শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬

বন্ধ হচ্ছে ষাঁড়ের লড়াই, হাইকোর্টের রুল

cowখেলার নামে মোরগ, ছাগল ও ষাঁড়ের লড়াই বন্ধ করতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এই সঙ্গে কুকুর নিধনের মতো কার্যক্রম কেন বন্ধ করা হবে না, তা জানতে চেয়েও রুল দেয়া হয়েছে।

রোববার বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিটের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

খেলার নামে মোরগ, ছাগল ও ষাঁড়ের লড়াইয়ের মতো নিষ্ঠুর পশু নির্যাতনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে অভয়ারণ্য বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নামের একটি সংগঠন এই রিট আবেদনটি করে। রিটে বলা হয়, এ ধরনের খেলা প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারার পরিপন্থি।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী নাদিয়া চৌধুরী এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস।

এদিকে সুনামগঞ্জের ছাতকে এ ধরনের কার্যক্রমের ওপর আট সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

মুঠোফোনের অধিক ব্যবহারে মারাত্মক ক্ষতি!

mobilecসবার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষায় আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে গেছে মুঠোফোন। দ্রুত তথ্য বা বার্তা পাঠানো, একে অপরের খোঁজ নেয়া এমনকি সম্পর্কের উন্নতি ঘটাতে এখন মুঠোফোনই একমাত্র ভরসা। প্রয়োজনে ও অপ্রয়োজনে মুঠোফোনে কথা বলতে হয় সবার। কিন্তু অতিরিক্ত সময় ধরে কথা বললে আপনার শরীরে কিছু মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে, সে বিষয়গুলো জেনে নেওয়া জরুরি।

মুঠোফোনে অতিরিক্ত কথা বললে ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্যের ওপর নানা প্রভাব পড়ে। জনপ্রিয় সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট দ্যা হাফিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুঠোফোনে অতিরিক্ত কথা বলায় শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যায় পড়ছেন ব্যবহারকারীরা। ফোন হারানোর ভয়, বারবার ফোন আসা, মুঠোফোন সব সময় ঠিক জায়গায় আছে কিনা তা নিয়ে সতর্ক থাকায় মনের মধ্যে জন্ম নেয় অস্থিরতা। গবেষকেরা এ অস্থিরতার নাম দিয়েছেন ‘নোমোফোবিয়া’; যার পুরো অর্থ ‘নো মোবাইল-ফোন ফোবিয়া’।

বর্তমানে যুক্তরাজ্যের ৫৩ শতাংশ এবং ২৯ শতাংশ ভারতীয় উপমহাদেশের তরুণরা এ রোগের শিকার। পাঁচ বছর আগেও এই রোগের অস্তিত্ব ছিল না। মনোবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন,  দুশ্চিন্তা, কাজের চাপ আর মুঠোফোন নিয়ে অনেকের দিন কাটে। তাই রাতে বিছানার পাশে মুঠোফোন না রাখার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা।

এই সমস্যার আরও একটি দিক হলো চোখের জ্যোতি কমে যাওয়া। চোখের খুব কাছে রেখে অতিরিক্ত সময় ধরে স্মার্টফোন ব্যবহার করলে জিনগত সমস্যা দেখা দিতে পারে। গবেষকেরা একে ‘এপিজেনেটিকস’ সংক্রান্ত বিষয় বলেন। গবেষকেরা দীর্ঘক্ষণ ধরে স্মার্টফোনে চোখ না রাখতে পরামর্শ দিয়েছেন। দৈনিক কিছু সময় মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন। স্মার্টফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বয়স বিবেচনার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের গবেষকেরা। কানে কম শোনা মুঠোফোন ব্যবহারের ফলে কানের সমস্যা তৈরির বিষয়টি অভ্যাসের ওপর নির্ভর করে। হেডফোন ব্যবহার করে উচ্চশব্দে গান শুনলে অন্তকর্ণের কোষগুলোর ওপর প্রভাব পড়ে এবং মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক আচরণ করে। একসময় বধির হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। কানের ভেতর অতিরিক্ত চুলকাতেও পারে।

বেশি সময় ধরে মেসেজ বা বার্তা লিখলে আঙুলের জয়েন্টগুলোতে ব্যথা হতে পারে। অনেকে কাজের সময় মুঠোফোন ব্যবহার করতে গিয়ে কাঁধ ও কানের মাঝে ফোন রেখে কথা বলেন। অভ্যাস গুলো অব্যাহত থাকলে হাড় অবস হয়ে আর্থরাইটিসের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে পুরুষের প্রজননতন্ত্রেরও।

গবেষকদের দাবি, মুঠোফোন থেকে নির্গত ক্ষতিকর তরঙ্গ শুক্রাণুর ওপর প্রভাব ফেলে এবং শুক্রাণুর ঘনত্ব কমিয়ে দিতে পারে। যখন তখন ফোন বেজে ওঠা বা উদ্বিগ্নতা এই সমস্যার জন্য দায়ি।

মার্কিন গবেষকেরা পরীক্ষা করে দেখেছেন,টয়লেট সিটের তুলনায় ১০ গুণ বেশি ব্যাকটেরিয়া থাকে মুঠোফোনে। মুঠোফোন নিয়মিত পরিষ্কার না করায় এটি জীবাণুর অভয়ারণ্য হয়ে ওঠে। নিয়মিত মুঠোফোন পরিষ্কার করলে এ সমস্যা থেকে দূরে থাকা যায়।

বিশুদ্ধ পানির অভাব ও অপরিচ্ছন্নতা মা ও শিশুমৃত্যুর কারণ

ma14বিশুদ্ধ পানি , পয়ঃব্যবস্থা ও অপরিচ্ছন্নতার কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নবজাতক ও মাতৃমৃত্যুর হার বাড়ছে। সম্প্রতি বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নাল ‘প্লাস মেডিসিনে’ প্রকাশিত গবেষণাপত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, স্বাস্থ্যসেবা খাতে উন্নয়ন সত্ত্বেও নিরাপদ পানির অভাব, পরিচ্ছন্নতার অভ্যাসের চর্চা না থাকা এবং পর্যাপ্ত টয়লেটের অপ্রতুলতার কারণে এখনও নিম্ম আয়ের দেশগুলেোতে নবজাতক ও মায়েদের মুত্যু হচ্ছে। ২০১৩ সালে প্রসবকালীন জটিলতা ও সন্তান জম্মদানের সময় বিশ্বে প্রায় ২ লাখ ৮৯ হাজার নারীর মৃত্যু হয়েছে। নিরাপদ পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধা ও পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা থাকলে এ হার আরও কমানো যেতো।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের ৫৪টি নিম্ম আয়ের দেশে প্রায় ৪০ শতাংশ স্বাস্থ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের কোন ব্যবস্থা নেই।

প্রতিবেদনটির লেখক লন্ডন স্কুল অভ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিকাল মেডিসিনের শিক্ষক লেঙ্কা বিনোভা জানান, যে বিষয়টি হতাশাজনক সেটি হচ্ছে, বিশুদ্ধ পানি, ন্যূনতম টয়লেট সুবিধা ও পরিচ্ছন্নতার চর্চা থাকলে সংক্রমণজনিত এসব মৃত্যু প্রতিরোধ সম্ভব ছিল।

ওয়াটার এইডের পয়ঃব্যাবস্থা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক জ্যেষ্ঠ নীতি পর্যালোচক ইয়ায়েল ভেল্লেমান জানান, প্রসবকালে পরিষ্কার পানি ও পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব সেই ভিক্টোরিয়ান যুগ থেকেই আমরা জানি।  তারপরও ডাক্তার ও ধাত্রীর উপস্থিতি সত্ত্বেও লক্ষাধিক মা এমন জায়গায় সন্তান প্রসব করছে, যেখানে এখনও পরিচ্ছন্ন পানি পাওয়া যায় না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ওয়াটার এইড, জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক তহবিল ইউনিসেফসহ ১৬টি প্রতিষ্ঠানের গবেষকদের প্রতিনিধিত্বকারী এই প্রতিবেদনে, নবজাতক ও মায়েদের মৃত্যু রোধে বাড়িতে ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিরাপদ পানি, নূন্যতম পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধা ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিতের জন্য বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সুন্দরবনে ছয় দিনে ২৫ হাজার লিটার তেল সংগ্রহ

sundorban14সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে ট্যাংকার ডুবির ঘটনার ৬ষ্ঠ দিনেও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে চলছে তেল সংগ্রহের কাজ। রোববার দুপুর একটা পর্যন্ত সর্বমোট ২৫ হাজার লিটার ফার্নেস ওয়েল সংগ্রহ করা হয়েছে।

 

অধিবাসীরা ভাটার শুরুতে তাদের নৌকা নিয়ে সুন্দরবনের নদী খাল এবং বিভিন্ন চরে চলে যাচ্ছেন এবং জোয়ার শুরু হলে তারা সংগ্রহ করা তেল নিয়ে জয়মনি গ্রামে ফিরে আসছেন। মাটি এবং নানা ধরনের আবর্জনা মেশানো ফার্নেস অয়েল জালে ছেকে কিছুটা পরিষ্কার করে তবে তা সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানান তেল সংগ্রাহক রফিকুল ইসলাম বাবলু।

 

মংলা বন্দরের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান ভুইয়া বলেছেন, ‘স্থানীয় মানুষদের সম্পৃক্ত করে তাদের তেল সংগ্রহ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত সর্বমোট ২৫ হাজার লিটার ফার্নেস ওয়েল সংগ্রহ করা হয়েছে।’ একই কথা বলেছেন সুন্দরবন সংরক্ষক কার্তিক চন্দ্র সরকার।

 

এদিকে শ্যালা নদীতে ডুবে যাওয়া তেলবাহী ট্যাংকারের নিখোঁজ মাস্টার মোখলেসুর রহমানের মৃতদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মৃতদেহ দেয়া হবে স্বজনদের কাছে।

সকাল ৭টার দিকে নিখোঁজ মাস্টার মোখলেসুর রহমানের লাশ উদ্ধার করা হয়।

 

কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের আঞ্চলিক অধিনায়ক ক্যাপ্টেন খন্দকার মেহেদি মাসুদ জানিয়েছেন, সকাল ৭টার দিকে নিখোঁজ মাস্টার মোখলেসুর রহমানের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মৃতদেহ স্বজনদের কাছে দেয়া হবে ।

 

নিহত মোখলেসের বড় জামাতা শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, তারা লাশ গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার পবা ইউনিয়নের লক্ষিপাশা নিয়ে যাবেন। দাফন হবে সেখানেই।

 

এদিকে শ্যালা নদীতে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় মংলা বন্দর এবং জাহাজের সরবরাহকৃত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়েছে বলে জানিয়েছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান।

 

এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে মন্ত্রণালয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে পরিবেশসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রধানদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে শ্যালা নদী দিয়ে বাণিজ্যিক নৌযান চলাচল করবে কিনা।

 

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ভোরে শ্যালা নদীর মৃগামারী (মংলা) এলাকায় তলা ফেটে একটি তেলবাহী ট্যাংকার ডুবে যায়। এতে জাহাজ থেকে তেল ছড়িয়ে পড়ায় বিলুপ্ত প্রায় ইরাবতী ডলফিনসহ ছয় প্রজাতির ডলফিন ও সুন্দরবনের জীববৈচিত্র চরম হুমকির মুখে পড়ে।

চবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ১জন নিহত

cobiচট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আমানত হলের সামনে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে তাপস রায় নামে এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এসময় আরও চারজন গুলিবিদ্ধসহ পাঁচজন আহত হয়েছে।

রবিবার বেলা ১১ টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত তাপস বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী এবং সে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

এর আগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রবিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের বেদীতে ফুল দেওয়ার সময় কথা কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি অমিত কুমার বসু ও যুগ্ম সম্পাদক সুমন মামুনের অনুসারীদের সঙ্গে সাবেক সাংগঠিনক সম্পাদক এস এম আরিফুল ইসলামের অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে ৪জন গুলিবিদ্ধ হয়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে ছাত্রলীগের দুটি পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় একজন গুলিবিদ্ধসহ চার জন আহত হয়। এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল ও শাহ আমানত হল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ গিয়ে হল দুটির মাঝে অবস্থান নেয়।

হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্

হোয়াটস অ্যাপের পথে গুগলের হ্যাংআউট

hangoutগুগল আপডেট করলো তাদের হ্যাংআউট অ্যাপ৷ নয়া এই আপডেটে যোগ হচ্ছে ‘লাস্ট সিন’, ‘ভিডিও ফিল্টার’ মতো নয়া বৈশিষ্ট্যগুলিকে৷

এখানেই শেষ নয়, নয়া আপডেটে হ্যাংআউটে যোগ হচ্ছে বেশ কিছু ‘স্টিকার’ প্যাক৷

নয়া আপডেটের ফলে এবার থেকে ব্যবহারকারীরা ভিডিও ফিল্টার করতে পারবেন বলে জানা গেছে৷ অর্থাৎ, কোন ধরনের ভিডিও আপনি দেখতে পছন্দ করেন, তা আগে থেকে সংরক্ষণ করে রাখার অপশন পাবেন। এছাড়াও যোগ হচ্ছে ‘লাস্ট সিন’ এই অপশনটি৷ আপনি শেষবার কখন অনলাইন ছিলেন, জানান দেবে এই অ্যাপটি৷ ‘লাস্ট সিন’ বৈশিষ্টটি অনেকদিন ধরেই হোয়াটসঅ্যাপে আছে৷

নতুন আপডেটটি শুধুমাত্র অ্যান্ড্রয়েডের ইউজারদের জন্য করা হয়েছে৷খুব তাড়াতাড়ি IOS-এর ক্ষেত্রে এই আপডেট করা হবে বলে জানানো হয়েছে গুগলের তরফে৷

হিউজের ভাইও করলেন ৬৩

hugeসেই ৬৩ রানই করলেন ফিল হিউজের ভাই৷

ফিলের মৃত্যুর পর এই রানসংখ্যা কার্যত অমরত্ব লাভ করেছে৷ আর তার মৃত্যুর পর ভাই জেশন হিউজ খেলতে নেমে বাইশ গজে করলেন সেই ৬৩ রান৷ প্যাভিলিয়নে ফেরার সময় জেশন জানতেন না নিজের ৬৩ রানের কথা৷ সকলে বলাবলি করতেই বুঝতে পারেন, ভাইয়ের শেষ ইনিংসের মতো ৬৩ রান করেছেন৷ সে সময় তিনি স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন৷

সিডনি গ্রেড ক্রিকেটে হিউজের ভাইয়ের এই স্কোর নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় জোর চর্চা৷ মোসমানের হয়ে সিডনির বিরুদ্ধে তার এই রান প্রয়াত হিউজের স্মৃতিকে আরও একবার ফিরিয়ে আনল৷ ভাইয়ের শেষকৃত্যের দিনে জেশন বলছিলেন, ‘ওর প্রেরণাতে ক্রিকেট খেলে যাচ্ছি৷ ক্রিকেটার হিসেবে বেঁচে থাকতে চাই৷’

দু’সপ্তাহ আগে হিউজের মারা যাওয়ার স্মৃতি এখনও টাটকা৷ ভাইয়ের মৃত্যুর পর জেশনকে সে ভাবে মাঠে দেখা যায়নি৷ এই ম্যাচের প্রথম ইংনিসে তিনি ব্যাটও করেননি৷ ৫০ রানে পৌঁছেও তিনি বিহ্বল হয়ে যান৷ এই ম্যাচেই প্রয়াত হিউজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ড্যান স্মিথ সিডনির হয়ে ১২৭ রান করেছেন৷

ম্যাচের পর মাঠ কার্যত হিউজের শোকসভায় পরিণত হয়৷

সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি…

life14কী বলি আর কী বলি না! সকালে ঘুম থেকে ওঠবার পর থেকেই আমরা নিজের মনে কতবার কত কী বলি, এটা করব, সেটা করব না, এটা বলব, ওখানে যাব না-র মতো আরও কত কিছু৷ কিন্তু জানেন কি এমন কিছু কথা রয়েছে, যা কখনও নিজেকে বলতে নেই৷ বললে নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস চলে তো যাবেই, উল্টে বাড়বে নেগেটিভ এনার্জিও৷ আর সারাদিন যখন এই ধরনের নেতিবাচক ভাবনাচিন্তাগুলো মনের মধ্যে ক্রমাগত ঘুরপাক খায়, তখন একসময় আপনি সেগুলো ধ্রুব সত্য বলে বিশ্বাস করতে শুরু করবেন৷

তাই সারাদিনে যখনই নিজেকে নিয়ে বিশ্লেষণ করবেন, তখন নিজেকে কখনও ছোট করে দেখবেন না৷ বন্ধ করুন ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে আত্মসমালোচনা৷ আর নিজেকে কখনও বলবেন না-

১.আমি খুব একটা ভালো নই: কখনওই এটা ভাববেন না৷ ভালো বা মন্দ বড় কথা নয়৷ আপনার জীবনটা নিজের মতো করে সুন্দরভাবে কাটান৷ আপনি যে বেঁচে রয়েছেন, এই জীবনটা কাটাচ্ছেন, তার জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিন৷ যদি দিনের মধ্যে বার দশেক নিজেকে বলেন আমি ভালো নই, তাহলে মনে মনে অন্তত কুড়ি বার নিজেকে এই বলে সান্ত্বনা দিন আমি সবার কাছেই মূল্যবান৷ আমার প্রয়োজন এখনও ফুরিয়ে যায়নি৷

২. অন্যরা আমার থেকে অনেক বেশি এগিয়ে কারণ এরা বুদ্ধিমান: শুরুতেই আপনাকে এই পিছিয়ে পড়ার মনোভাব ছাড়তে হবে৷ অন্যদের প্রতিভা রয়েছে বলেই তো আপনার নিজের প্রতিভা কম হয়ে যায় না৷ হয় কি? নিজেই নিজেকে প্রশ্নটা করুন৷ আর এসব বিপরীতধর্মী ভাবনাচিন্তা ছেড়ে নিজের মধ্যে যেসব অভিনবত্ব রয়েছে, সেগুলিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন৷ যে কাজে আপনি দক্ষ চেষ্টা করুন দিনের বেশ খানিকটা সময় তাতে ব্যয় করা৷ আর নিজেকে বলতে থাকুন, এই কাজেই তো আমি সেরা, আর আমি এখানে আমার সেরাটা উজাড় করে দিতে এসেছি৷

৩.আমায় কেউ পছন্দ করে না, ভালোবাসে না: এটা কিন্তু ভাবলে আপনার ভাবনাচিন্তা সম্পূর্ণ ভুল পথে চলছে৷ আপনি সকলের প্রিয়পাত্র না-ই হতে পারেন, কিন্তু সবার অপছন্দের তালিকায় আপনার নামটাই শীর্ষে থাকবে, এমনটা ভেবে নেওয়ার কোনো কারণ নেই৷ যখনই আমাদের আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি থাকে, তখনই আমরা মনে করি কেউ আমাদের পছন্দ করছে না৷ অথবা আমরা কারও ভালোবাসার পাত্র নই৷ এরকম ভাবনা মাথায় আসামাত্র নিজেই নিজের কাউন্সেলিং করুন৷ ভাবুন আমি আমার মতো, আর সেই আমিটাকেই আমি পছন্দ করি৷ খুব ভালোবাসি৷

৪. আমি কখনও সফল হব না: ভবিষ্যৎ কি কেউ দেখেছে? তাহলে ক্ষণিকের ব্যর্থতায় জীবনে কোনও দিনও সফল হব না, এই ভাবনা ভাবলে মুশকিল৷ সকাল থেকে উঠেই যদি ভাবতে থাকেন, আমার জীবনে কী হলো, আমি কোনো কিছুতেই সফল হলাম না, তাহলে সাফল্য আপনার হাতের মুঠোয় এসেও ফসকে যাবে৷ তাই সবার আগে পাল্টান নিজের মানসিকতা৷ সাফল্যের চাহিদা বা সংজ্ঞার কোনো নির্দিষ্ট মাপকাঠি নেই৷ তাই ক্রমাগত নিজের মনে সাফল্য-ব্যর্থতাকে নিয়ে ভাবা বন্ধ করুন৷ শুধু নিজের ওপর আস্থা রাখুন যে কাজ আমি করব, তাতেই সফল হব৷ হবই হব৷

৫. আমার কোনো ক্ষমতা নেই: এই ভাবনার পুরোটা জুড়েই রয়েছে ভ্রান্তি৷ কারণ ক্ষমতার না রয়েছে কোনও মাপকাঠি না সীমারেখা৷ কতটা ক্ষমতা কীভাবে পেলে বা প্রয়োগ করতে পারলে আমরা খুশি হব, তা নিজেরাই জানি না৷ তাই যত দ্রুত সম্ভব ক্ষমতার চিন্তাকে মন থেকে ঝেড়ে ফেলুন৷ আর এতেই আগের থেকে আপনার আজকের দিনটা অনেক বেশি সুন্দর হয়ে উঠবে৷

ভাতের ভিতর ক্যানসার-ভূত!

riceবাঙালির একটাই খুঁতখুঁতানি। সারাদিনের ভিতরে যদি পেট পুরে ভাত-ই না খাওয়া হয়, তাহলে খেলাম কী! এমন চিন্তাধারার ভেতো-বাঙালিদের কাছে দুঃসংবাদ।

শুধু বাঙালি-ই নয়, পৃথিবীর প্রায় তিনশ কোটি মানুষের কাছেই দুশ্চিন্তার বিষয়। কারণ, বৃটেনের ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানচেস্টার ও ভারতের ইনস্টিটিউট অফ কেমিক্যাল বায়োলজির গবেষকদের মতে , ভাত খেলে হতে পারে ক্যানসার।

বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান এবং চীনের জন্য দুশ্চিন্তাটা বেশি হওয়ার কথা। কারণ, গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যেসব অঞ্চলের পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা বেশি সেইসব অঞ্চলের ধান থেকে তৈরি চালেই ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বেশি৷ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ৪১৭ জন গ্রামবাসীদের নিয়ে সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, আর্সেনিকযুক্ত মাটিতে চাষের ধান থেকে ক্যানসারে মৃত্যুর শঙ্কা বাড়ায়৷

শুধু আর্সেনিকের মাত্রা বেশি এমন চালেই ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি-নেচার গ্রুপের সায়েন্টিফিক রিপোর্ট জার্নালে এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।। ৪১৭ জন গ্রামবাসীর জীবনধারণ ও প্রতিদিন কতটুকু পরিমাণ চালের খাচ্ছেন- এই দুটো বিষয় জানার পর, প্রত্যেককে বলা হয় রান্না করা ভাতের নমুনা এবং প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করতে৷ জটিল এক পরীক্ষা ওপর গবেষনা করার পর গবেষকরা বলেছেন, পানির মাধ্যমে চালেও বেশি আর্সেনিক এলে সেই চালে রান্না করা ভাত মানুষকে ধীরে ধীরে মারণরোগের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

যেসব চালে আর্সেনিক কম সেই চালের ভাত খেলেই আর সংশয় থাকবে না৷ বৃটেনের ডি মনফর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী পারভেজ হারিস জানিয়েছেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ঝুঁকি কিছুটা হলেও কম। স্বতন্ত্র এক গবেষণার ফলাফলে তারা দেখেছেন যে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলের অনেক চালে আর্সেনিকের মাত্রা বেশ কম৷ তবে কোন চালে আর্সেনিকের মাত্রা কম আর বেশি তা জানার কোনো উপায় নেই।

তবে ভবিষ্যতে এমন অবস্থার পরিবর্তন যে হবে, সে সম্পর্কে আশাবাদী তিনি। তার মতে, বাজারে শুধু প্যাকেটজাত চাল বিক্রি হয়। সেখানে আর্সেনিকের মাত্রা সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য দেওয়ার ব্যবস্থা করা হলেই মানুষ টাকা খরচ করে ভালো চাল কিনতে পারবেন। তবে সেই তথ্য দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় না প্যাকেটজাত চালে।– ওয়েবসাইট।

ঈশ্বরকে দুষলেন কিম কার্দাশিয়ান

kimকিম কার্দাশিয়ানের দাবি, ‘হট’ লুকের কারণে ঈশ্বর নাকি তাকে শাস্তি দিয়েছেন। মাতৃত্বজনিত কারণে ওজন বেড়ে যাওয়ার জন্য সম্প্রতি এক রিয়েলিটি শোতে এভাবেই ঈশ্বরকে দুষলেন এ তারকা।

৩৪ বছর বয়সী কিম ও র‌্যাপার কেনি ওয়েস্টের ঘরে গত বছরের জুনে নর্থ নামে এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। ওই সময় কিমের ওজন ৫০ পাউন্ড বেড়ে যায়। বাড়তি মেদ ঝরাতে তাকে নাকি বেশ পরিশ্রম করতে হয়েছে।

মিরর.কম জানায়, এলি ম্যাগাজিনের ব্রিটিশ সংস্করণে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তারকা বলেন, বেশি ‘হট’ হওয়ার কারণে ঈশ্বর তাকে এ শাস্তি দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমার মনে হয়, একটা কারণে ঈশ্বর এটি করেছেন। সে সময় ঈশ্বর বলেছিলেন, কিম নিজেকে তুমি খুব ‘হট’ মনে কর। এবার দেখ আমি কী করতে পারি। এরপর আমার শরীর যেন পাগল হয়ে উঠে। পাঁচ মাস পরেই পণ করলাম আমি আর কখনই বাচ্চা নেব না।

ওই সময় কিমের ওজন দাঁড়িয়েছিল দুই শ’ পাউন্ডের কাছাকাছি। তখন নাকি ‘হট’ ফিগারের কথা ভেবে তিনি অনেক কান্নাও করেছেন। যাই হোক, বেশ পরিশ্রম করে কিম নিজের ফিগারকে আগের ওজনে নিয়ে আসেন। সম্প্রতি ঝড় তোলা তার নগ্নছবি তা-ই প্রমাণ করে।