মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬

এবার আইনমন্ত্রীর বক্তব্য আদালতের নজরে

প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার পর এবার আদালত নিয়ে কথা বলায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বক্তব্য আদালতের নজরে আনা হয়েছে।

বুধবার বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন।image_84807_0

পত্রিকায় প্রকাশিত দুটি বক্তব্যের ফটোকপি সকালে প্রথম আপিল বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এ সময় আপিল বিভাগ সংশ্লিষ্ট কোর্টে যাওয়ার পরামর্শ দিলে পরে বিষয়টি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের বিষয়টি উপস্থাপন করেন খন্দকার মাহবুব হোসেন।

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আদালত প্রসঙ্গে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা আদালত অবমাননার শামিল। তার বক্তব্য আদালতকে অপমান করেছে।”

এ সময় আদালত বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আদালতের কোনো আদেশ অমান্য করেননি। আদালত প্রসঙ্গে তিনি বক্তব্য দিয়েছেন। কিন্তু আদালতের কোনো আদেশ অমান্য করেননি।”

আদালত বলেছেন, “আমাদের বিচারের একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমাদের আদেশ লঙ্ঘন হলে আমরা আরেকটি আদেশ দিতে পারতাম; এখতিয়ারের বাইরে যেতে পারবো না।”

পরে আদালত বিষয়টি অনিষ্পন্ন রেখে বক্তব্যের কপি দুটি রেখে দিয়েছেন।

মঙ্গলবার এক বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেন, “বিচারকদের সীমানা অতিক্রম করা উচিত নয়। তাদের এমন কিছু করা উচিত নয়; যাতে করে বিচারিক নৈরাজ্য তৈরি হয়।”

অন্যদিকে জাপান সফর নিয়ে গত ৩১ মে শনিবার বিকেলে গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে আদালতের প্রসঙ্গ টেনে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। ওই বক্তব্য রোববার বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ হয়।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেছেন, “তদন্ত চলাকালে আদালত এমন নির্দেশ দিলে সিভিল প্রশাসনের কী করণীয় থাকে? আমরা যখন এক পা এগোই, তখন তারা দুই পা পিছিয়ে দেয়। তাদের (র্যা ব কর্মকর্তা) চাকরি থেকে বের করে দেয়া হয়েছে, তদন্ত হবে। সেখানে প্রমাণ হওয়ার আগেই হাইকোর্টের বেঞ্চ কীভাবে তাদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেন? আমার এ কথা কোর্ট কনটেমপ্ট করতে পারে; আমি কেয়ার করি না।”

প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্য রোববার ওই একই আদালতের নজরে আনেন আইনজীবী তামজিদা মিলা।

র‌্যাবের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা গ্রহণের নির্দেশ আদালতের

ব্রাহ্মবাড়িয়ার নবীনগরে ব্যবসায়ী শাহনূর আলমের নিহতের ঘটনায় সাত খুনের মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন সাবেক র‌্যাব কর্মকর_ব-১৪ এর ভৈরব ক্যাম্পের অধিনায়কসহ ৯ সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।image_84819_0

বুধবার নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এ নির্দেশ দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম নাজমুন নাহার।

নির্যাতনের মাধ্যমে ব্যবসায়ী শাহনূর আলমকে হত্যার অভিযোগ এনে গত রোববার তার ছোট ভাই মেহেদী হাসান আদালতে এ মামলাটি করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী খায়রুল এনাম জানান, আরজি গ্রহণ করা হবে কিনা সে বিষয়ে সকালে শুনানির পর এ নির্দেশ দেন আদালত।

মামলায় র‌্যাব-১৪ এর ভৈরব ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর এ জেড এম সাকিব সিদ্দিক ও উপপরিদর্শক মো. এনামুল হকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, বাকিরা অজ্ঞাত পরিচয় র‌্যাব সদস্য। এছাড়া নবীনগরের কৃষ্ণনগরের নজরুল ইসলাম (৫৮) ও আবু তাহের মিয়াকেও (৪৫) মামলায় আসামি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত,  গত ২৯ এপ্রিল নবীনগর উপজেলার বগদহর গ্রামের বাড়ি থেকে শাহনূর আলমকে সাদা পোশাকে র‌্যাব-১৪ এর সদস্যরা আটক করে নিয়ে যান। এরপর ৩১ এপ্রিল একটি মামলায় আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়। পরে ৬ মে পুলিশ হেফাজতে তার মৃত্যু হয়। র‌্যাবের নির্যাতনে শাহনূরের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন তার স্বজনরা।

পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা জোরদারে একমত ন্যাটো প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা

ন্যাটোর প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা ইউক্রেনের সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। ন্যাটো প্রধান আন্দ্রেস ফগ রাসমুসেন এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইউক্রেনের সংঘাত বেড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিবেশে দ্রুত সাড়া দেয়ার লক্ষ্যে প্রস্তুতি পরিকল্পনা তৈরিতে ন্যাটো প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা সম্মত হয়েছেন বলে জানান তিনি।image_84775_0

তিনি বলেন, ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর সামগ্রিক প্রতিরক্ষা বৃদ্ধির বিষয়টি অব্যাহত রাখা হবে এবং বাল্টিক সাগর থেকে কৃষ্ণ সাগর এবং ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী অঞ্চলগুলোতে আকাশ ও নৌপথে টহল বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে আরো মহড়া ও প্রশিক্ষণও চলবে বলে জানান তিনি। এ পরিকল্পনার মধ্যে সদস্য দেশগুলোতে রসদ ও যন্ত্রপাতি আগেই মোতায়েন করা এবং সামরিক ক্ষমতা বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ রয়েছে। এতে যে কোনো হুমকির মুখে ন্যাটোর সাড়া দেয়ার সময় দ্রুততর হবে বলে জানান হয়েছে।

আগামী সেপ্টেম্বরে বৃটেনে ন্যাটো নেতাদের বৈঠকে অনুমোদনের জন্য এ পরিকল্পনা পেশ করা হবে।

এ ছাড়া, পূর্ব ইউরোপের নিরাপত্তা খাতে একশ কোটি ডলার ব্যয়ের যে পরিকল্পনা মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ঘোষণা করেছেন তাকেও স্বাগত জানিয়েছেন রাসমুসেন।–আইআরআইবি।

প্রায় সব সেনা সরিয়ে নিয়েছে রাশিয়া

মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনী বলেছে, ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়া যে ৪০হাজার  সেনা মোতায়েন করেছিল তার প্রায় সব সরিয়ে নিয়েছে মস্কো। একইসঙ্গে রাশিয়াকে তার বাদবাকি সৈন্যও সরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ন্যাটো।image_84776_0

ন্যাটোর মহাসচিব আন্দ্রেস ফগ রাসমুসেন এ আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ইউক্রেনের পূর্ব সীমান্তে বিরাজমান উত্তেজনা কমিয়ে আনতে এটি হবে প্রথম পদক্ষেপ। মঙ্গলবার ব্রাসেলসে ন্যাটোর সদর দপ্তরে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো কোভালের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন রাসমুসেন।

এদিকে ন্যাটোর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ইউক্রেন সীমান্ত থেকে রাশিয়ার বেশিরভাগ সেনা সরিয়ে নেয়া হলেও রুশ সেনারা সীমান্তে ‘সক্রিয়’ রয়েছে। এখনো কয়েক হাজার সেনাকে তৎপরতা চালাতে দেখা গেলেও তারা সরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে।

ন্যাটো এমন সময় রুশ সেনা সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার স্বীকারোক্তি দিল যখন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি খসড়া প্রস্তাব তুলেছে মস্কো। ওই প্রস্তাবে ইউক্রেনের অবিলম্বে অস্ত্রবিরতির পাশাপাশি মানবিক ত্রাণ পাঠানোর সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান জানানো হয়েছে। রাশিয়া বলেছে, দেশটি ইউক্রেনের সেনাবাহিনী ও রুশপন্থি অস্ত্রধারীদের মধ্যে সংঘর্ষ বন্ধ ছাড়া আর কিছু চায় না।–আইআরআইবি।

টিপাইমুখ নিয়ে সক্রিয় মোদি সরকার

দীর্ঘ তিন দশক পর বিতর্কিত টিপাইমুখ নিয়ে সক্রিয় হলো মোদি সরকার। দিল্লির মসনদে বসেই মোদি সরকার আটকে থাকা বিভিন্ন প্রকল্পের সমাধান সূত্র বের করতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। এরই সূত্র ধরে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণে নয়া দিল্লি আটঘাঁট বেঁধে মাঠে নামছে।image_84773_0

বুধবার আসামের প্রভাবশালী দৈনিক যুগশঙ্খ এ খবর দিয়েছে।

পত্রিকাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, টিপাইমুখ বিদ্যুৎ প্রকল্পের বিষয়টিও নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে বলে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে। গত প্রায় দু’দশক ধরে বাংলাদেশের আপত্তির জন্য টিপাইমুখ প্রকল্পের কাজকর্ম স্থগিত হয়ে পড়ে।

যুগশঙ্খের প্রতিবেদনে বলা হয়, মোদি সরকার ক্ষমতায় এসেই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ইতিমধ্যেই যোগাযোগ স্থাপন করেছে। গত সপ্তাহে ভারতের তরফ থেকে এই প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে ঢাকার কাছে বার্তা পাঠানো হয়েছিল।

এরই সূত্র ধরে বাংলাদেশের ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং গোটা বিষয়টি নতুনভাবে খতিয়ে দেখছে। টিপাইমুখ নিয়ে দিল্লির বার্তার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকারও এই নদী বাঁধের সমাধান সূত্র বের করতে ইতিমধ্যেই সমীক্ষার কাজে হাত দিয়েছে। এর আগে অবশ্য বাংলাদেশের এক প্রতিনিধি দল টিপাইমুখ পরিদর্শন করে গেছে।

পত্রিকাটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করে, এতদিন পর্য়ন্ত বাংলাদেশ সরকার টিপাইমুখ বাঁধ হলে সুরমা ও কুশিয়ারার বর্তমান পানি প্রবাহে কোনো বিরূপ প্রভাব পড়বে কি-না, তা নিয়ে চিন্তিত ছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতেই এবার বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞরা ভারতের মনিপুরে অবস্থিত টিপাইমুখের আগে ও পরে বিস্তীর্ণ নদীপথে সমীক্ষা চালান।

যুগশঙ্খের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাঁধের নিরাপত্তা, জলাশয়ের আকার, কত ঘনমিটার পানি কত সময়ের মধ্যে ছেড়ে দেয়া হবে ইত্যাদি বিষয়গুলো বাংলাদেশের স্বার্থ অটুট রাখতে পারবে কি-না, মূলত সেই দিকগুলিই তারা যাচাই করে দেখবেন।

মাসখানেক সমীক্ষা চালানো পর বাংলাদেশ সরকার টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে ঢাকা।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর টিপাইমুখ বাঁধ আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন টিপাইমুখ জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মীয়মাণ বাঁধের দৈর্ঘ্য হবে ৩৯০ মিটার এবং তার উচ্চতা হবে ১৬২.৮ মিটার।

প্রকল্পটি নির্মিত হলে পরিবেশের ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়বে সেই নিয়েও সমীক্ষা চালাবে ভারত সরকার। প্রথমিকভাবে টিপাইমুখ প্রকল্পটি বিদ্যুতের পাশাপাশি বন্যা নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও যুক্ত ছিল। কিন্তু পরবরর্তীকালে এটি শুধু বিদ্যুৎ প্রকল্প হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে ভারত সরকার।

বেনাপোল বন্দরে রাজস্ব ঘাটতি বেড়েই চলেছে

স্থলবন্দর বেনাপোলে চলছে রাজস্ব ফাঁকির রমরমা বাণিজ্য। এর ফলে দিনদিন রাজস্ব ঘাটতি বেড়েই চলেছে।

প্রতিদিন এই বৃহত্তম বন্দর দিয়ে ৫শ গাড়ি আমদানি-রপ্তানি হয়। আর মালামাল বন্দরে লোড হওয়ার আগে থেকে চলে কাস্টমস অফিসারদের সঙ্গে শুল্ক ফাঁকির দেন দরবার।image_94087_0
বেনাপোল বন্দরে শুল্ক ফাঁকি বেড়ে যাওয়ায় ২০১১-১২ অর্থ বছরে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি ছিল ১শ ৯৪ কোটি টাকা। ২০১২-১৩ অর্থ বছরে রাজস্ব আদায় ঘাটতি বেড়ে দাঁড়ায় ৪শ ৫২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। চলতি ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষমাত্রা দেয়া হয়েছে ২ হাজার ৪শ ২৪ কোটি টাকা। এবার ও লক্ষমাত্রা পূরণ হবার কোনো আশা দেখা যাচ্ছে না।
বন্দর ব্যবহারকারী সিঅ্যান্ডএফ আমদানিকারক ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বিভিন্ন সেক্টরে দুর্নীতি অনিয়ম হলেও বেনাপোল বন্দরে এর হাওয়া লাগেনি।
বন্দরে কাস্টমস কর্মকর্তারা জাল-জালিয়াতির মাধ্যেমে বিভিন্ন অনিয়ম করে লাখ লাখ টাকা কামিয়ে নিচ্ছে। তাদের কারণে বেনাপোল বন্দর থেকে রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।
এখানকার সচেতন ব্যবসায়ী ও ব্যক্তিরা জানান, সরকারের কর্মকর্তাদের অনিয়মের কারণে ঘুষ বাণিজ্য বেড়ে যাওয়ায় সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব।
সরকারি রাজস্ব ফাঁকির জন্য এখানে বারবার কাস্টমস কর্মকর্তাদের বদলি করলেও কোনো লাভ হচ্ছে না। বরং পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজস্ব ফাঁকির প্রবণতা।
২০১২ থেকে ১৪ অর্থবছর পর্যন্ত বেনাপোল স্থল বন্দরে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৫ শতাধিক পণ্য চালান জব্দ করা হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালী লোকদের মাধ্যমে গোপন সমোঝতায় বা হুমকির মাধ্যমে এদের ছেড়ে দেয়া হয়।
কাস্টমস সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কাস্টমস কর্মকর্তাদের অবৈধ আয়ের একটি বড় উৎস নন পিসিআই ও বন্ডের মাধ্যেমে আমদানি করা পণ্য চালান থেকে। সিএফ ছাড়াই বছরে গড়ে প্রায় ১৫ হাজারের ও বেশি চালান এভাবে আমদানি হচ্ছে আন্ডার ইনভয়েসের মাধ্যমে। বন্ডের মাধ্যমে কমপক্ষে ১০ হাজার চালান আমদানি হচ্ছে। প্রতিটি চালান থেকে ১০ হাজার টাকা কমিশন বা ঘুষ হিসাবে নিলে কাস্টমস কর্মকর্তাদের আয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ১শ ২৫ কোট টাকা।
কাস্টমস কর্মকর্তারা তাদের আয়ের জন্য এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের শুল্ক ফাঁকির প্রবণতা চালু করে নিজেদের স্বার্থরক্ষা করে চলেছে।

বিশ্ববাজারে আরো বেশি শুল্কমুক্ত সুবিধা চান বাণিজ্যমন্ত্রী

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) হিসেবে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের জন্য আরও বেশি শুল্কমুক্ত সুবিধা চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।image_94105_0.gif

ঢাকা সফররত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মহাপরিচালক রবার্তো আজিভিদোর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ বহির্বিশ্বে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার জন্য অনেক কাজ করেছে। তৈরিপোশাক শিল্পকে শিশুশ্রম মুক্ত করেছে। তা সত্ত্বেও অন্যান্য এলডিসিভুক্ত দেশ বিভিন্ন সুবিধা পেলেও বাংলাদেশ পাচ্ছে না।’

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ডব্লিউটিও মহাপরিচালকের সম্মানে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ এ মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করে। তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘রানা প্লাজা, তাজরিন ফ্যাশন দুর্ঘটনার পর পোশাকশিল্প নিয়ে অপপ্রচার চললেও সেসব থেকে উত্তরণ ঘটেছে।’ তাই বিশ্ববাজারে আরও বেশি শুল্কমুক্ত সুবিধা পেতে ডব্লিউটিও মহাপরিচালকের সহায়তা চান মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমদ, বিজিএমইএ’র সভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম, বিকেএমইএ’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বাণিজ্য সচিব মাহবুব আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী-এমপিদের সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

শিগগিরই দলে শুদ্ধি অভিযান চালানোর ইঙ্গিত দিয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতা ও এমপি-মন্ত্রীদের কড়া সতর্ক করে দিয়েছেন।image_94054_0

তিনি বলেন, ‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী যেই হোক তাকে রক্ষা করা হবে না। অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দায়ভার আওয়ামী লীগ নেবে না। অনৈতিক কর্মকাণ্ডে যেই জড়িত হবে কোনোদিক না তাকিয়ে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। কেউ তাদের রক্ষা করতে পারবে না।’

সোমবার রাতে গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং দলের সংসদীয় কমিটির সদস্যদের সঙ্গে যৌথ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এমন হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।

দলীয় সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এলাকায় নিজস্ব বলয় সৃষ্টি না করে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করুন। দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকুন।’

তবে বৈঠকে দুই আলোচিত এমপি শামীম ওসমান ও নিজাম উদ্দিন হাজারী উপস্থিত থাকলেও নারায়ণগঞ্জ, ফেনী ও লক্ষ্মীপুরের ঘটনা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলেও সূত্রে জানা যায়।

সূত্র জানায়, বিভিন্ন দল থেকে আওয়ামী লীগের অনুপ্রবেশকারী সুযোগসন্ধানীদের ব্যাপারেও সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ এককভাবেই শক্তিশালী রাজনৈতিক দল। আমাদের কোটি কোটি নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী রয়েছে। দল ক্ষমতায় থাকার সুবাদে বিএনপি-জামায়াত জোট ও তাদের সমর্থক সুযোগসন্ধানীরা আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে নানারকম অপকর্ম চালিয়ে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে। এদেরকে দলে রাখার কোনো প্রয়োজন নেই।’

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘কিছু লোক আছে যারা যে দলের সরকার ক্ষমতায় থাকে, সেই দলের লোক হয়ে যায়। এরা মূলত স্থায়ী গভর্নেন্ট পার্টির (সরকার পার্টি) লোক হিসেবে পরিচিত। এদের ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’

সংসদ সদস্য তারানা হালিমের গ্রামের নিরক্ষর নারীদেরকে ধর্মের দোহাই দিয়ে জামায়াত বিভ্রান্ত করছে এমন প্রশ্ন উঠলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘জামায়াতের নারী সদস্যরা গ্রামের নারীদের কাছে গিয়ে ভুল বোঝাচ্ছে।’ এতে জনগণ যেন বিভ্রান্তিতে না পড়ে সেজন্য আওয়ামী লীগের নারী এমপিদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার নির্দেশ দেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘নারী এমপিদের সারাদেশের নারীসমাজকে ঐক্যবদ্ধ ও দলের নারী সংগঠনগুলোকে চাঙ্গা করার কাজ করতে হবে।’

এসময় তারানা হালিম দলের মধ্যে বিদ্যমান অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কথা তুলে ধরে বলেন, ‘সম্প্রতি অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচনে আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকতাম, তবে আরো অনেক উপজেলাতে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বিজয়ী হতো। সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও তাই হতো। শুধুমাত্র দলীয় কোন্দলের কারণে আমাদের অনেক কিছু হারাতে হয়েছে।’ তিনি এ ব্যাপারে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

ঢাকার-১৬ আসনের এমপি কামাল আহমেদ মজুমদার দ্রুত নগর কমিটি গঠনের তাগিদ দিয়ে বলেন, ‘ঢাকা মহানগরীর ওয়ার্ড, থানা, ইউনিয়ন ও মূল নগরের কাউন্সিল হয়েছে। কিন্তু এখনো কমিটি গঠন হয়নি।’ তিনি দলের সৎ, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের সমন্বয়ে নগর কমিটি গঠনের দাবি জানান বৈঠকে।

এছাড়া বৈঠকে দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সংসদের বাজেট অধিবেশনে সরকার এমপিদের ভাষণের ধরন এবং সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড কীভাবে তুলে ধরতে হবে সে ব্যাপারে ব্যাখ্যা দেন।

সিরাজ সিকদার হত্যার স্বীকারোক্তির জন্যও তো বিচার হতে পারে

জিয়াউর রহমান মারা না গেলে তাকেও বঙ্গবন্ধু হত্যার আসামি করা হতো’ প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ বলেছেন, ‘ডেপুটি স্পিকার হত্যার জন্যও তো বিচার হতে পারে। সংসদে দাঁড়িয়ে সিরাজ সিকদারকে হত্যার কথা নিজ মুখে স্বীকারোক্তি করার দায়েও তো বিচার হতে পারে।’image_94103_0

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ‘বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের মন্ত্রীদের কটূক্তি ও লাগামহীন অশালীন বক্তব্যের প্রতিবাদে’ আয়োজিত এক প্রতিবাদসভায় তিনি এ কথা বলেন।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ড্রয়িং রুমে বসে যেসব কথাবার্তা বলেন, সেসব কথাবার্তা যাচাই-বাছাই না করেই বিভিন্ন মিটিংয়ে তা বলেন। আসলে প্রধানমন্ত্রী বেয়াকুবি কথা বলেন।’

এসময় আওয়ামী লীগের সকল মন্ত্রীকে ভাল করে বাংলাভাষা শিখে বক্তব্য দেয়ার পরামর্শ দেন হান্নান শাহ। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া তারেক রহমানকে নিয়ে মন্ত্রীরা সেসব অশালীন বক্তব্য দেন এবং মিথ্যাচার করেন এর জন্য তাদের ভাল করে বাংলাভাষা শিখে বক্তব্য দেয়া উচিত।’

তিনি আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের বেলাজ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘এদের জন্মের সময় কোনো দাদী নানী চোখ ধুইয়ে দেয়নি। এজন্য তাদের চোখে লজ্জা নেই। এজন্য  তারা বেলাজের মতো কথা বলে।’

স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে তারেকের বক্তব্য সম্পর্কে আওয়ামী লীগ নেতাদের চ্যালেঞ্জ করে তিনি বলেন, ‘জিয়ার বক্তব্য টেলিভিশন এবং রেডিওতে প্রচার করা হোক। জিয়ার ঘোষণা রেডিওতে প্রচার করা হোক। তখন দেখবেন তারেক রহমান সত্য বলেছেন কিনা। কিন্তু আপনারা তা করবেন  না। কারণ আপনারা সত্য বলতে ভয় পান।’

এসময় তিনি দাবি করে বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষণা যে জিয়া দিয়েছেন, সে বিষয়টি তাজউদ্দিনের মেয়ের বইয়ে উঠে এসেছে। তাজউদ্দিন আহমেদ নিজ কানে স্বাধীনতার ঘোষণা শুনেছেন একথা তার মেয়ে তার বইয়ে লিখেছেন। তাকে তো আওয়ামী লীগ রাজাকার বলতে পারবে না।’

আওয়ামী লীগ নেতারা তারেক রহমানকে উন্মাদ বলার জবাবে তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান যে তথ্য দিয়েছেন তা শোনার পর তাদের মাথা গোলমাল হয়েছে। তারাই উন্মাদ ও পাগল হয়ে গেছে।’

মায়ানমারের সীমান্ত রক্ষিবাহিনী বিজিপির গুলিতে বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশে (বিজিবি) এর  নায়েক মিজানুর রহমান নিহত হওয়ার ঘটনায় হান্নান শাহ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তো বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় বলেছিলেন একটি লাশ পড়লে দশটি লাশ ফেলে দাও। তাহলে এখন তিনি কেন কোনো নির্দেশনা দেননি। বিজিবি সদস্যরা কোনো নির্দেশনা না পাওয়ার কারণে তারা গুলি চালাতে পারেনি।’

তিনি বলেন, ‘নির্দেশনা ও পরিচালনার অভাবে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।’ আওয়ামী লীগ নেতাদের দুর্নীতির ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘মনে রাখবেন, আপনাদের ছেলেমেয়েদের দুর্নীতির কথা একদিন প্রকাশ পাবে, জনগণ জানতে পারবে, তখন আপনারা রাজনীতি করতে পারবেন কিনা সন্দেহ।’

প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রতন। বক্তব্য দেন যুবদল সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য শাম্মী আক্তার, হেলেন জেরিন খান প্রমুখ।

বঙ্গবন্ধুর বিপক্ষে কথা বললেই শাস্তি দিতে হবে

বঙ্গবন্ধুর বিপক্ষে যে কথা বলবে, সে যেই হোক তাকে শাস্তির আওতায় আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানকে লন্ডন থেকে ধরে এনে শাস্তি দেয়া প্রয়োজন।’
image_94093_0
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘মুক্তিযোদ্ধা জনতা লীগ’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনার (তারেক) পেছনে তো জামায়াত ও হেফাজত রয়েছে। সাহস থাকলে দেশে এসে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিতর্ক করুন।’

খালেদা জিয়া সম্পর্কে মায়া বলেন, ‘তার লজ্জাও নেই-শরমও নেই। আগে মানুষ তাকে বিরোধী দলীয় নেত্রী হিসেবে সম্বোধন করতো। এখন শুধু খালেদা বলে ডাকে।’ এ সময় তিনি দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় দলের নেতাকর্মীদের ‘বিএনপির ষড়যন্ত্র’ মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।

গত ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে মায়া বলেন, ‘বিএনপিকে যখন ডেকেছি তখন তারা আসেনি। এখন তারা মধ্যবর্তী নির্বাচনের জন্য যতই আন্দোলন করুক বা দাবি জানাক আগামী ১৯ সালের আগে নির্বাচন হবে না। বিদেশিরা যে যত কথাই বলুক আমরা ১৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকব।’

মুক্তিযোদ্ধা জনতা লীগের সভাপতি মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল হক সবুজ, অভিনেতা মিজু আহম্মেদ, ওলামালীগের সভাপতি মাওলানা ইলিয়াস হোসেন বিন হেলালী প্রমুখ।