
তবে এর আগে, দেশটিতে শান্তিপূর্ণভাবেই ধর্মঘট পালন করা হতো, সেসময় সারাদেশে দোকান, স্কুল ও ব্যাংকগুলো বন্ধ থাকায় মানুষজন বাড়িতে বসেই সময় কাটাতো বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি ব্রাজিলের ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট মিশেল তেমের পেনশন কার্যক্রম সংস্কারের উদ্যোগ নেন। তিনি একে ‘আধুনিকতার উদ্যোগ’ বলে দাবি করেন। আর্থিক মন্দা কাটিয়ে উঠতে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

সরকারের এই পেনশন ব্যবস্থা সংস্কারের বিরুদ্ধে শুক্রবার শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দেয়। শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বলা হয়, সরকার পেনশন ব্যবস্থায় যে সংস্কার করতে যাচ্ছে, এর ফলে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। পেনশনে চিকিৎসাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সুযোগ করে আসবে।