ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ রোববার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯টায় ঢাকার শফিকুল কবির মিলনায়তনে শুরু হয়েছে। ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এর আগে শনিবার (২৯ নভেম্বর) সংগঠনের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, ডিআরইউর সদস্যরা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন।
ডিআরইউর এই নির্বাচনে সভাপতির পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চার জন প্রার্থী। তারা হলেন আবু সালেহ আকন, মো. রোকন-উজ-জামান, মুরসালিন নোমানী এবং তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু। সহ-সভাপতি পদে লড়ছেন দুই প্রার্থী—হালিম মোহাম্মদ ও মেহদী আজাদ মাসুম। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন প্রার্থী—মাইনুল হাসান সোহেল, মাহমুদুল হাসান ও মঈনুল আহসান।
যুগ্ম সম্পাদক পদে মো. জাফর ইকবাল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। অর্থ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নিয়াজ মাহমুদ সোহেল ও সাখাওয়াত হোসেন সুমন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ছয়জন প্রার্থী লড়ছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন সাঈদ শিপন, আকতারুজ্জামান, এম এম জসিম, মোহাম্মদ ছলিম উল্লাহ (মেজবাহ), সোলাইমান সালমান ও সুশান্ত কুমার সাহা।
দপ্তর সম্পাদক পদে মো. রাশিম (রাশিম মোল্লা) এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মিজান চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। নারী বিষয়ক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জান্নাতুল ফেরদৌস পান্না ও নার্গিস জুঁই। তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক পদে লড়ছেন দেলোয়ার হোসেন মহিন ও মাহমুদ সোহেল। ক্রীড়া সম্পাদক পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ওমর ফারুক রুবেল ও মাকসুদা লিসা। সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মো. মনোয়ার হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
আপ্যায়ন সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আমিনুল হক ভূইয়া ও মো. সলিম উল্লা (এস ইউ সেলিম)। কল্যাণ সম্পাদক পদে রফিক মৃধা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। কার্যনির্বাহী সদস্যের সাতটি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০ জন প্রার্থী—আল-আমিন আজাদ, আলী আজম, মাহফুজ সাদি (মো. মাহফুজুর রহমান), মো. আব্দুল আলীম, মো. আকতার হোসেন, মো. মাজাহারুল ইসলাম, মো. রেজাউর রহিম, মোহাম্মদ নঈমুদ্দীন, সুমন চৌধুরী এবং সৈয়দ আখতার সিরাজী।
ডিআরইউর নির্বাচন সাধারণত সদস্যদের পেশাদার কর্মজীবনের স্বার্থ ও সাংবাদিকতার মান রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই নির্বাচন শেষে সংগঠন নতুন কমিটি গঠন করবে, যা আগামী এক বছরের জন্য ডিআরইউর কার্যক্রম তদারকি করবে। ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সদস্যরা সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষা, পেশাগত নীতি নির্ধারণ এবং সংগঠনের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করবেন।
এবারের নির্বাচনে সদস্যরা সরেজমিনে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন এবং ভোটগ্রহণ শৃঙ্খলাপূর্ণ ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নজরদারি করছেন। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করবে এবং আগামী বছরের জন্য সংগঠনের কার্যক্রমের পরিকল্পনা নির্ধারণ করবে।




