বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬

সাইফ-কারিনার হানিমুন টার্গেট ফ্রান্স

দেখতে দেখতে দুই বছর পূর্ণ হতে চলল সাইফ-কারিনার বিয়ের। আগামী ১৬ অক্টোবর দ্বিতীয়বার হানিমুনে যাচ্ছেন বলিউডের এই হিট জুটি।

এবারের হানিমুনের জায়গা হিসাবে কোন জায়গা বাছাই করলেন নবাব দম্পতি?

বিয়ের পর প্রথমবার হানিমুন করতে পাড়ি দিয়েছিলেন লন্ডনে। এবার কি তাহলে প্যারিস বা আমেরিকা? না, দ্বিতীয় হানিমুন সেলিব্রেট করতে সাইফিনা যাচ্ছেন ফ্রান্সের সেন্ট ইমিলিয়নে।image_98332_0

গত ২৩ আগস্ট হলিউডের হিট জুটি ব্রাড পিট ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলির বিয়ের অনুষ্ঠানও সম্পন্ন হয় সুদুর ফ্রান্সের সেন্ট ইমিলিয়নে। হলিউডে ব্রাড-অ্যঞ্জেলিনা জুটি ‘ব্রাঞ্জেলিনা’ মানে পরিচিত।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, হানিমুন সেলিব্রেট করার জন্য সাইফের সাথে ফ্রান্সে যেতে চেয়েছেন বেবো। ব্রাঞ্জেলিনার বিয়ের জায়গাকে কেন বাছলেন সেই প্রশ্নের উত্তরে নাকি শুধু মুচকি হেসেছেন নবাব বেগম। হয়তো রোমান্টিক জুটি ‘ব্রাঞ্জেলিনা’-র মতো রোমান্স করার জন্যই হানিমুন টার্গেট ফ্রান্স!

২০১২ সালের ১৬ অক্টোবর পাতৌদি নবাব সাইফের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন কাপুর পরিবারের মেয়ে করিনা। সাইফের পড়াশুনা অক্সফোর্ডে। সেই জন্য ব্রিটিশ রাজধানী ব্যক্তিগতভাবে তার খুব পছন্দ। আর নিজের পছন্দের জায়গায় মনের মানুষের মানুষের সাথে বিশেষ মুহূর্ত সেলিব্রেট করতে কে না চায়! তাই তো প্রথমবার সাইফের কথায় লন্ডন আর এবার বেগমের অনুরোধে সেন্ট ইমিলিয়ন। -ওয়েবসাইট।

হাসিনা ছাড়া আওয়ামী লীগের সব নেতাকে কেনা যায়: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাকে ছাড়া আওয়ামী লীগের সব নেতাকে কেনা যায়।
রোববার সংসদের অধিবেশন শেষে অধিবেশন কক্ষেই দলের কয়েকজন নেতাকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এর কিছুক্ষণ আগে আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধন বিলের প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন করেন।image_98300_0

অধিবেশন শেষে সরকারদলীয় সাংসদ কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, আবদুল মতিন খসরু, হাছান মাহমুদ, দবিরুল ইসলাম, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুসহ বেশ কয়েকজন শেখ হাসিনার আসনের পাশে এসে দাঁড়ান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওঠে দাঁড়িয়ে সংবিধান সংশোধন বিল নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন।

সাংসদেরা কেউ কেউ বলেন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারকেরা বিলের বিরোধিতা করছেন। তাদের সঙ্গে সরকারপক্ষের আইনজীবীরাও যোগ দিয়েছেন। কয়েকজন বিলের বিষয়ে ড. কামাল হোসেন ও আমীর-উল ইসলামের অবস্থান তুলে ধরেন।

তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অধিবেশন কক্ষ থেকে বের হতে হতে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সব নেতাকে কেনা যায়, এটাই সমস্যা। শেখ হাসিনা ছাড়া।’ প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্য সংসদের সাংবাদিক গ্যালারি থেকে শোনা যায়।
এর আগে অধিবেশন চলাকালে হুইপ আতিউর রহমান নিজের আসন ছেড়ে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের আসনে বসলে প্রধানমন্ত্রী তাঁকে উদ্দেশ করে ধমক দেন। এ সময় আতিউর রহমান চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজের সঙ্গে কথা বলছিলেন। প্রধানমন্ত্রী পেছন ফিরে আতিকের উদ্দেশে বলেন, ‘সব সময় এখানে কী করছেন? পেছনে গিয়ে বসেন।’ হুইপ আতিউর রহমান সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে ওঠে নিজের আসনে গিয়ে বসেন। সূত্র: প্রথম আলো।

চট্টগ্রাম বন্দরে ২ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

চট্টগ্রাম বন্দরে একটি ট্রলার থেকে দুই লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী।image_98335_0

সোমবার ভোরে বন্দরের বহির্নোঙ্গরে একটি ট্রলার থেকে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তবে এসময় কাউকে আটক করতে পারেনি নৌবাহিনীর সদস্যরা।

আজ সকালে নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে ইমেইলে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ভোর ৫টার দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গরে একটি ট্রলার প্রবেশ করে। ট্রলারটির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে নৌবাহিনীর সদস্যরা ট্রলারটিকে ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে ট্রলারে থাকা লোকজন ট্রলারটি ফেলে পালিয়ে যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পরে ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে ২ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

১৪ দলের জরুরি বৈঠক বুধবার

আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল ১১টায় জরুরি বৈঠকে বসছেন ১৪ দলের নেতারা।image_98330_0

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক হবে।

রোববার ১৪ দলের মুখপাত্র স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সংশ্লিষ্টদের বৈঠকে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।

অবশেষে শিকাগোতে জিয়ার নামে রাস্তা উদ্বোধন

আমেরিকার শিকাগোতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে রাস্তা উদ্বোধন হয়েছে। আওয়ামী লীগের আপত্তি ও বাধা সত্ত্বেও ইলনয় স্টেটের শিকাগো শহরে স্থানীয় সময় রোববার বিকেলে ‘জিয়াউর রহমান ওয়ে’ উদ্বোধন করা হয়। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভের কর্মসূচি ঘোষণা দিলেও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা আসেননি। রাস্তা উদ্বোধনের পর বিএনপি নেতাকর্মীরা আনন্দ অনুষ্ঠান করেন।

সিটির ৬৮০০ নর্থ ক্লার্কের ওয়েস্ট প্রাট ব্লুভারের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত থেকে ৬৭৫০ নর্থ ক্লার্কের পশ্চিম কলম্বিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তকে ‘জিয়াউর রহমান ওয়ে’ সড়কের উদ্বোধন করেন সিটির অলডারমেন জোসেফ ম্যুর। ইলনয়ের সেক্রেটারি অব স্টেট জেসি হোয়াইটের অ্যাডভাইজারি কাউন্সিলের সদস্য, সাবেক ছাত্রদল নেতা শাহ মোজাম্মেল নান্টুর পরিচালনায় বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে বক্তৃতা করেন দলের চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সচিব মুশফিকুল ফজল আনসারী ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিশেষ উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।  image_98328_0

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অলডারমেন জোসেফ ম্যুর বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা জিয়াউর রহমান।” জিয়াউর রহমানের শাহাদতের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দেয়া শোক বাণীর উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন বিশ্ব নেতা। শিকাগো শহরে বহু বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত নাগরিক রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের অতীত নেতৃত্বের সঙ্গে জিয়াউর রহমানের সুসম্পর্ক ছিল, যার ধারাবাহিকতা তার সহধর্মীনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তার জ্যেষ্ঠ পুত্র বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান অব্যাহত রেখেছেন। বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রবক্তা জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধা জানাতে পেরে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা অত্যন্ত খুশি। এর মাধ্যমে দু’দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।”

ইলনয়ের সেক্রেটারি অব স্টেট জেসি হোয়াইটের অ্যাডভাইজারি কাউন্সিলের সদস্য ও সাবেক ছাত্রদল নেতা শাহ মোজাম্মেল নান্টু বলেন, “আজকের এই দিনটি একটি যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষককে আরেকবার স্বীকৃতি দিয়েছে গণতন্ত্রের চারণভূমি যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশি আমেরিকান হিসেবে আমরা গর্ববোধ করছি। এমন একটি কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরে আমরা আনন্দিত।”

তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান একজন বিশ্ব নেতা। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের স্বীকৃতির মাধ্যমে তা আরেকবার প্রমাণিত হলো। সড়কের নামকরণ বাস্তবায়নে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান সার্বক্ষণিত তদারকি করেছেন। খোঁজখবর নিয়েছেন। তাদের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি স্টেট থেকে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতারা এসেছেন। শিকাগো শহরের বরেণ্য রাজনীতিকরা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। সবার প্রতি আজকের আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।”

শাহ মোজাম্মেল নান্টু বলেন, “ইতিপূর্বে কোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা বিশেষ ব্যক্তির নাম ফলক উন্মোচনে এত মানুষের সমাগম ঘটেনি। মানুষের ভালোবাসা প্রমাণ করে ‘জিয়া মরে নাই’।”

বিএনপি চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সচিব মুশফিকুল ফজল আনসারী স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের নামে রাস্তার নামকরণ করায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার ও শিকাগো সিটি নেতৃত্বকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক যাত্রা শুরু করে। স্বাধীনতা সংগ্রামে ভূমিকা ও বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে এই শ্রদ্ধা জানানোয় বিএনপি নেতাকর্মী নির্বিশেষে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ আনন্দিত। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সুসম্পর্ক আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল।”

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিশেষ উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, “গণতান্ত্রিক যুক্তরাষ্ট্র একজন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তাকে স্বীকৃতি দিয়েছে, এতে আমরা গর্বিত। বাংলাদেশের জনগণ গর্বিত।”

উদ্বোধনের পর শিকাগো শহরের নর্থ শোর ব্যাংকুয়েট হলে বিএনপি এক আনন্দ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ইলনয়ের সেক্রেটারি অব স্টেট জেসি হোয়াইটের অ্যাডভাইজারি কাউন্সিলের সদস্য, শিকাগো বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ছাত্রদল নেতা শাহ মোজাম্মেল নান্টুর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন শিকাগো সিটির অলডারমেন জোসেফ ম্যুর, বিএনপি চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সচিব মুশফিকুল ফজল আনসারী ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিশেষ উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য শফিকুল আলম মনা, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা আবদুল লতিফ সম্রাট, গিয়াস আহমেদ, জিল্লুর রহমান জিল্লু, শরাফত হোসাইন বাবু, বাবর উদ্দিন, জাকির হোসেন হাওলাদার, শাহ মোসাদ্দেক মিন্টু, একে আজাদ, মো. আবদুল বাসিত, জসীম উদ্দীন ভুইয়া, কাজী আজম, আতিকুল হক আহাদ, হেলাল উদ্দিন, মিজানুর রহমান ভুইয়া মিল্টন, গিয়াস উদ্দিন, জাকির এইচ চৌধুরী, আবু সাইদ আহমেদ, এবাদ চৌধুরী, রেজাউল আজাদ, আবদুস সবুর, ওয়াহেদ আলী মন্ডল, শেখ হায়দার আলী, শাহাদত হোসাইন রাজু, হাদী, শাহ মোশাররফ, মো. ডুলো মিয়া প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শিকাগো বিএনপির নেতা জসীম উদ্দীন। শেষ পর্বে সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী বেবী নাজনিন।

প্রসঙ্গত, শিকাগো সিটি কাউন্সিলে অনুমোদিত রাস্তার নামকরণের উদ্যোগ নিলে গত এক সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নানা চেষ্টা করা হয় তা ফেরানোর জন্য। এমনকি এর বিরুদ্ধে শিকাগোতে মামলা পর্যন্ত দায়ের করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক নেতা। তবে শেষ পর্যন্ত সব বাধা উপেক্ষা করে কর্তৃপক্ষ ‘জিয়াউর রহমান ওয়ে’ উদ্বোধন করলো।

অ্যাটলেটিকোর কাছে হার রিয়েলের

গোটা ফুটবল বিশ্বের চোখ ছিল শনিবারের রাতের লা-লিগার রিয়েল মাদ্রিদ- অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের ম্যাচের দিকেই৷অনেকেই মাদ্রিদের জয় দেখার অপেক্ষায় ছিলেন ৷ আবার অনেকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দিকে তাকিয়ে ছিলেন ৷ নতুন মরশুমের ডার্বি ম্যাচে কেমন খেলেন তা জানতে উৎসুক ছিলেন image_98175_0তার ভক্তরা ৷ কিন্তু হতাশ করল  রিয়েল মাদ্রিদ ৷ হাতাশ করলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোও ৷ একটি পেনাল্টিতে  গোল ছাড়া আর কিছুই করতে পারলেন না সিআর সেভেন ৷ যার ফল সরূপ শনিবার লা লিগায় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ২-১ গোলে হারিয়ে  দিল রিয়েলকে ৷

ম্যাচের দশ মিনিটের মধ্যেই গোল পেয়ে যায় অ্যাটলেটিকো ৷ কোকের কর্নার থেকে হেডে গোল করে সিমিওনের দলকে এগিয়ে দেন তিয়াগো ৷ এই গোল খাওয়ার পরে অবশ্য জেগে ওঠে রিয়েল ৷ গ্যারেথ বেল, রেনাল্ডো, বেনজিমারা পরপর আক্রমণ শানানোর চেষ্টা করেন ৷ যদিও গোলের মুখ খুলতে পারছিলেন না তারা ৷ যদিও ম্যাচের ২৫ মিনিটে পেনাল্টি বক্সে সিকিউরিয়া ফাউল করেন রোনাল্ডোকে ৷ রেফারি পেনাল্টি দিলে গোল করেন সিআর সেভেন ৷ এরপর গোল পেতে পারতেন করিম বেনজিমাও ৷ তার নেওয়া হেড বাঁচিয়ে দেন অ্যাটলেটিকোর গোলরক্ষক ৷  বিরতির সময় ম্যাচের ফল ১-১ ছিল ৷ বিরতির পরেও সেভাবে মেলে ধরতে পারেনি রিয়েল ৷ বরং গোলের চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে অ্যাটলেটিকো ৷ ৭৬ মিনিটে গোল করে অ্যাটলেটিকোকে এগিয়ে দেন এ তুরান ৷ এরপর  ম্যান্ডজুকিককে তুলে নিয়ে বিশ্বকাপে কাঁমড় কাণ্ডে অভিযুক্ত সুয়ারেজকে নামান রিয়েল কোচ ৷ তাতেও সমতা ফেরাতে পারেনি রোনাল্ডোরা ৷– ওয়েবসাইট

এবার বৃটিশ সাহায্যকর্মীর শিরশ্ছেদ করলো আইএস

ইসলামিক স্টেট জঙ্গিরা একটি ভিডিও চিত্র প্রকাশ করেছে যেখানে দেখা যাচ্ছে তারা ডেভিড হাইনেজ নামের একজন বৃটিশ সাহায্য কর্মীর শিরশ্ছেদ করেছে যাকে গত বছরের মার্চে সিরিয়া থেকে অপহরণ করা হয়েছিল।

বৃটিশ সরকার বলছে, তারা ওই ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করে দেখছেন। এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। শনিবার রাতে ওই ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়।image_98184_0

ভিডিওতে ডেভিড হাইনেজের পাশেই একজন মুখোশধারী ব্যক্তিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়, যার উচ্চারণে বৃটিশ টান রয়েছে।

কয়েকদিন আগে আমেরিকান সাংবাদিক স্টিভেন সটলফের হত্যাকাণ্ডের যে ভিডিও প্রচার করা হয়, সেখানে ইসলামিক স্টেট জঙ্গিরা দাবি করেছিল যে, তাদের উপর হামলা বন্ধ না হলে, বৃটিশ সাহায্য কর্মী ডেভিড হাইনেজকে হত্যা করা হবে।

চুয়াল্লিশ বছর বয়স্ক হাইনেজ ফরাসি একটি সাহায্য সংস্থার হয়ে মানবিক সহায়তা দিতে সিরিয়ার একটি গ্রামে কাজ করার সময় গতবছরের মার্চে অপহৃত হন।

শুক্রবারই অপহরণকারীদের উদ্দেশ্যে হাইনেজের পরিবার আবেদন জানিয়েছিল যে, তাদের সঙ্গে যেন সরাসরি যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু এর কয়েকঘণ্টা পরেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওই ভিডিওতে আরো একজন বৃটিশ জিম্মিকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে।

আইএসের বিরুদ্ধে আমেরিকান হামলায় সহযোগিতা আর কুর্দিদের সহায়তার জবাবে এই হত্যা করা হচ্ছে বলে একজন মুখোশধারী জঙ্গি ভিডিওতে বক্তব্য দিয়েছে।

এর আগে দুজন আমেরিকান সাংবাদিকের শিরশ্ছেদ করেছে ইসলামিক স্টেট জঙ্গিরা। ইরাকে তাদের ওপর হামলা বন্ধ না হলে তারা আরো হত্যাকাণ্ড ঘটানোরও ঘোষণা দিয়েছে।

বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে একে শয়তানের কর্মকাণ্ড বলে বর্ণনা করেছেন।

হত্যাকারীদের ধরতে সবকিছুই করা হবে বলে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন।

বৃটিশ পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে যে, তারা ওই ভিডিওটির সত্যতা যাচাইয়ের কাজ করছেন।

হাইনেজের পরিবারকে সর্বাত্মক সহায়তারও আশ্বাস দিয়েছেন তারা। কিছুক্ষণ পরেই কোবরা কমিটির জরুরি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।  সূত্র: বিবিসি

নায়ক সেই মেসিই

চারশো ছোঁয়া হলো না। আটলেটিক বিলবাও-র বিরুদ্ধে গোল পেলেন না লিওনেল মেসি। বার্সেলোনার ২-০ জয়ে দুটো গোলই নেইমারের। আর দুটো গোলের কারিগরই মেসি। যার জন্য বার্সা কোচ লুই এনরিকে বলেও দিলেন, তার ম্যান অব দ্য ম্যাচ আর কেউ নয়, এলএম টেন।

কাতালোনিয়ার জাতীয় দিবস উপলক্ষে এ দিন ন্যু কাম্পে কাতালান পতাকার লাল-হলুদ রংয়ের জার্সি পরে মাঠে নামে বার্সেলোনা। আর এই বিশেষ দিনকে আরও স্মরণীয় করে রাখলেন ব্রাজিলের ‘ওয়ান্ডার কিড’। দ্বিতীয়ার্ধে মুনিরের জায়গায় পরিবর্তে নেমে পাঁচ মিনিটের মধ্যে জোড়া গোল করলেন নেইমার। যে দু’গোলের কারিগর ছিলেন স্বয়ং মেসি। ম্যাচ যত গড়িয়েছে, ন্যু কাম্প হয়ে উঠেছে কাতালোনিয়া সমর্থকদের স্বাধীনতা দাবির মঞ্চ। বার্সার ঘরের মাঠে প্রতি ম্যাচেই দেখা যায় মেসি অথবা জাভি নিয়ে ব্যানার প্রদর্শন। কিন্তু কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার জন্য আবেদন করার ব্যানার দিয়েই এ দিন ভরে ওঠে পুরো গ্যালারি। বার্সা গোল করার পরে চলে সমর্থকদের চিৎকার, ‘আমরা স্প্যানিশ নই। আমরা কাতালান।’  image_98180_0

ম্যাচের পর বার্সা কোচ এনরিকের দাবি, মেসির জন্যই তিন পয়েন্ট পেল তার দল। “মেসি দুর্দান্ত খেলেছে। শুধু গোল করার জন্যই ও বিশ্বের সেরা ফুটবলার নয়। গোল সাজিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও দারুণ।” এ দিন প্রথমার্ধে অনেক সুযোগ তৈরি করলেও গোল করতে পারেনি বার্সা। কিন্তু নব্বই মিনিট রক্ষণ ও আক্রমণ দেখে খুশি বার্সা কোচ বলেন, “দলের সবাই ভালো খেলেছে। রক্ষণ থেকে আক্রমণ সব জায়গায় দাপট ছিল আমাদের।” মেসি ছাড়াও সের্জিও বুস্কেত্সের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বার্সা কোচ বলেন, “কখন কোন পজিশনে থাকতে হবে ভালো করেই জানে ও। হোল্ডিং মিডফিল্ডে বুস্কেতস বিশ্বের সেরা ফুটবলার।”

নেইমার ঘরের মাঠে এমন দাপট দেখিয়ে সপ্তম স্বর্গে। ম্যাচ শেষে বলে দিলেন, এখনও পর্যন্ত এই ম্যাচটাই তাঁর বার্সা জার্সিতে সেরা পারফরম্যান্স। বলেন, “নিজের খেলায় খুব খুশি আমি। আসল জিনিস ছিল দলকে সাহায্য করা। আরও ভালো খেলব ভবিষ্যতে।”

সৌর ঝড়: জিপিএস বিকলের আশঙ্কা

কয়েক কোটি আলোকবর্ষ দূরে একটি তারার দু’টি বিস্ফোরণে বিকল হতে বসেছে প্রযুক্তি!

সূর্যের মধ্যে দু’টি বিস্ফোরণে তৈরি হওয়া সৌর ঝড় ধেয়ে এসেছে পৃথিবীর দিকে। তৈরি হয়েছে এক ধরনের ‘ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক’ রশ্মি। যা কি না ইতিমধ্যেই স্পর্শ করেছে ভূপৃষ্ঠ।image_98181_0

কী এই সৌর ঝড়?

সূর্য আসলে হাইড্রোজেন আর হিলিয়াম দিয়ে তৈরি একটি বিরাট  গ্যাস বলয়। সেখানে প্রতিনিয়তই ঘটছে বিস্ফোরণ। এক একটা বড়  বিস্ফোরণের শক্তি কয়েক লক্ষ হাইড্রোজেন বোমার সমান। আর সেই বোমার সমান বিস্ফোরণেই বিপদ বাড়ে পৃথিবীর। বিস্ফোরণে নির্গত রশ্মি পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের সঙ্গে বিক্রিয়া ঘটাতে পারে। সম্প্রতি নাসার তরফে জানানো হয়েছে, গত সপ্তাহে সূর্যের পৃষ্ঠে এমনই দু’টি বিস্ফোরণ ঘটেছে। বিজ্ঞানীরা যদিও সাধারণ মানুষকে অভয় দিয়েছেন। জানিয়েছেন, এই রশ্মি বিদ্যুৎ বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। বড়জোর জিপিএস বা রেডিওর কাজে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। প্রভাব ফেলতে পারে কৃত্রিম উপগ্রহের নজরদারিতে, সমস্যা তৈরি করতে পারে বিমান চলাচলেও। এই সৌর ঝড়ে ঝুঁকি বাড়তে পারে মহাকাশচারীদের। এই ঝড় বা ‘জিওম্যাগনেটিক স্টর্মের’ কারণেই শুক্রবার এবং শনিবার রাতে মেরুজ্যোতি চোখে পড়তে পারে সুদূর উত্তর আমেরিকা এবং কানাডা থেকেও।

এ যাত্রায় রেহাই মিললেও ভবিষ্যতে এই ধরণের সৌর ঝড় যে মানবজাতির গায়েও আঘাত হানতে পারে সেই সতর্কবার্তাও দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ঝড় বিরাট আকার নিলে তা বিশেষ করে আমেরিকার উত্তরপূর্বে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে মত বিজ্ঞানীদের। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ১৮৫৯ সালে এমনই একটি সৌর ঝড়ের প্রভাব পড়েছিল পৃথিবীতে। ২০১২-তেও এমন আর একটি ঝড়ের হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছিল পৃথিবী।

তবে এবারের ঝড়ের পরে কিছু প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন বিজ্ঞানীরা। তারা জানাচ্ছেন, সূর্যে অবিরাম বিস্ফোরণ হচ্ছে। তার মধ্যে কোন বিস্ফোরণ পৃথিবীতে প্রলয় ডেকে আনবে তা আগে থেকে বোঝা অসম্ভব। তবে নতুন প্রযুক্তি যে খুব তাড়াতাড়ি এই সমস্যার পথ বাতলে দেবে তা নিয়েও আশাবাদী বিজ্ঞানী মহল।– সংবাদ সংস্থা।

স্কটল্যান্ডের স্বাধীন হওয়ার আতঙ্কে ইউরোপ!

স্কটল্যান্ডের স্বাধীন হওয়ার সম্ভাবনা ইউরোপে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। ইউরোপের অন্যান্য দেশেও একই ভাবে স্বাধীনতার আন্দোলন ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে এ আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

স্কটল্যান্ডের গণভোটের ফলাফলের দিকে প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে স্পেনের স্বশাসিত অঞ্চল ক্যাটালোনিয়া থেকে ডাচভাষী বেলজিয়ামের ফ্ল্যার্ন্ডাস পর্যন্ত সব জায়গার জাতীয়তাবাদীরা। অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ দেশ বৃটেন ভেঙে যাওয়ার আশংকায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে ব্রাসেলস।image_98201_0

স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতা আন্দোলনের ঢেউ শেষ পর্যন্ত ইউরোপের পূর্ব সীমান্তকেও তীব্র ভাবে আন্দোলিত করতে পারে। বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী দেশগুলোর জাতিগত সংখ্যালঘু রুশরা অধিকতর স্বশাসনের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই এক্ষেত্রে মস্কোর সহযোগিতা পাবে তারা।

গণভোটের মধ্য দিয়ে স্বাধীন স্কটল্যান্ডের জন্ম হলেও তার ইউরোপীয় ইউনিয়নে ঢোকা সহজ হবে না ।

বরং প্রথম দিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন হয়ত নতুন এ রাষ্ট্রের জীবনকে অতিষ্ঠ করেই তুলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অবশ্য শেষ অবধি স্কটল্যান্ডকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য করে নেয়া ছাড়া কোনো পথ থাকবে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

লন্ডনের কিং কলেজের স্প্যানিশ ও ইউরোপীয় স্টাডিজের ফেলো পাবলো কালডেরন মার্টিনেজ বলেন, স্কটল্যান্ড স্বাধীন হলে তা ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য বেশ গভীর গোলমেলে পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নে কোনো সদস্য দেশ ভেঙ্গে যদি নতুন স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয় তা স্বয়ংক্রিয় ভাবেই এ ইউনিয়নের সদস্য হতে পারবে না। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হওয়ার জন্য এ রকম রাষ্ট্রকে নতুন করে আবেদন করতে হবে। এ বিষয়টি সেই ২০১২ সালেই নিশ্চিত করেছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান জোসে ম্যানুয়েল বাররোসো।–ওয়েবসাইট।