সোমবার, অক্টোবর ৫, ২০২৬

আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ আজ নামছে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে

আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতে বসবে মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পরবর্তী আসর। এই টুর্নামেন্টের টিকিট পেতে পাকিস্তানে বাছাই পর্ব খেলছে বাংলাদেশ দল। প্রতিযোগিতায় নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হবেন নিগার সুলতানারা। লাহোরে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায়।

ছয় দলের টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডকে হারিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আজ ফেভারিট হয়েই নামবেন নিগাররা। দুই দলের শক্তিমত্তা ও পরিসংখ্যানেও এগিয়ে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। আইরিশ মেয়েদের বিপক্ষে ফল হওয়া সাতটি ওয়ানডের ছয়টি জিতেছে বাংলাদেশ।
একমাত্র হারটি এক যুগের বেশি সময় আগের।

গত নভেম্বর-ডিসেম্বরে ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে আয়ারল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করার স্মৃতি নিয়ে আজ মাঠে নামবেন ফারজানা হক-শারমিন আক্তাররা। এই ম্যাচ জিতলে পয়েন্ট টেবিলের অবস্থা আরো শক্ত হবে বাংলাদেশের। থাইল্যান্ডের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জেতায় এখন দ্বিতীয় স্থানে আছেন নিগাররা।

পাচার অর্থ ফেরাতে আপস, তবে লাগবে সঠিক তথ্য : গভর্নর

পাচার হওয়া অর্থ আপসের মাধ্যমে ফেরত আনার বিষয়ে ভাবছে সরকার। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, আপসে যেতে হলে সঠিক তথ্য বের করতে হবে। তথ্যে গরমিল হওয়া যাবে না। যত ভালো তথ্য পাব তত ভালো করব আপস বা আদালতে।

শুক্রবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে চট্টগ্রামে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ কার্যক্রম এবং সমসাময়িক ব্যাংকিং বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ মানিলন্ডারিংয়ে বড় ভিকটিম। আমাদের দেশের ব্যাংকিং খাতে কতিপয় পরিবার বা গোষ্ঠী মানি লন্ডারিং করে সম্পদ চুরি করে বাইরে নিয়ে গেছে। আমরা সেই সম্পদ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর, রোগের উৎপত্তি রোধ করা প্রধান দায়িত্ব। কিন্তু রোগ সারানো হচ্ছে পরে। চুরি হওয়ার পরে বুদ্ধি বাড়িয়ে লাভ নেই। চুরি হওয়ার আগেই ঠেকানোর ব্যবস্থা করতে হবে। ভবিষ্যতে যেন আর কোনোভাবে না হয়।

তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর সব দেশেই আউট অব কোর্ট স্যাটেলমেন্ট বলে একটা কথা আছে। মামলায় সবসময় দীর্ঘসূত্রিতায় যাওয়ার মানে হয় না। কারণ, ভালোভাবে ধরতে পারলে আপসটাও ভালোভাবে হয়। আর সম্পদ শনাক্ত না করতে পারলে আমরা ঠকে যাব। আপসে যেতে হলে সঠিক তথ্য বের করতে হবে। তথ্যে গরমিল হওয়া যাবে না। যত ভালো তথ্য পাব তত ভালো করব আপস বা আদালতে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে গভর্নর বলেন, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার যে উদ্যোগ বাংলাদেশের জন্য এটা একেবারেই নতুন। সিস্টেমেটিকেলি এ ধরনের প্রবলেম আগে ফেইস করিনি, করে থাকলেও এ ধরনের প্রচেষ্টা নেওয়া হয়নি। এই প্রথম আমরা এটা করছি। সেজন্য আমাদের অনেক শিখতে হচ্ছে। এটা তো দেশের আইনে হবে না। বিদেশিদের সঙ্গে আমাকে সংযোগ স্থাপন করতে হবে। তাদের আইনের সঙ্গে সংগতি রেখে কাজ করতে হবে। প্রথম ধাপে চেষ্টা করতে হবে সম্পদগুলো চিহ্নিত করা। সেই ব্যাপারে বিভিন্ন দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলাপ করছি। আইনি সহায়তার জন্য আমরা চিঠি পাঠাচ্ছি। বিভিন্ন ল’ ফার্মের সঙ্গে কথা বলছি, তাদের হয়ত খুব শিগগির হায়ার করব।

তিনি আরও বলেন, আমরা কিছু ফার্মের সঙ্গে কথা বলছি যারা কার সম্পদ কোথায় আছে, তা বের করবে। আমরা যথেষ্ট সহযোগিতা পাচ্ছি বিদেশিদের কাছ থেকে। তারপরও জিনিসটা এত সহজ নয়, সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। আমাদের লক্ষ্য ছয় মাসের মধ্যে বেশ কয়েকটি দেশে সম্পদ শনাক্ত করা। এরপর আদালতে যেতে হয়। কয়েক বছর লেগে যায়।

গভর্নর জানান, চট্টগ্রামের কিছু বড় গ্রুপ অন্তত সোয়া লাখ কোটি টাকা থেকে দেড় লাখ কোটি টাকা নিয়েছে ব্যাংকিং খাত থেকে। আরও কিছু গ্রুপ আছে যারা ২০, ৪০, ৫০ হাজার কোটি টাকা নিয়েছে। আমার ধারণা ছোটগুলো বাদেই বড় গ্রুপগুলোর আড়াই থেকে তিন লাখ কোটি টাকা হতে পারে। সেগুলোও আদায় করতে হবে অর্থঋণ আদালতসহ অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়ায়।

ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে আমাদের মূল দায়িত্ব হচ্ছে সামগ্রিক অর্থনীতিতে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা। আমাদের রিজার্ভ স্থিতিশীল আছে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে। আমাদের রপ্তানি বাড়ছে। বিভিন্ন রকমের গোলযোগ-আন্দোলন সত্ত্বেও রপ্তানি মুখ থুবড়ে পড়েনি, বাড়ছে। ডাবল ডিজিট গ্রোথ দেখতে পাচ্ছি। রেমিট্যান্সের প্রবাহ উৎসাহব্যঞ্জক। এর ধারাবাহিকতা থাকবে বলে আশা করছি। সব মিলিয়ে ম্যাক্রো ইকোনমিক এক্সটারনাল সেক্টরে একটা স্বস্তির জায়গায় আমরা চলে এসেছি। কোনো ধরনের ক্রাইসিস আছে বলে আমি মনে করি না এবং হবে বলে আমি মনে করি না। আমরা একটা সুদৃঢ় অবস্থানে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, মূল্যস্ফীতির ক্ষেত্রে আমাদের প্রচেষ্টা চলমান। খাদ্যে সেপ্টেম্বরে সাড়ে ১৪ শতাংশ, গত মাসে ৮ শতাংশের একটু বেশি আছে। যেটা মোটামুটি সন্তোষজনক। নন ফুড সাড়ে ১২ থেকে কমে এখন সাড়ে ৯ শতাংশে নেমেছে। আমি আশাবাদী, এটা আরও কমবে সামনে। আর সাধারণত খাদ্য মূল্য বাড়লেই নন ফুড মূল্যস্ফীতিও বাড়ে। খাদ্য মূল্য বাড়লে রিকশাভাড়া, বাড়ি ভাড়া, চুল কাটার খরচও বাড়ে। খাদ্য মূল্য কমলে তখন আবার নন ফুড ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। সামগ্রিকভাবে আমরা একটা স্বস্তির জায়গার দিকে যাচ্ছি। জুনের শেষে জুলাই মাসে হয়ত রেজাল্ট পাব। মূল্যস্ফীতি হয়ত ৭-৮ এর মধ্যে রয়েছে। ইনশাআল্লাহ আগামী বছর এটাকে ৫ বা তার নিচে নামিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।

পলিসি রেসপন্সে সময় লাগে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওষুধ দিলেই সব রোগী ভালো হয়ে যায় না, সময় লাগে। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি সব সার যেন সময়মতো আসে। বোরো ধান বুনতে যেন কোনো অসুবিধা না হয় কৃষকের। বিদ্যুতের সরবরাহ যেন বিঘ্নিত না হয়। বৈদেশিক মুদ্রার সংকট থাকা সত্ত্বেও আমরা তা করতে পেরেছি। আমাদের নিজের টাকাতেই করেছি।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান সৌদির

ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করেছে সৌদি আরব। শুক্রবার (১১ এপ্রিল) তুরস্কের আন্তালিয়াতে ‘গাজা যুদ্ধ বন্ধে’ বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান।

তিনি জানান, ফিলিস্তিনের গাজার মানুষকে বেঁচে থাকার ন্যূনতম প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র থেকেও বঞ্চিত করা হচ্ছে। যুদ্ধবিরতি চুক্তির সঙ্গে গাজায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য প্রবেশকে কোনোভাবেই মেলানো যাবে না।
গাজায় যেন কোনো বাধা ছাড়া খাদ্য ও অন্যান্য পণ্য প্রবেশ করে সেটি নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে হামাসের যুদ্ধবিরতি করতে মধ্যস্থতা করছে কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্র। প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান জানিয়েছেন, এ নিয়ে এ দেশগুলোর ওপর তাদের আস্থা আছে এবং তারা এতে সমর্থন জানান।

সম্মেলনে অংশ নেওয়া দেশগুলোর মন্ত্রীরা একটি যৌথ বিবৃতি দেন।
সেখানেও সবাই উল্লেখ করেন গাজা, পূর্ব জেরুজালেম এবং পশ্চিমতীর থেকে কোনো ফিলিস্তিনিকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করাকে প্রত্যাখ্যান করেন তারা। এছাড়া বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বাধীন ফিলিস্তিনি অথরিটির (পিএ) সাথে এ তিনটি অঞ্চলকে একীভূত হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।

এছাড়া ইসরায়েল দখলদার বাহিনী হিসেবে ফিলিস্তিনের দখলকৃত অঞ্চলে যেসব বসতি স্থাপন ও সম্প্রসারণ করছে সেগুলোরও নিন্দা জানিয়েছেন তারা।

প্রসঙ্গত, দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার বলেছেন, গাজাবাসীকে তাদের নিজ ভূমি থেকে সরিয়ে অন্য দেশে নিয়ে যাবেন এবং গাজাকে একটি আধুনিক শহরে পরিণত করবেন।
এবার তাদের এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল সৌদি।

সূত্র : সৌদি গেজেট

রেল হাসপাতালে চিকিৎসা পাবে সাধারণ মানুষও : উপদেষ্টা ফাওজুল কবির

রেল হাসপাতালে রেলকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

শুক্রবার (১১ এপ্রিল) চট্টগ্রাম নগরের সিআরবিতে চট্টগ্রাম রেলওয়ে হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

রেল কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এখন বিভিন্ন বিভাগ বা দপ্তরে আলাদা আলাদা করে কাজ করা যাবে না। সবাই সরকারের হয়ে কাজ করবেন, জনগণের জন্য কাজ করবেন।
আর নতুন ধরনের কোনো স্থাপনা এই মুহূর্তে করা হবে না।

হাসপাতাল পরিচালনা ও সেবার মান বাড়াতে চারটি নির্দেশনা দিয়ে রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, হাসপাতাল পরিচালনার জন্য একটি পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে চিকিৎসক এই হাসপাতালে সংযুক্তি দিতে হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ওষুধ, যন্ত্রপাতি ও খাবার সরবরাহ করবে।
এই ব্যাপারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে রেলপথ মন্ত্রণালয় সমঝোতা স্মারক চুক্তি করবে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিতে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলামকে নির্দেশ দেন উপদেষ্টা।

এর আগে, উপদেষ্টা চট্টগ্রাম রেলওয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও স্থাপনা ঘুরে দেখেন। এরপর হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক, রেলপথ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করেন।
এই সময় কর্মকর্তারা রোগী ভর্তি না হওয়া ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতাসহ হাসপাতাল পরিচালনায় বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা উপদেষ্টার কাছে তুলে ধরেন। তারা উপদেষ্টাকে জানান, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির সংকট রয়েছে। আবার রোগী ভর্তি হলেও কিছু বিধির কারণে সব রোগীকে খাবার সরবরাহ করা যায় না।

পরিদর্শন শেষে উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, হাসপাতালটি ঘুরে দেখলাম। এ ধরনের হাসপাতাল দেশের আরো বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগীর চাপে শয্যা খালি থাকে না। কিন্তু এখানে (রেলওয়ে হাসপাতাল) শয্যাগুলো খালি পড়ে আছে। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে রেলপথ মন্ত্রণালয় সমঝোতা স্মারক চুক্তি করবে। এর আওতায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চিকিৎসক, খাবার, যন্ত্রপাতি ও ওষুধ দেবে।’

রেলওয়ে সূত্র জানায়, রেলওয়ের অধীন ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, পাকশী, লালমনিরহাট ও সৈয়দপুরে রেলওয়ে হাসপাতাল রয়েছে। এসব হাসপাতালে ২৭০টি শয্যা রয়েছে। তবে হাসপাতালগুলো প্রায় সময় রোগী শূন্য থাকে।

৬ ঘণ্টার আড্ডা ও টেইলর সুইফট-এড শিরানের বন্ধুত্ব

টেইলর সুইফটের সঙ্গে দীর্ঘ প্রায় ১০ বছরের বন্ধুত্ব এড শিরানের। সম্প্রতি ‘কল হার ড্যাডি’-তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তার সঙ্গে বন্ধুত্ব নিয়ে অনেক কিছু শেয়ার করেছেন গ্র্যামিজয়ী এই গায়ক-গীতিকার। সেই সঙ্গে ২০১৩ সালের রেড ট্যুরে একসঙ্গে সময় কাটানো এবং দুজনের ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে তারা ঘনিষ্ঠ থাকতে পেরেছিলেন সে সম্পর্কেও স্মৃতিচারণ করেছেন তিনি।

টেইলর সুইফট বর্তমানে ট্র্যাভিস কেলসের সাথে ডেটিং করছেন।
তাতেও শিরানের সঙ্গে দশ বছরে বন্ধুত্বের সম্পর্কে ফাটল ধরেনি টেইলরের। ব্যস্ততা এবং খ্যাতির মধ্যে থাকলেও যোগাযোগের মাধ্যমে দুজনেই সেটা মেইনটেইন করেছেন।

কল হার ড্যাডি পডকাস্টে উপস্থিত হয়ে সুইফটের সঙ্গে ঘনিষ্টতা প্রসঙ্গে এড শিরান বলেন, ২০১৩ সালের রেড ট্যুরের সময় আমাদের একসঙ্গে কাটানো সেই অভিজ্ঞতাগুলো মনে পড়ে।

তিনি জানান যে, বছরের পর বছর তারা ব্যস্ত সময়সূচী এবং কঠোর ক্যারিয়ারের মধ্যেও তাদের বন্ধন বজায় রাখতে পেরেছেন।

বন্ধুত্বের প্রথম দিনগুলো সম্পর্কে বলতে গিয়ে, এড শিরান টেইলর সুইফটের সঙ্গে ভ্রমণে তারা কতটা সময় একসঙ্গে কাটিয়েছেন তা তুলে ধরেন।

‘আমি আক্ষরিক অর্থেই প্রায় ছয় মাস তার সঙ্গে প্রায় প্রতিটি দিন কাটিয়েছি,’ বলেন তিনি। ‘আমি এবং সে ন্যাশভিলে থাকতাম এবং আমরা একসঙ্গে গিগগুলোতে যাতায়াত করতাম।’

সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার সময় তাদের মধ্যে দৃঢ় বন্ধন ছিল, উল্লেখ করেন এড শিরান।
সেই সময়ের পুরানো বার্তা এবং ভয়েস রেকর্ডিংগুলো দেখে তিনি ‘আবেগপ্রবণ’ হয়ে গিয়েছিলেন।

রেড ট্যুর উভয় সঙ্গীতশিল্পীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ছিল এবং তারা যে অভিজ্ঞতাগুলো শেয়ার করেছিলেন তা এখনও শিরানের জন্য অর্থ বহন করে।

আমি মনে করি সেই সময়টাতে, আমি জানি, আমি যখন তাকে দেখি তখন তাকেই দেখি, বললেন এড। তার সঙ্গে আমার বছরে চারবার দেখা হয়। প্রতিবার আমরা যা বলি ঠিক তাই করি, যেমন দুজনের একসঙ্গে বসা, ৬ ঘণ্টার ক্যাচ-আপ ইত্যাদি।
আমি মনে করি এটি সত্যিই একটা চমৎকার উপায়।

শিরান প্রায়শই তাদের সম্পর্ক কতটা সহজ এবং অকৃত্রিম তা তুলে ধরেন। যদিও তারা এখন ভিন্ন শহরে বাস করে এবং তাদের দুজনেরই ব্যস্ততা রয়েছে, তবুও তারা সাক্ষাতের জন্য সময় বের করে নেয়, প্রায়শই যখনই তারা পুনরায় মিলিত হয় তখন ঘন্টার পর ঘন্টা কথোপকথনে সময় পার করেন।

এই আলোচনাগুলোকে থেরাপিউটিক হিসাবে বর্ণনা করে শিরান বলেছেন যে, টেইলর হলেন সেই কয়েকজনের মধ্যে একজন যারা সত্যিই তাদের সাফল্যের সঙ্গে আসা চাপ এবং বিচ্ছিন্নতা বোঝেন।

তাদের বন্ধুত্ব কেবল আড্ডা দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। টেইলর-শিরান ‘এভরিথিং হ্যাজ চেঞ্জড’, ‘এন্ড গেম’ এবং ‘দ্য জোকার অ্যান্ড দ্য কুইন’ এর মতো বেশ কয়েকটি গানে একসঙ্গে কাজ করেছেন। এই প্রজেক্টগুলো তাদের সৃজনশীল রসায়ন এবং একে অপরের শৈল্পিকতার প্রতি আস্থা প্রতিফলিত করে।

এর বাইরে শিরান সুইফটের কাজের নীতির প্রশংসাও করেছেন, তাকে তার পরিচিত সবচেয়ে প্রতিভাবান ব্যক্তিদের একজন বলেও অভিহিত করেছেন।

বাংলাদেশের হয়ে খেলতে রাজি কানাডার মিডফিল্ডার সামিতও

হামজা চৌধুরী অভিষেকের পর থেকেই জাতীয় দলের হয়ে খেলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন একাধিক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলার। কানাডিয়ান ফুটবলার সামিত সোমও তাদের মধ্যে একজন। সামিত শুধু আগ্রহ প্রকাশ করেই নিজের কাজ শেষ করেননি, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে বাফুফেকে সব ধরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতেও জানিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশের হয়ে সামিত যে খেলতে রাজি হয়েছেন তা আজ নিশ্চিত করেছেন বাফুফের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম।
বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘সামিত আমাদের জানিয়েছে সে বাংলাদেশের হয়ে খেলতে চায়। এখন পাসপোর্ট করতে কোন প্রক্রিয়ায় এগোতে হবে, কত দিন লাগবে এসব জানতে চেয়েছে সে। সামিত বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচগুলোর বিষয়ে আমাদের থেকে জানতে চেয়েছে।’

বাংলাদেশের হয়ে খেলবেন কিনা তা জানানোর জন্য এর আগে বাফুফের কাছে সময় চেয়েছিলেন সামিত।
এপ্রিলে জানানোর কথা ছিল বলেই তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন ফাহাদ করিম। বাংলাদেশের জার্সিতে তাকে দেখা যাবে এমন আশা করে বাফুফের সহ-সভাপতি বলেছেন, ‘কয়েক ঘণ্টা পর বিস্তারিত আলোচনা হবে। তিনি যেহেতু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমরা আশা করি বাংলাদেশের জার্সিতে তাকে দেখতে পারব।’

সামিতের জন্ম কানাডায় হলেও তার বাবা-মা বাংলাদেশি।
ফিফার সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ২৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডারের তাই বাংলাদেশের হয়ে খেলতে কোনো সমস্যা হবে। সব ধরণের আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত শেষ করতে পারলে আগামী ১০ জুন সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে তাকে দেখা যেতে পারে।

বাংলাদেশের জার্সিতে খেলতে চাওয়ার আগেই অবশ্য কানাডার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন সামিত। ২০২০ সালে কানাডার জার্সিতে দুটি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। এর আগে অনূর্ধ্ব-২০ ও ২১ দলের হয়ে খেলেছেন সামিত।
বর্তমানে কানাডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের দল কালাভরি এফসিতে খেলছেন তিনি।

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প

রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার বিকেল ৪টা ৫২ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ গোলাম মোস্তফা।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে,রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪। এটি হালকা ভূমিকম্প। এর উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে।

ভারতের ভূমিকম্প গবেষণা সংস্থা ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ০।
উৎপত্তিস্থলে ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।

দক্ষিণ কোরিয়ায় দাবানল নিয়ন্ত্রণে সামরিক হেলিকপ্টার মোতায়েন

দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মাঝখানে থাকা বাফার জোন বা ডিমিলিটারাইজড জোনে ছড়িয়ে পড়া দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী। আজ শুক্রবার (১১ এপ্রিল) সিউল জানায়, আগুন নেভাতে সামরিক হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে।

গত মাসে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানলে ৩০ জনের বেশি প্রাণ হারানোর পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দেশটির জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার গ্যাংওন প্রদেশের গোসিওং এলাকায় বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে আগুন লাগে।
আগুন লাগার কারণ এখনো জানা যায়নি।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দক্ষিণ কোরিয়া ফরেস্ট সার্ভিসের দুইটি হেলিকপ্টার আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব স্পষ্টভাবে পড়ছে দক্ষিণ কোরিয়ায়।
চলতি বছর দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গড়ের চেয়ে অনেক কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। অতিরিক্ত গরম ও শুষ্ক আবহাওয়া দাবানল ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

১৯৫০-৫৩ সালে একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে কোরিয়া যুদ্ধ শেষ হলেও শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর হয়নি। তাই আজও দুইটি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধে রয়েছে।

সূত্র : এএফপি

চীনা পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বেড়ে ১৪৫ শতাংশ

চীনা পণ্য আমদানিতে আরো শুল্ক বাড়াল যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, বেশিরভাগ চীনা পণ্যের উপর তাদের শুল্ক হার বাড়িয়ে ১৪৫ শতাংশ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ওয়াশিংটন এবং বেইজিংয়ের মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধ আরো গভীর হলো। খবর এএফপির।

খবরে বলা হয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক আগামী তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হলেও এই তালিকা থেকে বাদ পড়েছে চীন। বরং চীনের বিরুদ্ধে নতুন করে শুল্ক বাড়িয়ে এর পরিমাণ ১২৫ শতাংশ করা হয়েছে বলে বুধবার ঘোষণা দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

কিন্তু বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের একটি নথিতে চীনা পণ্যকে লক্ষ্য করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের উচ্চ শুল্ক আরোপের নতুন তথ্য পাওয়া গেছে। এতে দেখা গেছে, চীনের ওপর ওয়াশিংটন শুল্ক বাড়িয়ে একেবারে ১৪৫ শতাংশ করেছে।
হোয়াইট হাউসের নথিতে চীনের বিরুদ্ধে উচ্চ শুল্কের এই তথ্য নিশ্চিত হয়েছে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি।

প্রথম দফায় ১২৫ শতাংশ করা হলেও হোয়াইট হাউসের নথিতে চীনা পণ্যের মার্কিন আমদানির ওপর পূর্বের আরোপিত অতিরিক্ত আরো ২০ শতাংশ জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে চীনের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের হার ১৪৫ শতাংশে পৌঁছেছে।

চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানান, ট্রাম্প যদি তার এই ‘‘অপমানজনক’’ শুল্ক নীতি জারি রাখেন, তাহলে চীনও ‘‘শেষ পর্যন্ত’’ লড়াই করবে।
৯ এপ্রিল মার্কিন পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ৮৪ শতাংশে উন্নীত করে চীন।

চলতি বছর মার্চে প্রথমবার চীনের সব ধরনের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক আরোপ করেন ট্রাম্প। পরে ২ এপ্রিল এক ঘোষণায় জানান, চীনের ওপর ধার্যকৃত শুল্ক ৩৪ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে।

এদিকে শুল্ক যুদ্ধের মধ্যেই চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আগামী সপ্তাহে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফরে যাচ্ছেন। শি’র সফর ১৪ এপ্রিল ভিয়েতনামে শুরু হওয়ার কথা।
এরপর তিনি মালয়েশিয়া এবং কম্বোডিয়া সফর করবেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ভিয়েতনাম এবং কম্বোডিয়ায় যথাক্রমে ৪৬% এবং ৪৯% শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন, যদিও পরে তিনি ৯০ দিনের জন্য শুল্ক আরোপ স্থগিত রাখেন।

শি’র তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আমন্ত্রণ জানানো মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এর আগে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে মার্কিন আমদানি করের বিরুদ্ধে ‘একত্রে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর’ আহ্বান জানিয়েছিলেন।

বাংলাদেশে ব্যবসার সম্ভাবনা খুঁজছে পাকিস্তানের এনগ্রো

পাকিস্তানের এনগ্রো হোল্ডিংসের সিইও আব্দুল সামাদ দাউদ বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তাদের আলোচনার মূল বিষয় ছিল বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা।

সাক্ষাতকালে এনগ্রো সিইও বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ ও জ্বালানি খাতে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং কম্পানির কার্যক্রম প্রসারের ইচ্ছা জানান।

সামাদ দাউদ বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের সম্ভাবনা নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী।
পাশাপাশি ভোলার গ্যাস সরবরাহের মাধ্যমে শিল্পখাতের বিকাশে অংশগ্রহণের সুযোগও আমরা দেখছি।’

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এই আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে টেকসই এবং ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা এমন দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পে মনোযোগ দিতে চাই, যা আমাদের মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।’

বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলনে যোগ দিতে আসা দাউদ চারদিনব্যাপী এই সম্মেলনের প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, ‘বিডা সামিটে এক মানবিক ছোঁয়া ছিল— এটি আন্তরিক, স্বাগতপূর্ণ এবং লক্ষ্যনির্ভর মনে হয়েছে। এক ছাদের নিচে এত শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিকে দেখে আমি অভিভূত।’

অধ্যাপক ইউনূস এনগ্রোর নেতৃত্বকে বাংলাদেশে আবার আসার আমন্ত্রণ এবং বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার সুযোগ দেখার আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি আপনাকে আবার আসার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
বাংলাদেশ অনেক কিছু দিতে পারে— শুধু বিনিয়োগকারীদেরই নয়, পুরো বিশ্বকে।’

সাক্ষাতকালে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজউদ্দিন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।