বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬

যারা ভোট দেয়নি তারা আমাদের বাইরের না, আমরা সবারই প্রতিনিধি : পানি প্রতিমন্ত্রী

পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, আমাদের দল ক্ষমতায় আসছে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে। তাই বলে যেসব জনগণ ইলেকশনে আমাদের ভোট দেয়নি, তারা কিন্তু আমাদের বাইরের না, আমরা সবারই প্রতিনিধি।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে পঞ্চগড় সার্কিট হাউজ হল কক্ষে জেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা, পবিত্র রমজানে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং নিরবিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ বিষয়ক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করবো সবার ভোট নিয়ে আমরা সরকার গঠন করেছি। এ ক্ষেত্রে আমাদের দলের কোনো কর্মী বা নেতা দলের নাম ভাঙিয়ে যদি কোনো অপকর্মে সম্পৃক্ত হয়, সেক্ষেত্রে আমি কোনো দায় দায়িত্ব বহন করবো না। আমাদের প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন, কোনো ব্যক্তির দ্বারা আমার দলের যদি ইমেজ ক্ষুণ্ন হয়, তার মতো লোক আমাদের দরকার নাই।

তিনি বলেন, সবার সহযোগিতা নিয়ে আমরা উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়ে নিতে চাই। যারা নির্বাচনে হেরে গেছেন তাদেরকেও সঙ্গে নিয়ে একটি মহিমান্বিত বাংলাদেশ গড়তে চাই। সেই দৃষ্টান্ত রেখেই প্রধানমন্ত্রী জামায়াতের আমীর, এনসিপির সভাপতি এবং চরমোনাই পীরের বাসায় গিয়েছেন এবং সবার সহযোগিতা চেয়েছেন। আমিও অন্যান্য দলের যারা আছেন- প্রত্যেকের সহযোগিতা চাচ্ছি।

ফরহাদ হোসেন আজাদ আরও বলেন, আমাদের শ্লোগান একটাই- করবো কাজ, গড়বো দেশ; সবার আগে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন- সততা ও নিষ্ঠা দিয়ে এবং দুর্নীতির গলা চিপে ধরে কাজ করতে চাই। দলমত নির্বিশেষে আগামী দিনে আমরা পৃথিবীকে দেখাতে চাই- সমান সুযোগ পেলে আমরা এগিয়ে যেতে পারি।

জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, পঞ্চগড় ১৮ বিজি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম কাচ্চু, পঞ্চগড় আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আদম সুফি প্রমুখ।

এদিন প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার ওসিসহ বিভিন্ন দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা, পবিত্র রমজানে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং নিরবিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ বিষয়ে কথা বলেন।

দেশের রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়ে এখন ৩৪ হাজার ৭৭৯ দশমিক ০৪ মিলিয়ন বা ৩৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৬৪ দশমিক ৩২ মিলিয়ন বা ৩০ দশমিক ০৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিত রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।

বকেয়া ফি পরিশোধ না করায় ভারতীয় বিমান স্পাইসজেটের ওপর বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

বকেয়া ফি পরিশোধ না করায় ভারতীয় বিমান সংস্থা স্পাইসজেটের ওপর আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ। এর ফলে সংস্থাটির বেশ কিছু অভ্যন্তরীণ রুটের উড়ানের সময়ের সঙ্গে দূরত্ব ও খরচ বেড়ে গেছে।

বাংলাদেশ বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আকাশসীমা ব্যবহারের ফি বাবদ স্পাইসজেটের কাছে বড় অঙ্কের পাওনা রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে তাগাদা দেয়া সত্ত্বেও সংস্থাটি সেই বকেয়া মেটাতে কর্ণপাত করেনি। ফলে, বাংলাদেশের আকাশপথ স্পাইসজেটের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, আকাশসীমা ব্যবহারে বাংলাদেশের এই নিষেধাজ্ঞার ফলে স্পাইসজেটের পূর্বমুখী কিছু ফ্লাইট এখন দীর্ঘ পথ ঘুরে চলাচল করছে। বিশেষ করে কলকাতা থেকে গুয়াহাটি ও ইম্ফলগামী ফ্লাইটগুলোকে বিকল্প করিডোর ব্যবহার করতে হচ্ছে।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্ম ফ্লাইটরাডার২৪–এর তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কলকাতা–গুয়াহাটি ও কলকাতা–ইম্ফল রুটের ফ্লাইটগুলো বাংলাদেশ আকাশসীমা এড়িয়ে চলছে।

নিষেধাজ্ঞার কারণে বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার করতে না পারায় স্পাইসজেটের ফ্লাইটগুলোকে দীর্ঘ পথ ঘুরে বিকল্প রুটে চলতে হচ্ছে। বাংলাদেশের নিষেধাজ্ঞা ও ঘুরপথে চলাচলের এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে জ্বালানি খরচ ও পরিচালন ব্যয় বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বল্প দূরত্বের পূর্বাঞ্চলীয় রুটে সময় ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য ওভারফ্লাইট অনুমতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এমন এক সময়ে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যখন স্পাইসজেট ইতোমধ্যেই আর্থিক চাপে আছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রান্তিকে স্পাইসজেট ২৬৯ দশমিক ২৭ কোটি রুপি নিট লোকসানের কথা জানিয়েছে। বাড়তি ব্যয় এবং এককালীন কিছু খরচের কারণে মুনাফায় ধাক্কা লেগেছে বলেও সংস্থাটি উল্লেখ করেছে।

বাংলাদেশি আকাশসীমায় স্পাইসজেটের ফ্লাইট নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি। স্পাইসজেটের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘পরিচালনাগত ও প্রক্রিয়াগত বিষয়, যার মধ্যে ন্যাভিগেশন–সংক্রান্ত চার্জও আছে, সেগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত আলোচনা চলছে। এগুলো শিল্পখাতের স্বাভাবিক বিষয়। সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য আমরা গঠনমূলকভাবে কাজ করছি।’

শ্রীলংকাকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন জিম্বাবুয়ে

ওপেনার ব্রায়ান বেনেট ও অধিনায়ক সিকান্দার রাজার ব্যাটিং নৈপুন্যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসরে ‘বি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল।

আজ গ্রুপে নিজেদের চতুর্থ ও শেষ ম্যাচে জিম্বাবুয়ে ৬ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিক শ্রীলংকাকে। এর আগে অস্ট্রেলিয়াকেও হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল তারা। ৪ ম্যাচ খেলে ৩ জয় ও ১টি পরিত্যক্ত ম্যাচের কারণে ৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে থাকায় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুপার এইট খেলবে জিম্বাবুয়ে। সমানসংখ্যক ম্যাচে ৩ জয় ও ১ হারে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে থেকে গ্রুপ রানার্স-আপ হয় শ্রীলংকা।

কলম্বোতে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৫ ওভারে ৫৪ রানের সূচনা করে শ্রীলংকা। ১৪ বলে ২২ রান করে ফিরেন ওপেনার কুশল পেরেরা। এরপর কুশল মেন্ডিসকে নিয়ে ৪৬ রান যোগ করে ১২তম ওভারে দলের রান ১শতে নেন আরেক ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা।

মেন্ডিস ১৪ রানে থামলেও ১৯তম হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন নিশাঙ্কা। ৮টি চারে ৪১ বলে ৬২ রান করেন তিনি।

দলীয় ১০৮ রানে নিশাঙ্কার বিদায়ের পর পাভান রত্নানায়েকের ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় সাজানো ২৫ বলে ৪৪ রানের ঝড়ো ইনিংসে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৮ রান তুলে শ্রীলংকা। জিম্বাবুয়ের ব্লেসিং মুজারাবানি-ব্র্যাড ইভান্স ও গ্রায়াম ক্রেমার ২টি করে উইকেট নেন।

১৭৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৫১ বলে ৬৯ রান যোগ করেন জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার বেনেট ও তাদিওয়ানশে মারুমানি। ২৬ বলে ৩৪ রান করে আউট হন মারুমানি। তিন নম্বরে নেমে ১২ বলে ২৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন রায়ান বার্ল।

দলীয় ৯৮ রানে দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে বার্ল ফেরার পর ৪০ বলে ৬৯ রানের জুটি গড়ে জিম্বাবুয়েকে জয়ের কাছে নিয়ে যান বেনেট ও রাজা। জয় থেকে ১২ রান দূরে থাকতে রাজা আউট হলে জিম্বাবুয়ের জয় নিশ্চিত করেন বেনেট ও টনি মুনিয়োঙ্গা। টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলংকার বিপক্ষে এটি সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জয় জিম্বাবুয়ের। এর আগে ২০২৪ সালে ১৭৪ রান তাড়া করে জিতেছিল তারা।

টি চারে ৪৮ বলে অনবদ্য ৬৩ রান করেন ১১তম হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ পাওয়া বেনেট। ৩ বলে ১টি ছক্কা ৮ রানে অপরাজিত থাকেন মুনিয়োঙ্গা। ম্যাচ সেরা হন রাজা।

সুপার এইটে গ্রুপ-১এ দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলবে জিম্বাবুয়ে। ২৩ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে সুপার এইটে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ক্যারিবীয়দের মুখোমুখি হবে জিম্বাবুয়ে।

আলিমে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে রেজিস্ট্রেশনের সময় বাড়ল

আলিম শ্রেণিতে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে রেজিস্ট্রেশন থেকে বাদ পড়া শিক্ষার্থীদের বিশেষ বিবেচনায় অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের সময় বাড়ানো হয়েছে। অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দেওয়া যাবে আগামী ১ মার্চ পর্যন্ত। তথ্য এন্ট্রির শেষ সময় ৩ মার্চ পর্যন্ত।

আজ বৃহস্পতিবার মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সব মাদ্রাসা প্রধানের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন আলিম পর্যায়ে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষা-২০২৭ আলিম শ্রেণিতে যেসব শিক্ষার্থী অনলাইনে কোনো মাদ্রাসায় ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে পারেনি, সেসব শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন ইলেকট্রনিক স্টুডেন্ট ইনফরমেশন ফরম (ইএসআইএফ) পূরণ করার জন্য বলা হয়েছে।

অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দিতে হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত। তথ্য এন্ট্রির শেষ সময় ১ মার্চ। আলিম শ্রেণির নিয়মিত শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশনসহ অন্যান্য ফি ৬৮৫ টাকা। অনিয়মিত শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে পাঠ বিরতি ফি ১৫০ টাকাসহ ৮৩৫ টাকা।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ ১ মার্চ থেকে

চলতি বছর উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফরম পূরণ আগামী ১ মার্চ থেকে শুরু হয়ে ৯ মার্চ পর্যন্ত চলবে। কোনো প্রকার বিলম্ব ফি ছাড়াই শিক্ষার্থীরা এ সময়ের মধ্যে অনলাইনে ফরম পূরণ সম্পন্ন করতে পারবে বলে জানিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিলম্ব ফি ছাড়া অনলাইনে ফরম পূরণের ফি জমা দেওয়া যাবে ১০ মার্চ পর্যন্ত। যারা নির্ধারিত সময়ে ফরম পূরণ করতে পারবেন না, তারা ১০০ টাকা বিলম্ব ফি-সহ ১১ মার্চ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত ফরম পূরণের সুযোগ পাবেন। বিলম্ব ফি-সহ টাকা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৮ মার্চ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বোর্ড নির্ধারিত ফি অনুযায়ী বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য (চতুর্থ বিষয়সহ) সর্বমোট ২ হাজার ৯৯৫ টাকা, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য ২ হাজার ৪৩৫ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে কোনো পরীক্ষার্থীর চতুর্থ বিষয়ে বা নৈর্বাচনিক বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা থাকলে বিষয় প্রতি অতিরিক্ত ১৪০ টাকা যুক্ত হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২৪ মাসের বেশি টিউশন ফি আদায় করতে পারবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি বোর্ডের ওয়েবসাইটে সম্ভাব্য পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। প্রতিষ্ঠানসমূহকে অবশ্যই এই তালিকা থেকে সঠিক পরীক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে। জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ২০২৫ সালের পরীক্ষায় জিপিএ ৫ এর কম পাওয়া নিয়মিত শিক্ষার্থীরা সুযোগ পাবেন, তবে তাদের সব বিষয়েই পরীক্ষা দিতে হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ২০২৬ সালের এবং অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের ২০২৫ সালের পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় মডেল টেস্ট নিতে পারবে, তবে তা কোনো শিক্ষার্থীর জন্য বাধ্যতামূলক করা যাবে না এবং অতিরিক্ত ফি আদায় করা যাবে না।

সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধিত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নির্বাচনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের শর্ত শিথিল করা হয়েছে। ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ পরবর্তীতে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। ফরম পূরণ সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.dhakaeducationboard.gov.bd) থেকে সম্পন্ন করতে হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

ঈদের আগে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

ঈদের আগে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, আমাদের অন গোয়িং যে প্রকল্প চলছে তা চলতে থাকবে, কোনোটাই বন্ধ হবে না। আমরা নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছি। ঈদের আগে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। আমাদের যে দায়িত্ব আছে তা যথাযথভাবে পালন করবো।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম অবহিতকরণ সভায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ কথা বলেন। এসময় সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন উপস্থিত ছিলেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, আমাদের রুলস হল মানুষের সেবা করা। রুলস অব বিজনেস কি এই নিয়মের মধ্যে থেকে আটকে থাকলে পরিবর্তন করে এগোতে হবে। আমরা প্রস্তুতি নিয়েই এসেছি, অল্প সময়ে অনিয়ম দূর করে আপনাদের সহযোগিতায় এ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।

জাহিদ হোসেন বলেন, আমরা নির্বাচনী ইশতেহারে জনগণের কাছ থেকে ম্যান্ডেট নিয়ে এসেছি, তাদের জীবনমান উন্নয়নে এ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে হবে।

মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, দেশের দুই-তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নের জন্য সঠিক ও কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের কার্যক্রম শুধু কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবিক অর্থে যাতে জনগণের কাজে লাগে এমনভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের সময় কম। এ অল্প সময়ে আমাদের অনেক কাজ করতে হবে। আমাদের যে বাজেট আছে এই বাজেটের মধ্যেই ওয়েল ডেভেলপমেন্ট করতে হবে। সীমিত সম্পদের উপযুক্ত ব্যবহারের মাধ্যমে পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে তাদের ভবিষ্যৎ জীবন আমরা কীভাবে গড়ে দিতে পারি, সে বিষয়ে পরিকল্পনামাফিক কাজ করতে হবে।

সভায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ নিয়ে তথ্যচিত্র উপস্থাপন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর গবেষণা কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পেলেন মো. আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী

প্রধানমন্ত্রীর গবেষণা কর্মকর্তা পদে মো. আবদুস সাত্তার পাটোয়ারীকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নূর-এ আলম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, মো. আবদুস সাত্তার পাটোয়ারীকে অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সাথে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তিনি গ্রেড-৯ বেতন স্কেলের সর্বশেষ ধাপের বেতনে এ দায়িত্ব পালন করবেন।

এতে আরো বলা হয়, যোগদানের তারিখ হতে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা তাঁর সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) এ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কার্যকর থাকবে।

এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো।

ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি

প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা প্রদানের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) মো. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা প্রদানের জন্য নিম্নরূপে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে—

কমিটির গঠন : অর্থমন্ত্রী এই কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সচিব, অর্থ বিভাগ সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ সচিব, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সচিব।

এ কমিটিতে ‘সচিব’ বলতে সিনিয়র সচিবও অন্তর্ভুক্ত হবেন। কমিটি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের উপযুক্ত ডিজাইন প্রণয়ন এবং সুবিধাভোগী নির্বাচনের পদ্ধতি প্রণয়ন করবে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ন্যাশনাল হাউজহোল ডাটাবেজ আন্তঃসংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ডিজিটাল এমআইএস প্রণয়নের সুপারিশ এবং আসন্ন ঈদুল ফিতরের পূর্বে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করার লক্ষ্যে ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হবে।

কমিটির সভা প্রয়োজনানুসারে অনুষ্ঠিত হবে। নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে। কমিটি প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

রমজানে ৮ হাজার মানুষকে ইফতার সামগ্রী দেবেন ক্রিকেটার বিথি

পবিত্র রমজান মাসে জেলাজুড়ে ৮ হাজার রোজাদার দরিদ্র, এতিম ও অসহায় মানুষকে ইফতার সামগ্রী সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছেন রংপুরের ২৮ বছর বয়সী নারী ক্রিকেটার ও স্বেচ্ছাসেবক আরিফা জাহান বিথি।

গত বছর পবিত্র রমজান মাসে ৬ হাজার দরিদ্র ও দুস্থ মানুষকে উচ্চমানের স্বাস্থ্যকর ইফতার সামগ্রী সরবরাহ করেছিলেন তিনি।

উইমেন্স ড্রিমার ক্রিকেট একাডেমি (ডব্লিউডিসিএ) রংপুর এবং হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিথি, কোভিড-১৯ মহামারির পর থেকে বহুমাত্রিক সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড এবং দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য খ্যাতি অর্জন করেছেন।

বিথি বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধির কারণে সমাজের নিম্ন, মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবী মানুষের অবস্থা হতাশাজনক। একই সাথে ইফতার সামগ্রীর দামও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষসহ অসহায়, দুস্থ, বেকার, শ্রমিক এবং দিনমজুররা সমস্যায় পড়েছেন। যারা একদিনও কাজ করেন না, তারাই সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন। এই মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য, আমি তাদের ইফতার সামগ্রী এবং খাদ্য সহায়তা প্রদানের মতো মানবিক কার্যক্রম হাতে নিয়েছি।