রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

চীন তাইওয়ানে আক্রমণ করলে পরিণাম কী হবে শি জানেন : ট্রাম্প

চীন তাইওয়ানে আক্রমণ করলে তার পরিণতি কী হবে তা শি চিনপিং বোঝেন। রবিবার সম্প্রচারিত সিবিএস নিউজের এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছন। তবে তিনি স্পষ্টভাবে বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন যে আক্রমণ হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বীপটিকে রক্ষা করবে কি না?

ছয় বছরের মধ্যে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ায় চীনের রাষ্ট্রপতি শির সঙ্গে প্রথম মুখোমুখি বৈঠকে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘তাইওয়ানের বিষয়টি কখনো আলোচনায় আসেনি।’

সিবিএসের ‘৬০ মিনিটস’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, চীন যদি তাইওয়ানে সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তবে তিনি মার্কিন বাহিনীকে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেবেন কি না? ট্রাম্প বলেন, ‘এমনটা ঘটলে আপনি জানতে পারবেন এবং তিনি (শি চিনপিং) এর উত্তরও বোঝেন।

তবে ট্রাম্প শুক্রবার ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্টে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কী বোঝাতে চেয়েছিলেন, তা স্পষ্ট করেননি। তিনি বলেন, ‘আমি আমার গোপন বিষয় প্রকাশ করতে পারি না। অন্য পক্ষ তা জানে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করে বলেন, ‘চীনের প্রধানমন্ত্রী শি এবং তার ঘনিষ্ঠরা প্রকাশ্যে বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন আমরা কখনোই কিছু করব না।
কারণ তারা এর পরিণতি সম্পর্কে জানেন।’

চীন স্বশাসিত তাইওয়ানকে তাদের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে। দীর্ঘদিনের নীতির অধীনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শুধু বেইজিংকে স্বীকৃতি দেয়, তবে তাইওয়ানের আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র সরবরাহ করে। বিষয়টি উত্তেজনা বৃদ্ধি করছে এবং ট্রাম্প ও শি তাদের বৈঠকে এটি এড়িয়ে গেছেন বলে মনে হচ্ছে।
বরং ওয়াশিংটন এবং বেইজিংয়ের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধ কমানোর দিকে মনোনিবেশ করা হয়েছে।

সূত্র : এএফপি

আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের দায়িত্ব এসে

আগামী নির্বাচনে যারা দায়িত্বে থাকবেন তাদের ওপর আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের দায়িত্ব এসে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

সোমবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর ভাটারার আনসার গার্ড ব্যাটালিয়নে (এজিবি) আয়োজিত বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর থানা আনসার কোম্পানি, প্লাটুন সদস্যদের আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণের (চতুর্থ ধাপ) সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

নাসির উদ্দিন বলেন, ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মূল শক্তি আনসার বাহিনীর সদস্যরা। তারাই অধিক সংখ্যায় নিয়োজিত থাকেন। আগামী নির্বাচনে যারা দায়িত্বে থাকবেন তাদের ওপর আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের দায়িত্ব এসে পড়েছে।

তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের যে গতিপথ নির্ধারণ হবে সেখানে আনসার বাহিনীর বিশাল একটি ভূমিকা থাকবে।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে শুরু করে নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত থাকা দশ লাখ লোক ও জেলে থাকা আসামিরাও ভোট দিতে পারবেন বলে জানান সিইসি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আসন্ন জাতীয় ত্রয়োদশ নির্বাচনে এবার প্রায় দশ লাখ লোক মোতায়েন হবে। প্রিজাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে শুরু করে প্রায় দশ লাখ লোক নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। যারা নির্বাচনের ডিউটিতে থাকে মূলত তারা নিজেরাই ভোট দিতে পারেন না।

তিনি বলেন, আমরা এবার উদ্যোগ নিয়েছি যারা ভোটের ডিউটিতে থাকবেন তারা যেন সবাই ভোট দিতে পারেন। একটি অ্যাপ চালু করা হবে, যারা নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবেন তারা সবাই রেজিস্ট্রেশন করে নেবেন। আপনাদের বাড়ির ঠিকানায় ব্যালট পৌঁছে যাবে। গাইডলাইন অনুযায়ী ভোট দিতে পারবেন।

আইনি হেফাজতে যারা কারাগারে রয়েছেন তারাও এদেশের নাগরিক উল্লেখ করে সিইসি বলেন, তারাও যাতে ভোট দিতে পারে সে ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। এছাড়াও প্রবাসীও এবার ভোট দিতে পারবেন।

এ এম এম নাসির উদ্দিন আরও বলেন, ভবিষ্যতের জন্য কি বাংলাদেশ রেখে যাবো, কোন ধরনের বাংলাদেশ রেখে যাবো, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ রেখে যাবো কিনা, কীভাবে রেখে যাবো— তা নিয়ে আমাকে সারাক্ষণ ভাবায়। এটাকে আমি ব্যক্তিগতভাবে রুটিন দায়িত্ব হিসেবে নেইনি, চাকরি হিসেবে নেইনি, এটাকে আমি নিজের দায়িত্বের মিশন হিসেবে নিয়েছি, চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি।

আমি গতানুগতিক ধারার কাজে বিশ্বাসী নই উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, বিশেষ করে এই ধরনের সংকটময় মুহূর্তে ক্রিটিক্যাল অবস্থায় দেশ যখন রয়েছে, এখানে গতানুগতিক ধারায় কাজ করলে হবে না। আউট অব দ্যা ওয়েতে গিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সত্য-মিথ্যা যাচাই না করে শেয়ার করবেন না। মেসেজটা সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে পারেন। এটা দিয়ে শুরু হোক সচেতনতা কার্যক্রম। ইসিতে যাচাই বাছাইয়ের জন্য একটি সেল খুলেছি, আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সদ্য মিথ্যা যাচাই করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বকাপ জিতে রেকর্ড প্রাইজমানি পেল ভারত, বাকিদের পকেটে কত ঢুকল

নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়েছে ভারত। গতকাল (রোববার) নাবি মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৫২ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে হরমনপ্রীত কৌরের দল। ট্রফির পাশাপাশি বিরাট অর্থপ্রাপ্তিও ঘটেছে ভারতের (WORLD CUP PRIZEMONEY 2025)।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগমুহূর্তে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে মোট পুরস্কার ধরা হয়েছিল ১৩.৮৮ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৫৩ কোটি টাকা), যা ২০২২ সালের সর্বশেষ নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি। অবাক করা তথ্য হলো, নারীদের এই বিশ্বকাপের পুরস্কার অর্থ ২০২৩ সালের পুরুষদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের চেয়েও বেশি। সেবার পুরুষদের আসরে প্রাইজমানি ছিল ১০ মিলিয়ন ডলার।
আরও পড়ুন
টানা তিন হারের পরও যেভাবে শিরোপা জয়, যা বললেন ভারতীয় অধিনায়ক
উলভার্টের সেঞ্চুরি ব্যর্থ করে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত

এবারের আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় ভারত পেয়েছে ৪৪ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৫ কোটি টাকা। উল্লেখ্য, ২০২২ নারী বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া পেয়েছিল মাত্র ১.৩২ মিলিয়ন ডলার। সেবারের তুলনায় ভারতের পুরস্কার বেড়েছে প্রায় ২৩৯ শতাংশ। অন্যদিকে, ২০২৩ সালে ভারতের মাটিতে পুরুষ বিশ্বকাপ জিতে অস্ট্রেলিয়া পেয়েছিল ৪ মিলিয়ন ডলার, যা এবার পেছনে ফেলল নারী ক্রিকেট।

চ্যাম্পিয়ন ভারত পেয়েছে ৪৪ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৫ কোটি টাকা। উল্লেখ্য, ২০২২ নারী বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া পেয়েছিল মাত্র ১.৩২ মিলিয়ন ডলার। সেবারের তুলনায় ভারতের পুরস্কার বেড়েছে প্রায় ২৩৯ শতাংশ। অন্যদিকে, ২০২৩ সালে ভারতের মাটিতে পুরুষ বিশ্বকাপ জিতে অস্ট্রেলিয়া পেয়েছিল ৪ মিলিয়ন ডলার, যা এবার পেছনে ফেলল নারী ক্রিকেট।

ফাইনালে হেরে রানার্স-আপ হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাপ্তি চ্যাম্পিয়নের ঠিক অর্ধেক—২২ লাখ ৪০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ২৫ কোটি টাকারও বেশি। অন্যদিকে, সেমিফাইনালে হেরে যাওয়া দুই দল পাবে ১.১২ মিলিয়ন ডলার করে। এ ছাড়া পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানে দুই দল ৭ লাখ ডলার করে আর সপ্তম ও অষ্টম স্থানে থাকা দুই দল ২ লাখ ৮০ হাজার ডলার করে পাচ্ছে। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া আট দলই অংশগ্রহণ ফি হিসেবে পাবে ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার, সঙ্গে প্রতিটি গ্রুপপর্ব জয়ের জন্য অতিরিক্ত ৩৪ হাজার ৩১৪ ডলার করে।

বাংলাদেশ লিগ পর্বের খেলায় ৩ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম হয়েছে। অর্থাৎ টুর্নামেন্টে অবস্থানের দিক থেকে বাংলাদেশ পাচ্ছে ২.৮০ লাখ ডলার। এ ছাড়া ৭ ম্যাচের মধ্যে জয় পেয়েছে একটিতে—পাকিস্তানের বিপক্ষে। এখান থেকে জয় বাবদ ৩৪ হাজার ৩১৪ মার্কিন ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে এবারের নারী বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ সব মিলিয়ে মোট ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৩১৪ ডলার পাচ্ছে, যা বাংলাদেশি টাকায় ৬ কোটি ৯০ লাখ ২৭ হাজার টাকা।

প্রাইজবন্ডের ড্র, ছয় লাখ টাকা বিজয়ী ০১০৮৩৩১

১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২১তম ‘ড্র’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ছয় লাখ টাকার প্রথম পুরস্কার বিজয়ী সিরিজের নম্বর ০১০৮৩৩১। এ ছাড়া তিন লাখ ২৫ হাজার টাকা বিজয়ী দ্বিতীয় হয়েছে ০১৫৬৮৯৭ নম্বর।

তৃতীয় পুরস্কার এক লাখ টাক‌া ক‌রে দু‌টি বিজয়ী নম্বর হ‌লো– ০০৫৬৩৬২ ও ০৪৫৩৬৬৮। চতুর্থ পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা বিজয়ী নম্বর দুটি হলো ০৯১২৪৪৪ ও ০৯৮৩৫৭২।

রোববার (২ নভেম্বর) ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সম্মেলন কক্ষে এ ড্র অনুষ্ঠিত হয়।

প্রচলনযোগ্য ১০০ টাকা মূল্যমানের মোট ৮৩টি সিরিজের ৪৬টি সাধারণ সংখ্যা এবারে পুরস্কারের যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। একক সাধারণ পদ্ধতিতে (অর্থাৎ প্রত্যেক সিরিজের জন্য একই নম্বর) এই ‘ড্র’ পরিচালিত হয়। এগুলো হলো– কক, কখ, কগ, কঘ, কঙ, কচ, কছ, কজ, কঝ, কঞ, কট, কঠ, কড, কঢ, কথ, কদ, কন, কপ, কফ, কব, কম, কল, কশ, কষ, কস, কহ, খক, খখ, খগ, খঘ, খঙ, খচ, খছ, খজ, খঝ, খঞ, খট, খঠ, খড, খঢ, খথ, খদ, খন, খপ, খফ, খব, খম, খল, খশ, খষ, খস, খহ, গক, গখ, গগ, গঘ, গঙ, গচ, গছ, গজ, গঝ, গঞ, গট, গঠ, গড, গঢ, গথ, গদ, গন, গফ, গব, গম, গল, গশ, গষ, গপ, গস, গহ, ঘক ,ঘখ, ঘগ, ঘঘ এবং ঘঙ এই ‘ড্র’-এর আওতাভুক্ত।

এ ছাড়া পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে পাবেন ৪০ জন। তাদের নম্বরগুলো হলো– ০০১৩৩৮৬, ০২৬৫৯৩৮, ০৩৬৯১১৭, ০৬২০২৫৯, ০৭৯৯৭৩২, ০০১৪৯৯২, ০২৯২৯৪১, ০৪১৭৭২৮, ০৬২৪৭১৮, ০৮২১৬৭৭, ০০২৮১৮৩, ০২৯৬৪২৯, ০৪২৫৬৮৩, ০৬৭৪৩৪৪, ০৮৬৫১২২, ০০৫৩২২৬, ০৩২৭৯১০, ০৫০১০৪৩, ০৭১২৭৪০, ০৯০৩৩৯২, ০১১৯০৬৯, ০৩৪০৪০৭, ০৫১৫৫৪২, ০৭৫৯০৫৯, ০৯০৪৩৫২, ০১৬৮৮৭৩, ০৩৪৯৩১৫, ০৫৪৯৫২১, ০৭৬৯৩৯২, ০৯২২১৮০, ০২৪৪০৭৪, ০৩৫৫২০৬, ০৫৬৫৯৩৬, ০৭৮২৭২৮, ০৯৩৬৬১৭, ০২৫৭৫৯৪, ০৩৬৭৫২৯, ০৬০২২৬৫, ০৭৯১৪২৮ ও ০৯৮৫৯৫২।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি সত্যিই চাকরি কেড়ে নিচ্ছে?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কি সত্যিই মানুষের চাকরি কেড়ে নিচ্ছে? এই প্রশ্ন এখন কর্পোরেট দুনিয়ার বড় আলোচ্য বিষয়। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন সম্প্রতি প্রায় ১৪ হাজার করপোরেট কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এআই–এর সুযোগ কাজে লাগিয়ে তারা আরও ‘দক্ষভাবে’ পরিচালিত হতে চায়।

অ্যামাজনের এই ঘোষণা যেন নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে টেক খাতে। এর আগে অনলাইন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চেগ এআই–এর ‘নতুন বাস্তবতা’ উল্লেখ করে কর্মী সংখ্যা ৪৫ শতাংশ কমিয়েছে। সেলসফোর্স ৪ হাজার কর্মী ছাঁটাই করে জানিয়েছে, তাদের জায়গায় কাজ করছে এআই–চালিত কাস্টমার সার্ভিস এজেন্ট। ইউপিএসও জানিয়েছে, তারা গত এক বছরে ৪৮ হাজার চাকরি কমিয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সব ছাঁটাইয়ের পেছনে এআই দায়ী নয়। ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট ল্যাবের নির্বাহী পরিচালক মার্থা গিম্বেল বলেন, “সবাই এখন এআই নিয়ে এত উদ্বিগ্ন যে, কোনো কোম্পানি কর্মী কমালেই আমরা ধরে নিই সেটি এআইয়ের প্রভাব। কিন্তু বাস্তবে অনেক সময় এটি কেবল ব্যবসায়িক পুনর্গঠনের ফল।”

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, করোনার সময় যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার শূন্যের কাছাকাছি নামানো হলে প্রযুক্তি খাতে ব্যাপক নিয়োগ হয়। এখন সেই অতিরিক্ত কর্মীসংখ্যা কমানোর ধারা চলছে, যা অনেকাংশেই স্বাভাবিক অর্থনৈতিক চক্রের অংশ।

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২২ সালের পর থেকে যেসব পেশায় এআই ব্যবহারের হার বেশি, সেসব ক্ষেত্রে বেকারত্বও বেড়েছে। তবে পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মরগান ফ্র্যাঙ্ক বলেন, “চ্যাটজিপিটি চালুর পর কেবল প্রশাসনিক ও অফিস সহায়তাকারী কর্মীরাই বেকারত্বে পড়েছেন। টেক পেশাজীবীদের ক্ষেত্রে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি।”

তবে অ্যামাজন এখনো ভালো ব্যবসা করছে। তাদের ২০২৪ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আয় আগের বছরের তুলনায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬৭.৭ বিলিয়ন ডলার।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, অ্যামাজনের মতো বড় প্রতিষ্ঠান একদিকে যেমন এআই প্রযুক্তির উদ্ভাবক, তেমনি বড় ব্যবহারকারীও। ফলে তারা সহজেই কিছু কাজ স্বয়ংক্রিয় করতে পারছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না যে এআই–এর কারণে বড় ধরনের বেকারত্ব তৈরি হয়েছে। তবে এক বিষয় স্পষ্ট যে, চাকরির ধরন বদলে যাচ্ছে। কেউ চাকরি হারাচ্ছেন, কেউ আবার নতুন ভূমিকা পাচ্ছেন।

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে এক দিনে ১ হাজার ৭০৯ মামলা

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ১ হাজার ৭০৯টি মামলা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।

শনিবার (১ নভেম্বর) দিনভর পরিচালিত অভিযানে এসব মামলা করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী- ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৩৫টি বাস, ৪টি ট্রাক, ২৬টি কাভার্ডভ্যান, ৪৭টি সিএনজি ও ১৭৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৫৪টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৪৪টি বাস, ১টি ট্রাক, ১১টি কাভার্ডভ্যান, ১৪টি সিএনজি ও ২৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৩০টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১১টি বাস, ২টি ট্রাক, ১৩টি কাভার্ডভ্যান, ৪৩টি সিএনজি ও ১৫৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৬৭টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৬ টি বাস, ৮টি ট্রাক, ১৩টি কাভার্ডভ্যান, ১৬টি সিএনজি ও ১১০টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৯৫টি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৮১টি বাস, ৩টি ট্রাক, ৮টি কাভার্ডভ্যান, ২৯টি সিএনজি ও ৫০ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৮২টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৪৩টি বাস, ১৩টি ট্রাক, ১৪টি কাভার্ডভ্যান, ৩৩টি সিএনজি ও ৭৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৫০টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৮টি বাস, ১০টি সিএনজি ও ৪৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৯৩টি মামলা হয়েছে।

এছাড়াও ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ৬টি বাস, ৮টি ট্রাক, ১টি কাভার্ডভ্যান, ২১টি সিএনজি ও ৬১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৩৮টি মামলা হয়েছে। এছাড়াও অভিযানকালে মোট ৩০৫টি গাড়ি ডাম্পিং ও ১০৫ টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, রাজধানীতে ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ৩ মাস আগে অবসরে কিউই তারকা

২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর আর আন্তর্জাতিক ফরম্যাটটিতে দেখা যায়নি নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক কেইন উইলিয়ামসনকে। ফলে টি-টোয়েন্টিতে তার ভবিষ্যৎ কী হবে সেই জল্পনা চলছিল। আরেকটি বিশ্বকাপ (২০২৬) শুরুর মাত্র তিন মাস বাকি থাকতেই অবসরের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন উইলিয়ামসন। একইসঙ্গে বাকি দুই ফরম্যাটে খেলা চালিয়ে যাবেন বলেও জানিয়েছেন।

৩৫ বছর বয়সী এই তারকা ২০১১ সালের অক্টোবরে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষেকের পর থেকে ৯৩টি ম্যাচ খেলেছেন। এখনও তিনি ফরম্যাটটিতে কিউইদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক। ৩৩.৪৪ গড়, ১২৩.০৮ স্ট্রাইকরেট ও ১৮টি ফিফটি নিয়ে ২৫৭৫ রান করেছেন উইলিয়ামসন। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে তার বেশিরভাগ ম্যাচই (৭৫) আবার অধিনায়ক হিসেবে কেটেছে। তার নেতৃত্বে ২০১৬ ও ২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল এবং ২০২১ আসরে ফাইনাল খেলেছে নিউজিল্যান্ড। তবে শিরোপার কাছে গিয়ে হতাশা নিয়ে ফিরতে হয়েছে।

আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে বসতে পারে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। তার আগে অবসরের সিদ্ধান্ত জানিয়ে উইলিয়ামসন বলছেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে যার (টি-টোয়েন্টি) অংশ হতে পেরে ভালো লাগার অনুভূতি ছিল এবং এখানে তৈরি হওয়া স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। নিজের এবং দলের কথা বিবেচনায় নেওয়ার এটাই সঠিক সময়। এটি আসন্ন সিরিজ এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে সিদ্ধান্ত নিতে দলকে একটা নিশ্চয়তা দেবে।’

জাতীয় দলে তরুণ উত্তরসূরী ও অধিনায়কের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘এখন টি-টোয়েন্টিতে আমাদের অনেক প্রতিভা আছে, তাদেরকে নিয়ে ক্রিকেটকে সামনে এগিয়ে নেওয়া এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। মিচ (মিচেল স্যান্টনার) দুর্দান্ত অধিনায়ক এবং নেতা, নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে সে দলকে টেনে নিয়ে চলছে। এই ফরম্যাটে ব্ল্যাকক্যাপদের এগিয়ে নেওয়ার গুরুভার তাদের ওপর এবং আমি যতটা সম্ভব সমর্থন দিয়ে যাব।’

নিউজিল্যান্ডের প্রয়োজনে ভবিষ্যতে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে চান বলেও কোচ রব ওয়াল্টারকে জানিয়েছিলেন উইলিয়ামসন। তবে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী স্কট উইনিঙ্ক বলছেন, ‘আমরা কেইনকে স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছি, বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের শেষ পর্যন্ত তার প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন থাকবে। আমরা যতটা সম্ভব তাকে জাতীয় দলে খেলতে দেখতে চাই। ফলে তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কখন নেওয়া নিয়ে কোনো দ্বিধা থাকা উচিত নয়। তিনি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের কিংবদন্তি হয়েই থাকবেন।’

ডিসেম্বরে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজ খেলবে নিউজিল্যান্ড। সাদা পোশাকের ক্রিকেটের জন্য উইলিয়ামসন প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন উইনিঙ্ক। ওয়ানডের কথা উল্লেখ না করায় ধারণা করা হচ্ছে– সম্ভবত আসন্ন ক্যারিবীয়দের সফরে কেবল টেস্টে খেলবেন উইলিয়ামসন।

বিশ্বকাপের ফাইনালসহ টিভিতে যেসব খেলা দেখবেন

মেয়েদের বিশ্বকাপ ফাইনালে আজ (রোববার) ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা মুখোমুখি হবে। চলছে এনসিএল, রাতে নিজেদের লিগে বার্সেলোনা, ম্যানচেস্টার সিটি, ইন্টার ও এসি মিলানের মতো ক্লাবগুলোর ম্যাচ রয়েছে।

জাতীয় ক্রিকেট লিগ
সিলেট-ঢাকা
সকাল ৯-৩০ মি., ইউটিউব/বিসিবি লাইভ

ময়মনসিংহ-রংপুর
সকাল ৯-৩০ মি., ইউটিউব/বিসিবি লাইভ

খুলনা-রাজশাহী
সকাল ৯-৩০ মি., ইউটিউব/বিসিবি লাইভ

চট্টগ্রাম-বরিশাল
সকাল ৯-৩০ মি., ইউটিউব/বিসিবি লাইভ

৩য় টি-টোয়েন্টি
অস্ট্রেলিয়া-ভারত
বেলা ২-১৫ মি., স্টার স্পোর্টস ২

নারী বিশ্বকাপ : ফাইনাল
ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা
বেলা ৩-৩০ মি., টি স্পোর্টস ও স্টার স্পোর্টস ১

টেনিস
প্যারিস মাস্টার্স ফাইনাল
রাত ৮টা, সনি স্পোর্টস ৫

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
ওয়েস্ট হাম-নিউক্যাসল
রাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১

ম্যান সিটি-বোর্নমাউথ
রাত ১০-৩০ মি., স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১

লা লিগা
বার্সেলোনা-এলচে
রাত ১১-৩০ মি., বিগিন অ্যাপ

সিরি আ
হেল্লাস-ইন্টার মিলান
বিকেল ৫-৩০ মি., ডিএজেডএন

এসি মিলান-রোমা
রাত ১-৪৫ মি., ডিএজেডএন

৪ বছর পর টিটির টুর্নামেন্টে নেই চ্যাম্পিয়ন মানস

২০২১ সালে ফেডারেশন কাপ টিটি হয়েছিল। চার বছর পর গতকাল থেকে শুরু হয়েছে আবার এই আসর। গত টুর্নামেন্টের পুরুষ একক বিভাগের চ্যাম্পিয়ন মানস চৌধুরি এবার খেলছেন না।

বাংলাদেশের টেবিল টেনিসে অনেক সাফল্যের সঙ্গে জড়িত মানস। কখনো ফেডারেশন কাপ মিস করেছেন কিনা মনে করতে পারছেন না সাবেক চ্যাম্পিয়ন, ‘ফেডারেশন কাপে নিয়মিতই অংশগ্রহণ করি। এবার পায়ের লিগামেন্টে ব্যথা পাওয়ায় খেলতে পারছি না। দীর্ঘদিনের টেবিল টেনিসের ক্যারিয়ারে পাঁচবার ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। ফেড কাপ কখনো খেলতে পারিনি এমন মন হয় না।’

আগামী ৭-২১ নভেম্বর সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত হবে ইসলামিক সলিডারিটি গেমস। এই গেমসে খেলতে ৫ নভেম্বর ঢাকা ছাড়বে বাংলাদেশ টেবিল টেনিস দল।

এই গেমসের আগে ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে ফেডারেশন কাপ টেবিল টেনিস টুর্নামেন্ট। তিন দিন ব্যাপী এই টুর্নামেন্টে পুরুষদের ৩৩টি ও মেয়েদের ৯টি দল অংশ নিচ্ছে। সব মিলিয়ে ১৫৯ জন পুরুষ খেলোয়াড়ের পাশাপাশি ৩৪ জন নারী খেলোয়াড় অংশ নিচ্ছেন এবারের ফেডারেশন কাপে। প্রতিযোগিতায় পুরুষ ও নারী একক এবং দলগত- এই চারটি ইভেন্টে হবে খেলা।

ইসলামিক গেমসের আগে ফেডারেশন কাপ টুর্নামেন্ট নিয়ে টেবিল টেনিস খেলোয়াড় জাভেদ আহমেদ, ‘যেহেতু ইসলামিক সলিডারিট গেমস ৭ নভেম্বর থেকে শুরু। ফেডারেশন কাপ ওই প্রতিযোগিতার জন্য ভালো প্রস্তুতি হওয়ার কথা। কারণ এমন টাফ ম্যাচ খেলা হলে ওখানে আরেকটু স্বাচ্ছন্দ্যে খেলতে পারব। কারণ এমনিতে আমাদের ম্যাচ খেলা কম হয়। তাই আমি মনে করি এই টুর্নামেন্ট আমাদের জন্য খুব কাজে দেবে। এই টুর্নামেন্ট খেললে প্রকৃত রেজাল্ট বোঝা যাবে যে এই প্র্যাকটিসের মাধ্যমে কতটা উন্নতি করলাম।’

আরেক খেলোয়াড় রামহিম লিয়ন বমের প্রত্যাশা আরও বড়। ফেডারেশন কাপ খেলে ইসলামিক গেমসের সেমিফাইনালে যেতে চান তিনি, ‘প্রথমেই নতুন কমিটিকে ধন্যবাদ দিতে চাই। তারা এসেই অনেকগুলো টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে। আরও টুর্নামেন্ট হলে খেলোয়াড়রা আরও প্রস্তুতি নিতে পারবে। এবার বড় গেমসের আগে এমন প্রতিযোগিতা আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে। আগের বার ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছিলাম। এবার আশা করি সেমিফাইনাল খেলব।’

নাইম-রবিনের সেঞ্চুরিতে শক্ত ভিত ময়মনসিংহের

জাতীয় ক্রিকেট লিগে রংপুরের বিপক্ষে দারুণ শুরু পেয়েছে ময়মনসিংহ। নাইম শেখ ও মাহফিজুল ইসলাম রবিনের জোড়া সেঞ্চুরিতে দুই উইকেটে ২৮১ রান করে দিন শেষ করেছে তারা।

কক্সবাজারের একাডেমী মাঠে ময়মনসিংহকে দারুণ শুরু এনে দেন দুই ওপেনার রবিন এবং নাইম। দুজনে মিলে উদ্বোধনী জুটিতেই যোগ করেন ২২০ রান। দুজই পেয়েছেন সেঞ্চুরির দেখা।

৯টি চার ও দুটি ছক্কায় ১৬৩ বলে ১১১ রান করে নাইম ফিরলে ভাঙে এই জুটি। মোহাম্মদ আবু হাসিমের গুড লেংথের বলে লফটেড শট খেলতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে ক্যাচ দেন এই ওপেনার।

দ্বিতীয় উইকেটে ৪৯ রানের জুটি গড়েন রবিন এবং আইচ মোল্লা। ২২৮ বলে ১৩টি চার এবং দুটি ছক্কায় ১২৭ রান করেন রবিন। জাহিদ জাভেদের বলে বোল্ড হয়েছেন এই তরুণ ওপেনার।

আলোকসল্পতার জন্য এ দিন ৮২ ওভার খেলা হয়। দিনের বাকি সময়ে আর কোনো উইকেট হারায়নি ময়মনসিংহ। আইচ ৭৯ বলে ২৩ এবং মজিদ ২৬ বলে আট রানে অপরাজিত থাকেন।