
এতে এদিন দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সবগুলো সূচকই ছিল নিম্নমুখী। আর লেনদেনও আগের দিনের তুলনায় কমেছে।
সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোট ৩১৮টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড কেনাবেচা হয়। এর মধ্যে দর বাড়ে ৬৫টির ও কমে ২৩২টির। আর অপরিবর্তিত থাকে ২১টির দর।
বেশিরভাগ শেয়ারের দরপতনের প্রভাবে এদিন ডিএসইর সবগুলো সূচকই ছিল নিম্নমুখী।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসই-এক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ৭৫ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৫৪২ পয়েন্টে, ডিএসই-এস সূচক ১৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১০৩ পয়েন্টে ও ডিএসই-৩০ সূচক ২৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৪৮ পয়েন্টে অবস্থান করছিল।
এদিন ডিএসইতে প্রায় ৫৮৬ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড কেনাবেচা হয়, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৬২ কোটি টাকা কম। রোববার ডিএসইতে প্রায় ৬৪৮ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড কেনাবেচা হয়।
এদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মতো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সোমবার বেশিরভাগ শেয়ারের দরপতন হয়েছে।
এদিন সিএসইতে মোট ২৪৩টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড কেনাবেচা হয়। এর মধ্যে দর বাড়ে ৩২টির ও কমে ১৮৭টির। আর অপরিবর্তিত থাকে ২৪টির দর।
বেশিরভাগ শেয়ারের দরপতনে ডিএসইর মতো সিএসইতেও সোমবার সবগুলো সূচক ছিল নিম্নমুখী।
দিনের লেনদেন শেষে সিএসই-৫০ সূচক ১৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১৬ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ১৬৬ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ৫০ পয়েন্টে, সিএসসিএক্স সূচক ১৮৩ পয়েন্ট কমে ৮ হাজার ৪৫০ পয়েন্টে, সিএএসপিআই সূচক ২৭১ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৯৬৫ পয়েন্টে ও সিএসআই সূচক ১৬ পয়েন্ট কমে ৯৯২ পয়েন্টে অবস্থান করছিল।
সোমবার সিএসইতে প্রায় ৮৩ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড কেনাবেচা হয়, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৭ কোটি টাকা কম। রোববার সিএসইতে প্রায় ৭৬ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড কেনাবেচা হয়।