ইরানের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। দেশটির রাজধানী তেহরানসহ একাধিক প্রদেশে বিক্ষোভ চলতে থাকায় অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। মানবাধিকার সংগঠন ও স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, চলমান বিক্ষোভ ইরানের ৩১টি প্রদেশের মধ্যে অন্তত ২৬টিতে ছড়িয়ে পড়েছে। অন্তত ৭৮টি শহরে বিভিন্ন মাত্রায় বিক্ষোভের প্রভাব পড়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত অন্তত ১৯ জন বিক্ষোভকারী ও একজন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন। একই সময়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন অন্তত ৯৯০ জন।
এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও হুমকি দিয়েছেন, সেখানে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে পারে। এয়ার ফোর্স ওয়ানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানে আবার অতীতের মতো মানুষ হত্যা শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে।
গত ২৮ ডিসেম্বর ইরানের রাজধানী তেহরানে দোকানদারদের ধর্মঘটের মধ্য দিয়ে বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, গত রোববার তেহরান, দক্ষিণের শহর শিরাজ এবং পশ্চিম ইরানের কয়েকটি এলাকায় রাতভর বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভে বর্তমান শাসনব্যবস্থা (রেজিম) ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ধর্মীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে স্লোগান শোনা গেছে।




