শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬

মেট্রো রেলের ছাদে উঠলেন দুই ব্যক্তি, চলাচল বন্ধ

রাজধানীতে মেট্রো রেলের চলাচল সায়মিকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। রবিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায় ঢাকা ম্যাস ট্যানজিট কম্পানি লিমিটেড।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ সচিবালয় স্টেশনে মেট্রো রেলের ছাদের ওপর দুজন ব্যক্তি উঠে পড়ায় মেট্রো রেল চলাচল সাময়িক বন্ধ আছে।

মেট্রো রেল যাত্রীদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।

নিলাম শেষে কেমন হলো বিপিএলের দলগুলো

বিপিএলের নিলামের শুরু এবং শেষটায় চমক। প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে নিলামে নাম উঠা নাঈম শেখকে ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় নিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। আর কোনো দেশীয় ক্রিকেটারের দাম কোটির ঘর স্পর্শ করেনি।

অন্যদিকে নিলামের শেষটায় চমক হয়ে আসে এমিলিয়া গের নাম।
ইতালিয়ান এই অলরাউন্ডারকে দলে ভিড়িয়েছে রংপুর রাইডার্স। শর্ত অনুযায়ী নিলাম থেকে দুজন বিদেশি ক্রিকেটার নিতে হতো প্রত্যেক দলকে। কিন্তু রংপুর সেই শর্ত পূরণ না করায় পরে ইচ্ছা অনুযায়ী এমিলিয়ার সঙ্গে পাকিস্তানের মোহাম্মদ আখলাককে দলে নেয় একবারের বিপিএল চ্যাম্পিয়নরা।

নিলাম শেষে কোন দল কেমন হলো দেখে নেওয়া যাক—

রংপুর রাইডার্স

সরাসরি চুক্তি : নুরুল হাসান সোহান, মুস্তাফিজুর রহমান, খাজা নাফি, সুফিয়ান মুকিম

নিলাম থেকে নেওয়া স্থানীয় ও বিদেশি ক্রিকেটার: লিটন দাস (৭০ লাখ), তাওহিদ হৃদয় (৯২ লাখ), নাহিদ রানা (৫৬ লাখ), রকিবুল হাসান (৪২ লাখ), আলিস আল ইসলাম (২৮ লাখ), মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী (১৮ লাখ), নাঈম হাসান (১৮ লাখ),, মেহেদি হাসান সোহাগ (১১ লাখ), মাহমুদউল্লাহ (৩৫ লাখ), আব্দুল হালিম (১১ লাখ), এমিলো গে (১০ হাজার ডলার), মোহাম্মদ আখলাক (১০ হাজার ডলার)

ঢাকা ক্যাপিটালস

সরাসরি চুক্তি: তাসকিন আহমেদ, সাইফ হাসান, উসমান খান, অ্যালেক্স হেলস

নিলাম থেকে নেওয়া স্থানীয় ও বিদেশি ক্রিকেটার: শামীম পাটোয়ারী (৫৬ লাখ), সাইফউদ্দিন (৬৮ লাখ), মোহাম্মদ মিঠুন (৫২ লাখ), তাইজুল ইসলাম (৩০ লাখ), সাব্বির রহমান (২৮ লাখ) , নাসির হোসেন (১৮ লাখ), তোফায়েল আহমেদ (১৮ লাখ), ইরফান শুক্কুর (১৮ লাখ), আব্দুল্লাহ আল মামুন (১৪ লাখ), মারুফ মৃধা (১৪ লাখ), জায়েদ উল্লাহ (১১ লাখ), দাসুন শানাকা (৫৫ হাজার ডলার), জুবাইরউল্লাহ আকবর (২০ হাজার)

সিলেট টাইটানস

সরাসরি চুক্তি: নাসুম আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, সায়েম আইয়ুব, মোহাম্মদ আমির

নিলাম থেকে নেওয়া স্থানীয় ও বিদেশি ক্রিকেটার: পারভেজ হোসেন (৩৫ লাখ), খালেদ আহমেদ (৪৭ লাখ), আফিফ হোসেন (২২ লাখ), রনি তালুকদার (২২ লাখ), জাকির হাসান (২২ লাখ), রুয়েল মিয়া (২৩ লাখ), আরিফুল ইসলাম (২৬ লাখ), ইবাদত হোসেন (২২ লাখ), শহিদুল ইসলাম (১৪ লাখ), রাহাতুল ফেরদৌস জাভেদ (১৪ লাখ), তৌফিক খান তুষার (১৪ লাখ), মুমিনুল হক (২২ লাখ), রবিউল ইসলাম রবি (১১ লাখ), অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস (৩৫ হাজার ডলার), অ্যারন জোন্স (২০ হাজার ডলার),

রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

সরাসরি চুক্তি: নাজমুল হোসেন, তানজিদ হাসান, সাহিবজাদা ফারহান, মোহাম্মদ নওয়াজ

নিলাম থেকে নেওয়া স্থানীয় ও বিদেশি ক্রিকেটার: তানজিম হাসান (৬৮ লাখ), ইয়াসির আলি (৪৪ লাখ), আকবর আলী (৩৪ লাখ), রিপন মণ্ডল (২৫ লাখ), জিসান আলম (১৮ লাখ), হাসান মুরাদ (১৮ লাখ), আব্দুল গাফফার (৪৪ লাখ), মেহেরব হাসান (৩৯ লাখ), ওয়াসী সিদ্দিকী (১৯ লাখ), মোহাম্মদ রুবেল (১১ লাখ), মুশফিকুর রহিম (৩৫ লাখ), দুশান হেমান্থ (২৫ হাজার ডলার), জাহান্দাদ খান (২০ হাজার ডলার)

চট্টগ্রাম রয়্যালস

সরাসরি চুক্তি: মেহেদী হাসান, তানভীর ইসলাম, আবরার আহমেদ

নিলাম থেকে নেওয়া স্থানীয় ও বিদেশি ক্রিকেটার: মোহাম্মদ নাঈম (১ কোটি ১০ লাখ), শরীফুল ইসলাম (৪৪ লাখ), আবু হায়দার (২২ লাখ), মাহমুদুল হাসান (৩৭ লাখ), সুমন খান (৩২ লাখ), জিয়াউর রহমান (৩০ লাখ), আরাফাত সানি (১৮ লাখ), মুকিদুল ইসলাম (৩৩ লাখ), সালমান হোসেন (১৪ লাখ), শুভাগত হোম (১৪ লাখ), জাহিদুজ্জামান সাগর (১১ লাখ), নিরোশান ডিকভেলা (৩৫ হাজার ডলার), অ্যাঞ্জেলো পেরেরা (২০ হাজার ডলার)

নোয়াখালী এক্সপ্রেস

সরাসরি চুক্তি: হাসান মাহমুদ, সৌম্য সরকার, জনসন চার্লস, কুশল মেন্ডিস

নিলাম থেকে নেওয়া স্থানীয় ও বিদেশি ক্রিকেটার: জাকের আলী (৩৫ লাখ), মাহিদুল ইসলাম (৩৫ লাখ), হাবিবুর রহমান সোহান (৫০ লাখ), নাজমুল ইসলাম অপু (১৮ লাখ), আবু হাশিম (১৮ লাখ), মুশফিক হাসান (১৮ লাখ), শাহাদাত হোসেন (১৮ লাখ), রেজাউর রহমান (১৮ লাখ), মেহেদি হাসান (১৪ লাখ), সৈকত আলী (১৪ লাখ), সাব্বির হোসেন (১৪ লাখ), ইহসানউল্লাহ (২৮ হাজার ডলার), হায়দার আলি (২৫ হাজার ডলার)।

শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি কাল

‘জয় বাংলা ব্রিগেড’র জুম মিটিংয়ে অংশ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাত ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামীকাল সোমবার দিন ধার্য রয়েছে।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এ আসামিদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ গঠন শুনানি হওয়ার কথা হয়েছে। এর আগে মামলাটি বিচারের জন্য মামলাটি এই আদালতে বদলি করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বলেন, মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এ বদলি করা হয়েছে।
সোমবার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য রয়েছে।

এর আগে গত ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে আদালতে মামলাটি করেন সিআইডির সহকারী বিশেষ পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক। তদন্ত শেষে গত ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তিনি। ১৪ আগস্ট অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
গত ১১ সেপ্টেম্বর আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। গত ১৪ অক্টোবর শেখ হাসিনাসহ পলাতক ২৬১ জনকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ দেন। পরবর্তী জাতীয় দুইটি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১১ নভেম্বর মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর জুম মিটিংয়ে শেখ হাসিনাসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এ সময় শেখ হাসিনা তার নেতাকর্মীদের কাছে দেশবিরোধী বক্তব্য দেন। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উৎখাতের নির্দেশ দেন। এ বক্তব্য সারা দেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড বাস্তবায়িত হবে : গণশিক্ষা উপদেষ্টা

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা বেতন গ্রেড বাড়ানোর জন্য দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন। তাদের দাবি ১১তম গ্রেড, সেটির সঙ্গে আমরা সহমত পোষণ করি। নন-অফিশিয়াললি কথাবার্তার মাধ্যমে জানতে পেরেছি, শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডের দাবি বাস্তবায়িত হবে।’

রবিবার (৩০ নভেম্বর) ভোলার মনপুরা উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যে বেতন কমিশন গঠিত হয়েছে, সেখানেও আমরা এটা লিখেছি এবং অনবরত যোগাযোগ বহাল রাখছি। যেখানে শিক্ষকদের দাবিকে আমরা নিজেদের দাবি হিসেবে গ্রহণ করছি এবং তাদের পক্ষে কাজ করছি। এই দাবি বাস্তবায়িত হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি, শিক্ষকরা তাদের কর্মসূচি স্থগিত করবেন।
কারণ সামনে বার্ষিক পরীক্ষা, সেই পরীক্ষায় ছাত্রদের স্বার্থকে হুমকির মুখে ফেলানো ঠিক না। আমি জানতে পেরেছি ১১টি শিক্ষক সংগঠন পরীক্ষা সামনে রেখে আন্দোলন স্থগিত করেছেন। এর বাইরে আরো দু-একটি সংগঠন এখনো এ রকম ঘোষণা দেয়নি। আমি আশা করব, তারাও অন্যদের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে একই পথে আসবে।
তারা আমাদের পরীক্ষাকে বাধাগ্রস্ত করবেন না।’

উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি আশা করব, বছরের শেষ পরীক্ষায় যাতে শিক্ষা কার্যক্রম কোনো ক্রমেই বাধাগ্রস্ত না হয়। কারণ, তাদের কাজ শিক্ষকতা করা, আর আমাদের কাজ তাদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা। যেহেতু আমরা তাদের দাবিটা যৌক্তিক মনে করে কাজ করে যাচ্ছি এবং আশ্বস্ত হচ্ছি, সেই ক্ষেত্রে তাদের কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়ার কোনো যৌক্তিকতা আছে বলে মনে করি না।’

অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, ‘যে অঞ্চলগুলো দুর্গম, সেসব অঞ্চলের শিক্ষকদের প্রণোদনা দেওয়ার জন্য বিশেষ ভাতা চালু করা হবে।
কিছু অঞ্চলে ইতোমধ্যে চালু রয়েছে। যেসব অঞ্চলে চালু নেই, সেগুলোও চালু করার চেষ্টা করছি।’

এ সময় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আতিকুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন পরিচালক মিরাজুল ইসলাম উকিল, ভোলা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজহারুল হক, মনপুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফজলে রাব্বি, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. কামরুল হাসানসহ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

একটি ভোটকক্ষে দুটি গোপন কক্ষ রাখার পরিকল্পনা : ইসি সচিব

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি ভোটকক্ষে দুটি গোপন কক্ষ রাখার পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল শনিবার মক ভোটিংয়ের অভিজ্ঞতা থেকে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। আজ রবিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে আন্ত মন্ত্রণালয়ের সভা শেষে তিনি এ কথা জানান।

ইসি সচিব বলেন, ‘একটি ভোটকক্ষে দুটি গোপন কক্ষ (স্ট্যাম্পিং বুথ) রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সময় কমবে এবং কেন্দ্রে ভিড় এড়ানো যাবে। সম্ভবত ভোটকেন্দ্র বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না। তবে প্রতিটি বুথে গোপন কক্ষের সংখ্যা বাড়ানো লাগতে পারে।’

প্রবাসীদের নিবন্ধনের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘প্রবাসী ভোটারদের জন্য বন্ধ থাকা নিবন্ধন প্রক্রিয়া পুনরায় চালু হয়েছে।
একই সঙ্গে তথ্য সংশোধনের জন্য এডিট মোড (ঠিকানা সংশোধনের ব্যবস্থা) যুক্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে অ্যাপ ডাউনলোড করেছেন ২ লাখ ১০ হাজারের বেশি প্রবাসী এবং নিবন্ধন হয়েছে প্রায় ১ লাখ। ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রবাসীদের নিবন্ধন করতে উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন।’

ইসি সচিব বলেন, ‘ভোটের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আতিথ্য গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা কঠোর করা হবে।
এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে তাদের ভাতা ও আর্থিক সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে। এ ছাড়া ব্যালট পেপার প্রিন্টিংয়ের কাজ দেশে সরকারি প্রেসে এবং প্রবাসী ভোটের ব্যালট সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা প্রেসে সম্পন্ন হচ্ছে। ডাক বিভাগকে তেজগাঁও ও বিমানবন্দর সর্টিং সেন্টার পরিদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভোটারদের সহযোগিতায় স্থানীয়ভাবে উপযোগী ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘গণভোট, আউট-অফ-কান্ট্রি ভোটিং, এআই অপব্যবহার প্রতিরোধ এবং ভোটার শিক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রচারণা জোরদার করার কথা বলা হয়েছে।
মাঠ পর্যায়ে মাইকিং, স্থানীয় প্রচারণা ও টিভি কভারেজ বাড়ানো প্রয়োজন। চূড়ান্ত সময়-পর্যালোচনা ও ভোটের তারিখ ঘোষণার পরই মূল কাজ গতিশীল হবে এবং নতুন চ্যালেঞ্জ এলে পর্যায়ক্রমে তা সমাধান করা হবে। বড় পরিসরের এই নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্ততিতে মাঠ প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা হচ্ছে।’

নভেম্বর মাসে ডেঙ্গুতে ৯৯ জনের মৃত্যু, চলতি বছরে সর্বোচ্চ

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে এডিস মশাজনিত রোগ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৩৮২ জনের মৃত্যুর তথ্য দিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে নভেম্বর মাসে ৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা চলতি বছরের সর্বোচ্চ।

এদিকে গত এক দিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৩৬ জন। এ নিয়ে চলতি বছরে হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৯৪ হাজার ৪০২ জনে।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৯২ হাজার ২৫ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে দুই হাজার ৩৭৭ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৩৮২ জনের। যার মধ্যে নভেম্বর মাসেই মৃত্যু হয়েছে ৯৯ ডেঙ্গু রোগীর। যা চলতি বছরে এক মাসে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

গত অক্টোবর মাসে মৃত্যু হয়েছে ৮০ জনের। আর সেপ্টেম্বরে ৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল ডেঙ্গুতে।

এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১০, ফেব্রুয়ারি মাসে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মার্চ ছিল মৃত্যুহীন। এপ্রিলে ৭, মে মাসে ৩ জনের মৃত্যু হলেও বাড়তে থাকে জুন মাস থেকে।
জুনে ডেঙ্গুতে ১৯ জনের মৃত্যু হয়। জুলাইয়ে সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ৪১ জনে আর আগস্টে মৃত্যু ছিল ৩৯ জনের।

বিয়ে নিয়ে সমালোচনার খোলামেলা জবাব দিলেন শবনম ফারিয়া

গেল সেপ্টেম্বরে দ্বিতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। মসজিদে বিয়ে এবং স্বামীকে নিয়ে বক্তব্যে বেশ সমালোচনার মুখে পড়েন অভিনেত্রী। এবার এক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে বিয়ে ও স্বামীকে নিয়ে বেশ খোলামেলা আলাপ করেছেন তিনি।

জানিয়েছেন, মসজিদে বিয়ের সিদ্ধান্তটা আসলে কার ছিল? স্বামীর বয়স নিয়েও একেবারে সোজাসাপ্টা উত্তর দিয়েছেন শবনম ফারিয়া।

মসজিদে বিয়ের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে শবনম ফারিয়া বলেছেন, মসজিদে বিয়ের পরিকল্পনা একেবারেই তিনি বা তার স্বামী নেননি।

এরপর উল্টো প্রশ্ন ছুড়ে ফারিয়া বলেন, ‘বাংলাদেশে কোনো ছেলে বা মেয়ে যখন বিয়ে করে তখন কি ছেলে বা মেয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেন? সেভাবেই যেহেতু বাবা নেই, অভিনেত্রীর জীবনের যেকোনো সিদ্ধান্ত মা ও বড় দুই বোন-বোন জামাইয়ের কাছ থেকে অনুমোদন নিয়ে আসতে হয়।’

মসজিদে বিয়ের ব্যাপারটা গোপন রেখে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা দিয়েই বিয়ের খবর জানাতে চেয়েছিলেন ফারিয়া। না জানিয়ে বিয়েটা মানুষ স্বাভাবিকভাবে নেয়নি।
পরে স্বামীর পরামর্শে ফেসবুকে বিষয়টা জানিয়েছেন শবনম ফারিয়া।

স্বামীর বয়স নিয়েও মানুষের মনে নানা প্রশ্ন জেগেছিল সেই সময়। এ ব্যাপারে শবনম ফারিয়া বলেন, ‘আমার হাজব্যান্ড অনেক ফিট। সে কারণে তাকে তরুণ দেখায়।
কিন্তু ওর অনেক বয়স। সেটা একদমই বোঝা যায় না। আমার থেকে বেশ বড়।’

প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বেকারত্ব বাড়ানো সমাধান নয় : মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিগত ১৫ বছরে যারা লুটপাটে জড়িত ছিল তাদের শাস্তি দিন, কিন্তু তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বেকারত্ব তৈরি করা কোনো সমাধান নয়। গতকাল শনিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা পরিবর্তন করা দরকার। তাদের বিশ্বাস করতে হবে।
লুটপাটে যারা জড়িত তাদের শাস্তি দিন। কিন্তু প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে কেন বেকারত্ব তৈরি করছি? এগুলো ভাবতে হবে। শুধু অর্থনৈতিক পথরেখা নয়, রাজনৈতিক পথরেখাও তৈরি করতে হবে। একটা দেশ যেখানে সব মানুষ তারা অন্তত একটা বেটার লিভিংয়ে থাকবে, ভালো অবস্থায় থাকবে এবং একটা ভালো গভর্ন্যান্সের মধ্যে থাকবে, ডেমোক্রেসিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবে।
এই বিষয়টা আমরা দেখতে চাই।’

তিনি আরো বলেন, ‘রাজনীতির পথরেখা স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে বিএনপি এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে। আমরা এই যে রিফর্মগুলো করেছি, চার্টারে সই করেছি, ঘোষণাপত্র সই করেছি। একটা জিনিস আমি খুব পরিষ্কার করে আপনাদের সামনে বলতে চাই, রিফর্মের যে প্রস্তাবগুলো আমরা সই করেছি, এসব ২০১৬ সালে আমাদের নেত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এফিশিয়েন্টলি দিয়েছিলেন।
আজকের যে বিষয়গুলোতে আমরা একমত হয়েছি তার অনেক বিষয় সেখানে কিন্তু ছিল।’

মির্জা ফখরুল বলেন, স্বাস্থ্য খাতে আমাদের অনেক বেশি কাজ করা দরকার। একই সঙ্গে যেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেটা হচ্ছে শিক্ষা খাতকে আমূল পরিবর্তন করা। আমাদের জনগণের উন্নয়নের উপযোগী করার জন্য সবচেয়ে বেশি শিক্ষাকে ঢেলে সাজানো দরকার। এ জন্য রাজনৈতিক পথরেখায় স্থায়িত্ব ও স্থিতিশীলতা জরুরি।
সামগ্রিকভাবে আমরা সবসময়ই বাংলাদেশকে একটা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হিসেবেই দেখতে চাই। বিএনপি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে সবসময় দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে ভূমিকা রেখেছে। ওপেন ইকোনমি যুগের সূচনা করেছেন জিয়াউর রহমান। বিএনপি অর্থনীতি ধ্বংস করেছে, এ কথা কেউ কখনো বলতে পারেনি।

একই অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বিএনপির সময় কোনো দিন ক্যাপিটাল মার্কেটে (পুঁজিবাজার) ধস নামেনি। বিএনপির সময় পলিটিক্যাল ডিসিশন নিয়ে গভর্নর অ্যাপয়েন্টমেন্ট করেনি। যেহেতু আমাদের সময় ব্যাংকিং সেক্টরে কোনো দিন সমস্যা হয়নি, আগামী দিনেও হবে না ইনশাআল্লাহ। রাজনীতিতে যেভাবে আমরা গণতন্ত্রের কথা বলছি, অর্থনীতিকেও আমাদের গণতন্ত্রের দিকে নিয়ে যেতে হবে। শুধু রাজনীতিকে গণতান্ত্রিক করবেন, নির্বাচন-সরকার-সংসদ হবে, সেটা কিন্তু সমাধান না। সলিউশন হবে আমরা যদি অর্থনীতিকে গণতান্ত্রিক করতে পারি।’

কামালকে প্রত্যর্পণের অফিশিয়াল তথ্য নেই পররাষ্ট্রে

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। সেখান থেকে সম্প্রতি ভারতীয় একটি টেলিভিশনে কথা বলতে দেখা গেছে তাকে। আসাদুজ্জামান খান কামালকে দিয়েই ভারত থেকে আসামিদের প্রত্যাবর্তন শুরু হবে বলে সম্প্রতি নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

তবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌ‌হিদ হোসেন জানান, এমন কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।

আজ রবিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি : পরিবর্তনশীল বিশ্বে একটি প্রাসঙ্গিক ভূমিকা নির্ধারণ’ শীর্ষক সেশনে এ কথা বলেন উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ‘কামালকে প্রথমে প্রত্যর্পণ করা হবে—এ ধরনের কোনো তথ‌্য নেই। অফিশিয়াল কো‌নো তথ্য নেই।’

গত শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ‘হাসিনার প্রায় ১৬ বছরের শাসনামলে সংঘটিত অপরাধগুলো সম্পর্কে যত দিন যাচ্ছে, ততই আলো পড়ছে ।
সেই সঙ্গে গণহত্যা ও গুমের ঘটনায় কামালের ভূমিকা বৈশ্বিক গণমাধ্যমের আরো বেশি মনোযোগ পাবে।’

প্রেসসচিব লিখেছেন, ‘কামাল বা অন্য আওয়ামী লীগ নেতারা যতই অর্থ ব্যয় করুক না কেন, জবাবদিহি থেকে চিরতরে পালানোর কোনো সুযোগ থাকবে না। আমরা যদি একটি জাতি হিসেবে জুলাই গণহত্যার শিকারদের জন্য এবং হাসিনার আমলে সংঘটিত সব মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং মনোনিবেশ করি, তাহলে দায়ীদের জন্য পরিণতি এড়ানো ক্রমে কঠিন হয়ে উঠবে।’

শফিকুল আলম লিখেছেন, কামাল দিয়ে শুরু হবে এবং তারপর…

গত ১৮ নভেম্বর জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যার মামলায় শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

ডিআরইউ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ রোববার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯টায় ঢাকার শফিকুল কবির মিলনায়তনে শুরু হয়েছে। ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এর আগে শনিবার (২৯ নভেম্বর) সংগঠনের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, ডিআরইউর সদস্যরা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন।

ডিআরইউর এই নির্বাচনে সভাপতির পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চার জন প্রার্থী। তারা হলেন আবু সালেহ আকন, মো. রোকন-উজ-জামান, মুরসালিন নোমানী এবং তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু। সহ-সভাপতি পদে লড়ছেন দুই প্রার্থী—হালিম মোহাম্মদ ও মেহদী আজাদ মাসুম। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন প্রার্থী—মাইনুল হাসান সোহেল, মাহমুদুল হাসান ও মঈনুল আহসান।

যুগ্ম সম্পাদক পদে মো. জাফর ইকবাল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। অর্থ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নিয়াজ মাহমুদ সোহেল ও সাখাওয়াত হোসেন সুমন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ছয়জন প্রার্থী লড়ছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন সাঈদ শিপন, আকতারুজ্জামান, এম এম জসিম, মোহাম্মদ ছলিম উল্লাহ (মেজবাহ), সোলাইমান সালমান ও সুশান্ত কুমার সাহা।

দপ্তর সম্পাদক পদে মো. রাশিম (রাশিম মোল্লা) এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মিজান চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। নারী বিষয়ক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জান্নাতুল ফেরদৌস পান্না ও নার্গিস জুঁই। তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক পদে লড়ছেন দেলোয়ার হোসেন মহিন ও মাহমুদ সোহেল। ক্রীড়া সম্পাদক পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ওমর ফারুক রুবেল ও মাকসুদা লিসা। সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মো. মনোয়ার হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

আপ্যায়ন সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আমিনুল হক ভূইয়া ও মো. সলিম উল্লা (এস ইউ সেলিম)। কল্যাণ সম্পাদক পদে রফিক মৃধা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। কার্যনির্বাহী সদস্যের সাতটি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০ জন প্রার্থী—আল-আমিন আজাদ, আলী আজম, মাহফুজ সাদি (মো. মাহফুজুর রহমান), মো. আব্দুল আলীম, মো. আকতার হোসেন, মো. মাজাহারুল ইসলাম, মো. রেজাউর রহিম, মোহাম্মদ নঈমুদ্দীন, সুমন চৌধুরী এবং সৈয়দ আখতার সিরাজী।

ডিআরইউর নির্বাচন সাধারণত সদস্যদের পেশাদার কর্মজীবনের স্বার্থ ও সাংবাদিকতার মান রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই নির্বাচন শেষে সংগঠন নতুন কমিটি গঠন করবে, যা আগামী এক বছরের জন্য ডিআরইউর কার্যক্রম তদারকি করবে। ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সদস্যরা সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষা, পেশাগত নীতি নির্ধারণ এবং সংগঠনের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করবেন।

এবারের নির্বাচনে সদস্যরা সরেজমিনে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন এবং ভোটগ্রহণ শৃঙ্খলাপূর্ণ ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নজরদারি করছেন। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করবে এবং আগামী বছরের জন্য সংগঠনের কার্যক্রমের পরিকল্পনা নির্ধারণ করবে।