মঙ্গলবার, অক্টোবর ৬, ২০২৬

নারী দিবসে মোদির নিরাপত্তায় থাকবেন শুধু নারীরা

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ভারতের গুজরাটের নভসারি জেলায় ‘লাখপতি দিদি’ অনুষ্ঠানে ভাষণ দেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ভাষণের সময় প্রধানমন্ত্রীকে নিরাপত্তা দেবেন শুধু নারী পুলিশকর্মীরাই।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের কথা মাথায় রেখে, নারীশক্তিকে অভিবাদন জানাতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

বৃহস্পতিবার ভারতের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হর্ষ সাঙ্ঘভি জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে গুজরাট পুলিশ একটি অনন্য উদ্যোগ নিচ্ছে। ভারতের ইতিহাসে এই প্রথমবার শুধু নারী পুলিশকর্মীরাই প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের পুরো নিরাপত্তাব্যবস্থা দেখাশোনা করবেন। নভসারির ভানসি বরসি গ্রামের হেলিপ্যাডে পৌঁছানো থেকে শুরু করে অনুষ্ঠানস্থল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে নিরাপত্তা দেবে নারীবাহিনী।

এক সূত্রের বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, মোট দুই হাজার ১৬৫ জন নারী কনস্টেবল, ১৮৭ জন নারী পিআই, ৬১ জন নারী পিএসআই, ১৯ জন নারী ডিওয়াইএসপি, পাঁচজন নারী ডিএসপি, ১ জন নারী আইজিপি এবং একজন নারী এডিজিপি পুরো কর্মসূচির তদারকি করবেন।
এভাবেই নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সাফল্য উদযাপন করবে গুজরাট।

ব্যয় কমাতে কনস্যুলেট গুটিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

সরকারি ব্যয় কমাতে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগামী মাসগুলোতে পশ্চিম ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকা থেকে প্রায় এক ডজন কনস্যুলেট গুটিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ ছাড়া বিশ্বজুড়ে কর্মী সংখ্যা কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন একাধিক মার্কিন কর্মকর্তা।

ওয়াশিংটনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরে মানবাধিকার, শরণার্থী, বৈশ্বিক ন্যায়বিচার, নারী সংক্রান্ত বিষয় ও চোরাচালান প্রতিরোধের মতো যেসব বিশেষজ্ঞ ব্যুরো আছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সেগুলোকেও একীভূত করার পরিকল্পনা করছে।

ট্রাম্প ও ধনকুবের ইলন মাস্ক সরকারি ব্যয় কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কর্মীবহর ছোট করে আনার যে নজিরবিহীন প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন, তার অংশ হিসেবে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসগুলোকে মার্কিনদের পাশাপাশি স্থানীয় কর্মীদেরও অন্তত ১০ শতাংশকে ছাঁটাই করার পরিকল্পনা হাতে নিতে বলা হয়েছে।

গত জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়া ডোনাল্ড ট্রাম্প চান, কেন্দ্রীয় সরকারের আমলাতন্ত্র তার ‘আমেরিকা প্রথম’ নীতির সঙ্গে পুরোপুরি খাপ খাইয়ে নেবে। ‘বিশ্বস্ত ও কার্যকরভাবে’ পররাষ্ট্রনীতির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুনর্গঠনে গত মাসে তিনি একটি নির্বাহী আদেশও জারি করেন।

তবে সমালোচকরা বলছেন, একদিকে বিশ্বজুড়ে শত শত কোটি ডলারের সাহায্য পৌঁছে দেওয়া ইউএসএআইডিকে কার্যত বন্ধ করে দেওয়া, আবার অন্যদিকে মার্কিন কূটনীতিক বহর ছোট করে আনা; এই দুইয়ের কারণে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমে যাওয়ার ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। বিপজ্জনক শূন্যতা সৃষ্টি হলে রাশিয়া ও চীনের মতো দেশগুলো সেটার সুযোগ নিতে পারে।

ইউক্রেনজুড়ে ব্যাপক ড্রোন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা রাশিয়ার

ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় গতকাল শুক্রবার স্থানীয় সময় ভোরে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনায় মস্কো ও কিয়েভের পাল্টাপাল্টি হামলা বন্ধে ইউক্রেন ও এর ইউরোপীয় মিত্রদের প্রস্তাবের কয়েক দিনের মাথায় রাশিয়া এই হামলা চালাল।

ইউক্রেনের বিমানবাহিনী বলেছে, রাশিয়া অন্তত ৫৪টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং প্রায় ২০০টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। পূর্বের খারকিভ থেকে পশ্চিমের টারনোপিল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামোগুলো হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইউক্রেনের কর্মকর্তারা বলেছেন, রাশিয়ার হামলায় চার শিশুসহ অন্তত ১৮ জন আহত হয়েছে। ইউক্রেনের বিমানবাহিনী বলেছে, রাশিয়ার হামলা প্রতিহত করতে প্রথমবারের মতো ফ্রান্সের মিরাজ ২০০০ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করেছে তারা।

মাসখানেক আগে ফ্রান্স থেকে কিয়েভের কাছে এই যুদ্ধবিমান সরবরাহ করা হয়। ইউক্রেনের সঙ্গে তার অন্যতম প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের টানাপড়েন সম্পর্ক চলার মধ্যে রাশিয়া এই ব্যাপক আক্রমণের ঘটনা ঘটাল।

বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক ‌নির্বাচনের মাধ্যমে সমস্যার নিষ্পত্তি চায় ভারত

বাংলাদেশে সৃষ্ট আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে ভারত। আজ শুক্রবার নয়াদিল্লিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ উদ্বেগের কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘হিন্দু এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পাশাপাশি তাদের সম্পত্তি এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষা এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব।’

রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘গুরুতর অপরাধের জন্য দণ্ডিত চরমপন্থীদের মুক্তির ফলে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে আমরা এখনও উদ্বিগ্ন।
’

তিনি বলেন, ‘আমরা একটি স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং প্রগতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করি; যেখানে গণতান্ত্রিক উপায়ে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে সব সমস্যার নিষ্পত্তি হবে।’

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র দাবি করেন, গত ৫ আগস্ট থেকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হওয়া ২,৩৭৪টি নিপীড়নের ঘটনার মধ্যে পুলিশ ১,২৫৪টি শনাক্ত করেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, এই যাচাইকৃত ঘটনাগুলোর ৯৮% রাজনৈতিক প্রকৃতির বলে মনে করা হচ্ছে। যা এই ধরনের মামলা পরিচালনার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।

জয়সওয়াল বলেন, ‘আমরা আশা করি, বাংলাদেশ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করবে এবং হত্যা, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতায় জড়িত সব অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনা হবে।’

গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যৌথ কমিটির ৮৬তম বৈঠকটি ৬ মার্চ কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়। বছরে তিনবার এই নিয়মিত কারিগরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যা ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য প্রতিষ্ঠিত কাঠামোগত ব্যবস্থার অংশ।
’

এটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘বৈঠকে উভয়পক্ষ গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি, পানিপ্রবাহ পরিমাপ এবং পারস্পরিক স্বার্থের অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে।’

জয়সওয়াল পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে বাংলাদেশের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারতের জন্য উন্নয়ন সহযোগিতা একটি ‘অগ্রাধিকার’। তিনি বলেছেন, ‘সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং দীর্ঘস্থায়ী স্থানীয় সমস্যাগুলো কিছু প্রকল্পের অগ্রগতিকে প্রভাবিত করেছে।’

নারী সমাজ যাতে নিপীড়নের শিকার না হয় : তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নারী সমাজ যেন অবহেলা, নির্যাতন, নিপীড়নের শিকার না হয় এবং ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়—সেদিকে সবার সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। বৈশ্বিক কর্মযজ্ঞে নারীর সমতায়ন এখন সর্বপ্রথম এজেন্ডা হওয়া উচিৎ।

আজ শুক্রবার (৭ মার্চ) সন্ধায় নারী দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। বাণীতে তারেক রহমান সকল নারীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তাদের অব্যাহত সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

তারেক রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক নারী দিবস একটি অত্যন্ত তাৎপর্যময় দিন। বিশ্বব্যাপী মহিলাদের আর্থিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠা গুরুত্ব পায়। এ দিবসটি নারীর প্রতি সাধারণ সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শনে সচেতনতা সৃষ্টি করে। বাংলাদেশে এ দিবসটির গুরুত্ব অপরিসীম।
আমাদের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাই নারী সমাজের অগ্রগতি সাধিত হলে জাতির সামগ্রিক বিকাশ সম্ভব হবে। এ সত্যটি উপলব্ধি করেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে নারীর অধিকতর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। সেটির ধারাবাহিকতায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকার এ দেশের নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়নসহ নারী সমাজের অশিক্ষার অন্ধকার ঘুচিয়ে শিক্ষার ব্যাপক প্রসারের জন্য অনেক কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল।
তার শাসনামলে প্রাথমিক স্কুলে ভর্তির হার ৯৭ শতাংশে উন্নীত হয়। ছাত্রীকে শিক্ষাবৃত্তির আওতায় আনা হয় এবং স্কুলে ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে লিঙ্গসমতা প্রতিষ্ঠিত হয়। মেয়েদের জন্য দুইটি নতুন ক্যাডেট কলেজ ও তিনটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় চট্টগ্রামে এশিয়ার ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

তারেক রহমান আরো বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সরকার একটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে এবং উচ্চ শিক্ষা উৎসাহিত করার জন্য ব্যক্তিখাতে বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠান অনুমোদন দেয়।
যাতে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগও বৃদ্ধি পায়। দেশের মানুষকে দ্রুততম সময়ে স্বাক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে একট পৃথক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৯৩ সালের ১ জুলাই থেকে দেশব্যাপী প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হয়। দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে শিক্ষা লাভে আগ্রহী করে তুলতে বেগম খালেদা জিয়া সরকার ১৯৯৩ সালে শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে। পল্লী অঞ্চলে মেয়েদের মাধ্যমিক শিক্ষা অবৈতনিক করা হয় এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের ছাত্রীদের জন্য দেশব্যাপী একটি উপবৃত্তি কর্মসূচি চালু করা হয়। ফলে নারীর ক্ষমতায়ন এবং উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় তাদেরকে সম্পৃক্ত করার কারণে তাদের মধ্যে আত্মপ্রত্যয় জেগে উঠে। একই সঙ্গে তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার পথ খুঁজে পায়। নারীদের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পুরুষদের সঙ্গে প্রতিযোগিতার সমান সুযোগে সমাজের অগ্রগতি ও রাষ্ট্রের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। বদলে যাওয়া বিশ্বের কর্মপরিবেশে নারীর সরব উপস্থিতি নিশ্চিত করতে আমাদের একযোগে কাজ করতে হবে।

নারীদের অধিকার নিশ্চিত করে তিনি বলেন, শান্তি, নিরাপত্তা, মানবাধিকার এবং টেকসই উন্নয়নে বৈশ্বিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে অপরিহার্য শর্ত হলো নারীর অধিকার। নারী সমাজ যাতে অবহেলা, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার এবং ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয় সেদিকে সবার সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। বৈশ্বিক কর্মযজ্ঞে নারীর সমতায়ন এখন সর্বপ্রথম এজেন্ডা হওয়া উচিৎ।

দ্বিতীয়বারও ভেঙে পড়ল ইলন মাস্কের স্টারশিপ

ভেঙে পড়েছে ইলন মাস্কের স্টারশিপ। উৎক্ষেপণের ১০ মিনিটের মধ্যেই পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন হয় স্টারশিপের এবং তার পরেই তাতে আগুন ধরে যায়। এই বছরে এটি ছিল দ্বিতীয় স্টারশিপ যাতে বিস্ফোরণ ঘটল। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে।

স্টারশিপে আগুন লাগার পর আকাশে অগ্নিদ্বগ্ধ ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়তে থাকে। এর ফলে ফ্লোরিডা ও তার কাছের এলাকায় বেশ কিছুক্ষণ বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়।

কেন এই বিস্ফোরণ?

ঠিক দুই মাস আগে ঠিক একই ভাবে আরো একটি স্টারশিপে বিস্ফোরণ হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ ধনকুবের ইলন মাস্কের স্পেসএক্সের এটি দ্বিতীয় ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।
টেক্সাসের বোকা চিকা থেকে স্থানীয় সময় সন্ধে সাড়ে ছয়টায় (ভারতে সকাল ছয়টা, বাংলাদেশে সকাল সাড়ে ছয়টা) ৪০৩-ফুটের এই রকেটটি লঞ্চ করা হয়

লঞ্চের প্রথম ভাগে কোনো সমস্যা হয়নি। বুস্টারটি সফল ভাবে রকেট থেকে আলাদা হয়ে পৃথিবীর দিকে নেমে আসে। মাঝপথে তাকে ধরে ফেলে একটি ক্রেন।
কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই স্টারশিপের বাকি অংশ ঘুরতে থাকে। একাধিক ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়।

স্পেসএক্সের লাইভ ইভেন্টে তাদের মুখপত্র ড্যান হুয়ট বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত একই ঘটনা শেষবারেও ঘটেছিল। আমাদের খানিকটা প্রাকটিস হয়ে যাচ্ছে।’ মাঝ আকাশে স্বপ্নভঙ্গ ইলন মাস্কের

মাস্কের মঙ্গলযাত্রা কি সফল হবে?

মাস্ক ২০২৫-এ মহাকাশ অভিযান প্রকল্পে গতি আনার কথা বলেছিলেন।
পরপর দুবার এই ব্যার্থতার প্রভাব সেই পরিকল্পনার ওপর পড়তে পারে। জানুয়ারিতে রকেট লঞ্চের আট মিনিটের মাথায় তা ভেঙে পড়ে। তার ধ্বংসাবশেষ ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের ওপর পড়তে দেখা যায়। এর ফলে টার্ক্স ও কাইকোস দ্বীপের একটি গাড়ি সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এই দশকের শেষে ইলন মাস্ক মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন। স্টারশিপ সেই প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভবিষ্যতে এর যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই কথা মাথায় রেখে ফেডারেল অ্যাভিয়েশন আডমিনিস্ট্রেশন স্পেসএক্সকে এই ঘটনার তদন্ত করতে বলেছে।

সৌদি আরব সফরে যাওয়ার কথা জানালেন জেলেনস্কি-ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী দেড় মাসের মধ্যে সৌদি আরব ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন। বৃহস্পতিবার তিনি এ মন্তব্য করেন। ট্রাম্প ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের বলেন, ‘তাদের সঙ্গে আমার দুর্দান্ত সম্পর্ক এবং তারা খুব ভালো। তারা সামরিক সরঞ্জাম এবং অন্যান্য জিনিস কেনার জন্য আমেরিকান কম্পানিগুলেঅতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করবে।
’

সৌদি আরব ট্রাম্পের প্রথম সরকারি বিদেশ সফর কি না তা স্পষ্ট নয়, তবে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন এটি হতে পারে। ট্রাম্প আরো বলেছেন, তিনি সৌদি আরবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও কোনো এক সময়ে দেখা করার আশা করছেন। তবে আসন্ন সফরেই তিনি তা করবেন কি না তা বলেননি।

শপথ গ্রহণের পর বিদেশি নেতার মধ্যে ট্রাম্প প্রথম ফোনে কথা বলেছিলেন, ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের (এমবিএস) সঙ্গে।
সেই ফোনালাপের সময় এমবিএস ট্রাম্পকে বলেছিলেন, সৌদি আরব আগামী চার বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৬০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে ইচ্ছুক।

গত মাসে ট্রাম্প প্রথম আমেরিকান প্রেসিডেন্ট হিসেবে সৌদি আরবের ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এফআইআই) ইনস্টিটিউটে ভাষণ দেন এবং ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে আলোচনা আয়োজনের জন্য রাজ্যকে ধন্যবাদ জানান। সৌদি আরবকে ‘বিশেষ নেতাদের একটি বিশেষ স্থান’ বলে অভিহিত করেন।

এদিকে ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কিও বৃহস্পতিবার বলেছেন, তিনি মার্কিন ও ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনার আগে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে দেখা করতে আগামী সপ্তাহে সৌদি আরব যাবেন।

টেলিগ্রাম মেসেজিং অ্যাপে জেলেনস্কি লিখেছেন, ‘পরের সপ্তাহে সোমবার আমার সৌদি আরব সফর ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এরপর আমার দল আমাদের আমেরিকান অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করার জন্য সৌদি আরবে থাকবে। ইউক্রেন শান্তি চুক্তির জন্য সবচেয়ে বেশি আগ্রহী।’

মধ্যপ্রাচ্য শান্তির জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ আগের দিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘শান্তি চুক্তি এবং প্রাথমিক যুদ্ধবিরতির জন্য একটি কাঠামো তৈরির’ জন্য মার্কিন ও ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের মধ্যে রিয়াদ বা জেদ্দায় একটি বৈঠকের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

সূত্র: আল-অ্যারাবিয়া

ফের বিয়ে করলেন আনিসুর রহমান মিলন

ফের বিয়ে করেছেন অভিনেতা আনিসুর রহমান মিলন। তার স্ত্রীর নাম তানিয়া শারমীন শিপা। তিনি একটি মেডিকেল কলেজের হল প্রভোস্ট। গত ৮ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের একটি হোটেলে দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।

আনিসুর রহমান মিলন জানান, বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে মূল কারণ হচ্ছে তার ছেলে মিহরান।

নবজীবনের অনুভূতি জানিয়ে এই অভিনেতা বলেন, ‘আমার পরিবার থেকে আম্মা তার সন্তানকে নিয়ে যেমন চিন্তা করছে, তেমনি আমার সন্তান নিয়ে আমি চিন্তা করছি। সেখান থেকে আমার মনে হয় আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের সবার সিদ্ধান্ত হয়তো একটি ঠিক জায়গায় নেওয়া হয়েছে। আমি হ্যাপি, আমার এখন দুটি সন্তান।
আমার নিজের সন্তান এবং পরেরটাও আমার নিজের সন্তান। আমার স্ত্রীর একটি ছেলে আছে, ওর নাম রাইয়ান আর আমার ছেলের নাম মিহরান।’

প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালে লুসি গোমেজকে বিয়ে করেন আনিসুর রহমান মিলন। ২০১৩ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।
এরপর মিলন করেন পলি আহমেদকে। মিলনের বিয়ে ও চার বছরের সংসার জীবনের গুঞ্জন শোনা গেলেও তা অস্বীকার করে আসছিলেন অভিনেতা। এর পর অভিনেতা স্বীকার করেন। ২০২২ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে পলি আহমেদ মারা যান।

সিরিয়ায় আসাদ অনুগতদের সঙ্গে সরকারি বাহিনীর সংঘর্ষে নিহত ৭০

যুদ্ধ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা জানিয়েছে, সিরিয়ায় সরকারি নিরাপত্তা বাহিনী এবং ক্ষমতাচ্যুত শাসক বাশার আল-আসাদের অনুগত যোদ্ধাদের মধ্যে সংঘর্ষে ৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং আরো কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছে।

সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস এক্স-এর একটি পোস্টে জানিয়েছে, ‘সিরিয়ার উপকূলে প্রতিরক্ষা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সদস্য এবং বিলুপ্ত সরকারের সেনাবাহিনীর যোদ্ধাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও অতর্কিত হামলায় ৭০ জনেরও বেশি নিহত এবং কয়েক ডজন আহত ও বন্দি হয়েছে।’

এর আগে বলা হয়েছিল, বৃহস্পতিবার সংঘর্ষে উপকূলীয় শহর জাবলেহ এবং সংলগ্ন গ্রামে ৪৮ জন নিহত হয়েছে। আরো বলা হয়েছে, ডিসেম্বরে আসাদের পতনের পর থেকে এ ঘটনা নতুন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সবচেয়ে সহিংস আক্রমণ।
এই সপ্তাহের অস্থিরতার সময় সামগ্রিক হতাহতের সংখ্যা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।

বৃহস্পতিবার আসাদের সমর্থক যোদ্ধারা ১৬ জন নিরাপত্তা কর্মীকে হত্যা করেছে, যখন ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্টের ২৮ জন যোদ্ধাসহ চারজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়। পূর্ববর্তী লড়াইটি ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলীয় প্রদেশ লাতাকিয়ায় হয়েছিল, যা আসাদের আলাউইত সংখ্যালঘুদের প্রাণকেন্দ্র ছিল।

লাতাকিয়ার একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা মুস্তাফা কেনেফাতি বলেছেন, ‘একটি সুপরিকল্পিত এবং পূর্বপরিকল্পিত আক্রমণে আসাদ সরকারের বেশ কয়েকটি দল আমাদের অবস্থান এবং চেকপয়েন্টে আক্রমণ করেছে।
জাবলেহ এলাকায় টহলদারি লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়। হামলার ফলে আমাদের বাহিনীর অসংখ্য যোদ্ধা শহীদ এবং আহত হয়েছেন।’ তবে তিনি হতাহতের সংখ্যা উল্লেখ করেননি।

কেনেফাতি বলেছেন, ‘নিরাপত্তা বাহিনী তাদের উপস্থিতি নির্মূল করার জন্য কাজ করবে’।
তিনি আরো বলেছেন, ‘আমরা এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনব এবং আমাদের জনগণের সম্পত্তি রক্ষা করব।’

শীর্ষ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

অবজারভেটরি জানিয়েছে, নিহত বেশিরভাগ নিরাপত্তা কর্মী উত্তর-পশ্চিমে ইদলিবের সাবেক বিদ্রোহী ঘাঁটি থেকে এসেছিলেন। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানা জানিয়েছে, ‘নিরাপত্তা বাহিনী আসাদ পরিবারের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে একটি। অভিযানের সময় বিমান বাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থার একজন সাবেক প্রধানকে আটক এবং গ্রেপ্তার করা হয়েছে’।

সানা আরো জানিয়েছে, ‘জাবলেহ শহরে আমাদের বাহিনী অপরাধী জেনারেল ইব্রাহিম হুওয়েজাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।
শত শত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে অভিযুক্ত হুওয়েজা। ১৯৮৭ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত বিমান বাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ছিলেন হুওয়েজা, ১৯৭৭ সালে লেবাননের ড্রুজ নেতা কামাল বেক জুম্বলাটের হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত।

প্রাদেশিক নিরাপত্তা পরিচালক বলেন, কর্তৃপক্ষ হেলিকপ্টার হামলা শুরু করার পর লাতাকিয়ার আরেকটি গ্রামে আসাদ-যুগের বিশেষ বাহিনীর কমান্ডারের অনুগত বন্দুকধারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। নিরাপত্তা পরিচালক সানাকে জানিয়েছেন, ‘লাতাকিয়ার গ্রামাঞ্চলে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী যে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত ছিল তারা যুদ্ধাপরাধী সুহাইল আল-হাসানের সঙ্গে যুক্ত ছিল।’

‘দ্য টাইগার’ ডাকনামে পরিচিত হাসান দেশের বিশেষ বাহিনীর নেতৃত্ব দিতেন এবং প্রায়শই আসাদের ‘প্রিয় সৈনিক’ হিসেবে বর্ণনা করা হত। ২০১৫ সালে আসাদ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অগ্রগতির জন্য তিনি দায়ি ছিলেন।

হেলিকপ্টার হামলা

সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস-এর আগে বেইত আনা গ্রাম এবং আশেপাশের বনাঞ্চলে সশস্ত্র ব্যক্তিদের ওপর হেলিকপ্টার দিয়ে পরিচালিত হামলার খবর দিয়েছে। সানা জানিয়েছে, আসাদপন্থী মিলিশিয়ারা গ্রামের কাছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদস্য এবং সরঞ্জাম-এর ওপর গুলি চালিয়েছে, যার ফলে একজন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত এবং দুজন আহত হয়েছে।

পরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র সানাকে জানিয়েছে, জাবলেহ এলাকায় বিশাল সামরিক শক্তি মোতায়েন করা হচ্ছে। সানা জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী লাতাকিয়া, বন্দর শহর তারতুস এবং তৃতীয় শহর হোমসসহ আলাওয়াই-অধ্যুষিত এলাকায় রাতভর কারফিউ জারি করেছে। দেশের অন্যান্য শহরে, ‘নিরাপত্তা বাহিনীর সমর্থনে’ জনতা জড়ো হয়েছিল।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, আসাদ মিলিশিয়াদের অবশিষ্টাংশের সদস্যদের অতর্কিত হামলায় দুই নিরাপত্তা কর্মী নিহত হওয়ার পর মঙ্গলবার শহরের দাতুর পাড়ায় নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান শুরু করে। হায়াত তাহরির আল-শামের নেতৃত্বে ইসলামপন্থী বিদ্রোহীরা ৮ ডিসেম্বর আসাদের পতনের জন্য আক্রমণ শুরু করে।

দেশের নতুন নিরাপত্তা বাহিনী তখন থেকে আসাদের অনুগতদের তার পূর্ববর্তী ঘাঁটি নির্মূল করার জন্য ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে। বাসিন্দা এবং সংস্থাগুলো এই অভিযানের সময় বাড়িঘর দখল, মৃত্যু এবং অপহরণের ঘটনা ঘটেছে।

সূত্র: এএফপি

স্টোকসকে অধিনায়ক হিসেবে বিবেচনা না করা হবে বোকামি

ইংল্যান্ডের সাদা বলের অধিনায়কত্ব থেকে জস বাটলারের সরে দাঁড়ানোর পর জায়গাটা শূন্য। নতুন অধিনায়কের খুঁজে নেমেছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। এবার সে জায়গায় বেন স্টোকসকে বিবেচনা করে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন ইংল্যান্ডের ক্রিকেট পরিচালক রব কি।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ব্যর্থতার জেরে সমালোচনার মুখে ওয়ানডে ও টি-টোয়োন্ট অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ান বাটলার।
এরপর সম্ভাব্য অধিনায়ক হিসেবে সহ-অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকের পাশাপাশি ফিল সল্ট ও লিয়াম লিভিংস্টোনের নামও উঠে আসছে। সেই তালিকায় আছেন টেস্ট দলের নেতৃত্বে থাকা স্টোকসও।

রব কি বৃহস্পতিবার লর্ডসে সাংবাদিকদের বললেন, ‘সম্ভাব্য সব বিকল্পই বিবেচনা করা হবে। প্রতিটি বিকল্পে চোখ বুলিয়ে ভাবতে হবে, “ঠিক আছে, কী করলে ভালো হবে? এটা অন্যান্য বিষয়ের ওপর কেমন প্রভাব ফেলবে?’ বেন স্টোকস আমার দেখা সেরা অধিনায়কদের একজন।
তাই তাকে বিবেচনা না করা হবে বোকামি।”

টেস্ট ও ওয়ানডেতে একজন এবং টি-টোয়েন্টির জন্য আলাদা অধিনায়ক রাখার সম্ভাবনার কথাও বলেন রব কি। সেক্ষেত্রে ওয়ানডের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে স্টোকসকে, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব পেতে পারেন ব্রুক।

অনেক দিন ধরে জাতীয় দলের সঙ্গে স্টোকসের সংযোগ কেবল টেস্ট ক্রিকেটে।
২০২৩ বিশ্বকাপের পর আর ওয়ানডে খেলেননি তিনি। ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ফিফটি করে দলের শিরোপা জয়ে অবদান রাখার পর এই সংস্করণেও দেশের হয়ে আর দেখা যায়নি তাকে।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে তার ফেরার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। তবে গত ডিসেম্বরে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টের সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে তিন মাসের জন্য ছিটকে যান এই অলরাউন্ডার।