সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

গ্যালারিতে বসে জয় উপভোগ মেসির, নকআউটে ইন্টার মিয়ামি

ইনজুরির কারণে ম্যাচটি খেলতে পারবেন না লিওনেল মেসি, সেটি আগে থেকেই জানা। তাই আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর বাংলাদেশ সময় আজ বৃহস্পতিবার সকালে ইন্টার মিয়ামির ম্যাচটি দেখতে এসেছেন দর্শক হয়ে। গ্যালারিতে বসেই দলের জয় উপভোগ করেছেন তিনি। লিগস কাপের লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে পুমা উইএনএমকে ৩-১ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্বে উঠে গেছে মিয়ামি।

আজকের ম্যাচ হেরে গেলে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতো হতো মিয়ামিকে। এমন গুরুত্বপূর্ণ মেসিকে না পেয়ে শঙ্কায় ছিল যুক্তরাষ্ট্রের এমএলএসের ক্লাবটি। সেই শঙ্কা আরও বেড়েছে পুমা আগেভাগেই লিড নেওয়ায়।

৩৪ মিনিটে দারুণ এক গোলে লিড নেয় পুমা। গোল করেন জর্জে রুভালকাবা। এতে কিছুটা চিন্তায় পড়ে যায় মিয়ামি। তবে মেসি না থাকলেও লুইস সুয়ারেজ, রদ্রিগো ডি পল ও জর্দি আলবার মতো তারকারা দলে থাকায় ভক্তদের আত্মবিশ্বাস ছিল।

স্ত্রী আন্তোনিলা রুকুজ্জোর সঙ্গে গ্যালারিতে বসে খেলা দেখছেন মেসি/ছবি: সংগৃহীত

বিরতির আগেই দর্শকদের মানসিক চাপমুক্ত করেন ডি পল। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে সুয়ারেজের ক্রস থেকে গোল করে মিয়ামিকে ১-১ সমতায় ফেরান মেসির বডিগার্ড হিসেবে খ্যাত আর্জেন্টাইন এই তারকা।

দ্বিতীয় গোলটি করেন সুয়ারেজ নিজেই। ৫৯ মিনিটে উরুগুয়ে তারকার গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবটি। ৬৯ মিনিটে তাদিও অ্যালেন্দে আরেকটি গোল করলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৩-১। এতে মিয়ামির সমর্থকরা স্বস্তি পায়।

শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানেই জয় নিশ্চিত করে মিয়ামি।

ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শুল্ক অন্যায়-অযৌক্তিক: ভারত

ভারতের ওপর আমদানি শুল্ক দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত সরকার। এই পদক্ষেপকে অন্যায়, অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য বলেছে নয়াদিল্লি।

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিয়ে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করায় ভারতের রপ্তানিপণ্যের উপর মোট শুল্ক দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশ, যা এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। এই শুল্ক বৃদ্ধির ফলে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের টেক্সটাইল, অটো পার্টস, টায়ার, কেমিক্যাল, কৃষি-রাসায়নিক ও হীরার মতো রপ্তানিপণ্যগুলোর উপর ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। এতে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ভারসাম্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে ও সরবরাহ শৃঙ্খলাতেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

এক বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, আমরা আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছি যে, রাশিয়া থেকে ভারতের জ্বালানি আমদানি বাজারভিত্তিক ও ১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে শুধু ভারতকে লক্ষ্য করে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা অত্যন্ত দুঃখজনক।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমরা আবারও জোর দিয়ে বলছি- এ ধরনের পদক্ষেপ অন্যায়, অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য। ভারত জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে।

এর আগেও ভারত জানিয়েছিল, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্র নিজেই রাশিয়া থেকে আমদানি চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করেছিল। এমনকি, ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার বাণিজ্যেও কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, রাশিয়ার সঙ্গে ইউরোপের বাণিজ্যে শুধু জ্বালানি নয়, রয়েছে সার, খনিজ, রাসায়নিক, ইস্পাত, যন্ত্রপাতি ও পরিবহন সরঞ্জাম। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এখনো রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম হেক্সাফ্লোরাইড, প্যালেডিয়াম, সার ও রাসায়নিক আমদানি করছে। সেই প্রেক্ষাপটে শুধু ভারতকে লক্ষ্যবস্তু করাটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।

এদিকে, ভারতকে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প বলেছেন, ভারত কখনোই ভালো বাণিজ্য সহযোগী ছিল না। আমরা ২৫ শতাংশে রাজি হয়েছিলাম, কিন্তু আমি সেটি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছি, কারণ তারা রাশিয়ার তেল কিনছে।

সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ভারত রাশিয়ার তেল কিনছে ও রাশিয়ার যুদ্ধযন্ত্রকে জ্বালানি দিচ্ছে। যদি তারা সেটাই করে, তাহলে আমি সন্তুষ্ট হতে পারি না।

বুধবার (৬ আগস্ট) স্বাক্ষরিত এক নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প বলেন, রাশিয়া সরকারের কর্মকাণ্ড ও নীতিমালা এখনো যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতির জন্য একটি অস্বাভাবিক ও গুরুতর হুমকি। এই জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতের আমদানি পণ্যের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা প্রয়োজন ও যুক্তিসঙ্গত।

আহত ৭৮ জুলাই যোদ্ধাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো হয়েছে

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানে আহত ৭৮ জন জুলাই যোদ্ধাকে চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, রাশিয়া এবং তুরস্কে পাঠানো হয়েছে। এসব জুলাই যোদ্ধার চিকিৎসা বাবদ ৯৭ কোটি ৫০ লাখ ২৮ হাজার ১০২ টাকা ব্যয় করা হয়েছে, যেখানে অর্থ নয় বরং চিকিৎসাসেবাই ছিল মুখ্য উদ্দেশ্য।

বুধবার (৬ আগস্ট) ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন আয়োজিত জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদ পরিবার ও জুলাই আহত যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, সরকার ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। আহত ব্যক্তিরা প্রতি মাসে ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভাতা পাবেন। ‘ক’ শ্রেণির জুলাই যোদ্ধারা ২০ হাজার, ‘খ’ শ্রেণির জুলাই যোদ্ধারা ১৫ হাজার এবং ‘গ’ শ্রেণির জুলাই যোদ্ধারা ১০ হাজার টাকা করে পাবেন। তারা এককালীন অনুদানও পেয়েছেন। আহতদের জন্য আজীবন বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হয়েছে, যা সরকারের সব হাসপাতালে প্রযোজ্য হবে। এই উদ্দেশে তাদের একটি হেলথ কার্ডও দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আহতদের চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েছে এবং দেশের সব বিশেষায়িত হাসপাতালে তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ফারুক ই আজম আরও বলেন, সরকার একটি বড় ধরনের পুনর্বাসন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। আহত ব্যক্তিদের পছন্দ অনুযায়ী পুনর্বাসিত করা হবে। যাদের প্রয়োজনীয় যোগ্যতা নেই তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পর যোগ্যতা ও চাহিদা অনুযায়ী চাকরি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তারা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপন করতে পারেন সে ব্যবস্থা করা হবে।

গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আমিনুল হক আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মেদ, জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের সমন্বয়কারী আব্দুল কাদের হাওলাদার, ইন্ডাস্ট্রিয়াল বাংলাদেশ কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক বাবলু আকতার বক্তব্য দেন।

তথ্য অধিদপ্তরের এক বিবরণীতে এসব তথ্য জানানো হয়।

সম্মানের সঙ্গে নিজের জুতা জোড়া তুলে রাখার স্বপ্ন দেখছি

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম অধীর আগ্রহে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য সাধারণ নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছেন। এর পাশাপাশি সম্মানের সঙ্গে নিজের জুতো জোড়া তুলে রাখার (বিদায় নেয়ার) স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

বৃধবার (৬ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা জানান।

স্ট্যাটাসে শফিকুল আলম লেখেন, একটি জাতির জীবনে ছয় মাস বড় কোনো সময় না। কিন্তু, আমার কাছে এ সময়টা যেন অনন্তকাল। আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের জন্য। সেই সাথে সম্মানের সঙ্গে নিজের জুতো জোড়া তুলে রাখার (বিদায় নেয়ার) স্বপ্ন। আমাকে কি একটি মর্যাদাপূর্ণ বিদায় দেওয়া হবে? শুধু উপরওয়ালাই জানেন।

তিনি লেখেন, গত ১২ মাসে আমি নিজের জন্য খুব কমই অবসর পেয়েছি। মাঝেমধ্যে সময় ফাঁকি দিয়ে চলে যেতো। প্রতিটি মিনিট মনে হয়েছে এক একটি মাসের মতো। প্রতিটি দিন যেন একটি বছর!

প্রেস সচিব লেখেন, আমার পরবর্তী জন্মদিনে কী করবো? ঠিক জানি না। মস্তিষ্কের একপাশ আমাকে সাংবাদিকতা চালিয়ে যেতে বলে। অন্যপাশ আবার টাকা কামাতে চায়- গত এক বছরের হারিয়ে যাওয়া সুযোগগুলোর ক্ষতিপূরণ করতে। হৃদয়ের ডানপাশ বলে, ঢাকার অলিগলি ধরে হাঁটো, মানুষের গল্প লেখো। প্রতিটা অলি-গলির মধ্যেই জিন্দাবাহারকে দেখতে! আর বাম পাশ চায়, এই দেশটা ঘুরে দেখো। কম খরচে, ব্যাটারিচালিত ভ্যান-রিকশায় করে!

স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, অনেক আগেই একটা পরিকল্পনা করেছিলাম। বাংলাদেশের মারাত্মক রেললাইন আর স্টেশনগুলো নিয়ে একটা বই লিখবো, যেখানে দেশের সবচেয়ে কম আলোয় আসা কিছু হত্যার গল্প লুকিয়ে আছে। সেই বিস্মৃত স্বপ্নটা কি কখনো পূরণ হবে? বাংলাদেশ খুব বড় দেশ নয়। কিন্তু কেউ যদি তার পিতা ও পূর্বপুরুষদের পদচিহ্ন অনুসরণ করে, তবে এই যাত্রাপথ আর ইতিহাসের মহাকাব্যগুলো কখনো ফুরায় না। দুঃখজনক হলো, আমাদের কোনো পল থেরু (Paul Theroux) নেই, নেই প্যাট্রিক লি ফার্মার (Patrick Leigh Fermor)-এর মতো কেউ নেই।

প্রেস সচিব আরও লেখেন, বাংলাদেশ, তার নদী, গ্রামীণ ছোট রাস্তার দীর্ঘ জাল, চায়ের দোকানে বসে থাকা মানুষ, সুফি দরগায় উপাসনা করা অথবা বটগাছের নিচে ঘুমিয়ে থাকা প্রাণ, এসবই আমার জীবনের চিরকালীন মোহ। কিন্তু এই তৃষ্ণা মেটাতে দরকার সময় ও অর্থ। আমার প্রিয় লেখক বিভূতি ২০ শতকের মাঝামাঝি সময়ে গ্রামবাংলার পথের গান আর গ্রামে ট্রেনের আগমনের গল্প নিয়ে লিখেছেন। আমি কি এই ২১ শতকের শুরুর দিকের বাংলা বদ্বীপের কোনো পথের গান লিখতে পারবো?

যান্ত্রিক ক্রটি : এবার ১ ঘণ্টা উড়ে ফেরত এলো ব্যাংককগামী বিমানের ফ্লাইট

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যাংককগামী একটি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ক্রটি ধরা পড়েছে। এ কারণে উড়োজাহাজটি উড্ডয়নের প্রায় এক ঘণ্টা পর ঢাকায় ফিরে আসে। ফ্লাইটে ১৪৬ জন যাত্রী ছিলেন।

বুধবার (৬ আগস্ট) ঢাকা থেকে থাইল্যান্ডের ব্যাংককের উদ্দেশ্যে দুপুর ১২টা ৬ মিনিটে ছেড়ে যায় বিমানের বিজি-৩৮৮ ফ্লাইটটি।
কিন্তু যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এটি মায়ানমার থেকে আবারো ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিরে আসে।

ফ্লাইটটি পরিচালিত হচ্ছিল এস২-এএফএল রেজিস্ট্রেশনের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের উড়োজাহাজ দিয়ে, যার ধারণক্ষমতা ১৭০ জন। উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর পাইলট ইঞ্জিনে অস্বাভাবিক কম্পন শনাক্ত করেন। তখন উড়োজাহাজটি মিয়ানমারের আকাশসীমায় ছিল।
নিরাপত্তাজনিত কারণে পাইলট ফ্লাইটটি ফেরত আনার সিদ্ধান্ত নেন এবং বেলা ১টা ২১ মিনিটে এটি আবারও ঢাকায় অবতরণ করে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জনসংযোগ বিভাগের ব্যবস্থাপক আল মাসুদ খান জানান, ব্যাংককগামী ফ্লাইটটি এক ঘণ্টা উড়ে ঢাকায় ফিরে আসে। কী কারণে সমস্যা হয়েছে, তা প্রকৌশল বিভাগ তদন্ত করে জানাবে। ফিরিয়ে আনা যাত্রীদের আজ (বুধবার) সন্ধ্যা ৬টা ২ মিনিটে আরও একটি বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজে ব্যাংকক পাঠানো হয়।

এর আগে, গত ২৮ জুলাই বেলা ৩টা ৩৩ মিনিটে ঢাকা থেকে সৌদি আরবের দাম্মামের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া বিজি-৩৪৯ ফ্লাইটটিও একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল। বোয়িং-৭৭৭-ইআর উড়োজাহাজে পরিচালিত সেই ফ্লাইট এক ঘণ্টা আকাশে ওড়ার পর বিকেল ৪টা ৩৩ মিনিটে ঢাকায় ফিরে আসে।

আগামী সপ্তাহে পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন ট্রাম্প

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আগামী সপ্তাহে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে ফোনালাপ হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের। মস্কোয় পুতিন-উইটকফ বৈঠকে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প।

বুধবার (৬ আগস্ট) মস্কোয় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।
আলোচনায় ইউক্রেন যুদ্ধ, দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত সম্পর্ক এবং যুদ্ধবিরতির সম্ভাব্য রূপরেখা নিয়ে গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

বুধবার হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, আজ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে আমাদের কিছু ভালো আলোচনা হয়েছে, এবং খুব ভালো সম্ভাবনা আছে যে আমরা – এই যুদ্ধের শেষ, সেই রাস্তার শেষ, তার দিকে এগিয়ে যেতে পারি। সেই রাস্তা অনেক দীর্ঘ, এখনো দীর্ঘ, তবে খুব সম্ভবত একটি বৈঠক খুব শিগগিরই হতে পারে।

ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন মস্কোতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর।

এর আগে, পুতিন-উইটকফ বৈঠকের পর ট্রাম্প ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে এক টেলিফোন কলের মাধ্যমে জানান যে, তিনি পুতিনের সঙ্গে খুব শিগগিরই – সম্ভবত আগামী সপ্তাহেই – বৈঠক করতে চান, এরপর রুশ প্রেসিডেন্ট এবং ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে একটি ত্রিপাক্ষিক বৈঠক করতে চান। ইউরোপীয় এক সরকারি সূত্রও কলটির বিষয়বস্তু নিশ্চিত করেছে।

সিএনএনকে দেওয়া বক্তব্যে হোয়াইট হাউজের দুই কর্মকর্তা জানান, মস্কোতে পুতিন-উইটকফ বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে একটি বৈঠকের প্রস্তাব দেন।

ট্রাম্পের সহকারীরা এই বৈঠকের পরিকল্পনা তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছেন বলেও জানান ওই দুই কর্মকর্তা।
সাধারণত এ ধরনের রাষ্ট্রীয় সফর এবং বৈঠকের আয়োজন করতে সময় লাগে, কিন্তু ট্রাম্প তার দলকে দ্রুত কাজ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, এখনো কোনো নির্দিষ্ট জায়গা চূড়ান্ত হয়নি, তবে বেশ কয়েকটি বিকল্প স্থান নিয়ে আলোচনা চলছে। বৈঠকটি আগামী সপ্তাহেই অথবা তার পরের সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে পারে।

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনে ইসিকে চিঠি দিল প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রোজা শুরুর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়। এ চিঠির মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলো।

বুধবার (৬ আগস্ট) প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর পাঠানো চিঠিতে এ অনুরোধ জানানো হয়।

চিঠিতে উল্লিখিত সময়ে প্রত্যাশিত মানের অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া।

গত ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসে রোজা শুরুর আগে নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়ার কথা বলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ এই চিঠি পাঠাল প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।

জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণের উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে অবিলম্বে সব প্রস্তুতি ও প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন শুরুর কথা বলেছেন। বিগত ১৫ বছরে নাগরিকদের ভোট দিতে না পারার প্রেক্ষাপটে আগামী নির্বাচন যেন মহা-আনন্দের ভোট উৎসবের দিন হিসেবে স্মরণীয় হয় তেমন আয়োজনের ওপর প্রধান উপদেষ্টা জোর দিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে নির্বাচন আনন্দ-উৎসবে, শান্তি-শৃঙ্খলায়, ভোটার উপস্থিতিতে, সৌহার্দ্য ও আন্তরিকতায় অবিস্মরণীয় হয়ে ওঠার যে প্রত্যাশা করেছেন, তা উল্লেখ করা হয়। নির্বাচন আয়োজনে যথোপযুক্ত প্রযুক্তি ব্যবহারের গুরুত্বারোপের পাশাপাশি একটি প্রত্যাশিত সুষ্ঠু, অবাধ, শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রত্যয়ের কথাও নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়।

শেষে প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণার ভিত্তিতে উল্লেখিত সময়ে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব।
news_google_icon_128

বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা: সংকট, বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ পথ

উপশিরোনাম:
নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ, রাজনৈতিক সমঝোতার অভাবেই বাড়ছে গণতন্ত্রের সংকট
⸻
রিপোর্ট: এমারাত হোসেন
সম্পাদক, 24hourbd.com
⸻
ভূমিকা:
বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা ও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে। একদিকে ভোটাধিকার নিশ্চিত করার দাবি, অন্যদিকে কারচুপি ও অংশগ্রহণহীন নির্বাচন – এই দুই বিপরীত বাস্তবতার মাঝে বন্দি দেশের গণতন্ত্র। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছার অভাব মিলিয়ে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা এখন এক গভীর সংকটে।
⸻
অংশগ্রহণহীন নির্বাচন ও ভোটার বিমুখতা:
২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন অংশগ্রহণ ও গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকে নানা প্রশ্নের জন্ম দেয়। ২০২4 সালের নির্বাচনকে অনেকেই ‘ডামি নির্বাচন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যেখানে মূল বিরোধী দল বিএনপি অংশ নেয়নি। ফলে নির্বাচন ছিল একপাক্ষিক, যা ভোটারদের আস্থায় বড় ধাক্কা দেয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, ভোটের দিনে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতির হার কমে আসা এই আস্থাহীনতারই প্রতিফলন।
⸻
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক:
বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হলেও, বাস্তবে তাদের নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন উঠে আসছে। ক্ষমতাসীন সরকারের প্রভাবমুক্ত থেকে কাজ করতে না পারার অভিযোগ রয়েছে কমিশনের বিরুদ্ধে। নির্বাচনী আচরণবিধি প্রয়োগে দ্বৈতনীতি ও দুর্বল ভূমিকার কারণে প্রতিষ্ঠানটির প্রতি সাধারণ জনগণের আস্থাও কমছে।
⸻
রাজনৈতিক সমঝোতার অভাব ও সংঘাতময় পরিবেশ:
নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতার ঘাটতি দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে বারবার সংকটের মুখে ফেলছে। প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে চরম অবিশ্বাস এবং সংঘাতের রাজনীতি নির্বাচনের আগে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে। যা ভোটারদের মানসিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
⸻
ডিজিটাল ভোটিং ও প্রযুক্তির ব্যবহার:
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) ব্যবহার নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করেন, এই প্রযুক্তি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনার বদলে কারচুপির সুযোগ বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তির ব্যবহার তখনই ফলপ্রসূ হবে, যখন জনগণের আস্থা এবং রাজনৈতিক ঐকমত্য থাকবে।
⸻
সংকট উত্তরণে সম্ভাব্য করণীয়:
১. সর্বদলীয় ঐকমত্যে নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার গঠন
২. শক্তিশালী, স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলক নির্বাচন কমিশন
৩. রাজনৈতিক দলের মধ্যে গণতান্ত্রিক চর্চা বৃদ্ধি
৪. ভোটারদের নিরাপত্তা ও আস্থার পরিবেশ নিশ্চিত
৫. নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যবেক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকা
⸻
উপসংহার:
বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা আজ একটি মোড় ঘোরানো সময়ে দাঁড়িয়ে। অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা ও জনগণের আস্থার পুনরুদ্ধার। তা না হলে নির্বাচন হবে শুধুই একটি আনুষ্ঠানিকতা, গণতন্ত্র থেকে বিচ্যুতির আরেক নাম।

জাতীয় নির্বাচনের জন্য টাকা নিয়ে কার্পণ্য নয় : অর্থ উপদেষ্টা

জাতীয় নির্বাচনের জন্য টাকা নিয়ে কোনো কার্পণ্য করা হবে না বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।

বুধবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘নির্বাচনের জন্য যত টাকা লাগবে, তা দেওয়া হবে। এ নিয়ে কোনো সমস্যা নেই।
’

এদিকে গতকাল মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশে ভাষণে আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য সময় জানান। তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠাব, যেন নির্বাচন কমিশন আগামী রমজানের আগে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করেন।’

সুন্দরভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আপনারা সবাই দোয়া করবেন যেন সুন্দরভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠান করে এ দেশের সব নাগরিক একটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার কাজে সফলভাবে এগিয়ে যেতে পারে। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে এই নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখরভাবে সম্পন্ন করা যায় সে জন্য সব ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা প্রদান করব।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক আলোচনার শর্তাবলি প্রকাশযোগ্য নয় : অর্থ উপদেষ্টা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তি প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, যখন উভয় পক্ষের নিবিড় (ওয়ান টু ওয়ান) দর-কষাকষি হয়, অনেক কথা বলা হয় না। এটা বহুপক্ষীয় দর-কষাকষি না যে সবাই জানবেন।

তিনি বলেছেন, চুক্তি এখনো সই হয়নি। একটা আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হবে।
কোন কোন জায়গায় আমাদের শুল্ক কমাতে হবে, কী কী আমদানি করতে হবে, তা দেখতে হবে।

আজ বুধবার সচিবালয়ে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

নির্বাচনের বাজেট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনের জন্য যত টাকা লাগবে, তা দেওয়া হবে। এ নিয়ে কোনো সমস্যা নেই।
’

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘যেটা হয়েছে, আমাদের পোশাক ও নিট পোশাক খাত তাড়াতাড়ি সমন্বয় করে ফেলতে পারবে। বস্ত্র খাতের বোনায় (উইভিং) একটু সমস্যার মধ্যে পড়তে পারে।’

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবার দর-কষাকষিতে যাওয়া হবে কি না, জানতে চাইলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘হ্যাঁ। ইউএস চেম্বারের ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেছি।
বাংলাদেশের বিষয়ে তাদের মনোভাব খুবই ভালো। শেভরন ও মেটলাইফের অর্থ দিয়ে দেওয়ার কারণে বলেছে, তোমরা তো টাকা আটকে রাখো না।’

চুক্তি এখনো সই হয়নি জানিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘একটা আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হবে। কোন কোন জায়গায় আমাদের শুল্ক কমাতে হবে, কী কী আমদানি করতে হবে, তা দেখতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যখন উভয় পক্ষের নিবিড় (ওয়ান টু ওয়ান) দর-কষাকষি হয়, অনেক কথা বলা হয় না।
এটা বহুপক্ষীয় দর-কষাকষি না। এটা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) নয়, জাতিসংঘ নয়, যে সবাই জানবেন। তা ছাড়া ভিয়েতনাম আমার প্রতিদ্বন্দ্বী। আবার চীন, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, পাকিস্তান সবাই আছে। কিছু জিনিস আছে বলা যায় না।’

এক বছরে খাদের কিনারা থেকে দেশের অর্থনীতি অনেকটাই ওপরে উঠে এসেছে বলেও মন্তব্য করেন অর্থ উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘এটা দেখার জন্য দৃষ্টি ও অন্তর্দৃষ্টি লাগে। ভাসা-ভাসা দেখলাম, ভাসা-ভাসা বলে দিলাম, তা না। অনেক কিছুই হয়েছে।’