মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬

দোনেৎস্কে সংঘর্ষ, নিহত ৫০

পূর্ব ইউক্রেনের দোনেত্স্কে, সেনাবাহিনী এবং রুশপন্থী জঙ্গিদের মধ্যে লড়াইয়ের দ্বিতীয় দিনে, জঙ্গিদের বিপুল ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে৷ গোলাগুলিতে আটত্রিশ জন জঙ্গি এবং দু’জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে৷ ‘দোনেত্স্ক গণ প্রজাতন্ত্র’য়ের স্বনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, রুশপন্থী নেতা অ্যালেকজান্ডার বোরোদাই অবশ্য বলেন তাদের তরফে ৫০ জন নিহত হয়েছেন৷ তিনি স্বীকার করে নেন যে দোনেত্স্ক বিমানবন্দর এখন ইউক্রেন সেনার দখলে৷image_83713_0

ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী আর্সেন আভাকভ কিয়েভে সাংবাদিকদের বলেন, ‘দোনেত্স্ক বিমানবন্দর আবার আমরা অধিকার করে নিয়েছি৷ ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে শুধু আমাদের প্রতিপক্ষের৷ আমরা সুরক্ষিতই আছি৷’

এক সরকারি বৈঠকের মাঝে, ইউক্রেনের প্রথম উপ প্রধানমন্ত্রী ভিতালি ইয়ারেমা বলেন, ‘ইউক্রেন ভুখণ্ডে যতক্ষণ একজনও জঙ্গি অবশিষ্ট থাকবে, আমাদের জঙ্গিদমন অভিযান চলবে৷ ঘটনাপ্রবাহ দেখে ইউক্রেনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত জিওফ পায়াট বলেছেন, ‘ইউক্রেন সংকট এখন সবচেয়ে সঙ্গিন৷’

যদিও জঙ্গিদের ক্ষতিই বেশি হয়েছে, ভারি মেশিনগানের গুলি বিনিময়ের শব্দে বোঝা গেল তারা সহজে হঠবে না৷ মঙ্গলবার দোনেত্স্কে একটা হকি স্টেডিয়ামে তারা আগুন লাগিয়ে দেয়৷ পরে অবশ্য দমকলকর্মীরা আগুন আয়ত্তে আনে৷

বিমানবন্দরে যাওয়ার রাস্তায় দেখা গেল যত্রতত্র ছড়িয়ে আছে জঙ্গিদের ব্যবহূত রক্তমাখা ‘কামাজ’ ট্রাক৷ কয়েকটিতে বুলেটের দাগও ছিল৷ রাস্তায় তো বটেই, সাত মিটার উঁচু বিলবোর্ডেও দেখা গেল রক্তের ছোপ৷

দোনেত্স্কের মেয়র অ্যালেকজান্ডার লুকিয়ানচেঙ্কো জনসাধারণকে সাবধান করে বলেছেন তারা যেন বিমানবন্দর এলাকা এড়িয়ে চলেন৷ ইতিমধ্যেই, ন’টি স্কুল এবং দুটি হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷ রোগীদের অন্য জায়গায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে৷ তিনি অবশ্য আশ্বস্ত করেছেন যে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষ এখনও শহরে ঠিকমতোই আসছে৷

গত তিন মাস ইউক্রেনের অন্তর্বর্তী সরকার কড়া হাতে দোনেত্স্ক সংকটের মোকাবিলা করেনি৷ কিন্ত্ত সদ্য নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট পেত্রো পোরোশেঙ্কো প্রথম থেকেই জঙ্গিদের কড়া হাতে দমনের ইঙ্গিত দিয়েছেন৷ রবিবার বিপুল ভোটে জয়লাভের পর তিনি বলেন, ‘অনেকদিন ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়েছি৷ জঙ্গিদের সঙ্গে আলোচনার কোনও প্রশ্নই ওঠে না৷ একটা শক্তিশালী সেনা অভিযান হলে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন কয়েক ঘন্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে৷’

ধনকুবের পোরোশেঙ্কো চকোলেট শিল্পের সঙ্গে যুক্ত৷ তার বাণিজ্য সাম্রাজ্য ইউক্রেন থেকে রাশিয়া অবধি বিস্তৃত৷ ক্ষমতায় এসেই তিনি জানিয়েছেন একদিকে তিনি যেমন রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার পক্ষপাতী, অন্যদিকে, পশ্চিমি দুনিয়ার সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপনেও তিনি সমান আগ্রহী৷ – সংবাদসংস্থা

সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে ছয়জনের লাশ দেশে আসছে শুক্রবার

সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নয় বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনের লাশ দেশে আসছে আগামী শুক্রবার। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

গত ১২ মে রাতে রিয়াদের শিফা সানাইয়াতে তিতাস ফার্নিচার ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এই নয় বাংলাদেশি নিহত হন। এ অগ্নিকাণ্ডে নিহত হন দুই ভারতীয় নাগরিকও।
image_83712_0
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী শুক্রবার বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ বিমানের বিজি-০৪০ ফ্লাইটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ছয় বাংলাদেশির লাশ এসে পৌঁছবে। ওয়েজ আর্নার্স বোর্ডের ব্যয়ে লাশগুলো দেশে আনা হচ্ছে। অন্যদিকে লাশ দাফন বাবদ স্বজনদের হাতে নগদ ৩০ হাজার টাকা করে দেয়া হবে। এছাড়া কোম্পানির পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থাও করবে সরকার।

গত ১২ মে স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। উদ্ধার তৎপরতা শেষে উদ্ধারকর্মীরা মোট ১১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। নিহত নয় বাংলাদেশি হলেন মো. জালাল (৩৫), আ. গাফফার (৩২), মো. সেলিম (৩৫), বাহাউদ্দিন (৩১), নাজির হোসেন (৩৫), মতিউর রহমান (৩২) ও শাহ আলম (৩৫)। এদের সবার বাড়ি কুমিল্লায়। অন্য দুইজনের একজন হলেন জাকির হোসেন (৫৫)। তিনি নোয়াখালীর সেনবাগ থানার সেবারহাট ইউনিয়নের রাজারামপুর গ্রামের সাহাবুল্লাহর ছেলে। অন্যজন হলেন আক্কাস (৩৫)। তার বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর থানার সেনারবাগ গ্রামে। অগ্নিকাণ্ডে নিহত দুই ভারতীয় হলেন ইসরার (২৫) ও ওয়াসিম (৩৫)।

নতুন সরকারের সঙ্গেও সম্পর্ক অটুট থাকবে: হাসিনা

নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতের নতুন সরকারের সঙ্গেও বাংলাদেশের সুসম্পর্ক থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার সকালে জাপানের টোকিওতে জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এ আশা প্রকাশ করেন।
image_83723_0
শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশ ও ভারত তাদের নিজস্ব পররাষ্ট্রনীতির ওপর ভিত্তি করে চলে। পার্শবর্তী দুই দেশের সম্পর্ক সবসময় পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে, বন্ধত্বপূর্ণভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের পাঁচটি সরকারের সঙ্গে অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণভাবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রেখেছে। সেক্ষেত্রে নতুন সরকারের সঙ্গেও বাংলাদেশের সম্পর্ক অতীতে মতোই অটুট থাকবে।”

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষেদে জাপানের পক্ষে বাংলাদেশ সমর্থন দেবে কি না তা উভয় দেশের উচ্চ পর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমেই ঠিক করা হবে।”

এদিকে,  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের শীর্ষ বৈঠকে দুই বন্ধু প্রতিম দেশের সম্পর্ক ও যোগাযোগ সহযোগিতার পর্যায় থেকে অংশীদারিত্বে পরিণত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। সোমবার টোকিওতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুই নেতার শীর্ষ বৈঠকের পর মঙ্গলবার ঢাকা ও টোকিও থেকে যৌথ ইশতেহার প্রকাশিত হয়।

শেখ হাসিনা ও শিনজো আবে স্বাক্ষরিত এই ইশতেহারে বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক সমৃদ্ধি অর্জন এবং সাংস্কৃতিক ও জনগণের মধ্যকার যোগাযোগ বৃদ্ধিতে একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে অনায়াসে ব্যবসা করার জন্য জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি কার্যকর টাস্কফোর্স গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার জাপান এক্সটারনাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেটরো)’র সদর দফতরে আয়োজিত বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসার সুযোগ-সুবিধা বিষয়ক এক সেমিনারে ভাষণকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।

চার দিনের সফর শেষে বুধবার জাপান সময় রাত ১১টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সূত্র: আইআরআইবি

ম্যাক্সওয়েল নামলেই নারিনকে আনুক গম্ভীর

সোজাসুজি বলে ফেলা যাক, আমার কাছে কাল মঙ্গলবার ইডেনে কিংস ইলেভেন ম্যাচটাই কেকেআরের কাছে ফাইনাল৷ টানা সাতটা ম্যাচ জিতেছে কেকেআর৷ এখন মোমেন্টামটা ধরে রাখাটাই আসল পরীক্ষা৷ টানা জিতে আসতে আসতে একটা ম্যাচ পিছলে গেলে কিন্ত্ত মোমেন্টাম বা ছন্দটা ধাক্কা খাবে৷ সেটা রাখতে পারাটাই কেকেআরের চ্যালেঞ্জ৷

পাঞ্জাব ম্যাচ জিততে হলে কী কী করা দরকার, তার একটা রূপরেখা তৈরি করার চেষ্টা করা যাক৷image_83462_0

১. তিন স্পিনারের ছক: প্রথমেই বলে রাখি, নারিন-সাকিবের সঙ্গে তিন নম্বর স্পিনার হিসেবে ফিরিয়ে আনা দরকার পীযূষ চাওলাকে৷ বিনয় কুমারের জায়গায় পাঞ্জাব ম্যাচে নাইটদের বাজি হতে পারে চাওলা৷ লেগ স্পিনার হিসেবে উইকেট নেওয়ার ক্ষমতা আছে, ইডেনে এ বার যা উইকেট হয়েছে, ১২৫ বা ১৩০ কিলোমিটারের বিনয় কুমারের চেয়ে একটা লেগ স্পিনার কাজে লাগবে গম্ভীরের৷ আগের দিনই দেখা গিয়েছে, বিনয় বা উমেশকে যথেচ্ছ মেরেছে সানরাইজার্স ব্যাটসম্যানরা৷ এদের দু’জনের মধ্যে এক জনকে বসতে হবে৷ উমেশকেও বসানো যেতে পারে, কারণ বিনয়ের ব্যাটের হাত ওর চেয়ে ভালো৷

২. টস জিতে ব্যাটিং: কিংস ইলেভেন টিমটা এমন, ভালো উইকেট পেলে ২২০-ও অনায়সে তাড়া করতে পারে৷ সেই ক্ষমতা ওদের ব্যাটসম্যানদের আছে৷ সে জন্য টস জিতলে নাইটদের খোলা মনে ব্যাটটা করে নেওয়া উচিত৷ এবং ১৬০ বা ১৭০ লক্ষ্য রেখে ইনিংসটা গড়া উচিত৷ তারপর তো ইউসুফ বা সাকিবদের ব্যাটে রান এসে অতিরিক্ত ১৫ বা ২০ যোগ হতেই পারে৷ মোট কথা, পাওয়ার প্লে-তে ভালো শুরু, প্রথম ১৫ ওভারে দুটো বা তিনটের বেশি উইকেট না হারানো আর ভদ্রস্থ একটা রান রেট রেখে যাওয়া৷ এটুকু করতে পারলেই কাজ হবে৷

৩. ম্যাক্সওয়েল-মিলারকে আটকানো: মনে রাখা দরকার এর আগে নাইটদের বিরুদ্ধে দুটো ম্যাচেই কিন্ত্ত রান পায়নি ম্যাক্সওয়েল৷ কাজেই ওর মধ্যে খিদেটা থাকবে৷ প্লাস নারিনকে খেলার চ্যালেঞ্জ৷ ম্যাক্সওয়েল-মিলার জুটি একবার দাঁড়িয়ে গেলে হাসতে হাসতে ম্যাচ নিয়ে যায়৷ সেখানে অবশ্যই গম্ভীরের অস্ত্র নারিন৷ ইডেনের উইকেটে ওকে মারা পৃথিবীর কঠিনতম কাজগুলোর একটা৷ ওকে বুদ্ধি করে ব্যবহার করছে গম্ভীর৷ প্রয়োজনে ম্যাক্সওয়েল ক্রিজে এলেই নারিনকে আনা দরকার৷ যাতে ওর ওই শুরু থেকেই চালাব, ছন্দটা নষ্ট করে দেওয়া যায়৷

৪. মর্কেলের চার ওভার: নতুন বলে ১৪৫ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বলটা করছে মর্কেল৷ বরং পরের দিকে বল করতে এলে মার খেয়ে যাচ্ছে৷ পাওয়ার প্লে-তে তিন ওভার দিয়ে ফেলে না রেখে প্রয়োজনে টানা চারটে ওভার করানো যেতে পারে৷ তাতে ফাউ হিসেবে দুটো উইকেট চলে আসতে পারে৷ ডেথ-এর জন্য ওকে ফেলে রেখে লাভ নেই৷

৫. উত্থাপ্পা ফ্যাক্টর: রোজই রান করে দিচ্ছে, প্লে অফেও নাইটদের ভালো শুরুর জন্য ওর দিকেই তাকাতে হবে৷ কিন্ত্ত এখানেই ভয় থাকছে৷ কোনও এক দিন ল অফ অ্যাভারেজ ওকে আগে ফেরাতে পারে৷ এটা মাথায় রাখতে হবে টিম ম্যানেজমেন্টকে৷ সে ক্ষেত্রে গম্ভীর বা মণীশকে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে৷ প্রত্যেক ক্রিকেটারের জীবনেই একটা সোনার সময় আসে৷ উত্থাপ্পা এখন সেই সময়টার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে৷ আর দুটো ম্যাচ এই ফর্মে খেলতে পারলে পরেরবার দর পাওয়া নিয়ে ভাবতে হবে না৷ আবার বলছি, এ বার নাইটদের সাফল্যের পিছনে উত্থাপ্পা আর নারিনের অবদানই সবচেয়ে বেশি৷ আশা করা যাক, কিংস ইলেভেন বোলিং নিয়েও ছিনিমিনি খেলবে রবিন৷

৬. ইডেনের সমর্থন: এই যে তিন থেকে দুইয়ে উঠে আসা, এটা যে কোনও টিমকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগায়৷ টিমের মনে হয়, আমাদের পক্ষে সব সম্ভব৷ এই ফর্ম্যাটে টানা সাতটা ম্যাচ জেতা কম কথা নয়৷ ইডেনে কেকেআরের জন্য সমর্থনটাও খুবই স্বতঃস্ফূর্ত৷ একটা সিটও ফাঁকা পড়ে থাকছে না৷ শাহরুখ খান একটা ম্যাচেও আসেনি৷ তাতে কিন্ত্ত ইডেনের সমর্থনে কোথাও ভাটা পড়েনি৷ এটা কম কথা নয়৷ যখন বাংলা বা কলকাতার কোনও মুখ কেকেআরে নেই৷

২০১২ সালে যে টিমটা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, তারাও শেষ দিকে টানা জিতেছিল৷ কারণ ওই মোমেন্টাম৷ যেটা এই কেকেআরের মধ্যে ভীষণ ভাবে ঢুকে পড়েছে৷ তাই জন্যই ওদের অপ্রতিরোধ্য দেখাচ্ছে৷

বিরাজ করছে দেশে জরুরি অবস্থা : বিএনপি

দেশে এক অস্বাভাবিক জরুরি অবস্থা বিরাজ করছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। এটির সাথে বিশ্বের কোনো দেশেরই বিভৎস নির্মম শাসনের তুলনা করা যাবে না বলেও মন্তব্য করেছে দলটি।

সোমবার দুপুরের দলের নয়া পল্টনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বি্‌এনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ অভিযোগ করেন। বুধবার খালেদা জিয়ার মুন্সীগঞ্জ  সফর সম্পর্কে জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে রিজভী বলেন, “বর্তমান শাসনব্যবস্থা বিশ্বের সব নিপীড়ক নিষ্ঠুর শাসকদের দৃষ্টান্তকে অতিক্রম করেছে। দুঃশাসনের এক অন্ধকারতম সময় গ্রাস করেছে সমগ্র জনজীবনকে। দেশের প্রধানমন্ত্রী একগুঁয়ে বালিকাস্বভাবাপন্ন যখন যা খুশি বলছেন এবং করছেন। তিনি সংবিধান এবং রাষ্ট্রের অন্যান্য অঙ্গগুলোকে তাঁর খেলার সামগ্রী মনে করেন।”image_83483_0

বিরোধী দলগুলোর প্রতি এক জন্মান্ধ বিরোধিতা প্রধানমন্ত্রীর মাথায় চিরস্থায়ীভাবে চেপে বসেছে বলেও মন্তব্য করেন রিজভী।

তিনি বলেন, “বর্বোরতম পরিকল্পনা ও সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে গত ৫ জানুয়ারির একতরফা ভোটারবিহীন নির্বাচন করার পরে তারা জনগণের সব অধিকার একে একে কেড়ে নিয়েছে। বিরোধী দলের রাজনৈতিক অধিকার গণতন্ত্রের প্রাণশক্তি। কিন্তু বর্তমান অবৈধ সরকার অত্যন্ত নিখুঁত পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে বিরোধী দল বিনাশে নির্মম কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। সুতরাং গণতন্ত্র ও সংবিধানে সভা সমাবেশ করার যে অধিকার সেটিকে তারা রাষ্ট্রের দমন যন্ত্রকে কাজে লাগিয়ে নির্মমভাবে প্রতিহত করছে।”

রিজভী বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে উন্মুক্ত কিংবা ঘরোয়া কোথাও সভা সমাবেশ করতে দিতে তারা আতংকগ্রস্ত ও উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছে। তারা একটি মনস্তাত্বিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এর কারণ দেশব্যাপী তাদের অপকর্ম এবং মানুষের রক্তঝরানো কর্মসূচি। তারা ঘোর দুর্দিনে দেশকে ঠেলে দিয়েছে। দেশজুড়ে গুম, খুন, অপহরণের সংস্কৃতিতে আওয়ামী লীগ দল হিসেবে একটা নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড হয়ে উঠেছে। কদাচার, অনাচার, গুম, খুন, গুপ্তহত্যা এবং চরম দুর্নীতিতে দেশব্যাপী আর্তনাদ ও হাহাকারে তাদের মোটেও বোধোদয় হয় না।”

তিনি বলেন, “আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং দলীয় প্রভাবিত মিডিয়ার প্রচারের ধুম্রজালের আড়ালেও মানুষের কষ্টযন্ত্রণা তারা ঢাকা দিতে পারছে না। দুর্নীতি এদের সময় পাগলা ঘোড়ার মতো বেসামাল হয়ে পড়েছে। বিশ্ব মিডিয়ায় শিরোনাম হয়েছে।”

রিজভী অভিযোগ করেন, “শেখ হাসিনা শুধু নির্বাচন নয় গোটা নির্বাচনী প্রক্রিয়াটাকে ডাকাতি করে গদি দখল করে বসে আছেন। বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের রক্তে নিজের হাত রঞ্জিত করে অনির্বাচিত ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি পার্লামেন্ট সাজিয়ে অবৈধ সরকার গঠন করেছেন।”

বিএনপির এই যুগ্ম মহাসচিব বলেন, “সব ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে সরকারের কুকর্মগুলি জনসমক্ষে উন্মোচিত হয়ে পড়ায় বিরোধী দলকে সভা সমাবেশ করতে সর্বত্র বাধা দেয়া হচ্ছে। আর এক্ষেত্রে তাদের লালিত পালিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অতি সক্রিয় ভূমিকায় একটি ফ্যাসিবাদী সরকারেরই সুষ্পষ্ট চিত্র ফুটে উঠে।”

তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ ইতিহাস থেকে কখনোই শিক্ষা নেয়নি, বরং ইতিহাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে।”

রিজভী জানান, খালেদা জিয়া বুধবার মুন্সীগঞ্জ যাবেন এবং সেখানে লঞ্চঘাটে আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন। ইতিমধ্যে সেই জনসভার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান রিজভী।

আওয়ামী লীগের সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি সুরঞ্জিতের

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, “সাবেক ও বর্তমান আমলাতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা কাটিয়ে দেশে আওয়ামী লীগের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।”
image_83486_0
সোমবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে বঙ্গবন্ধু একাডেমী আয়োজিত ‘চলমান রাজনীতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত বলেন, “নারায়ণগঞ্জ ও ফেনীর ঘটনায় সবাই বিব্রত। এটা অপরাজনীতি ও দুঃশাসনের ফল। এ থেকে বের হতে হলে সরকারকে দলনির্ভর হতে হবে। তাই তৃণমূল থেকে নির্বাচনের মাধ্যমে দলকে সুসংগঠিত করতে হবে। কারণ সুসংগঠিত দল ও সুশৃঙ্খল রাজনীতি এ সরকারকে পাঁচ বছর ক্ষমতায় রাখতে পারবে।”

তিনি বলেন, “অনিয়ম, দুর্নীতিবাজ ও উচ্ছৃঙ্খল গুটিকয়েক নেতার দায় দল নিতে পারে না। এদের কোনো রকম অপরাধ সহ্য করা হবে না। সব কিছু কাটিয়ে আমাদেরকে সুস্থ রাজনীতিতে ফিরে আসতে হবে। তাহলেই দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাবে।”

প্রবীণ এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, “ভারতে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরকার আসে, সরকার যায়। তবে তাদের পররাষ্ট্র নীতির কোনো পরিবর্তন হয় না। এ নিয়ে যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন তাদেরকে বলতে চাই ভারতের পররাষ্ট্র নীতি বলবৎ থাকবে।”

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশকে ব্যবহার করে অন্যদেশে অস্থিতিশীল সৃষ্টি করতে দেয়া হবে না।  বাংলাদেশে ভারতবিরোধী রাজনীতি অতীতে হয়েছিল, কিন্তু এ সরকারের আমলে তা হয়নি। ভারত সরকার জানে বাংলাদেশে কে ভারতবিরোধী তাই এতে কারো উল্লাস বা বিমর্ষ হওয়ার কারণ নেই।”
বিএনপি নেতা এম কে আনোয়ারের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, “আপনার (এম কে আনোয়ার) এলাকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে দেশছাড়া করছেন। এর দায় আপনাকে নিতে হবে।”

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. সেলিমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান দূর্জয়, সাম্যবাদী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য হারুন চৌধুরী প্রমুখ।

বাংলাদেশের নতুন বোলিং কোচ

বাংলাদেশের নতুন বোলিং কোচ হলেন জিম্বাবুয়ের সাবেক অধিনায়ক হিথ স্ট্রিক। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জিম্বাবুয়ের সাবেক এই পেসারের সঙ্গে ২ বছরের জন্য চুক্তি করেছে।চুক্তি অনুযায়ী বিসিবির হয়ে বাংলাদেশের সব পর্যায়ের ক্রিকেটারদের নিয়েই কাজ করবেন তিনি। জাতীয় দল বা একাডেমি দল, যখন যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই কাজ করবেন।
সোমবার বিসিবির যোগাযোগ ও গণমাধ্যম কমিটির সভাপতি জালাল ইউনুস হিথ স্ট্রিকের বোলিং কোচ হওয়া এবং চুক্তির যাবতীয় বিষয় সংবাদ মাধ্যমকে জানান।83081_1

তিনি জানান, স্ট্রিকের সঙ্গে ২ বছরের জন্য চুক্তিটা হলেও তিনি বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ে কাজ করবেন ৪৫০ দিন।

উল্লেখ্য, ১৮৯টি ওয়ানডেতে ২৯.৮২ গড়ে ২৩৯ উইকেট পাওয়া স্ট্রিক এর আগে জিম্বাবুয়ের বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করেছেন। জিম্বাবুয়ের হয়ে তিনি ৬৫ টেস্টে ২৮.১৪ গড়ে ২১৬ উইকেট লাভ করেন।

শপথ আজ নরেন্দ্র মোদির, অতিথি চার হাজার

ভারতের পঞ্চদশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সোমবার সন্ধ্যায় শপথ নিচ্ছেন হিন্দু জাতীয়তাবাদী নেতা নরেন্দ্র মোদি। তার শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকছেন সাতটি দেশের সরকার প্রধানসহ ৪,০০০ অতিথি। খবর এনডিটিভি’র। 83069_1

রাষ্ট্রপতি ভবনের এটা হচ্ছে অন্যতম বড় আয়োজন। এর আগে এখানে কোনো অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন ১,৪০০-১,৫০০ জনের মত।

রাষ্ট্রপতি ভবনের সামনে প্রশস্ত আঙিনায় এর আগে আরও দুজন প্রধানমন্ত্রী শপথ নিয়েছিলেন। চন্দ্রশেখর ও অটল বিহারি বাজপেয়ি। কিন্তু কখনো এভাবে প্রতিবেশীরা আমন্ত্রিত হননি।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ, আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসে, নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালা, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিন, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোগবে এবং মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী নবীন রামগুলাম যোগ দিচ্ছেন শপথ অনুষ্ঠানে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপান সফরে থাকায় পাঠিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে। গতকাল রোববার দুপুরে তিনি দিল্লি পৌঁছেছেন।

তবে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা, পশ্চিমবঙ্গের মমতা ব্যানার্জি, কেরালার ওমেন চণ্ডি অথবা কর্ণাটকের সিদ্ধারামাইয়া আসছেন না শপথ অনুষ্ঠানে। অবশ্য মনমোহন সিং, সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী উপস্থিত থাকছেন।

অনিশ্চয়তা আছে মোদির স্ত্রী যশোদাবেনকে নিয়েও। গুজরাটের স্থানীয় টিভিকে তিনি বলেছেন, নিয়ে গেলে অবশ্যই যাবেন। যোগাযোগ না থাকলেও স্বামী যে শেষ পর্যন্ত তাকে স্বীকৃতি দিয়েছেন তাতেই তিনি কৃতজ্ঞ।

সংশয় রয়েছে মোদির অশীতিপর মা হীরাবেনের আসা নিয়েও। মোদির ভাইয়েরা পরিবার নিয়ে আসবেন শোনা যাচ্ছে। রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির পরিবার ও অতিথিদের সঙ্গেই মোদির পরিবারের সদস্যরা বসবেন। ভাবী প্রধানমন্ত্রী নিজের পরিবারের জন্য ২০টা পাস নিয়েছেন। আসছেন বাদোদরার মোদির প্রার্থী-পদের জন্য অন্যতম প্রস্তাবক সেই চা-বিক্রেতা কিরণ মাহিদা। এই মহূর্তে তিনি ভিআইপি।

কিন্তু সবচেয়ে বড় উৎকণ্ঠা মন্ত্রিসভায় কারা আসছেন, কে কোন দপ্তর পাচ্ছেন ও মন্ত্রিসভার বহর কী হচ্ছে তা নিয়ে। রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনকে এই তথ্য জানানো হয়নি। সোমবার দুপুর নাগাদ তা চূড়ান্ত হবে।

সন্ধ্যা ছটায় অনুষ্ঠান শুরু হচ্ছে। এরপর রাষ্ট্রপতি প্রণব বিদেশি রাষ্ট্রনায়কদের সম্মানে নৈশভোজ দেবেন। পরের দিন মঙ্গলবার সকাল থেকে হায়দরাবাদ হাউসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিবেশী রাষ্ট্রনায়কদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় বসবেন। প্রত্যেকের জন্য বরাদ্দ আধা ঘণ্টা।

রাষ্ট্রপতি ভবনে যাওয়ার সব রাস্তা গতকাল থেকেই সাধারণের জন্য বন্ধ। আধা সামরিক বাহিনী টহল দিচ্ছে। প্রত্যেক বছর ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থার যে ধরনের বন্দোবস্ত হয়, সোমবারাও সে রকমই থাকছে।

আকাশপথে রাষ্ট্রপতি ভবন ঘিরে দুই কিলোমিটার থাকছে ‘নো ফ্লাই জোন’। অনাকাঙ্ক্ষিত ফোন কল ঠেকাতে গোটা চত্বর থাকবে জ্যামারের আওতায়।

থাইল্যান্ডের ফৌজি শাসনে রাজার সমর্থন

থাইল্যান্ডের সামরিক জান্তা জেনারেল প্রায়ুথ চান –ওচা দাবি করেছেন, দেশের চলমান পরিস্থিতিতে দেশ পরিচালনার জন্য তাকে সমর্থন জানিয়েছেন দেশটির রাজা ভূমিবল আদুলাজাদিজ। 83078_1

গত বৃহস্পতির সামরিক ক্যুর মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণের পর সোমবার সকালে সামরিক বাহিনীর হেডকোয়ার্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার প্রধান হিসাবে দায়িত্ব নেন প্রায়ুথ। এরপর অভ্যুত্থান পরবর্তী  প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি করেন।

সামরিক বাহিনীর সদর দপ্তরে সাদা ইউনিফর্মে উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, সংকটময় মুহূর্তে সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা গ্রহণ এবং দেশ পরিচালনায় তাকে সমর্থন জানিয়েছেন রাজা।

সামরিক জান্তা ক্ষমতার গ্রহণের বিরুদ্ধে বেসামরিক নাগরিকদের কঠোরভাবে সতর্ক করে দেয়ার একদিন পর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

মিশরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু

মিশরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবার দুই দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। 83070_1

মিশরের ইতিহাসে প্রথম অবাধ নির্বাচনে জয়ী ইসলামপন্থী প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে গত বছরের জুলাই মাসে বন্দুকের নলের মাথায় ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়ার পর তার উত্তরসূরী নির্বাচনে ভোট নেয়া হবে।

সেই সেনা অভ্যুত্থানের হোতা সাবেক সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিই, ৫৯, নির্বাচনে জয়ী হচ্ছেন।

নির্বাচনে তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী বামপন্থী নেতা হামদিন সাবিহি।

মুরসিকে উৎখাতের পর দেশটির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল মুসলিম ব্রাদারহুডের ওপর ইতিহাসের বর্বরতম হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে সিসি নিয়ন্ত্রিত সরকার।

এ সময় অন্তত চার হাজার মুরসি সমর্থককে হত্যা এবং প্রায় ২০ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে সিসি নিয়ন্ত্রিত সরকার।

গ্রেপ্তারকৃতদের অনেককে গণবিচারে মৃত্যুদণ্ড ও দীর্ঘমেয়াদী সাজা দেয়া হচ্ছে।