রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

আয়কর রিটার্ন জমার সময় আরো বাড়াল এনবিআর

২০২৫-২৬ কর বছরে ব্যক্তি আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ফলে ব্যক্তি করদাতারা জরিমানা ছাড়া আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রিটার্ন দিতে পারবে। এর আগেও আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় দুই দফায় এক মাস করে বাড়ানো হয়েছিল।

আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৩৩৪ অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেয়। সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে স্বাভাবিক ব্যক্তি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার করদাতাদের ২০২৫-২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০২৬-এর পরিবর্তে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে।

একইসঙ্গে ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন সংক্রান্ত সমস্যার কারণে কোনো করদাতা অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলে অসমর্থ হলে ১৫ই ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারের কাছে সুনির্দিষ্ট যৌক্তিকতাসহ আবেদন করা যাবে মর্মে আরো একটি আদেশ জারি করা হয়েছে।

আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত যুগ্ম কর কমিশনারের অনুমোদন সাপেক্ষে করদাতা পেপার রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।

দেশ কোনদিকে যাবে জনগণ ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করবে: তারেক রহমান

দেশ কোনদিকে যাবে জনগণ তা ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, নির্বাচন বানচালে ষড়যন্ত্র করছে একটি মহল। ভোট বানচালের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে তিনি জনগণকে আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উত্তরবঙ্গের কৃষি ও অর্থনীতি নিয়ে এই মেগা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি বিপ্লবকে টেকসই করতে ১০০০ কোটি টাকার থমকে যাওয়া পদ্মা সেচ প্রকল্প পুনরুজ্জীবিত করার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ধানের শীষ জয়যুক্ত হলে এই প্রকল্পের সুফল রাজশাহী থেকে শুরু করে সুদূর পঞ্চগড় পর্যন্ত প্রতিটি কৃষকের ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে।

তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে শুরু হওয়া খাল খনন কর্মসূচি এবং পরবর্তীতে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার শাসনামলে গৃহীত বিশাল সেচ প্রকল্পগুলো উত্তরবঙ্গের কৃষিকে সমৃদ্ধ করেছিল। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, পদ্মা নদীকে কেন্দ্র করে যে বিশাল সেচ প্রকল্পের নিজস্ব বাজেট ছিল প্রায় এক হাজার কোটি টাকা, গত ১৬ বছরে সেটি পরিকল্পিতভাবে থামিয়ে রাখা হয়েছে। ফলে আজ সেই প্রকল্প বন্ধপ্রায়। আমাদের লক্ষ্য হলো এই ঐতিহাসিক প্রকল্পটিকে আবার পূর্ণ শক্তিতে সচল করা।

বিএনপি চেয়ারম্যান উত্তরবঙ্গের কৃষকদের আশ্বস্ত করে বলেন, এই সেচ ব্যবস্থা শুধু রাজশাহীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তিনি বলেন, এই প্রকল্পের সুবিধা রাজশাহী থেকে শুরু করে সেই পঞ্চগড় পর্যন্ত কৃষকরা যেন পায়, সেই ব্যবস্থা আমরা করব। উৎপাদন বাড়লে কৃষকের আয় বাড়বে, আর কৃষক হাসলে হাসবে বাংলাদেশ। আমরা চাই উত্তরের প্রতিটি প্রান্তরে সেচের পানি পৌঁছে যাক, যাতে আমাদের মায়েরা ও কৃষানিরা সমৃদ্ধির মুখ দেখতে পান।

রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষীদের দুর্দশার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে আম সংরক্ষণের কোনো আধুনিক ব্যবস্থা নেই। আমরা ক্ষমতায় গেলে আমের জন্য বিশেষায়িত কোল্ড স্টোরেজ বা গুদাম তৈরি করব। এতে চাষীরা মৌসুমে আম পচে যাওয়ার ভয় থেকে মুক্তি পাবেন এবং নায্যমূল্য নিশ্চিত হবে।

সেচ প্রকল্পের পাশাপাশি তারেক রহমান এই অঞ্চলে যাতায়াত ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের জন্য পদ্মা নদীর ওপর নতুন একটি ‘পদ্মা ব্রিজ’ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি জানান, এটি হবে উত্তরবঙ্গের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। এছাড়া প্রান্তিক নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য প্রতিটি পরিবারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে মা-বোনেরা সরাসরি সরকারি সুবিধা পাবেন, যা দিয়ে তারা স্বাবলম্বী হতে পারবেন।

২২ বছর পর রাজশাহীর জনসভায় তারেক রহমানের সশরীরে উপস্থিতি (ভার্চুয়ালি বা উপস্থিতির প্রেক্ষাপটে) নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। জনসভায় তিনি উপস্থিত দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দেন এই উন্নয়নের বার্তা প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে। তিনি বলেন, ‘ধানের শীষ শুধু একটি প্রতীক নয়, এটি উত্তরবঙ্গের কৃষকের ভাগ্য বদলের চাবিকাঠি।’

সমাবেশে রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার বিভিন্ন পর্যায় থেকে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে, যা পুরো রাজশাহী মহানগরীকে কার্যত অচল করে দেয়।

যে দেশে চাকরির অনিশ্চয়তা, সেখানে টিকটক করে ডলার কামানো স্বাভাবিক : অর্ষা

দেশের বর্তমান বাস্তবতায় তরুণদের টিকটক ও অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের দিকে ঝুঁকে পড়া স্বাভাবিক বলে মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী নাজিয়া হক অর্ষা।

সম্প্রতি একটি শুটিং সেটে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করলে এটা কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়।

অর্ষা বলেন, ‘যে দেশে মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ করেও চাকরি পাওয়া নিয়ে এত অনিশ্চয়তা, সেখানে বাচ্চারা টিকটক করে ডলার কামাবে—এটাই স্বাভাবিক। আমি যদি শুধু অন্যকে নকল করেও ডলার আয় করতে পারি, তাহলে কেন করব না?’

টিকটককে নেতিবাচক চোখে দেখেন না তিনি।
বরং যাদের এই প্ল্যাটফর্ম থেকে আয় হচ্ছে, তাদের স্মার্ট ও উদ্যোগী মনে করেন।

অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তার চারপাশে ছোটদের বেশির ভাগ সময় মোবাইল ফোন, ভিডিও গেমস ও টিকটকে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। পড়াশোনা, বই বা নতুন সিনেমা-নাটকের প্রতি আগ্রহ তুলনামূলকভাবে কম। তবু টিকটকসহ অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে নকল করেও আয় হচ্ছে—এটিই তরুণদের বেশি টানছে।

তিনি আরো বলেন, ‘প্রায়ই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর পড়ি, একজন মাস্টার্স বা ডিগ্রি পাস করা ছেলেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরে চা বিক্রি করতে হচ্ছে, ফুসকা বিক্রি করতে হচ্ছে। এসব দেখলে খারাপ লাগে। চা বা ফুসকা বিক্রি করা খারাপ কিছু নয়, কিন্তু মাস্টার্স পর্যন্ত পড়তে পড়তেই একজন তরুণের ২৫ বছর চলে যায়। এরপর কয়েক বছর ঘোরাঘুরি করে চাকরি না পেলে পরিবার ও নিজের দীর্ঘ বিনিয়োগের ফলাফল কী দাঁড়ায়?’

অর্ষা যোগ করেন, ‘তুলনামূলকভাবে অল্প বয়স থেকেই টিকটক করে আয় করা তরুণরা নিজেদের জীবনকে আর্থিকভাবে নিরাপদ করছে।
তারা দেশ-বিদেশে ঘুরছে, নিজের আয়েই জীবন গুছিয়ে নিচ্ছে। সেই তুলনায় শিক্ষিত একজন তরুণ যদি শেষ পর্যন্ত বেকার থেকে যায়, সেটা ভবিষ্যতে আমাদের জন্য দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠতে পারে।’

বিশ্ববাজারে বাড়লো সোনা-তেলের দাম, শেয়ারবাজারে ধস

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার হুমকি জোরালো করায় বিশ্ববাজারে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম আরও এক দফা রেকর্ড গড়ে আউন্সপ্রতি ৫ হাজার ৫০০ ডলারের ওপরে উঠে যায়। একই সঙ্গে বেড়েছে তেলের দাম। অন্যদিকে, বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ারবাজারে দেখা গেছে বড় ধরনের পতন।

এর আগে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সোনার দাম প্রতি আউন্সে রেকর্ড পাঁচ হাজার ১০০ ডলার ছাড়ায়।

নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত মূল্যবান ধাতুর চাহিদা বাড়ায় শুধু সোনা-ই নয়, রুপার দামও নতুন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ডলারের মান কিছুটা দুর্বল হওয়াও সোনা-রুপার দামে উল্লম্ফনের একটি বড় কারণ। বাজারে জল্পনা চলছে, বিশ্ব অর্থনীতির রিজার্ভ মুদ্রা ডলারের মান কিছুটা কমলেও তাতে আপত্তি নেই ট্রাম্পের।

ইরান ঘিরে উত্তেজনা বাড়ায় তেলের দামও ঊর্ধ্বমুখী। যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম সেপ্টেম্বরের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে, আর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম পৌঁছেছে গত আগস্টের পর সর্বোচ্চ স্তরে। তেলসমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাই এই ঊর্ধ্বগতির প্রধান কারণ।

বাজারে একপর্যায়ে সোনার দাম ৩০০ ডলারেরও বেশি বেড়ে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৫৮৮ দশমিক ৭১ ডলারে পৌঁছে যায়। এই উল্লম্ফন আসে তখনই, যখন ট্রাম্প বলেন, ইরানের উচিত তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় বসা ও খুব দ্রুত একটি চুক্তি করে ফেলা।

ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, আশা করি, ইরান দ্রুত ‘আলোচনার টেবিলে’ আসবে এবং একটি ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা করবে। কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নয়। সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে, বিষয়টি সত্যিই অত্যন্ত জরুরি!

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পরবর্তী আক্রমণ হবে আরও ভয়াবহ! দয়া করে আবার এমন পরিস্থিতি তৈরি করবেন না। এখানে তিনি গত জুনে ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে চালানো মার্কিন হামলার কথাই ইঙ্গিত করেন।

এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় ‘একটি বিশাল নৌবহর (আর্মাডা)’ পাঠিয়েছেন ট্রাম্প। এই বহরের নেতৃত্বে রয়েছে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন। প্রেসিডেন্ট বলেন, এই বহর প্রয়োজনে দ্রুত, শক্তি ও সহিংসতার সঙ্গে নিজেদের মিশন বাস্তবায়নে প্রস্তুত, আগ্রহী ও সক্ষম।

এদিকে, বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) শেয়ারবাজারে ছিল উল্টো চিত্র। টোকিও, হংকং, সাংহাই, সিডনি ও সিউল- সবকটি প্রধান বাজারেই সূচক নিম্নমুখী।

ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা শেয়ারবাজারে ধস নামে প্রায় ৮ শতাংশ। বুধবারের (২৮ জানুয়ারি) বড় পতনের পর এটি আরও গভীর হয়েছে। ওই দিন সূচক প্রস্তুতকারী সংস্থা এমএসসিআই নিয়ন্ত্রকদের কাছে মালিকানা সংক্রান্ত উদ্বেগ খতিয়ে দেখার আহ্বান জানায় ও ইন্দোনেশিয়ার শেয়ারকে তাদের সূচকে যুক্ত করা বা ওজন বাড়ানো থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেয়।

আবার অন্যান্য প্রধান মুদ্রার বিপরীতে চাপে রয়েছে ডলার। যদিও মার্কিন অর্থমন্ত্রী বেসেন্ট সিএনবিসিকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সব সময়ই শক্তিশালী ডলারের নীতিতে বিশ্বাস করে। তার একদিন আগেই ট্রাম্প ডলারের সাম্প্রতিক দুর্বলতা নিয়ে মন্তব্য করে বলেছিলেন, এটি ভালোই করছে।

অলস্প্রিং গ্লোবাল ইনভেস্টমেন্টসের বিশ্লেষক ম্যাথিয়াস শাইবার ও রুশাভ আমিন বলেন, এখন সবার নজর ট্রাম্প কাকে ফেডের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করেন, তার দিকে। কারণ মে মাসে জেরোম পাওয়েলের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।

তারা এক যৌথ মন্তব্যে লেখেন, নতুন ফেড চেয়ারম্যান ঘোষণাই হবে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয়। দৌড়টি এখনো খোলা, তবে সাধারণভাবে ধারণা করা হচ্ছে, জেরোম পাওয়েলের জায়গায় অপেক্ষাকৃত নরম নীতির পক্ষে থাকা কেউ দায়িত্ব নিতে পারেন।

তারা আরও বলেন, সুদের হার কমাতে ফেডের ওপর সরকারের চাপ চলতি বছর জুড়েই একটি ধারাবাহিক বিষয় হয়ে থাকবে।

বাজার বিশ্লেষক স্টিফেন ইনেস বলেন, সোনার এই অস্বাভাবিক উত্থান আরও গভীর কাঠামোগত উদ্বেগের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তিনি লেখেন, এশিয়ার শুরুর দিকেই যখন সোনা ৫ হাজার ৫০০ ডলারের সীমা ভেঙে ফেলল, তখন এটি আর সাধারণ পণ্যের মতো লেনদেন হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, সোনা হলো আস্থার বিপরীত প্রতিচ্ছবি। নীতিনির্ধারণের ওপর বিশ্বাস দুর্বল হলে সোনা আর শুধু ঝুঁকি হেজ (বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য লোকসান বা প্রতিকূল মূল্য পরিবর্তন থেকে বাঁচার কৌশল, যা অনেকটা বীমা পলিসির মতো কাজ করে) হিসেবে থাকে না, বরং বিকল্প সম্পদে পরিণত হয়। আমরা এখন ঠিক সেটাই দেখছি। এটি মন্দার ভয় নয়; বরং কাগুজে মুদ্রা ব্যবস্থাপনার ওপর সন্দেহ।

সূত্র: এএফপি

সংঘাতে সঙ্গে জড়িত না এমন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিএনপিতে স্বাগত

আওয়ামী লীগের যেসব নেতাকর্মী সংঘাত, সহিংসতা কিংবা সাধারণ মানুষের ক্ষতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না, তাদের বিএনপিতে স্বাগত জানানো হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও বরগুনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নুরুল ইসলাম মনি। বুধবার বিকেলে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের সোনালী মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

নুরুল ইসলাম মনি বলেন, আওয়ামী লীগের নামে যারা সংঘাতী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে এবং মানুষের ওপর নির্যাতন করেছে, তারা জনগণের কাছে দায় এড়াতে পারবে না। তবে যারা সাধারণভাবে রাজনীতি করেছে এবং কারও ক্ষতি করেনি, তাদের জন্য বিএনপির দরজা উন্মুক্ত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় যারা বিশ্বাসী, তাদের সবাইকে সঙ্গে নিয়েই বিএনপি এগিয়ে যেতে চায়।

জনসভায় তিনি ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয় নিশ্চিত করার অনুরোধ করেন। এ সময় কালমেঘা ইউনিয়নের বিপুল সংখ্যক ভোটারসহ পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

চাঁদে আঘাত হানতে পারে গ্রহাণু, পৃথিবীতে ভয়াবহ উল্কাবৃষ্টির আশঙ্কা

সৌরজগত নিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তারা জানিয়েছেন, নতুন শনাক্ত হওয়া একটি গ্রহাণুর ওপর কড়া নজর রাখছেন। এটি ২০৩২ সালের ডিসেম্বরে চাঁদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াতে পারে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, এই সংঘর্ষ থেকে ছিটকে আসা ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীর দিকে আসতে পারে এবং উপগ্রহগুলোর জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে এটি বিজ্ঞানের জন্য একটি বিরল সুযোগও এনে দিতে পারে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ ওয়াইআর৪ নামের এই গ্রহাণুটির প্রস্থ আনুমানিক ৬০ মিটার। বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, ২০৩২ সালের ২২ ডিসেম্বর চাঁদে আঘাত হানার সম্ভাবনা প্রায় ৪ শতাংশ। সম্ভাবনা তুলনামূলক কম হলেও বিজ্ঞানীরা বলছেন, সংঘর্ষ ঘটলে এর শক্তি এতটাই বেশি হবে যে তা বিশ্বব্যাপী আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসবে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, গ্রহাণুটির আঘাতে যে শক্তি মুক্ত হবে তা মাঝারি মাত্রার একটি তাপ-পরমাণু বিস্ফোরণের সমতুল্য হতে পারে। আধুনিক যুগে চাঁদে পর্যবেক্ষিত সংঘর্ষগুলোর মধ্যে এটি হবে সবচেয়ে শক্তিশালী।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘর্ষ ঘটলে চাঁদের পৃষ্ঠে প্রায় এক কিলোমিটার চওড়া একটি গর্ত (ক্রেটার) তৈরি হতে পারে এবং প্রায় মাত্রা ৫-এর একটি বৈশ্বিক ‘মুনকোয়েক’ বা চাঁদকম্পন সৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে চাঁদের অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য পাওয়া যেতে পারে। এ ধরনের তথ্য সরাসরি গবেষণার মাধ্যমে জানা এখনো কঠিন।

এছাড়া সংঘর্ষের ফলে বিপুল ধ্বংসাবশেষ মহাশূন্যে ছিটকে পড়বে। এর কিছু অংশ কয়েক দিন পর পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে পারে, যার ফলে চোখে দেখা যায় এমন তীব্র উল্কাবৃষ্টি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে দক্ষিণ আমেরিকা, উত্তর আফ্রিকা ও আরব উপদ্বীপ অঞ্চলে এই দৃশ্য বেশি স্পষ্ট হতে পারে। সিমুলেশন অনুযায়ী, সর্বোচ্চ সময়ে প্রতি ঘণ্টায় লাখ লাখ থেকে কোটি উল্কা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে পারে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে গুরুতর ঝুঁকিও জড়িত। মহাকাশ থেকে পতিত ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীতে ক্ষয়ক্ষতির কারণ হতে পারে। পাশাপাশি মহাকাশ সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে, এসব টুকরো উপগ্রহগুলোর জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠতে পারে এবং ‘কেসলার সিনড্রোম’ নামে পরিচিত শৃঙ্খলাবদ্ধ সংঘর্ষের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, যা বৈশ্বিক যোগাযোগ ও নেভিগেশন ব্যবস্থাকে ব্যাহত করতে পারে।

জামায়াতের ইতিবাচক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

আজ ২৯ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল ৮.০০টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বসুন্ধরাস্থ কার্যালয়ে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঢাকাস্থ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মি. ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বৈঠকে মিলিত হন।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন, দূতাবাসের পলিটিক্যাল ও ইকোনমিক কনসোলার এরিক গিলম্যান, পাবলিক অফিসার মিস. মনিকা এল সাই, পলিটিক্যাল অফিসার জেমস স্টুয়ার্ট ও পলিটিক্যাল স্পেশালিষ্ট ফিরোজ আহমেদ। বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিকতা ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে তারা বাংলাদেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, শিল্প-বাণিজ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও রোহিঙ্গা ইস্যুসহ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।

মান্যবর ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় জামায়াতে ইসলামীর ইতিবাচক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সাথে ভবিষ্যতে উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আমীরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো: মোবারক হোসাইন ও আমীরে জামায়াতের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।

বাংলাদেশে একমাত্র আমরাই ইসলামি দল: চরমোনাই পীর

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহা. রেজাউল করিম (চরমোনাই পীর) বলেছেন, ‘বিএনপি বা জামায়াত নয়, বাংলাদেশে একমাত্র ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশই পূর্ণাঙ্গ ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চায়। বাংলাদেশে ইসলামের পক্ষের বাক্স একটাই, আর সেটি হলো হাতপাখা। আমরাই একমাত্র ইসলামী দল।’

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী ডিএম একাডেমি মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি কুড়িগ্রাম- ১ আসনের ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হারিসুল বারী রনির হাতে হাতপাখা তুলে দিয়ে বলেন, আপনাদের কাছে আমানত রেখে গেলাম। রনিকে হাতপাখায় ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।

তিনি বলেন, ভোট হলো পবিত্র আমানত। পবিত্র আমানত রাখতে হবে পবিত্র জায়গায়। ১২ ফেব্রুয়ারি যে ভোট হবে সেখানে অনেক দলের প্রার্থীরা আমাদের কাছে ভোট চাওয়ার জন্য আসবে। স্থানীয় নির্বাচন ও জাতীয় নির্বাচন এক নয়। স্থানীয় নির্বাচনে দেখা যায় কে বেশি এলাকায় উন্নয়ন করবে। কে আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক করবে। আর জাতীয় নির্বাচন হলো যে নির্বাচিত হবে তিনি সংসদে গিয়ে আইন পাশ করবে। সেই আদর্শে দেশ চলবে। দেশ কোন আদর্শে চলবে সেই ভোট দেয়ার নামই জাতীয় নির্বাচন। বিএনপি প্রচলিত আইনে দেশ চালাবে। জামায়াতের ১১ দলীয় জোট নির্বাচিত হলে তারাও প্রচলতি আইনে দেশ চালাবে। আর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচিত হলে ইসলামী নিয়ম আদর্শে দেশ চালাবে।

বিএনপি ও যুবদলের সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার দাবি জামায়াতের

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নাগেশ্বরী উপজেলা শাখার আয়োজনে সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রার্থী হারিসুল বারী রনি। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, এ আসনে ইতোপূর্বে নির্বাচিত হয়েছে কেউ জনগণের জন্য কাজ করেনি। আমি নির্বাচিত হলে এলাকার যোগাযোগ উন্নয়ন হবে। মাদক থাকবে না। মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা থাকবে।

মার্কিন ভিসানীতিতে পরিবর্তন, ভারতীয়দের মাথায় হাত

এইচ-১বি ভিসায় বড় ধাক্কা খেয়েছেন ভারতীয়রা। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিকে সমর্থন করে টেক্সাস রাজ্য সরকার রাজ্যের অধীনস্থ সব সংস্থা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এইচ-১বি ভিসা আবেদন স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তার জারি করা এক সরকারি চিঠিতে বলা হয়েছে, এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির ফলে এমন বহু চাকরি বিদেশিদের হাতে যাচ্ছে, যেগুলো ‘আমেরিকানদের বিশেষ করে টেক্সানদের দ্বারা পূরণ করা উচিত ছিল।

অ্যাবট লেখেন, বিশ্বের সেরা ও মেধাবীদের এনে প্রকৃত বিশেষায়িত ও অপূর্ণ কর্মসংস্থানের চাহিদা পূরণের বদলে এইচ-১বি প্রোগ্রামটি বহু ক্ষেত্রে এমন চাকরি পূরণে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা টেক্সাসের নাগরিকরাই করতে পারতেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির এই গভর্নর জানান, টেক্সাসকে ‘আমেরিকার সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি’ হিসেবে ধরে রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

হিউস্টন ক্রনিকলের উদ্ধৃত ফেডারেল তথ্যে বলা হয়েছে, টেক্সাসে অধিকাংশ এইচ-১বি ভিসাধারী কাজ করেন বেসরকারি সংস্থায়। তবে সরকারি ক্ষেত্রে এই ভিসাধারীদের বড় অংশই কর্মরত রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল ও অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে।

নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, এই ভিসা স্থগিতাদেশ ৩১ মে ২০২৭ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। ফলে রাজ্যের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল ও বিভিন্ন সংস্থা সরাসরি প্রভাবিত হবে।

গভর্নর অ্যাবটের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, আগামী ২৭ মার্চের মধ্যে সব রাজ্য সংস্থাকে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেখানে ভিসা নবায়নের আবেদন সংখ্যা, আবেদনকারীদের দেশ, বর্তমান ভিসার মেয়াদসহ নানা তথ্য উল্লেখ করতে হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন ভারতীয়রা। পিউ রিসার্চ সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ৫ দশমিক ২ মিলিয়ন ভারতীয়ের মধ্যে প্রায় ৫ লাখ ৭০ হাজারই টেক্সাসে থাকেন। এছাড়াও নিউ জার্সিতে প্রায় ৪৪০ হাজার, নিউইয়র্কে ৩৯০ হাজার এবং ইলিনয়ে প্রায় ২৭০ হাজার ভারতীয় বসবাস করেন।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঘোষিত ট্রাম্পের ভিসা সংক্রান্ত কড়াকড়ি ভারতীয় সম্প্রদায়ের ওপর সবচেয়ে বড় প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মার্কিন পরিসংখ্যন ব্যুরোর ২০২৩ সালের হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের মধ্যে প্রায় ৬৬ শতাংশই ভারতীয়।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহত, আমিরের কড়া বার্তা

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসা নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছেন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম (৫০)।

এদিকে এ ঘটনায় কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ঘটনার পর বুধবার রাত ১১টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিবৃতিতে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।