বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬

ঈদযাত্রা : আধাঘণ্টায় ট্রেনের ১১ হাজার অগ্রিম টিকিট বিক্রি

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে শুরু হয়েছে ট্রেন ও বাসের অগ্রিম টিকিট সংগ্রহের হুড়াহুড়ি। ট্রেনের টিকিট বিক্রির দ্বিতীয় দিন গতকাল বুধবার অনলাইনে তীব্র চাপ তৈরি হয়। মাত্র আধাঘণ্টায় বিক্রি হয় ১১ হাজারের বেশি টিকিট। আর এই সময়েই সার্ভারে ভিজিট করা হয়েছে প্রায় ২০ লাখ বার।
বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বলছে, সকাল ৮টা থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীরা অনলাইনে ঢুকে পড়লে এই তীব্র চাপ তৈরি হয়।

অন্যদিকে, রাজধানীর কল্যাণপুর ও গাবতলীকেন্দ্রিক বাস কম্পানিগুলোর বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রির দ্বিতীয় দিনে গতকাল কাউন্টারে যাত্রীদের উপস্থিতি ছিল কম। গত মঙ্গলবার বিক্রি শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই আগামী ১৭ ও ১৮ মার্চের রাতের বাসের বেশির ভাগ টিকিট শেষ হয়ে যায়। গতকাল বেশির ভাগ ক্রেতা দিনের বেলার টিকিট কেনেননি বলে জানিয়েছেন পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ট্রেনের টিকিট বিক্রির চিত্র : গতকাল সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের আন্ত নগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়। ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম জানান, প্রথম ৩০ মিনিটে প্রায় ২০ লাখ বার সংশ্লিষ্ট রেলওয়ের সার্ভারে ভিজিট করা হয়। এর মধ্যে সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যেই বিক্রি হয়ে যায় ১১ হাজার ৪০০ টিকিট। তিনি বলেন, গতকাল বুধবার ১৪ মার্চের টিকিট বিক্রি করা হয়।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে এবারও দুই শিফটে টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। সকাল ৮টায় পশ্চিমাঞ্চলের আন্ত নগর ট্রেন এবং দুপুর ২টায় পূর্বাঞ্চলের আন্ত নগর ট্রেনের টিকিট ছাড়া হচ্ছে। রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার ঈদযাত্রার শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হচ্ছে।

বাসের টিকিট বিক্রির চিত্র : রাজধানীর শ্যামলী, কল্যাণপুর ও গাবতলীর বিভিন্ন বাস কাউন্টার ঘুরে দেখা যায়, টিকিট পাওয়ার আশায় যাত্রীরা আসছিলেন। কাউন্টার খোলার আগেই কিছু যাত্রী অপেক্ষা করতে থাকেন।
তবে ভিড় কম ছিল ক্রেতাদের।

শ্যামলী রিং রোডে হানিফ এন্টারপ্রাইজের কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা মোহাম্মদ মিজান বলেন, গত মঙ্গলবার বেশি টিকিট বিক্রি হয়েছে। বিক্রি শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ১৭ ও ১৮ মার্চের রাতের বাসগুলোর টিকিট শেষ হয়ে যায়। একই অবস্থা ১৫ ও ১৬ মার্চের রাতের বাসের ক্ষেত্রেও। ঠাকুরগাঁওয়ের যাত্রী ফরহাদ উদ্দিন বলেন, ‘একটা টিকিটের জন্য এক হাজার ৮০ টাকা দিতে হয়েছে। সাধারণ সময়ে এই টিকিট ৯০০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যায়। ১৮০ টাকা করে এখনই বেশি নিচ্ছে। শেষের দিকের টিকিট তারা যে কত বিক্রি করবে বলা মুশকিল।’

টিকিট কিনতে আসা সাব্বির হোসেন বলেন, ‘সাধারণ সময়ে দিনাজপুরে স্লিপার বাসে এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৩০০ টাকায় যাওয়া যায়। এখন সেটা প্রায় দ্বিগুণ।’

১৪ এপ্রিল কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উপলক্ষে আগামী ১৪ এপ্রিল পরীক্ষামূলকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

গতকাল বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব সালেহ শিবলী বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, কর্মসূচি তদারকির জন্য অর্থ সচিবের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি সচিব কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সভায় কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ, কৃষি প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রেসসচিব বলেন, ‘কৃষক কার্ড কেবল একটি পরিচয়পত্র নয়; এটি দেশের প্রতিটি কৃষকের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রতীক হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে ধাপে ধাপে কৃষকদের বিভিন্ন সরকারি সেবা দেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘কৃষক কার্ডের আওতায় কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, সাশ্রয়ী মূল্যে কৃষিযন্ত্র ব্যবহারের সুযোগ, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, কৃষি বীমার সুবিধা, ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রির সুযোগ, কৃষি প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবহাওয়া ও বাজার সংক্রান্ত তথ্য এবং ফসলের রোগবালাই ও পোকামাকড় দমনে পরামর্শ পাবেন।’

এ সুবিধা শুধু শস্য উৎপাদনকারী কৃষকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; মৎস্য চাষী, প্রাণিসম্পদ খামারি ও দুগ্ধ খামারিরাও এই কার্ডের আওতায় আসবেন বলে জানান প্রেসসচিব।

সালেহ শিবলী বলেন, ‘প্রাক-পাইলট পর্যায়ে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে সব শ্রেণির কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর দেশের ৮ বিভাগের ৯টি উপজেলার ৯টি ব্লকে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। নির্বাচিত উপজেলাগুলো হলো—টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুমিল্লা সদর ও কক্সবাজারের টেকনাফ।’

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করবে।
এ কর্মসূচির আওতায় ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা গড়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভর্তুকি বা কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন।

এ ছাড়া খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুমে নির্দিষ্ট শ্রেণির কৃষকদের জন্য সরকার নির্ধারিত হারে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে।

প্রেসসচিব জানান, প্রাক-পাইলট ও পাইলট পর্যায় শেষ করে আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলায় কৃষক কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এনসিপির বৈঠক স্থগিত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের নির্ধারিত বৈঠকটি স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) রাতে দলের দপ্তর সেল থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বার্তায় বলা হয়, বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল ১০টায় মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এনসিপি নেতৃবৃন্দের যে সাক্ষাৎ হওয়ার কথা ছিল, তা স্থগিত করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাত ৮টার পর দুই দিনের সফরে দিল্লি হয়ে ঢাকায় পৌঁছান যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর।

টিজারে পাওয়া গেল ‘ক্যাকটাস’-এর আভাস

ঈদে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি আনছে নতুন অরিজিনাল সিরিজ ‘ক্যাকটাস’। ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে সিরিজটির শুটিং। গতকাল দুপুরে প্রকাশ পেয়েছে এর টিজার। থ্রিলার ও অ্যাকশনের মিশেলে তৈরি সিরিজটির প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা প্রীতম হাসান এবং অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। সিরিজটি নির্মাণ করেছেন শিহাব শাহীন। সিরিজটির টাইটেল স্পনসর ‘নোরিক্স–১’, পাওয়ার্ড বাই ‘মিনিসো’ এবং অ্যাসোসিয়েট পার্টনার ‘সিটি ব্যাংক’।

জানা গেছে, ‘ক্যাকটাস’–এ মানসিভ নামের এক হ্যাকারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রীতম হাসান। টিজারে তাঁকে কয়েদি হিসেবেও দেখা গেছে—যিনি সাইবারজগতে ভয়ংকর প্রতিভাবান। বিশেষ এক পরিস্থিতিতে কারাগার থেকেই তাকে আবারও নামতে হয় হ্যাকিংয়ে। সরকারের সহায়তায় রাষ্ট্রীয় এক সংকট মোকাবিলায় তার মেধাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় অস্ত্র।
মানসিভ চরিত্রটি নিয়ে প্রীতম হাসান বলেন, ‘চরিত্রটা নিয়ে বেশি বলতে চাই না। তবে এটা ঠিক যে চরিত্রটির একটা জার্নি আছে। আশা করি, দর্শকও সেই জার্নিতে শামিল হবেন। মানসিভ হ্যাকার হলেও তার কাজের একটা উদ্দেশ্য আছে। সেটাও দর্শকদের ভালো লাগবে বলে মনে হয়। নির্মাতা শিহাব শাহীন দারুণ করে সিরিজটি নির্মাণ করেছেন।’

এ অভিযানে মানসিভের দেখা হয় অনুরা নামের এক চরিত্রের সঙ্গে। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন মেহজাবীন চৌধুরী। টিজারে তাঁকে দেখা গেছে একেবারে নতুন রূপে—অ্যাকশন লুকে। কয়েকটি অ্যাকশন দৃশ্যেও তাঁর উপস্থিতি রয়েছে। শক্তিশালী, আত্মবিশ্বাসী ও কিছুটা রহস্যময় উপস্থিতি গল্পে এনেছে নতুন মাত্রা। এমন চরিত্রে মেহজাবীনকে আগে দেখা যায়নি।
মেহজাবীন বলেন, ‘এই সিরিজের চরিত্র আমাকে অনেক নতুন কিছু শেখার সুযোগ করে দিয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো অ্যাকশন। এই লেভেলের অ্যাকশন আগে করিনি। অ্যাকশন ডিরেক্টর এডওয়ার্ড গোমেজ এবং তাঁর টিম ছিল অসাধারণ। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তারা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। স্ক্রিপ্ট প্রথম শুনেই এই দিকটা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি আমার সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। পুরো টিম দারুণ সাপোর্ট দিয়েছে, সবাই অনেক পরিশ্রম করেছে। এখন বাকিটা দর্শকদের হাতে—তাঁরাই বলবেন আমরা কেমন কী করতে পেরেছি।’

বরাবরই সমসাময়িক ও টানটান গল্প বলার জন্য পরিচিত শিহাব শাহীন। শুটিং শুরুর আগে জানিয়েছিলেন, এই সিরিজের মাধ্যমে নিজস্ব একটি স্পাই চরিত্র তৈরি করতে চান তিনি, ভবিষ্যতে স্পাই ইউনিভার্স গড়ার পরিকল্পনাও তাঁর রয়েছে। এ বিষয়ে শিহাব শাহীন বলেন, ‘সিরিজ দেখলেই সেটা দর্শক বুঝতে পারবেন। টিজার দেখে হয়তো বোঝা যাচ্ছে, এবারের শুটিং বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। টিজারে যতটা ধারণা পাওয়া যায়, গল্পের পরিসর তার চেয়ে অনেক বড়।’ নির্মাতা জানান, ক্যাকটাস–এর গল্পটা মূলত মানসিভ চরিত্র ঘিরে। তার সঙ্গে অনুরা চরিত্রটি যুক্ত হয়ে গল্পে নিয়ে আসে নতুন মোড়।
ক্যাকটাস–এর গল্প লিখেছেন শিহাব শাহীন, আল-আমীন হাসান, আদর রহমান, আসাদুজ্জামান আবীর ও রেজওয়ান কবির। চিত্রনাট্য করেছেন শিহাব শাহীন। আরও অভিনয় করেছেন মুনীরা ইউসুফ মেমী, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, নাজিবা বাশার, সালাউদ্দিন লাভলু, শাহদাত হোসেন, আরিফিন জিলানী, জাহিদুল হক অপু ও সানজিদা তাসনীম।

ইরানের রাজধানীতে নতুন করে ব্যাপক হামলা ইসরায়েলের

ইরানের রাজধানী তেহরানে নতুন করে ফের ব্যাপক হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েল। বুধবার রাতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী এ ঘোষণা দেয়।

তারা বলেছে, ইরানের সেনাবাহিনীর অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে।

এরআগে বুধবার সন্ধ্যার দিকে তেহরানে হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েলি বাহিনী। এতে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছিল তারা।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, ইরানের সেনারা ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, ঠিক ও্ই সময় হামলা চালানো হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে তেহরানে প্রথম হামলা চালায় দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার রাতেরটি ছিল ১১তম হামলা।

সূত্র: সিএনএন

কমে গেছে ইরানের মিসাইল হামলা, যুদ্ধকালীন কিছু বিধিনিষেধ শিথিল ইসরায়েলের

ইরানের মিসাইল হামলার পরিমাণ কমে যাওয়ায় যুদ্ধকালীন কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ৩টার দিকে জানায়, যুদ্ধের শুরুতে সাধারণ মানুষের ওপর যেসব বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল তার কিছু শিথিল করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে সীমিত কার্যক্রম চালাতে পারবেন সাধারণ মানুষ। এর আগে এটি শুধুমাত্র জরুরি কার্যক্রমে সীমিত ছিল।

তবে শিক্ষা কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।

আগে জমায়েত বন্ধ থাকলেও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে ৫০ বা তারও বেশি মানুষ একসঙ্গে জড়ো হতে পারবেন। তবে যেখানে জড়ো হবেন ওই জায়গার কাছাকাছি বোমা শেল্টার থাকতে হবে। যেন কোনো হুমকি তৈরি হলে দ্রুত শেল্টারে যাওয়া যায়।

এছাড়া বোমা শেল্টার কাছাকাছি থাকার শর্তে অফিসও খোলা যাবে এবং কাজকর্ম করা যাবে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

ফেব্রুয়ারিতে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে যেসব দেশ থেকে

ফেব্রুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব থেকে।

বুধবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদন বলা হয়, ফেব্রুয়ারি মাসে সৌদি প্রবাসীরা দেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।
দেশটি থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ৪৯ কোটি ১১ লাখ মার্কিন ডলার। এছাড়া শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় আরও রয়েছে যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, ওমান, কুয়েত, সিঙ্গাপুর ও কাতার।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৪ কোটি ৩৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে যুক্তরাজ্য থেকে। আর সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ওমান, ইতালি, কুয়েত, সিঙ্গাপুর ও কাতার থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে যথাক্রমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৭ কোটি ৪৫ লাখ ৪০ হাজার, ৩১ কোটি ৭৭ লাখ ৪০ হাজার, ২৭ কোটি ৬৩ লাখ ৬০ হাজার, ১৭ কোটি ৮০ লাখ, ১৬ কোটি ২ লাখ ৯০ হাজার, ১৪ কোটি ৮১ লাখ ২০ হাজার, ১৪ কোটি ৫৭ লাখ ৯০ হাজার ও ১২ কোটি ৫৮ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার।

এদিকে, ফেব্রুয়ারিতে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪২ কোটি ৬০ লাখ ৮০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৪৫ কোটি ২৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ২১৫ কোটি ৬৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৮ লাখ ১০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

এর আগে জানুয়ারি এসেছে ইতিহাসে কোনো এক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ ও চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১২২৮ মামলা

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১ হাজার ২২৮টি মামলা করেছে।

বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কর্তৃক রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা করা হয়।

ডিএমপির ট্রাফিক সূত্রে জানা যায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৭ টি বাস, ৩ টি ট্রাক, ৪ টি কাভার্ডভ্যান, ৪ টি সিএনজি ও ৩০ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৮৫ টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ৭ টি বাস, ৪ টি ট্রাক, ২ টি কাভার্ডভ্যান, ৬ টি সিএনজি ও ৪৬ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৮৭ টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৮ টি বাস, ৫ টি কাভার্ডভ্যান, ১৫ টি সিএনজি ও ৫১ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৯৪ টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ১২ টি বাস, ৪০ টি ট্রাক, ১৩ টি কাভার্ডভ্যান, ১১ টি সিএনজি ও ৩২ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১২৯ টি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৮ টি বাস, ২ টি ট্রাক, ৩ টি কাভার্ডভ্যান, ১০ টি সিএনজি ও ৫৪ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১০২ টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৫ টি বাস, ৮ টি ট্রাক, ৮ টি কাভার্ডভ্যান, ২৫ টি সিএনজি ও ৮০ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৬৫ টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৩৭ টি বাস, ১৫ টি ট্রাক, ১২ টি কাভার্ডভ্যান, ৪৬ সিএনজি ও ১০৬ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৮৪ টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৯ টি বাস, ১০ টি ট্রাক, ২২ টি কাভার্ডভ্যান, ২৯ টি সিএনজি ও ১০৬ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৮২ টি মামলা হয়েছে।

এছাড়াও অভিযানকালে মোট ৪৭৪ টি গাড়ি ডাম্পিং ও ২৭১ টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।

চাঁদাবাজদের তালিকা করে শিগগিরই অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারী দাগি আসামিদের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বুধবার (৪ মার্চ) বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ঢাকা থেকে শুরু হবে, সারাদেশেই চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারী, দাগি আসামিদের তালিকা করা হচ্ছে। নির্মোহ তালিকা করে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

আরও পড়ুন
হঠাৎ ভূমি অফিসে প্রতিমন্ত্রী, আধাঘণ্টা অপেক্ষার পর খোলা হলো তালা
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা প্রত্যাশা করি দেশের সব জনগণ সহযোগিতা করবেন। আমরা জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই, দেশের শান্তিশৃঙ্খলা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। আশা করি আমরা খুব শিগগিরই পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে পারি।

মে মাসে শুরু ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত সেলের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সেলের কার্যক্রমের সর্বশেষ অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পরে সাংবাদিকদের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ২৫ কোটি গাছ রোপনের লক্ষ্য নিয়ে আগামী মে মাস থেকে সারাদেশে গাছের চারা লাগানো শুরু হবে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৃক্ষরোপন শেষে গার্মেন্টস সেক্টরের পর পরই কার্বন ট্রেডিংকে গুরুত্ব দিতে চায় সরকার।

সভায় নির্ধারিত লক্ষ্য বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম জোরদার করা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় বৃদ্ধি এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেয়া হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর গুরুত্ব আরোপ করেন। রোপন করা গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণে স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।