মঙ্গলবার, অক্টোবর ৬, ২০২৬

নাইট্রোজেন গ্যাস দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লুইসিয়ানা রাজ্যে একজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিকে নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ১৯৯৬ সালে মেরি ‘মলি’ এলিয়টকে অপহরণ, ধর্ষণ এবং হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত ৪৬ বছর বয়সী জেসি হফম্যানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। যা ১৫ বছরের বিরতির পর লুইসিয়ানায় প্রথম।

এর আগে শুধু প্রতিবেশী আলাবামায় নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহৃত হত। তবে জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞরা নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিষয়টি এক ধরণের নির্যাতনের সঙ্গে তুলনা করেন। হফম্যানের আইনজীবীরা তার মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার জন্য সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন, কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।

স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিবৃতিতে হফম্যানের দুই আইনজীবী মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা স্বীকার করেছেন।
তবে রাজ্য কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত করেনি।

আইনজীবী সেসেলিয়া ক্যাপেল বলেন, ‘রাষ্ট্র একটি নতুন প্রোটোকল জারি করে এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তারিখ নির্ধারণ করে তাকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে সক্ষম হয়েছে। সতর্কতার সঙ্গে যাতে বিচারিক পর্যালোচনা রোধ করা যায় এবং প্রক্রিয়াটি গোপন রাখা যায়।’

এই সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আরো তিনটি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা রয়েছে।
যার মধ্যে একটি বুধবার অ্যারিজোনায় এবং আরো দুটি বৃহস্পতিবার ফ্লোরিডা এবং ওকলাহোমাতে কার্যকর করার কথা রয়েছে। তিনটিই প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে কার্যকর করা হবে।

বছরের শুরু থেকে দেশে আরো ছয়টি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি আলাবামায় নাইট্রোজেন ইনহেলেশনের মাধ্যমে এবং একটি দক্ষিণ ক্যারোলিনায় ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে। বাকী সবগুলো প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে কার্যকর করা হয়।

২০২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি আলাবামায় কেনেথ স্মিথের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, যা ছিল বিশ্বের প্রথম নাইট্রোজেন ইনহেলেশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড। এ ঘটনায় তখন ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। এরপর থেকে রাজ্যে আরো তিনটি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি রাজ্যের মধ্যে ২৩টিতে মৃত্যুদণ্ড বাতিল করা হয়েছে। অন্য ছয়টি রাজ্যে (অ্যারিজোনা, ক্যালিফোর্নিয়া, ওহিও, ওরেগন, পেনসিলভানিয়া এবং টেনেসি) মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর স্থগিতাদেশ রয়েছে।

সূত্র : এএফপি

ট্রান্সজেন্ডার নিয়ে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের ওপর আদালতের স্থগিতাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী থেকে ট্রান্সজেন্ডারদের বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাহী আদেশ জারি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার সেই নির্বাহী আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন দেশটির আদালত। গতকাল মঙ্গলবার ফেডারেল বিচারক আনা রেয়েস ট্রাম্পের সেই নির্বাহী আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করেন।

ওয়াশিংটনে মার্কিন জেলা বিচারক আনা রেয়েস বলেছেন, ট্রাম্প ২৭ জানুয়ারির আদেশটি জারি করেছিলেন।
সামরিক চাকরি থেকে ট্রান্সজেন্ডারদের বহিষ্কার করার এ আদেশটি তাদের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করে।

ট্রাম্পের ডেমোক্র্যাটিক পূর্বসূরি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রেইসকে নিয়োগ করেছিলেন। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত প্রশাসনকে এ বিষয়ে আবেদনের সময় দিয়েছেন এই বিচারক।

এদিকে বাদীদের আইনজীবী জেনিফার লেভি এ বিষয়ে সিদ্ধান্তমূলক এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আদালতের প্রশংসা করেছেন।
লেভি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আদালত পদ্ধতিগতভাবে এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। সাহসী ট্রান্সজেন্ডারা সম্মানের সঙ্গে তাদের দেশকে সেবা করতে চায়, এর বেশি কিছু চান না তারা।’

হোয়াইট হাউস এবং পেন্টাগনের প্রতিনিধিরা তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্যে করেনি। তবে ট্রাম্পের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার বলেছেন, ‘বিচারকেরা এখন নিজেদের সেনাবাহিনীর সর্বেসর্বা মনে করছেন! এই উন্মাদনার কি শেষ নেই?’

এর আগে ট্রান্সজেন্ডারদের জন্য সরকারি নথিতে পৃথক লিঙ্গের ব্যবস্থা নিয়ে নীতি চালু করেছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
তবে ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসেই সমস্ত নীতি বদলে ফেলতে উদ্যোগী হন। ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার প্রায় ৫০ শতাংশ ছিল সমকামী ও ট্রান্সজেন্ডারদের বিরুদ্ধে প্রচার।

তাই ক্ষমতায় এসে প্রথমেই ট্রান্সজেন্ডারদের নিয়ে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেন ট্রাম্প। ২৭ জানুয়ারির ওই আদেশে বলা হয়, একজন ব্যক্তির ‘লিঙ্গপরিচয়’ নিয়ে ‘দ্বন্দ্ব’ থাকলে তা কখনওই সামরিক বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় কঠোর মান পূরণ করতে পারে না!

এরপর গত ১১ ফেব্রুয়ারি সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল, তারা ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের সেনাবাহিনীতে যোগদানের অনুমতি দেবে না এবং লিঙ্গ পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রক্রিয়াগুলো সম্পাদন বা সহজতর করা বন্ধ করবে। সেই মাসের শেষের দিকেই সামরিক বাহিনী জানায় তারা ট্রান্সজেন্ডার সদস্যদের বহিষ্কার করা শুরু করবে।

রেয়েস তার রায়ে বলেন, ‘সরকার স্বীকার করেছে বাদীরা চমৎকার সেনা। ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিরাও যুদ্ধের নীতি, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, নিঃস্বার্থতা, সম্মান, সততা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পারেন, যাতে সামরিক উৎকর্ষতা নিশ্চিত করা যায়। তাহলে কেন তাদের এবং অন্যান্য সম্মানিত সেনাদের অব্যাহতি দেওয়া হবে?’

সূত্র : রয়টার্স, এপি

সমালোচকরা পাকিস্তানের হার দেখার জন্য বসে থাকে

পাকিস্তান ক্রিকেট দল বর্তমানে একটি কঠিন সময় পার করছে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ব্যর্থতার পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে হার। এই অবস্থায় পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার এবং সমালোচকরা দলের পারফরম্যান্স নিয়ে তীব্র সমালোচনা করছেন। এসব সমালোচনার জবাবে পাকিস্তানি পেসার হারিস রউফ ক্ষুব্ধ হয়ে বললেন, দেশের সবাই নাকি তাদের হার দেখার অপেক্ষায় থাকেন।

গতকাল মঙ্গলবার দ্বিতীয় ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে হারিস রউফ বললেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শুরুতে সবাই ভোগান্তিতে পড়ে। আপনি সমালোচনার কথা বললেন, এটা পাকিস্তানে নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। সবাই পাকিস্তানের হার দেখার জন্য বসে থাকে, যাতে তারা সেটি নিয়ে কথা বলতে পারে। তাদের নিজস্ব মতামত রয়েছে।
কিন্তু আমরা দল গঠনের চেষ্টায় আছি।’

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ব্যর্থতার পর বাবর-রিজওয়ানদের টি-টোয়েন্টি থেকে বাদ দিয়ে সালমান আগার নেতৃত্বে একটি তারুন্যনির্ভর দল গঠন করেছে পাকিস্তান। তবে তারুণ্যনির্ভর দল গড়েও পাকিস্তানের লড়াইবিহীন হারে সমালোচকরা যেন আরো উঠে পড়ে লেগেছে। তবে রউফের মতে, ‘এই তরুণ দলটি এখনও গঠনপর্বে রয়েছে এবং তাদের সময় দেওয়া উচিত।

রউফের মতে, তরুণ খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়া এবং তাদেরকে সময় দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বিশ্বের অন্যান্য দলের উদাহরণ টেনে বলেছেন, ‘আপনি সমালোচনার কথা বললেন, এটা পাকিস্তানে সাধারণ হয়ে গিয়েছে। এরা তরুণ খেলোয়াড়, আপনি যেকোনো জায়গায় যান, বিশ্বের যেকোনো দলকে দেখেন, তারা তরুণদের পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়৷ তারা তরুণদের সুযোগ দিয়ে থাকলে সেটি যেন টানা ১০-১৫ ম্যাচ হয় তা নিশ্চিত করে। এভাবেই তারা খেলোয়াড় তৈরি করে।’

তাপসী-কীর্তির বাকযুদ্ধ

নয় বছর আগে মুক্তি পাওয়া ‘পিঙ্ক’ ছবির মাধ্যমে প্রচারের আলোয় চলে আসেন তাপসী পান্নু এবং কীর্তি কুলহারি। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে কীর্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, ছবিটির প্রচারের সময় নাকি তাকে যথেষ্ট জায়গা দেওয়া হয়নি।

তাপসী এবং কীর্তি যে খুব ভালো বন্ধু, তা নয়। কিন্তু দুই অভিনেত্রীর বাক্‌যুদ্ধ নেটাগরিকদের মধ্যে নতুন করে ‘পিঙ্ক’ ছবিটিকে মনে করিয়ে দিয়েছে।

কীর্তি বলেছেন, ‘ছবিতে যখন অভিনয় করি, তখন ইন্ডাস্ট্রিতে কে বড় বা কে ছোট— এ সব জানতাম না। কিন্তু ‘পিঙ্ক’ আমাকে বড় এবং ছোট অভিনেতার মধ্যে পার্থক্য চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিল।’

এখানেই না থেমে কীর্তি অভিযোগ করেন, অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী পরিচালিত এই ছবির ট্রেলারে শুধু অমিতাভ বচ্চন এবং তাপসীকে দেখে তিনি হতবাক হন। কীর্তি বলেন, ‘প্রযোজক সুজিত সরকার আমাকে বোঝালেও পরে দেখলাম, ছবিটা তাপসীর হয়ে গেল।
আমাকে এক পাশে সরিয়ে দেওয়া হল।’

কীর্তির অভিযোগ নিয়ে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে পাল্টা উত্তর দিয়েছেন তাপসী। অভিনেত্রী বলেন, ‘কীর্তির খারাপ লাগতেই পারে। কিন্তু সেটা আমি কী ভাবে জানব! আমি জানলে নিশ্চয়ই ওর সঙ্গে কথা বলতাম।
কিছু করার চেষ্টা করতাম।’

তাপসী জানান, পরবর্তী সময়ে কীর্তির সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে এই প্রসঙ্গে তাদের মধ্যে কোনো কথা হয়নি। কারণ, ‘মিশন মঙ্গল’ ছবিতে দর্শক তাদের একসঙ্গে দেখেছেন।

তাপসী বলেন, ‘হয়তো ও আমার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে নিয়েছে। কিন্তু আমি ওর সঙ্গে পেশাদারি মনোভাব নিয়েই কাজ করেছি।
আগামী দিনেও সেটাই করব।’

নির্বাচনে আ. লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করলেন নাহিদ

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে শেখ হাসিনা পালিয়ে অবস্থান করলেও আলোচনায় তার দল আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশ নেওয়া না নেওয়ার প্রশ্ন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো এ বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন মতামত দেয়। তবে এবার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রশ্নে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি। দলের আহ্বায়ন নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, তারা নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে চায় না।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক, এটা আমরা চাই না। দলটির ভেতরে যারা অন্যায় কাজের সঙ্গে জড়িত, তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে।’

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ডিপ্লোম্যাটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি। সোমবার (১৭ মার্চ) তা প্রকাশ করা হয়েছে।
সাক্ষাৎকারে নাহিদ ইসলাম নতুন দলের চ্যালেঞ্জ, নির্বাচন এবং আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেন।

আন্দোলন থেকে সরকারে, তারপর আবার রাজনীতিতে, এ বিষয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘একটি সরকারকে ভেতর ও বাইরে থেকে দেখাটা বিস্তর ভিন্ন অভিজ্ঞতা। অন্তর্বর্তী সরকার যখন দায়িত্ব নিলো, তখন বাংলাদেশের জন্য বিশেষভাবে চ্যালেঞ্জিং সময় ছিল। এটা আমার জন্য একটি বড় অভিজ্ঞতা।
সময়ের চাহিদার প্রতি সাড়া দিয়ে আমি পদত্যাগ করেছি এবং মূলধারার রাজনীতিতে যোগ দিয়েছি। এখন এই অভিজ্ঞতা আমি আমার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক যাত্রায় ব্যবহার করতে পারব—বিশেষ করে সামনের পথটা যখন কঠিন বলে মনে হচ্ছে। একটি রাজনৈতিক দলের যাত্রা শুরু করা আমার জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ, তবে এই পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।’

এনসিপির সর্ম্পকে তিনি বলেন, ‘এনসিপি একটি মধ্যপন্থি রাজনৈতিক দল এবং আমরা এই আদর্শ ধরে রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য হলো নতুনদের কথা বলার জায়গা করে দেওয়া, বিশেষ করে তরুণ এবং সমাজের সব শ্রেণির ব্যক্তিদের, যারা বছরের পর বছর ধরে গতানুগতিক রাজনীতির বাইরে রয়ে গেছেন।
আমাদের লক্ষ্য একটি গণপরিষদ গঠনের মাধ্যমে ‘সেকেন্ড রিপাবলিক’ প্রতিষ্ঠা করা। এই গণপরিষদের মাধ্যমে আমরা নতুন একটি সংবিধান প্রবর্তন করতে চাই এবং ক্ষমতার ধরনে পরিবর্তন আনতে চাই। আমাদের লক্ষ্যকে আরও সুস্পষ্ট করার জন্য বিভিন্ন ধারণা খতিয়ে দেখছি ও মতামত নিচ্ছি।’

সাক্ষাৎকারে নির্বাচন প্রসঙ্গে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘আমাদের গুরুত্বের বিষয়গুলো হলো পূর্ববর্তী সরকারের অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা, দেশে একটি স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা এবং গণপরিষদ গঠন করা। আমরা সংবিধান ও নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কারের পক্ষে, যাতে ফ্যাসিবাদী শাসন আবার ফিরে আসতে না পারে। তাই একটি নির্বাচন আমাদের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার নয়। বর্তমানে নির্বাচনের জন্য আমরা কোনো সুনির্দিষ্ট সময়সীমা দিচ্ছি না।’

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পৃক্ততা প্রসঙ্গে নাহিদ বলেন, ‘এনসিপি এবং জামায়াতে ইসলামী সম্পূর্ণ ভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং আমাদের এজেন্ডাও সম্পূর্ণ ভিন্ন। আমাদের মধ্যে কোনো সংযোগ নেই।’

ফাহমিদুলকে বাদ দেওয়ার ব্যাখ্যা দিলেন কাবরেরা

সৌদি আরবের ক্যাম্প শেষে বাংলাদেশ দল দেশে ফিরলেও ফাহমিদুল ইসলাম আসেননি। আসলে আসেননি না বলে তাকে নিয়ে আসা হয়নি বলাটাই যেন শ্রেয়। কারণ, ইতালিয়ান প্রবাসী ফরোয়ার্ডকে দলে রাখা হবে না বলেই তাকে আনা হয়নি।

সৌদি থেকে তাই ইতালিতেই পাঠানো হয়েছে ফাহমিদুলকে।
তাকে না আনার ব্যাখ্যায় দেশে ফিরে হাভিয়ের কাবরেরা বলেছেন, ‘ফাহমিদুল ঢাকা আসেনি। সে সৌদিতে এক সপ্তাহ আমাদের সঙ্গে ক্যাম্পে ছিল। সে মেধাবী খেলোয়াড় তবে আরো কিছু সময় প্রয়োজন।’

ফাহমিদুলকে খুঁজে বের করেছিলেন কাবরেরাই।
তার চাওয়াতেই সৌদি ক্যাম্পে রাখা হয়েছিল ১৮ বছর বয়সী এই উদীয়মান ফুটবলার। তবে ক্যাম্প শেষে স্প্যানিশ কোচের মনে হয়েছে তার চেয়ে এই মুহূর্তে অন্যরা যথেষ্ট ভালো। তিনি বলেছেন, ‘দলের সবার সঙ্গে সৌদির অনুশীলনটা তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সে ভালোও করেছে।
তবে এই মুহুর্তে অন্য খেলোয়াড়রা তার চেয়ে বেশি প্রস্তুত। তার আরো সময় প্রয়োজন।’

ফাহমিদুলকে বাদ দেওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক ও গোলরক্ষক বিপ্লব ভট্টচার্য। সামাজিক মাধ্যমে তিনি বলেছেন, ‘আমি হতাশ হয়েছি ফাহমিদুল বাদ পড়াতে। ইতালিয়ান ফুটবলে ৪র্থ ডিভিশনে খেলা একজন খেলোয়াড় এবং ট্রেনিং ম্যাচে হ্যাটট্রিক করা খেলোয়াড়… যার মাঝে অনেক সম্ভবনা আছে তাকে ফাইনাল স্কোয়াডে রাখলে ভালো করতো আমার বিশ্বাস।
এই মুহূর্তে ফাহমিদুলকে বাদ দেওয়াতে ভবিষ্যতে তার লাল সবুজের জার্সির প্রতি এমন আগ্রহ থাকবে কিনা সেটা দেখার বিষয়।’

গতকাল বাংলাদেশ দলের ক্যাম্পে যোগ দিতে দেশে এসেছেন হামজা চৌধুরী। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা মিডফিল্ডারকে ঘিরে দেশের ফুটবলে এক রকম আনন্দের জোয়ার ভেসেছে। তাকে বরণ করে নিতে সিলেটের ওসমানী আন্তুর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শুরু করে তার বাড়ি হবিগঞ্জে মানুষের ঢল নেমেছে। তাকে দেখার জন্য মানুষের এমন উন্মাদনার মতোই ২৭ বছর বয়সী তারকার সঙ্গে অনুশীলন করতে জাতীয় দলের ফুটবলাররা মুখিয়ে আছেন বলেও জানিয়েছেন কাবরেরা।

এই মুহূর্তে বাংলাদেশ ফুটবলের সবচেয়ে বড় তারকা হামজাকে নিয়ে কাবরেরা বলেছেন, ‘দলের সবাই তার সঙ্গে অনুশীলন করতে মুখিয়ে আছে। প্রতি সপ্তাহেই তার সঙ্গে আমার আলোচনা হয়েছে। আমরা এক সঙ্গে ভারতকে হারানোর পরিকল্পনা করব। আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে দল এখন শক্তিশালী। হামজা আসায় আমাদের স্পিরিট অবশ্যই বেড়েছে।’

ভারতের বিপক্ষে আগামী ২৫ মার্চ শিলংয়ে এশিয়ান বাছাইপর্বের ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ম্যাচটির জন্য এখন পর্যন্ত বাফুফে চূড়ান্ত দল ঘোষণা না করলেও ফাহমিদুল যে থাকছেন না, সেটা আর না বললেও চলে। অন্যদিকে আজ রাতে টিম হোটেলে যোগ দিতে হবিগঞ্জ থেকে ঢাকায় আসার কথা হামজার।

শেখ হাসিনা পরিবারের ৩১ অ্যাকাউন্টের ৩৯৪ কোটি টাকা অবরুদ্ধের আদেশ

দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বোন শেখ রেহানা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এবং তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্টদের নামে থাকা ৩১ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব হিসাবে ৩৯৪ কোটি ৬০ লাখ ৭২ হাজার ৮০৫ টাকা রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। এসব হিসাবে ছয় কোটি ২৫ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪৪ টাকা রয়েছে।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুদকের উপপরিচালক মনিরুল ইসলাম এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, ছোট বোন রেহানা সিদ্দিক এবং তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ৩১ অ্যাকাউন্টের অস্থাবর সম্পদসমূহ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে এসব অ্যাকাউন্টসমূহ অবিলম্বে অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।
অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে অনুসন্ধান সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত পর্যন্ত তাদের অস্থাবর সম্পদ/সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন/স্থানান্তর বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় হস্তান্তর করতে না পারেন, এ মর্মে অবরুদ্ধকরণের প্রার্থনা করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এর আগে গত ১১ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ও ছোট বোন রেহানা সিদ্দিক ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ১২৪টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ ও শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির বাসভবন সুধাসদনসহ তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা আরো কিছু সম্পত্তি জব্দের আদেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে হাসিনাসহ পরিবারের ৭ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়।

উদ্বেগজনক অবস্থায় চাঁদাবাজি, নিয়ন্ত্রণে পেরুতে জুরুরি অবস্থা ঘোষণা

পেরুর রাজধানী লিমায় এক মাসব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। স্থানীয় সময় সোমবার এই ঘোষণা দেওয়া হয়। চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত হত্যাকাণ্ডের পর এ ঘোষণা দেওয়া হয়। লিমা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

রোববার ৩৯ বছর বয়সী গায়ক পল ফ্লোরেসকে লিমার বাইরে একটি কনসার্ট থেকে বেরিয়ে আসার সময় হামলাকারীরা গুলি করে হত্যা করে। তাদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, সঙ্গীতশিল্পীদের একটি অপরাধী চক্র তাদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করার হুমকি দিয়েছিল। এরপরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ফ্লোরেসের হত্যার পর প্রেসিডেন্ট দিনা বলুয়ার্তে ঘোষণা করেন, ’আমরা আর একটি মৃত্যুও হতে দেব না’।
তিনি আরো বলেন, তিনি খুনি এবং চাঁদাবাজদের মৃত্যুদণ্ড পুনর্বহাল করার বিষয়টি ’গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা’ করছেন।

ল্যাটিন আমেরিকাজুড়ে চাঁদাবাজি একটি সমস্যা হলেও, পেরুতে এটি উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে ৪৫০টিরও বেশি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাটির জন্য আংশিকভাবে দায়ী ভেনেজুয়েলার ট্রেন ডি আরাগুয়ার মতো অপরাধী চক্র।
যারা বেশ কয়েকটি ল্যাটিন আমেরিকার দেশে কাজ করে।

লিমা এবং এর বন্দর কালাওতে কার্যকর জরুরি অবস্থার অধীনে রয়েছে। সরকার নাগরিক স্বাধীনতা যেমন সমাবেশের অধিকার স্থগিত করতে পারে এবং বাড়ি তল্লাশি চালানো যেতে পারে।

সূত্র : এএফপি

নাঈমুল ইসলাম খানের ১৬৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক প্রেস সচিব নাঈমুল ইসলাম খান ও তার পরিবারের ১৬৩টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। এসব হিসাবে ছয় কোটি ২৫ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪৪ টাকা রয়েছে। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

আদালত সূত্র জানায়, দুদকের উপপরিচালক আফরোজ হক খান এসব হিসাব অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেছেন, নাঈমুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে ঘুষ বা অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থ ও এর উৎস আড়াল করতে তার নামে, স্ত্রী নাসিমা খান মন্টি, তাদের তিন সন্তান লাবিবা নাঈম খান, আদিভা নাঈম খান ও যুলিকা নাঈম খানের ১৬৩টি ব্যাংক হিসাবে ৩৮৬ কোটি টাকা জমা করেন। এর মধ্যে ৩৭৯ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। বর্তমানে ৮ কোটি ৭৬ কোটি টাকা স্থিতি রয়েছে।

আবেদনে আরো বলা হয়, নাঈমুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং করারসহ নিজ ও পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগটি অনুসন্ধানে টিম গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধানকালে তার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ১৬টি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সর্বমোট ১৬৩টি হিসাবে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এসব হিসাবে রাখা অর্থ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে ব্যাংক হিসাবগুলোতে রাখা অর্থ হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে অনুসন্ধানের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।

ইইউ-এর নতুন নিষেধাজ্ঞা, শান্তি বৈঠক থেকে সরে গেল এম-২৩ বিদ্রোহীরা

ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে মঙ্গলবারই শান্তি বৈঠকে বসার কথা ছিল এম-২৩ বিদ্রোহীদের। কিন্তু ইইউ-র নতুন নিষেধাজ্ঞার জেরে তারা তা বাতিল করেছে। ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে মঙ্গলবারই বৈঠকে বসার কথা ছিল এম-২৩ বিদ্রোহীদের। কিন্তু ইইউ-র নতুন নিষেধাজ্ঞার জেরে তারা তা বাতিল করেছে।

দীর্ঘদিন ধরে এই বৈঠকের আয়োজনের চেষ্টা হলেও এতদিন তা সম্ভব হয়নি। দুই পক্ষই এই আলোচনায় রাজি ছিল না। শেষপর্যন্ত তারা আলোচনার টেবিলে বসতে রাজি হয়েছিল। অভিযোগ, এম-২৩ বিদ্রোহীদের রুয়ান্ডা সাহায্য করে।
ডিআর কঙ্গোয় তারা অস্থির পরিবেশ তৈরি করে। দীর্ঘদিন ধরেই এই পরিস্থিতি চলছে।

সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন এম-২৩ এবং কিছু রুয়ান্ডার প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তার পরেই এম-২৩ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের পক্ষে এই বৈঠকে বসা আর সম্ভব নয়।
ইইউ-এর এই পদক্ষেপের জন্যই তারা বৈঠকে বসছে না বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে রুয়ান্ডার প্রশাসন জানিয়েছে, তারা বেলজিয়ামের সঙ্গে সকল কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করছে। কিগালির দাবি, বেলজিয়াম নতুন করে সাম্রাজ্যবাদী আচরণ করছে। উল্লেখ্য, একসময় রুয়ান্ডা বেলজিয়ামের উপনিবেশ ছিল।

কঙ্গোর অবস্থান

ডিআর কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিসেকেদি এতদিন এম-২৩ বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসতে রাজি ছিলেন না।
গত সপ্তাহে তিনি জানান, এবার বৈঠকে বসতে তার আপত্তি নেই। অ্যাঙ্গোলা এই আলোচনায় মধ্যস্থতা করছিল। কঙ্গোর তরফে জানানো হয়েছে, এম-২৩ বিদ্রোহীরা না এলেও তাদের প্রতিনিধিরা অ্যাঙ্গোলা যাবেন।

গত বছরে কঙ্গোর বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করেছিল এম-২৩। রুয়ান্ডা অবশ্য দাবি করেছিল, তারা এম-২৩ বিদ্রোহীদের সাহায্য করে না। উল্লেখ্য, পূর্ব কঙ্গোতে নিজেদের জমি শক্ত করতে চায় এম-২৩। ওই অঞ্চল প্রাকৃতিক খনিজ পদার্থে ভর্তি। অন্তত ২০টি বিদ্রোহী গোষ্ঠী ওই অঞ্চল দখলে নিতে চায়।