সোমবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬

নিষিদ্ধ হচ্ছে ভালোবাসার তালা!

talaভালোবাসায় তালা মারা নিষিদ্ধ হচ্ছে। কারণ প্রেমিক-প্রেমিকাদের ধারণা তালা মেরে চাবিটা ছুড়ে ফেলে দিলে আর ভাঙবে না প্রেম! আলাদা হবে না প্রেমের জুটি!

এমন বিশ্বাসেই প্যারিসের সেতুগুলোতে ‘লাভ লকস’ বা ‘ভালোবাসার তালা’ ঝুলিয়ে দিয়েছে প্রায় সাত লাখ জুটি। তরুণ কপোত-কপোতীদের জন্য এটা অনেকটা যেন ‘শিল্প আর প্রেমের রাজধানীতে নিজেদের ভালোবাসার স্বাক্ষর রেখে যাওয়া, নিজেদের জন্য এক স্মৃতির জানালা খুলে রেখে যাওয়া। ফরাসি ও বিদেশি পর্যটকদের মধ্যেও এটা তুমুল জনপ্রিয়। কিন্তু প্যারিসে এই ভালোবাসার তালা নিষিদ্ধের জন্য শুরু হয়েছে ‘নো লাভ লকস’ প্রচারাভিযান।

প্রথমে একটি দুটি সেতুতে ভালোবাসার তালা মারা শুরু হলে এখন তা ছড়িয়ে পড়ছে নগরের বিভিন্ন জায়গায়। সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় নটরডেম গির্জায় যাওয়ার জন্য শ্যেন নদীর ওপর বানানো সেতুগুলোর একটি ‘পুঁন দে লা আর্শসিভিশে’। এখন এটি ‘লাভ লক ব্রিজ’ হিসেবে পরিচিত।

প্যারিসে বসবাসরত দুই মার্কিন নারী ভালোবাসার তালা নিষিদ্ধের দাবিতে ‘নো লাভ লকস’ প্রচারাভিযান শুরু করেছেন। লিসা আনসেলমো এবং লিসা টেইলর হাফ নামের এ দুই নারী প্যারিসের মেয়র এবং প্যারিসের সিটি কাউন্সিল বরাবর লেখা এক আবেদনের পক্ষে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযানেও নেমেছেন।

প্রচারাভিযানে বলা হয়েছে ‘প্যারিসে ভালোবাসার তালা এখনই নিষিদ্ধ করো! আমাদের ঐতিহ্যের স্থানগুলো রক্ষা করো!’ ‘ভালোবাসা মুক্ত করো। আমাদের সেতুগুলো রক্ষা করো’।

ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শুরু হওয়া এই প্রচারাভিযানে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৭০০ জন স্বাক্ষর করেছেন।

এদিকে ‘লাভ লকস’ নিষিদ্ধের দাবিতে হতবাক হয়েছেন অনেক প্যারিসবাসী। অনেকেই এতে ক্ষুব্ধ। অনেকে দুই মার্কিন নারীর চিন্তাকে সমর্থন করে এই ভালোবাসার তালা ঝোলানোটাকে একটা ‘পাগলামি’ হিসেবেই আখ্যায়িতও করেছেন।

তালার ওজনের সঙ্গে নিরাপত্তার প্রশ্নটিও যুক্ত। আর্টস স্কুলের সেতুটি একটা ছোট্ট হাঁটাপথের সেতু। কিন্তু এতে ঝোলানো তালার ওজন প্রায় ৯৩ মেট্রিক টন! আর এর রেলিংয়ের গ্রিল নষ্ট হয়ে যায়। নগর কর্তৃপক্ষ নতুন গ্রিল লাগিয়ে দেয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যেই তা তালায় পূর্ণ হয়ে যায়।

প্যারিসের সেতুর মতো জার্মানির হোহেনসোলার্ন সেতু এবং হা পেনি সেতুটিও‘লাভ লক’ ঝোলানোর জন্য বিখ্যাত। ২০১২ সালে ডাবলিনের সিটি কাউন্সিল সেতুতে ভালোবাসার তালা ঝোলানো নিষিদ্ধ করে। কিন্তু জনগণের তোপের মুখে কোলনের সেতুতে ‘লাভ লক’ নিষিদ্ধের চেষ্টা থেকে বিরত হয় নগর কর্তৃপক্ষ।-ইন্টারনেট

১৮ এপ্রিল প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

primary2বাতিল হওয়া ১৭ জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ১৮ এপ্রিল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে।

ওই দিন দুপুর আড়াইটায় নির্ধারিত কেন্দ্রে একযোগে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ রায় এ তথ্য জানান।

এর আগে প্রশ্ন ফাঁসের জন্য ঢাকা, রাজবাড়ী, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, নারায়ণগঞ্জ, কক্সবাজার, রাজশাহী, পাবনা, লালমনিরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার লিখিত পরীক্ষা বাতিল করা হয়।

ভোট শুরুর আগেই ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপার পাওয়া গেছে: ইডব্লিউজি

ewgশেষ ও পঞ্চম ধাপের উপজেলার নির্বাচনে বেশ কিছু কেন্দ্রে ভোট শুরুর আগেই ব্যালট বাক্সে সিলমারা ব্যালট পেপার পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ইলেকশন ওয়াকিং গ্রুপ (ইডব্লিউজি)।

নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার এ জোট বলছে, নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও জালিয়াতি হয়েছে। যার ফলে তাদের পর্যবেক্ষকরাও নিরাপদে কাজ করতে পারেননি। তাদের কেন্দ্র বা বুথ থেকে বের করে দেয়া হয়েছে।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণ বিষয়ে আজ বুধবার আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানিয়েছে ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ।

পর্যবেক্ষণ এলাকায় ভোটপ্রদানের গড় হার ৬৩.৭ হলেও জাল ভোটের কারণে এ হার প্রকৃত ভোটের প্রতিফলন নয় বলে মনে করছে ইডব্লিউজি।

পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে বলা হয়, লক্ষীপুরের তিনটি কেন্দ্রে ভোট শুরুর আগেই বাক্সে সিল মারা ব্যালট পাওয়া যায়। লক্ষীপুর, সাতক্ষীরা সদর ও টাঙ্গাইলে কয়েকটি কেন্দ্রে সাধারণ ভোটাদের কেন্দ্রে প্রবেশের পর তাদের হাতে কালি লাগিয়ে দেয়ার পর বলা হয় তাদের ভোট দেয়া হয়ে গেছে এবং ভোট না দিয়েই তাদের ফিরে আসতে হয়। বেলকুচির একটি কক্ষে একজন প্রার্থীর ১৩ জন  সমর্থক ব্যালট ছিনিয়ে নেয়। এসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কোন পদক্ষেপ নেয়নি। গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা ভোট গণনার সময় একজন প্রার্থীর লোকজন প্রবেশ করে গণনা বন্ধ করে অসত্য তথ্য দিয়ে চূড়ান্ত ফল দিতে চাপ দেয়। পর্যবেক্ষণকৃত আট ভাগ ভোট কেন্দ্রে গণনা প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি করতে দেখা যায়। ১২ ভাগ কেন্দ্রে ফল টাঙ্গিয়ে দেননি সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং অফিসার। ইডব্লিউজি বলছে তাদের আটজন পর্যবেক্ষককে প্রিসাইডিং অফিসার পর্যবেক্ষণে বাধা দেন। ভোট গণনার সময় ৩৯ জন পর্যবেক্ষককে গণনা কক্ষে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি।

জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ইডব্লিউজির পরিচালক আবদুল আলিম, স্থায়ী কমিটির সদস্য নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, হারুন অর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

অভিনয়ের ধারা পাল্টাবেন মৌসুমি হামিদ

haniনতুন বছরে নিজেকে বদলে ফেলছেন মৌসুমি হামিদ। গতানুগতিক ধারার চরিত্রে আর অভিনয় করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে নিজের অভিনয়ের ধারাও পাল্টাবেন বলে গ্লিটজের কাছে মন্তব্য করেছেন মৌসুমি।

মৌসুমি গ্লিটজকে বলেন, “নাটকগুলোতে একই ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে চাই না। একটু নিরীক্ষাধর্মী চরিত্রে কাজ করতে চাই। নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে কাজ করতে চাই। এখন যে ধারাবাহিকগুলো চলছে তারপর আর কোনো ধারাবাহিকের কাজ করব না। তবে নাটকে কাজ করব। এ বছর চলচ্চিত্রে অভিনয়ের ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নিব।”

অনিমেষ আইচের ‘ না মানুষ’ এর মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হওয়া মৌসুমি এখন প্রশান্ত অধিকারীর ‘হডসনের বন্দুক’ সিনেমাতে অভিনয় করছেন। কিন্তু আনুষঙ্গিক নানা কারণে সিনেমার শুটিং বন্ধ আছে সরকারি অনুদান পাওয়া এ সিনেমার।

মৌসুমি বলেন, “হডসনের বন্দুক সিনেমাটি আমার অভিনীত দ্বিতীয় সিনেমা। একটু ভিন্ন ধাঁচের বলে সিনেমাটি নিয়ে আগ্রহের কমতি ছিল না। রাজনৈতিক কারণের পাশাপাশি বিভিন্ন কারণে বন্ধ আছে সিনেমার শুটিং। এ নিয়ে হতাশ আমি।”

মৌসুমি অভিনীত চারটি ধারাবাহিক প্রচারিত হচ্ছে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে। এগুলো হল শিহাব শাহীনের ‘ভালোবাসার চতুষ্কোণ’,  রেদওয়ান রনির ‘রেডিও চকলেট রিলোডেড’, আল হাজেনের ‘অলসপুর’ এবং অরুণ চৌধুরীর ‘কুয়াশার ভোর’।

তিনি আফসানা মিমি ও সঞ্জীব সরকারের পরিচালনায় দুটি নতুন ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন।  ধারাবাহিক দুটি হল ‘সাতটি তারার তিমির’ এবং ‘পলাশ ফুলের নোলক’।

সাত নারীর জীবনকাহিনি নিয়ে নির্মিত ‘সাতটি তারার তিমির’ ধারাবাহিকে এক প্রবাসী বাঙালি নারীর ভূমিকায় দেখা যাবে তাকে। যিনি দেশের টানে বিদেশের আয়েশি জীবন ছেড়ে চলে আসেন বাংলাদেশে।

ইমদাদুল হক মিলনের গল্প অবলম্বনে ‘পলাশ ফুলের নোলক’ নাটকে মানসিক ভারসাম্যহীন এক মেয়ের ভূমিকায় অভিনয় করছেন তিনি। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করছেন চঞ্চল চৌধুরী।

দীপঙ্কর দীপন ও আহমেদ জনির দুটি নাটকেও অভিনয় করেছেন তিনি। নাটক দুটি শীঘ্রই সম্প্রচার হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ভারতের কলকাতার একটি টিভি চ্যানেলের ধারাবাহিক ‘রোশনী’ তে অভিনয় করেছিলেন তিনি। এরপর নিয়মিতই ডাক আসছে কলকাতা থেকে। কিন্তু ভিসা জটিলতায় সেখানে যেতে পারছেন না।

প্রভাবশালী বাংলাদেশির তালিকায় ইউনূস, আবেদ, সাকিব

poreeসারা বিশ্বের ১০ জন প্রভাবশালী বাংলাদেশির তালিকা প্রকাশ করেছে লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশন’।
বিশ্বের সেরা ১০ জন প্রভাবশালী বাংলাদেশির মধ্যে স্থান পেয়েছেন নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এই তালিকায় আরও রয়েছেন ইউটিউবের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা জোয়াদ করিম, ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদ, খান একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সালমান খান, জাগো ফাউন্ডেশনের করবি রাখসানদ, আইনজীবী সারা হোসেইন, ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, মেডট্রনিকের সিইও ওমর ইসরাক, সুমাইয়া কাজী ও এভারেস্ট বিজয়ী নিশাত মজুমদার।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ব্রিটিশ পার্লামেন্টের কমনওয়েলথ রুমে এই ঘোষণা দেয়া হয়। সেখানে প্রভাবশালী বাংলাদেশিদের ভিড় ছিল একেবারে অন্যরকম। ব্রিটিশ সমাজব্যবস্থায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখছেন—এমন সব প্রভাবশালী প্রতিভাবান বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ১০০ জন ব্যক্তির তালিকাও প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ মন্ত্রী-এমপিরা ছাড়াও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। তালিকায় স্থান পাওয়া ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করেন অফিস মিনিস্টার ব্যারোনাস সাইয়িদা ওয়ার্সি, ডানি আলেক্সান্ডার এমপি, বাংলাদেশবিষয়ক অল পার্টি পার্লামেন্টারিয়ান গ্রুপের চেয়ার অ্যান মেইন এমপি, ডেইম টেসা জাওয়েল এমপি, লর্ড করন বিলিমোরিয়া প্রমুখ।
২০১৪ সালের প্রভাবশালী ব্রিটিশ বাংলাদেশি ব্যক্তিত্বদের তালিকাটি ২০টি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়। রাজনীতি, ব্যবসা ও শিল্প উদ্যোগ, আবিষ্কার, গণমাধ্যম, ক্রীড়া, সংস্কৃতি, সেলিব্রেটি, রেস্টুরেটার্স ও উদীয়মান প্রতিভা।
তা ছাড়া প্রথমবারের মতো ‘পিপলস চয়েস’ নামের নতুন ক্যাটাগরি সংযুক্ত করা হয়েছে। যাঁরা জনসাধারণের ভোটে তালিকায় স্থান পেয়েছেন।  জুরি বোর্ড  সাফল্য ও অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী পাঁচ ব্যক্তিকে মনোনীত করেছেন।
বিবি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশনে বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের মধ্যে রয়েছেন ইকবাল আহমেদ ওবিই (চেয়ারম্যান সিমার্ক গ্রুপ ও এনআরবি ব্যাংক) স্বপ্নারা খাতুন (ব্যারিস্টার এবং বিচারক) লুতফুর রহমান (সরাসরি ভোটে প্রথম বাংলাদেশি নির্বাহী মেয়র) আসিফ আনওয়ার আহমদ (থাইল্যান্ডে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত), প্রফেসর মুরাদ চৌধুরী (ট্রেজারার আরবিএস) এবং মিহির বোস (স্পোর্টস জার্নালিস্ট) তালিকায় কম পরিচিত আর ও কয়েকজন উদীয়মান ব্যক্তিত্ব রয়েছেন, যাঁদের মাঝে রুপা হক (ইলিং আসনে লেবার পার্টির মনোনীত এমপি প্রার্থী), জুবায়ের হক (ফর্মুলা ফোর রেসিং ড্রাইভার)।
ব্রিটিশ বাংলাদেশি প্রভাবশালীদের নামের তালিকা প্রকাশ করতে গিয়ে ফরেন অফিস মিনিস্টার ব্যারোনাস সাইয়িদা ওয়ার্সি বলেন, তালিকা প্রকাশের ভাবনাটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। উদ্যোগটি ভবিষ্যত্ প্রজন্মকে উত্সাহিত করবে।
তালিকায় স্থান পাওয়া প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ রোশনারা আলী এমপি প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ব্রিটেনে বাংলাদেশিদের কাজের স্বীকৃতি আর অনুপ্রেরণায় বিবি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশনের যাত্রা। কার্যক্রমটি আরও প্রসারিত হবে এবং নতুন প্রজন্মকে উদ্ধুদ্ধ করবে বলেই আমার বিশ্বাস।
২০১২ সাল থেকে ব্রিটিশ বাংলাদেশি ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকা প্রকাশ করে আসছে বিবি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশনের প্রতিষ্ঠানটি।

২ বছর বয়সের পর বাড়েনি ১৯ বছরের আজিফা

প্akiরথম দেখায় মন হয় এখন তার শৈশব, ছোট্ট বালিকা। কিন্তু তার প্রকৃত বয়স ১৯ বছর। আজিফা খাতুন। ভারতের পশ্চিম বঙ্গের মিরাপাড়ার মেয়ে। ‘অদ্ভুত’ এক রোগে আক্রান্ত সে।
আজিফার মা অপিলা(৪২) বেগম জানান, দুই বছর বয়স পর্যন্ত আজিফা স্বাভাবিকভাবেই বড় হচ্ছিল। এরপর এক ‘অজানা’ কারণে আর বড় হয়নি।
আজিফা ১৯৯৪ সালে জন্মগ্রহণ করে। জন্মের সময় আজিফার শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক ছিল বলেও জানান অপিলা বেগম।
ডাক্তারা বলছেন, আজিফার শরীর বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা সম্ভব, তবে সেক্ষেত্রে তার ক্যানসারের ঝুঁকি রয়েছে।
বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, আজিফার শরীরে ‘ল্যারন সিনড্রোম’ নামক এক প্রকার বিরল জেনেটিক সমস্যা দেখা দিয়েছে। সারা পৃথিবীতে মাত্র ৩০০ জন মানুষ এই রোগে আক্রান্ত।
আজিফার ছোট বোন রিনির বয়স ১৭, রাবেয়ার ১৪ এবং ভাই দানিশ ৮ বছরে পা দিয়েছে। এদের পাশে দাঁড়ালে আজিফাকে শিশু বলেই মনে হয়।
এদিকে শরীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সমস্যার পাশাপাশি, প্রভাব পড়েছে আজিফার বাকশক্তিতেও। সে শুধু মাত্র মা, বাবা এবং দিদি ছাড়া অন্য কোনো শব্দ উচ্চারণ করতে পারে না।

প্রহসনের নির্বাচন এ দেশের জনগণ মানবে না

manaবিরোধীদলের সাবেক চিফ হুইপ জয়নুল আবেদীন ফারুক বলেছেন, “বিরোধীদলহীন প্রহসনের নির্বাচন এ দেশের জনগণ মানবে না। সংবিধান রক্ষার নামে আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে হত্যা করছে।”সরকার যৌথবাহিনী ও দলীয় লোকজন দিয়ে বিএনপিসহ ১৯ দলের নেতাকর্মীদেরকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করছে।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার সকালে সেনবাগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সরকার দলীয় মন্ত্রী-এমপিরা বলে বেড়াচ্ছেন বিএনপি নাকে খত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচন করতে হবে। কিন্তু বিএনপি কখনও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনে যাবে না। আগামী তিনমাসের মধ্যে র্নিদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “বিএনপি শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করতে চায়। উপজেলা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হলে বিএনপি বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবে।”
সেনবাগ পৌর বিএনপির সভাপতি জাহিদুল হক সবুজের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক মোক্তার হোসেন পাটোয়ারী, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও জামায়াতের নেতা মাওলানা আবদুল মালেক, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফারুক বাবুল, পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা মো. হানিফ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক আবু ইউছুপ মজুমদার, কাদরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাস্টার মোক্তার হোসেন ইকবাল, মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ উল্ল্যা চেয়ারম্যান, সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক সোহাগ প্রমুখ

শাবিতে উড়ল ফ্লাইং মেশিন

sabyশাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের অর্থায়নের ড্রোন তৈরির প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে গবেষণারত শিক্ষার্থী দলটি ‘ফ্লাইং মেশিন’ উড্ডয়ন করেছে।
বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের দক্ষিণ দিকের অংশে উড্ডয়ন করা হয়।
এ সময় গবেষণা দলের তত্ত্বাবধায়ক শাবির ইলেকট্রিকেল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড.মুহম্মদ জাফর ইকবাল, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ইয়াসমিন হক, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শরিফ মোহাম্মদ শরাফ উদ্দিন, দলটির প্রধান পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সৈয়দ রেজওযানুল হক নাবিল ও দলের সদস্য পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রবি কর্মকার ও মারুফ হোসেন রাহাতসহ শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
দলের প্রধান সৈয়দ রেজওযানুল হক নাবিল বলেন, এটিকে এখনো ড্রোন বলা যাবে না। এখানে ড্রোনের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রসমূহ ব্যবহার করা হয়নি।
ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালও এটিকে ফ্লাইং মেশিন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, আমরা যে ড্রোন তৈরি করতে চাই সেটি দুর্গম এলাকার ছবি তুলতে পারবে এবং এর মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও বৃদ্ধি করা যাবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এর পূর্বে ড্রোন তৈরি করেছে তবে এটাতে নতুন প্রযুক্তির সংযোজন থাকবে।

‘প্রাণঘাতী’ শৈত্যের কবলে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপশ্চিমাঞ্চল

kuদুই দশকের রেকর্ড ভাঙা নিম্নতাপমাত্রার শৈত্যপ্রবাহ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপশ্চিমাঞ্চলকে অচল করে দিয়ে পূর্বাঞ্চলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে আবহওয়ার পূর্বাভাসে সতর্ক করা হয়েছে।

তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কারণে সোমবার শিকাগো ও আশপাশের এলাকাগুলোর স্কুল বন্ধ রাখা হচ্ছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

তুষারযুক্ত বরফশীতল তীব্র বাতাস পুরো মধ্যপশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে গিয়ে পুরো এলাকা ঘন তুষারে ঢেকে দিয়েছে।

বছরের প্রথম শীতকালীন ঝড় উত্তরপূর্বাঞ্চলে আঘাত হানার কয়েকদিনের মধ্যে উত্তর মেরু থেকে বয়ে আসা শৈত্য প্রবাহে দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছে। এতে হাজার হাজার বিমান যাত্রা বাতিল বা সূচি পরিবর্তন করতে হয়েছে।

কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তুষারঝড়ের কারণে এ পর্যন্ত ১৬ জন প্রাণ হারিয়েছে। এ ছাড়া বিমানের চার হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়ে যায়।

রোববার যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া বিভাগ বলেছে, “দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে শীতল তাপমাত্রা উত্তর মেরুর তীব্রতা নিয়ে উত্তর ও মধ্যাঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে।”

“তীব্র ঝড়ো বাতাসসহ এই নিম্নতাপামাত্রার কারণে প্রাণঘাতী তীব্র ঠাণ্ডা মাইনাস ৫১ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমে যেতে পারে।”

এই ধরনের আবহাওয়ায় আবরণহীন ত্বক কয়েক মিনিটের মধ্যে তুষারকামড়ে (ফ্রস্টবাইট) আক্রান্ত হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিপজ্জনক ঠাণ্ডা আবহাওয়া থেকে শিশুদের রক্ষার জন্য মিনেসোটার গভর্নর মার্ক ডেটন সোমবার সব সরকারি স্কুল বন্ধ রাখার নিদের্শ দিয়েছেন। শিকাগোর সরকারি স্কুলগুলোর জন্যও একই নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

জাতীয় আবহাওয়া দপ্তরের আবহাওয়াবিদ বব ওরাভেস বলেছেন, “পুরো উত্তর আমেরিকার এখনকার আবহাওয়ার পরিস্থিতি উত্তর মেরুর (আর্কটিক) আবহাওয়া দক্ষিণে বয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে।”

উত্তর মেরুর এ শৈত্যপ্রবাহের কারণে ওহাইও, সাউথ ডাকোটা, ইলিনয় অঙ্গরাজ্যসহ আশপাশের এলাকায় গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র ঠান্ডা পড়তে পারে। টেনিসি এবং কেনটাকিতে কয়েক ইঞ্চি তুষার জমতে পারে।

ওরাভেসের উদ্ধৃতি দিয়ে রয়টার্স বলেছে, “উত্তর মেরু অঞ্চল থেকে এর আগে খুব জোরালো শৈত্যপ্রবাহ হয়েছিল ১৯৯৪ সালে। এত ঠান্ডা সচরাচর পড়ে না”।

কানাডার টরন্টোর তাপমাত্রা গত বৃহস্পতিবার মাইনাস ২৯ এবং কুইবেক সিটিতে মাইনাস ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যায়। দুই দশকের মধ্যে এটি ছিল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

যুক্তরাষ্ট্রে বোস্টনসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় নিউ ইংল্যান্ডের আংশিক এলাকা শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ১৪ ইঞ্চি তুষারে ঢাকা পড়ে। ওয়াশিংটনে ২ ইঞ্চির বেশি তুষারপাত হয়ে। এছাড়া, বাল্টিমোরে ৩ থেকে ৬ ইঞ্চি, ফিলাডেলফিয়ায় ৫ ইঞ্চি এবং হার্টফোর্ডে ৬ থেকে ১০ ইঞ্চি তুষারপাত হয়। শৈত্যপ্রবাহ আরো সম্প্রসারিত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তবে “এটি দীর্ঘস্থায়ী হবে না, সপ্তাহের শেষ দিকে পুরো দেশের তাপমাত্রা সহনশীল হয়ে উঠবে,” বলেন ওরাভেস।

আবহাওয়া বিভাগ, রোববার রাতে শিকাগো ও ইন্ডিয়ানাপোলিসে তাপমাত্রা মাইনাস ২৪ সেন্টিগ্রেড, মিনেয়াপোলিসে মাইনাস ৩৪ সেন্টিগ্রেড এবং নর্থ ডাকোটার ফার্গোতে মাইনাস ৩১ সেন্টিগ্রেড নেমে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে।

রোববার মিনোসোটার ব্যাবিট ও এমব্যারাসে তাপমাত্রা মাইনাস ৪০ ডিগ্রি ছিল বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

সময় চাচ্ছেন রুই ক্যাপেলা

kakপ্রথম ম্যাচে মুক্তিযোদ্ধার সাথে ড্র আর দ্বিতীয় ম্যাচে অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রতিপক্ষ উত্তর বারিধারার সাথে গোল শূন্য ড্র করে বেশ চাপের মুখে আছেন মোহামেডানের পর্তুগিজ কোচ রুই ক্যাপেলা। হয়তো এখনও তার খেলার ধরণ ধাতস্থ করতে পারেনি তার শিষ্যরা।

এ সম্পর্কে তিনি পোষ্ট ম্যাচ ব্রিফিংয়ে বলেন, “খুব বাজে একটা দিন গেল দলের জন্য। ভাল ফুটবল খেলেনি মোহামেডান। পাঁচ-ছয়টা গোলের সুযোগ নষ্ট করেছি আমরা। দুর্ভাগ্য ছাড়া আর কি বলব!”

তিনি আরো বলেন, “খুব বেশিদিন হয়নি আমি দলের দায়িত্ব নিয়েছি। দলকে সুসংগঠিত করতে আমার আরও সময় লাগবে। এই ধরুন আরও দুই-তিন সপ্তাহ। আজকের ম্যাচে দলের তিন স্ট্রাইকার আশানুরুপ খেলেনি। আমি চাই গোল। সেটাই তারা করতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে দুটি পরিবর্তন করেও কোন ফায়দা হয়নি।”

সর্বশেষ তিনি যোগ করেন, ভালো খেলোয়াড় লাগবে দলে। তিনি বলেন,  “লীগে সেরা পাঁচটি দলের একটি হচ্ছে মোহামেডান। যেখানে আমরা শীর্ষে যাবার লক্ষ্য স্থির করেছি, সেখানে রেজাল্ট মোটেও ভালো হয়নি। দলে ভালো স্ট্রাইকার, স্টপারসহ তিনজন ভাল প্লেয়ারের অভাব বোধ করছি প্রচণ্ড ভাবে। দলে বিদেশী প্লেয়ারদের মান নিয়ে আমি মোটেও সন্তুষ্ট নই।”

কিন্তু শুধু দুর্ভাগ্যকে দুষলে পার পাবেন না এই পর্তুগিজ কোচ। খেলা দেখতে আসা আগত দর্শদের চিৎকার বলে দিচ্ছে পরাপর দুটি ড্র মোহামেডানের নামের সাথে একদমই মানাচ্ছে না।

আর শক্তিশালী প্রতিপকক্ষের সাথে ড্র করে যেন জয়ের স্বাদ পেয়েছে উত্তর বারিধারা। এ জয়ে বেশ খুশি তারা। বারিধারার গোলরক্ষক কোচ মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, “আমরা আজ অনেক সুযোগ মিস করেছি। তারপরও ভাল খেলে এক পয়েন্ট পাওয়ায় খুব খুশি। আমরা এই লীগ শুরুর আগে মাত্র ১০-১২ দিন অনুশীলন করেছি। এই দল নিয়ে আমি অনেক আশাবাদী। দলের খেলোয়াড়রা গত ছয় বছর ধরে একসঙ্গে খেলছে।”