মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

রহস্য উন্মোচন করতে গলানো হবে ১৫ লাখ বছরের পুরনো বরফ

যুক্তরাজ্য ১৫ লাখ বছরেরও বেশি পুরনো বরফস্তরের মূল থেকে বরফ সংগ্রহ করতে পেরেছে। এই বরফ গলিয়ে পৃথিবীর অতীত জলবায়ু সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। স্বচ্ছ, কাচের মতো দেখতে সংগৃহীত বরফ অ্যান্টার্কটিকার বরফস্তরের গভীর থেকে ড্রিল করে সংগ্রহ করা হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই বরফে থাকা ধূলিকণার ঘনত্বের বিশ্লেষণ থেকে বোঝা যাবে কিভাবে অতীতে অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলতে শুরু করেছিল এবং তা সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতায় কী প্রভাব ফেলেছিল—যা আজকের জন্য একটি বড় উদ্বেগের বিষয়।

২.৮ কিলোমিটার বরফ উত্তোলন করা হয়েছে। আটটিরও বেশি লম্বা বরফ টুকরো স্তূপ করে রাখা হয়েছে

বিবিসি নিউজ কেমব্রিজের ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভেতে (বিএএস) মাইনাস ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের হিমঘরের ভেতরে গিয়ে মূল্যবান বরফের বাক্সগুলো দেখেছে। এই হিমঘরে প্রবেশের আগে জরুরি নির্গমন টানেলসহ কঠোর সতর্কবার্তা, পোশাক ও সময়সীমা মেনে চলতে হয়। হিমঘরে ঢুকতে গিয়ে সাংবাদিকদের ক্যামেরার শাটার পর্যন্ত বরফে জমে গিয়েছিল।
নিয়ম অনুসারে, মাত্র ১৫ মিনিটের জন্য পোশাক, বুট, টুপি এবং গ্লাভস পরে ভেতরে প্রবেশ করতে হয়।

গবেষণার প্রধান বিএএস-এর ড. লিজ থমাস বলেন, ‘এটি (সংগৃহীত বরফ) আমাদের পৃথিবীর ইতিহাসের এক সম্পূর্ণ অজানা সময়কাল।’ থমাস সবচেয়ে পুরনো বরফ টুকরাগুলোর দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, এগুলোর বয়স হতে পারে ১৫ লাখ বছর। বরফটি এতটাই স্বচ্ছ যে তার ভেতর দিয়ে হাত পর্যন্ত দেখা যায়।

আগামী সাত সপ্তাহ ধরে এই বরফ ধীরে ধীরে গলানো হবে। যার ভেতর থেকে বেরিয়ে আসবে প্রাচীন ধূলিকণা, আগ্নেয় ছাই এবং সামুদ্রিক ডায়াটম নামক একধরনের শৈবাল—যেগুলো বরফে জমে ছিল। এই উপাদানগুলো বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা এক মিলিয়নেরও বেশি বছর আগের বাতাসের গতি, তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা সম্পর্কে জানতে পারবেন।

ইতালীয় ফরাসি গবেষণাকেন্দ্র কনকর্ডিয়া থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে খননটি করা হয়েছিল

বরফ গলিয়ে তরলটি পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। যেখানে একটি বিশেষ যন্ত্র ‘ইন্ডাক্টিভলি কাপলড প্লাজমা মাস স্পেকট্রোমিটার (আইসিপিএসএস)’ ২০টিরও বেশি মৌলিক উপাদান ও ধাতু বিশ্লেষণ করবে—এর মধ্যে থাকবে বিরল ধাতু, সামুদ্রিক লবণ ও আগ্নেয়গিরির প্রমাণ।

বিজ্ঞানীদের মতে, এই গবেষণা ৮ লাখ থেকে ১২ লাখ বছর আগে ঘটা এক অদ্ভুত পরিবর্তনের রহস্য উন্মোচনে সহায়তা করতে পারে, যাকে বলা হয় ‘মাইল্ড-প্লাইস্টোসিন ট্রানজিশন’। এর আগে পৃথিবীর বরফযুগের চক্র ছিল প্রতি ৪১ হাজার বছরে একবার, কিন্তু তখন থেকে তা বদলে হয়ে যায় প্রতি ১ লাখ বছরে একবার। কেন এই হঠাৎ পরিবর্তন ঘটল, সেটিই জলবায়ুবিজ্ঞানের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর অমীমাংসিত প্রশ্নগুলোর একটি।

এই গবেষণায় যদি প্রমাণ মেলে যে ৮ লাখ বছরের বেশি আগে প্রকৃতিতেই কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ আজকের মতোই বেশি ছিল বা তারও বেশি, তবে তা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে নতুন করে সাজাতে সাহায্য করবে। তবে আজকের পার্থক্য হলো—এই পরিবর্তন মানুষের হাতে সৃষ্ট, গত ১৫০ বছরে মানুষের কার্যকলাপের কারণেই গ্রিনহাউস গ্যাস বেড়েছে দ্রুতগতিতে।

এই বরফ ২.৮ কিলোমিটার গভীর থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে অ্যান্টার্কটিকার কনকর্ডিয়া ঘাঁটির কাছে। প্রকৌশলী জেমস ভেল বলেন, ‘বরফের সেগমেন্টগুলো হাতে নেওয়ার মুহূর্তটা ছিল বিস্ময়কর। খুব সতর্কভাবে ধরতে হয়েছিল যেন কোনো ক্ষতি না হয়।’ এই বরফ ইউরোপের আরো দুই প্রতিষ্ঠানে—জার্মানি ও সুইজারল্যান্ডেও পাঠানো হয়েছে বিশ্লেষণের জন্য।

অ্যান্টার্কটিকার বরফের একেবারে নিচ থেকে বরফ সংগ্রহ ছিল একটি বিশাল বহুজাতিক প্রচেষ্টা। এর জন্য ব্যয় হয়েছে লাখ লাখ অর্থ। বরফটি ১ মিটার ব্লকে কেটে জাহাজে করে এবং তারপর একটি ঠাণ্ডা ভ্যানে করে কেমব্রিজে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। প্রকৌশলী জেমস ভিয়েল পূর্ব অ্যান্টার্কটিকার কনকর্ডিয়া ঘাঁটির কাছে বরফ উত্তোলনে সাহায্য করেছিলেন।

সূত্র : বিবিসি

বর্জ্য রিসাইকেল ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হ্যারি কেইন, ব্র্যান্ড পার্টনারশিপে ক্রীড়াবিদদের নতুন ধারা

অক্টোবরের এক রাত। চ্যাম্পিয়নস লিগে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে হারের পর পরই বায়ার্ন মিউনিখ দলের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল একটি নৈশভোজ। জায়গাটা ছিলো ইংল্যান্ডের বিখ্যাত ‘দ্য বেলফ্রি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট’। ঠিক সেখানেই ঘটলো এক দৃশ্য, যা পরে হয়ে উঠল একটি স্টার্টআপ ব্র্যান্ডের জন্য গর্বের বিষয়।

টেবিলের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা থমাস মুলার হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে চিৎকার করে বললেন, ‘হ্যারি, এখানে একজন রেফলো পরে আছে!’ ব্র্যান্ডটির কথা তিনি বারবার শুনেছেন হ্যারি কেইনের মুখে—গলফ খেলার সময়, অনুশীলনের ফাঁকে, ডাইনিং টেবিলে।

তবে কেইন হেসে জানালেন, ‘ওই লোকটা আসলে রেফলো-র সহ-প্রতিষ্ঠাতা ররি ম্যাকফ্যাডেন!’ মুলারের চেহারা বলেই দিচ্ছিল, তিনি বুঝতেই পারেননি যে এই তরুণ ব্র্যান্ডের পেছনে এত বড় মস্তিষ্ক কাজ করছে।

রেফলো মূলত এক নতুন ধরণের স্পোর্টসওয়্যার ব্র্যান্ড, যারা প্লাস্টিক বর্জ্য রিসাইকেল করে পোশাক বানায়। ইতোমধ্যেই লুটন টাউন, ফরেস্ট গ্রীন রোভার্স এবং তিনটি ফর্মুলা ই-টিমের সঙ্গে চুক্তি করেছে তারা।
এমনকি রয়্যাল পোরট্রাশ গলফ ক্লাবের ‘দ্য ওপেন’-এর জন্যও তারা এক্সক্লুসিভ কালেকশন তৈরি করেছে।

তবে সবচেয়ে বড় অর্জন—হ্যারি কেইনের মতো একজন সুপারস্টারকে তারা পেয়েছে নিজেদের পাশে।

একজন ইংল্যান্ড অধিনায়ক, ইউরোপের অন্যতম বড় ক্লাবের স্ট্রাইকার, যার সামনে ছিলো নাইকি, অ্যাডিডাস বা পুমার মতো ব্র্যান্ডের অফার—তিনি কেন রেফলো-র মতো নতুন একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়ালেন?

উত্তরটি মিলবে তার কাজের ধরনে। কেইন শুধু একজন মুখ হয়ে থাকতে চাননি; তিনি চেয়েছেন সংস্থাটির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হতে।
পরিবেশবান্ধব দর্শনে বিশ্বাসী কেইনের মন জয় করেছে মাদাগাস্কার ও মোজাম্বিকে রেফলো-র ১০ লাখ গাছ রোপনের প্রতিশ্রুতি।

তার ভাই চার্লি যখন রেফলো সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করেন, সেখান থেকেই শুরু হয়েছিল এই যাত্রা। কেইন নিয়মিত প্রডাক্ট রিভিউ দেন, ডিজাইন নিয়ে মতামত জানান, এমনকি নিজের পরিচিত তারকাদের মধ্যেও ব্র্যান্ডটির কথা ছড়িয়ে দেন।

রেফলো কাহিনি কেবল কেইনকে ঘিরেই নয়। বর্তমান ক্রীড়াবিদদের মধ্যে নিজের ব্র্যান্ড বা পছন্দসই প্রতিষ্ঠানে গভীরভাবে জড়িত হওয়ার ঝোঁক বাড়ছে।

২০১৮ সালে রজার ফেদেরার নাইকি ছেড়ে অন রানিংয়ের সঙ্গে চুক্তি করে তিন শতাংশ শেয়ার নেন। শুধু অ্যাম্বাসাডর হিসেবে নয়, তিনি হয়ে উঠেন প্রতিষ্ঠানটির নিয়মিত চেহারা। ফলাফল, অন এখন সুইজারল্যান্ডের গর্ব, বিশ্বব্যাপী জুতার দুনিয়ায় এক শক্তিশালী নাম।

স্টিফেন কারিও সেই একই পথে। ২০১৩ সালে নাইকি থেকে সরে এসে আন্ডার আর্মারের সঙ্গে চুক্তি করেন। পরে প্রতিষ্ঠা করেন ‘কারি ব্র্যান্ড’—যার প্রেসিডেন্ট তিনি নিজেই। ব্র্যান্ডের ডিজাইন, মার্কেটিং, এমনকি নতুন অ্যাথলেট সাইন করার প্রক্রিয়াতেও সরাসরি যুক্ত তিনি। ‘কারি ব্র্যান্ড’-এর লক্ষ্য, বিশ্বজুড়ে তরুণদের জন্য ৩০০টি বাস্কেটবল কোর্ট তৈরি করা।

লিভারপুলের নতুন রাইটব্যাক জেরেমি ফ্রিমপংও এই তালিকায় যুক্ত। নিউ ব্যালেন্সের সঙ্গে ২০ মিলিয়ন পাউন্ডের চুক্তির পাশাপাশি তিনি তৈরি করেছেন ‘দ্য পাথওয়েজস প্রজেক্ট’, যা ১৫–২২ বছরের ফুটবলারদের বিকল্প ক্যারিয়ারের দিক নির্দেশনা দেয়।

পর্দার জাদুকরের প্রয়ান দিবস আজ

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে হুমায়ূন আহমেদ একটি অমর নাম। তার সৃষ্টির মাধ্যমে তিনি আজও জীবন্ত—পাঠকের হৃদয়ে, স্মৃতিতে ও সাহিত্যের পাতায়। সাহিত্যের পাশাপাশি রঙিন পর্দায়ও তিনি রেখে গেছেন অমরত্বের ছাপ। উপহার দিয়েছেন একের পর এক কালজয়ী সৃষ্টি।
আজ ১৯ জুলাই, এই জাদুকরের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী।

২০১২ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন হুমায়ূন আহমেদ। তার মৃত্যুতে সাহিত্য ও বিনোদন জগতে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, তা আজও অনুভব করেন অসংখ্য পাঠক, অনুরাগী, সাহিত্যপ্রেমী ও বিনোদনপ্রেমীরা।

১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন হুমায়ূন আহমেদ।
তার সাহিত্যজীবন শুরু হয় স্বাধীনতার পরপরই। ১৯৭২ সালে প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’ দিয়েই তিনি সাহিত্যাঙ্গনে সাড়া ফেলে দেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তার লেখা জনপ্রিয় উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে— ‘জোছনা ও জননীর গল্প’, ‘মধ্যাহ্ন’, ‘দেয়াল’, ‘মাতাল হাওয়া’, ‘শঙ্খনীল কারাগার’, ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’, ‘এইসব দিনরাত্রি’, ‘গৌরীপুর জংশন’, ‘লীলাবতী’, ‘কবি’ প্রভৃতি।
উপন্যাস ও নাটকে তার সৃষ্ট চরিত্রগুলো— হিমু, মিসির আলী, শুভ্র— তরুণ প্রজন্মের মনে স্থান করে নিয়েছে স্থায়ীভাবে।

সাহিত্যকীর্তির জন্য তিনি পেয়েছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৮১), একুশে পদক (১৯৯৪), জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৩ ও ১৯৯৪), বাচসাস পুরস্কার (১৯৮৮), লেখক শিবির পুরস্কার (১৯৭৩) ও হুমায়ূন কাদির স্মৃতি পুরস্কার (১৯৯০)।

সাহিত্যজগত ছাড়াও নাটক ও চলচ্চিত্রে তার সৃষ্টিশীলতার ছাপ স্পষ্ট। আশির দশকে লেখা ধারাবাহিক নাটক ‘এইসব দিনরাত্রি’ তাকে এনে দেয় বিপুল জনপ্রিয়তা। এছাড়া তার কালজয়ী সৃষ্টি ‘বহুব্রীহি’, ‘নক্ষত্রের রাত’, ‘আজ রবিবার’, ‘কোথাও কেউ নেই’ আজও অমর হয়ে আছে দর্শক হৃদয়ে।
নাটকের পাশাপাশি চলচ্চিত্র অঙ্গনেও তিনি রেখে গেছেন অমরত্বের ছাপ। তার নির্মিত ‘আগুনের পরশমণি’, ‘দুই দুয়ারী’, ‘শ্যামল ছায়া’, ‘ঘেটুপুত্র কমলা’র মতো চলচ্চিত্রগুলো এদেশের সিনেমাঙ্গনে কালজয়ী নির্মাণে হিসেবেই বিবেচিত হয়। এছাড়া তাঁর রচিত অনেক গানও পেয়েছে দর্শক-শ্রোতাদের ভালোবাসা।

চিত্রনাট্যকার, গীতিকার ও চলচ্চিত্রকার হিসেবে খ্যাতিমান হুমায়ূন সাতবার বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতে নিয়েছিলেন।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুরের নুহাশপল্লীতে দিনব্যাপী নানা আয়োজন করা হয়েছে। তার জন্মস্থানসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভক্ত-অনুরাগীরা স্মরণসভা, পাঠচক্র, প্রদর্শনী ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছেন।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও রুপার্ট মারডকের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের মামলা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এবং এর মালিকদের বিরুদ্ধে একটি মানহানি মামলা দায়ের করেছেন; যার মধ্যে রয়েছেন প্রভাবশালী মিডিয়া মোগল রুপার্ট মারডক। মামলায় ট্রাম্প কমপক্ষে ১০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

এই মামলার মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক বিস্ফোরক প্রতিবেদন, যেখানে ট্রাম্পের সঙ্গে কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি ইপস্টেইনের বন্ধুত্ব নিয়ে তথ্য প্রকাশ করা হয়।
ট্রাম্প অভিযোগ করছেন, এ প্রতিবেদন তার আর্থিক ও সামাজিক সুনামকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

শুক্রবার (স্থানীয় সময়) ফ্লোরিডার সাউদার্ন ডিসট্রিক্টের একটি ফেডারেল আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠরা বলছেন, তিনি চান না যে, এই বিতর্ক আরো ছড়িয়ে পড়ুক এবং তার রাজনৈতিক ভাবমূর্তি আরো ক্ষতিগ্রস্ত হোক।

এর পাশাপাশি ট্রাম্প মার্কিন বিচার বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটন ফেডারেল কোর্টে একটি আবেদন জমা দেওয়া হয়, যাতে ইপস্টেইন ও তার সাবেক সহযোগী ঘিসলেইন ম্যাক্সওয়েলের গ্র্যান্ড জুরি সাক্ষ্যসমূহ জনসমক্ষে প্রকাশ করা যায়।
উল্লেখ্য, ঘিসলেইন ম্যাক্সওয়েল ২০২১ সালে নাবালিকা মেয়েদের যৌন নিপীড়নের ঘটনায় ইপস্টেইনের সহায়ক হিসেবে পাঁচটি ফেডারেল অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন।

মামলায় ট্রাম্প দাবি করেছেন, ডাও জোন্স, নিউজ কর্প, মারডক এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দুই প্রতিবেদক ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে ক্ষতি করার জন্য প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন। ডাও জোন্স, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মূল প্রতিষ্ঠান, নিউজ কর্প-এর একটি বিভাগ।

মামলা দায়েরের আগেই শুক্রবার সকালে ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘আমি রুপার্ট মারডককে আমার মামলায় সাক্ষ্য দিতে দেখার জন্য অপেক্ষা করছি, তার ‘আবর্জনার স্তূপ’ পত্রিকা ওয়াল স্ট্রিট জার্নালও থাকবে! এটা একটা চমৎকার অভিজ্ঞতা হবে!!!’

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মূল প্রতিষ্ঠান ডাও জোন্স ট্রাম্পের অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, আমরা আমাদের প্রতিবেদনের নির্ভুলতা ও অনুসন্ধানী মান নিয়ে সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী এবং যেকোনো মামলা দৃঢ়ভাবে মোকাবেলা করব।

মামলাটি এখনো আদালতে বিচারাধীন, তবে এটি ট্রাম্পের রাজনীতিক জীবন এবং আগামী নির্বাচনে তার ভাবমূর্তির ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

মুরাদনগরে জনসভা করার ঘোষণা দিলেন ইশরাক

কুমিল্লার মুরাদনগরে বিশাল জনসভা করার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। শনিবার (১৯ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের এক পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন।

ইশরাক বলেন, শিগগিরই কুমিল্লার মুরাদনগরে একটি ঐতিহাসিক ও বিশাল জনসভা আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। শহীদ পরিবারগুলোর খোঁজ-খবর নেওয়ার পাশাপাশি হতাশাগ্রস্ত মানুষের কাছে আগামী দিনের শাসনব্যবস্থা ও উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরব ইনশাআল্লাহ।

ইরানে বাস উল্টে নিহত ২১

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে শনিবার একটি দূরপাল্লার বাস উল্টে অন্তত ২১ জন নিহত ও প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

কাভার নামের একটি শহরের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে, যা রাজধানী তেহরান থেকে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। তবে দুর্ঘটনাটি কিভাবে ঘটেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

কাভার হাসপাতালের পরিচালক মোহসেন আফরাসিয়াবি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে ২১ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া গেছে।’ এ ছাড়া ২৯ জন আহত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ইরানের সংবাদমাধ্যমে একটি পাহাড়ি রাস্তার পাশে উল্টে পড়ে থাকা বাসের ছবি প্রকাশিত হয়েছে।

সড়কে সুরক্ষার দিক থেকে ইরানের রেকর্ড খুবই খারাপ।
সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরনার তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ পর্যন্ত ১২ মাসে দেশটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ২০ হাজার জনের মৃত্যু হয়েছে।

ভয়ে ভয়ে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে তার নির্দেশনা শুনতাম : মিম

হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে কাজ করতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবতী বলে মনে করেন বিদ্যা সিনহা মিম। তার সিনেমার নায়িকা হতে পারাটা জীবনের অনেক বড় পাওয়া বলেও মনে করেন এই অভিনেত্রী।

‘একজন নির্মাতা হিসেবে স্যারকে যতটুকু দেখেছি তাতে মুগ্ধ হওয়া ছাড়া কোনো পথ নেই।’— আজ বরেণ্য কথাসাহিত্যিক, নাট্যনির্মাতা ও এই চলচ্চিত্রকারের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাকে স্মরণ করে কথাগুলো বলছিলেন মিম।

অভিনেত্রীর ভাষ্যে, ‘তাঁকে সব সময় আমার কাছে গল্পের মানুষ মনে হতো। গল্পে যেমন চরিত্র পড়ি, তেমনই একটা চরিত্র ছিলেন তিনি আমার কাছে। ‘আমার আছে জল’ সিনেমাটির মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় আমার, ২০০৮ সালে। স্যার আমাকে চলচ্চিত্রের নায়িকা বানিয়ে দিলেন।
সেই তো শুরু। এখনো মনে পড়ে, এই তো সেদিন হুমায়ূন স্যার দৃশ্য বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন। আমি ভয়ে ভয়ে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে তাঁর নির্দেশনা শুনছিলাম।’

মিম বললেন, ‘আজ স্যারের মৃত্যুবার্ষিকী।
অথচ কখনও মনে হয় না, স্যার পৃথিবীতে নেই। আমাদের চারপাশে স্যারের কাজ এতটাই আবিষ্ট করে রেখেছে যে সব সময় সময় তিনি আমাদের মাঝেই আছেন। আমাদের সঙ্গেই আছেন। ভালোবাসায়, অনুভবে কাজে স্যার আমার মাঝে থাকলেও এটা তো চিরন্তন সত্য স্যার আজ প্রয়াত। আজকের দিনে স্যারকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।
যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন।’

২০১২ সালের এই দিনে চিরবিদায় নেন হুমায়ূন আহমেদ। আজ এই গুণীর ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। অন্যদিকে ২০০৭ সালের লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে শোবিজে যাত্রা শুরু মিমের। হুমায়ুন আহমেদ পরিচালিত ‘আমার আছে জল’ দিয়ে তার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে।

জয় দিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু নিউজিল্যান্ডের

জিম্বাবুয়ের মাটিতে ত্রিদেশীয় সিরিজটা দক্ষিণ আফ্রিকা জয় দিয়ে শুরু করেছিল। সিরিজের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিকদের ৫ উইকেটে হারায় প্রোটিয়ারা। তাদের হারিয়ে জয় দিয়ে শুভসূচনা করল নিউজিল্যান্ড।

বুধবার (১৬ জুলাই) বুলাওয়েতে নিউজিল্যান্ড প্রোটিয়াদের ২১ রানে হারিয়েছে। ৫ উইকেটে তাদের ১৭৩ রানের জবাবে রসি ফন ডার ডুসেন বাহিনী গুটিয়ে গেছে ১৫২ রানে। ৭৫ রান করে ম্যাচসেরা হয়েছেন কিউই ব্যাটার টিম রবিনসন।

রবিনসনের ৭৫ রানের ইনিংস সত্ত্বেও দেড়শর আশপাশেই আটকে যেতে পারত নিউজিল্যান্ড। ৫৭ বলে ওই রান করেন তিনি। বেভন জ্যাকবের ঝড়েই মূলত তাদের স্কোর দেড়শ ছাড়িয়ে যায়। লুঙ্গি এনগিদি ২৭ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙলে কিউইরা নিয়মিত বিরতিতেই পরের চারটি উইকেট হারায়। এরপর রবিনসন ও জ্যাকবের জুটিতে লড়াইয়ের পুঁজি দাঁড়িয়ে যায়।

জ্যাকব ৩০ বলে করেন ৪৪ রান। তার ইনিংসে ছিল একটি চার ও ৩টি ছয়ের মার। রবিনসনের ইনিংসে চার ও ছক্কা যথাক্রমে ৬ ও ৩টি। প্রোটিয়াদের হয়ে কেওনা মাফাকা পান ২ উইকেট। এনগিদির মতো একটি করে উইকেট নেন জেরাল্ড কোয়েতজে ও সেনুরান মুথুসামি।

রান তাড়া করতে নামা দক্ষিণ আফ্রিকা উইকেট হারানোয় বেশ তাড়াহুড়াই দেখিয়েছে। ৬২ রানে ৫ উইকেট হারানো দলটিকে টেনে তুলতে চেয়েও পারেননি দেওলাদ ব্রেভিস ও জর্জ লিন্ডে। ব্রেভিস ১৮ বলে ৩৫ ও লিন্ডে ২০ বলে ৩০ রান করেন। লুয়ান-দ্রে প্রিটোরিয়াস ১৭ বলে করেন ২৭।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে ম্যাট হেনরি ও জ্যাকব ডাফি দুজনই ৩টি করে উইকেট নেন। ইশ সোধি ২ ও মিচেল স্যান্টনার নেন এক উইকেট।

গুপ্তচরবৃত্তির শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও সম্পদ বাজেয়াপ্ত, আইন পাস করল ইরান

গুপ্তচরবৃত্তির শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে একটি কঠোর আইন পাস করেছে ইরানের পার্লামেন্ট। সোমবার (১৪ জুলাই) দেশটির পার্লামেন্টে এ সংক্রান্ত একটি সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদন পায়।

সংশোধিত এই আইনে বলা হয়, শত্রু রাষ্ট্রের হয়ে গোয়েন্দা তৎপরতায় জড়িত থাকলে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে এবং সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা যাবে। শত্রু রাষ্ট্র নির্ধারণে ক্ষমতা থাকবে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের।

নতুন আইনে আরও বলা হয়, কোনো শত্রু রাষ্ট্রকে অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত বা সামরিক সহায়তা দেয়াও অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এসব অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদী কারাবাস পর্যন্ত হতে পারে।

এছাড়াও সংশোধিত মূল প্রস্তাবের আরেকটি অনুচ্ছেদে জনসাধারণের মধ্যে বিভাজন বা জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে শত্রু বা বিদেশি নেটওয়ার্কগুলোতে যারা তথ্য বা ভিডিও পাঠায় তাদের শাস্তি নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

এদিকে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের যে আলোচনা চলছে, তাতে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, স্ন্যাপব্যাক মেকানিজম ব্যবহারের কোনো আইনি বা রাজনৈতিক ভিত্তি নেই। নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের কোনো পদক্ষেপ নিলে, ইরান তার পাল্টা ব্যবস্থা নেবে। তবে কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে তা এখনও খোলাসা করেনি ইরান।

তিনি আরও বলেন, স্ন্যাপব্যাক প্রক্রিয়া ব্যবহারের হুমকির কোনো আইনগত বা রাজনৈতিক ভিত্তি নেই এবং এর জবাবে ইরান ইসলামি প্রজাতন্ত্র উপযুক্ত ও সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রতিক্রিয়া দেবে।

সূত্র: রয়টার্স

শিশুসহ ৭৮ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করল ইসরায়েল

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় হামলা চালিয়ে ত্রাণপ্রার্থী শিশুসহ অন্তত ৭৮ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে দখলদার ইসরায়েল।দখলদারদের অবরোধে গাজায় জ্বালানি ও খাদ্য সংকট চরম আকার ধারণ করেছে গাজায়। এক প্রতিবেদন এ তথ্য জানিয়েছে আলজাজিরা।

এদিকে সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, সোমবার দক্ষিণ গাজার রাফায় একটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের কাছে হামলা চালিয়ে অন্তত ৫ ত্রাণপ্রার্থীকে হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী।
এ নিয়ে ইসরায়েল এবং মার্কিন সমর্থিত কুখ্যাত গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) পরিচালিত ত্রাণ কেন্দ্রে ত্রাণ নিতে ৮৩৮ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করল ইসরায়েল।

দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে একটি বাস্তুচ্যুত শিবিরে হামলা চালিয়ে ৯ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ইসরায়েল। এই হামলা আরো বহু মানুষ আহত হয়েছেন। মধ্য গাজার বুরেইজ শরণার্থী শিবিরে একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্রে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ৪ জন নিহত হন।

উত্তর গাজায় হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে সেখানে একটি ইসরায়েলি ট্যাংক হামলার শিকার হয়েছে। আইডিএফ পরে জানিয়েছে তাদের ৩ সেনা নিহত হয়েছে।

এ ঘটনার পর তুফাহ এবং শুজাইয়া পাড়ার আশেপাশে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়ে আবাসিক ভবনগুলো ধ্বংস করে দিয়েছে ইসরায়েল।
এসব হামলায় গাজা শহরে অন্তত ২৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আরো বহু আহত হয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েলের সর্বাত্মক অবরোধে জ্বালানি ও খাদ্য সংকট চরমে পৌঁছেছে। গত ২ মার্চ থেকে গাজায় প্রায় সকল জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দেয় ইসরায়েল। এদিকে মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সোমবার জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে ইসরায়েল ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের চুক্তি হয় যেখানে গাজায় ত্রাণ প্রবেশ করতে দেওয়ার কথা ছিল। তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন; গাজায় ত্রাণ প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।