শনিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে এক হতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রাখতে এবং প্রবৃদ্ধি অর্জনে যেকোনো ধরনের সহিংসতা, নৈরাজ্য ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।image_112447_0

প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় আশা প্রকাশ করে বলেন, বর্তমান রফতানি প্রবৃদ্ধির হার অব্যাহত থাকলে আগামী ২০২১ সালের আগেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হবে।বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে ২০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ২০১৫-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।

২০২১ সালের মধ্যে তৈরি পোশাক রফতানির পরিমাণ ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে তার সরকারের সব ধরনের সহায়তার প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, “এটা উচ্চাভিলাষী মনে হলেও আমি মনে করি, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় এই লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব।”

শেখ হাসিনা বলেন, “২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে আপনারা অরাজকতা দেখেছেন। মাত্র দুই দিন আগে তারা একজন স্কুলশিক্ষককে হত্যা করেছে। অপর একজন স্কুলশিক্ষকের ওপর পেট্রোল বোমা হামলা চালিয়েছে। তার এক সন্তান এতে গুরুতর আহত হয়েছে। তিনি এ ধরনের অরাজকতা ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের প্রতি অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, জনগণ এ ধরনের সন্ত্রাস পছন্দ করে না। তারা শান্তি ও উন্নয়ন চায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও নতুন বাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে ব্যবসায়ী সমাজ ও সরকারকে নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধা বৃদ্ধির জন্য দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। আগামী জুনের মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চারলেনের নির্মাণ কাজ শেষ হবে। পরবর্তী সময়ে এটিকে ছয় লেনে উন্নীত করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো সতর্ক থাকতে এবং শিল্প খাতের কলঙ্কিত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার জন্য প্রকৃত ব্যবসায়ীদের প্রতি  জানিয়ে বলেন, “ধনলোভী এসব ব্যক্তি রাতারাতি ধনী হয়ে ওঠে।
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার নামে ওই ব্যক্তিরা ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়। পরে ব্যাংকের অবিবেচক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যোগসাজশে ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ করে।”
‘এদের সংখ্যা অনেক কম, তবে একটি বা দুটি অঘটন ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর সঠিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ওই ব্যক্তিদের কারণে সব ব্যাংকার সমস্যায় পড়েন এবং যারা প্রকৃত উদ্যোক্তা তারা যখন ঋণের জন্য ব্যাংকে যান, তখন জটিলতায় পড়েন।”

শেখ হাসিনা বলেন, এ ধরনের প্রতারণা রোধে বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। দুষ্টচক্রের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে নতুন আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের অবিচল অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ব্যবসায়ী ব্যক্তিগণই কেবলমাত্র ব্যবসা করবেন। সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে দেয়া।

অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর  গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে কিছু লোক আছে তারা জনগণের জন্য কোনো ভালো খবর পছন্দ করে না।

‘একটি রাজনৈতিক দলের স্বপ্ন হচ্ছে সংক্ষিপ্ত পথে ক্ষমতায় যাওয়া,’ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, “তারা দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্র করছে এবং দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের ভূমিতে পরিণত করতে চায়।”

প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত ডিআইটিএফ আয়োজনের প্রশংসা করে বলেন, মেলা একই ছাতার নিচে উদ্যোক্তা, উৎপাদক, রফতানিকারক ও আমদানিকারকদের সমবেত করেছে এবং একইভাবে দেশী পণ্যের স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজার সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখছে।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো আয়োজিত মাসব্যাপী এই মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম চৌধুরী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েত উল্লাহ আল মামুন, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দীন আহমেদ।

ধানমন্ডিতে ভারতের নতুন ভিসা সেন্টার চালু

বাংলাদেশীদের জন্য ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে ধানমন্ডিতে আরও একটি ভিসা সেন্টার চালু করা হয়েছে।image_112422_0

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার সন্দীপ চক্রবর্তী বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডি ২ নম্বর সড়কের ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারে এই সপ্তম ভিসা সেন্টার উদ্বোধন করেন।এ সময় স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার কান্ট্রি চিফ পিনাক চক্রবর্তী ও ভিসা অপারেশন অফিসার নিরাজ কে. গুপ্তাসহ হাই কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভিসা সেন্টার উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে সন্দীপ চক্রবর্তী বলেন, বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসার চাহিদা অনেক বেশি। তাই জনগণের দূর্ভোগ ও জটিলতা নিরসনের জন্য এবং ভিসা সার্ভিস মানুষের দোরগোঁড়ায় পৌঁছে দিতে ভারত সরকার এদেশে নতুন নতুন ভিসা সেন্টার খোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, ‘ঢাকাসহ বাংলাদেশের বড় জেলা শহরগুলোতে আরও নতুন ভিসা সেন্টার খোলা হবে। এদেশের জনগণকে তাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিবছর সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে থাকি।’
অনলাইন এ্যাপয়েনমেন্ট জটিলতা বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হাই কমিশনার বলেন, অনলাইনে আবেদন করলে সিরিয়াল অনুযায়ী ভিসা দেয়া হয়। তবে মেডিকেল ভিসার জন্য অনলাইন এ্যাপয়েনমেন্টের প্রয়োজন নেই। রাজধানীসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ৬টি ভিসা সেন্টার রয়েছে। শুধু প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ভিসা সেন্টারে আসলেই তদেরকে ভারতে যাবার ভিসা দেয়া হয়।

দালালদের দৌরাত্ম কমাতে তিনি বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত দালালদের দৌরাত্ম কমাতে বিভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করছি। তবে বিষয়টি বাংলাদেশের একান্তই অভ্যন্তরীন বিষয়। ওদের ব্যাপারে কোন রকমের ব্যবস্থা নিতে হলে তা এদেশের সরকারকেই নিতে হবে। তবে এই দালালদের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনের কোনো সম্পর্ক নেই।’

উদ্বোধনের পর তিনি ভিসা প্রদান প্রক্রিয়াসহ সেন্টারের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং ভিসা প্রত্যাশীদের সাথে কথা বলেন।

ধানমন্ডির এই সেন্টারে রোববার থেকে বৃহস্পতিবার প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভিসা আবেদন গ্রহণ করা হবে। -বাসস

সবুজবাগে অস্ত্র ও গুলিসহ একজন আটক

রাজধানীর সবুজবাগের বাসাবো এলাকা থেকে বুধবার রাতে অস্ত্র ও গুলিসহ একজনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।image_112346_0

ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) সাইদুর রহমান নতুন বার্তা ডটকমকে জানান, আটক ব্যক্তির হেফাজতে থাকা অবৈধ ১১০০ গুলি, দু’টি রিভলবার ও একটি পিস্তল জব্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এ ব্যপারে বিস্তারিত জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

শ্রীলঙ্কার ঘরোয়া লিগেও ম্যাচ পাতিয়েছিলেন আশরাফুল!

শ্রীলঙ্কার ঘরোয়া ক্রিকেট লিগেও বাংলাদেশের ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল ম্যাচ পাতিয়েছিলেন বলে শ্রীলঙ্কার একটি দৈনিক পত্রিকায় খবর বেরিয়েছে। ম্যাচ পাতানোর তথ্য আশরাফুলেরই দেয়া এমনও দাবি তরা হয়েছে শ্রীলঙ্কার অন্যতম দৈনিক ডেইলি মিররের ও দীর্ঘ প্রতিবেদনে।image_112445_0

এর আগে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি লিগ বিপিএলে অপরাধের কথা নিজ মুখে স্বীকার করেছেন আশরাফুল।  একরকম রাজসাক্ষী হিসেবে একের পর এক তথ্য  দিয়েছেন আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিটকে (আকসু)।  ওই ঘটনায় আশরাফুলের আট বছরের নিষেধাজ্ঞা শাস্তি হয়। পরে তা কমিয়ে পাঁচ বছর করা হয়।ডেইলি মিররের প্রতিবেদনে বলা হয়, শ্রীলঙ্কার টি-টোয়েন্টি লিগ এসএলপিএলে (শ্রীলঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ) ম্যাচ পাতানো হয়েছিল। আকসুর তদন্ত কমিটির কাছে বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক স্বীকার করেছেন, ২০১২ সালের ২৬ আগস্ট রুহুনা রয়্যালস বনাম ওয়াইয়াম্বা ইউনাইটেডের ম্যাচটি পাতানোর সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন। সেই লিগে আশরাফুল রুহুনার হয়ে খেলেছেন।

মিরর লিখেছে, গত মাসে এসএলপিএলে ম্যাচ পাতানোর তথ্যপ্রমাণ শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের (এসএলসি) হাতে তুলে দিয়েছে আইসিসি। ম্যাচ পাতানোর অপরাধে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ আশরাফুল ২০১৩ সালের ২৩ মে আকসুকে একটি সাক্ষ্যমূলক জবানবন্দি দেন। সেখানেই এসএলপিএলের ম্যাচ পাতানোর বিষয়টিও উঠে আসে।

এর আগে আশরাফুল স্বীকার করেছিলেন, তাকে ফিক্সিংয়ের অন্ধকার জগতে নিয়ে যাওয়া সেই হোতাটার সঙ্গে এসএলপিএল খেলতে গিয়েই পরিচয় হয়েছিল।

টি-২০তে সর্বোচ্চ রান হেইলসের, সর্বোচ্চ উইকেট বদ্রির

সদ্য বিদায়ী হওয়া ২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন ইংল্যান্ডের অ্যালেক্স হেইলস। আর বোলিং-এ সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের ক্ষেত্রে সেরা ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্যামুয়েল বদ্রি।image_112430_0

২০১৪ সালে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক প্রথম পাঁচজন :

ব্যাটসম্যান                            ম্যাচ ইনিংস রান গড়

অ্যালেক্স হেইলস (ইংল্যান্ড)          ১২ ১২ ৩৯৭ ৩৬.০৯
অ্যারোন ফিঞ্চ (অস্ট্রেলিয়া)          ১৩ ১৩ ৩৯০ ৩২.৫০
বিরাট কোহলি (ভারত)                ৭    ৭ ৩৮৫ ৯৬.২৫
এনামুল হক (বাংলাদেশ)              ১০   ১০ ২৮৫ ৩৫.৬২
লেন্ডন সিমন্স (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)      ১৫ ১৪ ২৭৩ ১৯.৫০

২০১৪ সালে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক প্রথম পাঁচজন :

বোলার                                       ম্যাচ ওভার রান উইকেট
স্যামুয়েল বদ্রি (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)           ১২   ৪৭.০ ২৩৫  ১৯
ক্রিসমার সানতোকি (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)  ১০ ৩৪.৫ ২৩৪   ১৬
ইমরান তাহির (দক্ষিন আফ্রিকা)        ৮   ৩০.০  ২০১  ১৫
সুনিল নারাইন (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)        ১৪ ৪৯.০ ২৬৪ ১৪
নুয়ান কুলাসেকেরা (শ্রীলঙ্কা)            ৯ ৩০.৫ ২২১ ১৩    -ওয়েবসাইট

পুঁজিবাজারে সূচক বেড়েছে

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক বেড়েছে।image_112404_0

এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৭৬ পয়েন্ট বেড়ে চার হাজার ৯৪১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। লেনদেন হয়েছে ২২৭ কোটি ৫৪ লাখ নয়  হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট, যা আগের দিনের চেয়ে ৩৮ কোটি টাকা কম।

বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২২৬টির, কমেছে ৫৮টির এবং অপরিবর্তিত  রয়েছে ২৪ টি  কোম্পানির শেয়ারের দাম।ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

 বৃহস্পতিবার লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো- লাফার্জ সিমেন্ট, মবিল যমুনা, বেক্সিমকো ফার্মা, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল, গ্রামীণ ফোন, আইডিএলসি, ডেসকো লিঃ,সামিট এলায়েন্স ও একটিভ ফাইন।

বৃহস্পতিবার সিএসইতে সাধারণ সূচক ১০৭ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে নয় হাজার ১৬৫ পয়েন্টে। লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ১৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট, যা আগের দিনের চেয়ে ৪৩ কোটি টাকা বেশি।

সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৩৬টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৯টির, কমেছে ৪৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে: প্রধান বিচারপতি

মামলাজট কমিয়ে বিচারপ্রার্থী মানুষদের সহায়তা করার জন্য বিচারক ও আইনজীবীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি মোহম্মদ মোজাম্মেল হোসেন।image_112442_0

বৃহস্পতিবার দুপুরে পাবনা জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে বিচারক ও আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।সভায় প্রধান বিচারপতি বিচারক ও আইনজীবিদের উদ্দেশ্যে বলেন, “দেওয়ানী-ফৌজদারী যে মামলাই হোক তা চিহ্নিত করে দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। মামলার সংখ্যা বেশি একথা বলে কেউ পার পাবেন না, কোনো শৈথিল্য মেনে নেওয়া হবে না।”

জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় সুপ্রীমকোর্টের রেজিষ্টার এস এম কুদ্দুস জামান, পাবনার ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ আকতারুজ্জামান, জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দীন, পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ, আইনজীবি সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান, সম্পাদক নাজমুল হোসেন শাহীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আমার ভয়ে রাষ্ট্রপতি শাসনব্যবস্থা রদ: এরশাদ

গণতন্ত্রকে ভালোবেসে নয়, তার ভয়ে নব্বইয়ের আন্দোলনকারী দলগুলো রাষ্ট্রপতি শাসনব্যবস্থা রদ করেছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।image_112420_0

বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। এর আগে বেলা তিনটার দিকে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন এরশাদ।

তার সরকার বৈধ ছিল দাবি করে এরশাদ বলেন, “আমরা ছিলাম সংবিধানস্বীকৃত বৈধ সরকার। আমি দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা শুরু করেছি। দেশের মানুষ এখন যে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার কথা বলতে পারছে তার ভিত আমিই তৈরি করে দিয়েছি।” রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সড়ক ও স্থাপনার নাম উল্লেখ করে সেসব তার আমলে নির্মিত বলে দাবি করেন এরশাদ।
এরশাদের পতনের পর রাজনৈতিক দলগুলো তার ভয়ে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা চালু করেছে দাবি করে সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, “গণতন্ত্রকে ভালোবেসে নয়, এরশাদকে ভয় করে রাষ্ট্রপতির শাসনব্যবস্থা বাদ দিয়ে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। তারা ভেবেছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত পদ্ধতি চালু থাকলে এরশাদ আবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবে। এ ভয়েই তৎকালীন রাজনৈতিক দলগুলো সংবিধানে দ্বাদশ সংশোধনী করে।” সেটিকে তিনি আতঙ্কের পরিবর্তন বলে মন্তব্য করেন।
আগামী দিনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব দলের প্রতি আলোচনার আহ্বান জানান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, “আসুন সবাই একসঙ্গে বসি। কীভাবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করা যায়, সে ব্যাপারে আলোচনা করি।”
এরশাদ তার ভাষণে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সমালোচনা করেন। তারেকের সুস্থতা নিয়েও সংশয প্রকাশ করে এরশাদ।
খালেদা জিয়া এ দেশে প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু করেন্-এমন অভিযোগ করে বিএনপির চেয়ারপারসনকে উদ্দেশ করে এরশাদ বলেন, “উনি আমাকে ছয় বছর জেলে রেখেছেন। আমার স্ত্রীকে আড়াই বছর জেলে রেখেছেন। আমার ছেলেকে ছয় বছর আমার সঙ্গে দেখা করতে দেননি। এখন তিনি প্রতিহিংসার ফল ভোগ করছেন। তিনি এখন দুই ছেলের সঙ্গে দেখা করতে পারেন না। কবে পারবেন তা-ও জানেন না।”
এরশাদ আরো বলেন, “আমার ১৪২টি সামাবেশে তিনি ১৪৪ ধারা জারি করেছিলেন। আজ যে তার এই অবস্থা হবে, তখন তার মনে ছিল না। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না। এখন তিনি ইতিহাসের ফল ভোগ করছেন।”
“যুবরাজ তারেক রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজাকার বলেছে”—উল্লেখ করে এরশাদ বলেন, “শেম শেম শেম। যে বঙ্গবন্ধুকে রাজাকার বলতে পারে, সে কি সুস্থ মানুষ! সুস্থ রাজনীতিক!”
মহাসমাবেশ প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ও দলের মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলার সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, জি এম কাদের, কাজী ফিরোজ রশিদ, মশিউর রহমান রাঙ্গা, মুজিবুল হক চুন্নু, ঢাকা দক্ষিণ জাতীয় পার্টির সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, প্রেসিডিয়াম সদস্য এম এ হান্নান, জাপার সাবেক মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার, সালমা ইসলাম, এস এম ফয়সল চিশতী, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, সুনীল শুভরায় প্রমুখ।
এদিকে সমাবেশ মাঠে দলের দুই প্রেসিডিয়াম সদস্যের মধ্যে তর্কাতর্কির ঘটনা ঘটে। কাজী ফিরোজ রশীদের সংসদীয় এলাকা থেকে তার অনুসারীরা দুটি হাতি নিয়ে সমাবেশস্থলে এলে ফয়সাল চিশতীর সঙ্গে তার এ তর্কাতর্কি হয়। পরে দলের চেয়ারম্যান এরশাদ তাদের শান্ত করেন।

খালেদা রাজনীতি থেকে মাইনাস হতে পারেন: হানিফ

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, নির্বাচনে অংশ না নেয়ার একটি ভুল সিদ্ধান্তে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সংসদ থেকে মাইনাস হয়েছেন। এখন আরেকটি ভুল সিদ্ধান্তের কারণে তিনি রাজনীতি থেকেও মাইনাস হতে পারেন। মাইনাসের ফর্মুলা আওয়ামী লীগের নয়। তার ভুল সিদ্ধান্তের জন্য দেশের জনগণই তাকে মাইনাস করবে।image_112390_0

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর বলাকা চত্বরে শ্রমিক লীগ আয়োজিত ‘গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষা দিসব’ শীর্ষক এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।খালেদা জিয়ার সংবাদ সম্মেলনে জাতির ভাগ্য উন্নয়নের কোনো কথা নেই দাবি করে হানিফ বলেন, “আপনার সংবাদ সম্মেলনের কথা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার হলে পুরো জাতি ও আমরা উদ্ধিগ্ন ছিলাম। মজার কথা হলো আপনার বক্তব্যে জনগণের কোনো কথা ছিল না। আপনার বক্তব্যে জাতি আনন্দ পেয়েছে, আর কিছু পাইনি।”

খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, “আপনি এখন বলছেন আলোচনার চান। তাহলে কেন তখন আমাদের আহ্বানের পরেও আলোচনায় রাজি হলেন না? কেন জ্বালাও-পোড়াও করে মানুষ হত্যা করলেন? আগে দেশে জনগণের কাছে নেই জবাব দিন।”

সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়া যে প্রস্তাব দিয়েছেন তার সঙ্গে আওয়ামী লীগ একমত নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, “আমরা আপনার প্রস্তাবের সঙ্গে একমত নই। এই প্রস্তাব নিয়ে আপনার সঙ্গে আলোচনাও করতে চাই না। দেশবাসীর সঙ্গে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগও খালেদা জিয়ার এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।”

বঙ্গবন্ধুর ১৯৬৬ সালের ছয় দফায় অনুপ্রাণিত হয়ে সেই আদলে গতকাল জাতির সামনে খালেদা জিয়া সাত দফা উপস্থাপন করেছেন বলেও মন্তব্য করেন হানিফ।

‘দেশে গণতন্ত্র নেই’ খালেদা জিয়ার এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় হানিফ বলেন, “দেশে যদি গণতন্ত্র না থাকে তাহলে আপনি কিভাবে, কিশোরগঞ্জ, কুমিল্লা ও কাঁচপুরসহ বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশ নির্বিঘ্নে করছেন। কোথাও কোনো সমস্যা হচ্ছে না। এর বাইরে যদি কোন গণতন্ত্র থাকে তবে আপনি বলুন, আমার আপনার কাছ  থেকে জানতে ও শিখতে চাই।”

জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদের সভাপতিত্বে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।

বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে নতুন আইজিপির শ্রদ্ধা নিবেদন

নবনিযুক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক তার দাযিত্ব গ্রহণের প্রথম দিন গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।index

বৃহস্পতিবার বিকালে সমাধিতে  শ্রদ্ধা নিবেদনের পর  সেখানে ফাতেহা পাঠ ও বঙ্গবন্ধুর আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করেন। এ সময় গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া) জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর স্বাক্ষারিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

এর আগে আইজিপি বৃহস্পতিবার সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি রাজারবাগ পুলিশ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) অতিরিক্ত আইজিপি ড. মো. জাবেদ পাটোয়ারী, অতিরিক্ত আইজিপি (অর্থ ও উন্নয়ন) মো. আমির উদ্দিন, অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন ও অপারেশন) মো. মোখলেসুর রহমান, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত আইজিপি শেখ হিমায়েত হোসেন, ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ এবং অতিরিক্ত আইজিপি (এইচআরএম) মো. মইনুর রহমান চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।