মঙ্গলবার, অক্টোবর ৬, ২০২৬

হামাসের সামরিক গোয়েন্দা প্রধানকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের

দক্ষিণ গাজায় হামাসের সামরিক গোয়েন্দা প্রধানকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনী শুক্রবার জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার তাকে হত্যা করা হয়।

শুক্রবার এক যৌথ বিবৃতিতে আইডিএফ এবং শিন বেট ঘোষণা করে, সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী দক্ষিণ গাজা উপত্যকায় হামাসের সামরিক গোয়েন্দা প্রধান ওসামা তাবাশকে হত্যা করেছে।

এক বিবৃতিতে, সেনাবাহিনী হামাস নেতার নাম ওসামা তাবাশ বলেছে।
তারা জানিয়েছে, তিনি জঙ্গি গোষ্ঠীর নজরদারি এবং লক্ষ্যবস্তু ইউনিটের প্রধানও ছিলেন। হামাসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘তিনি একাধিক সন্ত্রাসী হামলায় জড়িত ছিলেন এবং পরিচালনা করেছিলেন, যার মধ্যে ২০০৫ সালে গাজা উপত্যকার গুশ কাতিফ জংশনে আত্মঘাতী বোমা হামলাও ছিল। যেখানে শিন বেটের সমন্বয়কারী ওদেদ শ্যারন নিহত হন।
’

তাবাশ ছিলেন হামাসের একজন অভিজ্ঞ সদস্য এবং তাকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর জন্য একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানসম্পন্ন’ ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন, এর মধ্যে হামাসের খান ইউনুস ব্রিগেডে ব্যাটালিয়ন কমান্ডারের ভূমিকা ছিল।

তিনি হামাসের জন্য কী করেছিলেন?

জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাবাশ হামাসের যুদ্ধ কৌশল প্রণয়ন করতেন। যার মধ্যে দক্ষিণ গাজায় হামাসের সামরিক শাখার গোয়েন্দা তথ্য সমন্বয় করা এবং এলাকায় তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
গত এক বছর ধরে তিনি হামাসের জন্য সেনা গঠনের প্রচেষ্টায় জড়িত ছিলেন এবং যুদ্ধের সময় হামাসের যে ক্ষতি হয়েছিল, এরপর সামরিক সক্ষমতা পুনর্নির্মাণের জন্য কাজ করেছিলেন।

তিনি যে নজরদারি এবং লক্ষ্যবস্তু ইউনিট পরিচালনা করেছিলেন তা ইসরায়েল এবং গাজা উপত্যকায় হামাসের জন্য লক্ষ্যবস্তু তৈরির জন্য ভিজ্যুয়াল গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করত। ৭ অক্টোবরের পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের জন্যও তিনি দায়িত্ব পালন করেছিলেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। যুদ্ধের সময় তিনি হামাসের নজরদারি ইউনিটের নেতৃত্ব দেন। গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করেন এবং আইডিএফ অভিযান পর্যবেক্ষণ করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের পূর্ণ সমর্থনে ইসরায়েল গাজায় বৃহৎ আকারের সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করেছে, যা ব্যাপক নিন্দার সম্মুখীন হয়েছে। তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গাজায় তুরস্কের নির্মিত একটি হাসপাতালে ইসরায়েলের ইচ্ছাকৃত আক্রমণের নিন্দা জানিয়েছে।

তুরস্কের অভিযোগ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে একজন সামরিক মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, ‘সামরিক বাহিনী হামাসের একটি সন্ত্রাসী অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে, যা পূর্বে মধ্য গাজা উপত্যকার একটি হাসপাতাল ছিল।’

এক বিবৃতিতে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তুর্কি-ফিলিস্তিনি মৈত্রী হাসপাতালে বোমা হামলা চালানোয় ইসরায়েলের নিন্দা করেছে। এই হাসপাতালটি গাজা উপত্যকার ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসার জন্য মনোনীত একমাত্র হাসপাতাল।

গত মঙ্গলবার ভোর থেকে গাজা ভূখণ্ডে ফের হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। হামলায় ইতিমধ্যেই ৬০০ জনের বেশি মৃত্যু হয়েছে। হামাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলায় গাজার সরকারের বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় কর্তা নিহত হয়েছেন। আটক অবশিষ্ট পণবন্দিদের মুক্তি না দিলে গাজায় আরও তীব্র হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসরায়েল।

সূত্র : আলঅ্যারাবিয়া।

গাজার আরো এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিতে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ ইসরায়েলের

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ফের স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ তাদের সেনাবাহিনীকে ‘গাজার অতিরিক্ত কিছু এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিতে’ নির্দেশ দিয়েছেন। হামাস যদি তাদের কাছে থাকা বাকি সব জিম্মিকে মুক্তি না দেয় তাহলে ভূখণ্ডটির অংশবিশেষ চিরতরে দখল করে নেওয়ারও হুমকি দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেছেন, ‘জীবিত ও মৃত উভয়’ জিম্মিরা ফিরে না আসা পর্যন্ত সামরিক বাহিনী গাজায় তাদের স্থল অভিযান আরো জোরদারভাবে চালিয়ে যাবে।
খবর রয়টার্সের।

কাটজ তার বিবৃতিতে বলেন, ‘হামাস যতবার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করবে, ততই তারা আরো ভূখণ্ড ইসরায়েলের কাছে হারাবে। আকাশ, সমুদ্র ও স্থলপথে হামলা এবং স্থল অভিযানের আওতা বাড়ানোর মাধ্যমে আমরা তীব্র লড়াইয়ে নামবো, যতক্ষণ পর্যন্ত না জিম্মিরা মুক্তি পায় ও হামাস পরাজিত হয়।

গাজায় এখনো বন্দি ৫৯ জিম্মির মধ্যে ২৪ জন জীবিত আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, কিন্তু যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনায় এখন পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তাদের ভাগ্য সুতায় ঝুলছে।

সোয়া এক বছরের যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতায় চলতি বছরের জানুয়ারিতে একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় ইসরায়েল ও হামাস। ওই যুদ্ধবিরতি তিন ধাপে কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও প্রথম ধাপের পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতের মিল হয়নি।

‘গৃহযুদ্ধর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল’, যা বললেন নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের সম্মানিত আইনবিদ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহারুন বারাক বলেছেন ইসরায়েল গৃহযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতের প্রধান রোনেন বারক এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে বরখাস্ত করার সরকারের সাম্প্রতিক প্রচেষ্টার কারণে দেশটি সেই দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

তবে তার এই মন্তব্য করার কয়েক ঘন্টা পরেই প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু টুইট করে বলেছেন, ‘কোনো গৃহযুদ্ধ হবে না!’

তিনি বলেন, ‘ইসরায়েল রাষ্ট্র আইনের দেশ এবং আইন অনুসারে ইসরায়েলি সরকারই সিদ্ধান্ত নেয় কে শিন বেটের প্রধান হবেন।’ এরপর নেতানিয়াহু টুইট করে যোগ করেছেন ‘শাব্বাত শালোম।
’

ইসরায়েলের বিশিষ্ট ওই আইনবিদ আহারুন বারাক সতর্ক করে বলেছেন, দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার একাধিক সাক্ষাৎকারে বারাক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ক্ষমতা কেন্দ্রীকরণের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, নেতানিয়াহু দেশকে এমনভাবে বিভক্ত করেছেন যে দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

ওয়াইনেটের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বারাক বলেছেন, ‘ইসরায়েলি সমাজের প্রধান সমস্যা হল… ইসরায়েলিদের মধ্যে তীব্র ফাটল।
’ তিনি আরো বলেন, ‘এই ফাটল আরো খারাপ হচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত, আমি আশঙ্কা করছি, দেশ একটি ট্রেনের মতো হবে। ট্রেনটি তার লাইন থেকে ছিটকে একটি খাদে পড়ে যাবে, যার ফলে শুরু হবে গৃহযুদ্ধ।’ বারাক ১৯৯৫-২০০৬ সাল পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

শিন বেটের প্রধান প্রধান রোনেন বারকে বরখাস্ত করার নেতানিয়াহুর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ এবং বিক্ষোভের মধ্যে বারাকের এই মন্তব্য করেছেন।
নেতানিয়াহু দাবি, তিনি বারের ক্ষমতার ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন এবং তাই তাকে বরখাস্ত করতে হচ্ছে। অন্যদিকে সমালোচকরা বলছেন, ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করার এবং তার সহযোগীদের দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত বন্ধ করার ইচ্ছা থেকেই নেতানিয়াহু এই বরখাস্ত কর্যকর করতে চাচ্ছেন।

চ্যানেল ১২-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বারাক বলেন, ‘ইসরায়েল গৃহযুদ্ধের কাছাকাছি পৌঁছেছে কারণ জনগণের মধ্যে বিশাল ফাটল ধরেছে। এটি নিরাময়ের জন্য কোনো প্রচেষ্টা করা হচ্ছে না।’ তিনি আরো বলেন, ‘সবাই এটিকে আরো খারাপ করার চেষ্টা করছে।
আজ বিক্ষোভ চলছে, তারপর একটি গাড়ি তাদের ওপর দিয়ে চলে যাবে এবং কাউকে চাপা দিবে।’

তিনি বুধবার জেরুজালেমে নেতানিয়াহু বিরোধী বিক্ষোভের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘একজন চালক একজন বিক্ষোভকারীকে ধাক্কা দিয়ে আহত করেছে সেখানে। আগামীকাল গুলি চালানো হবে এবং তার পরের দিন রক্তপাত হবে।’

ফিলিস্তিনের গাজায় নতুন করে অভিযান চালানোর বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভকে ঘিরে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো বন্ধ করা হয়। এদিকে যুদ্ধের মাঝেই ব্যাপক অন্তর্দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে ইহুদিবাদী ইসরায়েলে।

মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে গত বৃহস্পতিবার ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতের প্রধান রোনেন বারকে বহিষ্কার করেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে এই বহিষ্কারাদেশ ৮ই এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিত করেছেন ইসরাইলের হাইকোর্ট। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে, ফলে দেশটির ভিতরে ব্যাপক অন্তর্দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে।

ইসরাইলের শ্রমিক ইউনিয়ন হিসতাদ্রুতের প্রধান আরমোন বার-ডেভিড হুমকি দিয়েছেন, নেতানিয়াহুর সরকার আদালতের আদেশ অমান্য করে রোনেন বারকে বরখাস্ত করলে বসে থাকবেন না। এদিকে ইসরায়েল বিজনেস ফোরাম (আবিএফ) হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, শিন বেতের প্রধান রোনেন বারের বরখাস্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞাকে যদি সরকার সম্মান না করে তবে তারা ‘ইসরায়েলি অর্থনীতি অচল দেবে’। ইসরায়েল বিজনেস ফোরাম দেশের ২০০টি বৃহত্তম কম্পানির বেশিরভাগ বেসরকারি খাতের কর্মীদের প্রতিনিধিত্ব করে।

সমালোচকরা যুক্তি দিয়েছেন, হামাসের ৭ অক্টোবরের আক্রমণের সময় দায়িত্বে থাকা বারের স্থলাভিষিক্ত হওয়া উচিত নয় সরকারের। তারা আশঙ্কা করছেন, নেতানিয়াহু সংস্থার প্রধানের জন্য একজন অনুগত ব্যক্তিকে নিয়োগ করবেন। কারণ প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলের ‘বামপন্থী গভীর রাষ্ট্র’ সম্পর্কে তার ষড়যন্ত্রমূলক সমালোচনা তীব্রতর করে তুলেছেন।

সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল, ফার্স্টস্পট

চার দেশের ৫ লাখ ৩০ হাজার অভিবাসীকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত কিউবা, হাইতি, নিকারাগুয়া ও ভেনিজুয়েলার পাঁচ লাখ ৩০ হাজার অভিবাসীর অস্থায়ী আইনি মর্যাদা বাতিল করলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২৪ এপ্রিলের আগে তাদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (২১ মার্চ) মার্কিন ফেডারেল রেজিস্ট্রারে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শনিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিবাসননীতির কড়াকড়ি আরোপে ট্রাম্পের এটি সর্বশেষ পদক্ষেপ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী ২৪ এপ্রিল থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এর ফলে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে অনুমোদিত দুই বছরের ‘প্যারোল’ (সাময়িক প্রবেশাধিকার) প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাবে। স্থানীয় স্পন্সর থাকা সাপেক্ষে ওই কর্মসূচির আওতায় এসব অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেতেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের এক নোটিশে বলা হয়েছে, কিউবা, হাইতি, নিকারাগুয়া ও ভেনিজুয়েলা থেকে আসা পাঁচ লাখ ৩০ হাজারের বেশি অভিবাসীর অস্থায়ী বৈধ মর্যাদা বাতিল করবে সরকার। এসব অভিবাসী ২৪ এপ্রিলের আগে দেশ না ছাড়লে তাদের পারমিট ও বহিষ্কার সুরক্ষা বাতিল করা হবে।

ট্রাম্পের দাবি, সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের চালু করা এসব প্যারোল কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইন লঙ্ঘন করেছে। এ জন্য তিনি ২০ জানুয়ারির এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এসব কর্মসূচি বাতিলের নির্দেশ দেন।

নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই : আসিফ মাহমুদ

অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচন পিছিয়ে যাবে, অনিশ্চয়তা তৈরি হবে এসব শঙ্কার কথা বলে কেউ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রশ্নে জনতার ঐক্যে ফাটল ধরাতে আসবেন না।

আজ শুক্রবার (২১ মার্চ) নিজের ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে তিনি এসব কথা লিখেন। পোস্টে নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই বলেও জানান তিনি।

ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়া লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্টভাবে বারবার বলছেন ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে ইলেকশন হবে।
আমি নিশ্চয়তা দিতে চাই সরকার এই কথা রাখবে। সুতরাং নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই।’

তিনি আরো লিখেন, ‘গণহত্যাকারী দল হিসেবে আওয়ামী লীগ শুধু জাতীয়ভাবে নয়, আন্তর্জাতিকভাবে ইউএন রিপোর্টের মাধ্যমে স্বীকৃত। জনতার ঐক্য জিন্দাবাদ।
’
এর আগে আজ আরেক পোস্টে উপদেষ্টা আসিফ লিখেন, ‘আমরা কবে থেকে জার্মানি, ইতালির থেকে বেশি ইনক্লুসিভ ডেমোক্রেটিক হয়ে গেলাম? গণহত্যার বছর না ঘুরতেই আওয়ামী লীগকে ফেরানোর খায়েশ বিপজ্জনক।’

আ.লীগকে আমাদের লাশের ওপর দিয়ে রাজনীতিতে আসতে হবে: মামুনুল হক

শাপলা চত্বর ও ছাত্র আন্দোলনে গণহত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনাকে রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক বলেছেন, ‘এ ধরনের অপচেষ্টা করলে আমাদের লাশের ওপর দিয়ে করতে হবে।’

গাজায় নজিরবিহীন ইসরায়েলি হামলা ও নির্বিচারে গণহত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (২১ মার্চ) বাদ জুমা বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ঢাকা মহানগর হেফাজতের বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন।

মামুনুল হক বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার পিলখানা গণহত্যা থেকে শুরু করে শাপলা চত্বর, মোদিবিরোধী আন্দোলন, জুলাই অভ্যুত্থানে যে গণহত্যা চালিয়েছে, সেসবের বিচার ব্যতিরেকে দেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার নাম-নিশানা দেশের মানুষ বরদাশত করবে না। আওয়ামী লীগকে দেশের রাজনীতিতে আসতে হলে, আমাদের লাশের ওপর দিয়ে আসতে হবে।
আমরা আর কোনো প্রতিহিংসার রাজনীতি চাই না। এজন্য সকল রাজনৈতিক দলকে আমরা উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনে গণহত্যা বন্ধে আমরা জাতিসংঘের কাছ থেকে নিষেধাজ্ঞার দাবি জানাচ্ছি। মুসলিম রাষ্ট্রভিত্তিক সংগঠনগুলোকে বলতে চাই-ফিলিস্তিন রক্ষায় আপনারা উদাত্তভাবে এগিয়ে আসুন।
তাদের সাহায্য করতে আমাদের দেশ থেকে মুজাহিদের দল গঠন করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

মামুনুল হক বলেন, বিগত ভারতীয় দালাল হাসিনা সরকার আমাদের পাসপোর্টে উইদাউট ইসরায়েল লেখা বাতিল করেছে। তিনি বর্তমান সরকারের কাছে তা পুনর্বিবেচনার দাবি জানান।

মামুনুল হক হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘নিরীহ ফিলিস্তিনিদের হত্যাকারী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে শাহাদাতের তামান্নায় প্রতিশোধ নেওয়া হবে।
’

ঢাকা মহানগর হেফাজতের সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন– হেফাজতের নায়েব আমির আহমেদ আলী কাসেমী, কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মাওলানা আব্দুর রকিবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

আ. লীগকে নিষিদ্ধ না করলে রাজপথ ছাড়ব না : হাদি

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ না করা পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি।

গাজায় ইসরাইলি গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে বাদ জুমা বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় ইনকিলাব মঞ্চসহ বিভিন্ন সংগঠন বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করছে।

হাদি বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে নিয়ে নির্বাচন করলে দেশে রক্তের বন্যা বয়ে যাবে।
আমাদের গায়ে এক ফোটা রক্ত থাকতে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসিত হতে দেব না।’

ভারতকে এশিয়ান ইসরাইল আখ্যা দিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের এই নেতা বলেন, কেন আওয়ামী নিষিদ্ধের প্রশ্নের উত্তর দেননি? আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ না করলে আমরা রাজপথ ছাড়ব না।

বিমানের টিকিট সিন্ডিকেট আর থাকবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

পবিত্র হজ ও ওমরাহ পালনকে কেন্দ্র করে বিমানের টিকিটে সিন্ডিকেট আর থাকবে না বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।

তিনি বলেন, সিন্ডিকেট করে গ্রুপ টিকিট বুকিং করে অতিরিক্ত দামে বিক্রিরও সুযোগ নেই। এখন থেকে টিকিট বুক করতে হবে সংশ্লিষ্ট যাত্রীর পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে।

শুক্রবার (২১ মার্চ) দুপুরে কক্সবাজারে জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ধর্ম উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

তিন দিনের মধ্যে টিকিট ইস্যু না করলে এটা অটোমেটিক বাতিল হয়ে যাবে। গ্রুপ টিকিট বুকিং করে দ্বিগুণ, তিনগুণ দাম বাড়িয়ে দিবেন এটা আর হবে না। এক্ষেত্রে একটা নীতিমালা তৈরি করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন খালিদ হোসেন।

এ সময় ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, সারা দেশে ইতোমধ্যে সাড়ে তিনশো মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
এসব মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজ নিয়ে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সরকার মডেল মসজিদ নির্মাণ নিয়ে অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মডেল মসজিদ নির্মাণ নিয়ে দুর্নীতি প্রমাণ হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, কক্সবাজারে সম্প্রীতির একটা আবহ বিরাজ করে আসছে বহুদিন ধরে।
এখানে সাম্প্রদায়িক কোনো নৈরাজ্য, কোনো ভুল বুঝাবুঝি নেই। তাই, এই মসজিদের মাধ্যমে একটা ভ্রাতৃত্বের পয়গাম কক্সবাজারের ছড়িয়ে পড়বে।

তিনি আরো বলেন, মসজিদটিতে বহুমাত্রিক কর্মযজ্ঞ রয়েছে। এখানে একসঙ্গে ১১শত পুরুষ নামাজ আদায় করতে পারবেন। মহিলা ও শারীরিক, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্যও আলাদাভাবে অজুখানা ও নামাজ পড়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

এছাড়াও গাড়ি পার্কিং, মৃত গোসলের ব্যবস্থা, কনফারেন্স রুম, অডিটোরিয়াম, কোরআন শিক্ষা ব্যবস্থা, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অফিস, পাঠাগার, ইমাম প্রশিক্ষণসহ বিভিন্নভাবে সাজানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, সারা দেশে সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৬৪টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করছে সরকার। ইতোমধ্যে, সাড়ে তিনশ মসজিদের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

জমজমাট ট্রেলার, এ মাসেই আসছে ‘লুসিফার ২’

মালায়ালাম চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম সেরা হিট ছবি ‘লুসিফার’। অবশেষে জানা গেল, আসছে এর সিক্যুয়েল। জমজমাট ট্রেলার উন্মোচন করে সুখবরটি দেন এর নির্মাতা পৃথ্বীরাজ সুকুমারান। সিক্যুয়েলের নাম রাখা হয়েছে ‘লুসিফার ২: এমপুরান’।
প্রথম পর্ব যেখানে শেষ হয়েছে সেখান থেকেই শুরু হয়েছে এর গল্প।

প্রায় চার মিনিটের ট্রেলারটি ছিল বেশ উত্তেজনাপূর্ণ। দলের অভ্যন্তরে এবং কেরালা রাজ্যে ক্ষমতার লড়াইকে ঘিরে আবর্তিত হয় ট্রেলারটি। দুর্দান্ত অ্যাকশনের ঝলকের পাওয়া গেছে এতে।

কেউ কেউ বলছেন, পৃথ্বীরাজ অভিজ্ঞ পরিচালক না হলেও ট্রেলার কাট দুর্দান্ত করেছেন। প্রতিটি ফ্রেমেই অসাধারণ পরিশ্রম এবং প্রচেষ্টা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। অসাধারণ দৃশ্যায়ন এবং নিখুঁত ব্যাকগ্রাউন্ড।

লাইকা প্রোডাকশনস, আশীর্বাদ সিনেমাস এবং শ্রী গোকুলাম মুভিজ প্রযোজিত ‘লুসিফার ২: এমপুরান’ আগামী ২৭ শে মার্চ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে।
এতে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় রয়েছেন মোহনলাল, পৃথ্বীরাজ। এছাড়াও রয়েছেন মঞ্জু ওয়ারিয়ার, সুরজ ভেঞ্জারামুডু, ইন্দ্রজিৎ সুকুমারন, নিখাত খান প্রমুখ।

তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন প্রেসিডেন্ট

তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট কাইস সাইদ প্রধানমন্ত্রী কামেল মাদৌরিকে নিয়োগের এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে বরখাস্ত করেছেন। তার কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশটির ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক স্থবিরতার প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সাইদ মন্ত্রীদের কর্মক্ষমতার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, অনেকেই প্রয়োজনীয় মান পূরণ করেননি।
তিউনিসিয়ার জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি। গত মাসে তিনি অর্থমন্ত্রী সিহেম বোঘদিরিকেও বরখাস্ত করেছেন।

মাদৌরির স্থলাভিষিক্ত হন পূর্বের গণপূর্তমন্ত্রী সারা জাফরানি জেনজরি। যিনি একজন প্রকৌশলী এবং ২০২১ সাল থেকে সরঞ্জাম ও গৃহায়ন মন্ত্রী।
দুই বছরেরও কম সময়ের মধ্যে তিনি তিউনিসিয়ার তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী।

সাইদ ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তিনি ২০২১ সালে এক বিশাল ক্ষমতা দখলের ঘটনা ঘটিয়েছিলেন, যা সমালোচকদের মতে গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা এবং অধিকার হরণ করেছিল। তবে, সাইদের সমর্থকরা বলেছেন, তিনি কয়েক দশক ধরে দুর্নীতিতে জর্জরিত দেশটির অদক্ষতার বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রতিশ্রুতি পালন করেছেন।

মন্থর প্রবৃদ্ধি ও উচ্চ বেকারত্বসহ গুরুতর আর্থিক সমস্যায় জর্জরিত ব্যাপক ঋণগ্রস্ত তিউনিসিয়ার মন্ত্রীদের কর্মক্ষমতা নিয়ে সাম্প্রতিক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাঈদ। শুক্রবার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের এক সভায় এক বক্তৃতায় সাইদ বলেন, ‘অনেক সরকারি স্থাপনায় অপরাধী চক্র সক্রিয়। তাদের অবসান ঘটানোর এবং প্রতিটি কর্মকর্তাকে জবাবদিহি করার সময় এসেছে।

উত্তর আফ্রিকার দেশটির সরকারি অর্থব্যবস্থা একটি তীব্র সংকটের মুখোমুখি হয়েছে যার ফলে চিনি, চাল এবং কফিসহ গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সাইদ বলেন, ‘সকল নাগরিকের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা মুক্তির লড়াই চালিয়ে যাব… আমরা সকল ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দেব।
’

মন্ত্রী ও বিচারকদের বরখাস্ত করার পূর্ণ ক্ষমতা থাকা প্রেসিডেন্ট ২০২৪ সালের আগস্টে মাদৌরিকে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন। সেই সময় তিনি আরো ১৯ জন মন্ত্রীকে রদবদল করেন। ‘রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ স্বার্থ’ এবং ‘জাতীয় নিরাপত্তার’ প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিউনিসিয়াও একটি অভূতপূর্ব অভিবাসী সংকটের জন্য ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হচ্ছে, কারণ সাব-সাহারান আফ্রিকা থেকে হাজার হাজার মানুষ ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টায় দেশটিতে আসছে। কর্তৃপক্ষ ভূমধ্যসাগর পার হতে বাধা দেওয়ার পর হাজার হাজার অভিবাসী দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর আমরা এবং জেবেনিয়ানার মতো বনে তাঁবুতে বসবাস করছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) জানায়, ২০২৫ সালে তিউনিসিয়ার বার্ষিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মাত্র ১.৬ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ঋণের পরিমাণ জিডিপির প্রায় ৮০ শতাংশ, যা ২০১৯ সালে সাইদ ক্ষমতা গ্রহণের আগে ছিল ৬৭ শতাংশ।