সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

প্রত্যাবর্তনে হতাশা উপহার দিলেন কোহলি-রোহিত

রোহিত শর্মা ৮ রান করলেও বিরাট কোহলির আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন হতাশাজনকভাবে শেষ হলো। মার্চের পর প্রথমবার ভারতের হয়ে খেলার এই ম্যাচে দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানই প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরম্যান্স দিতে পারলেন না। পার্থে অনুষ্ঠিত প্রথম ওয়ানডেতে রোহিত ও কোহলির কামব্যাক আলোচিত হলেও রবিবার তাদের ব্যাটিং আশাহত করেছে ভক্তদের।

অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক মিচেল মার্শ টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান।
রোহিত শর্মা তার ৫০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুভমান গিলের সঙ্গে ব্যাটিংয়ে নামেন। ৩৮ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান কিছু সিঙ্গেল নিয়েছিলেন এবং বাউন্ডারি খেলার সুযোগও পেয়েছিলেন। তবে মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউডের ধারাবাহিক দুর্দান্ত বোলিংয়ের সুবিধা করতে পারছিলেন না একজনও। রোহিত ৮ রানে ফেরেন হ্যাজলউডের বলে।

রোহিত আউট হওয়ার পর ব্যাটিংয়ে নামেন বিরাট কোহলি। তিনি ৮টি ডট বল খেলে স্টার্কের বলে কোপার কনোলির অসাধারণ ক্যাচের শিকার হন।

রোহিত ও কোহলি দু’জনই ২০২৭ সালের বিশ্বকাপে খেলার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছেন। প্রধান নির্বাচক অজিত আগারকার জানিয়েছেন যে অভিজ্ঞ জুটিকে প্রতিটি ম্যাচে পরীক্ষা করা হবে না।
তবু পার্থের এই ব্যর্থতা তাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের শেষ কয়েকটি বছরে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ অঙ্গরাজ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে লাখো মানুষ ‘নো কিংস’ নামে আন্দোলনে অংশ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে। তাদের মূল বার্তা ছিল—দেশটি ক্রমশ কর্তৃত্ববাদী শাসনের দিকে যাচ্ছে, অথচ যুক্তরাষ্ট্রে কোনো রাজা বা একনায়ক শাসন চলতে দেওয়া যাবে না।

শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যে একই দিনে এই বিক্ষোভ হয়, যা চলতি বছরের জুন মাসে আয়োজিত ঐতিহাসিক বিক্ষোভের দ্বিতীয় সংস্করণ। আগেরবারের মতো এবারও এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম প্রতিবাদ কর্মসূচিতে পরিণত হয়।

ছোট বড় শহর, নগর ও গ্রামীণ সম্প্রদায়ের মানুষ একত্রিত হয়ে নানা স্লোগান, ব্যানার ও প্রতীক নিয়ে মিছিলে অংশ নেয়। কেউ সঙ্গীত ব্যান্ড নিয়ে আসে, কেউ বিশাল এক ব্যানারে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রস্তাবনা লিখে তাতে স্বাক্ষর করে।

এছাড়া অনেকেই ব্যাঙের মতো ফোলানো পোশাক পরে আসে—যা প্রথমে ওরেগনের পোর্টল্যান্ডে শুরু হয়ে প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

মাত্র ছয় মাস আগেও, ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে যেন হতাশ ও বিভ্রান্ত ছিল।
হোয়াইট হাউস এবং কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই রিপাবলিকানদের আধিপত্যের পর তাদের অবস্থা ছিল দুর্বল। কিন্তু এখন দৃশ্যপট পাল্টেছে।

‘ইনডিভিজিবল’ নামের মূল সংগঠনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এজরা লেভিন অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন, ‘আমরা এখন ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে কিছু দৃঢ়তা দেখতে পাচ্ছি। এই মুহূর্তে তাদের করা সবচেয়ে বড় ভুল হবে আত্মসমর্পণ করা।

শিকাগোর গ্রান্ট পার্কের বাটলার ফিল্ডে অন্তত ১০,০০০ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন, অনেকেরই হাতে ছিল ট্রাম্প-বিরোধী প্ল্যাকার্ড, কেউবা ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তাদের সমালোচনামূলক পোস্টার বহন করছিলেন। টিভি চ্যানেলগুলো সরাসরি সম্প্রচারের সময় দর্শকদের আগাম সতর্ক করে জানায়—তারা প্রদর্শিত ভাষার জন্য দায়ী নয়। পরবর্তীতে শিকাগো ট্রিবিউন জানায়, অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়িয়েছে।

ইলিনয় রাজ্যের প্রতিনিধি জোনাথন জ্যাকসন মঞ্চে উঠলে ভিড় একযোগে ‘ফা.. ডোনাল্ড ট্রাম্প’ শ্লোগানে ফেটে পড়ে।

লস অ্যাঞ্জেলেসে ৭২ বছর বয়সী গিনি এসচব্যাক তার ৪২তম বিক্ষোভে অংশ নেন, ট্রাম্পের জানুয়ারিতে অভিষেকের পর থেকেই তিনি নিয়মিত প্রতিবাদ করে যাচ্ছেন।
এবার তিনি স্পঞ্জবব স্কয়ারপ্যান্টস চরিত্রের পোশাক পরে এসেছিলেন, কারণ ব্যাঙের পোশাক পাওয়া যায়নি।

ট্রাম্প প্রশাসন সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মার্কিন শহরগুলোতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে—ফেডারেল বাহিনী পাঠানো, অভিবাসন কর্মকর্তার সংখ্যা বাড়ানো এবং ভিন্নমত দমন করার উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বামপন্থী সংগঠনগুলোকে ‘সন্ত্রাসবাদ’ ও ‘রাজনৈতিক সহিংসতা’র সঙ্গে জড়িত বলে অভিযুক্ত করছেন।

তবে এসবের বিরুদ্ধে শহরগুলো প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। অনেক নগর কর্তৃপক্ষ জাতীয় গার্ড পাঠানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। সাধারণ মানুষও রাস্তায় নেমে তাদের সম্প্রদায়ের সামরিকীকরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

এইভাবেই যুক্তরাষ্ট্রে ‘নো কিংস’ আন্দোলন এক প্রতীকী বার্তা দিয়েছে—দেশটি গণতন্ত্রের জন্য গড়ে উঠেছে, কোনো রাজা বা একনায়কের জন্য নয়।

শেষ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে গোল্ডেন বুট জিতলেন মেসি

ইন্টার মায়ামির আর্জেন্টাইন জাদুকর লিওনেল মেসি আবারও ফুটবল বিশ্বকে দেখালেন তার অনবদ্য ছোঁয়া। দুর্দান্ত ফর্মে থেকে ২০২৫ মৌসুমে এমএলএস গোল্ডেন বুট জিতেছেন এই কিংবদন্তি ফুটবলার। মৌসুমে ২৯ গোল ও ১৯টি অ্যাসিস্ট করে মোট ৪৮টি গোলে সরাসরি অবদান রেখেছেন মেসি।

শনিবার ন্যাশভিল এসসির বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির ৫-২ গোলের জয়ে হ্যাটট্রিক ও এক অ্যাসিস্ট করেন তিনি।
সেই সঙ্গে নিশ্চিত করেন মৌসুমের সেরা গোলদাতার মুকুট। দ্বিতীয় স্থানে থাকা এলএএফসির ডেনিস বুয়াঙ্কা করেছেন ২৪ গোল।

এই অর্জনের মাধ্যমে মেসি হয়ে গেলেন ইন্টার মায়ামির ইতিহাসে প্রথম গোল্ডেন বুটজয়ী ফুটবলার এবং ২০২১ সালে নিউইয়র্ক সিটি এফসির ভ্যালেন্টিন ‘টাটি’ কাস্তেয়ানোসের পর প্রথম আর্জেন্টাইন, যিনি এমএলএস গোল্ডেন বুট জিতলেন।

মেসির হ্যাটট্রিকের সূচনা হয় ম্যাচের ৩৫তম মিনিটে।
জর্দি আলবার নিখুঁত পাস ধরে ন্যাশভিলের দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নিচু শটে বল জালে পাঠান তিনি। এরপর ৬৩তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন আর্জেন্টাইন তারকা। আর ৮১তম মিনিটে বাঁ পায়ের শটে বক্সের মাঝ থেকে বল পাঠান নেটে, এতেই নিশ্চিত হয় মেসির হ্যাটট্রিক। যোগ করা সময়ে তালেসকো সেগোভিয়ার গোলে মায়ামির পঞ্চম গোল আসে, সেই গোলেও ছিল মেসির পায়ের ছোঁয়া।

ন্যাশভিলের হয়ে স্যাম সারিজ ও জ্যাকবল শাফেলবার্গ গোল করলেও বড় হার এড়াতে পারেনি।

ইস্টার্ন কনফারেন্সে ৩৪ ম্যাচে ৬৫ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে থেকে নিয়মিত মৌসুম শেষ করেছে ইন্টার মায়ামি। সমান পয়েন্টে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিনসিনাটি, আর ৬৬ পয়েন্টে শীর্ষে ফিলাডেলফিয়া। ফলে প্লে-অফের প্রথম রাউন্ডে আবারও ঘরের মাঠে ন্যাশভিল এসসির মুখোমুখি হবে মায়ামি।

অঙ্গহানিসহ ফেরত দেওয়া ফিলিস্তিনিদের মরদেহে ভয়াবহ নির্যাতনের চিহ্ন

ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের যেসব মৃতদেহ ফেরত দিয়েছে তার মধ্যে ১২০টি নিয়ে মানবাধিকার সংস্থা ও চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, এসব মৃতদেহে ‘নির্যাতনের স্পষ্ট প্রমাণ’ এবং এমনকি অনেক মৃতদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ খুঁজে পাওয়া যায়নি।

গাজার সরকারি গণমাধ্যম কার্যালয় জানিয়েছে, প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, ফেরত পাওয়া বেশির ভাগ মৃতদেহে পদ্ধতিগত নির্যাতন, মাঠে গুলি করে হত্যা এবং গাড়িচাপা দিয়ে পিষে ফেলার চিহ্ন পাওয়া গেছে। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।

এই দেহগুলো তিন ধাপে ফেরত দেওয়া হয়— মঙ্গলবার ৪৫টি, বুধবার আরো ৪৫টি এবং বৃহস্পতিবার ৩০টি।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ এক্সে লিখেছেন, মৃতদেহগুলো পশুর মতো বাঁধা ছিল। চোখ বাঁধা এবং তাতে ভয়াবহ নির্যাতন ও দগ্ধতার চিহ্ন রয়েছে। এসব বিষয় গোপনে সংঘটিত অপরাধগুলোর প্রকৃত মাত্রা প্রকাশ করে।

তিনি আরো বলেন, তারা স্বাভাবিকভাবে মারা যাননি। হাত-পা বাঁধার পর তাদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তাঁদের দেহ মাটিতে কবর দেওয়া হয়নি, বরং ইসরায়েলি বাহিনী তাদের মৃতদেহ রেফ্রিজারেটরে মাসের পর মাস ধরে রেখেছিল। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া কিছু গ্রাফিক ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, দড়ি দিয়ে বাঁধা ও চোখে কাপড় বাঁধা অবস্থায় পচে যাওয়া দেহ, যেগুলোতে শারীরিক নির্যাতনের সুস্পষ্ট চিহ্ন রয়েছে।
কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, ফিলিস্তিনিরা স্ক্রিনে মৃতদেহগুলোর ছবি দেখে প্রিয়জনদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন।

ইউরো-মেড হিউম্যান রাইটস মনিটর জানিয়েছে, ফেরত পাওয়া মৃতদেহগুলোর অনেকের গলায় দড়ির দাগ, হাত-পায়ে প্লাস্টিকের বাঁধন, চোখ বাঁধা, কাছ থেকে গুলির ক্ষত এবং ট্যাংকচাপায় পিষে যাওয়ার চিহ্ন রয়েছে।

তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সামরিক, সরকারি ও গণমাধ্যমের ভাষণে ফিলিস্তিনিদের অমানবিক করে তোলা হয়েছে। তাদের নির্মূলযোগ্য জনগোষ্ঠী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সংস্থাটি আরো বলেছে, এই মনোভাব মাঠ পর্যায়ে এমন সহিংস আচরণের রূপ নিয়েছে।

শাহজালালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফখরুলের বিবৃতি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (১৮ অক্টোবর) দলের সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করতেই ফ্যাসিস্টদের দোসররা জোরালোভাবে নানা ধরনের সহিংস কর্মকাণ্ড শুরু করেছে। এ ধরনের অপকর্ম ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য দেশের আপামর মানুষকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।
কারণ দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শত্রুরা এখনো সদা তৎপর রয়েছে।

তিনি বলেন, সম্প্রতি দেশে কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এবং আজ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো সেকশনে আগুন লাগার ঘটনা একই সূত্রে গাঁথা। এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত বলে জনগণ বিশ্বাস করে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘হাজারো শহীদের আত্মত্যাগ আর অসংখ্য ছাত্র-জনতার নিদারুণ যন্ত্রণাকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গত ৫ আগস্ট দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে।
তবে গণ-অভ্যুত্থানের সাফল্য এবং সম্ভাবনা নস্যাৎ করে দিতে স্বৈরাচারের অংশীদাররা এখনো ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি সতর্ক থাকলে বাংলাদেশকে আর নৈরাজ্যের গভীর অন্ধকারে নিক্ষেপ করা যাবে না। ষড়যন্ত্র কিংবা অপপ্রচার চালিয়ে গত ১৬ বছরের অনাচার-অবিচার থেকে জনগণকে বিস্মৃত করা যাবে না।

তিনি বলেন, ‘অবিলম্বে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো সেকশনে আজকের আগুন লাগার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে।
প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। আহতদের আশু সুস্থতা কামনা করছি।’

দেশের বিভিন্ন স্থানের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে প্রেস উইংয়ের বিবৃতি

দেশের বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ডের প্রতিটি ঘটনা নিরাপত্তা বাহিনী গভীরভাবে তদন্ত করছে। নাশকতা বা অগ্নিসংযোগের কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে সরকার তাৎক্ষণিক ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বিবৃতিতে এ কথা জানায়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি সংঘটিত একাধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জনমনে যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার তা গভীরভাবে অবগত।
আমরা সকল নাগরিককে আশ্বস্ত করতে চাই—নিরাপত্তা সংস্থাগুলো প্রতিটি ঘটনা গভীরভাবে তদন্ত করছে এবং মানুষের জীবন ও সম্পদ সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, নাশকতা বা অগ্নিসংযোগের কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে সরকার তাৎক্ষণিক ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে। কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা উসকানির মাধ্যমে জনজীবন ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করার সুযোগ দেওয়া হবে না।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই—যদি এসব অগ্নিকাণ্ড নাশকতা হিসেবে প্রমাণিত হয়, এবং এর উদ্দেশ্য হয় জনমনে আতঙ্ক বা বিভাজন সৃষ্টি করা, তবে তারা সফল হবে কেবল তখনই, যখন আমরা ভয়কে আমাদের বিবেচনা ও দৃঢ়তার ওপর প্রাধান্য দিতে দেব।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, বাংলাদেশ অতীতেও বহু কঠিন সময় অতিক্রম করেছে। আমরা ঐক্য, সংযম ও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে আমাদের গণতন্ত্রের উত্তরণের পথে যেকোনো হুমকির মোকাবিলা করব। আমাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

এদিকে আজ শনিবার দুপুরে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট। একইসঙ্গে ঘটনাস্থলে রয়েছেন নৌ-বাহিনী, বিমানবাহিনী, সিভিল অ্যাভিয়েশন, দুই প্লাটুন বিজিবিসহ পুলিশ-আনসারের সদস্যরা। সন্ধ্যা নাগাদ আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকার একটি তোয়ালে কারখানায় আগুনের ঘটনা ঘটে।

এর আগে গত ১৪ অক্টোবর রাজধানীর মিরপুরের শিয়ালবাড়ির রাসায়নিক গুদামে আগুনের ঘটনা ঘটে।

যারা বিএনপি ও আ. লীগকে এক পাল্লায় মাপতে চায়, তাদের ঈমানে সমস্যা আছে : প্রিন্স

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ‘যারা বিএনপি ও আওয়ামী লীগকে এক পাল্লায় মাপতে চায়, তাদের দাঁড়িপাল্লায় সমস্যা আছে, তাদের ঈমানে সমস্যা আছে।’

আজ শনিবার ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ধারা ইউনিয়নের দড়িনগুয়া কান্দাপাড়া গ্রামে কাঠের সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সেতুর নিচে গভীর খাদে মাটি ভরাট করতে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান। পরে তিনি গ্রামবাসীর সঙ্গে হেঁটে সেতু পার হন।
পরে মুনাজাত করা হয়।

দীর্ঘদিন যাবৎ দড়িনগুয়া কান্দাপাড়া থেকে হালুয়াঘাট প্রধান সড়কে ওঠার গ্রামীণ রস্তায় বিরাট খাদ সৃষ্টি হওয়ায় শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণের যাতায়াতের বিঘ্ন ঘটায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা এমরান সালেহ প্রিন্সের অর্থায়নে এই সেতু নির্মাণ করেন।

এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‘বিএনপি সরকার বা বিরোধী দলে যে অবস্থানেই থাকুক না কেন, বিপদে-আপদে জনগণের পাশে থাকে। মানবতার কল্যাণে বিএনপি কাজ করে।
দুর্নীতি, লুটপাট, দমন-নিপীড়ন চালিয়ে জনগণের অধিকার হরণ করে গণশত্রুতে পরিণত হয়ে গণ-হত্যাকারী আওয়ামী লীগ পালিয়ে গেছে। পালাতক আওয়ামী লীগ আর রাজনীতিতে ফিরতে পারবে না।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রাস্তা-ব্রিজ, এমনকি মসজিদ-কবরস্থানের উন্নয়নের নামে বরাদ্দকৃত টাকা লুটপাট করে নিজেদের পকেট ভর্তি করেছে। বিএনপি নেতাকর্মীরা নিজেদের টাকায় স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা-ব্রিজ, মসজিদ-কবরস্থানসহ অবকাঠামো উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করে।
এখানেই বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের পার্থক্য।’

তিনি বলেন, ‘পবিত্র ধর্ম ইসলামকে রাজনীতিতে টেনে আনা ইসলামের লেবাসধারী কয়েকটি দল ইদানীং নৌকার সঙ্গে ধানের শীষকে এক করে বিষ বানিয়ে স্লোগান দিচ্ছে। চরম মিথ্যাচার করে এরা রাজনীতিকে কুলষিত করছে।’

তিনি বলেন, ‘ধানের শীষ উন্নয়ন, উৎপাদন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, মানবিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ, নীতি-নৈতিকতার প্রতীক। নৌকা দুর্নীতি, লুটপাট, ফ্যসিবাদ, অবিচার, দমন-নিপীড়ন, অমানবিকতা, মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতীক।
যারা বিএনপি ও আওয়ামী লীগকে এক পাল্লায় মাপতে চায়, তাদের দাঁড়িপাল্লায় সমস্যা আছে, তাদের ঈমানে সমস্যা আছে। তারা রাজনীতির প্রয়োজনে আল্লাহর নাম ব্যবহার করে। আবার নিজেদের মধ্যপন্থী পরিচয় দিতে গিয়ে আল্লাহর নাম সরিয়ে দিতেও দ্বিধা করে না। ধর্মপ্রাণ মুসলামনদের কাছে গিয়ে ইসলামী শরিয়াহ আইনের কথা বলে। আবার আধিপত্যবাদী শক্তির করুণা ভিক্ষায় শরিয়াহ আইনের বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি অস্বীকার করে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মতো এসব দলের বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, অপপ্রচার ছাড়া অন্য কোনো কর্মসূচি নাই। বিএনপি কারো বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে না। সত্য কথা তুলে ধরে। দেশ ও জনকল্যাণে বিএনপির যুগন্তকারী কর্মসূচি আছে।’

তিনি বলেন, “বিএনপি জনগণের রায়ে ক্ষমতায় এলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির আগামী সরকার প্রান্তিক কৃষককে ‘ফার্মার্স কার্ড’র মাধ্যমে ফসল উৎপাদনে সার্বিক সহযোগিতা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে। প্রতিটি পরিবারের মা বা গৃহকর্ত্রীর নামে ‘ফ্যামিলি কার্ডে’র মাধ্যমে পরিবারের খাদ্য দ্রব্যের একাংশ বিনা মূল্যে প্রদান করবে। সরকার গঠনের প্রথম ১৮ মাসের মধ্যে এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান, শিক্ষিত বেকারদের এক বছরের জন্য বেকার ভাতা, প্রতি উপজেলায় কল কারখানা স্থাপন করে বেকারদের কর্মসংস্থান, এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য, বিনা চিকিৎসায় কারো মৃত্যু নয়’ এই নীতির আলোকে বিনা মূল্যে চিকিৎসা, গ্রামীণ রাস্তা-ঘাটসহ অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে।”

তিনি বলেন, “বিএনপির বিরুদ্ধে ধর্ম নিয়ে অপপ্রচার করা হচ্ছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কর্তৃক সংবিধানের শুরুতে ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম’ সংযোজন করে আওয়ামী আমলে প্রণীত রাষ্ট্রের চার মূলনীতিতে জন-আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী পরিবর্তন এনে ধর্মনিরপেক্ষতার পরিবর্তন এনে ‘ধর্মীই মূল্যবোধ’ ও ‘সর্ব শক্তিমান আল্লাহর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস’ প্রতিস্থাপন করেছিলেন।”

তিনি আরো বলেন, ‘বিএনপি ইসলামী মূল্যবোধকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয় এবং ইসলামী রীতি, নীতি ও সংস্কৃতিকে ধারণ করে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে কোরআন-সুন্নাহবিরোধী কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না। কেউ নিলে সর্বোচ্চ প্রতিরোধ করা হবে।’ তিনি মহল বিশেষের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতে গ্রামবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

উত্তরায় ৫ হাজারেরও বেশি পুলিশ মোতায়েন

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগুনের ঘটনায় রাজধানীর উত্তরা এলাকায় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। শুধু কার্ডধারী ব্যক্তিদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারছে না। ৫ হাজারেরও বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মহিদুল ইসলাম।

তিনি জানান, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পাঁচ হাজারেরও বেশি পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া উত্তরা বিভাগের ছয়টি থানার পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, র‌্যাব ও বিজিবির সদস্যরাও সমন্বিতভাবে কাজ করছেন।

ডিসি মহিদুল ইসলাম বলেন, ‘কার্ডধারী ছাড়া অন্য কাউকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। আমরা পুরো এলাকাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রেখেছি, যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়।

স্বীকৃতি দেয়নি বলিউড, পেয়েছেন খুনের হুমকিও!

কাজের বাইরে নানা সময়ে বিভিন্ন কারণে খবরের শিরোনাম হন আহনা কুমরা। মিটু আন্দোলনের সময় বলিউড পরিচালক সাজিদ খানের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলেছিলেন। সালোনি চোপড়া নামের এক অভিনেত্রীর অভিযোগের সূত্র ধরেই প্রকাশ্যে অভিযোগ এনেছিলেন তিনি।

সম্প্রতি খুনের হুমকি পাওয়ায় ফের চর্চায় উঠে আসেন আহনা।
তার দাবি, ভোজপুরি অভিনেতা পবন সিংয়ের অনুরাগীরা নাকি ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন তাকে।

‘রাইজ অ্যান্ড ফল’ অনুষ্ঠানে পবন ছিলেন আহনার প্রতিযোগী। এ প্রতিযোগিতা চলাকালীন পবনের সঙ্গে ঝগড়া হয়েছিল তার। পরে প্রতিযোগিতা ছেড়ে বেরিয়ে যান দুজনেই।
অনুষ্ঠান থেকে বিদায় নেওয়ার সময় দুই প্রতিযোগী পরস্পরের কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করেন। কিন্তু সেই ঝগড়ার রেশ ভয়ংকর প্রভাব ফেলে চলেছে অভিনেত্রীর জীবনে।

এর আগে এক সাক্ষাৎকারে আহনা জানিয়েছিলেন, একটি ছবিতে অভিনয় করার বিষয়ে আলোচনা করার জন্য সাজিদের সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল অভিনেত্রীর। আহনাকে নাকি নিজের বাড়িতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন সাজিদ।

সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেছিলেন, ‘সাজিদ আমাকে স্পর্শ করেননি। কিন্তু অদ্ভুত ধরনের প্রশ্ন করছিলেন। তবে আমি ঘাবড়ে যাইনি। ওকে ভয় পাওয়ানোর জন্য বলেছিলাম যে, আমার মা পুলিশে কাজ করে। তার পর আর কথা বাড়াবার সাহস পাননি তিনি।

ছোট পর্দা দিয়ে শুরু, এরপর নাসিরুদ্দিন শাহের সঙ্গে ‘সোনা স্পা’ ছবিতে অভিনয় করে বড় পর্দায় অভিষেক হয় আহনা কুমরার। তার পর ‘আন্ডার মাই বোরখা’, ‘সালাম ভেঙ্কি’র মতো বেশ কিছু জনপ্রিয় ছবিতে তাকে দেখা গেছে।

নারীরাই বিএনপিকে ক্ষমতায় আনার প্রধান শক্তি : সেলিমা রহমান

নারীরাই বিএনপিকে ক্ষমতায় আনার প্রধান শক্তি বলে মন্তব্য করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক বেগম সেলিমা রহমান।

তিনি বলেন, নারী অধিকার ও ক্ষমতায়নে বিএনপিই পথপ্রদর্শক। অতীতেও নারীর ভোটেই বিএনপি পাঁচবার রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী দিনে নারীরাই বিএনপির সঙ্গে থেকে জনগণের সেতুবন্ধ তৈরি করে দলকে আবারও রাষ্ট্রক্ষমতায় আনবে।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব হলে নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে ‘সমাজে নারী ও শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা বিএনপির নির্বাচনী অগ্রাধিকার’ শীর্ষক এক আলোচনাসভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব এডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরীর পরিচালনায় এতে চট্টগ্রাম বিভাগের ৭ জেলার বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি ও অংশীজন সমন্বয়ে বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ভিপি হারুনুর রশীদ হারুন।

বেগম সেলিমা রহমান বলেন, এখন আর স্লোগান ও বিশাল সমাবেশের সময় নয়, বরং ঘরে ঘরে গিয়ে সংগঠিত হওয়ার সময়। বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দলের ভাবনা প্রচার করতে হবে।
এখন আমাদের স্লোগান নয়, মিটিং নয়, এখন আমাদের যেতে হবে প্রত্যেকের ঘরে ঘরে।

নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষার অভাব ও যৌতুকের কারণে নারীরা আজও নিপীড়িত। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই যৌতুকবিরোধী আইন প্রণয়ন করেছিলেন, যা নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় মাইলফলক।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে নারীরা রাজনীতি ও সমাজে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।

সভায় জনপ্রতিনিধির মধ্যে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম মহানগরীর সাবেক কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম মনি, জেসমিনা খানম, পটিয়ার আফরোজা বেগম জলি, বোয়ালখালীর শাহিদা আকতার শেপু, সীতাকুণ্ডের নাজমুন নাহার চৌধুরী, বিজিয়া মেম্বার, হাটহাজারীর নুরী মাহফুজা ইউছুপ, লায়লা ইয়াসমিন, টেকনাফের তাহেরা আকতার মিলি, খাগড়াছড়ির তাকলিমা সুলতানা, কাজুরী ত্রিপুরা, শিউলি বেগম, রাঙ্গামাটির বর্ণা চাকমা, বিলকিস বেগম, নুর নাহার বেগম, বান্দরবানের অ্যাড. উমা সিং মারমা, জায়তুন নাহার, কক্সবাজারের হুমায়রা বেগম, চকরিয়ার রাশেদা বেগম, উখিয়ার রোখসানা বেগম প্রমুখ।