সোমবার, অক্টোবর ৫, ২০২৬

দেম্বেলে নৈপূন্যে ফাইনালে পিএসজি

চমৎকার ফাইটব্যাকের গল্প লিখল পিএসজি। ২৭ মিনিটের মধ্যে ২ গোলে পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় পিএসজি। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় স্তরের দল ডানকেঁয়াককে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফরাসি কাপের ফাইনালে উঠল লুইস এনরিকের দল।

ফরাসি কাপের সেমিফাইনালে মঙ্গলবার রাতে ৪-২ গোলে জিতেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
পিএসজির হয়ে দুই গোলের পাশাপাশি একটি এসিস্ট করেন উসমানে দেম্বেলে। অন্য দুই গোল আসে মার্কিনিয়ুস ও ডিজায়ার ডউ।

সপ্তম মিনিটে ভিনসেন্ট সাসোর গোলে এগিয়ে যায় ডানকেঁয়াক। ২৭তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সাইদ আল সাদ।
প্রথমার্ধের নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে দেম্বেলের গোলে পিএসজির ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু। ৪৮তম মিনিটে তার ক্রসে হেডে দলকে সমতায় ফেরান মার্কিনিয়োস।

৬২তম মিনিটে তরুণ ফরাসি স্ট্রাইকার ডউর গোলে লিড পায় শিরোপাধারীরা। আর যোগ করা সময়ে তৃতীয় মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলে জয় নিশ্চিত করেন তার স্বদেশি দেম্বেলে।

এই মৌসুমে পিএসজির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৯ ম্যাচে দেম্বেলের গোল হলো ৩২টি, অ্যাসিস্ট ৭টি।

প্রতিযোগিতাটির সর্বোচ্চ ১৫ বারের চ্যাম্পিয়ন পিএসজির সামনে রেকর্ডটা আরো সমৃদ্ধ করার হাতছানি।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে চালু হচ্ছে সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি চালু হতে যাচ্ছে। আগামী ১২ এপ্রিল প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটি বনাম ক্রিস্টাল প্যালেস ম্যাচে প্রথমবার দেখা যাবে এই প্রযুক্তি।

প্রিমিয়ার লিগে প্রি-লাইভ পরীক্ষার পর এবং মার্চে এফএ কাপের পঞ্চম রাউন্ডের আটটি ম্যাচের মধ্যে সাতটিতে এই সিস্টেমটির সফল পরীক্ষার পর এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।

সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি কর্মকর্তাদের জন্য কঠিন অফসাইড সিদ্ধান্ত সহজতর করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
এটি অফসাইড সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান স্বয়ংক্রিয় করে ভিডিও সহকারী রেফারিকে (ভিএআর) সহায়তা করবে। প্রিমিয়ার লিগ কতৃপক্ষ জানিয়েছে যে, এটি ‘অফসাইড সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি, দক্ষতা এবং সামঞ্জস্যতা বৃদ্ধি’ করবে।

এই প্রযুক্তি প্রথম ব্যবহার করা হয়েছিল ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে। পরবর্তীতে সিরি এ, লা লিগা এবং চ্যাম্পিয়নস লিগেও এই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে।

নিশো ম্যাজিকে শো বাড়ল দাগি’র

লম্বা বিরতি দিয়ে আবারও রাজকীয় প্রত্যাবর্তনে সিনেমায় ফিরেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো। এটি তার দ্বিতীয় সিনেমা। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর দর্শকদের মাঝে সাড়া জাগাচ্ছে ‘দাগি’। প্রথমদিনেই ‘দাগি’ হাউজফুল।
আর দর্শক চাহিদা পূরণে এবার সুখবর দিল দাগি’র নির্মাতারা। শো বাড়ানো হলো দাগির।

সিনেমাটির প্রযোজনা সংস্থা আলফা আইয়ের কর্ণধার শাহরিয়ার শাকিল জানালেন, ঈদের দিন থেকে মাল্টিপ্লেক্সে সিনেমাটির ৩৪টি শো চলছিল। একদিন যেতে না যেতেই আরও ১০টি শো বাড়ানো হয়েছে।

আলফা আই থেকে আরও জানানো হয়, কেবল সিনেপ্লেক্সে গতকাল ৩৪টি শো ছিল। আজ রানিং রয়েছে ৪৪টি শো। তার মানে দশটি শো বাড়ছে। যদিও শো বাড়ানো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই ফেইক বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন।
তবে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান অফিসিয়ালি জানিয়েছেন শো বেড়েছে এটাই সত্যি। কে ফেইক বললো না বললো সেটা ভাবার বিষয় না। যা সত্যি আমরা তাই জানিয়েছি।

সুরঙ্গ-এর পর নিশোর দ্বিতীয় সিনেমা ‘দাগি’। এটি পরিচালনা করেছেন শিহাব শাহীন।
ছবিতে নিশোর বিপরীতে অভিনয় করছেন তমা মির্জা। এছাড়া আরও অভিনয় করেছেন সুনেরাহ বিনতে কামাল, গাজী রাকায়েত, রাশেদ মামুন অপু, শহীদুজ্জামান সেলিম, মিলি বাশার, মনিরা আক্তার মিঠু, মেহের আশা, বাসার বাপ্পি, প্রীতি আলভী ও লুৎফর রহমান শিমন্ত সহ আরও অনেকে।

এবারের ঈদে মুক্তি পেয়েছে ছয়টি ছবি। যার মধ্যে শাকিব খানের ‘বরবাদ’ ও নিশোর ‘দাগি’ এগিয়ে আছে হল দখলের লড়াইয়ে। এ ছাড়া সিয়াম-বুবলীর ‘জংলি’ নিয়েও আছে দর্শক চাহিদা। আছে ‘চক্কর ৩০২’, ‘অন্তরাত্মা’ ও ‘জ্বীন-৩’ নিয়েও মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

একই স্থানে টানা ৩ দিন দুর্ঘটনা, আজ প্রাণ গেল ৭ জনের

জেলার লোহাগাড়ায় যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৭টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি এলাকায় রেঞ্জ বন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটার মো. আবদুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

দোহাজারী হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনজুর হোসেন বলেন, চট্টগ্রামমুখী রিল্যাক্স পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে কক্সবাজারগামী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে একজন মেয়ে শিশুসহ সাতজন নিহত হয়েছেন।

তিনি জানান, আহত হয়েছেন আরো পাঁচ জন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত সোমবার একই স্থানে ঈদের দিন দুই বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হন। এরপর গতকাল মঙ্গলবার একই স্থানে দুইটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ৮ জন আহত হন।

যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া

যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব তারা মানতে পারছেন না বলে জানিয়েছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ। রিয়াবকভ বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির যে প্রস্তাব করেছে, আমরা তা খুব ভালোভাবে খতিয়ে দেখেছি। কিন্তু বর্তমান আকারে এই প্রস্তাব আমরা মানতে পারছি না।’ রাশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ম্যাগাজিনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেন তিনি।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘মস্কো মনে করে, মার্কিন প্রস্তাবে রাশিয়ার উদ্বেগের বিষয়গুলো রাখা হয়নি। যে কারণে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, সেই বিষয়গুলো নেই।’ রাশিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন আক্রমণ করেছিল। তার আগে ২০১৪ সালে তারা ইউক্রেনের ক্রাইমিয়া দখল করে নেয়।

গত সপ্তাহান্তে ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুটিনকে নিয়ে বিরক্ত। রাশিয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব না মানলে মস্কোর তেলের ওপর আরো কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে বলে তিনি হুমকি দিয়েছিলেন।

ইউক্রেনকে ৩৫০ কোটি ইউরো দিলো ইইউ

ইউক্রেনকে ৩৫০ কোটি ইউরো দিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন। ইউক্রেনের অর্থমন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৩১০ কোটি ইউরো হলো সহজ শর্তে ঋণ এবং চারশ ইউরো অনুদান।
এই সাহায্য হলো ইইউ-এর ইউক্রেন ফেসিলিটি প্রগ্রামের অংশ। ২০২৭ সাল পর্যন্ত ইইউ পাঁচ হাজার ইউরো সাহায্য দেবে ইউক্রেনকে।

এখন পর্যন্ত কিয়েভ এক হাজার ছয়শ কোটি ইউরো পেয়েছে। এই অর্থ দিয়ে রাশিয়ার আগ্রাসন থেকে তারা নিজেদের রক্ষা করবে। রাশিয়া ২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণ করে।

এদিকে সুইজারল্যান্ডে রাশিয়ার ৮০০ কোটি ডলারেরও বেশি সম্পদ ফ্রিজ হয়ে আছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করার পর মস্কোর সম্পদ ফ্রিজ করা শুরু হয়। মঙ্গলবার সুইস সরকার জানিয়েছে, চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সেই সম্পদের পরিমাণ হলো ৮৪০ কোটি ডলার। এক বছরে আরো ১৮০ কোটি ডলারের সম্পদ চিহ্নিত করে ফ্রিজ করা হয়েছে।

যে সব সম্পদ ফ্রিজ করা হয়েছে, তার মধ্যে আছে, রিয়েল এস্টেট, বিলাসবহুল গাড়ি এবং শিল্পদ্রব্য। সুইজারল্যান্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ নয়। তা সত্ত্বেও তারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইইউ-র নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি সমর্থন করে।

জাপানে মেগা ভূমিকম্পের শঙ্কা, মারা যেতে পারে ৩ লাখ মানুষ

জাপানে দীর্ঘদিন ধরে একটি মেগা ভূমিকম্পের আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা মারাত্মক প্রাণহানি ও অর্থনৈতিক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। নতুন এক সরকারি প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়েছে, এই ভূমিকম্পে প্রায় ৩ লাখ মানুষ মারা যেতে পারে এবং দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অর্ধেকের সমান ক্ষতি হতে পারে।

সোমবার (৩১ মার্চ) জাপানের মন্ত্রিপরিষদ অফিস থেকে প্রকাশিত হালনাগাদ মূল্যায়নে বলা হয়েছে, সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে ২৭০ ট্রিলিয়ন ইয়েন (প্রায় ১.৮১ ট্রিলিয়ন ডলার) ক্ষতি হতে পারে। যা পূর্ববর্তী অনুমানগুলোর তুলনায় অনেক বেশি এবং দেশটির জন্য এক ভয়াবহ সংকেত।

জাপানের ভূমিকম্প তদন্ত প্যানেলের মতে, আগামী ৩০ বছরের মধ্যে একটি মেগা ভূমিকম্পের সম্ভাবনা ৮০ শতাংশেরও বেশি। ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞদের মতে, ৮ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প ‘মেগা কোয়াক’ হিসেবে পরিচিত, যা সাধারণ ভূমিকম্পের তুলনায় অনেক বেশি বিধ্বংসী হতে পারে। বিশেষ করে এটি যদি ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি বা ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে ঘটে, তাহলে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও ভয়াবহ হবে।

জাপান সরকারের প্রতিবেদনে আশঙ্কা করা হয়েছে, যদি ৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে, তাহলে বিশাল সুনামি সৃষ্টি হতে পারে এবং শত শত ভবন ধসে পড়তে পারে।
এতে প্রায় ২ লাখ ৯৮ হাজার মানুষ প্রাণ হারাতে পারেন এবং ১২ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারেন, যা জাপানের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত নানকাই খাদ প্রতি ১০০ থেকে ১৫০ বছর অন্তর বড় ধরনের ভূমিকম্প সৃষ্টি করে। সর্বশেষ বড় ভূমিকম্পগুলো ১৯৪০-এর দশকে ঘটেছিল। ভূকম্পবিদদের মতে, এরপর থেকে এই অঞ্চলে ভূমিকম্পজনিত চাপ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এর আগে, ২০১১ সালে উত্তর-পূর্ব জাপানে ৯ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার ফলে ভয়াবহ সুনামি হয় এবং ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারান। সেই সঙ্গে ফুকুশিমা দাইচি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে চেরনোবিলের পর বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ পারমাণবিক বিপর্যয় দেখা দেয়।

গত বছর জাপান প্রথমবারের মতো নানকাই অঞ্চলে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পের পর একটি মেগা ভূমিকম্পের ‘উচ্চ সম্ভাবনা’ সম্পর্কে সতর্কতা জারি করেছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেকোনো সময় এই ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে, যা পুরো দেশকে অস্থিরতার মধ্যে ফেলতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স

গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণ : নিহত বেড়ে ১৮

ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে অবৈধ আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া আহত হয়েছে আরো পাঁচজন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

গুজরাট রাজ্যের দিসা শহরের ওই কারখানায় মঙ্গলবার ভয়াবহ বিস্ফোরণে পাথর ও ধাতব টুকরা দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে পড়ে।
সরকারি মুখপাত্র ঋষিকেশ প্যাটেল সাংবাদিকদের বলেন, ‘কারখানায় একটি বড় বিস্ফোরণের ফলে কংক্রিটের ছাদ ধসে পড়ে। এতে ১৮ জন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছে।’

তিনি আরো জানান, কারখানাটি কোনো লাইসেন্স ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছিল। কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে।

ভারতে আতশবাজি ব্যাপক জনপ্রিয়, বিশেষ করে হিন্দু ধর্মীয় উৎসব দীপাবলি ও বিয়ের অনুষ্ঠানে এগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু অগ্নিনিরাপত্তাসংক্রান্ত বিধি-নিষেধ উপেক্ষা করার কারণে আতশবাজির কারখানাগুলোতে প্রায়ই বিস্ফোরণ ঘটে।

গত বছর মধ্য প্রদেশ রাজ্যে একটি আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ১১ জন মারা গিয়েছিল। ২০১৯ সালে পাঞ্জাব রাজ্যে একই ধরনের বিস্ফোরণে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়, আর একই বছরে উত্তর প্রদেশে আরেকটি বিস্ফোরণে ১০ জন প্রাণ হারায়।

সূত্র : এএফপি

আওয়ামী লীগকে কোনো দিন রাজনৈতিকভাবে দাঁড়াতে দেব না : উপদেষ্টা মাহফুজ

শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের লক্ষাধিক নেতাকর্মী ভারতে বসে দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ দল ছিল না, তারা ছিল মাফিয়া। তাদের কোনো দিন রাজনৈতিকভাবে দাঁড়াতে দেব না।’

মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে গুম ও খুনের শিকার হওয়া পরিবারের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘বিগত সরকারের সময় গুম-খুন রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে হয়েছিল।
এগুলো করার জন্য বিশেষ টিম ছিল। পুলিশ-র‍্যাবসহ সবাইকে গুমের আদেশ দেওয়া ছিল।’

তিনি বলেন, ‘গোটা দেশেই আয়নাঘরের অস্তিত্ব ছিল। অসংখ্য মানুষ গুমের শিকার হয়েছে।
বিরোধী মতের অনেক মানুষকে গুম করে ভারতের জেলে পাচার করা হতো।’

মাহফুজ আলম বলেন, ‘গুমের সঠিক কোনো হিসাব নেই। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় তালিকা করা হচ্ছে। বিএনপি-জামায়াতসহ ভিন্ন মতাদর্শের সবাই শেখ হাসিনার ভিকটিম ছিল

‘মেসির মতো নয় এমবাপ্পে, মেসি অদ্বিতীয়’

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মতো কিলিয়ান এমবাপ্পেও রিয়াল মাদ্রিদের কিংবদন্তি হবেন এমনটা গতকাল জানিয়েছেন কার্লো আনচেলত্তি। রিয়ালের কোচ সাবেক ও বর্তমান শিষ্যর মতো তুলনা টানলেও লিওনেল মেসির সঙ্গে এমবাপ্পের তুলনা করতে রাজি নন হুগো লরিস। ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক জানিয়েছেন, মেসি অদ্বিতীয়। তার সঙ্গে কারো তুলনাই চলে না।

প্রতিভার বিচারে মেসির কাতারে এমবাপ্পে থাকবেন কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে আর্জেন্টিনার সংবাদ মাধ্যম লা নাসিওনকে এমনটাই জানান লরিস। সবার থেকে আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীকে আলাদা করে ফ্রান্সের সাবেক গোলরক্ষক বলেছেন, ‘এমবাপ্পে কি মেসির মতো? না, মেসি অদ্বিতীয়। তার সঙ্গে কারো তুলনা হয় না, এটা একেবারে অসম্ভব।’

২০২৬ বিশ্বকাপেও মেসি খেলবেন বলে বিশ্বাস করেন লরিস।
২০১৮ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক বলেছন, ‘আগামী বিশ্বকাপে মেসিকে ছাড়া আর্জেন্টিনা খেলবে এমনটা মনে হচ্ছে না। আমার মনে হয়, মেসি খেলবে। সে এখনো খেলছে এবং ফুটবল উপভোগ করছে। যদিও সিদ্ধান্তটা তার।
তবে আমরা অবশ্যই চাই সে খেলা চালিয়ে যাক। লিওর প্রতি আমার অনেক শ্রদ্ধা রয়েছে। আমার কাছে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের মধ্যে সে শীর্ষে। এতে কোনো সন্দেহ নেই। আমি সেই প্রজন্মের যারা লিওর বিপক্ষে খেলেছে এবং তার খেলা দেখেছে।

রাফাহ খালি করে দিতে বলল ইসরায়েলের সেনা

গাজার শহর রাফাহ খালি করে দিতে বলল ইসরায়েলের সেনা। সেখানকার সব মানুষকে চলে যেতে বলা হয়েছে। ইসরায়েলের সেনাবাহিনী রাফাহ এবং বেশ কয়েকটি পুরসভা এলাকা খালি করে মানুষকে চলে যেতে বলল। সোমবার সেনা মুখপাত্র এই কথা জানিয়েছেন।

গত মাসে ইসরায়েলের সেনা হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাতিল করে দেয়। তারপর থেকে তারা গাজার বিভিন্ন এলাকায় আক্রমণ শুরু করে দিয়েছে। এর আগে হামাসের সঙ্গে সংঘাত শুরু হওয়ার পর ইসরায়েলের আক্রমণে রাফাহ কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে রাফাহ থেকে চলে আসতে সম্মত হয়েছিল ইসরায়েলের সেনা।
কিন্তু পরে তারা বলে, সীমান্ত এলাকায় তাদের উপস্থিতি প্রয়োজন। মিসর থেকে এই এলাকায় অস্ত্রপাচার হয়।

হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য দপ্তরের দাবি

গত ১৮ মার্চ ইসরায়েলের সেনা আবার গাজায় বিমান হামলা শুরু করে। তার ফলে এক হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন বলে দাবি করেছে হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য দপ্তর।
গত ৪৮ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৮০ জন। হামাসকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন বলে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, ইইউসহ কয়েকটি দেশ।

স্বাস্থ্য দপ্তরের দাবি, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের আক্রমণে ৫০ হাজার ৩৫৭ জন মারা গেছেন। স্বাস্থ্য দপ্তর এর মধ্যে কতজন হামাস সদস্য এবং কতজন বেসামরিক মানুষ মারা গেছেন তা জানায়নি। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো মনে করে, এই হিসাব মোটের ওপর ঠিক আছে।
গাজার ২৩ লাখ বাসিন্দার মধ্যে অর্ধেক শিশু এবং জাতিসংঘ জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।

হামাস ইসরায়েলে ঢুকে এক হাজার দুইশ মানুষকে হত্যা করার পর ইসরায়েল গাজায় আক্রমণ শুরু করে। যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর ৩২২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ। ইউনিসেফ জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলের আক্রমণের জেরে ৩২২ জন শিশু মারা গেছে, ৬০৯ জন আহত হয়েছে। সেমবার ইউনিসেফ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, এই শিশুরা মূলত ভেঙে পড়া বাড়ি বা তাঁবুতে ছিল।