সোমবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬

মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের জন্য প্রস্তুত ৭০ গাড়ি

gartনতুন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জন্য ৭০টি গাড়ি প্রস্তুত রয়েছে। এরমধ্যে আগের ৩৫টি গাড়ি। আর নতুন করে ৩৫টি গাড়ি প্রস্তত করা হয়েছে।
জানা গেছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চাহিদা অনুযায়ী নতুন ৩৫টি গাড়ি মন্ত্রীসভার নতুন সদস্যদের জন্য প্রস্তুত করে সচিবালয়ে পাঠিয়েছে পরিবহন পুল।  রোববার বিকাল সাড়ে ৩টায় বঙ্গভবনে শপথের আগে সকাল থেকেই সচিবালয়ের গেইটে সারি বেঁধে সাজিয়ে রাখা হয়েছে কালো রঙের গাড়িগুলো।
ঝকঝকে তকতকে প্রতিটি গাড়ির সামনে পতাকার দণ্ড সাদা কভারে ঢাকা। প্রতিটি গাড়ির জন্য চালকও প্রস্তুত আছেন।  গাড়ি পাঠানোর বিষয়টি জানিয়ে পরিবহন পুল থেকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যে চিঠি পাঠানো হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে-  “মন্ত্রিসভা বিভাগের চাহিদা অনুযায়ী নতুন করে ৩৫টি গাড়ি সরবরাহ করা হলো।”
নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিলেই গত নভেম্বরে গঠিত ২৯ সদস্যের নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভার দায়িত্ব শেষ হবে। যারা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টা ছিলেন, মন্ত্রিসভার শপথের আগেই তাদের অব্যাহতি দেয়া হবে।  প্রটোকল অনুযায়ী তারা সবাই সরকারি গাড়ির সুবিধা পান।
সেগুলো কার্যকর থাকায় মন্ত্রিপরিষদ ও উপদেষ্টাদের জন্য মন্ত্রিসভা বিভাগের বরাদ্দ করা গাড়ির সংখ্যা দাঁড়াল ৭০টি। অবশ্য ঠিক কতোজন সদস্য নতুন সরকারের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন- সে বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এখনো কিছু জানায়নি।
শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রধান দায়িত্বে থাকা মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইঞা জানিয়েছেন, মন্ত্রিসভার সদস্যদের দপ্তর বণ্টন রোববারই হবে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের দায়িত্বও এদিনই বণ্টন করবেন সরকারপ্রধান।
১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর থেকে ক্ষমতার বাইরে থাকা আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে সপ্তম সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় ফেরে। ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দ্বিতীয়বার সরকার গঠন করেন হাসিনা। আর রোববারের শপথের মধ্যে দিয়ে তৃতীয়বারের মতো তার নেতৃত্বে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ।

ছাত্রলীগ নেতার রগ কেটে দিয়েছে ছাত্রশিবির

rotসিলেটে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক জালাল উদ্দিনের হাত-পায়ের রগ কেটে দিয়েছে ছাত্রশিবির। আহত জালাল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী।

এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার রাত দশটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় রেলস্টেশন চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এ সময় ছাত্রশিবিরের এক কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে পুলিশ তাকে আটক করে হাটহাজারী থানায় নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে কথা বলতে ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সাব্বির আহমেদ চৌধুরী পরিবর্তনকে জানায়, শনিবার সন্ধ্যায় সিলেট মহানগর পুলিশ কার্যালয়ের অদুরে ছাত্রশিবিরের কর্মীরা জালাল উদ্দিনের হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ খবর ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রলীগের কয়েক’শ নেতা-কর্মী বিশ্ববিদ্যালয় রেলস্টেশন চত্বরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল থেকে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

চবি পুলিশ ফাঁড়ির ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, সিলেটের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিরাপত্তায় অ্যান্টিভাইরাস

sarwসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভাইরাস থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
সম্প্রতি মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস কানেকশন নামে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে (কেবিনেট ডিভিশন) আগামী ২০১৪-১৬ মেয়াদের জন্য দুইশটি অ্যান্টিভাইরাসের লাইসেন্স ক্রয়ের অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
জানা গেছে, প্রতিযোগিতামূলক টেন্ডারে অংশগ্রহণ করে বিটডিফেন্ডার ব্র্যান্ডের অ্যান্টিভাইরাস সরবরাহের অনুমতি পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস কানেকশন সূত্রে জানা গেছে, ইতোপূর্বে তাদেরই একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান এই মন্ত্রণালয়ের গত তিন বছরের ভাইরাস প্রতিরোধের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করে আসছে।

রাতে কর্মসূচি না দেয়ার অনুরোধ অভিভাবকদের

oleveপরীক্ষা চলাকালীন সময়ে সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত কোনো আন্দোলন কর্মসূচি না দেয়ার জন্য বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন ও লেবেল এবং এ লেবেল শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
আজ শনিবার নিবার দুপুর ১২টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ও-লেভেল এবং এ-লেভেল পরীক্ষার্থীদের অভিভাবক আয়োজিত মানববন্ধনে তারা এ অনুরোধ জানান।
মানববন্ধনে অভিভাবকরা বলেন, এ বছর ও-লেভেল এবং এ-লেভেল পরীক্ষায় প্রায় সাড়ে সাত হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। ইডেক্সেল বোর্ডের নিয়মানুযায়ী, দেশে হরতাল বা অবরোধ চলাকালে পরীক্ষা নেওয়া হয় না।
কোনো কর্মসূচির কারণে পরীক্ষা স্থগিত হলে শিক্ষার্থীরা একবছর পিছিয়ে পড়বে উল্লেখ করে তারা বলেন, ‘যদি সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত হরতাল থাকে, তাহলে সকাল সাড়ে ১০টার পরীক্ষা সন্ধ্যা ৭টায় এবং বিকাল ৩টার পরীক্ষা রাত পৌনে ১২টায় অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু যদি ২৪ ঘণ্টা বা ৪৮ ঘণ্টার লাগাতার হরতাল বা অবরোধ থাকে, তাহলে অনুষ্ঠিতব্য সেই পরীক্ষা আর নেওয়া হয় না। কারণ, সারা পৃথিবী জুড়ে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।’
তারা বলেন, আমাদের সন্তানরা এ বছর পরীক্ষা দিতে না পারলে তাদের পরীক্ষা আবার ছয় মাস পিছিয়ে যাবে। প্রতিবার পরীক্ষার র্ফম ফিল-আপের জন্য শিক্ষার্থীপ্রতি ৫০ হাজার টাকা করে খরচ হয়। তাই, এবার পরীক্ষা দিতে না পারলে আবার আমাদের এতগুলো টাকা খরচ করতে হবে। তাই বিরোধীদলীয় নেতার প্রতি আমাদের আবেদন, তিনি যেন সাড়ে সাত হাজার পরীক্ষার্থীর কথা চিন্তা করে এই পরীক্ষা চলাকালে লাগাতার হরতাল-অবরোধ না দেন।
প্রসঙ্গত, গত ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এ পরীক্ষা আগামী ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। বিট্রিশ কাউন্সিলের অধীনে এবছর প্রায় ৫৮০০ শিক্ষার্থী ও-লেবেল এবং এ-লেবেল পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

ফ্রিজ কিংবা টিভিও হতে পারে গোপনীয়তা ফাঁসের হাতিয়ার

itস্মার্টফোন, ট্যাবলেট, পিসির পাশাপাশি টিভি, ফ্রিজের মতো গৃহস্থালি জিনিসপত্রও এখন ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। পরস্পর সংযুক্ত   এ যন্ত্রগুলো তথ্য আদান-প্রদান করে মানুষের কোনো সাহায্য ছাড়াই। একে বলা হচ্ছে ইন্টারনেট অব থিংস। কিন্তু এ আন্তঃসংযুক্ত প্রযুক্তিই ব্যক্তির গোপন তথ্য ফাঁসের হাতিয়ারে পরিণত হতে পারে। সম্প্রতি লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত কনজিউমার ইলেকট্রনিক শোতে (সিইএস) বিশেষজ্ঞরা এ আশঙ্কা প্রকাশ করেন।  খবর বিবিসির।
‘ইন্টারনেট অব থিংস’-এর ব্যবহার ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ধরনের প্রযুক্তিগুলোই ভবিষ্যতে নিরাপত্তা জটিলতার কারণ হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তারা। সাম্প্রতিক সময়ে ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার। টেলিভিশন থেকে শুরু করে রেফ্রিজারেটরও এখন স্মার্ট পণ্যের অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে। এছাড়া রয়েছে স্মার্টফোন ও ট্যবলেটের মতো পণ্যগুলো। গত সময়ে বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোনে হ্যাকিংয়ের হার ব্যাপক পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু ভবিষ্যতে স্মার্ট টেলিভিশন এমনকি ফ্রিজ পর্যন্ত ব্যক্তি গোপনীয়তা ফাঁসের হাতিয়ারে পরিণত হতে পারে বলে সম্মেলনে জানান বিশেষজ্ঞরা।
সিইএসে এমন অনেক প্রযুক্তি দেখানো হয়েছে যেসব প্রযুক্তি তাদের মালিকদের বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করতে পারবে। গ্রাহকরা কী করছেন, তাদের পছন্দ-অপছন্দসহ ব্যক্তিগত অনেক তথ্যই এ প্রযুক্তিগুলোয় সংরক্ষিত থাকবে। এতে যেকোনো হ্যাকারের পক্ষেই খুব সহজে শুধু এ পণ্যগুলো হ্যাক করার মাধ্যমে গ্রাহকদের তথ্য চুরি করা সম্ভব হবে।
ইন্টারনেট অব থিংস বলতে সাধারণত আন্তঃসংযুক্ত পণ্যগুলোকেই বোঝানো হয়ে থাকে। কিন্তু সাধারণ আন্তঃসংযুক্ত পণ্য ও ইন্টারনেট অব থিংসের মধ্যে বেশ অল্প কিছু হলেও পার্থক্য রয়েছে। ইন্টারনেট অব থিংস পণ্যগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেদের মধ্যে তথ্য লেনদেন করতে পারে। এতে গ্রাহকদের কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়।
কিন্তু ইন্টারনেট অব থিংস প্রযুক্তি এখন অনেকাংশেই যে কারো তথ্য হাতিয়ে নেয়ার উত্তম মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহার করা হচ্ছে। সাধারণত কারো ব্যক্তিগত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে হলে বিভিন্ন উত্সর ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু ইন্টারনেট অব থিংস থেকে গ্রাহকদের সব তথ্য একত্রেই সংগ্রহ করতে সক্ষম হচ্ছেন হ্যাকাররা।
এছাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য লেনদেন করায় মাঝে কোনো ব্যবস্থার ঊনিশ-বিশ করেই তথ্য হাতিয়ে নিতে পারবেন সাইবার অপরাধীরা। এক্ষেত্রে তথ্য যে চুরি হচ্ছে, তা গ্রাহকরা টেরও পাবেন না। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা ইন্টারনেট অব থিংস থেকে তথ্য হাতিয়ে নেয়াকে খুবই ভয়ঙ্কার ব্যবস্থা বলে উল্লেখ করেছেন। কারণ এ ব্যবস্থাটি একদিকে হ্যাকারদের জন্য যেমন নিরাপদ, অন্যদিকে গ্রাহকদের জন্য ততটাই বিপজ্জনক।
কিন্তু আশঙ্কার কথা হলো দিন দিন ইন্টারনেট অব থিংস ভিত্তিক পণ্যের ব্যবহার ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রথম দিকে প্রযুক্তিতে উন্নত দেশগুলোর গ্রাহকরা এ সেবা ব্যবহার করত। কিন্তু বর্তমানে প্রযুক্তির প্রসারের সুবাধে বিশ্বের প্রায় সব প্রান্তেই এ সেবা পৌঁছে গেছে। এত বিশাল ব্যপ্তির কারণে গ্রাহকদের ব্যক্তি নিরাপত্তা এখন হুমকির মুখে রয়েছে বলে মন্তব্য করেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক পরামর্শক ল্যারি ডোনস বলেন, গত বছর ইন্টারনেট অব থিংসের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। চলতি বছরও এ খাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাপক আয় করবে। ইন্টারনেট অব থিংস ক্রমেই প্রযুক্তির মূল ধারায় চলে আসছে। এর কারণে ভবিষ্যতে ব্যক্তি গোপনীয়তা হুমকির মুখে পড়বে।
লাস ভেগাসের এ সম্মেলনে স্মার্ট লাইটিং সিস্টেম, শিশুর দেখাশোনায় স্কাইপের ব্যবহার, মাংস রান্নায় তাপমাত্রা নির্ণয়ের জন্য ব্লুটুথ সংযুক্ত থার্মোমিটার ও স্মার্ট ওভেনের মতো অনেক নতুন প্রযুক্তি প্রদর্শিত হয়েছে। সিইএসে বলা হয়, এ প্রযুক্তিগুলো অল্প সময়ের মধ্যেই গ্রাহকদের ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে।
কিন্তু আশঙ্কার ব্যাপার হলো এ প্রযুক্তির সবগুলোই আন্তঃসংযুক্ত। আর এ প্রযুক্তির প্রসার গ্রাহকদের গোপনীয়তা লঙ্ঘন করতে হ্যাকারদের সহায়তা করতে পারে। স্মার্ট টেলিভিশন বাজারে আসার পরই পণ্যটি নিয়ে বিভিন্ন মহল দাবি করে যে স্মার্ট টেলিভিশন গ্রাহকদের তথ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো একে প্রযুক্তির ত্রুটি বলে উল্লেখ করলেও তারা এ ধরনের দাবি অস্বীকার করেনি।
গ্রাহকরা কখন টেলিভশন দেখছেন, কোন কোন চ্যানেলে বেশি দেখছেন, কোন কোন প্রোগ্রাম বেশি দেখছেন ইত্যাদি তথ্য তখন এ স্মার্ট টেলিভিশনগুলো ফাঁস করছিল। কিন্তু পরবর্তীতে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোগেই এ সমস্যা সমাধান করা হয়। কিন্তু যেখানে টেলিভিশন থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তথ্য পাচার হচ্ছে, সেখানে সাইবার অপরাধীদের হ্যাক করতে খুব বেশি সময় লাগবে না বলে মন্তব্য করেছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
নতুন হোম অটোমেশন কোম্পানি স্মার্ট থিংসের প্রতিষ্ঠাতা জেফ হাগিনস বলেন, বর্তমান ইন্টারনেট অব থিংস ভিত্তিক প্রযুক্তির প্রসার দ্রুত হচ্ছে। এবং এসব পণ্যের চাহিদাও বাজারে ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে অনেকেই হয়তো চিন্তা করছেন না। কিন্তু গ্রাহকদের নিরাপত্তাহীনতা এ খাতে লোকসানের কারণ হতে পারে।
নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেও গ্রাহকদের তথ্য হাতিয়ে নেয়ার প্রবণতা রয়েছে বলেও জানান হাগিনস। বিপণন জন্য অঞ্চল ভিত্তিক গ্রাহকদের তথ্য জানা খুব জরুরি ব্যাপার। কারণ যে প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের পছন্দ ও চাহিদা বুঝতে পারে, তারাই সাধারণত বাজার দখলে এগিয়ে যায়। তাই বর্তমানে ইন্টারনেট অব থিংস ভিত্তিক পণ্য নির্মাতারাও গ্রাহকদের তথ্য জানতে তাদের পণ্যে গোপন অনুসরণ ব্যবস্থা যোগ করছে।
তবে এ ধরনের সমস্যা প্রযুক্তি খাতের জন্য অমঙ্গলজনক বলে অভিমত বাজার বিশ্লেষকদের। কারণ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর এ প্রবণতা সবার সামনে প্রচারিত হলে তাদের ওপর থেকে গ্রাহকদের আস্থা হ্রাস পাবে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

কর্মক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি ঠেকাতে

liপরিবারের পর সহকর্মীদের সাথেই দিনের সবচেয়ে বেশি সময় থাকা হয় আমাদের। কাজ থেকে শুরু করে খাওয়া-দাওয়া, আড্ডা -এভাবেই সম্পর্কটা একসময় বন্ধুর মতো হয়ে যায়। আবার কাজ করতে করতে ভুল বোঝাবুঝিরও সৃষ্টি হয়। যার প্রভাব কাজের ওপর পড়ে। তাই কর্মক্ষেত্রে সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখতে কিছু বিষয় মেনে চলা যেতে পারে-

♦ প্রথমেই নিজেকে ঠিক থাকতে হবে। কারও বিষয়ে কোনো নেতিবাচক মন্তব্য বা পরচর্চা করা যাবে না। হোক তাঁর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতিতে।

♦ অফিসে এমন অনেক ব্যক্তি থাকেন, যাঁরা পরস্পরের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করেন। কখনো সেসব ব্যক্তি সম্পর্কে ধারণা পেলে, কৌশলে তাঁদের এড়িয়ে চলাই ভালো।

♦ অফিসে অমুক আপনাকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন। হয়তো আপনি এর কিছুই জানেন না। সে ক্ষেত্রে রাগ বা অভিমান মনের মধ্যে পুষে না রেখে সরাসরি বলাই ভালো। তাহলে দেখবেন সমস্যা অনেকখানি কমে গেছে।

♦ বর্তমান যুগে দলগতভাবে কাজ করার প্রবণতা বেড়েছে। দলের সদস্যদের একেকজনের মানসিকতা ও কাজের ধরন একেক রকম হবে। এতে ভুল বোঝাবুঝি হওয়ার আশঙ্কাও থেকে যায়। আবেগকে প্রশ্রয় না দিয়ে কেন ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে, সেটি খুঁজে বের করতে হবে।

♦ অপরপক্ষকে সরাসরি কথা বলার জন্য রাজি করাতে হবে। তার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে। এরপর আপনার বক্তব্য দিন। খেয়াল করবেন যেন তর্ক না বেধে যায়। তাতে সম্পর্কের অবনতি হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

♦ ভেবে দেখুন যার সাথে ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে, তার সাথে কীভাবে সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটানো যায়। এ ক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্য কোনো সহকর্মী বা বন্ধুসুলভ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সহযোগিতা নিতে পারেন। এমন কারও সহযোগিতা নেবেন না, যিনি উল্টো কথা গিয়ে তাকে বলবেন।

সতর্ক থাকুন

suaশীতে মাঝে মাঝে ভোর বেলা চোখ খুলে সূর্যের আলো দেখতে পাওয়াটা মুশকিল হয়ে পড়ে। সম্প্রতি দেশে শৈত্য প্রবাহের ফলে শীত যেন আরো জেঁকে বসেছে। প্রায় সারা দিনই কুয়াশাচ্ছন্ন থাকে। আর এ তীব্র শীতে নানা রোগের আবির্ভাবও হয়।বিশেষ করে শীতে শিশু এবং বয়স্ক লোক বেশি অসুখে ভুগে থাকেন। শীতকালীন এ সব অসুখ বিসুখের কারণ এবং প্রতিকারের উপায় সম্পর্কে কথা বলেছেন নাঙ্গলকোর্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সুলতানা চৌধুরী রিমি।

সর্দিকাশি 
শীতকালে সর্দিকাশি একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। অনেক সময় আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস, লালা, কাশি বা হাঁচি মাধ্যমে ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়ে এ রোগের সংক্রমণ হয়। আর এ রোগটি ছোট বড় সবারই হতে পারে। তবে শীতে যদি একটু সতর্ক থাকা যায়, অর্থাৎ বাইরে বের হওয়ার সময় গরম কাপড় ভালোভাবে পড়ে বের হতে হবে। এ রোগ চিকিৎসকের তেমন প্রয়োজন হয় না। তবে খুব বেশি জ্বর, গলাব্যথা, কাশি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শমতো ঔষধ গ্রহণ করতে হবে।

হাঁপানি 
এ কনকনে ঠাণ্ডায় যাদের হাঁপানির সমস্যা থাকে তা আরো বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। দেখা যায় হাঁপানির এ তীব্রতা থেকে শ্বাসকষ্টের সমস্যাটা আরো বেড়ে যায়। মূলত বাচ্চাদের এবং যাদের বয়স ৫০ ঊর্ধ্ব তাদের হাঁপানির সমস্যাটা বেড়ে যায়। তাই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে বাসায় গোসলের সময় কুসুম কুসুম গরম পানি ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া সমস্যা তীব্র হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

হাইপোথারমিয়া 
এ সমস্যাটি মূলত শিশু এবং বয়স্কদের হয়ে থাকে। কারণ শিশু এবং বয়স্কদের রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কমে থাকে । অনেক সময় হাইপোথারমিয়ার ফলে মৃত্যুও হতে পারে। তাই যতটা সম্ভব শরীরকে ঠাণ্ডা থেকে দূরে রাখা যায়।

ডায়রিয়া 
শীতকালে ডায়রিয়ার প্রকোপ অন্য সময়ের তুলনায় একটু বেড়ে যায়। এর ফলে শিশুদের পেটে ব্যথা,খাবারের অরুচি দেখা যায়। ডায়রিয়ার সময় সঠিক পরিমাণে খাবার স্যালাইন গ্রহণ করলে ভালো হয়ে যায়। তবে যদি তা মারাত্মক আকার ধারণ করে তাহলে অবশ্যয়ই  চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

বার্সাকে দূরে যেতে দিল না অ্যাটলেটিকো

brলা লিগায় গতকাল বার্সার সামনে সুযোগ ছিল অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে পেছনে ফেলার। কিন্তু সেই  সুযোগটাকে হাতছাড়া করেছে মার্তিনোর শিষ্যরা। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে পয়েন্ট হারিয়েছে তারা।

গতকালের ম্যাচ শেষে বার্সা এবং অ্যাটলেটিকোর পয়েন্ট ৫০ করে। কিন্তু গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় শীর্ষে আছে মেসিরা। ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে রিয়াল মাদ্রিদ।

এদিন প্রথমার্ধে মেসিবিহীন বার্সাকে বেশ ভালোই ভুগিয়েছে মাদ্রিদ। বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগে ইঞ্চি-খানেক শূন্যস্থান পূরণের অভাবে গোল-বঞ্চিত হন ডিয়েগো কস্তা। এবং তার কিছুক্ষণ পরই বার্সার ত্রাতা হয়ে আর্বিভূত হন ভিক্টর ভালদেস। তুরানের দুর্দান্ত ভলিকে অবিশ্বাস্যভাবে ঠেকিয়ে দেন তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মেসি। বার্সা ফেরে পুরনো চেহারায়। কিন্তু ভাগ্যদেবী পক্ষে না থাকায় কাজের কাজ কিছুই হয়নি। মেসির সুযোগ-সন্ধানী মুভমেন্টের ফসল ‘হেড’ অল্পের জন্য জালের ঠিকানা খুঁজে নিতে ব্যর্থ হয়।

এরপর ৮০ মিনিটের পর আরো কয়েকটি সুযোগ সৃষ্টি করে বার্সা। ফিনিশিংয়ের অভাবে সাফল্য পায়নি সেগুলোও। অবশেষে ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে বাধ্য হন কাতালানরা।

হারের বৃত্ত ভাঙল ম্যান ইউ

aonপরপর তিন ম্যাচেই হার। ম্যান ইউর ক্ষেত্রে এমনটা হয়েছিল ২০০১ সালে। এরপর হল ২০১৩-১৪তে এসে। এবার শঙ্কা ছিল তিন চার না হয়ে যায়! গতকাল সেই শঙ্কা কাটিয়ে হারের বৃত্ত থেকে বেরোতে সক্ষম হয়েছে দলটি। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে (ইপিএল) তারা ২-০ গোলে হারিয়েছে সোয়ানসি সিটিকে।

২১ ম্যাচে ৩৭ পয়েন্ট নিয়ে এখন লিগের সপ্তম স্থানে আছে ম্যান ইউ।

ঘরের মাঠ ওল্ড ট্রাফোর্ডে প্রথমার্ধে গোলের দেখা না পেয়ে সমর্থকদের আরো একবার দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল ম্যান ইউ। তবে ৪৭ ও ৫৯ মিনিটে ইকুয়েডরের ফরোয়ার্ড লুইস আন্তনিও ভ্যালেন্সিয়া ও ইংল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ড্যানি ওয়েলবেকের কল্যাণে দুশ্চিন্তা দূর হয় ইপিএলের বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের।

১ জানুয়ারি ইপিএলে টটেনহ্যাম হটস্পারের কাছে হেরে বাজেভাবে ২০১৪ সাল শুরু করার পর গত রোববার সোয়ানসি সিটির কাছেই হেরে এফএ কাপের তৃতীয় রাউন্ড থেকে বিদায় নিয়েছিল ম্যান ইউ।

গত মঙ্গলবার লিগ কাপের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে সান্ডারল্যান্ডের কাছেও হেরে যায় তারা।

দীপিকা এবার আমিরের

dmকেরিয়ারের সাত বছরেই হিটের বন্যা। শাহরুখ, অক্ষয়, ফারহান, রনবীর, সৈফের সকলের সঙ্গেই কাজ করা হয়ে গেলেন বাকি ছিলেন বলিউডের দুই খান বাহাদুর। এই বছর সেই ইচ্ছাও পূর্ণ হতে চলেছে দীপিকা পাডুকোনের। এই বছরেই আমিরের বিপরীতে দেখা যাবে দীপিকাকে। ফারহান আখতার ও রাকেশ সিধওয়ানির যৌথ প্রযোজনা সংস্থা এক্সেল এন্টারটেনমেন্ট প্রযোজিত ছবির শুটিং শুরু হবে জুলাই, অগাস্ট মাসে।

এর আগেই দীপিকা জানিয়েছিলেন সালমান, হৃতিকের সঙ্গেও কাজ করতে চান তিনি। দীপিকা বলেন, “প্রতিবছরই আমাকে জিজ্ঞেস করা হয় আমি এবার কার সঙ্গে কাজ করতে চাই। আশা করি আগামী দু`এক বছরের মধ্যে আমি আমির, সালমান ও হৃতিকের সঙ্গেও কাজ করতে পারব।”

শোনা যাচ্ছে সালমানের বিপরীতে সুরজ বরজাতিয়ার আগামী ছবির জন্যও ইতিমধ্যে ডেট দিয়েছেন দীপিকা।