মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। সেখান থেকে সম্প্রতি ভারতীয় একটি টেলিভিশনে কথা বলতে দেখা গেছে তাকে। আসাদুজ্জামান খান কামালকে দিয়েই ভারত থেকে আসামিদের প্রত্যাবর্তন শুরু হবে বলে সম্প্রতি নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।
তবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন জানান, এমন কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।
আজ রবিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি : পরিবর্তনশীল বিশ্বে একটি প্রাসঙ্গিক ভূমিকা নির্ধারণ’ শীর্ষক সেশনে এ কথা বলেন উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘কামালকে প্রথমে প্রত্যর্পণ করা হবে—এ ধরনের কোনো তথ্য নেই। অফিশিয়াল কোনো তথ্য নেই।’
গত শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ‘হাসিনার প্রায় ১৬ বছরের শাসনামলে সংঘটিত অপরাধগুলো সম্পর্কে যত দিন যাচ্ছে, ততই আলো পড়ছে ।
সেই সঙ্গে গণহত্যা ও গুমের ঘটনায় কামালের ভূমিকা বৈশ্বিক গণমাধ্যমের আরো বেশি মনোযোগ পাবে।’
প্রেসসচিব লিখেছেন, ‘কামাল বা অন্য আওয়ামী লীগ নেতারা যতই অর্থ ব্যয় করুক না কেন, জবাবদিহি থেকে চিরতরে পালানোর কোনো সুযোগ থাকবে না। আমরা যদি একটি জাতি হিসেবে জুলাই গণহত্যার শিকারদের জন্য এবং হাসিনার আমলে সংঘটিত সব মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং মনোনিবেশ করি, তাহলে দায়ীদের জন্য পরিণতি এড়ানো ক্রমে কঠিন হয়ে উঠবে।’
শফিকুল আলম লিখেছেন, কামাল দিয়ে শুরু হবে এবং তারপর…
গত ১৮ নভেম্বর জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যার মামলায় শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।




