বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬

পুতিনের গড়িমসি সহ্যের সীমা ছাড়িয়েছে : ট্রাম্প

ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আচরণ সহ্যের সীমা ছাড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে শুক্রবার দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেন, ইউরোপে শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রের চেষ্টা অচিরেই সফল হবে।

ইউক্রেন ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের জেদের কারণে ইউরোপে চলমান সংঘাত নিরসন কঠিন হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন এই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট।

তিনি জানান, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যুদ্ধ বন্ধে রাজি থাকলেও এখন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বেঁকে বসেছেন।
আর শুরুতে শান্তি আলোচনায় রাশিয়ার আগ্রহ থাকলেও ইউক্রেন থেকে এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।

এ সময় ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের গড়িমসি সহ্যের সীমা ছাড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারে ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন উল্লেখ করে ট্রাম্প জানান, তিনি ভেবেছিলেন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা এগিয়ে নেওয়া সহজ হবে।

সাক্ষাৎকারে ইউরোপে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অ্যামেরিকার চেষ্টা অচিরেই সফল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

রাশিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা দেশটির অর্থনীতিকে ভয়ানক পরিস্থিতির মুখে ফেলেছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প।

ট্রাম্প বলেছেন, রাশিয়ার যুদ্ধে অর্থায়ন বন্ধ করে দিতে দেশটির সহযোগী দেশগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তার প্রশাসন।

রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি আমদানির মাধ্যমে যেসব দেশ ইউক্রেনে আগ্রাসন চালানোর রসদ জুগিয়ে যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ার করেন ট্রাম্প।

ইউক্রেন যুদ্ধকে ইউরোপের সংকট বলে মনে করেন প্রেসিডেন্ট।

তার মন্তব্য, যুদ্ধে অ্যামেরিকার চেয়ে ইউরোপের দেশগুলো কম খরচ করেই পার পেতে চাইছিল। তার প্রশাসন ইউক্রেন বিষয়ে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ন্যাটো আবারও আস্থার জায়গা ফিরে পেয়েছে।

মেসির পেনাল্টি মিস, শার্লটের সামনে ভেঙে পড়ল মায়ামি

লিগস কাপের ফাইনালে হারের দুঃখ এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি ইন্টার মায়ামি। সিয়াটল সাউন্ডার্সের কাছে ট্রফি হারানোর পর এবার মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) শার্লটের বিপক্ষে হোঁচট খেল লিওনেল মেসির দল। তিন গোল হজম করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাদের।

শার্লটের মাঠে ম্যাচের শুরুর দিকে অবশ্য মায়ামিই গোলের সুযোগ পেয়েছিল।
বক্সে মেসিকে ফাউল করলে পেনাল্টির সুযোগ আসে অতিথিদের সামনে। তবে সেই সুযোগ হাতছাড়া করেন আর্জেন্টাইন তারকা। তার নেওয়া পানেনকা শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন শার্লটের গোলরক্ষক ক্রিস্তিয়ান খালিনা।

পেনাল্টি মিসের পর যেন ভেঙে পড়ে মায়ামির রক্ষণ।
৩৪ মিনিটে গোল করে ইদান টোকলোমাতি শার্লটকে এগিয়ে নেন। বিরতির পরপরই দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। শেষ দিকে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক। আর তাতেই নিশ্চিত হয় দলের টানা নবম জয়।

এই জয়ে ৩০ ম্যাচে শার্লটের পয়েন্ট দাঁড়াল ৫৩, তারা এখন এককভাবে শীর্ষে। অন্যদিকে ২৬ ম্যাচে ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের অষ্টম স্থানে নেমে গেছে মায়ামি।

খেলার পর মায়ামি কোচ হাভিয়ের মাসচেরানো বলেন, ‘আজ আমরা মোটেই ভালো খেলতে পারিনি। শার্লট আমাদের দুর্বল মুহূর্তগুলো কাজে লাগিয়েছে। পেনাল্টি মিসটা ম্যাচ ঘুরিয়ে দিয়েছে।

মেসির পেনাল্টি মিস নিয়ে কোচ বলেন, ‘লিও আমাদের মৌসুমজুড়ে সাহায্য করেছে। আজ সুযোগ কাজে না লাগলেও তার অবদান নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই।’

মাহফুজদের ব্যবহার করে এখন মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে সরকার : নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, এই সরকার ও উপদেষ্টারা মাহফুজদের যথেচ্ছ ব্যবহার করে এখন মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘সরকার ও উপদেষ্টা পরিষদের ভেতরেও মাহফুজ আলমকে অপদস্থ ও হত্যার মৌন সম্মতি তৈরি করা হয়েছে।’ সম্প্রতি লন্ডনে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ওপর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হামলার চেষ্টা নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়ায় এই মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে গত শুক্রবার লন্ডনের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজ (সোয়াস) ক্যাম্পাসে আয়োজিত একটি সেমিনারে যোগ দিয়েছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।
স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় সোয়াস ক্যাম্পাসের পেছনের রাস্তা দিয়ে হাইকমিশনের গাড়ি বের হলে গাড়ির ওপর ডিম নিক্ষেপ করেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

এ বিষয়ে শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দেওয়া স্ট্যাটাসে নাহিদ ইসলাম লিখেছেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম কেন্দ্রীয় চরিত্র ও অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ওপর লন্ডনে হামলার চেষ্টা হয়েছে। এর আগে আমেরিকায় হামলা ও অপদস্থ করার চেষ্টা করা হয়েছে। বারবার মাহফুজ আলমের ওপর আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের হামলা।
কারণ, মাহফুজ আলমই টার্গেট। পরবর্তী ধাপে আমরা প্রত্যেকেই টার্গেট হব। আমরা জানি, আমাদের জন্য কী অপেক্ষা করে আছে। গোপালগঞ্জে ফ্যাসিস্টদের নৃশংসতা আমরা দেখে আসছি।

নাহিদ ইসলাম লেখেন, ‘মাহফুজ আলমের ওপর হামলার মৌন সম্মতি যারা তৈরি করছে, তারাও ভুগবে। ফ্যাসিবাদ বিভাজনের রাজনীতি করে। মাহফুজ আলম গণ-অভ্যুত্থানের পরে অন্তর্ভুক্তি এবং দায় ও দরদের রাজনীতির কথা বলছেন। কিন্তু বাংলাদেশ সেই পথে হাঁটে নাই।’ তিনি বলেন, ‘আমরা দেখতে পাইছি, ফ্যাসিবাদ বিরোধিতার নাম করে প্রতিক্রিয়াশীল ও প্রতিশোধের রাজনীতি শুরু করছে বিভিন্ন গ্রুপ, যা অবশ্যম্ভাবীভাবে ফ্যাসিবাদকে ফিরিয়ে আনবে।
সময় প্রমাণ করবে, মাহফুজ আলমই সঠিক ছিল, যদি তত দিন উনি বেঁচে থাকার সুযোগ পান।’

নাহিদ ইসলাম আরো লেখেন, ‘মাহফুজ আলমের ওপর হামলার ঘটনায় কোনোবারই অন্তর্বর্তী সরকার কোনো জোরালো পদক্ষেপ নেয়নি। কোনো শক্ত বার্তা দেয়নি। কোনো উপদেষ্টা বা প্রেসসচিব একটা মন্তব্যও কখনো করেননি। সরকার ও উপদেষ্টা পরিষদের ভেতরেও মাহফুজ আলমকে অপদস্থ ও হত্যার মৌন সম্মতি তৈরি করা হয়েছে। এই সরকার ও উপদেষ্টারা মাহফুজদের যথেচ্ছ ব্যবহার করে এখন মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছেন।’ তিনি বলেন, ‘আমরা এগুলো মনে রাখছি। রাজনৈতিকভাবে এর জবাব দেওয়া হবে।’

ইসরায়েলের হামলায় গাজা সিটিতে ৪৯ ফিলিস্তিনি নিহত, বাস্তুচ্যুত ৬ হাজার

ইসরায়েলি বাহিনী গাজা সিটিতে হামলা জোরদার করেছে। তারা ধারাবাহিকভাবে ভবন ধ্বংস করছে, যার মধ্যে জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুল-আশ্রয়শিবিরও রয়েছে। এসব হামলায় অন্তত ৪৯ জন নিহত হয়েছেন। খবর আল জাজিরার।

শনিবার গাজা সিটির নিহতদের যুক্ত করলে গোটা গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় ওই দিন মোট ৬২ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারান।

ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী, গাজা সিটিতে নিরবচ্ছিন্ন বোমাবর্ষণের কারণে আরো ৬ হাজারেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

সংস্থার মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, গাজা সিটির বাসিন্দারা বর্তমানে ক্রমাগত অবরোধ ও বোমাবর্ষণের কারণে অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে দিন কাটাচ্ছেন।

সাক্ষীদের বরাতে জানা গেছে, ইসরায়েলি বাহিনী দ্রুতগতিতে হামলা চালাচ্ছে গাজা সিটিতে, নগরকেন্দ্র দখলের উদ্দেশ্যে।
ক্ষুধার্ত ও আতঙ্কগ্রস্ত ফিলিস্তিনিদের জীবন বাঁচাতে পালিয়ে যেতে বাধ্য করতে আকাশ থেকে লিফলেটও ছড়ানো হয়েছে।

আল জাজিরার হানি মাহমুদ গাজা সিটি থেকে জানান, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান প্রতি ১০ থেকে ১৫ মিনিট অন্তর আবাসিক ভবন ও জনসাধারণের স্থাপনায় বোমা ফেলছে, অনেক সময় মানুষকে নিরাপদে সরে যাওয়ার পর্যাপ্ত সময়ও দেওয়া হচ্ছে না।

সাংবাদিকদের ন্যূনতম বেতন ৩৫ হাজার টাকা হওয়া উচিত : প্রেসসচিব

সাংবাদিকদের বেতন ন্যূনতম ৩৫ হাজার টাকা হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, সাংবাদিকরা কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতায় পড়লে এর দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মিডিয়া মালিককে নিতে হবে। প্রতিবাদকে মব হিসেবে না দেখার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেন তিনি।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে আয়োজিত ‘গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিআরইউ ও জার্নালিস্ট কমিউনিটি অব বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রেসসচিব বলেন, ‘গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে অনেক ভালো সুপারিশ আছে। আর যেসব জায়গায় অসংগতি রয়েছে সেগুলোর সমালোচনা করা প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের যে ধারা তুলে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে তা থাকা প্রয়োজন।
কেননা ধর্মীয় কারণে অনেক ভায়োলেন্স তৈরি হয়। এসব ভায়োলেন্স বন্ধ করার জন্য ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের শাস্তির বিধানটা থাকা প্রয়োজন।’

শফিকুল আলম বলেন, ‘নো ওয়েজ বোর্ড নো মিডিয়া নীতির সঙ্গে আমি একমত। এটি বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।
যারা সম্পাদক ও প্রকাশক হবেন তাদের ইউনিয়ন থেকে পদত্যাগ করা উচিত। কারণ এটি নীতিবিরুদ্ধ। সাংবাদিকদের অবশ্যই সার্টিফিকেশন থাকতে হবে। কারণ অপসাংবাদিকতার কারণে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

আলোচনায় গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ রিভিউ করার দাবি জানানো হয়েছে।
সেই সঙ্গে ‘নো ওয়েজ বোর্ড নো মিডিয়া’ নীতি কার্যকর করা এবং সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করার পরামর্শ দেন সাংবাদিকরা। প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার জন্য ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন করারও তাগিদ দিয়েছেন তারা।

ইউটিউবভিত্তিক গণমাধ্যমে আরো দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে : প্রেসসচিব

প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ইউটিউবভিত্তিক গণমাধ্যমে আরো দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। কারণ পৃথিবীর কোনো দেশেই সেনাবাহিনীর মতো স্পর্শকাতর ইস্যুতে ২০ মিনিটের ভিডিও প্রকাশ করা হয় না। অথচ বাংলাদেশে এগুলো প্রতিনিয়তই ঘটছে।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ের শফিকুল কবির মিলনায়তনে ‘গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা ও করণীয়’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি প্রতিবাদকে মব হিসেবে না দেখার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেছেন।

প্রেসসচিব বলেন, ‘মিডিয়া লাইসেন্স নিতে হলে অনলাইনের জন্য ১০ থেকে ১৫ কোটি, পত্রিকার জন্য ২০ কোটি ও টিভির জন্য ২০-২৫ কোটি টাকা সিকিউরিটি হিসেবে সরকারের কাছে জমা রাখতে হবে। যখন হাউসগুলো ভালনারেবল হবে তখন সাংবাদিকদের বেতন-ভাতা দেওয়ার জন্য এগুলো কাজে আসবে।’

সভাপতির বক্তব্যে আবু সালেহ আকন বলেন, ‘আমাদের অধিকার আমাদের আদায় করে নিতে হবে।
বিপ্লবের পরে মিডিয়ার কাঠামোগত কোনো পরিবর্তন হয়নি। সাংবাদিকরা এখনো মবের শিকার হচ্ছে। ডিএফপির অনিয়মের কারণে সমালোচনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। কিন্তু ব্যবস্থা নিচ্ছে না সরকার।

এম আবদুল্লাহ বলেন, ‘ইউনিয়নের পাশাপাশি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, প্রেস ক্লাব ও অন্যান্য সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে সরকারের স্বীকৃতি দেওয়া দরকার। কারণ সারা দেশে ইউনিয়নের শাখা নেই। প্রবীণ সাংবাদিকদের ভাতার আওতায় আনতে হবে।’

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জার্নালিস্ট কমিউনিটি অব বাংলাদেশের সদস্যসচিব মো. মিয়া হোসেন। মিয়া হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, ‘কমিটির সুপারিশের ১৩ ধারাতে সাংবাদিক নির্যাতন ধারাকে জামিনযোগ্য করা হয়েছে।
অথচ বিদ্যমান দণ্ডবিধিতে সাংবাদিক নির্যাতনের ধারা অজামিনযোগ্য রয়েছে। এর মাধ্যমে অপরাধীকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। যার কারণে অপরাধীরা আরো নির্যাতনে উৎসাহিত হবে।’ তিনি আরো বেশ কিছু ধারা ও উপধারায় সীমাবদ্ধতার কথা বলেন।

নির্বাচনের ডেডলাইনে আপত্তি নেই, প্রয়োজনে কাল নির্বাচন দিন : হাসনাত আবদুল্লাহ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘নির্বাচনের ডেডলাইন নিয়ে আমাদের কোনো আপত্তি নেই, প্রয়োজনে আগামীকাল নির্বাচন দিন। কিন্তু আমাদের একটি লিখিত নতুন সংবিধান লাগবে। যে সংবিধানে মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে।’

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের তুলাগাঁও গ্রামে ‘উঠানে রাজনীতি’ শীর্ষক একটি উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ওই বৈঠকে হাসনাত আবদুল্লাহ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনার উপদেষ্টারা অনেকেই নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছেন, এটা আমরা বিশ্বাস করতে চাই না। আপনাদের জুলাই ছাত্র আন্দোলনের শহীদদের রক্তের ওপর বসানো হয়েছে। আপনারা জনমানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করুন।’

হাসনাত আবদুল্লাহ প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে আরো বলেন, ‘আপনি ঘোষণা দিন যে খেলার নিয়ম চেঞ্জ হয়েছে, এ খেলার নিয়মের একটি আইনগত ভিত্তি দিন, এরপর আপনি আগামী মাসেই নির্বাচন দিন।
আমি নির্বাচিত হই বা না হই আমার দুঃখ নেই। কিন্তু জনগণ যাকে ভোট দেবে, সে নির্বাচিত হতে পারবে। এতে আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু আমাদের নির্বাচনের আগে ভাঙা ঘর চেঞ্জ করতে হবে।
আপনি আমাদের ভাঙা ঘরের দরজা পরিবর্তন করবেন না, জানালা পরিবর্তন করবেন না, শুধু দারোয়ান পরিবর্তনের জন্যই কি আমরা নির্বাচন করব? শুধু দারোয়ান পরিবর্তন করে আমরা ৫০ বছর দেখেছি, টেন্ডারবাজি থামানো যায়নি, থামানো যায়নি ভোট ডাকাতি। আমরা ধারণা পরিবর্তন করব। একই সঙ্গে দরজাও ঠিকঠাক মতো লাগাবে। এ জন্য মুখের কথা বিশ্বাস করি না, আমাদের একটি নতুন সংবিধান চাই।’

হাসনাত আবদুল্লাহ আরো বলেন, ‘আমরা দেখেছি ভোটের আগে নেতারা টাকা দিয়ে আপনার-আমার মুখ বন্ধ করে রাখেন।
এটা আর আমরা হতে দেব না, সামনে যে নির্বাচন হবে, ওই নির্বাচনে আমাদের কিছু শর্ত আছে। ওই শর্তগুলোর লিখিত ভিত্তি দিতে হবে। এটাই রাষ্ট্র সংস্কার। এই দেশ হাজার হাজার মানুষের রক্তে ভেজা, এখানে আমরা মুখের কথা বিশ্বাস করি না। এগুলোর আইনগত ভিত্তি দিয়েই নির্বাচন দিতে হবে, যার পক্ষই যাক। যারা এই নিয়ম ভাঙবে পরবর্তী জেনারেশন যেন তাদের চোখে আঙুল দিয়ে ধরতে পারে। রাষ্ট্রের মধ্যে যত অনিয়ম-দুর্নীতি হয় এগুলো ভুক্তভোগী হয় সাধারণ মানুষ, কোনো মন্ত্রী-এমপি নয়। এমপি সব সময় এমপি হন, মন্ত্রী সব সময় মন্ত্রী হন। তাদের ছেলে-মেয়েরাও এমপি-মন্ত্রী হন। তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়, কিন্তু এই সাধারণ খেটে খাওয়ার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয় না।’

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের এই মুখ্য সংগঠক বলেন, ‘২০১৪ সালে ভোটের আগের দিন রাতে ঘরের দরজায় টোকা দিতেন কিছু নেতা, ঘরের ভেতর থেকে আওয়াজ আসত ঘরে আমরা পাঁচজন, এ রকমও হয়েছে। তারা রাতের বেলায় ৫০০-১০০০ টাকা দিয়ে আপনার-আমার ভাগ্য কিনতেন। আর পাঁচ বছর রাস্তাঘাটের কাজে দুর্নীতি-অনিয়ম করতেন। আমাদের প্রতিজ্ঞা করতে হবে আমরা আর তাদের টাকার কাছে বিক্রি হবো না। যারা পাঁচ বছর আমাদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলবেন, তারা যে টাকা দিয়ে ভোট কেনেন ওই টাকা কোথায় থেকে আসে একবারও কি আপনার মনে প্রশ্ন আসে না? তারা এ টাকা কোথাও না কোথাও থেকে দুর্নীতি করে এনেছেন। এই টাকা নির্বাচনের পর জনগণের কাছ থেকেই আবার তুলে নেবেন।’

দেবীদ্বার উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক জামাল মোহাম্মদ কবীরের সভাপতিত্বে এ বৈঠকে আরো বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আলম, এহতেশাম হক, দেবীদ্বার উপজেলা সার্চ কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

অপরাধ নিয়ন্ত্রণে স্থানীয়দের অংশগ্রহণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ : ডিএমপি কমিশনার

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, পুলিশের সাফল্যের প্রধান নিয়ামক হলো জনসম্পৃক্ততা। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় নাগরিকদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) গুলশান থানায় ল’ অ্যান্ড অর্ডার কোঅরডিনেশন কমিটি (এলওসিসি) কর্তৃক আয়োজিত এক বিশেষ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে স্থানীয় জনসাধারণের উদ্যোগ ও আর্থিক সহায়তায় পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা হয়।
এর ফলে অপরাধ প্রতিরোধের পাশাপাশি অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হচ্ছে।

এলওসিসি সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত জানান, গুলশান, বারিধারা, বনানী ও নিকেতন সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থার সেতুবন্ধন তৈরির উদ্দেশে এলওসিসি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রাথমিকভাবে ২৫টি সিসি ক্যামেরা নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে প্রায় ১৫০০ সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সমগ্র এলাকায় নিরাপত্তা সেবা দেওয়া হচ্ছে।

সংগঠনের মহাসচিব শামসুল আরেফিন চৌধুরী কারিগরি দিক উপস্থাপন করে জানান, জনগণের অর্থায়নে গড়ে ওঠা এই প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণভাবে ডিএমপির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে।

সহ-সভাপতি শওকত হোসেন দিলন বলেন, ‘এলাকাজুড়ে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ফলে স্ট্রিট ক্রাইম নেই বললেই চলে। ১৩ বছরের যাত্রায় এলওসিসি প্রমাণ করেছে, নাগরিক-পুলিশ সহযোগিতার মাধ্যমে কিভাবে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরো কার্যকর করা সম্ভব। গুলশান-বারিধারা অঞ্চলের এই সাফল্য রাজধানীর অন্যান্য এলাকাতেও অনুকরণীয় মডেল হয়ে উঠতে পারে মর্মে অভিমত প্রকাশ করেন উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ।

ডিএমপি কমিশনার গুলশান থানা ভবনে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

‘কুলি’-তে ক্যামিও নিয়ে সমালোচনার অভিযোগ অস্বীকার আমিরের

রজনীকান্তের বহুল আলোচিত ছবি ‘কুলি’ বক্স অফিসে রেকর্ড গড়লেও হঠাৎ করেই একটি ভুয়া স্ক্রিনশট ঘিরে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। সেই স্ক্রিনশটে দাবি করা হয়, আমির খান নাকি ছবিতে নিজের ক্যামিও চরিত্রকে ‘অপ্রয়োজনীয়’ এবং ‘খারাপভাবে লেখা’ বলে সমালোচনা করেছেন।

এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হলে সেই সব জল্পনা-কল্পনার ইতি টেনেছে আমির খানের টিম। তাদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে—এই কথাগুলো সম্পূর্ণ ভুয়া এবং ভিত্তিহীন।

নিউজ১৮-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, মি. আমির খান ‘কুলি’ ছবি নিয়ে কোনো নেতিবাচক মন্তব্য করেননি। তিনি এমন কোনো সাক্ষাৎকারও দেননি। মি. রজনীকান্ত, পরিচালক লোকেশ কানাগারাজ এবং পুরো টিমের প্রতি তার সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা রয়েছে। ছবিটি বক্স অফিসে ৫০০ কোটিরও বেশি আয় করেছে, যা নিজেই তার সাফল্যের প্রমাণ।

ভাইরাল স্ক্রিনশটে দাবি করা হয়েছিল, আমির নাকি বলেছেন, ‘আমি রজনী স্যারের জন্য ক্যামিও করেছি, কিন্তু এখনো বুঝতে পারছি না আমার চরিত্রের আসল উদ্দেশ্য কী ছিল। মনে হচ্ছিল, হঠাৎ এসে কয়েকটি ডায়ালগ বলে চলে গেলাম। কোনো গভীরতা ছিল না, খারাপভাবে লেখা হয়েছিল।’

এদিকে লোকেশ কানাগারাজ পরিচালিত ‘কুলি’ রজনীকান্তের ১৭১তম ছবি এবং প্রথমবারের মতো লোকেশের সঙ্গে তার কাজ।
ছবিটি ইতিমধ্যে বিশ্বব্যাপী ৫১৫ কোটিরও বেশি আয় করে ব্লকবাস্টারের তকমা পেয়েছে।

দর্শক ও সমালোচকদের মতে, শক্তিশালী গল্প, দারুণ পরিচালনা এবং রজনীকান্তের অসাধারণ অভিনয়ই ছবির সাফল্যের মূল রহস্য।

নেপালে ভেঙে দেওয়া সংসদ পুনর্বহালের দাবি প্রধান দলগুলোর

নেপালের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেলের কাছে ভেঙে দেওয়া সংসদ পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে, যা প্রাণঘাতী দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভের পর বিলুপ্ত করা হয়েছিল।

নেপালি কংগ্রেস, সিপিএন-ইউএমএল, মাওবাদী কেন্দ্রসহ আটটি দল শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট অসাংবিধানিকভাবে এ কাজ করেছেন।

অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির সুপারিশে শুক্রবার প্রেসিডেন্ট পৌডেল প্রতিনিধি পরিষদ ভেঙে দেন, যা বিক্ষোভকারীদেরও একটি প্রধান দাবি ছিল।

গত সপ্তাহে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিষিদ্ধের জেরে ছড়িয়ে পড়া গণবিক্ষোভে দাঙ্গা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ৫০ জনেরও বেশি নিহত হয়।
বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সমঝোতার পর কার্কিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সোমবার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলেও ততক্ষণে বিক্ষোভ ব্যাপক আন্দোলনে রূপ নেয়। ক্ষুব্ধ জনতা মঙ্গলবার রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে সংসদ ও সরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগ করে। ওই অবস্থায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি পদত্যাগ করেন।

আট দলের প্রধান হুইপদের স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে শনিবার সংসদ পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়। তারা যুক্তি দেন, প্রেসিডেন্টের নেওয়া পদক্ষেপ অসাংবিধানিক এবং নেপালের বিচার বিভাগের নির্ধারিত দৃষ্টান্তের পরিপন্থী।

তরুণ প্রজন্মের তথাকথিত জেন-জি আন্দোলনের নেতাদের অন্যতম দাবি ছিল সংসদ ভেঙে দেওয়া। তবে আট দল বলছে, বিক্ষোভকারীদের দাবি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমেই সমাধান করা উচিত, যার মধ্যে আগামী বছরের ৫ মার্চের নতুন নির্বাচনের ঘোষণাও অন্তর্ভুক্ত।

প্রেসিডেন্ট পৌডেল এখনো রাজনৈতিক দলগুলোর এই বিবৃতির আনুষ্ঠানিক জবাব দেননি।

এদিকে ৭৩ বছর বয়সী সাবেক প্রধান বিচারপতি কার্কি, যিনি বর্তমানে দেশটির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, শনিবার কাঠমাণ্ডুতে সংক্ষিপ্ত এক অনুষ্ঠানে শপথ নেন। তিনি কয়েক দিনের মধ্যেই মন্ত্রিসভা ঘোষণা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

স্বচ্ছ ভাবমূর্তির জন্য পরিচিত কার্কি অন্তর্বর্তী সরকারে তার নেতৃত্বে জেন-জি আন্দোলনের ছাত্রনেতাদের সমর্থন পাচ্ছেন। তবে তার মন্ত্রিসভার সামনে রয়েছে একাধিক বড় চ্যালেঞ্জ—আইন-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সংসদ ও অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য ভবন পুনর্নির্মাণ, পরিবর্তনের প্রত্যাশায় থাকা জেন-জি আন্দোলনের তরুণদের আস্থা অর্জন এবং নেপালের গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বিগ্ন জনগণকে আশ্বস্ত করা।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে সহিংসতার জন্য দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করা।

কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অস্থিরতার পর নেপাল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরছে। কার্কি শপথ নেওয়ার পর কাঠমাণ্ডুর রাস্তায় টহলরত সেনারা ব্যারাকে ফিরে গেছে।

গত সপ্তাহে সরকারের সিদ্ধান্তে হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুকসহ ২৬টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফরম নিষিদ্ধ করা হয়। তবে শিগগিরই এ নিষেধাজ্ঞা দুর্নীতির অভিযোগ ও রাজনৈতিক অভিজাত শ্রেণির বিরুদ্ধে বহুদিনের ক্ষোভে ঘনীভূত বিক্ষোভে রূপ নেয়। নিষেধাজ্ঞা তড়িঘড়ি করে সোমবার রাতেই তুলে নেওয়া হলেও তখন পর্যন্ত বিক্ষোভ এমন গতি পেয়েছিল, যা আর থামানো যায়নি।