বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬

কমে গেছে ইরানের মিসাইল হামলা, যুদ্ধকালীন কিছু বিধিনিষেধ শিথিল ইসরায়েলের

ইরানের মিসাইল হামলার পরিমাণ কমে যাওয়ায় যুদ্ধকালীন কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ৩টার দিকে জানায়, যুদ্ধের শুরুতে সাধারণ মানুষের ওপর যেসব বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল তার কিছু শিথিল করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে সীমিত কার্যক্রম চালাতে পারবেন সাধারণ মানুষ। এর আগে এটি শুধুমাত্র জরুরি কার্যক্রমে সীমিত ছিল।

তবে শিক্ষা কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।

আগে জমায়েত বন্ধ থাকলেও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে ৫০ বা তারও বেশি মানুষ একসঙ্গে জড়ো হতে পারবেন। তবে যেখানে জড়ো হবেন ওই জায়গার কাছাকাছি বোমা শেল্টার থাকতে হবে। যেন কোনো হুমকি তৈরি হলে দ্রুত শেল্টারে যাওয়া যায়।

এছাড়া বোমা শেল্টার কাছাকাছি থাকার শর্তে অফিসও খোলা যাবে এবং কাজকর্ম করা যাবে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

ফেব্রুয়ারিতে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে যেসব দেশ থেকে

ফেব্রুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব থেকে।

বুধবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদন বলা হয়, ফেব্রুয়ারি মাসে সৌদি প্রবাসীরা দেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।
দেশটি থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ৪৯ কোটি ১১ লাখ মার্কিন ডলার। এছাড়া শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় আরও রয়েছে যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, ওমান, কুয়েত, সিঙ্গাপুর ও কাতার।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৪ কোটি ৩৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে যুক্তরাজ্য থেকে। আর সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ওমান, ইতালি, কুয়েত, সিঙ্গাপুর ও কাতার থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে যথাক্রমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৭ কোটি ৪৫ লাখ ৪০ হাজার, ৩১ কোটি ৭৭ লাখ ৪০ হাজার, ২৭ কোটি ৬৩ লাখ ৬০ হাজার, ১৭ কোটি ৮০ লাখ, ১৬ কোটি ২ লাখ ৯০ হাজার, ১৪ কোটি ৮১ লাখ ২০ হাজার, ১৪ কোটি ৫৭ লাখ ৯০ হাজার ও ১২ কোটি ৫৮ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার।

এদিকে, ফেব্রুয়ারিতে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪২ কোটি ৬০ লাখ ৮০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৪৫ কোটি ২৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ২১৫ কোটি ৬৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৮ লাখ ১০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

এর আগে জানুয়ারি এসেছে ইতিহাসে কোনো এক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ ও চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১২২৮ মামলা

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১ হাজার ২২৮টি মামলা করেছে।

বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কর্তৃক রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা করা হয়।

ডিএমপির ট্রাফিক সূত্রে জানা যায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৭ টি বাস, ৩ টি ট্রাক, ৪ টি কাভার্ডভ্যান, ৪ টি সিএনজি ও ৩০ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৮৫ টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ৭ টি বাস, ৪ টি ট্রাক, ২ টি কাভার্ডভ্যান, ৬ টি সিএনজি ও ৪৬ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৮৭ টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৮ টি বাস, ৫ টি কাভার্ডভ্যান, ১৫ টি সিএনজি ও ৫১ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৯৪ টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ১২ টি বাস, ৪০ টি ট্রাক, ১৩ টি কাভার্ডভ্যান, ১১ টি সিএনজি ও ৩২ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১২৯ টি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৮ টি বাস, ২ টি ট্রাক, ৩ টি কাভার্ডভ্যান, ১০ টি সিএনজি ও ৫৪ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১০২ টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৫ টি বাস, ৮ টি ট্রাক, ৮ টি কাভার্ডভ্যান, ২৫ টি সিএনজি ও ৮০ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৬৫ টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৩৭ টি বাস, ১৫ টি ট্রাক, ১২ টি কাভার্ডভ্যান, ৪৬ সিএনজি ও ১০৬ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৮৪ টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৯ টি বাস, ১০ টি ট্রাক, ২২ টি কাভার্ডভ্যান, ২৯ টি সিএনজি ও ১০৬ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৮২ টি মামলা হয়েছে।

এছাড়াও অভিযানকালে মোট ৪৭৪ টি গাড়ি ডাম্পিং ও ২৭১ টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।

চাঁদাবাজদের তালিকা করে শিগগিরই অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারী দাগি আসামিদের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বুধবার (৪ মার্চ) বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ঢাকা থেকে শুরু হবে, সারাদেশেই চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারী, দাগি আসামিদের তালিকা করা হচ্ছে। নির্মোহ তালিকা করে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

আরও পড়ুন
হঠাৎ ভূমি অফিসে প্রতিমন্ত্রী, আধাঘণ্টা অপেক্ষার পর খোলা হলো তালা
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা প্রত্যাশা করি দেশের সব জনগণ সহযোগিতা করবেন। আমরা জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই, দেশের শান্তিশৃঙ্খলা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। আশা করি আমরা খুব শিগগিরই পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে পারি।

মে মাসে শুরু ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত সেলের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সেলের কার্যক্রমের সর্বশেষ অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পরে সাংবাদিকদের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ২৫ কোটি গাছ রোপনের লক্ষ্য নিয়ে আগামী মে মাস থেকে সারাদেশে গাছের চারা লাগানো শুরু হবে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৃক্ষরোপন শেষে গার্মেন্টস সেক্টরের পর পরই কার্বন ট্রেডিংকে গুরুত্ব দিতে চায় সরকার।

সভায় নির্ধারিত লক্ষ্য বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম জোরদার করা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় বৃদ্ধি এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেয়া হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর গুরুত্ব আরোপ করেন। রোপন করা গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণে স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

কারিগরি শিক্ষা যুগোপযোগী ও বাজারমুখী করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষাকে আধুনিক, যুগোপযোগী এবং বাজারের চাহিদাভিত্তিক করতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ জোরদার করা, ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার মধ্যে শক্তিশালী সংযোগ তৈরি করা এবং কারিকুলাম ও সিলেবাস আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বুধবার (৪ মার্চ) সকাল ১০টায় কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের সভাকক্ষে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কারিগরি শিক্ষার বিভিন্ন সূচক ও কেপিআই (Key Performance Indicators) প্রাথমিকভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। তবে বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে অধ্যয়ন করে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ, শিল্পখাত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় এবং বাজারমুখী কারিকুলাম প্রণয়নের ক্ষেত্রে কিছু দুর্বলতা রয়েছে, যা দ্রুত দূর করতে হবে।

তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, প্রত্যেকে নিজ নিজ বিভাগ, প্রকল্প ও প্রতিষ্ঠানে কী কী উন্নয়নমূলক উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন তা নিজ উদ্যোগে নির্ধারণ করবেন এবং মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার অপেক্ষায় না থেকে সৃজনশীলতা ও উদ্যোগের মাধ্যমে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়, কারণ এখান থেকেই দেশের মানবসম্পদ তৈরি হয়। বাংলাদেশের প্রায় ১৮ কোটি জনগণের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা একটি বড় দায়িত্ব।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিপুল জনসংখ্যা সঠিকভাবে দক্ষতায় রূপান্তরিত করা গেলে এটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, কারিগরি, ভোকেশনাল এবং পলিটেকনিকসহ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অতিরিক্ত তাত্ত্বিক শিক্ষার পরিবর্তে ব্যবহারিক ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এজন্য কারিকুলাম ও প্রশিক্ষণব্যবস্থার যথাযথ পর্যালোচনা প্রয়োজন।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আরও জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর সুযোগ আরও সম্প্রসারণ করা হবে।

তিনি বলেন, উন্নত বিশ্বের অনেক দেশে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে, অন্যদিকে বাংলাদেশ জনসংখ্যার দিক থেকে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। এ জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা গেলে বাংলাদেশ বিশ্বে একটি শক্তিশালী মানবসম্পদসমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে।

মন্ত্রী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, গতানুগতিকভাবে কাজ করলে চলবে না; নতুন উদ্যম, উদ্দীপনা এবং দ্রুতগতিতে কাজ করতে হবে। প্রত্যেকের নিজস্ব লক্ষ্য, কর্মপরিকল্পনা এবং দায়িত্ববোধ থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য বাস্তবায়নে কারিগরি শিক্ষা খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ লক্ষ্যে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সভা শেষে দেশের উন্নয়ন ও মানবসম্পদ গঠনে সকলে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণে জাইকার সহায়তার আশ্বাস

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও কার্যকর, দক্ষ ও জনবান্ধব করে গড়ে তুলতে সহযোগিতা জোরদারের আশ্বাস দিয়েছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে তাঁর দপ্তরে জাইকার একটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আশ্বাস দেওয়া হয়।

জাইকার বাংলাদেশ অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ইচিগুচি তোমোহিদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে জাইকার অর্থায়নে স্থানীয় সরকার খাতে বাস্তবায়িত ও চলমান বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আলোচ্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে ছিল স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধি, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ পানি সরবরাহ ও পানি শোধনাগার স্থাপন এবং দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কর্মসূচি।

মন্ত্রী জাপানি ভাষাশিক্ষা ও গুণগত প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের তরুণদের জাপানে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে প্রকল্পসমূহ সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসাথে সরকারের সকল কার্যক্রম সুষ্ঠু বাস্তবায়নের জন্য জাইকার অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন।

জাইকার প্রতিনিধিরা নবনিযুক্ত মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, তার নেতৃত্বে দেশের স্থানীয় সরকার খাতে গুণগত পরিবর্তন সাধিত হবে বলে তারা আশাবাদী।

বাংলাদেশের সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের উন্নয়নে জাপান সরকার ও জাইকার অব্যাহত সহায়তার জন্য মন্ত্রী আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

নিউইয়র্কে শ্রমিকের কাজ করছেন জায়েদ খান!

যুক্তরাষ্ট্রে থেকেও বিভিন্নভাবে আলোচনায় জায়েদ খান। কখনও উপস্থাপক হিসেবে। কখনও কোথাও ডিগবাজি দিতে গিয়ে। এবার তিনি আলোচনায় কয়েকটি ছবির কারণে। সামাজিক মাধ্যমে যেসব ছবিতে দেখা যাচ্ছে বিদেশের মাটিতে শ্রমিকের কাজ করছেন জায়েদ।

জায়েদ খানের এমন বেশ মুহূর্তেই হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। সেখানে তাকে দেখা যাচ্ছে, নিউইয়র্কের রাস্তায় শ্রমিকের পোশাক পরে কাজ করছেন। বিষয়টি জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সরাসরি কথা বলা যায়নি জায়েদ খানের সঙ্গে।

এদিকে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, প্রবাসীদের জীবনসংগ্রাম নিয়ে নির্মিতব্য একটি সিনেমার চরিত্রের প্রয়োজনে নিউইয়র্কের রাস্তায় শ্রমিকের বেশে শুটিং করেছেন জায়েদ খান। অর্থাৎ বাস্তবে শ্রমিকের কাজ নেননি তিনি, এটি ছিল চলচ্চিত্রের দৃশ্যধারণের অংশ।

বলে রাখা ভালো, সর্বশেষ ‘সোনার চর’ সিনেমা দেখা যায় জায়েদ খানকে। ছবিটি পরিচালনা, কাহিনী, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লেখেন জাহিদ হাসান। জায়েদ খানের বিপরীতে অভিনয় করেন চিত্রনায়িকা জান্নাতুল স্নিগ্ধা।

শিক্ষকদের উৎসব ভাতা ৬০ শতাংশ হচ্ছে

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ১০ শতাংশ বাড়িয়ে ৬০ শতাংশ করার উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এজন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কাছে প্রস্তাবনা চাওয়া হয়েছে।

বুধবার (৪ মার্চ) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৬০ শতাংশ করা হলে অতিরিক্ত ২০০ থেকে ২৫০ কোটি টাকা লাগতে পারে। মোট কত টাকা লাগবে, সেজন্য অধিদপ্তরগুলোর কাছে প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পর তা পর্যালোচনা করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি আসন্ন ঈদুল ফিতরের পূর্বেই যেন শিক্ষক-কর্মচারীরা বর্ধিত উৎসব ভাতা পান। এজন্য দ্রুত অধিদপ্তরগুলোকে প্রস্তাব পাঠাতে বলা হয়েছে। প্রস্তাব আসার পরপরই তা অনুমোদনের কার্যক্রম শুরু করা হবে।’

প্রসঙ্গত, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা আগে মূল বেতনের ২৫ শতাংশ আর কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা পেতেন। গত বছর এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের তীব্র আন্দোলনের মুখে শিক্ষকদের উৎসব ভাতা ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হয়। এখন শিক্ষক-কর্মচারী উভয়ের উৎসব ভাতা আরও ১০ শতাংশ বৃদ্ধির উদ্যোগ নিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আনসার ও ভিডিপি এর মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আনসার ও ভিডিপি এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, এসজিপি, বিএএম, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

আজ ০৪ মার্চ ২০২৬, বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তাঁরা পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি’র দেশপ্রেম এবং পেশাদারিত্বে তাদের নিরলস প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন। দেশের শান্তি, নিরাপত্তা এবং জনগণের স্বার্থে জনসেবামূলক কাজ অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেন।

এ সাক্ষাৎ এ আনসার ও ভিডিপি’র বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী অবহিত হন এবং এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে বলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাদের আশ্বস্ত করেন এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।