শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

সরকারিভাবে আলু ক্রয় করা হবে : কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ‘এ বছর আলু উৎপাদন বেশি হওয়ায় কৃষকরা আলুর দাম পাচ্ছেন না। কৃষকদের ক্ষতি কমাতে সরকারিভাবে কিছু আলু ক্রয় করা হবে।’

শনিবার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর গাবতলীস্থ বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) বিভিন্ন গবেষণা ও প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, বিএডিসির টিস্যু কালচার কেন্দ্রে আলু, আনারস, খেজুর, বিভিন্ন ফুলের টিস্যু কালচার করা হচ্ছে।
আমরা খেজুর আমদানি করি। স্থানীয়ভাবে এ প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদিত চারা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিলে আমদানিনির্ভরতা কমবে। নেদারল্যান্ডসসহ বিভিন্ন দেশ থেকে চড়া মূল্যে আলু বীজ ক্রয় করতে হয়। দেশে উন্নত জাতের আলু বীজ উৎপাদন করতে পারলে দেশের কৃষির জন্য তা ভালো হবে।
বিএডিসি টিস্যু কালচার ল্যাবের মাধ্যমে সে কাজ করছে বলে উপদেষ্টা এ সময় জানান।

সম্প্রতি বাজারের সবজির দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, বৃষ্টির জন্য সবজি ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সবজির বাজারে তার প্রভাব পড়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হয়ে গেলে এ সমস্যা থাকবে না।

সবজির দাম বাড়তির দিকে হলেও আলুর দাম কম।
কৃষকরা এ বছর আলুর দাম পাচ্ছে না। তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সে জন্য সরকারিভাবে কিছু আলু ক্রয়ের পরিকল্পনার কথা উপদেষ্টা জানান। তিনি এ সময় কৃষকদের ক্ষতি কমাতে কোল্ড স্টোরেজ পর্যায়ে আলুর দাম নির্ধারণ করার বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের কথাও জানান।

পাট বীজের আমদানি নির্ভরতা কমানো প্রসঙ্গে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, পাট বীজ হতে অনেক সময় লাগে।
এ সময়ে কৃষক দুই তিনবার ধান উঠাতে পারে। কৃষক সেটাই চাষ করেন যেটাতে তারা লাভবান হন। তাছাড়া বীজের জন্য পাট রাখলে আঁশের মানও কমে যায়। দেশে যেহেতু জমির পরিমাণও কম তাই স্থানীয়ভাবে পাট বীজ উৎপাদন করে চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে না।

নির্বাচনের আগে অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রম বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘আজকেও কিন্তু অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধার একটা চলমান প্রক্রিয়া। প্রতিদিন অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে। আমরা আশা করছি, নির্বাচনের আগে প্রায় সব অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হবে।’

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনের সময় বিভিন্ন দেশ থেকে অস্ত্র ঢোকার একটা প্রবণতা আগেও দেখা গিয়েছে।’

আগামী নির্বাচন ঘিরেও এ ধরনের প্রবণতা ঠেকাতে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘অস্ত্র উদ্ধারে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শুধু নির্বাচনে না, অন্য সময়ও যেন দেশে কোনো অস্ত্র ঢুকতে না পারে সে জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

বাংলাদেশকে সান্ত্বনার জয়ও পেতে দিলেন না সেঞ্চুরিয়ান হার্ভি

ট্রফি নিয়ে উচ্ছ্বাসে মাততে চেয়েছিলেন নুরুল হাসান সোহানরা। অস্ট্রেলিয়ায় খেলতে যাওয়ার আগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যের কথা জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ ‘এ’ দলের অধিনায়ক।

তবে মুখে বলা সেই কথার প্রমাণ কাজে দিতে পারেননি সোহানরা। উল্টো গতবার ফাইনালে খেলার সুযোগ পেলেও এবার সেমিফাইনালেই উঠতে পারেনি তারা।
আজ শেষ চার নিশ্চিত করতে হলে অসম্ভবকে জয় করতে হতো। সেটা যে ভীষণ কঠিন ছিল তা ম্যাচ শেষে ভালোভাবেই প্রমাণিত হয়েছে। নিজেদের এবং টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সান্ত্বনার জয়ও পায়নি বাংলাদেশ।

উল্টো ৭ উইকেটের বড় পরাজয়ে দেশে ফেরার টিকিট কাটতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।
অন্যদিকে জয়ে শেষ চার নিশ্চিত করেছে অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স একাডেমি। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের জয়টি এনে দিয়েছেন সেঞ্চুরিয়ান ম্যাকেঞ্জি হার্ভি। তার বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতেই শিরোপা ধরে রাখার সুযোগ পাচ্ছে অ্যাডিলেড।

বাংলাদেশকে আজ একাই হারিয়ে দিয়েছেন হার্ভি।
মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরিকে যখন বাউন্ডারি হাঁকিয়ে অ্যাডিলেডের জয় নিশ্চিত করেন তখন তিন অংকও স্পর্শ করেন অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার। তাতে ১১ বল হাতে রেখে জয় পায় অ্যাডিলেড। ১৭৬ রানে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওপেনিংয়ে ১২৩ রানের জুটি গড়েন হার্ভি ও জ্যাক উইন্টার। ব্যক্তিগত ৩৫ রানে উইন্টার ফিরলেও জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছেন হার্ভি।

মাঝে হ্যারি নিয়েলসন (৩) ও টম ও’কননেল (৬) দ্রুত ফিরলেও হার্ভির ঝোড়ো সেঞ্চুরিতে জয় পেতে সমস্যা হয়নি অ্যাডিলেডের।
চতুর্থ উইকেটে হ্যারি মান্নেতির সঙ্গে ৩৭ রানের জুটি গড়ে জয়ের কাজ সারেন তিনি। ১৯২. ৪৫ স্ট্রাইকরেটে খেলেছেন ১০২ রানের ইনিংস। টুর্নামেন্টের চতুর্থ সেঞ্চুরিয়ান ইনিংসটি সাজিয়েছেন ১৫ চার ও ১ ছক্কায়। অন্যদিকে ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন মান্নেতি। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন অফস্পিনার সাইফ হাসান।

এর আগে টস জিতে চল্লিশোর্ধ্ব দুটি ইনিংসটি ৪ উইকেটে ১৭৫ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন ওপেনার জিশান আলম। আর টুর্নামেন্টে চতুর্থ অপরাজিত চল্লিশোর্ধ্ব ইনিংস খেলেও ফিফটির দেখা না পাওয়া আফিফ হোসেন করেছেন ৪৯ রান। প্রতিপক্ষের হয়ে ৪ উইকেটের তিনটিই নিয়েছেন হান্নো জ্যাকবস।

নির্বাচন হলে বিএনপি ক্ষমতায় যাবে : রুমিন ফারহানা

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘বিএনপি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল। আমরা চাই বা না চাই—একটি নির্বাচন হলে বিএনপিই ক্ষমতায় যাবে। অর্থাৎ যত জরিপই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত বিএনপিই জয়ী হবে। যদি ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার উপদেষ্টা পরিষদ মনে করেন যে বিএনপির সঙ্গে একটি কার্যকর সম্পর্ক তৈরি করা উভয় পক্ষের জন্যই ইতিবাচক হবে, তবে এটিকে আমি একটি শুভ বার্তা বলব।
তাহলে কেন নয়? বিএনপি বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলকে এই সরকারের শত্রু বানানোর কোনো কারণ নেই।’

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে তিনি এসব কথা বলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এই সরকার কোনো রাজনৈতিক দলের নয়, অর্থাৎ এটি কোনো রাজনৈতিক দল-সমর্থিত সরকার নয়। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতের নির্বাচনে তারাও অংশ নেবে না।
এই সরকারের কোনো রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকবে বলেও আমরা মনে করি না। তাই বিএনপি হোক, জামায়াত, এনসিপি বা বাম দল—সবার সঙ্গে একটি কার্যকর সম্পর্ক থাকাটা দেশের জন্যই মঙ্গল।’

চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিএনপি চার হাজারেরও বেশি নেতাকর্মী বহিষ্কার করেছে। কিন্তু সেটি কেন কার্যকর হচ্ছে না, সেটিও আমাদের খতিয়ে দেখতে হবে।
এর ফলে বিএনপির ইমেজ সংকটে পড়ছে। আপনারা আমাদের পেলেই চাঁদাবাজির প্রসঙ্গ তোলেন। অথচ আমি ব্যক্তিগতভাবে একটি টাকাও এদিক-সেদিক করিনি। তবু আমাকে এর জবাব দিতে হচ্ছে—যা আমার জন্য মোটেও সুখকর নয়। যদি সত্যিই আমি বালুমহল দখল করতাম, পাথর বা মাটি কাটার ব্যবসায় জড়িত থাকতাম, তাহলে আপনার প্রশ্নের জবাব দিতে আমার কোনো সমস্যা হতো না।
কিন্তু আমি কিছুই করিনি।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিএনপি, এনসিপি, জামায়াত—সবাই মিলে ঐকমত্যের ভিত্তিতে মাটি আর বালুর ব্যবসা করছে। তাহলে সরকার কী করছে? এই সরকার তো বিএনপির নয়, আওয়ামী লীগের নয়, জামায়াতের নয়, জাতীয় পার্টিরও নয়। এটি একটি নন-পলিটিক্যাল সরকার। তাহলে নন-পলিটিক্যাল সরকার কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না?’

ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে সার্জিও গরকে মনোনীত করলেন ট্রাম্প

সার্জিও গোরকে ভারতে নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার নিজের এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্টে ৩৮ বছর বয়সী গর লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিনিধিত্ব করা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান হবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আস্থা ও বিশ্বাসের জন্য আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের হোয়াইট হাউস প্রশাসন ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে।
আমেরিকান জনগণের সেবা করতে পেরে আমি গর্বিত। এই মনোনয়ন আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন।’

উজবেকিস্তানে জন্ম নেওয়া গর শৈশবে মাল্টায় চলে যান। পরে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন এবং রিপাবলিকান পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয় হন।
তিনি প্রথমে সিনেটর র‌্যান্ড পলের সঙ্গে কাজ করেন। পরবর্তীতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচারণার তহবিল সংগ্রহ ও বই প্রকাশের কাজে যুক্ত হন। শখের বশে বিয়ের অনুষ্ঠানে ডিজে হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।

ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে সার্জিও গরকে নিজের ‘দীর্ঘদিনের বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘প্রেসিডেনশিয়াল পারসোনাল ডিরেক্টর হিসেবে সার্জিও ও তার দল রেকর্ড সময়ে প্রায় ৪ হাজার আমেরিকা ফার্স্ট দেশপ্রেমিক নিয়োগ দিয়েছে।
আমাদের সব বিভাগ ও সংস্থার ৯৫ শতাংশ পদ পূর্ণ হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল অঞ্চলের জন্য আমার এমন একজনকে দরকার যে আমার এজেন্ডা বাস্তবায়নে নির্ভরযোগ্য হবে এবং আমেরিকাকে আবারও মহান করে তুলবে। সার্জিও অসাধারণ রাষ্ট্রদূত হবেন।’

ট্রাম্প জানান, সিনেটের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত গর হোয়াইট হাউসে তার বর্তমান দায়িত্বেই থাকবেন। ট্রাম্প সম্প্রতি ভারতে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন, যার মধ্যে ২৫ শতাংশ শাস্তিমূলক শুল্ক রয়েছে রাশিয়ার তেল কেনার কারণে।
এই পরিস্থিতিতে গরের মনোনয়নকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র : এনডিটিভি

ঢাকার পরিবেশ রক্ষায় সামগ্রিক ব্যবস্থার পরিবর্তন জরুরি : রিজওয়ানা

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ‘ঢাকার পরিবেশ রক্ষায় সামগ্রিক ব্যবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন। শুধু ব্যক্তির পরিবর্তন নয়, দেশের সামগ্রিক ব্যবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন। আমাদের সবাইকে পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত হতে হবে এবং পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে আসতে হবে।’

আজ শনিবার ঢাকার মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) অডিটরিয়ামে আয়োজিত ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশন (এফজিডি) শীর্ষক ‘ডি-সেন্ট্রালাইজেশন অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ওয়েলফেয়ার অব দ্য ক্যাপিটাল : টুয়ার্ডস আ সাসটেইনেবল ঢাকা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা জানান, শিল্পদূষণের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করা হবে এবং ঢাকার আশপাশের নদী দূষণরোধে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। পলিথিনবিরোধী প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। ঢাকাকে বায়ুদূষণের কারণে সাভারকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ভবন ও কক্ষের নকশা পরিবেশবান্ধবভাবে করতে হবে।
গ্রামীণ আবহই টেকসই এবং একজন আদর্শ কৃষকের জীবনযাপনই টেকসই উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি। অনাবৃত জায়গায় ঘাস লাগাতে হবে। শুধু সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, জনগণের সক্রিয় সম্পৃক্ততা অপরিহার্য।

উপদেষ্টা আরো বলেন, বর্তমান সরকার টেকসই উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে এবং জনগণকে সম্পৃক্ত করছে।
তিনি দেশ নিয়ে নতুন করে ভাবার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার দিকনির্দেশনা দেবে, কিন্তু পরিবর্তনের পথে এগিয়ে আসতে হবে সবার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রাজউকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভিত্তি স্থপতিবৃন্দ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্থপতি ইকবাল হাবিব। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি তাসকিন আহমেদ এফজিডির সভাপতিত্ব এবং সঞ্চালনা করেন।

অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন মো. জহিরুল ইসলাম, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি); মো. জিয়াউল হক, পরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর (ডিওই), বাংলাদেশ সরকার; কাজী গোলাম নাসির, সাবেক প্রধান স্থপতি, স্থাপত্য অধিদপ্তর, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়; মো. আশরাফুল ইসলাম, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ, রাজউক; ড. মো. শামসুল হক, অধ্যাপক, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, বুয়েট; লিয়াকত আলী ভূঁইয়া, সিনিয়র সহ-সভাপতি, রিহ্যাব; দিলবাহার আহমেদ, ভৌগোলিক ও নগর পরিকল্পনাবিদ, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি); ড. আদিল মোহাম্মদ খান, সভাপতি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)।

আলোচনায় বক্তারা ঢাকার বিকেন্দ্রীকরণ, পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই নগর উন্নয়ন নিয়ে মতামত প্রদান করেন। তারা মনে করেন, নগরের স্থায়ী কল্যাণ নিশ্চিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা ও শক্তিশালী নীতিমালা বাস্তবায়ন জরুরি।

ইস্তাম্বুলে হোটেল কক্ষে ২ ডাচ কিশোরের মরদেহ, বাবা হাসপাতালে

তুরস্কের ইস্তাম্বুলে এক হোটেল কক্ষে দুই ডাচ কিশোরকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে এবং তাদের বাবাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের খাওয়া খাবারের কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় গণমাধ্যম শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে।

এনটিভি টেলিভিশন চ্যানেলের তথ্যমতে, ১৫ ও ১৭ বছর বয়সী ওই দুই ছেলে ইস্তাম্বুলের ফাতিহ জেলায় ব্লু মসজিদ ও গ্র্যান্ড বাজারের কাছাকাছি একটি হোটেলে অবস্থান করছিল।
পুলিশ ও চিকিৎসাকর্মীরা পৌঁছনোর সময় তারা মৃত ছিল। চিকিৎসাকর্মীরা পৌঁছে দেখেন দুই কিশোর মৃত। পরে তাদের বাবাকে স্তম্ভিত অবস্থায় অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, তারা তুরস্কে ছুটি কাটাচ্ছিল এবং পর্যটন এলাকা তাকসিমে রাতের খাবারের জন্য গিয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হাবের তুর্ক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, ৫৭ বছর বয়সী বাবা পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি ছেলেদের সঙ্গে তাকসিমে গেলেও সেখানে ‘কিছু খাননি’।

সেই রাতে হোটেলে ফিরে এসে বাবা ছেলেদের ডাকলেও কোনো সাড়া পাননি। হোটেলের কর্মী মেহমেত কিরদাগ বাবার সাহায্যের জন্য চিৎকার শোনেন বলে এনটিভি জানিয়েছে। কিরদাগ বলেন, ‘আমি দরজায় নক করে ঢুকে দেখি দুই ছেলে মৃত, একজন বিছানায়, অন্যজন মেঝেতে…চিকিৎসাকর্মীরা আসার পর তারা সদ্য মৃত বলে জানায়।
বাবা স্তব্ধ অবস্থায় ছিলেন।’

ইস্তাম্বুল পুলিশ এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে বলে এনটিভি জানিয়েছে।

৩০ বছর বয়সে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার মালিক ডুয়া লিপা

তিন দশক আগে, ১৯৮৮ সালে কসোভোতে যুদ্ধ শুরু হলে সেখানে আটকা পড়েন তার বাবা-মা। এরপর ১৯৯২ সালে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেন যুক্তরাজ্যে, সেখানেই থিতু হন। এর পর ১৯৯৫ সালে জন্ম নেন ডুয়া লিপা। গান দিয়ে অল্প বয়সেই পেয়েছেন তারকা খ্যাতি, শুধু তাই নয়, গড়েছেন সম্পদের পাহাড়ও।

শুক্রবার ছিল এই পপ তারকার ৩০তম জন্মদিন। এই মুহূর্তে গান নিয়ে ইউরোপ, এশিয়া ও আমেরিকা ঘুরছেন তিনি, তার এই ট্যুরটির নাম ‘র‍্যাডিক্যাল অপটিমিজম ট্যুর’।

এক অচেনা কিশোরী থেকে আন্তর্জাতিক তারকা হয়ে ওঠা—ডুয়া লিপা তার আন্তরিকতা ও নিঃসংকোচভাবে জীবন ও শিল্প ভাগ করে নেওয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্বের কোটি ভক্তের হৃদয় জয় করেছেন।

১৫ বছর বয়সে সিলভিয়া ইয়ং থিয়েটার স্কুলে সংগীত এবং অভিনয়ের প্রশিক্ষণ শুরু করেন ডুয়া লিপা।
সেসময় তিনি একজন ওয়েট্রেস এবং মডেল হিসেবে কাজ করার সাথে সাথে ইউটিউব এবং সাউন্ডক্লাউডে মৌলিক গান এবং কভার পোস্ট করেন, যতক্ষণ না ২০১৩ সালে তিনি একজন এজেন্টের সাথে চুক্তিবদ্ধ হন এবং তার পরেই ওয়ার্নার ব্রাদার্সের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে তার সংগীত ক্যারিয়ার শুরু করেন।

২০১৫ সালে, তিনি তার প্রথম একক গান প্রকাশ করেন, যার মধ্যে রয়েছে নিউ লাভ এবং বি দ্য ওয়ান, এবং ২০১৭ সালে, তিনি তার প্রথম অ্যালবাম প্রকাশ করেন, যেখানে পপ, নৃত্য এবং আরএন্ডবি মিশ্রিত হয়। নিউ রুলস এবং আইডিজিএএফের মতো হিট গানগুলো তাকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং পুরষ্কার এনে দেয়, যার মধ্যে সেরা নতুন শিল্পীর জন্য গ্র্যামিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

২০২০ সালে, ডুয়া ফিউচার নস্টালজিয়া প্রকাশ করেন, যার মধ্যে ডোন্ট স্টার্ট নাউ এবং লেভিটেটিং এর মতো হিট গান অন্তর্ভুক্ত ছিল, সেরা পপ ভোকাল অ্যালবামের জন্য গ্র্যামি এবং বছরের সেরা ব্রিটিশ অ্যালবামের জন্য একটি BRIT পুরস্কার জিতেছিলেন।

গান দিয়ে শুধু খ্যাতিই পাননি ডুয়া লিপা, কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থও উপার্জন করেছেন। এ বছর ‘ফোরটি আন্ডার ফোরটি রিচ লিস্ট’ প্রকাশ করছে দ্য সানডে টাইমস। তালিকায় ৩৪তম অবস্থানে রয়েছেন ব্রিটিশ–আলবেনিয়ান এ গায়িকা। তার মোট সম্পদের পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২ হাজার ৪২০ কোটি টাকা!

ডুয়া লিপা দেখিয়ে দিয়েছেন যে, ধারাবাহিকতা এবং প্যাশন একটি সফল ক্যারিয়ার গড়ার চাবিকাঠি। গত এক দশকে এই গায়িকা নানা বাধা এবং সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন, তবে তিনি এমন গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকও অর্জন করেছেন যা তাকে সমসাময়িক পপ জগতের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
তার জীবনের গল্প একটি উদাহরণ যে, কিভাবে নিষ্ঠা সুযোগগুলোকে স্থায়ী সাফল্যে রূপান্তরিত করতে পারে।

তার সর্বশেষ অ্যালবাম ছিল ‘র‍্যাডিক্যাল অপটিমিজম’, সেই একই শিরোনামে ওয়ার্ল্ড ট্যুরে বেড়িয়েছেন তিনি।

গানের মানুষ ডুয়া লিপাকে অভিনয়েও দেখা যায়। ‘বার্বি’ দিয়ে ২০২৩ সালে অভিনয়ে অভিষেক ঘটেছে তার। এ ছাড়া ‘আরগাইল’ সিনেমায়ও তাকে দেখা গেছে।

স্যাভিনিওকে হারালে আরেক ব্রাজিলিয়ানকে নিতে পারে ম্যানসিটি

ম্যানচেস্টার সিটি তাদের ব্রাজিলিয়ান তারকা স্যাভিনিওকে হারাতে বসেছে। টটেনহাম হটস্পারে এই ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গারকে দলে টানতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় বিকল্প হিসেবে রিয়াল মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড রদ্রিগোর দিকে নজর দিয়েছে সিটি। ইংলিশ গণমাধ্যমের খবর, সিটি তাকে দলে ভেড়াতে প্রস্তুত ৭০ মিলিয়ন পাউন্ড পর্যন্ত খরচ করতে।

টটেনহাম এর আগে ক্রিস্টাল প্যালেসের এবেরেচি এজেকে দলে নিতে চাইলেও ব্যর্থ হয়। ৬৮ মিলিয়ন পাউন্ডে লন্ডনেরই আরেক ক্লাব আর্সেনালে যোগ দেওয়ার খবর শোনা যাচ্ছে। ফলে বড় তারকা সাইনিংয়ের খোঁজে থাকা স্পার্স এখন স্যাভিনিওকে লক্ষ্য বানিয়েছে।

যদিও সিটি এখনই তাকে ছাড়তে চায় না, তবে যদি খেলোয়াড় নিজে ট্রান্সফারের আবেদন করেন এবং টটেনহাম গ্রহণযোগ্য প্রস্তাব দেয়, তবে গার্দিওলার দল বিকল্প খুঁজতে বাধ্য হবে।

ইতিমধ্যেই নজরে এসেছে ব্রাজিলিয়ান তারকা রদ্রিগো। তবে তাকে দলে নিতে চায় লিভারপুলও, যদি তারা আলেকজান্ডার ইসাককে সই করাতে ব্যর্থ হয়। আর্সেনালও আগে আগ্রহ দেখালেও এখন আর সেই আর্থিক সামর্থ্য তাদের নেই।

রদ্রিগো ২০২৩-২৪ মৌসুমে রিয়ালের হয়ে ১৭ গোল ও ৮ অ্যাসিস্ট করেছিলেন এবং দলের ঐতিহাসিক ট্রেবল জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন।
তবে গত মৌসুমে তিনি ছন্দ হারান, লা লিগায় মাত্র ৬ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট করতে সক্ষম হন। সবমিলিয়ে ১৪ গোল ও অ্যাসিস্ট করেন এই ব্রাজিলিয়ান।

অন্যদিকে, স্যাভিনিও গত মৌসুমে জিরোনার হয়ে দুর্দান্ত খেলেছিলেন। লা লিগায় ৪১ ম্যাচে ৯ গোল ও ১০ অ্যাসিস্ট করেন এবং মৌসুমের সেরা একাদশে জায়গা পান।

জ্যাক গ্রিলিশের বিদায়ের পর যদি সাভিনিওকেও হারায় সিটি, তবে আক্রমণভাগে বড় পরিবর্তন আসবে।
আর টটেনহাম জেমস ম্যাডিসনের গুরুতর চোটের কারণে মরিয়া হয়ে একটি বড় নামের খোঁজ করছে।

ডাকসু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হলে সব বলে দেব : ঢাবি উপাচার্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে কে কী করেছে সব বলে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। তিনি বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচন একটি বড় আয়োজন। এই আয়োজনে সবাই যতক্ষণ আমার হাত ধরে থাকবেন ততক্ষণ আমি মাঠে থাকব, যেখানে আমার হাত ছেড়ে দিবেন আমি সবাইকে ডেকে পরিস্কার বলে দেব।’

শনিবার (২৩ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কালো দিবসের এক আলোচনা সভায় এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

উপাচার্য বলেন, ‘পুরো জাতি ডাকসু নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। ভালো পরিবেশে ভোট আয়োজনের চেষ্টা চলছে। কমিশনের দিকনির্দেশনায় সব হচ্ছে। সকল অংশীজনের সাথেও আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে অন্যায় দেখলে প্রতিহত করার ধারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বজায় ছিল। যেকোনো পরিস্থিতিতে ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।’

এ সময় সেনাবাহিনীসহ সকল অংশীজনদের একসঙ্গে মিলে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

তরুণরা দীর্ঘ ১৭ বছর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি : মঈন খান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, যারা ১৮ বছর বয়সে ভোটের অধিকার পায়, তারা গত ২০০৯ থেকে ২০২৫, দীর্ঘ ১৭ বছর তাদের মৌলিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। আজকে তারা ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে।

তিনি বলেন, ‘গুটিকয়েক তরুণ ছাত্র যারা সরকারের অংশ হয়ে ভাবছে, তাদের চিন্তা দেশের বাকি তরুণদের মতো নয়। সারা দেশের তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে ভুলে গিয়ে নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব নয়।

শনিবার (২৩ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘তারেক রহমানের রাজনীতি : গণ-অভ্যুত্থানের সাবলিমিটি’ বই প্রকাশনা উৎসবের আলোচনাসভায় তিনি এ কথা বলেন।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ‘প্রথম ছন্দপতন হয়েছিল ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি দাবি করলেও মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার একদলীয় শাসন চাপিয়ে দিয়েছিল। স্বাধীনতার দুটি উদ্দেশ্য ছিল—গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দেশের দরিদ্র মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি।
কিন্তু বারবার সেই পথে ছন্দপতন ঘটেছে।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের জন্ম যদি ক্যান্টনমেন্টে না হয়ে থাকে, তাহলে কেন তারা মুক্তিযুদ্ধের পর গণতন্ত্রকে পাশ কাটিয়ে একদলীয় শাসন চাপিয়ে দিল—এ প্রশ্ন তুলতে হবে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘খালেদা জিয়া কোনো পেছনের দরজা দিয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করেননি, তিনি সম্মুখ দরজা দিয়েই রাজনীতিতে এসেছেন। ছাত্ররা ভবিষ্যতের নেতা।
কিন্তু প্রস্তুতি না নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে গেলে ভবিষ্যতে মহাসমস্যার মুখোমুখি হতে হবে।’

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘কোটি কোটি মানুষ সরকারের কার্যক্রমে কেন হতাশ, সেই প্রশ্ন আজ দেশের সামনে। যদিও দেরিতে হলেও নির্বাচনের সময় ঘোষণার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পাল্টে গেছে।’

তরুণ প্রজন্মকে কেন্দ্র করে তিনি বলেন, ‘তরুণ যুবকেরা, যারা ১৮ বছর বয়সে ভোটের অধিকার পায়, তারা গত ২০০৯ থেকে ২০২৫, দীর্ঘ ১৭ বছর তাদের মৌলিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। আজকে তারা ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে।
গুটিকয়েক তরুণ ছাত্র যারা সরকারের অংশ হয়ে ভাবছে, তাদের চিন্তা দেশের বাকি তরুণদের মতো নয়। সারা দেশের তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে ভুলে গিয়ে নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব নয়।’

তিনি সবশেষে বলেন, ‘দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্রের মাধ্যমে সুশাসন নিশ্চিত করতে বিএনপি কাজ করে যাবে।’

আলোচনাসভায় আরো উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. লিয়াকত আলী, অধ্যাপক ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন, অধ্যাপক জামাল উদ্দিন রুনু ও অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আমীরুল ইসলাম।