সোমবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬

তরুণী লাঞ্চিতের চেষ্টা বিএসএফ’র

bsfলালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের ধবলগুড়ি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)’র ছয় সদস্য বাংলাদেশি এক ব্যক্তির বাড়িতে ঢুকে তরুণীকে লাঞ্চিত করার চেষ্টা করেছে। শনিবার দুপুর ১টার দিকে বিএসএফ অতর্কিতভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এ ঘটনা ঘটায়।

প্রত্যক্ষদর্শী, বিজিবি ও এলাকাবাসী জানায়, জোংড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের এক বাংলাদেশি যুবক সীমান্তের ৮৮৬ নম্বর পিলারের কাছে ঘাস কাটতে গেলে বিএসএফ’র ছয় সদস্য তাকে ধাওয়া করে। তারা সবাই কুচবিহার ফালাকাটা-৩৫ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের ললোংগীবাড়ী ক্যাম্পের সদস্য ছিল। পরে ওই যুবককে না পেয়ে সীমান্ত লাগোয়া বাংলাদেশি সিরাজুল মুন্সির বাড়িতে তল্লাশী চালায় বিএসএফ’র ওই ছয় সদস্য। তল্লাশীর একপর্যায়ে সিরাজুলের স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে আটক করে লাঞ্চিত করার চেষ্টা করে বিএসএফ সদস্যরা। এ সময় তার চিৎকারে এলাকার লোকজন লাঠিসোঠা নিয়ে বিএসএফকে ধাওয়া করলে বিএসএফ সদস্যরা পালিয়ে যায়।

এ ঘটনার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে রংপুর-৭ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র ধবলগুড়ি ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় বর্তমানে ওই সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ ঘটনা সম্পর্কে উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার বলেন, “বিএসএফ অতর্কিতভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করে হামলা চালিয়ে স্কুল পড়ুয়া তরুণীকে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করেছে। তার চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এলে বিএসএফ সদস্যরা পালিয়ে যায়।”

রংপুর-৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর রুহুল আমীন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “এ ব্যাপারে কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে।”

জাতীয় প্রেসক্লাবে বই মেলা আগামীকাল রোববার শুরু

press clubজাতীয় প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ক্লাব চত্বরে আগামীকাল রোববার থেকে সপ্তাহব্যাপী বইমেলা শুরু হচ্ছে। আগামীকাল বিকেল ৫টায় বইমেলার উদ্বোধন করবেন এমিরেটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী।

ক্লাবের আজীবন সদস্য বরেণ্য সাংবাদিক ফয়েজ আহমদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে বই মেলা উৎসর্গ করা হয়েছে।

প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত আজ এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি এই মেলা আয়োজনে সহযোগিতা করছে এবং মেলা সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ। মেলার সার্বিক বিষয়ে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী রওনাক হোসেন, বইমেলা কমিটির আহবায়ক কবি হাসান হাফিজ, জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ওসমান গনি ও নির্বাহী পরিচালক মিলন নাথ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জাতীয় প্রেস ক্লাবের আজীবন সদস্য এবিএম মূসার স্মরণে বইমেলা চত্বরে ‘এবিএম মূসা স্মৃতি মঞ্চ’ স্থাপন করা হবে। বইমেলা চলাকালীন প্রতিদিন এই মঞ্চে থাকবে সাহিত্য বিষয়ক অনুষ্ঠান। মঞ্চের পাশে থাকবে এবিএম মূসা স্মরণে শোক বই। এবিএম মূসার সুহৃদ, অনুরাগীরা তাদের অনুভূতি শোক বইয়ে লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।

প্রতিদিন বিকেল ৩টা রাত ৮টা পর্যন্ত পহেলা বৈশাখ সোমবার মেলা চলবে সকাল আটটা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। মেলায় স্টল থাকছে ৪০টি।

বিশ্বকাপ পর্যন্ত মিসবাহই থাকছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক

misbahpkপাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) একটি সূত্র পিটিআইকে জানিয়েছেন সামনের ২০১৫ বিশ্বকাপ ক্রিকেট পর্যন্ত মিসবাহ-উল-হক-ই পাকিস্তানের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক থাকছেন।

পিসিবি জানায়, “মিসবাহকে পাকিস্তানের টেস্ট বা ওয়ানডে দলের অধিনায়ক থেকে সরানোর কোন পরিকল্পনা আপাতত নেই কারণ তিনি উভয় ফরমেটেই দলকে বেশ ভালো ভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন। মিসবাহ এখন অভিজ্ঞ অধিনায়ক। আরো গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে”।

২০১০ সাল থেকে পাকিস্তানের টেস্ট দলের ও ২০১১ সালের মে থেকে ওয়ানডে দলের নেতৃত্বে আছেন মিসবাহ-উল-হক। ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি টি-২০ও অধিনায়ক ছিলেন।

এদিকে এ পদের জন্য অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী বলে ইতোমধ্যে গুজব ছড়িয়েছে। কিন্তু সব গুজব মিথ্যা প্রমাণিত করে মিসবাহ-ই পাকিস্তানের অধিনায়ক থাকছেন।

নেতাদের বাকযুদ্ধ এখন রাজনীতির প্রধান অস্ত্র

khaledaবিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া সরকারকে সময়মতো জবাব দেয়ার কথা বলেছেন৷ তিনি সবাইকে প্রতিরোধের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন৷ আর তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন খালেদা জিয়া না শোধরালে তাঁকে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে৷

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন মাঠের রাজনীতি আর মাঠে নেই, আছে হুমকি আর পাল্টা হুমকিতে৷

শনিবার ঢাকায় শ্রমিক দলের এক অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বলেন, ‘‘সরকারকে দ্রুত নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে৷ বেশি দেরি করলে, জুলুম-নির্যাতন বাড়ালে এর পরিণতির দায় সরকারকেই নিতে হবে৷ সময়মতো আন্দোলন ও সরকারের অত্যাচারের জবাব দেওয়া হবে৷” নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির চেয়ারপার্সন বলেন, ‘‘আসুন সময় হয়েছে, জুলুম-অত্যাচারে চোখের পানি ফেলে নয়, নির্যাতনের জবাব দিতে হবে প্রতিরোধ, প্রতিবাদ করে৷ সে প্রস্তুতি নিন৷”

সময়মতো আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, ‘‘যারা যাই মনে করুক, যখন মনে করব আন্দোলনের সময় হয়েছে, আমরা প্রস্তুত, তখন আন্দোলন করব৷ কারও কথায় আমরা চলি না৷”

এদিকে, বিএনপি নেত্রীকে উদ্দেশ্য করে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘‘খালেদা জিয়া এখনো শোধরাননি৷ বৈধ সরকারকে অবৈধ বলছেন৷ জঙ্গিবাদীদের সঙ্গও ত্যাগ করেননি৷ আপনি যদি এই পথ পরিহার না করেন তাহলে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন৷”

হাসানুল হক ইনু অভিযোগ করেন, পাকিস্তানিরা একবার বাঙালিদের পাকিস্তানি বানানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে৷ আবার ‘৭৫ সালের পর জেনারেল জিয়াসহ অন্য সামরিক শাসক, এবং সাম্প্রতিক সময়ে খালেদা জিয়া বাংলাদেশের নাম পাল্টানোর চেষ্টা করছেন, ইতিহাস পাল্টানোর চেষ্টা করছেন৷

খালেদা জিয়ার উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘‘আপনি আস্তাকুঁড়ে বসে ইতিহাস নিয়ে যত ঘাঁটাঘাঁটি করবেন, তত দুর্গন্ধ ছড়াবে৷”

এদিকে,এই হুমকি পাল্টা হুমকি নিয়ে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট শ. ম রেজাউল করিম ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘রাজনীতি এখন মাঠের কাজের চেয়ে কথার ফুলঝুড়িতে পরিণত হয়েছে৷ কাজের চেয়ে এখন কথার গর্জন বেশি৷ ফলে শিষ্টাচারও বিদায় নিচ্ছে৷”

তিনি বলেন, ‘‘সরকারবিরোধী দলগুলোর হাতে এখন কার্যকর কোনো কর্মসূচি নেই৷ তাদের অতীতের কর্মসূচি সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি৷ আবার সরকারও সরকার বিরোধীদের স্পেস দিচ্ছে না৷ তাই মাঠের রাজনীতি এখন মঞ্চ, বিবৃতি আর টকশোতে ঠাঁই পেয়েছে৷”

তোফায়েলের উচিত খালেদা জিয়ার পা ছুঁয়ে সালাম করা: খোকা

koka-tofayelবাণিজ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদের বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকা মহানগর কমিটির আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকা। তিনি বলেন, আজকে হাসিনা সরকারে মন্ত্রিত্ব পাওয়ার জন্য তোফায়েলের উচিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো। আর এই কৃতজ্ঞতাস্বরূপ তার উচিত বিএনপি প্রধানের পা ছুঁয়ে সালাম করা।

এ সময় তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনের সঙ্গে তোফায়েলের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অবইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের মহানগর কমিটির ষষ্ঠ কাউন্সিল অধিবেশনের বক্তব্যে এ সব কথা বলেন তিনি।

মহানগর শ্রমিক দলের সভাপতি রেহান আলীর সভাপতিত্বে কাউন্সিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

সাদেক হোসেন খোকা বলেন, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইতিহাসের আলোকে তথ্য-প্রমাণ দিয়ে সম্প্রতি বলেছেন, মেজর জিয়া শুধু স্বাধীনতার ঘোষকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি। তার এ বক্তব্য ঐতিহাসিকভাবে সত্য। এটা ইতিহাসেরই অংশ।

তিনি বলেন, আজকে তারেক রহমানের এ বক্তব্য রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা না করে তোফায়েলরা তার (তারেক) সম্পর্কে আবোল-তাবোল বক্তব্য রাখছেন। শেখ হাসিনাকে খুশি করার জন্যই তারা এ বক্তব্য দিচ্ছেন। কিন্তু এ সব বক্তব্য দিয়ে কোনো লাভ হবে না। কারণ শেখ হাসিনা এই তোফায়েলদের বিশ্বাস করেন না। তোফায়েলও বিগত হাসিনা সরকারের শেষ সময়ে মন্ত্রী হওয়ার জন্য হাসিনার ডাকে সাড়া না দিয়ে তার প্রতি অনাস্থা জানিয়েছেন। এ ছাড়া বিগত ওয়ান ইলেভেনের সময় তোফায়েল, আমু, নাসিমদের অনেক কাহিনীর কথা আমরা শুনতে পাই। আমরা তা বলতে চাই না। আমাদের বলতে বাধ্য করবেন না।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘তোফায়েল কি এতই ক্ষমতাশালী লোক ছিলেন। তিনি তো রক্ষীবাহিনীর দায়িত্বে ছিলেন। এতই ক্ষমতাশালী লোক হয়েও যেদিন ৩২ নম্বরে সপরিবারে হত্যার শিকার হয়ে বঙ্গবন্ধু পড়েছিলেন, সেদিন তোফায়েল কোথায় ছিলেন? কেন তাকে রক্ষার জন্য তোফায়েল এগিয়ে আসেননি। দুষ্টু লোকেরা বলে, বঙ্গবন্ধু হত্যার পেছনে নাকি তোফায়েলে সম্পৃক্ততা রয়েছে।’

সাদেক হোসেন বলেন, তোফায়েল যে আজকে মন্ত্রী হয়েছেন, তার পেছনেও রয়েছে বেগম জিয়ার অবদান। তার আন্দোলনের কারণেই সেদিন দেশে নির্বাচন হয়েছিল। সেনা সমর্থিত সরকার সরে যেতে বাধ্য হয়েছিল। সে জন্য কৃতজ্ঞতাস্বরূপ তার উচিত খালেদা জিয়ার পা ছুঁয়ে সালাম করা।

তিনি বলেন, দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়া দায়িত্ব পালন করেছেন। সরকারের একজন কর্মচারী হিসেবে আজকের প্রধানমন্ত্রীর স্বামী ওয়াজেদ মিয়া তো ওনার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য অপেক্ষা করতেন। এ সব কি বলার কথা?

আইসিএক্স লাইসেন্সধারীদের কাছে বিটিআরসির পাওনা ১৮৯ কোটি টাকা

brtc-icxনিয়মিত অর্থ পরিশোধ না করায় ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জ (আইসিএক্স) লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে বিটিআরসির পাওনা ক্রমেই বাড়ছে। বর্তমানে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২২৫ কোটি টাকার কিছু বেশি।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কোটি টাকার বেশি পাওনা রয়েছে, এমন আইসিএক্সের সংখ্যা ২০। এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে ২০১২ সালের জুলাই থেকে ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে রাজস্ব আয়ের ভাগাভাগির অংশ হিসেবে বিটিআরসির পাওনার পরিমাণ ১৮৯ কোটি ৪৬ কোটি টাকা। এছাড়া গত বছরের লাইসেন্স ফি বাবদ প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে বকেয়া রয়েছে ২৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। আর লাইসেন্স ফির ওপর প্রযোজ্য মূল্য সংযোজন কর বাবদ প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে আরো ৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে বিটিআরসির।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১-এর ২৬ ধারা অনুযায়ী বকেয়া আদায়, ৪৬ ধারা অনুযায়ী লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল, ৬৩ ধারা অনুযায়ী বাধ্যতামূলক বাস্তবায়ন আদেশ ইস্যু ও ৬৪ ধারা অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষমতা রয়েছে বিটিআরসির।
গত বছরের ডিসেম্বরে আইসিএক্স লাইসেন্সিং নীতিমালা সংশোধন করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। নীতিমালার ১৬ দশমিক ২ ও লাইসেন্সের ৮ দশমিক ১ ধারায় সংশোধন করে লাইসেন্স ফি কমিয়ে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আগে প্রতিষ্ঠানগুলোর বার্ষিক লাইসেন্স ফি ছিল আড়াই কোটি টাকা।

উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশে আইসিএক্স প্রতিষ্ঠান রয়েছে ২৬টি। এর মধ্যে ২০১২ সালেই লাইসেন্স পেয়েছে ২৩টি প্রতিষ্ঠান। আইসিএক্স লাইসেন্সধারী নতুন প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে— প্যারাডাইস টেলিকম, টেলিপ্লাস নিউইয়র্ক, ব্যানটেল, ক্লাউডটেল, বাংলা আইসিএক্স, ভয়েসটেল, ইমাম নেটওয়ার্ক, ইন্টিগ্রেটেড সার্ভিসেস, মাদার টেলিকমিউনিকেশন্স, অগ্নি সিস্টেমস, নিউ জেনারেশন টেলিকম, সফটেক্স কমিউনিকেশন, ক্রস ওয়ার্ল্ড টেলিকম, জীবনধারা সলিউশন্স, রিংটেক (বাংলাদেশ), পার্পল টেলিকম, গাজী নেটওয়ার্কস, মাইক্রোট্রেড, টেলি এক্সচেঞ্জ, এমএম কমিউনিকেশন্স, এসআর টেলিকম, বাংলা টেলিকম ও ভার্টেক্স কমিউনিকেশন্স।

সূত্র: দৈনিক বণিক বার্তা

যাত্রাপথে বিমানটির কো-পাইলট ফোন করে

nikhojbimanমালয়েশিয়ার নিখোঁজ বিামানটি যাত্রার পর এর কো-পাইলট মোবাইল থেকে ফোন করার চেষ্টা করেছেন। এএফপি।

একজন কর্মকর্তা জানান, রাডার থেকে বিমানটি হারিয়ে যাওয়ার আগ মুহূর্তে তিনি ফোন করার চেষ্টা করেছিলেন।

মালয়েশিয়ার ‘নিউ স্ট্রেইটস টাইমস’ জানিয়েছে, কো-পাইলটের করা ওই ফোনকলটি আকস্মিকভাবে শেষ হয়ে গিয়েছিল। কারণ, বিমানটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ার হতেখুব দ্রুত বেগে ছুটে চলছিল।

প্রতিবেদনটির তথ্য খতিয়ে দেখছে মালয়েশিয়ার সরকার।

মালয়েশিয়াএয়ারলাইনসের এমএইচ৩৭০ উড়োজাহাজটি ২৩৯ জন আরোহী নিয়ে গত ৮ মার্চ

রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়। কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা করারএক ঘণ্টা পরই রাডারের সঙ্গে এর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

অতিরিক্ত দৌড়ানোর ফলে কমে যেতে পারে আয়ু

ব্যায়াম হিসেবে দৌড়ানো যে খুব ভালো তার ব্য্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু সবকিছুরই একটা সীমা থাকে। আর তাই কতখানি দৌড়ানো যাবে, তারও রয়েছে একটি সীমা। দেখা যায়, অতিরিক্ত দৌড়ানোর ফলে কমে যায় মানুষের আয়ু।

খুব বেশি দূরত্ব দৌড়ানো অথবা দ্রুত দৌড়ানো দুই-ই আয়ু কমিয়ে দিতে সক্ষম। দেখা যায়, এক সপ্তাহে বিশ মাইলের বেশি দৌড়ানো অথবা ঘণ্টায় ৭.৫ মাইল দৌড়ানোর কারণে এভাবে আয়ু কমে যেতে পারে। যারা এর চাইতে কম দূরত্ব বা ধীরে দৌড়ান, তাদের আয়ু বেশি হয়। অর্থাৎ দূরত্ব এবং গতি যত বাড়ে, আয়ু তত কমে। এর থেকে পাওয়া স্বাস্থ্য উপকারিতাও কমে যেতে শুরু করে একই ভাবে। এর কারণ হিসেবে ধারনা করা হয়, বেশি দৌড়ানোর ফলে নিশ্চয়ই হৃদয়ের ওপর পড়ে নেতিবাচক প্রভাব।

যারা দৌড়াতে ভালবাসেন, তারা যে এই তথ্যকে ভালো চোখে দেখবেন না তা জানা কথা। ২০১২ সালে একটি গবেষণায় জানা গিয়েছিলো যে প্রচুর দৌড়ানোর ফলে আয়ু কমে যেতে থাকে। এই গবেষণার সমালোচনা করে তারা বলেন যে, ধূমপান, শরীরের ওজন এবং বিএমআই, রক্তচাপ এসব ব্যাপার বিবেচনায় রাখা হয় নি। এ কারণে ডক্টর মাতসুমুরার পরিচালিত নতুন এক গবেষণায় এই সব কিছু মাথায় রেখেই আয়ুর ওপর দৌড়ানোর প্রভাব পর্যবেক্ষণ করা হয়। পেনসিল্ভেনিয়ার লেই ভ্যালি হেলথ নেটওয়ার্কের কার্ডিওভাস্কুলার রিসার্চ ইন্সটিটিউটের কো-ডিরেক্টর মাতসুমুরা বলেন, অন্যান্য সব প্রভাবক মাথায় রেখেই দৌড়ানোর ফলাফল তিনি দেখতে চান। কারণ দূরপাল্লার দৌড়বিদদের কম আয়ুর কারণ আসলে কি, তা জানতে উৎসুক ছিলেন তিনি।

এ গবেষণার জন্য ৩,৮০০ জন দৌড়বিদের জীবন এবং অভ্যাস পর্যবেক্ষণ করা হয়। মাতসুমুরা দেখেন, এসব দৌড়বিদের আসলে অস্বাভাবিক কোনো অসুস্থতা দেখা দেয় না অথবা তাদের দৈনন্দিন জীবনেও স্বাভাবিকের বাইরে কোনো অভ্যাস দেখা যায় না। মূলতও, বেশি দৌড়ানো এবং কম দৌড়ানো মানুষের জীবনের মাঝে লক্ষণীয় কোনো রকমের পার্থক্যই থাকে না। অন্যদের সাথে তুলনায় তাদের ধূমপান, ওষুধ গ্রহণ, অসুস্থতা সব কিছুই ছিলো স্বাভাবিক। তার পরেও কেন তাদের আয়ু কম হয়? এর জন্য অতিরিক্ত দৌড়ানো ছাড়া আর কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না।

ঠিক কি কারণে দৌড়ানোর ফলে আমাদের আয়ু কমে যায়, সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায় নি এবং এ নিয়ে প্রয়োজন আরও বিশদ গবেষণা। কিন্তু নিজ নিজ স্বাস্থ্য রক্ষার খাতিরে আমাদের উচিত হলো দৌড়ানো কমিয়ে মাঝারি মাত্রায় নিয়ে আসা। এখানে অবশ্য বিতর্কের সুযোগ আছে। ঠিক কতখানি দৌড়ানকে “মাঝারি” মাত্রা বলে ধরা যাবে তা নিয়ে একেক বিশেষজ্ঞের একেক রকম মতামত। কেউ বলেন সপ্তাহে দুই থেকে তিন ঘণ্টা দৌড়ানই স্বাস্থ্যকর, কারও মতে এই মাত্রা কম বা বেশি। তবে নিরাপদ থাকার জন্য এটা বলা যায়, নিয়মিত ম্যারাথন জাতীয় দৌড় করে নিজেকে ক্লান্ত না করাটাই ভালো। নিজের শরীরের কথা মাথায় রেখে ব্যাথা ও অতিরিক্ত ক্লান্তি ছাড়া যতটুকু দৌড় সহ্য করা যায়, ততটুকুই ভালো। এই গবেষণার মানে এই নয় যে দৌড় একেবারে ছেড়ে দিতে হবে। পরিমিত দৌড়ানোর ফলে স্বাস্থ্য ভালো হয়ে যায়। শুধু মাথায় রাখতে হবে তা যেন অতিরিক্ত না হয়ে যায়।

হত্যা মামলা থেকে মুক্তি পেল নয় মাসের শিশু

paki shishuনয় মাস বয়সী এক শিশুর বিরুদ্ধে হত্যা প্রচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে পাকিস্তানের একটি আদালত। আদালতের এ রায়ের ফলে হত্যা মামলা থেকে মুক্তি পেল নয় মাস বয়সী এই শিশু। বিবিসি।

মোহাম্মদ মুসা খান নামের ওই শিশু এবং তার পরিবারের আরও ১১ জন সদস্যের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

লাহোরের একটি আদালতের বিচারক মামলাটি প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, এই অভিযোগ আদালতেই আসা উচিত ছিল না।

এই মামলা নিয়ে ব্যাপক শোরগোল সৃষ্টি হয় পাকিস্তানে। গণমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পাকিস্তানের পুলিশ কর্মকর্তারা এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশদেন।

সম্প্রতি লাহোরে গ্যাস ও বিদ্যুত সরবরাহ নিয়ে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে জনতার সংঘাতের সময় ৩০ জন বেশি লোকের বিরুদ্ধে পুলিশ অফিসারদের হত্যা প্রচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়। এই তিরিশ জনের মধ্যে নয় মাস বয়সী মোহাম্মদ মুসা খানের নামও ছিল।

পাকিস্তানের টেলিভিশনে প্রচারিত ছবিতে দেখা যায়, মুসা খান আদালত কক্ষে তার দাদার কোলে বসে আছেন দুধের বোতল হাতে।

তার দাদা সাংবাদিকদের বলেন, কিভাবে দুধের বোতল ঠিকমত হাতে নিতে হয়, সেটাই এই শিশু জানে না, সে কিভাবে পুলিশের দিকে পাথর ছুঁড়বে?

‘আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই’

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, “বাংলাদেশে ৫ জানুয়ারি কোনো নির্বাচন হয়নি। প্রশাসনকে আওয়ামী লীগ দলীয় কাজে ব্যবহার করছে।”

তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করছে, চলছে অনিয়ম-লুটপাট। আওয়ামী লীগের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন কখনোই সম্ভব নয়, তা আবারো প্রমাণিত হয়েছে এ দেশে।”

শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনিস্টিটিউট মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর শ্রমিক দলের কাউন্সিল ও সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খালেদা জিয়া বলেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের কবর রচিত হয়েছে। আজ বাংলাদেশে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই। আওয়ামী লীগের হাতে গণতন্ত্র বিপন্ন হয়ে পরেছে। তাই এদের হাত থেকে এ দেশকে বাঁচাতে হবে। দেশকে বাঁচানোর জন্য আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। নইলে দেশ বাঁচানো যাবে না, কোনো প্রতিষ্ঠান বাঁচানো যাবে না।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রথম দফা উপজেলা নির্বাচন সারাদেশে ভালো হয়েছে, দ্বিতীয় দফা মোটামুটি ভালো হয়েছে। কিন্তু তৃতীয়, চতুর্থ এবং পঞ্চম দফা নির্বাচনে অংশ নেয়ার মতো না। কারণ সরকারি দলের ক্যাডাররা বিরোধী দলীয় প্রার্থীদের নিজ এলাকায় থাকতে দেয়া হয়নি।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, বর্তমান অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারের ওপর দেশের জনগণ তাদের আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। তাই তারা এখন জোর করে আজীবন ক্ষমতায় থাকতে চায় যা এদেশের মানুষ কক্ষনো হতে দিবে না। তাই অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে বেগম জিয়া বলেন, এ সরকারের গত ৫ বছর তিন মাসে বাংলাদেশে নতুন কোনো শিল্প-কারখানা হয়নি। বরং আমাদের সময় যেগুলো ছিল সেগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। আজ অনেক বিদেশি বিনিয়োগ বন্ধ হয়ে গেছে। অবৈধ সরকারের আমলে কেউ বিনিয়োগ করতে চায় না। ফলে দেশের হাজার হাজার মানুষ বেকার হয়ে বসে আছে কাজ নেই দেশে।

এই সরকার ছয়বার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। এর ঘানি টানতে হচ্ছে সাধারণ জনগণকে। আর লাভবান হচ্ছে আওয়ামী লীগের কিছু ব্যবসায়ী।

তিনি অভিযোগ করে আরো বলেন, এ অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকার প্রশাসনকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে। কোনো গণতান্ত্রিক সরকার এসব কাজ করতে পারে না। এ অবৈধ সরকার জনগণের টাকা খরচ করে সংসদে শুধু অন্যদের গালিগালাজ করছে। বাংলাদেশের প্রশাসন পুলিশ থেকে শুরু করে সব কিছু নষ্ট করেছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি নেত্রী।

খালেদা জিয়া বলেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণ তো দূরের কথা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও ভোট দিতে যায় নাই। যারা আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিল তারাও ভোট দেননি।

সংগঠনের সভাপতি মো. রেহান আলীর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও শ্রমিক দলের সভাপতি নজরুল ইসলাম খান, স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খান, বিএনপির ভাইস চেয়ার‌ম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, সাদেক হোসেন খোকা, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবুর রহমান সারোয়ার, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মহিলা দলের সভাপতি নুরে আরা সাফা, সাধারণ সম্পাদক শিরীন সুলতানা, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক জাফরুল হাসান, সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কাশেম চৌধুরী প্রমুখ।