মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬

মজীনার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন মার্সিয়া

বাংলাদেশে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মার্সিয়া স্টিফেন ব্লুম বার্নিক্যাট। তিনি ঢাকায় নিযুক্ত বর্তমান মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনার স্থলাভিষিক্ত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
image_83144_0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ২২ মে মার্সিয়াকে বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পদে মনোনয়ন দেয়ার ঘোষণা দেন। হোয়াইট হাউসের ওয়েবসাইটে দেয়া বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কংগ্রেসে শুনানির পর মার্সিয়ার নিয়োগ চূড়ান্ত হবে। এই প্রক্রিয়া শেষ হতে বেশ কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। মার্সিয়ার নিয়োগ কংগ্রেস অনুমোদন করলে তিনি ঢাকায় নিযুক্ত বর্তমান মাকিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনার স্থলাভিষিক্ত হবেন। ২০১১ সালের নভেম্বরে ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব নেন মজীনা।

জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর করেন মার্সিয়া। তিনি পেশাদার কূটনীতিক। বর্তমানে মানবসম্পদবিষয়ক উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ২০১২ সাল থেকে এই দায়িত্বে আছেন মার্সিয়া। এর আগে তিনি সেনেগাল ও গিনি-বিসাউয়ে রাষ্ট্রদূত ছিলেন। ২০০৬-০৮ সাল পর্যন্ত মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোতে কাজ করেছেন। এ ছাড়া কূটনীতিক হিসেবে আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন মার্সিয়া।

রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী শনিবার চারদিনের এক সরকারি সফরে জাপান যাচ্ছেন। তার এই সফরের মধ্য দিয়ে ঢাকা ও টোকিওর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিগন্তের সূচনা হতে যাচ্ছে।
image_83148_0
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানায়, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শনিবার রাতে টোকিওর উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করছেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত শিরো সাদোশিমা বুধবার কূটনৈতিক রিপোর্টারদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ সফরের ফলে ঢাকা-টোকিও দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় উন্নীত হবে।’

বাংলাদেশের বৃহত্তম উন্নয়ন অংশীদার জাপান দারিদ্র্য বিমোচন, ভৌত অবকাঠামো, বিদ্যুৎ উৎপাদন, মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো বিভিন্ন খাতে আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

কূটনীতিকরা বলেন, ‘এই সফরের ফলে সহযোগিতার সকল ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

গত ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর কোনো দেশে এটি হবে শেখ হাসিনার প্রথম দ্বি-পাক্ষিক সফর এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাপানে এটি হবে তার তৃতীয় সরকারি সফর। তিনি ১৯৯৭ সালে প্রথম এবং ২০১০ সালে দ্বিতীয়বার জাপান সফর করেন।

প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট শনিবার মধ্যরাত ১২টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।

২৫ মে বেলা ১টায় (জাপান সময়) ফ্লাইটটির টোকিওর হানেদা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

টোকিও যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা হংকং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় দেড় ঘণ্টা যাত্রা বিরতি করবেন।

জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন এবং জাপানের পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রটোকল প্রধান শিজেউকি হিরোকি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন।

বিমানবন্দরে উষ্ণ অভিনন্দন জানানোর পর শেখ হাসিনাকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে টোকিও’র মোতোয়াকাসাকা মিনান্টোতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন আকাসাকা প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হবে। জাপানের চারদিনের সফরকালে তিনি সেখানেই অবস্থান করবেন।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আগামী ২৬ মে তার কার্যালয়ে শীর্ষ বৈঠকে যোগ দেবেন। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী এক যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করবেন এবং এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেবেন।

এর আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আকাসাকা প্রাসাদে স্বাগত জানিয়ে গার্ড অব অর্নার প্রদান করা হবে।

ওই দিন রাতেই জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে শেখ হাসিনা এক নৈশভোজে যোগ দেবেন। ২৬ মে তিনি টোকিও’র ইম্পেরিয়াল প্রাসাদে জাপানের সম্রাট আকিহিতো’র সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

জাপানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় লীগের সভাপতি কারো আসো এবং জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ফুমিও কিশিদা পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

এছাড়াও ‘বাংলাদেশের বন্ধু’ এবং বাংলাদেশ-জাপান-সংসদীয় লীগের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

জেটরো সদর দফতরে জাপান বাংলাদেশ কমিটি ফর কমার্শিয়াল এ্যান্ড ইকোনোমিক কো-অপারেশন (জেবিসিসিইসি) আয়োজিত এক নির্ধারিত সেমিনারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত থাকবেন।

শেখ হাসিনা জাপানের ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে যাবেন এবং স্বনামধন্য এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। এছাড়া তিনি জাপান প্রেস ক্লাবে যাবেন এবং জাপানি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন।

প্রধানমন্ত্রী হোটেল ওকুরায় প্রবাসী বাঙালিদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন এবং টোকিও কাইকানে জেবেসিসিইসি’র আমন্ত্রণে মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণ করবেন।

প্রধানমন্ত্রী জাপানের জাতীয় সম্প্রচার সংস্থা এনএইচকে’কে একটি সাক্ষাৎকার দেবেন। তিনি ২৯ মে দেশে ফিরে আসবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বাণিজ্য ব্যবধানে টোকিওর যে আধিপত্য ছিল তা সাম্প্রতিক সময়ে ধীরে ধীরে কমে এসেছে এবং বাংলাদেশের রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাংলাদেশ ২০১২-১৩ অর্থবছরে ৭৫০ দশমিক ২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্যসামগ্রী রফতানি এবং এক হাজার ১৬৮ দশমিক ৭০ মার্কিন ডলারের পণ্যসামগ্রী আমদানি করেছে। কিন্তু ২০১১-১২ অর্থবছরে রফতানি ও আমদানির বাণিজ্য বৈষম্য ছিল যথাক্রমে ৬০০ দশমিক ৫৩ মিলিয়ন ও ১ হাজার ৪৫৫ দশমিক ৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশ ২০১২-১৩ অর্থবছরে জাপানে যে সকল পণ্য রফতানি করেছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে হিমায়িত খাদ্য, কৃষি পণ্য, চা, রাসায়নিক পণ্য, চামড়া, কাঁচা পাট, পাটজাত পণ্য, নিটওয়্যার ও তৈরি পোশাক।

বাংলাদেশ জাপান থেকে যেসব পণ্য আমদানি করে থাকে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- উদ্ভিদজাত পণ্য, পশু বা উদ্ভিদজাত চর্বি ও তেল ছিল এবং এ জাতীয় পণ্য, প্রস্তুতকৃত ভোজ্য চর্বি, পশু বা উদ্ভিদজাত ওয়েক্স, প্রস্তুতকৃত খাদ্য সামগ্রী, পানীয়, স্প্রীট ও ভিনেগার, তামাক ও শিল্পজাত তামাক পণ্য, খনিজ পণ্য, রাসায়নিক পণ্য বা এ জাতীয় শিল্প পণ্য, প্লাস্টিক ও এ জাতীয় পণ্য, রাবার ও এ জাতীয় পণ্য, ত্বক পরিচর্যার কাঁচা পণ্য, চামড়া, ভ্রমণ সামগ্রী, হাতব্যাগ ও অনুরূপ সামগ্রী, কাঠ ও কাঠ জাতীয় পণ্য, কাঠ কাঠকয়লা, কর্ক এবং কর্ক জাতীয় পণ্য, বেণী উপকরণ, ঝুড়ি, কাঠের সজ্জা, বস্ত্র ও টেক্সটাইল সামগ্রী, জুতা, পাগড়ি, ছাতা, হাঁটার লাঠি এবং সীট লাঠি ইত্যাদি। সূত্র: বাসস

প্রেস ক্লাবে খালেদা, বক্তব্য দেবেন আইনজীবীদের সমাবেশে

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে গুম-খুনের প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে পুলিশ বাধা দেয়ায় জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সমাবেশ করছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। এতে যোগ দিতে বেলা ১২টা ১২ মিনিটে খালেদা জিয়া প্রেস ক্লাবে এসে পৌঁছেছেন। এখানে উপস্থিত আছেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ শীর্ষ নেতা ও আইনজীবীরা। অন্যদিকে বাধা সত্ত্বেও জাতীয়তাবাদী আইনজীবীদের কিছু সদস্য সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণেও সমাবেশ করেছেন।

image_83154_0শনিবার সকাল ১০টা থেকে সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে জাতীয়তাবাদী আইনজীবীদের সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। গুম-খুনের প্রতিবাদে আয়োজিত এই সমাবেশে খালেদা জিয়া প্রধান অতিথি। তবে সকাল থেকেই সুপ্রিম কোর্টের সব ফটকে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে পুলিশ। সমাবেশ মঞ্চও গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছে কমপক্ষে ১৬ আইনজীবীকে। পরে বিএনপিপন্থী আইনজীবী ও দলের শীর্ষ নেতারা জাতীয় প্রেস ক্লাবে আসেন। সেখানে  আয়োজন করা হয় সমাবেশের। খালেদা জিয়া এতে বক্তব্য দেবেন।
প্রসঙ্গত, এর গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে গুম-খুনের প্রতিবাদে বিএনপির আয়োজিত সমাবেশও পণ্ড হয়ে যায় পুলিশি বাধায়। পরে খালেদা জিয়া তার গুলশান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে তার বক্তব্য তুলে ধরেন।

নূর হোসেনকে গ্রেফতারে ইন্টারপোলকে চিঠি

নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর সাত খুনের ঘটনার মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনকে গ্রেফতার করতে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সাহায্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে পুলিশ।

 image_82893_0
বৃহস্পতিবার সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ তাদের সদর দফতরে চিঠিটি পাঠায়। সদর দফতর থেকে চিঠিটি ইন্টারপোলকে পাঠানো হবে। চিঠিতে নূর হোসেনকে গ্রেফতারের পাশাপাশি রেড ওয়ারেন্ট ইস্যুর কথাও বলা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মুহিদউদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, নূর হোসেন দেশে নেই এবং ভারতে পালিয়ে আছেন এমন খবরের সত্যতার বিষয়ে অনেকটা নিশ্চিত হওয়ার পরেই ইন্টারপোলকে চিঠি দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কারণ দেশের বাইরে থেকে আসামি গ্রেফতার করতে হলে ইন্টারপোলের সাহায্য প্রয়োজন।
প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে গিয়ে বসবাস করতে শুরু করেন নূর হোসেন। সেখানে বসেই তিনি সিদ্ধিরগঞ্জে তার অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণ করতেন।
২০০৭ সালের ১২ এপ্রিল আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল নূর হোসেনের বিরুদ্ধে রেড ওয়ারেন্ট জারি করে। তাদের নিজস্ব ওয়েব সাইটে নূর হোসেনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, বিস্ফোরক ও প্রাণনাশের হুমকিসহ নানা অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ করা হয়েছে। ২০১১ সালের মার্চে ইন্টারপোল ওই গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহার করে নেয়।

প্রথম আলো কার্যালয় ঘেরাও

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে প্রথম আলো কার্যালয় ঘেরাও করেছে ‘সিপি গ্যাং’ নামে একটি অনলাইনভিত্তিক সংগঠন। এ সময় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। বুধবার বিকাল চারটায় এ ঘটনা ঘটে।
image_82772_0
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে ‘ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ’ উল্লেখ করায় বিকাল সাড়ে চারটার দিকে কারওয়ান বাজারের পেট্রোসেন্টার থেকে একটি মিছিল নিয়ে তারা প্রথম আলো কার্যালয়ের দিকে রওনা হন।

তাদের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আগে থেকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ প্রথম আলো কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছিল।

পুলিশ বাধা দিলে প্রথম আলো কার্যালয়ের দক্ষিণ পাশের সড়কে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দেন তারা। বেশ কিছুক্ষণ সেখানে অবস্থানের পর পাঁচটার দিকে পেট্রোসেন্টারে ফিরে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করেন তারা।

‘সিপি গ্যাং’ প্রথম আলোর নিবন্ধন বাতিল এবং প্রকাশনা বন্ধের দাবি জানিয়েছে। বিক্ষোভের সময় প্রথম আলোর কয়েকটি কপি পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানান তারা।

বিক্ষোভকালে সিপি গ্যাংয়ের সদস্যরা ‘প্রথম আলোর আস্তানা জ্বালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও’, ‘প্রথম আলো বন্ধ করো, মতিকে আটক করো’, ‘ঘেরাও ঘেরাও ঘেরাও করো, প্রথম আলো ঘেরাও করো’ ইত্যাদি স্লোগান দেয়। ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির কোনো ক্ষমা নেই, সাম্প্রদায়িক উসকানিদাতা প্রথম আলোর বন্ধ চাই, বাংলাদেশের স্বার্থে প্রথম আলো বর্জন করুন, মতিউর রহমানের শাস্তি চাই’ এই ব্যানার নিয়ে তারা বিক্ষোভ করেন। এ সময় তাদের হাতে ‘লাখো শহীদ দিচ্ছে ডাক, প্রথম আলো নিপাত যাক, ‘জ্বালো রে জ্বালো, প্রথম আলো জ্বালো, ‘প্রথম আলোর আস্তানা জ্বালিয়ে দাও, পুড়িয়ে দাও, ‘প্রথম আলো বন্ধ করো, মতিকে আটক করো’ ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড ছিল।

সংগঠনের আহ্বায়ক রাসেল রহমান বলেন, “অবিলম্বে প্রথম আলোর লাইসেন্স বাতিল ও প্রকাশনা বন্ধ করতে হবে এবং এর সম্পাদক মতিউর রহমানসহ প্রতিবেদনটি প্রকাশের সঙ্গে যারা যুক্ত ছিলেন, সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে।”

এর আগে মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে ‘টিএসসির সকল সাংস্কৃতিক সংগঠন’ ব্যানারে প্রথম আলোর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করে।
ওই সমাবেশে ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক শোয়াইব আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের সভাপতি রিয়াজুল হক রাজু ও সাধারণ সম্পাদক নাবিল আল জাহান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সভাপতি মহসীন আলী, স্লোগান ’৭১ সভাপতি ভূঁইয়া মোহাম্মদ ফয়জুল্লাহ, ঢাবি সাইক্লিং ক্লাব সভাপতি আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

চাঁদপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামে শরীফ সভাপতি, শাহীন সম্পাদক

চাঁদপুরে টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী দুই বছরের জন্য গোপন ব্যালটের মাধ্যমে আর টিভি ও নতুন বার্তা ডটকমের চাঁদপুর প্রতিনিধি শরীফ চৌধুরী সংগঠনের সভাপতি এবং এসএ টিভির জেলা প্রতিনিধি জিএম শাহীন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন।
image_82885_0
বুধবার বিকালে চাঁদপুর প্রেস ক্লাব ভবনের দ্বিতীয় তলায় এক বিশেষ সাধারণ সভার মাধ্যমে কমিটিটি গঠন করা হয়।

সর্বসম্মতিক্রমে নবনির্বাচিত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সহ-সভাপতি ফারুক আহম্মদ (সময় টিভি), লক্ষণ চন্দ্র সুত্রধর (দেশ টিভি) সোহেল রুশদী (বিজয় টিভি), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল ইমরান শোভন (চ্যানেল টোয়েন্টিফোর), রফিকুল ইসলাম বাবু (মোহনা টিভি), এ কে এম শাহেদ (ইনডিপেনডেন্ট টিভি), সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান খান (এন টিভি), কাদের পলাশ (একাত্তর টেলিভিশন), কোষাদক্ষ শিহাব উদ্দিন (দিগন্ত টিভি), দফতর ও প্রচার সম্পাদক আ. ওয়াদুদ রানা (বৈশাখী টিভি), আন্তর্জাতিক সম্পাদক রিয়াদ ফেরদৌস (জিটিভি), প্রকাশনা ও তথ্য সম্পাদক খুরশিদ আলম (এশিয়ান টিভি), সমাজ কল্যাণ সম্পাদক নাছির পাঠান (চ্যানেল নাইন), সম্মানিত কার্যকরি সদস্য গোলাম কিবরিয়া জীবন (বিটিভি), ইকরাম চৌধুরী (চ্যানেল আই), শাহ মো. মাকসুদুল আলম (ইটিভি), পার্থনাথ চক্রবর্তী (এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজ), রহিম বাদশা (বাংলা ভিশন), নুরুল আলম (মাছরাঙ্গা টেলিভিশন), মুনাওয়ার কানন ( মাই টিভি) এবং গিয়াস উদ্দিন মিলন (যমুনা টিভি)।

নবনির্বাচিত এই কমিটিটি আগামী দুই বছর দায়িত্ব পালন করবেন।

এর আগে সংগঠনের সভাপতি শরীফ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক রহিম বাদশার পরিচালনায় সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ইকরাম চৌধুরী, কাজী শাহাদাত, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বি এম হান্নান, বর্তমান সহ-সভাপতি আ. রহমান, শহীদ পাটওয়ারী, সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক আ. আউয়াল রুবেল প্রমুখ।

এছাড়া গোলাম কিবরিয়া জীবন, ইকরাম চৌধুরী, শাহ মো. মাকসুদুল আলম ও বিএম হান্নান নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব পালন করেন।

ফখরুলসহ ২৯ নেতার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল

রমনা থানার মামলায়  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির ২৯ জন নেতার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।
image_82912_0
গত বছরের ২ মার্চ সরকারবিরোধী আন্দোলনে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও বিস্ফোরণের সঙ্গ জড়িত থাকার অভিযোগে রমনা থানার এসআই আশফাক রাজীব হাসান বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার সাদাতের কাছে এ চার্জশিট উপস্থাপন করা হয়।

এর আগে বুধবার বিকেলে গোয়েন্দা পুলিশ পরিদশক ফজলুর রহমান এ চার্জশিট দাখিল করেন।

এ মামলায় মির্জা ফখরুল ইসলাম ছাড়াও মির্জা আব্বাস, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল্লাহ আল নোমান, আমানউল্লাহ আমান, সুলতান সালউদ্দিন টুকু, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিসহ ২৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত বছর ২ মার্চ রমনা থানাধীন শান্তিবাগ থেকে মালিবাগ মোড় পর্যন্ত অগ্নিসংযোগ ও গাড়ি পোড়ানো হয়। এ সময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণও ঘটে।

৭০ বছরে বিশ্বে ২০১টি যুদ্ধ বাধিয়েছে আমেরিকা: রিপোর্ট

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ৯০ শতাংশ বেসামরিক নাগরিক হতাহতের ঘটনায় কলঙ্কিত  বিশ্বের ২৪৮টি যুদ্ধের মধ্যে ২০১টি যুদ্ধই বাধিয়েছে আমেরিকা। অথচ দেশটি বিশ্বে নিজেকে শান্তি প্রতিষ্ঠার (স্বঘোষিত) নেতা বা মোড়ল বলে দাবি করে থাকে।
image_82889_0
আমেরিকান জার্নাল অফ পাবলিক হেলথ এই তথ্য জানিয়েছে। এই সাময়িকীর চলতি বছরের জুন সংখ্যায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে বিশ্বের ১৫৩টি স্থানে ২৪৮টি যুদ্ধ হয়েছে। ইরাক ও আফগানিস্তানের যুদ্ধসহ বিদেশে এইসব যুদ্ধ শুরু করেছে আমেরিকা এবং দেশটি এইসব অভিযানে সরাসরি সেনা পাঠিয়েছে।

এইসব যুদ্ধে হতাহতদের শতকরা ৯০ ভাগই হল বেসামরিক নাগরিক। অন্য কথায় এইসব যুদ্ধে প্রতি একজন সেনা হতাহত হওয়ার পাশাপাশি দশ জন বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছে।

একই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয়ের ৪১ শতাংশ হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের, এ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্থানে থাকা চীনের অবদান হচ্ছে ৮ দশমিক দুই শতাংশ এবং রাশিয়ার অংশ হচ্ছে চার দশমিক এক শতাংশ। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে যুগ্মভাবে ব্রিটেন ও ফ্রান্স। এ দুই দেশ বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয়ের তিন দশমিক ছয় শতাংশের দায় বহন করছে।

আমেরিকার সামরিক ব্যয়ের পরিমাণ হচ্ছে এক ট্রিলিয়ন বা এক লাখ কোটি ডলার। সূত্র: আইআরআইবি

প্রধানমন্ত্রীকে ‘নব্য আওয়ামী লীগার’ সম্পর্কে সজাগ থাকার আহ্বান

ভূমিদস্যু, ধান্দাবাজ, চাঁদাবাজ ও নব্য আওয়ামী লীগার সম্পর্কে সজাগ থাকতে প্রধানমন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের নেতারা।
image_82909_0
বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংগঠটির ঢাকা বিভাগীয় শাখা আয়োজিত এক সভায় এমন আহ্বান জানানো হয়। শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর এই সমস্ত ধান্দাবাজ নতুন করে বঙ্গবন্ধু প্রেমিক সেজেছে। তারা বঙ্গবন্ধুর প্রেমিক সেজে স্কুলের জায়গা, সংখ্যালঘুদের জায়গা জাল দলিল করে আত্মসাৎ করার চেষ্টা করছে। বিভিন্ন ব্যাংকে সরকারি লোন নেয়, বিদেশে লোকজন পাঠানোর জন্য তদবির করে এবং বিভিন্ন তদবির ব্যবসা শুরু করে তারা প্রকৃতপক্ষে বঙ্গবন্ধুর সৈনিক নয়।এরা বঙ্গবন্ধুর নাম ও শেখ হাসিনার নাম মুছে ফেলার চক্রান্ত করছে। সংগঠনকে ধ্বংস করার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম করছে। বিভিন্ন মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের এজেন্সীর কাছ থেকে সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে সংগঠন ভাঙার চক্রান্ত করছে।

এদের প্রহিত করতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সব সংস্কৃতি কর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, শেখ হাসিনা ১৭ মে যদি বাংলার মাটিতে ফিরে না আসতেন তাহলে আমরা এখন পাকিস্তানের অঙ্গরাজ্যে বসবাস করতাম। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতো না। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হতো না, জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হতো না। তাই জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ বলেন, কোনো স্বার্থ নিয়ে এবং সংগঠনকে ব্যবহার করে ব্যাংক লোন, স্কুলের জায়গা দখল, সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর দখল, ভূমি দস্যু, ব্যবসা-বাণিজ্য, তদবির করেন তাদের সংগঠন থেকে বহিষ্কার করতে হবে।

আয়োজক সংগঠনের ঢাকা বিভাগীয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুন্নেছা রুনার সভাপতিতে সভায় বক্তব্য দেন, সংসদ সদস্য টিপু মুন্সি, নূরজাহান মুক্তা, আবুল কালাম আজাদ, তাজুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোবারক আলী শিকদার, সহসভাপতি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান, সৈয়দ হাসান ইমাম, পীযুষ বন্দোপাধ্যায়, ড. ইনামুল হক, অভিনেতা কে.এম ফিরোজ, সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা, কবি হালিম আজাদ, কন্ঠশিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল, রোকেয়া প্রাচী, শিরীন বকুল প্রমুখ।

সংকট নিরসনে রাজনীতিকদের সঙ্গে থাই সেনাপ্রধানের সিরিজ বৈঠক

থাইল্যান্ডের রাজনৈতিক সংকট নিরসনে পরস্পরবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছেন সেনাপ্রধান জেনারেল প্রায়ুত চান-ওচা।বুধবার অনুষ্ঠিত প্রথম দফা বৈঠকে সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। বৃহস্পতিবার উভয় পক্ষকে নিয়ে আবারো বৈঠকে বসছেন থাই সেনাপ্রধান।
82883_1
বুধবারের বৈঠকে রাজনৈতিক দলগুলোর অনমনীয় ভূমিকায় জেনারেল চান-ওচা অসন্তোষ প্রকাশ করেন। আগামি সেপ্টেম্বরে তিনি অবসর নেয়ার আগে রাজনৈতিক দলগুলো সমাঝোতায় পৌঁছতে না পারলে ক্ষমতা সরে দাঁড়াবেন না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি।

গত ক’মাস ধরে অব্যাহত রাজনৈতিক সঙ্কটের পর সেনাবাহিনী গত মঙ্গলবার সামরিক শাসন জারির ঘোষণা দেয়। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা যায়, থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী কোনো গোলমাল ছাড়াই রাষ্ট্রের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে।

তবে সামরিক বাহিনী বলছে, শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্যই এই পদক্ষেপ। সেনাপ্রধান জেনারেল প্রায়ুত চান-ওচা সামরিক শাসন জারির প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘অশুভ উদ্দেশ্য নিয়ে কিছু গোষ্ঠী অস্ত্র ব্যবহার করে নাগরিকদের হুমকি দিচ্ছিল।’

এদিকে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী নিবাত্তুমরং বুনসংপাইসান সামরিক বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা সংবিধানের মধ্যে থেকে কাজ করে এবং কোন সহিংসতা না ঘটায়। এরই মধ্যে তিনি আগামি ৩ আগস্ট নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন।

তবে সেনাবাহিনী থাইল্যান্ডের চলমান রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলার জন্য কী ভূমিকা নেবে এবং সরকারের সাথে কীভাবে কাজ করবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ব্যাংককের রাস্তায়, টিভি স্টেশনগুলোতে এবং বিক্ষোভকারীদের প্রধান প্রধান সমাবেশস্থলগুলোতে সেনা মোতায়েন রয়েছে। গত দুইদিনের তুলনায় বৃহস্পতিবার রাস্তায় সেনা টহল কম।

স্থানীয় একটি পত্রিকা জানায়, অন্তত দশটি টিভি চ্যানেল এবং কিছু স্থানীয় রেডিও স্টেশনসহ বেশ কিছু সংখ্যক গণমাধ্যমের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত অনুষ্ঠান প্রচার বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষকে সংবাদ সেন্সর করে প্রচারের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৭ মে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রাকে ক্ষমতার অপব্যবহারে দোষী সাব্যস্ত করে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেয় দেশটির সাংবিধানিক আদালত। তবে আদালতে হাজিরা দেয়ার সময় মিস ইংলাক তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এদিকে গত কয়েক মাস থেকে আন্দোলরত ইংলাক বিরোধীরা প্রশাসেন সংস্কারসহ বিভিন্ন দাবিতে এখনো থাইল্যান্ডের রাজপথে অবস্থান করছেন।