মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬

ধসে পড়েছে সুস্মিতার বাড়ির ছাদ

susmita2বলিউডের অভিনেত্রী সুস্মিতা সেনের বাড়ির ছাদ ধসে পড়েছে। এ কারণে দুশ্চিন্তায় সময় কাটছে ৩৮ বছর বয়সী বলিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা সেনের।

মঙ্গলবার সুস্মিতা সেনের বাড়ির ফলস সিলিংয়ের একটি অংশ ধসে পড়েছে। মুম্বাইয়ের জুভু এলাকায় তাঁর বাড়ি। তবে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

জানা গেছে, এই বাড়িতে সুস্মিতা সেন অল্প কিছুদিন ধরে থাকছেন। সিলিংয়ের একটি অংশ সশব্দে ধসে পড়ে মঙ্গলবার। অভিনেত্রী সুস্মিতা ও তার বাচ্চারা ওই বাড়িতে থাকলেও তাদের কোনো ক্ষতি হয়নি।

সম্প্রতি মরিশাস থেকে ফিরে আসা এই অভিনেত্রী এই ঘটনায় দারুণ চোট পেয়েছেন। এতো সাজানো গোছানো অ্যাপার্টমেন্টে এই ধরনের ঘটনা ঘটায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন বলিউডের এই অভিনেত্রী।

হবিগঞ্জে এত অস্ত্র ও গোলাবারুদের উৎস কী?

osro4হবিগঞ্জের বনাঞ্চল থেকে উদ্ধার করা বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদের উৎস কী এবং এর সঙ্গে জড়িত নেপথ্যের ব্যক্তি কারা, তা এখনো জানা যায়নি৷ তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করেন এগুলো ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হতে পারে৷

ভারতীয় গোয়েন্দাদের কাছ থেকে তথ্য পেয়েই হবিগঞ্জের বনাঞ্চলে র‌্যাব অভিযান চালায়। বুধবার এই খবর দিয়েছে ভারতের কলকাতার প্রভাবশালী দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা।

আনন্দবাজার লিখেছে, “বাংলাদেশের হবিগঞ্জে সাতছড়ির দুর্গম পাহাড়ি জঙ্গল। হাত বাড়ালেই ভারত সীমান্ত। তার ওপারে যে সবুজ অরণ্য তা পড়ে ত্রিপুরা রাজ্যে। এই জঙ্গলের মধ্যেই জঙ্গিদের অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে বলে খবর দিয়েছিলেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। তার পরে রাতভর অভিযান চালিয়ে জঙ্গলে সাতটি লুকোনো বাঙ্কারের হদিশ পায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব)।

২০০৪ সালে চট্টগ্রামে ১০ ট্রাক অস্ত্র ধরা পড়ে৷ তদন্তে ওই অস্ত্র ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ আসাম’ বা উলফার বলে প্রমাণ হয়৷ এর সঙ্গে জড়িতদের বাংলাদেশের আদালত মৃত্যুদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন৷
এর আগে ২০০৩ সালে বগুড়ায় গুলি এবং অস্ত্রের বড় একটি চালান ধরা পড়ার পর তার তদন্তে অনেক তথ্য বেরিয়ে এসেছিল৷ তখনই জানা যায় ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের সাতছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চল অস্ত্রপাচার এবং চোরাচালানের জন্য ব্যবহার করত৷ এই এলাকা ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলা থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে৷ এই গুলি ও অস্ত্রের সঙ্গে ‘ন্যাশনাল লিবারেশন ফোর্স অব ত্রিপুরা’ বা এনএলএফটি এবং উলফা জড়িত ছিল বলে তখনকার তদন্তে বেরিয়ে আসে৷

সাতছড়ি বনাঞ্চলেই একসময় ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘অল ত্রিপুরা টাইগার ফোর্স’ বা এটিটিএফ-এর সদর দপ্তর ছিল বলে জানা গেছে৷ উলফা তাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদ পরিবহণ, পাচার ও চোরাচালানে এটিটিএফ-এর সাতছড়ি বনাঞ্চলের ঘাটি ব্যবহার করত৷

২০১৩ সালে বাংলাদেশ সরকার এটিটিএফ-এর প্রধান রণজিত দেববর্মণকে ভারতের কাছে হস্তান্তর করে৷ ভারতের ত্রিপুরার আদালতে একাধিক মামলায় এখন রণজিত দেববর্মণের বিচার চলছে৷ তার সঙ্গে উলফা নেতা পরেশ বড়ুয়ার ঘনিষ্ঠতা ছিল৷ ২০০৪ সালে চট্টগ্রামে ১০ ট্রাক অস্ত্র আটকের ঘটনায় পরেশ বড়ুয়াকে আদালত মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন৷ উলফার এই অস্ত্রের চোরাচালান মামলায় সেই সময়ের বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের দু’জন মন্ত্রী এবং সামরিক ও বেসামরিক কয়েকজন শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তারও শাস্তি হয়েছে৷

উলফা নেতা পরেশ বড়ুয়া পলাতক আছেন৷ জানা যায় তিনি চীন-মিয়ানমার সীমান্তের টংচং এলাকার কোথাও অবস্থান করছেন৷

অতীতে সাতছড়ি বনাঞ্চলকে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপ উলফা, এটিটিএফ এবং এনএলএফটি তাদের ট্রেনিং ক্যাম্প হিসেবেও ব্যবহার করত৷

মঙ্গলবার সাতছড়ি বনাঞ্চল থেকে র‌্যাব ২৫০টি অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট, সমপরিমাণ চার্জার, ২০০ মর্টার সেল এবং ১১ হাজার গুলি ও গোলাবরুদ উদ্ধারের পর বুধবারও অভিযান চালায়৷ বুধবারের অভিযানে আরো ৮টি অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট এবং ১৮৪টি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে৷ পাওয়া গেছে একটি সুরঙ্গ৷ সাতছড়ি বনে মোট সাতটি বাংকারের খোঁজ পাওয়া গেলেও অস্ত্র গোলাবারুদ পাওয়া গেছে একটি বাংকারে৷

তিনি জানান, ‘‘আমরা এখনো এইসব আগ্নেয়াস্ত্র এবং গোলাবারুদের উৎস সম্পর্কে জানতে পারিনি৷ জানতে পারিনি কারা এখানে এগুলো রেখেছে৷” তদন্তে সব বেরিয়ে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন৷

তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুর রশিদ অব. জানান, ‘‘চট্টগ্রাম এবং বগুড়ায় এর আগে উদ্ধার করা অস্ত্র এবং গোলাবারুদের সঙ্গে হবিগঞ্জের অস্ত্র এবং গোলাবরুদের মিল আছে৷ এগুলো সামরিক অস্ত্র৷ এরমধ্যে রকেট লঞ্চার ছাড়াও বিমান বিধ্বংসী মেশিনগানের গুলিও আছে৷ আর এ থেকে সহজেই বোঝা যায় এগুলো ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপের৷”

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নিরাপত্তা এবং সন্ত্রাস বিরোধী চুক্তি হওয়ার ফলে ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা এখন আর বাংলাদেশের মাটিতে ঠাঁই পায় না৷ এর আগে তাদের অস্ত্রের চালান আটক ও শীর্ষ কয়েকজনকে গ্রেফতার করায় তারা চাপে পড়ে বাংলাদেশ ছেড়ে অন্য কোথাও আস্তানা গেড়েছে৷ তার মতে, তারা সরে গেলেও তাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুদ সরাতে পারেনি৷ হবিগঞ্জের গোলাবারুদ কমপক্ষে ৪/৫ বছরের পুরনো বলেই মনে হয়৷

এই নিরাপত্তা বিশ্লেষকের ধারণা বাংলাদেশের সিলেট এবং পার্বত্য এলাকার গভীর বনে এধরণের আরো মজুদ করা অস্ত্র এবং গোলাবারুদ থাকতে পারে৷

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুর রশিদ অব. বলেন, ‘‘বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্কতা ও তৎপরতার কারণেই হবিগঞ্জে অস্ত্র এবং গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছে৷ এই তৎপরতা আরো বাড়াতে হবে৷”

র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জিয়াউল আহসান জানান, ‘‘বাংকারগুলো কমপক্ষে এক বছর আগে তৈরি করা হয়েছে বলে ধারণা করা যায়৷ আর অস্ত্র ও গোলাবারুদ পলিথিনে মোড়ানো ছিল৷ এখানে ত্রিপুরাকে স্বাধীন করা কেন প্রয়োজন তা নিয়ে লেখা একটি পুস্তিকাও পাওয়া গেছে৷ তবে এই ঘটনায় এখনো কাউকে আটক বা গ্রেফতার করা যায়নি৷” – ডিডব্লিউ।

পর্নো দেখে শাশুড়িকে ধর্ষণ করল জামাই

rape2পর্নো ভিডিও দেখে শাশুড়িকে ধর্ষণ করল মেয়েজামাই। এ ঘটনার জেরে প্রাণ গেল শাশুড়ির। ৩২ বছর বয়সী জামাই মোহাম্মদ ইউসুফ তার সন্তানদের সামনেই এ ঘটনা ঘটান।

ইউসুফ তার ৬৪ বছর বয়সী শাশুড়ির উপর যেভাবে যৌন নির্যাতন চালিয়েছিলেন তা শুনে অবাক হয়ে যান আদালত৷পর্নো ফিল্মের নেশাগ্রস্ত ব্যক্তিদের উপর মানসিক ও শারীরিক চাপ পড়ে৷

এ ঘটনা ঠিক সেকরমই। ঘটনাটি ঘটেছে লন্ডনের উত্তর দক্ষিণ এলাকায়। এ ঘটনায় আদালত অভিযুক্ত ইউসুফকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।

সংবাদ মাধ্যম জানায়, ইউসুফ নিজের বাড়িতে যখন তার শাশুড়ির উপর অত্যাচার করেন তখন বাড়িতে তার দুই ছেলে ছিল৷ তারা পাশের ঘরে ঘুমোচ্ছিল৷

শিশুরা বলেছে, যখন তাদের বাবা দিদাকে অমানবিক অত্যাচার করছিল তখন সে নিজেকে বাঁচাতে চিৎকার করতে শুরু করে৷ শিশু দুজনের বয়স ১০ এবং ১৩ বছর।

তারা চিৎকারের কারণ বুঝতে পারেনি৷ এ ঘটনায় তারা দুজনেই বাবার বিরুদ্ধে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে৷ দুই শিশুই ঘটনার পর মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে৷

পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, মোহম্মদ ইউসুফ পর্নো ছবি দেখে মানসিক দিক থেকে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল৷এ কারণের সে তার শাশুড়িকে হত্যা করে৷ পর্নো ভিডিও দেখার পরই সে উত্তেজিত হয়ে শাশুড়ির উপর শারীরিক নির্যাতন শুরু করে৷ এরপর সে তার শাশুড়িকে মৃত্যুর মুখে ফেলে পালিয়ে যায়৷

ঘটনার প্রায় কয়েকঘন্টা ব্যথায় ছটফট করার পর প্রাণ হারান ৬৪ বছর বয়সী নারী৷ আদালত জানিয়েছে, এমন নির্মম হত্যাকােণ্ডের অভিযোগ এর আগে আসেনি৷

হবিগঞ্জের অস্ত্র কাদের, নিরব সরকার

bankarহবিগঞ্জের সাতছড়ি এলাকায় সীমান্তবর্তী গভীর জঙ্গলে র‌্যাবের বুধবারের অভিযানেও বেশকিছু অস্ত্র,গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছে। তবে, গত দুদিনে উদ্ধার করা এসব অস্ত্র কাদের জন্য বা কারা এনেছে, সে ব্যাপারে র‌্যাব এখনও কিছু বলতে পারছে না।

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, দেশের ভিতরে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য নাকি ভারতীয় কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের জন্য এগুলো আনা হয়েছিল, এমন সব প্রশ্ন তারা তদন্ত করে দেখবেন।

ভারতের ত্রিপুরা সীমান্ত থেকে বাংলাদেশের চার কিলোমিটার ভিতরে চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ির পাহাড়ি জঙ্গলে র‌্যাব তাদের অভিযান অব্যাহত রাখছে।

র‌্যাব বলেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওই অঞ্চলে চারদিন ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে তিনটি টিলায় সাতটি বাংকারের খোঁজ পায় তারা। আর এই বাংকার থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্রের দেখা পায় মঙ্গলবার।

বুধবারও সেখান থেকে মেশিনগান এবং কামান বিধ্বংসী গোলাসহ অনেক অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

এখন সেখানে একটি সুড়ঙ্গ এবং ইউনিফরম ও কিছু কাগজপত্র পাওয়া গেছে।

র‌্যাবের মুখপাত্র এটিএম হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, দু’দিনে বিভিন্ন ধরণের ভারী অস্ত্র তারা সেখানে পেয়েছেন।

তিনি বলেছেন, “দু’দিনের অভিযানে দু’শোর বেশি ট্যাংক বিধ্বংসী গোলা বা রকেট পাওয়া গেছে। উদ্ধার করা হয়েছে একটি রকেট লঞ্চার । এর চার্জার পাওয়া গেছে দু’শটির মতো। পাঁচটা মেশিনগান এবং এর কিছু ব্যারেল উদ্ধার হয়েছে। এছাড়া উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেরো হাজারের মতো গোলাবারুদ উদ্ধার করা গেছে।”

তবে এত অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ কাদের ব্যবহারের জন্য সেখানে ছিল অথবা কারা এর পিছনে থাকতে পারে, এসব প্রশ্নে এখনও কোনো জবাব মিলছে না।

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, উঠে আসা সব প্রশ্নেরই উত্তর খোঁজার চেষ্টা করা হবে তদন্তে।

প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, “দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করা, জঙ্গি তৎপরতা এবং বিচ্ছিন্নবাদীদের জন্য উপযুক্ত অস্ত্র সেখানে পাওয়া গেছে। এ বিষয়গুলো নিয়েই তদন্ত করা হবে।”

তবে র‌্যাবের এই অভিযানে অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদের পাশাপাশি কিছু কাগজপত্র পাওয়া গেছে।

সেগুলো ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী কোনো সংগঠনের কিনা, সেই প্রশ্নে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, “এসব কাগজপত্র ভূয়াও হতে পারে। তবে আমরা বলছি, কোনোটাই অসম্ভব নয়। সব বিষয়ই খতিয়ে দেখা হবে”।

ভারতের অনেক সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে যে, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য এবং অনুরোধের ভিত্তিতে র্যাব এই অভিযান চালায়।

এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সরাসরি কিছু বলেননি। তিনি বলেছেন, “ভারত অনেক সময়ই অনেক কিছু আমাদের বলে। আমরা সেগুলোর কোনোটা খুঁজে পাই। কোনোটার কিছু পাওয়া যায় না। এই অভিযান আমরাই করেছি। তদন্ত হলে সব জানা যাবে।”

র‌্যাবের মহাপরিচালক মোখলেসুর রহমানের বক্তব্য হচ্ছে, মামলার তদন্তেই সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে।

এই অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় অস্ত্র এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা করেছে র‌্যাব।

এদিকে, ঘটনাস্থল অর্থাৎ ওই বনাঞ্চলের কাছে কিছু মানুষের বসতি ছিল। তাদের বেশিরভাগই ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্য জায়গায় চলে গেছেন বলে স্থানীয় সাংবাদিকরা জানিয়েছেন। সূত্র: বিবিসি।

‘মিডল অর্ডার সামলানোর দায়িত্বটা ছিল আমার’

Sakib al hasan10আইপিএলের সপ্তম সংস্করণে চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশে ফিরেছেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ অলরাউন্ডার ও বাংলাদেশের সেরা খেলোয়াড় সাকিব আল হাসান। দেশে ফেরার আগে  ভারতীয় দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব কথা বলেছেন আইপিএল ও তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে।

প্রশ্ন: চ্যাম্পিয়ন হয়ে ইডেনে ঢুকলে কী হয়, আজকেরটা ধরে দু’বার আপনি জেনে গেলেন। প্রথম বারের সঙ্গে কোনও তফাত বুঝলেন?
সাকিব: মনে হচ্ছে এ বার উন্মাদনাটা আরও বেশি। তবে তাতে আশ্চর্য হইনি। আমি জানি, ইডেনের আবেগটা কী রকম হয়।

প্র: দ্বিতীয় বার চ্যাম্পিয়ন হয়ে আপনার ব্যক্তিগত অনুভূতি কী রকম?
সাকিব: দেখুন, প্রথমের সঙ্গে দ্বিতীয়ের তুলনা চলে না। প্রথম কিছু অর্জন করার অনুভূতি, আবেগ সবই আলাদা। দু’বছর আগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার উচ্ছ্বাস অনেক বেশি ছিল। এবার সেটা কম। আমি কেন, সবার মধ্যেই। কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমরা কম খুশি হয়েছি। আসলে জানতাম, যে ভাবে খেলছি তাতে চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা সম্ভব। প্রত্যাশিত।

প্র: প্রত্যাশিত?
সাকিব: হ্যাঁ। ফাইনালের আগে টানা আটটা ম্যাচ জিতেছি। টিমটা বিশ্বাস করতে শুরু করেছিল, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করা কঠিন হবে না।

প্র:  কী দেখে বিশ্বাস করেছিল? শুধু পারফরম্যান্সে টানা ন’টা ম্যাচ জেতা সম্ভব না। অনেক ফ্যাক্টরও পাশাপাশি কাজ করে। আপনাদের ক্ষেত্রে কী কী কাজ করেছে?
সাকিব: আমরা বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলাম, নিজেদের সেরা খেলাটা খেললে খুব কম টিমই আছে যারা সে দিনই আবার নিজেদের সেরা খেলাটা খেলে আমাদের হারাবে। প্রথম কয়েকটা ম্যাচ হারলেও ওই বিশ্বাসটা চলে আসার পর আর সমস্যা হয়নি।

প্র: ফাইনালে দু’শো তাড়া করতে নেমে কখন মনে হল যে ম্যাচটা জেতা যেতে পারে?
সাকিব: দশ ওভারের পর। আমাদের স্কোর তখন নব্বই প্লাস। মাত্র দু’টো উইকেট পড়েছে। দশ-এগারো করে ওভারে তুলতে হত। চিন্নাস্বামীর উইকেটে সেটা অসম্ভব মনে হয়নি। তা ছাড়া দু’বছর আগের ফাইনালে চিপকে ১৮৯ তাড়া করে জিতেছি। ফাইনালে দু’শো তোলার অভ্যেস ছিল বলতে পারেন (হাসি)।

প্র: আইপিএল ফাইনাল নিয়ে একটা মত হচ্ছে, ম্যাচটাকে যে দিক থেকেই দেখা যাক না কেন বাঙালি জিতেছে। কেকেআর চ্যাম্পিয়ন। আবার পঞ্জাবের হয়ে ঋদ্ধিমান সাহা সেঞ্চুরি করে গেলেন। মাঠে দাঁড়িয়ে ঋদ্ধির ইনিংসটা দেখার পর বাঙালি হিসেবে আপনার কী অনভূতি হচ্ছিল?
সাকিব: মোটেও ভাল অনুভূতি হচ্ছিল না (আবার হাসি)। ঋদ্ধি যে ভাবে ব্যাট করল, অসাধারণ।

প্র: ফাইনালে সাকিব আল হাসান ওই ইনিংসটা খেলতে পারলে গর্বিত হতেন?
সাকিব: নিশ্চয়ই। ফাইনালে ও রকম ব্যাটিং, ভাবা যায় না। ঋদ্ধি তো আমাদের কাছে শক হিসেবে উপস্থিত হয়েছিল। বিশেষ করে নারিনকে ও ভাবে মারতে আমি খুব কম ক্রিকেটারকে দেখেছি।

প্র: ক্রিকেটে গেমচেঞ্জার বলে একটা কথা আছে। কেকেআরে এ বার সেটা আপনি ছিলেন।
সাকিব: গত দু’বারের চেয়ে আমার কাজটা এ বার অনেক বেশি ছিল। বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে। আগের বছরগুলোয় লোয়ার অর্ডারে নামতাম। এ বার চার বা পাঁচে নেমেছি। মিডল অর্ডার সামলানোর দায়িত্বটা আমার ছিল। যেখানে দশ-বারো ওভার থেকে খেলতে হবে।

প্র: বোলিংটাও দুর্র্ধষ করেছেন। কখনও কখনও নারিনের চেয়েও আপনাকে বেশি কৃপণ দেখিয়েছে।সাকিব: আমার বোলিং অনেক ভাল হয়েছে। কমদিন ধরে তো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছি না। তবে ভাল বোলিংয়ের পিছনে রহস্য কী, বলতে পারব না। আমি কখনওই বোলিং নিয়ে বিশেষ ভাবিনি। আজও বুঝতে পারি না, আমার কোন বলটা ঘুরবে আর কোনটা ঘুরবে না!

প্র: আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশে ফেরার আগে কি স্বস্তি হচ্ছে? টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ব্যর্থতার পর সাকিবকে কাঠগড়ায় তুলেছিল পদ্মাপারের মানুষ। তার দু’মাসের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশে ফিরছেন।
সাকিব: আমি কখনওই এটা নিয়ে বেশি ভাবিনি। জানিও না কে কী চিন্তা করছে। আমার কাজ তো মাঠে নেমে পারফর্ম করা।

প্র: কিন্তু আপনার পারফরম্যান্স দেখে বাংলাদেশ নাকি বলছে, সাকিব বরাবরই অসাধারণ ক্রিকেটার। বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্টের ব্যর্থতা যে, তারা সাকিবের সেরাটা বের করে আনতে পারে না। যেটা কেকেআর পারে।

সাকিব: ও সব জানি না। শুধু জানি, মাঠ ও মাঠের বাইরে যে কাজগুলো করা আমার কর্তব্য, করে যাব। পারব কি পারব না, পরের ব্যাপার। কিন্তু যখন যে টিমের জন্য নামব, একশো শতাংশ দেব। আর সাকিব আল হাসান ক্রিকেট খেলে কারও কথায় বা কাউকে দেখানোর জন্য নয়। খেলে, নিজে শান্তি পায় বলে। ভাল খেললে, সাকিবই সবচেয়ে বেশি শান্তি পায়। নিশ্চিন্তে ঘুমোতে যেতে পারে। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

শামীম ওসমানকে অচিরেই মন্ত্রীপরিষদেরর সদস্য করা হতে পারে

shamim_hasinaজাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে মরহুম সংসদ সদস্য এ কে এম নাসিম ওসমানের অকাল মৃত্যুতে শোক প্রস্তাবের ওপর দীর্ঘ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পিনপতন নিরবতায় সহকর্মী মরহুম সংসদ সদস্যের কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সবাই আবেগপ্রবন হয়ে পড়েন। মরহুমের অনুজ একেএম শামীম ওসমানও অশ্রুশিক্ত নয়নে আবেগময় বক্তব্য রাখেন। নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমানকে অচিরেই মন্ত্রীপরিষদেরর সদস্য করা হতে পারে। শামীম ওসমানের অগ্রজ এ কে এম নাসিম ওসমানের অকালমৃত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমবেদনার নিদর্শন স্বরূপ শামীম ওসমান মন্ত্রীত্ব পেতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

অশ্রুসজল সংসদনেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার অত্যন্ত স্নেহভাজন নাসিম ওসমানের মৃত্যু আমাকে এতটাই মর্মাহত করেছে যে, আমি কিছুক্ষণ বাকরুদ্ধ থাকি। ইন্ডিয়া যাওয়ার কয়েকদিন আগে আমার সঙ্গে দেখা করে গেছে। আমি নাসিম ওসমানের হাতে সেসময় একটি কোরআন শরীফ তুলে দেই। আওয়ামী লীগের সঙ্গে ওসমান পরিবারের রক্তের সম্পর্ক। ওর বাবা জোহা সাহেবকে আমি চাচা ডাকতাম। চাচি বেঁচে থাকতে নাসিম মারা গেলেন।

এ শোক ‘মা’ কি করে সহ্য করছেন আমি উপলব্ধি করি। বিয়ের পর পর নাসিম ওসমান বঙ্গবন্ধু হত্যার বদলা নিতে ভারতে পাড়ি জমিয়েছিল। আওয়ামী লীগের শক্তিকে দুর্বল করতেই কিছু হলেই ওসমান পরিবারের নামে অপপ্রচার চালানো হয়। জোহা চাচা ছিলেন বাবার অত্যন্ত ঘনিষ্ট নিবেদিত প্রাণ। প্রধানমন্ত্রী সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, এ পরিবারের অবদানের মূল্য অবশ্যই দেয়া হবে। আমার সুদৃষ্টি অব্যহত থাকবে।’ প্রধানমন্ত্রীর সহানুভূতিপূর্ণ ভাষণ পর্যালোচনা করে কেও কেও বলছেন, শামীম ওসমানের আশা পূরণ দ্বারপ্রান্তে।

উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী নারায়ণগঞ্জ থেকে ন্যুনতম একজনকে মন্ত্রীপরিষদেরর সদস্য করা হোক। নাসিম ওসমানের অকালমৃত্যু শামীম ওসমানের মন্ত্রী হওয়ার পথকে সুগম করেছে বলে পর্যবেক্ষকদের বিশ্বাস।

ওসমান পরিবারকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মূল্যায়ন ও বক্তব্যের অংশবিশেষ

রাজনীতি করতে এসে অপরাধ করেনি এমন কেউ নেই। কিন্তু কিছু কিছু পরিবারকে মহল বিশেষ টার্গেট করে অপপ্রচার করে। অনেকে অনেক বড় অপরাধ করলেও তা লেখা হয় না, অনেকের দোষ চোখে পড়ে না। আবার কেউ সামান্য কিছু করলেই সেটি বড় করে দেখানো হয়। তবে কেউ অন্যায় করলে তার বিচার হবে। আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে। তবে কেউ যদি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে কাউকে বা কোন পরিবারকে হেয় করতে চায় এ ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন ও আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নারায়ণগঞ্জের ‘ওসমান’ পরিবারের অবদানের কথা স্মরণ করে এসব কথা বলেন।

৩ জুন মঙ্গলবার বিকেলে দশম জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অর্থাৎ বাজেট অধিবেশনের শুরুর দিন এই সংসদেরই নির্বাচিত জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য নাসিম ওসমানের মৃত্যুতে উত্থাপিত শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের পরিবারের সঙ্গে ওসমান পরিবারের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। কারণ আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠাই হয়েছিল ওসমান পরিবারে।

সেই ওসমান পরিবারের বড় ছেলে সদ্যপ্রয়াত জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য নাসিম ওসমানের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনককে সপরিবারে হত্যার একদিন আগে ১৪ আগস্ট বিয়ে করেছিল নাসিম ওসমান। সেই বিয়েতে আমার ভাই শেখ কামালসহ অনেকেই গিয়েছিল। পরদিন বঙ্গবন্ধু হত্যার খবর শুনে নবপরিণিতা স্ত্রীসহ পরিবারের কারোর দিকে তাকায়নি নাসিম। বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিশোধ নিতে সবাইকে ছেড়ে ঢাকায় প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করে এবং পরে ভারতে গিয়ে খুনিদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে সবাইকে সংঘটিত করার চেষ্টা করে।

টিআরপি বর্জনের সিদ্ধান্ত টিভি মালিকদের

tv logoটেলিভিশন রেটিং পয়েন্ট সিস্টেম- টিআরপি বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে টেলিভিশন মালিক সমিতির সংগঠন অ্যাটকো। বিজ্ঞানসম্মতভাবে জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের পদ্ধতি অনুসরণ না করায় মঙ্গলবার সমিতির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। দেশের জরিপ কোম্পানিগুলোকে এ বিষয়ে চিঠি দেয়া হবে বলেও সভা থেকে জানানো হয়েছে।

দেশে টেরেস্টোরিয়াল আর স্যাটেলাইট মিলে প্রায় তিরিশটির মতো চ্যানেল আছে। আরো বেশ কিছু চ্যানেল সম্প্রচারের অপেক্ষায় রয়েছে। কিন্তু কোন টিভি বা অনুষ্ঠান সর্বাধিক জনপ্রিয়, তা নিয়ে চলছে বিভ্রান্তি। টেলিভিশন মালিক সমিতি বলছে, দেশে বেশ কিছুদিন ধরেই কাজ করছে কিছু জরিপ কোম্পানি। এসব কোম্পানির কাজের পরিধি আর জনপ্রিয়তা যাচাই বিজ্ঞানসম্মত নয়। তাই এদের মূল্যায়ন নিয়ে টেলিভিশন মালিকরা আর বিভ্রান্তির মধ্যে পড়বে না বলে একমত হন সবাই।

তবে, ভালো কোনো জরিপ কোম্পানি দেশে গণযোগাযোগের যেকোনো মাধ্যমের জনপ্রিয়তা যাচাই করতে চাইলে স্বাগত জানানো হবে বলেও বলেন তারা।

এছাড়া জন্মক্রম অনুসারে এক থেকে ৩০ নম্বরের মধ্যে দেশের চ্যানেলগুলোকে রাখতে কেবল অপারেটরদের চিঠি দেয়া হবে বলে জানায় মালিকপক্ষ।

গণধর্ষণের বিচার চাইলেন জাতিসংঘের প্রধান

mun5বদাউনের দুই কিশোরীকে গণধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

গত মঙ্গলবার তিনি এ কথা বলেন বলে জানিয়েছে পিটিআই।

বান কি মুন ‘বালকরা বালকের আচরণই করবে’ এমন ভাবনা থেকে ভারতীয় সমাজকে সরে আসতে আহ্বান জানান।

মহাসচিব বান কি মুন বলেন, “দুই সপ্তাহের মধ্যে নাইজেরিয়া থেকে পাকিস্তান, ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ভারত- বিশ্বের সবখানেই আমরা নারী ও মেয়েদের প্রতি সহিংসতা দেখতে পেয়েছি। বিশেষ করে, টয়লেটের সুবিধার অভাবে বাইরে যাওয়ার কারণে ভারতের দুই কিশোরীকে নির্মম ধর্ষণ ও ভয়ঙ্করভাবে হত্যার ঘটনায় আমি মর্মাহত হয়েছি।”

‘বালকরা বালকের আচরণ করবে’- এমন উদাসীন ও ধ্বংসাত্মক মনোভাবের পরিবর্তন আনতে হবে বলেও জাতিসংঘের মহাসচিব মন্তব্য করেন।

পাশাপাশি সবাইকে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সক্রিয় হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

 

প্রেমের পাণ্ডুলিপি

premer-pandulipi-300x214তরুণ পাঠকদের প্রিয় রহস্য উপন্যাস ‘মিস্টার ডাম্ব’। হঠাৎ খবর বের হয়, ‘মিস্টার ডাম্ব’ সিরিজের লেখক নিখোঁজ। এ নিয়ে ভক্তদের মাঝে তোলপাড় শুরু হলে প্রকাশক বাধ্য হয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকে জানান, লেখক নিখোঁজ নন। প্রকাশক ঘোষণা দেন, পরবর্তী বই মেলায় ‘মিস্টার ডাম্ব’লেখকের প্রেমের উপন্যাস বের হবে। কিন্তু লেখক কোনো অবস্থাতেই প্রেমের উপন্যাস লিখতে পারছেন না।

এদিকে, বই মেলা ঘনিয়ে এসেছে। এক বন্ধুর পরামর্শে কক্সবাজার সৈকতে চলে যান লেখক। সেখানে দেখা হয় সুন্দরী ফটোগ্রাফার অরোরা’র সঙ্গে। অরোরার প্রেমে পড়েন লেখক। শুরু হয় পাণ্ডুলিপি লেখার কাজ। এমন গল্প নিয়ে এগিয়ে যায় টেলিফিল্ম ‘প্রেমের পাণ্ডুলিপি’।

এ এইচ এম এনামুল হকের রচনায় এটি পরিচালনা করেছেন মেহেদী হাসান সোমেন। অভিনয় করেছেন রোমানা, টয়া, দিতি, আদনান, এস এম মহসীন প্রমুখ।

৫ জুন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারিত হবে টেলিফিল্মটি।

ইতালি সেমিফাইনাল খেলবে : মাতেরাজ্জি

matheraziব্রাজিল বিশ্বকাপে ইতালির কোনো দুর্বলতা নেই জানিয়ে মার্কো মাতেরাজ্জি জানান, ২০০৬ সালের চ্যাম্পিয়নরা এবার সেমিফাইনালে উত্তীর্ণ হবে।

ইতালির ২০০৬ সালের বিশ্বকাপ জয়ী এই তারকার মতে, বিশ্বকাপে সেরা চারটি দলের একটি হলো ইতালি এবং তারা সেমিফাইনালে যাবার যোগ্যতা রাখে।

গোল ডটকমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মাতেরাজ্জি বলেন, “ইতালি সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এবং ব্রাজিল বিশ্বকাপে যে কয়টি দেশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যোগ্যতা রাখে ইতালি তার একটি। এবারের বিশ্বকাপে অনেক অঘটন ঘটবে, চমকে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটবে। কিন্তু বিশ্বাস করুন, ইতালি অনেক শক্তিশালী দল।”

৪০ বছর বয়সী সাবেক এই ইতালিয়ান নিজের দেশের শক্তিমত্তা সম্পর্কে বলেন, “সম্ভবত মিডফিল্ডে ইতালির মতো কোনো শক্তিশালী দল নেই। পিরলো, থিয়াগো মোত্তাকে নিয়ে গড়া মিডফিল্ড সাবেক ইন্টার তারকার মতে সেরা মিডফিল্ড।

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের পরই বিশ্বমঞ্চের সফল দল ইতালি। আজ্জুরিরা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চারবার বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করেন। ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে টানা দু’বার শিরোপা জয় করা ইতালি ১৯৮২ সালে তৃতীয়বারের মতো শিরোপা জয় করে। চতুর্থ ও শেষবার আজ্জুরিরা ২০০৬ সালে বিশ্বকে চমকে দিয়ে শিরোপা ঘরে তুলে।

১৪ জুন বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ইতালি। ২০ ও ২৪ জুন কোস্টারিকা ও উরুগুয়ের মোকাবেলা করবে তারা। সূত্র: গোল ডটকম