মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬

শ্রমিকদের বেতন-বোনাস ঈদের ছুটির আগেই পরিশোধের নির্দেশ

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, দেশের সব শিল্প কারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস অবশ্যই ঈদের ছুটির আগেই পরিশোধ করতে হবে।

কোনো অবস্থাতেই যেন শ্রমিকদের প্রাপ্য পাওনা নিয়ে কোনো জটিলতা সৃষ্টি না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) ঢাকায় বেইলি রোডে শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সরকারি বাসভবনের অফিস কক্ষে আরএমজি ও নন-আরএমজি সেক্টরে শ্রম অসন্তোষ নিরসনে করণীয় নির্ধারণে উচ্চ পর্যায়ের সভায় শ্রমমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শনিবার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

তিনি আরো বলেন, সংশ্লিষ্ট সংসদীয় এলাকা ভিত্তিক ঝুঁকিপূর্ণ কারখানার তালিকা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদের নিকট প্রদান করা হবে। সংসদ সদস্যরা সরাসরি কারখানা কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে বকেয়া বেতন ও বোনাস দ্রুত পরিশোধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও ইউসিবিএল, ট্রাস্ট ও প্রিমিয়ার ব্যাংকসহ যেসব ব্যাংক লোন প্রদানে গড়িমসি করছে, তাদের সাথে যোগাযোগ করে দ্রুত ঋণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

মন্ত্রী আরো উল্লেখ করেন, যেসব শ্রমিক নেতা শ্রমিকদের অহেতুক উত্তেজিত করে শিল্প খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, তাদের বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং প্রশাসনের সজাগ দৃষ্টি রাখতে অনুরোধ করেন।

পাশাপাশি পলাতক মালিকদের এবং তাদের প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, এসব কারখানায় যেন কোনো ধরনের গণ্ডগোল বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে ব্যাপারে সকলকে সচেষ্ট থাকতে হবে।

সবশেষে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন যে, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী যেকোনো সহযোগিতার জন্য সদা প্রস্তুত রয়েছে। তিনি দৃঢ়ভাবে শ্রমিক স্বার্থ রক্ষায় সব সময় পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদি আমিন বলেন, আমরা সরকার গঠনের ১৮০ দিনের মধ্যে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বন্ধ কারখানাগুলো চালু করে ফেলবো। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশনা রয়েছে কঠোর নজরদারির মাধ্যমে শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানে কাজ করার।

বিজিএমইএ-র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামে চালু আছে ২১২৭টি কারখানা যার ১৯৬৪টি (৯২.৩৪%) কারখানা ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধ করেছে এবং ১৫৩৫টি (৭২.১৭%) কারখানা ঈদের বোনাস পরিশোধ করেছে।

তিনি আরো বলেন, মার্চ মাসের বেতন পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক না, যাদের সামর্থ্য আছে তারা দিবে কিন্তু মার্চ মাসের বেতন পরিশোধের জন্য শ্রমিকদের অনেকেই উসকে দিচ্ছে।

বিকেএমইএ-র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, দেশের ৮৩৪ কারখানার মধ্যে ৫১২ টি কারখানা ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন দিয়েছে এবং ৬০৪ টি কারখানা ঈদের বোনাস পরিশোধ করেছে। তিনি আরো বলেন, যেহেতু অধিকাংশ কারখানা বেতন-বোনাস পরিশোধ করেছে আমরা আশা করি কোনো ধরনের শ্রমিক অসন্তোষ তৈরি হবে না।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার বলেন, আপদকালীন ফান্ড করতে পারলে সেই অর্থ দিয়ে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস নিয়ে সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করা সম্ভব হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন, ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য মো. তমিজ উদ্দিন এবং গাজীপুর জেলার সংসদ সদস্যবৃন্দ- মো. মজিবুর রহমান (গাজীপুর-১), এম মনজুরুল করিম রনি (গাজীপুর-২), এস এম রফিকুল ইসলাম (গাজীপুর-৩), এবং ফজলুল হক মিলন (গাজীপুর-৫) সহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

ঈদ ফিরতি ট্রেনের দ্বিতীয় দিনের টিকিট পাওয়া যাবে আজ

পবিত্র ঈদুল ফিতরের উৎসব শেষে ঘরমুখো মানুষের ফিরতি যাত্রার জন্য ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির দ্বিতীয় দিন শনিবার (১৪ মার্চ)। আজ পাওয়া যাবে আগামী ২৪ মার্চের ট্রেনের আসনের টিকিট।

বরাবরের মতো এবারও আন্তঃনগর ট্রেনের সাত দিনের অগ্রিম টিকিট বিশেষ ব্যবস্থায় বিক্রি করা হচ্ছে। যাত্রীদের সুবিধার্থে শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

সকাল ৮টা থেকে অনলাইনে বিক্রি শুরু হবে এসব টিকিট। এ সময় পাওয়া যাবে রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের টিকিট। অন্যদিকে দুপুর ২টা থেকে বিক্রি শুরু হবে পূর্বাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের অগ্রিম টিকিট।

সম্প্রতি রাজধানীর রেল ভবনে ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বিশেষ ট্রেনযাত্রার প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৩ মার্চের টিকিট বিক্রি হয়েছে গত ১৩ মার্চ। এছাড়া ২৫ মার্চের টিকিট ১৫ মার্চ, ২৬ মার্চের টিকিট ১৬ মার্চ, ২৭ মার্চের টিকিট ১৭ মার্চ, ২৮ মার্চের টিকিট ১৮ মার্চ এবং ২৯ মার্চের টিকিট ১৯ মার্চ বিক্রি করা হবে।

আরও সিদ্ধান্ত হয়েছে, চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিট বিক্রি করা হবে। যাত্রীদের অনুরোধে নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশ দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট যাত্রা শুরুর আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট একজন যাত্রী সর্বোচ্চ একবার কিনতে পারবেন। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চারটি আসন সংগ্রহ করা যাবে। কোনো টিকিট রিফান্ড করা হবে না।

মির্জা আব্বাস ভাইয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন: মির্জা ফখরুল

ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার মস্তিষ্কে দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। তার অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে বলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) ভোরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তার জন্য দোয়া চেয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ফেসবুকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী লিখেছেন, ‘আপনাদের সবার দোয়ায় বরেণ্য রাজনীতিবিদ মির্জা আব্বাস এমপি’র দুটো অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। আব্বাস ভাইয়ের পরিপূর্ণ সুস্থতার জন্য সবাই দোয়া করবেন।’

এর আগে, গতকাল রাতে শুক্রবার (১৩ মার্চ) স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান অসুস্থ মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে যান।

প্রসঙ্গত, উন্নত চিকিৎসার জন্য গতকাল সন্ধ্যায় এই বিএনপি নেতাকে সিঙ্গাপুর নেওয়ার কথা ছিল। তবে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দেশেই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিকেল ৩টার পর তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। সন্ধ্যার আগেই প্রথম দফায় তার অপারেশন সম্পন্ন হয়। এরপর তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। সন্ধ্যার পর আবারও দ্বিতীয় দফায় তার অস্ত্রোপচার হয়।

এর আগে জুমার নামাজের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এভারকেয়ার হাসপাতালে আসেন। মেডিকেল বোর্ডের পক্ষ থেকে তাকে বিস্তারিত অবহিত করা হয়।

উল্লেখ্য, গত বুধবার রাতে অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে মির্জা আব্বাসকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিএনপির এ নেতার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডে অধ্যাপক আলী উজ্জামান জোয়ার্দার, অধ্যাপক কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদার, অধ্যাপক রাজিউল হক, সৈয়দ অধ্যাপক সাঈদ আহমেদ, অধ্যাপক কাদের শেখ, অধ্যাপক শফিকুল ইসলামসহ এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকরা রয়েছেন।

মির্জা আব্বাসের কিছু হলে ৮০ শতাংশ দায়ী থাকবেন পাটওয়ারী: মেঘনা আলম

‘মির্জা আব্বাসের কিছু হলে তার ৮০ পারসেন্ট দায়ী পাটওয়ারীর অনিয়ন্ত্রিত কথাবার্তা’–বলে মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী ও বিগত নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের এমপি প্রার্থী মেঘনা আলম।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করা পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, ‘মির্জা আব্বাস সাহেব যখন আমার লিফলেট গ্রহণ করেন, উনি একজন বয়স্ক সিনিয়র নেতা চেয়ার সরিয়ে দাড়িয়ে গ্রহণ করেন। ওনার ভদ্রতা, শিষ্টাচারিতা কতখানি তখন বুঝতে পারি। আমি নতুন, নারী, কম বয়সী, কিংবা ভোটের দৌড়ে অনেক মাসল পাওয়ার নিয়ে আসা কেউ না, কিন্তু আমার প্রতিও শ্রদ্ধা দেখাতে হবে এই বোধ ওনার ছিল।’

অভিনেত্রী আরও বলেন, মির্জা আব্বাস নিজেই একসময় তাকে জানিয়েছিলেন যে তার বিরুদ্ধে দুই শতাধিক মামলা রয়েছে। সেই সময় তিনি তাকে সাহস দিয়ে বলেন, পপুলার মানুষের বিরুদ্ধে একটি ভুয়া মামলায় ভেঙে পড়ার কিছু নেই।

এমনকি সম্প্রতি পাটোয়ারির একটি মন্তব্যে মির্জা আব্বাসের ছেলেকে জড়িয়ে কথা বলার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি। মেঘনা আলম বলেন, সন্তানের বিষয়টি মানুষের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই এ ধরনের মন্তব্য করা ঠিক হয়নি।

শেষে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, মির্জা আব্বাস দ্রুত সুস্থ হয়ে ফিরবেন। তবে তার কিছু হলে পাটওয়ারীর অনিয়ন্ত্রিত বক্তব্যকে বড় কারণ হিসেবে ধরা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শামা ওবায়েদের নাম ব্যবহার করে তদবির বন্ধে দুই উপজেলায় সতর্কতা জারি

ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা–সালথা) আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম তাঁর নাম ব্যবহার করে কেউ যেন কোনো ধরনের অনৈতিক সুবিধা নিতে না পারে—এ বিষয়ে দুই উপজেলার সরকারি দপ্তরগুলোকে সতর্ক থাকতে নির্দেশনা দিয়েছেন। এ লক্ষ্যে সরকারি প্যাডে আনুষ্ঠানিক সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) জারি করা ওই নির্দেশনায় নগরকান্দা ও সালথা উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সরকারি অফিসে মন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে কেউ ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে—এমন অভিযোগ পাওয়ায় সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হচ্ছে। এ ধরনের কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ না দিতে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, কোনো ব্যক্তি যদি তার নাম ব্যবহার করে সুপারিশ, তদবির বা বিশেষ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে তা গুরুত্বসহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নগরকান্দা ও সালথা উপজেলার প্রশাসনিক, আইনশৃঙ্খলা ও বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছেও এই সতর্কবার্তার অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, মৎস্য কর্মকর্তা, সমাজসেবা কর্মকর্তা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, অফিসার ইনচার্জ (ওসি), প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, এলজিইডি প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী, নির্বাচন কর্মকর্তা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, খাদ্য নিয়ন্ত্রক, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা, ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা, পোস্টমাস্টার, সাব-রেজিস্টার, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএমসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা রয়েছেন।

এ বিষয়ে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, “আমার নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন জায়গায় অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাই সাধারণ মানুষকে হয়রানি বা বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করতে এ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সবাইকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে। কেউ যদি তার নাম ভাঙিয়ে কোনো ধরনের সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ারও অনুরোধ জানান তিনি।

এ নির্দেশনা জারির মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সোনার পর কমল রুপার দামও

দেশের বাজারে রুপার দাম আরেক দফা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২৯২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি রুপার (পিওর সিলভার) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম পড়বে ৬ হাজার ৬৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৭৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে সবশেষ গত ১২ মার্চ সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। সে সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

এদিকে, ভরিতে ২ হাজার ৬৮৩ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা নির্ধারণ করেছে বাজুস। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ৩৬৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অ্যাথলেট মিমু আর নেই

জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত অ্যাথলেট, বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য এবং বিকেএসপির সাবেক উপ-পরিচালক (প্রশিক্ষণ) শামিমা সাত্তার মিমু আর নেই।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত ১১টার দিকে ঢাকায় নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

দীর্ঘ কর্মজীবনে শামিমা সাত্তার মিমু একাধারে প্রতিভাবান অ্যাথলেট, দক্ষ প্রশিক্ষক, বিচক্ষণ সংগঠক ও ক্রীড়া প্রশাসক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। দেশের অ্যাথলেটিক্সকে এগিয়ে নিতে তিনি যেমন মাঠে লড়েছেন, তেমনি প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনেও ছিলেন সক্রিয় ও আন্তরিক।

অ্যাথলেটিকসে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০০০ সালে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতি ও বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন থেকে সেরা অ্যাথলেটের সম্মাননা পান। ক্রীড়াবিদ ও সংগঠক হিসেবে ‘অনন্যা শীর্ষ দশ’ সম্মাননা, কবি নূরল আমিন স্বর্ণপদক এবং বাংলাদেশ নারী উদ্যোগ কেন্দ্রের স্বর্ণপদকও অর্জন করেন তিনি।

তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, কর্মকর্তা, কোচ ও অ্যাথলেটসহ সংশ্লিষ্ট সবাই গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি বাত ও হৃদরোগজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী দিনাজপুরে বাবার কবরের পাশেই তাকে দাফন করা হবে।

ঈদে আসছে শাকিব খানের ‘প্রিন্স’, টিজারে অ্যাকশন ঝড়

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘প্রিন্স’–এর টিজার প্রকাশ করা হয়েছে। টিজার প্রকাশের পর থেকেই ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অ্যাকশনঘন এই টিজার দেখে অনেকেই মনে করছেন, ঈদুল ফিতরে বড় পর্দায় ঝড় তুলতে প্রস্তুত হচ্ছেন ঢালিউডের এই তারকা।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টিজার প্রকাশ করে শাকিব খান লিখেছেন, ‘আমার সঙ্গে যে ধান্দা করবে তার জন্য মিষ্টি, আর শত্রুর সঙ্গে যে ধান্দা করবে তার জন্য বুলেটের বৃষ্টি!’

টিজারে নব্বই দশকের ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড ঘিরে গল্পের আভাস পাওয়া গেছে। রহস্যময় চরিত্রে শাকিব খানের নতুন লুক ও অ্যাকশন দৃশ্য দর্শকদের আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়েছে।

সিনেমার কারিগরি দিকেও রয়েছে চমক। ভারতের আলোচিত চলচ্চিত্র ‘এনিমেলের’ সিনেমাটোগ্রাফার অমিত রায় ‘প্রিন্স’-এর ক্যামেরার দায়িত্ব সামলেছেন।

এ ছবিতে শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিন এবং কলকাতার একজন অভিনয়শিল্পী। ফলে দুই বাংলার শিল্পীদের উপস্থিতিতে সিনেমাটি নিয়ে আগ্রহ আরও বেড়েছে।

ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড ফিল্মসের প্রযোজনায় নির্মিত এই ছবিটি ঈদুল ফিতরে মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে। টিজার প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটির ফার্স্টলুক পোস্টার ও অ্যাকশন দৃশ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

ঈদে নারায়ণগঞ্জে যাত্রা শুরু করছে স্টার সিনেপ্লেক্স

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সিনেমা যেমন বদলাচ্ছে তেমনি বদলাচ্ছে সিনেমা দেখার মাধ্যমও। প্রযুক্তির সুবাদে নানারকম মাধ্যম হাতের কাছে আসছে। তবে যত কিছুই হোক না কেন সিনেমার আসল মাধ্যম বড় পর্দাই। সিনেমায় যেমন নতুনত্ব আসছে, একইভাবে নতুনত্ব আসছে সিনেমা হলেও।
নানামুখী সংকটের কারণে একদিকে পুরনো অনেক সিনেমা হল বন্ধ হচ্ছে, অন্যদিকে একের পর এক মাল্টিপ্লেক্স চালু হচ্ছে। দর্শকরাও দারুণভাবে গ্রহণ করছেন মাল্টিপ্লেক্স সিনেমা হলগুলোকে। দর্শকদের এই চাহিদা পূরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে স্টার সিনেপ্লেক্স। এর ধারাবাহিকতায় ঈদুল ফিতরে ঢাকার অদূরবর্তী শহর নারায়ণগঞ্জে আরো একটি নতুন শাখা চালু করতে যাচ্ছে তারা।
ঈদের দিন এই শাখার উদ্বোধন হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

নারায়ণগঞ্জের জালকুঁড়িতে অবস্থিত সীমান্ত টাওয়ারে স্থাপিত হয়েছে এই মাল্টিপ্লেক্স। ৩টি হল রয়েছে এখানে। যার মধ্যে দু’টি হলের প্রতিটিতে ১৭৮ আসন এবং ১টি হলে থাকছে ৭৫টি আসন।
নান্দনিক পরিবেশ, সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসংবলিত সাউন্ড সিস্টেম, জায়ান্ট স্ক্রিনসহ বিশ্বমানের সিনেমা হলের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা নিয়ে হলগুলো নির্মিত হয়েছে বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির মিডিয়া ও মার্কেটিং বিভাগের এজিএম মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য এটা আমাদের ঈদ উপহার। বিশেষ করে সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের জন্য এবারের ঈদে এটা বাড়তি আনন্দ যোগ করবে বলে মনে করি।’

তার মতে, ‘চলচ্চিত্র শিল্প উন্নয়নে ভালো ভালো সিনেমা যেমন প্রয়োজন তেমনি ভালো সিনেমা হলও প্রয়োজন। দর্শকরা আমাদেরকে গ্রহণ করেছেন বলে আমরা ক্রমান্বয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি।
এই বছরের মধ্যে আমাদের আরো কিছু শাখা চালুর প্রস্তুতি চলছে। বড় শহরগুলোর পর পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও স্টার সিনেপ্লেক্সকে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’

ঈদে যান চলাচল নিয়ে ডিএমপির জরুরি বার্তা

ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) এই বিজ্ঞপ্তি দেয় ডিএমপি।

আসন্ন ঈদযাত্রায় ঘরমুখী মানুষের যাত্রা সুগম করার জন্য নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলো অনুসরণ করার জন্য নগরবাসীসহ সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হলোঃ

(১) আগামী ১৭-০৩-২০২৬ তারিখ থেকে ২৩-০৩-২০২৬ তারিখ পর্যন্ত মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরী চলাচল বন্ধ রাখতে হবে (তবে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য-দ্রব্য, পচনশীল দ্রব্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ঔষধ, সার এবং জ্বালানি বহনকারী যানবাহনসমূহ এর আওতামুক্ত থাকবে।)

(২) আগামী ১৬-০৩-২০২৬ তারিখ হতে ঈদ যাত্রা সংশ্লিষ্ট যানবাহনের চলাচল সুগম করার জন্য জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মহানগরের অন্যান্য যানবাহন সমূহকে নিম্নেবর্ণিত সড়ক সমূহ পরিহার করে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করা হলো:

ক) ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক (কুড়িল টু আব্দুল্লাহপুর)
খ) ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক (গুলিস্তান টু সাইনবোর্ড)
গ) ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক/ মিরপুর রোড: (আড়ং ক্রসিং টু আমিনবাজার)
ঘ) ঢাকা-কেরানীগঞ্জ সড়ক (ফুলবাড়িয়া টু তাতিবাজার টু বাবুবাজার ব্রীজ)
ঙ) ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক (গুলিস্তান টু বুড়িগঙ্গা ব্রীজ)
চ) মোহাম্মদপুর বসিলা ক্রসিং হতে বসিলা ব্রীজ পর্যন্ত সড়ক
ছ) আব্দুল্লাহপুর টু ধউর ব্রীজ সড়ক
জ) ফুলবাড়িয়া টু সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল সড়ক

(৩) গণপরিবহন মালিক ও শ্রমিকগণকে নিম্নে উল্লিখিত বিষয়গুলো অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো:

ক. আন্তঃজেলা বাসসমূহকে টার্মিনালের ভিতরে যাত্রী উঠিয়ে সরাসরি গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা করতে হবে; কোন অবস্থাতেই টার্মিনালের বাহিরে সড়কের ওপরে বাস দাঁড় করানো যাবে না।

খ. অনুমোদিত বাস কাউন্টার/স্টপেজ ব্যতীত রাস্তায় দাঁড়িয়ে যাত্রী উঠানো ও নামানো যাবে না।
গ. ঢাকা মহানগরীতে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার রাস্তাসমূহে কোনভাবেই বাস পার্কিং করা যাবে না।
ঘ. বিআরটিসি’র বাস সংশ্লিষ্ট ডিপো হতে বাহির হয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের জেলাসমূহে গমন করবে, কোন ক্রমেই ঢাকা মহানগরী ক্রস করতে পারবে না (যেমন- কল্যাণপুর ও গাবতলী টার্মিনালের বাস ডিপো হতে সরাসরি রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দিকে চলে যাবে, তদ্রুপ ফুলবাড়িয়া ও কমলাপুর ডিপো হতে বাস সরাসরি চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দিকে চলে যাবে, ইত্যাদি।)
ঙ. বাস যাত্রার শিডিউল অনুযায়ী টার্মিনাল হতে বাস ছাড়তে হবে।

চ. যাত্রীদের নিকট হতে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না।
ছ. যাত্রীদের সাথে দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করা যাবে না।
জ. একই সিটের টিকেট একাধিক যাত্রীর নিকট বিক্রয় করা যাবে না।
ঝ. বাসের সিট ব্যতীত বাসের ছাদে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা যাবে না।

ঞ. গতিসীমা মেনে গাড়ি চালাতে হবে। বেপরোয়া ও অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না।
ট. ওভারটেকিং নিষিদ্ধ এলাকা, রাস্তার বাঁক ও সরু ব্রিজে ওভারটেকিং করা যাবে না।
ঠ. নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করে, ঘুমঘুম ভাব ও শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে গাড়ি চালানো যাবে না।
ড. বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ও হালনাগাদ কাগজপত্র ছাড়া গাড়ি চালানো যাবে না।

ঢ. বাস চালানো অবস্থায় মোবাইল ফোন বা হেডফোন ব্যবহার করা যাবে না এবং বাসে উচ্চস্বরে গান বাজানো যাবে না।
ণ. উল্টো রাস্তায় বাস চালানো যাবে না।
ত. ড্রাইভিং লাইসেন্সের বৈধতা যাচাই করে বাস চালক নিয়োগ করতে হবে।
থ. মালিক কর্তৃক চালককে একটানা ৫ ঘণ্টা ও দিনে ৮ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালাতে বাধ্য করা যাবে না।
দ. ফিটনেসবিহীন, যান্ত্রিক ত্রুটিযুক্ত, কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী ও লক্কড়-ঝক্কর গাড়ি রাস্তায় নামানো যাবে না।

(৪) যাত্রী সাধারণ এবং পথচারীগণকে নিম্নে বর্ণিত বিষয়গুলো অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো :

ক. সড়কে বিভিন্ন জায়গায় যত্রতত্র দাঁড়িয়ে বাসে উঠা যাবে না, নির্দিষ্ট টার্মিনাল/কাউন্টারে গিয়ে বাসে উঠতে হবে।
খ. অপরিচিত কারো দেওয়া কোন খাবার বা পানীয় গ্রহণ করা যাবে না।
গ. ভ্রমণকালে মালামাল নিজ হেফাজতে/দায়িত্বে রাখতে হবে।
ঘ. বাস যাত্রার নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই কাউন্টার/ টার্মিনালে হাজির হতে হবে।
ঙ. রাস্তা পারাপারে ফুট ওভারব্রিজ/ আন্ডারপাস/জেব্রাক্রসিং অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে।
চ. চলন্ত গাড়িতে ওঠানামা করা এবং পণ্যবাহী মোটরযানে যাত্রী হয়ে যাতায়াত করা যাবে না।
ছ. দৌড়ে বা মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে রাস্তা পারাপার হওয়া যাবে না।
জ. ফুটপাত দিয়ে চলাচল করতে হবে।

বি:দ্র: জরুরি প্রয়োজনে টার্মিনালের পুলিশ কন্ট্রোল রুম বা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর- ৯৯৯ এ যোগাযোগ করতে হবে।

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বিপুলসংখ্যক মানুষ ঢাকা মহানগর হতে দেশের বিভিন্ন জেলায় গমন করবেন। পবিত্র ঈদের সময় সাধারণত প্রায় দেড় কোটির অধিক মানুষ ঢাকা মহানগর ত্যাগ করেন এবং প্রায় ৪০ (চল্লিশ) লক্ষাধিক মানুষ অন্যত্র হতে ঢাকায় প্রবেশ করেন। ঘরমুখো মানুষের ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন ও আনন্দময় করার নিমিত্তে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চলমান রয়েছে।