত ম্যাচে বৃষ্টি আইনে ৭ উইকেটের জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

২৯ বল হাতে রেখে পাওয়ায় জয়ে সহজ লক্ষ্যেই পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ১৫৬ বলে ১৩৭ রানের লক্ষ্য।
বলের থেকে অনেক কম রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। দলীয় ১০ রানেই ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন ট্রাভিস হেড। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনারের মতো সমান ৮ রানে আউট হন ম্যাথিউ শর্টও।

তবে ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন মিচেল মার্শ।
৪৬ রানের ইনিংস খেলে সামনে থেকে জয়ের নেতৃত্ব দেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক। তার সঙ্গে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন ২১ রান করা ম্যাট রেনশ। এর আগে ৩৭ রানে আউট হওয়া জশ ফিলিপেও জয়ে অবদান রাখেন। এ জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অজিরা। অন্যদিকে হার দিয়ে ভারতের ওয়ানড অধ্যায় শুরু করলেন নতুন অধিনায়ক শুবমান গিল।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩৬ রানে থামে ভারত। এত অল্প সংগ্রহে নিশ্চিতভাবেই বৃষ্টি ব্যাপক প্রভাব রেখেছে। তবে বৃষ্টি হানা দেওয়ার আগেই টপ অর্ডার ধসিয়ে পড়ে ভারতের। দলীয় ২৫ রানে প্রথম তিন ব্যাটারকে হারায় তারা। নতুন অধিনায়ক গিলের সঙ্গে ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন ৭ মাস পর ওয়ানডে খেলতে নামা দুই কিংবদন্তি রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি।

তাতে প্রত্যাবর্তনটা সুখের হয়নি রোহিত-কোহলির। ভারতের পঞ্চম ক্রিকেটার হিসেবে ৫০০তম ম্যাচ খেলতে নেমে ৮ রানে ফিরেছেন রোহিত। অন্যদিকে ৮ বল খেলে রানের খাতাই খুলতে পারেননি কোহলি। দুজনের পরেই ফেরেন ১০ রান করা গিল। এরপরেই বৃষ্টি শুরু হয়। পরে আরো তিনবার হয়।

বৃষ্টির জন্যই ম্যাচের ওভার কমে আসে। প্রথমে ৪৯, পরে ৩২ আর শেষে ২৬ ওভারে নেমে আসে। শুরুতেই টপ অর্ডার হারানোয় দেখেশুনে ইনিংস গড়ার চেষ্টা করে ভারত। যার প্রমাণ ১৬.৪ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ৫২ রান। এই সমীকরণের সময় চতুর্থবার বৃষ্টি আসলে ম্যাচের ওভার নির্ধারিত হয় ২৬।

শেষ ৫৬ বলে পরে টি-টোয়েন্টি স্টাইলে খেলে ৮৪ রান তোলে ভারত। তাতে বড় অবদান রেখেছেন দুটি ত্রিশোর্ধ্ব ইনিংস খেলা অক্ষর প্যাটেল (৩১) ও লোকেশ রাহুল (৩৮)। প্রতিপক্ষের হয়ে ২ টি করে উইকেট নিয়েছেন জশ হ্যাজলউড, মিচেল ওয়েন ও ম্যাথিউ কুনেম্যান।

ছবি-ভিডিওকে আরো ‘প্রচারযোগ্য’ করে তুলতে মেটার নতুন ফিচার

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় একটি নতুন অপ্ট-ইন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ফিচার চালু করেছে মেটা , যা দাবি করছে—এটি ব্যবহারকারীদের ছবি ও ভিডিওকে আরো ‘প্রচারযোগ্য’ করে তুলবে। তবে শর্ত হচ্ছে, এই ফিচারটি ফোনের ক্যামেরা রোলের ছবির জন্য তৈরি, ফেসবুকে আগে থেকে আপলোড করা কনটেন্টের জন্য নয়।

যদি ব্যবহারকারী এই ফিচার ব্যবহার করেন, তাহলে মেটার এআই তাদের ফোনের ক্যামেরা রোল স্ক্যান করবে, সেখানকার প্রকাশ না-করা ছবিগুলো মেটার ক্লাউডে আপলোড করবে এবং স্ক্রিনশট, রসিদ বা এলোমেলো ছবির মাঝে থাকা ‘লুকানো রত্ন’ বা ভালো ছবিগুলো খুঁজে বের করে দেবে। ব্যবহারকারীরা চাইলে এসব সাজানো ছবি বা কোলাজ সংরক্ষণ করতে বা শেয়ার করতে পারবেন।

ফেসবুকের এই পদক্ষেপ শুনে যদি মনে হয়—‘আরে, এটা তো আগেও শুনেছি!’—তাহলে ঠিকই ভাবছেন। চলতি বছরের জুনে কম্পানিটি একই রকম একটি পরীক্ষামূলক ফিচার চালু করেছিল। তখন মেটা দাবি করেছিল, ব্যক্তিগত বা অপ্রকাশিত ছবি এআই প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে না, তবে ভবিষ্যতে তা করা হতে পারে কি না—সে বিষয়ে কম্পানি কিছু বলেনি।

এবার মনে হচ্ছে সেই ‘ভবিষ্যৎ’ এসে গেছে।
কারণ নতুন ঘোষণায় মেটা বলেছে, ‘আমরা আপনার ক্যামেরা রোলের ছবি এআই উন্নয়নের জন্য ব্যবহার করব না, যতক্ষণ না আপনি আমাদের এআই টুল দিয়ে সেগুলো সম্পাদনা করেন বা শেয়ার করেন।’

অর্থাৎ মেটা আপনার ছবিগুলো ক্লাউডে সংরক্ষণ করবে এবং তাদের এআই সেগুলো বিশ্লেষণ করবে, কিন্তু আপনি যদি সেগুলো এডিট বা পোস্ট না করেন, তাহলে সেগুলো এআই প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হবে না—অন্তত এখন পর্যন্ত কম্পানির দাবি তাই।

তবে কম্পানি বলেছে, ‘এই ফিচারটি নিয়মিতভাবে ক্যামেরা রোল থেকে ছবি বেছে নিয়ে ক্লাউডে আপলোড করবে,’ এবং আগের তথ্য অনুযায়ী, কিছু ডেটা ৩০ দিনেরও বেশি সময় ধরে রাখা হতে পারে। মেটা জানিয়েছে, এসব ছবি বিজ্ঞাপন টার্গেটিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হবে না।

গত বছর মেটা স্বীকার করেছিল, ২০০৭ সাল থেকে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে থাকা প্রাপ্তবয়স্ক ব্যবহারকারীদের সব পাবলিক ছবি ও টেক্সট তাদের এআই মডেল প্রশিক্ষণে ব্যবহার করা হয়েছে।

নতুন ব্লগে ফেসবুক বলেছে, ব্যবহারকারীদের জিজ্ঞেস করা হবে, তারা ‘ক্যামেরা রোল থেকে ক্লাউড প্রোসেসিংয়ের মাধ্যমে সৃজনশীল আইডিয়া তৈরি করা হোক’ সেটি চায় কিনা। তবে এই প্রম্পটে ব্যবহারকারীদের ছবি এআই প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত হতে পারে তা স্পষ্টভাবে জানানো হবে কি না সেটি এখনও পরিষ্কার নয়।

কম্পানি বলছে, এই ফিচার মূলত তাদের জন্য যারা ছবি তুলতে ভালোবাসেন কিন্তু পোস্ট করার আগে সেগুলো একটু সুন্দরভাবে সাজাতে চান অথবা যাদের হাতে সময় কম। ফিচারটি ধীরে ধীরে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে চালু করা হবে।

সূত্র : দ্য ভার্জ

পরিমাপের ক্ষেত্রে মানসম্মত পরিসংখ্যানের গুরুত্ব অপরিসীম : প্রধান উপদেষ্টা

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন পরিমাপের ক্ষেত্রে মানসম্মত পরিসংখ্যানের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

আগামীকাল ২০ অক্টোবর বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস ও জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ মন্তব্য করেন তিনি। এক তথ্য বিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো এবারও বাংলাদেশে বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।
এবার ২০ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস ও জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস একযোগে পালিত হচ্ছে।’

এবারের প্রতিপাদ্য ‘ড্রাইভিং চেঞ্জ উইথ কোয়ালিটি স্ট্যাটিসটিকস অ্যান্ড ডাটা ফর এভরিওয়ান’ যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ।’ প্রধান উপদেষ্টা বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস ও জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস উপলক্ষ্যে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সঠিক ও মানসম্মত উপাত্ত কেবল সরকারের নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রেই নয়, বরং সেগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইতোমধ্যে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-কে বিশ্বমানের সংস্থা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও আধুনিকীকরণের একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে তা উপাত্ত সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ প্রক্রিয়াকে আরো কার্যকর, প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে তুলবে।

তিনি বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, উপাত্তের সর্বজনীন প্রাপ্যতা ও মানসম্মত উপাত্তের ব্যবহার দেশের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে এবং উন্নয়নকে আরো জনমুখী করে তুলবে।’

প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, দেশের সব নীতিনির্ধারক, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী, পরিকল্পনাবিদ, গবেষক, পরিসংখ্যানবিদ এবং তথ্য ব্যবহারকারীদের সম্মিলিত প্রয়াসে ‘সবার জন্য মানসম্মত পরিসংখ্যান ও উপাত্ত’ নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

অপ্রত্যাশিত রেকর্ডে রোহিতকে ছাড়িয়ে গেলেন কোহলি

ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলির আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন হতাশাজনকভাবে শেষ হলো। আজ রবিবার পার্থে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে কোহলি শূন্য রানে আউট হন। এর আগে রোহিত শর্মা দ্রুত আউট হওয়ার পর কোহলিকে ভরসা হিসেবে ভাবা হচ্ছিল। কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি তিনি।

কোহলি প্রথম সাতটি বল খেলে কোনো রান করতে পারেননি। তবে অষ্টম বলেই তার ধৈর্য শেষ হয়। স্টার্কের বলে ড্রাইভ খেলতে গিয়ে পয়েন্টে কোপার কনলির দৃষ্টিনন্দন ক্যাচের শিকার হন এই ব্যাটার।

এই আউটের ফলে কোহলির ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ১৭তম ডাক রেকর্ড করলেন।
রোহিত শর্মাকে পেছনে ফেলে ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্য সর্বাধিক ডাকের তালিকায় চতুর্থ স্থানে উঠে আসেন তিনি।

ভারতীয় ক্রিকেটারদের সর্বাধিক ডাক (ওয়ানডে)

শচীন টেন্ডুলকার– ২০
জাভাগাল শ্রীনাথ– ১৯
অনিল কুম্বলে, যুবরাজ সিং– ১৮
বিরাট কোহলি, হরভজন সিং – ১৭
রোহিত শর্মা, সৌরভ গাঙ্গুলি – ১৬।

রাফা ক্রসিং বন্ধের ঘোষণা নেতানিয়াহুর

গাজা ও জর্দানের মধ্যে রাফা ক্রসিং পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছেন দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার দাবি, হামাস এখনো সব মৃত জিম্মির মরদেহ ফেরত দেয়নি, তাই সীমান্ত খোলা সম্ভব নয়।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামীকাল সোমবার থেকে রাফা খুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছিল ফিলিস্তিনি দূতাবাস। কিন্তু নেতানিয়াহুর সিদ্ধান্তে তা স্থগিত হয়ে যায়।
স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের দাবি, রাফাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন।

রাফা সীমান্ত পুনরায় খোলা ও মানবিক সহায়তা প্রবেশের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল। ওই চুক্তির লক্ষ্য ছিল যুদ্ধ বন্ধ করে গাজার মানবিক সংকট কিছুটা লাঘব করা।

হামাস শনিবার জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে ইসরায়েল রাফাহ সীমান্ত বন্ধ রাখলে বন্দিদের মরদেহ হস্তান্তর বিলম্বিত হবে।

এদিকে, যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় শনিবার রাতে গাজায় আরো দুই ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ রেড ক্রসের কাছে হস্তান্তর করেছে হামাস।