বুধবার, অক্টোবর ৭, ২০২৬

ইসরায়েলের কাছে ৪ মৃতদেহ হস্তান্তর করেছে হামাস

শত শত ফিলিস্তিনি বন্দির বিনিময়ে গাজা থেকে চার ইসরায়েলি জিম্মির মৃতদেহ হস্তান্তর করেছে হামাস। ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালের হামলায় তাদের ধরে নিয়ে গিয়েছিল হামাস। তারা হলেন— মনসুর (৮৬), ওহাদ ইয়াহালোমি (৫০), সাচি ইদান (৫০) এবং ইতজিক এলগারাত (৬৯)।

হস্তান্তর করা মৃতদেহগুলো তাদেরই কি না তা নিশ্চিত করার জন্য ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা করে দেখছে ইসরায়েল।
আজ বৃহস্পতিবার ভোরে ইসরায়েল ৬০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিতে শুরু করে। বহু মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দিকে পশ্চিম তীর এবং গাজায় ফিরিয়ে আনা হয়, সেখানে জনতা তাদের স্বাগত জানায়। এটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম পর্যায়ের চূড়ান্ত বিনিময় এবং আগামী শনিবার শেষ হওয়ার কথা।

বিনিময়ের অংশ হিসেবে ফেরত আসা চারটি মৃতদেহের ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল এখনো নিশ্চিত করেনি ইসরায়েল।

প্রাথমিক পরীক্ষাগুলো ইসরায়েল-গাজা সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ার কথা ছিল এবং পরে ইসরায়েলি মিডিয়া জানিয়েছে, সেগুলো তেল আবিবের একটি ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি শিরি বিবাসের মৃতদেহের পরিবর্তে গাজার এক ফিলিস্তিনি নারীর মৃতদেহ হামাস ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করার পর ইসরায়েলে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। হামাস বলেছে, তারা ভুলে এ শনাক্তটি করেছিল এবং পরে বিবাসের মৃতদেহ বলে নিশ্চিত হওয়া অন্য লাশ ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রয়টার্স সংবাদ সংস্থা কর্তৃক প্রকাশিত ছবিতে বুধবার গভীর রাতে পশ্চিম তীরের ওফের কারাগার থেকে ফিলিস্তিনি বন্দিদের বহনকারী একটি বাস দেখা গেছে।
পরে ফিলিস্তিনি বন্দিদের বহনকারী একটি বাস রামাল্লাহ সাংস্কৃতিক প্রাসাদের একটি চেকপয়েন্টে পৌঁছায়, যেখানে তাদের মুক্তি উদযাপনের জন্য বিশাল জনতা জড়ো হয়েছে।

গাজার খান ইউনিসের একটি হাসপাতালের বাইরে কয়েক ডজন ফিলিস্তিনি বন্দিকে বাস থেকে নামতে দেখা গেছে।
মুক্তি পাওয়া প্রত্যাশিত ফিলিস্তিনি বন্দিদের মধ্যে রয়েছে যুদ্ধের সময় ইসরায়েলি বাহিনী কর্তৃক আটক ৪০০ জনেরও বেশি গাজাবাসী এবং ইসরায়েলি কারাগারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ৫০ জন বন্দি।

পশ্চিম তীরের ওফের কারাগারের পাশাপাশি ইসরায়েল আগে বলেছিল, দক্ষিণ ইসরায়েলের কেটজিওট কারাগার থেকেও বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হবে। হামাস পরিচালিত বন্দিদের মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, গাজার একটি হাসপাতাল মুক্তিপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনিদের গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সূত্র : বিবিসি

যানজট নিরসনে একসঙ্গে কাজ করবে সেনাবাহিনী-ডিএনসিসি

শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও যানজট নিরসনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ডিএনসিসি যৌথভাবে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ এ তথ্য জানান। সেনাবাহিনীর সদর দপ্তরে তাদের মধ্যে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে ডিএনসিসির আওতাধীন এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নে ডিএনসিসি ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা করেন সেনাপ্রধান ও ডিএনসিসি প্রশাসক।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, সেনাবাহিনী এরই মধ্যে ডিএনসিসির নবগঠিত ১৮টি ওয়ার্ডের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ করছে। সেনাবাহিনীর দক্ষ লজিস্টিক ও টেকনিক্যাল সহায়তার মাধ্যমে ডিএনসিসি ভবিষ্যতেও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এছাড়াও ডিএনসিসির ডাটা সেন্টার ম্যানেজমেন্ট, শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও যানজট নিরসনে এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) ভিত্তিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় যৌথভাবে কাজ করবে সেনাবাহিনী ও ডিএনসিসি।

এ সময় সেনাপ্রধান শহরের যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে প্রশিক্ষণ প্রদান ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সিটি করপোরেশনকে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের নদীর রণকৌশলগত ভূমিকা নিয়ে ডিএনসিসি প্রশাসকের গবেষণা কর্মের প্রশংসা করেন সেনাপ্রধান।

আইসিইউ চিকিৎসকদের সংগঠন এসআইবির যাত্রা শুরু

বাংলাদেশের আইসিইউ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সংগঠন সোসাইটি অব ইনটেসিভিস্ট বাংলাদেশ (এসআইবি) যাত্রা শুরু করেছে।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা ক্লাবে প্রথম সাধারণ সভার (এজিএম) মধ্য দিয়ে সংগঠনটি যাত্রা শুরু করে। সভায় আগামী দুই বছরের জন্য সোসাইটির প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বার্ষিক সভায় সংগঠনের উপস্থিত সদস্যদের ভোটে অধ্যাপক এ কে কামরুল হুদা সভাপতি এবং ডা. রায়হান রাব্বানী সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন।
এ সময় ৬ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ, ১০ সদস্যের নির্বাহী কমিটি এবং ১০ সদস্যের কার্যনির্বাহী সদস্য নিয়ে আংশিক কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি দেশের আইসিইউ চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং আর্ন্তাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আইসিইউ সেবার মানোন্নয়নে কাজ করবে।

সভার আগে ইনটেনসিভ কেয়ার নানান গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন- সেপসিস, এন্টিবায়োটিক রেজিসট্যান্স, ইনফেকশন ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়। সাইন্টিফিক এই অধিবেশনে আলোচনা করেন- অধ্যাপক একে কামরুল হুদা, ডা. মো. তাহসিন সালাম, ডা. রায়হান রাব্বানী ও ডা. মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান আকাশ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ইকবাল হোসেন চৌধুরী এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. রিজওয়ানুর রহমান। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসএমএমইউ এনেসথেসিয়া বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের এনেসথেসিয়া বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মোজাফফর হোসেন এবং বর্তমান বিভাগীয় প্রধান জনাব সুব্রত কুমার মন্ডল।

সভায় নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে অধ্যাপক একে কামরুল হুদা বলেন, আমাদের লক্ষ্য দেশের আইসিইউ সেবার উন্নয়ন নিশ্চিত করা, চিকিৎসকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন নিবিড় পরিচর্যা সেবা নিশ্চিত করা। এই কমিটি একসঙ্গে কাজ করে আমাদের লক্ষ্য অর্জনে অগ্রসর হবে।
এদেশের শীর্ষস্থানীয় আইসিইউ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটি আগামী দুই বছর সংগঠনের নেতৃত্ব দেবে এবং দেশের আইসিইউ চিকিৎসার উন্নয়নে কাজ করবে।

সোসাইটি অব ইনটেনসিভিস্ট বাংলাদেশ-এর সফলতা কামনা করে ধন্যবাদ বক্তৃতা দেন রেডিয়েন্ট বিজনেস কনসোর্টিয়াম লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু শাহরিয়ার জাহেদী। তিনি সংগঠনের সার্বিক সহায়তায় নিয়মিত ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং বিশ্বমানের প্রযুক্তিতে প্রস্তুতকৃত গুণগত ও মানসম্পন্ন ওষুধ সরবরাহের মাধ্যমে রোগীদের উন্নত চিকিৎসায় রেডিয়েন্ট এর ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন।

অপারেশন ডেভিল হান্ট : আরো ৬৭৮ জন গ্রেপ্তার

ঢাকাসহ সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ এবং অন্যান্য মামলা ও ওয়ান্টেমূলে ১ হাজার ৬৯০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরমধ্যে ‘অপারেশন ডেভিল হান্টে’ গ্রেপ্তার হয়েছেন ৬৭৮ জন।

আজ বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ এবং অন্যান্য মামলা ও ওয়ারেন্টমূলে গতকাল রাত থেকে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬৯০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর মধ্যে অপারেশন ডেভিল হান্টে গ্রেপ্তার হয়েছে ৬৭৮ জন এবং অন্যান্য মামলা ও ওয়ান্টেমূলে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১০১২ জনকে।

এতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় অপারেশন ডেভিল হান্টে ৪.৫ এমএম পিস্তল ১টি, এলজি ১টি, শুটারগান ১টি, দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক ১টি, ম্যাগজিন ১টি, কার্তুজ ৭টি, রাইফেলের গুলি ১টি, স্টিলের দেশীয় তৈরি কুড়াল ১টি, ধারালো চাপাতি ১টি, রামদা ১টি, লোহার শাবল ১টি, ক্ষুর ১টি, সুইচ গিয়ার চাকু ২টি ও লোহার রড ২টি উদ্ধার করা হয়েছে।

আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা দেশে যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ অভিযান শুরু হয়।

ইইউ রাষ্ট্রদূত ও মিশনপ্রধানের সঙ্গে এবি পার্টির সাক্ষাৎ

ঢাকায় নবনিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত ও মিশনপ্রধান মাইকেল মিলারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন এবি পার্টি নেতারা।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন মিশনে এই মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স ইনচার্জ ব্যারিস্টার নাসরীন সুলতানা মিলি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সানি আবদুল হক এবং ইন্টারন্যাশনাল টিমের অন্যতম সদস্য হাজরা মেহজাবিন। এ সময় ইইউ প্রতিনিধিদলের ডেপুটি হেড ড. বার্নড স্প্যানিয়ারও উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রদূত মিলারকে ২০২০ সালে দলটির আত্মপ্রকাশ, কেন্দ্র ও তৃণমূলে সংগঠন কাঠামো, দেশজুড়ে দলের নেটওয়ার্ক এবং দ্বিতীয় প্রজন্মের রাজনীতি বিষয়ে ধারণা দেন। তরুণ প্রজন্মের কাছে সেবা এবং সমস্যা সমাধানের রাজনীতির ধারণা কিভাবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে তা তারা তুলে ধরেন। বিগত বছরগুলোতে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন এবং বিশেষ করে জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে এবি পার্টির ভূমিকা সম্পর্কেও বৈঠকে আলোচনা হয়।

এবি পার্টি মনে করে, ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিবাদী শাসক দিল্লিতে পালিয়ে যাওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারকে কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করতে হয়েছে।
তারা যে প্রেক্ষাপটে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে সে প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে অন্তর্বর্তী প্রশাসনের প্রতি এখনো মানুষের অগাধ আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। তুলনামূলকভাবে তারা ভালো কাজ করার চেষ্টা করছে। যদিও অগ্রগতি এবং উন্নয়নের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে আরো আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার ব্যাপারে এবি পার্টির দায়িত্বশীল সমালোচনা চলমান রেখেছে।

এবি পার্টির নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইইউর এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ এবং অবদান রয়েছে, যা প্রশংসার দাবিদার।
তবে বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ইইউর পক্ষ থেকে আরো সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করে এবি পার্টি। এবি পার্টি বিশ্বাস করে যে ২০২৬ সালে এলডিজি গ্র্যাজুয়েশন বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তাই তা সংশোধন করা দরকার। বাংলাদেশে জিএসপি প্লাস সুবিধা পেতে সাহায্য করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি বৈঠকে অনুরোধ জানানো হয়।

দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে বিপর্যস্ত হওয়া বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে, প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে কোটি কোটি বেকারদের জন্য কাজের বাজার তৈরি করতে এবং তথ্য-প্রযুক্তি ও পর্যটন খাতে এফডিআইকে উৎসাহিত করতে ইইউ বাংলাদেশকে সাহায্য করবে বলে এবি পার্টি আশাবাদ ব্যক্ত করে। রাষ্ট্রদূত মিলার গণতন্ত্রে উত্তরণ সম্পর্কে নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে আরও জানতে আগ্রহী ছিলেন এবং আশ্বস্ত করেছিলেন যে ইইউ তার সহায়তা অব্যাহত রাখতে চেষ্টা করবে।

জাতীয় নির্বাচনের জন্য গ্রহণযোগ্য সংস্কার হতে হবে : জামায়াত আমির

জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘অবশ্যই জাতীয় নির্বাচনের জন্য গ্রহণযোগ্য সংস্কার হতে হবে। কারণ এর মাধ্যমে সরকার গঠন হবে। এরাই দেশ চালাবে, দেশের নীতি পলিসি তৈরি করবে।’

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নীলফামারীর ডোমার উপজেলা পরিষদ মাঠে উপজেলা জামায়াত আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদগুলো আওয়ামী লীগের ছিল। জোর করে ভাই-ভাতিজা, শালা-সমন্ধি মিলে তারা দখল করেছে। এরা এখন পালিয়ে গেছে। মেম্বাররা পালিয়ে গেছেন, চেয়ারম্যান-মেম্বার নেই, মানুষ যাবে কেন।
প্রশাসক, এতগুলো মানুষের দায়িত্ব প্রশাসক নেবে? যাদের জনগণ নিজেদের প্রতিনিধি মনে করে না। পৌরসভা ভেঙে দেওয়া হয়েছে, কোনো জনপ্রতিনিধি নেই। সিটি করপোরেশন ভেঙে দেওয়া হয়েছে, সেখানে কোনো জনপ্রতিনিধি নেই। জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে সেখানে কোনো জনপ্রতিনিধি নেই।
প্রতিদিন মানুষের জনদুর্ভোগ হচ্ছে। আমাদের রাজনীতি জনগণের দুর্ভোগ বাড়ানোর জন্য নয়, আমাদের রাজনীতি দুর্ভোগ কমানোর জন্য।’

বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ষড়যন্ত্র করে অবনতি করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই অবস্থায় যদি বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হয়, আমাকে সাংবাদিক বন্ধুরা বলেছিলেন, আপনি কী মনে করেন? আমি বলেছিলাম, ইট উইল বি দ্য জেনোসাইড অব ইলেকশন। একটা ইলেকশনকে একদম খতম করে দেবে। চরম বিশৃঙ্খলা হবে, রক্তের বন্যায় বাংলাদেশ ভেসে যাবে।
আমরা এটা চাই না, আমরা চাই, সব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করে, দেশে আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে জনগণকে স্বস্তির সঙ্গে তার ভোট প্রয়োগের সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘সাড়ে ১৫ বছরে যারা নতুন ভোটার হয়েছে তাদের প্রত্যেককে ভোটার লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। আওয়ামী লীগ যে পৌনে দুই কোটি ফলস ভোটার তৈরি করেছিল তাদের কেটে সাফ করতে হবে। যারা দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে, তাদের বাদ দিতে হবে। এই আন্দোলনে প্রবাসীরা আমাদের সঙ্গে আন্দোলন করেছেন। তাদের প্রত্যেকের ভোট নিশ্চিত করতে হবে। এ কাজগুলো করেই একটা সুষ্ঠ নির্বাচনে ফিরে যেতে হবে। দৈনন্দিন জীবনে আইনগত ও প্রশাসনিক সহায়তা দিতে হবে।’

নির্বাচনে পেশিশক্তি ও কালো টাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন আসনে যখন মনোনয়ন দেওয়া হয় তখন পেশিশক্তি আর কালো টাকার বলে ভোটকে প্রভাবিত করে অযোগ্যরা নির্বাচিত হয়ে আসেন। সংসদে যাওয়া নারীদের আমি সন্মান করি। কিন্তু এক নারী কিছুই পড়তে পারেন না, বলতে পারেন না। তার মেয়ে এক পৃষ্ঠা কাগজ লিখে দিয়ে বলেছে, আম্মা তুমি এইটা বলিও। তিনি ১৭ মিনিটে এক পৃষ্ঠা পড়েছেন, এক পৃষ্ঠার মধ্যে ২৮টা ভুল পড়েছেন। এখন বলেন, এই রকম লোকেরা যদি সংসদ সদস্য হন, তারা কি দেশের ভালো আইন তৈরি করার যোগ্যতা রাখেন?’

এই পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও অঞ্চল পরিচালক (রংপুর-দিনাজপুর) মাওলানা আব্দুল হালিম, রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের টিম সদস্য মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ, জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা আমির খন্দকার মো. আহমাদুল হক মানিক।

শুক্রবার ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতের আশা করছেন জেলেনস্কি

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি বুধবার বলেছেন, তিনি শুক্রবার ওয়াশিংটন সফরের আশা করছেন, যেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজসম্পদ চুক্তি স্বাক্ষর করতে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ভবিষ্যতের সহায়তা নিয়ে আলোচনা করতে চান। এএফপি বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইউক্রেনকে তাদের বিরল খনিজসম্পদের প্রবেশাধিকার যুক্তরাষ্ট্রকে দিতে হবে, যা জো বাইডেনের শাসনামলে দেওয়া যুদ্ধকালীন সহায়তার বিনিময়ে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

এক জ্যেষ্ঠ ইউক্রেনীয় কর্মকর্তা মঙ্গলবার রাতে এএফপিকে জানান, কিয়েভ চুক্তির শর্ত মেনে নিয়েছে, ফলে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের খনিজসম্পদ যৌথভাবে আহরণ করবে এবং জেলেনস্কি শুক্রবার ওয়াশিংটনে এটি স্বাক্ষর করতে পারেন।

পরে বুধবার জেলেনস্কি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি সত্যিই এই সফর করতে চাই। এটি কেবল একটি শুরু, একটি কাঠামো, যা একটি বড় সফলতা হতে পারে। এই সফলতা নির্ভর করবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে আমাদের আলোচনার ওপর।’

জেলেনস্কি বলেন, চুক্তি থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব একটি তহবিলে জমা হবে, যা ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ মালিকানাধীন হবে এবং বাইডেন প্রশাসনের অধীনে দেওয়া সহায়তার কারণে কিয়েভকে ‘ঋণগ্রস্ত’ হতে হবে না।
তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের ঋণগ্রস্ত করা অন্যায্য হবে।’

ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট জানান, তিনি ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করবেন, যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা পুরোপুরি বন্ধ করবে কি না এবং যদি তা হয়, তাহলে ইউক্রেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে অস্ত্র কিনতে পারবে কি না।

এই চুক্তির মাধ্যমে ইউক্রেন ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি করতে চায়, যা বর্তমানে ট্রাম্প ও জেলেনস্কির কথার লড়াইয়ের কারণে উত্তপ্ত হয়ে আছে। এ ছাড়া কিয়েভ নিরাপত্তা নিশ্চয়তাও চায়, যদিও চুক্তির বর্তমান খসড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো নির্দিষ্ট নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি নেই বলে এক জ্যেষ্ঠ ইউক্রেনীয় কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন।

ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মেরি মাসদুপুই।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে যান ফরাসি রাষ্ট্রদূত। সেখানে তিনি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন।

বৈঠকে বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্র্রদূতের সঙ্গে ছিলেন দূতবাসের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ক্রিশ্চিয়ান বেক।

এ বিষয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘ফ্রান্সের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। তাদের সঙ্গে সম্পর্ক কিভাবে আরো ভালো করা যায় তা নিয়ে আমাদের মধ্যে মতবিনিময় হয়েছে। দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।
’

নির্বাচন, অর্থনৈতিক ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে রাষ্ট্রদূত জানতে চেয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্থানীয় সরকার আগে হলে ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচন সম্ভব নয় : ইসি আনোয়ারুল

আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে গেলে ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচন করা সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে ভোটার তালিকা হালনাগাদ উপলক্ষে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় তিনি এ কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইসি আনোয়ারুল বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে গেলে এক বছর সময় লাগবে। তাহলে ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচন করার আমাদের যে ঘোষণা, সে টাইমলাইনের মধ্যে করা সম্ভব হবে না।
তাই আমরা আগে জাতীয় নির্বাচনের কথা ভাবছি।’

ডিসেম্বরকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রস্তুত আছি। আশা করছি, ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচন করতে পারব।’

নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমরা ঘরে ঘরে গিয়ে ইতিমধ্যে ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ করেছি।
এখন পুরোদমে রেজিস্ট্রেশনের কাজ চলছে। দেশের মানুষ ভোট দিতে আগ্রহী বলেই উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে ভোটার হতে চাচ্ছে। মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারাও আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করছেন। সমন্বিতভাবে ভোটার তালিকা তৈরির কাজটি শেষ করার জন্য সবাই সচেষ্ট আছেন।
’

তিনি আরো বলেন, ‘গত ১৬ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় নির্বাচনের একটি সম্ভাব্য সময়ের কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, অল্প সংস্কার করে নির্বাচন চাইলে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, আর আরেকটু বেশি সংস্কার করে নির্বাচন চাইলে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে নির্বাচন করা সম্ভব। এখানে দুটি সময়সীমা ঘোষণা করা হয়েছে। ডিসেম্বরকে সামনে রেখেই আমরা যাতে তফসিল ঘোষণা করতে পারি, সে প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করি, ডিসেম্বর নাগাদ নির্বাচন করা সম্ভব হবে।
’

নির্বাচনের আসন বিন্যাসের প্রসঙ্গে কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আসন বিন্যাসের কাজটি কঠিন। ৪০০-এর মতো আবেদন প্রক্রিয়াধীন আছে। সেই আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করতে হলে বিদ্যমান ডিলিমেটেশন আইন সংশোধন করতে হবে। সেই আইন সংশোধনের উদ্যোগ আমরা নিয়েছি। আইন সংশোধন হলে পরে আমরা এই কাজটি করব।’

জেলা প্রশাসক ফাতেমা তুল জান্নাতের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোছাম্মদ জোবাইদা খাতুন, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলমসহ ছয় উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তা এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

বাদ পড়লেন জিকো-ইয়াসিনরা, মার্চে ঢাকায় আসবেন হামজা

এএফসি এশিয়ান কাপ কোয়ালিফায়ারের ম্যাচের জন্য কিছুদিন আগে ৩৮ সদস্যের দল ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। সেই তালিকা থেকে আজ ৮ ফুটবলারকে বাদ দিয়ে প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে বাফুফে।

কোচ হাভিয়ের কাবরেরার এবারের স্কোয়াডে জায়গা হয়নি জাহিদ হোসেন শান্ত, ইয়াসিন খান, আনিসুর রহমান জিকো, হাসান মুরাদ, রাব্বী হোসেন রাহুল, রফিকুল ইসলাম, মেহেদি হাসান মিঠু ও সাকিব আল হাসানদের।

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য সৌদি আরবে প্রস্তুতি সাড়বে বাংলাদেশ দল।
এই ম্যাচ দিয়েই বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক হবে হামজা চৌধুরীর। শেফিল্ড ইউনাইটেডের অক্রমণাত্মক মিডফিল্ডারের সঙ্গে অভিষেক হওয়ার অপেক্ষায় আছেন ফাহমিদুল ইসলাম। ইতালির চতুর্থ বিভাগের দল ওলবিয়া ক্যালসিওর হয়ে খেলছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূ’ত এই ফরোয়ার্ড।

দলের অনুশীলনে যোগ দিতে আগামী ১৮ মার্চ ঢাকায় আসবেন হামজা।
আর ফাহমিদুল সরাসরি সৌদিতে হতে যাওয়া ক্যাম্পে যোগ দেবেন। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে স্কোয়াডে থাকা বাকি ২৮ ফুটবলারকে বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার আমের খানের নিকট রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।

এএফসি এশিয়ান কা সৌদ আরব-২০২৭ কোয়ালিফায়ার্সের ম্যাচটি ভারতে হবে। আগামী ২৫ মার্চ ভারতে শিলংয়ে ম্যাচটি হবে।

বাংলাদেশ দল :

গোলরক্ষক : মিতুল মারমা, সুজন হোসাইন ও মেহেদী হাসান শ্রাবণ।

ডিফেন্ডার : শাকিল আহাদ তপু, রহমত মিয়া, শাকিল হোসাইন, ঈসা ফয়সাল, তাজ উদ্দিন, তারিক কাজী, তপু বর্মণ, সাদ উদ্দিন, সুশান্ত ত্রিপুরা।

মিডফিল্ডার : মো. হৃদয়, পাপন সিং, সৈয়দ শাহ কাজেম, মো. সোহেল রানা, সোহেল রানা, চন্দন রায়, মজিবুর রহমান জনি, শেখ মোরসালিন, জামাল ভুঁইয়া এবং হামজা চৌধুরী।

ফরোয়ার্ড : ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, রাকিব হোসাইন, ইমন শাহরিয়ার, মো. ইব্রাহিম, আরিফ হোসাইন, আল আমিন, পিয়াস আহমেদ নোভা, ফাহমিদুল ইসলাম।