সোমবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬

সংসদে না থেকেও অধিবেশনজুড়ে আলোচনায় বিএনপি

sansodhঢাকা: চলতি সংসদের মধ্যবর্তী অধিবেশন সম্প্রতি শেষ হয়েছে। আর সবগুলো রাজনৈতিক দল থেকে আসা অধিকাংশ সংসদ সদস্যই মূলত বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া এবং দলটির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়েই পুরো অধিবেশন জুড়ে মাথা ঘামিয়ে গেছেন।  দশম জাতীয় সংসদে বিএনপির কোনো প্রতিনিধি না থাকলেও যখনই সংসদে কোনো বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসছে কিংবা কোনো বিষয় নিয়ে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে, তখন সব নীতিনির্ধারক ও সরকারের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর মনোযোগ গিয়ে পড়ছে বিএনপির ওপরেই।  সম্প্রতি শেষ হওয়া চলতি সংসদের মধ্যবর্তী অধিবেশনে পুরো সময়জুড়েই বিএনপি প্রধান খালেদা জিয়া, তার স্বামী ও দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং তাদের ছেলে ও দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানই সংসদ সদস্যদের আলোচনার বিষয়বস্তু হিসেবে প্রাধান্য পেয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে খালেদা ও তারেকের ওপর রীতিমতো বিষ উগড়েছেন তারা। ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার কারণেও বিএনপির নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিদের তীব্র সমালোচনা করেন তারা।  নবম জাতীয় সংসদে দেশের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আসীন হয়েছিল বিএনপি। তখন বিএনপিকে যতটা গুরুত্ব দিয়ে সংসদে আলোচনা-সমালোচনা করতেন সরকারি দলের সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীরা, নির্বাচন বর্জন করার কারণে চলতি সংসদে বিএনপি না থাকলেও সেই একইরকম গুরুত্ব দিয়েই আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে মাত্র শেষ হওয়া এই অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনাসহ সব ধরনের জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েই আলোচনা করার সময় সংসদ সদস্যরা এমনভাবে বিএনপি নেতার ওপর আক্রমণ চালিয়েছেন যেন নবম সংসদের মতোই এখনো বিএনপিই প্রধান বিরোধী দল রয়েছে!  শুধু তাই নয়, কার্যতালিকা অনুসারে দিনের অধিবেশন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিএনপি-জিয়াউর রহমান-খালেদা জিয়া-তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অসংসদীয় শব্দ তো ছুঁড়ে দিতেনই, এমনকি এতে তারা এতটাই মেতে থেকেছেন যে, এতে সময়ক্ষেপণ হওয়ার কারণে অধিকাংশ সময়েই মন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার জন্য নির্ধারিত সময়ও পার হয়ে যায়।  ২৯ জানুয়ারি থেকে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সংসদীয় অধিবেশন শুরু হওয়ার প্রথম দিন থেকে শুরু করে অনুষ্ঠিত হওয়া গত ৩৫টি অধিবেশনেই সংসদ সদস্যরা মেতেছিলেন বিএনপির সমালোচনাতেই। গত ৮ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ২২৩ জন সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতির উদ্দেশ্যে বক্তব্য রেখেছেন মোট ৫২ ঘণ্টা, আর হাতেগোণা কয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া অধিকাংশ নীতিপ্রণেতারাই তাদের পুরো বক্তব্য উৎসর্গ করেছেন বিএনপির প্রতি।  ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের হুইপ আতিউর রহমান আতিক বলেন, “আমাদের সংসদ সদস্যরা বিএনপির বিরুদ্ধে সংসদে কথা বলেন, কারণ সংসদে আমাদের প্রধান বিরোধী দলের সঙ্গে আমাদের অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। তাই বিএনপিই প্রকৃত বিরোধী দল। তাই বিএনপির বিরুদ্ধেই আমাদের সংসদ সদস্যরা কথা বলবেন।”  এ সময় তিনি প্রশ্নকর্তার প্রতি পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “আমি কি আপনার সঙ্গে ঝগড়া করতে পারবো যদি আমাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকে?”  আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা রহমত আলী জানান, সংসদে কোনোভাবেই বিএনপি প্রতিনিধিত্ব করছে কি করছে না তা কোনো ব্যাপারই নয়, কারণ বিএনপির সঙ্গেই আওয়ামী লীগের বিরোধিতা রয়েছে। তিনি বলেন, “কাজেই যা হচ্ছে তা হতেই থাকবে যতদিন পর্যন্ত না দুই দলের সম্পর্কের উন্নতি হয়।”  দিনের নির্ধারিত কার্যবিধিতে ‘পয়েন্টস অব অর্ডার’ না থাকলেও শেষ হওয়া অধিবেশনটির মোট ৩৫ দিনের কার্যদিবসের মধ্যে অন্তত ২৬ দিনই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ও ওয়ার্কার্স পার্টি এবং বিরোধী দলে থাকা জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্যরা শুধু খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বক্তব্যের পাল্টা জবাব দেয়ার জন্যই পয়েন্টস অব অর্ডারে কথা বলেছেন।  জিয়াউর রহমানকে দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আখ্যায়িত করে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের দেয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গটি নিয়ে গত ৩০ মার্চ জাসদের সংসদ সদস্য মঈন উদ্দীন বাদল সংসদে নিজ বক্তব্য উত্থাপন করেন। এই প্রসঙ্গটি সেদিনের কার্যবিধিতে নির্ধারিত না থাকলেও পরে আটজন মন্ত্রী- মতিয়া চৌধুরী, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, তাজুল ইসলাম চৌধুরী, নজিবুল বাশার মাইজভাণ্ডারী এবং কাজী ফিরোজ রশীদ এই প্রসঙ্গে কথা বলেন দুই ঘণ্টা ধরে। এর ফলে রাষ্ট্রপতির উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তব্যের জন্য নির্ধারিত সময় সেদিন কমিয়ে ফেলা হয়। ফারুক খান, মুজিবুল হক চুন্নু এবং বীরেন শিকদার- মাত্র এই তিনজন সেদিন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর বক্তৃতা দেন।  গত সোমবারের অধিবেশনে নির্ধারিত আলোচনা শুরু হওয়ার আগেই গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন ‘পয়েন্ট অব অর্ডার’-এ কথা বলার জন্য সময় চেয়ে নেন। খালেদা জিয়া বর্তমানে অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে দিন পার করছেন দাবি করে সংবাদপত্রে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের ওপর আলোচনার জন্য তিনি ‘পয়েন্ট অব অর্ডার’ নেন এবং ১০ মিনিটেরও বেশি সময় জুড়ে সেদিন তিনি খালেদা জিয়া, জিয়াউর রহমানসহ পুরো বিএনপির বিরুদ্ধেই তীব্র সমালোচনা করেন।  পরে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীও তাকে অনুসরণ করেন এবং একই বিষয়ে কথা বলেন। খালেদা জিয়ার সমালোচনাই শুধু নয়, ১৯৭১ সালে খালেদা জিয়ার কী ভূমিকা ছিল বা তিনি কোন অবস্থায় ছিলেন তা নিয়েও তীব্র সমালোচনা করেন মতিয়া।  সংসদীয় সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কার্যবিধিতে নির্ধারিত না হওয়ার পরেও সংসদের মূল্যবান সময়ের কতোটা অংশ অনির্ধারিত এসব বিষয়ে আলোচনার জন্য উৎসর্গ করে দেয়া হয়েছে তা এখনো গুণে শেষ করে উঠতে পারেননি তারা। সূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন।

মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়ে চলছে ছাত্রলীগ

cattro-league-bangladesh-cattro-league-logo6-311x186ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ১১ জুলাই মেয়াদ শেষ হয়েছে বর্তমান কমিটির। মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়ে চলছে ছাত্রলীগ। তার পরও নতুন সম্মেলনের প্রস্তুতি নেই সংগঠনটিতে।

এদিকে ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রের ১১ (খ) ধারা অনুযায়ী,‘কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের কার্যকাল ২ বছর। এ সময়ের মধ্যে সম্মেলন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সম্মেলনের পক্ষে-বিপক্ষে মত সৃষ্টি হয়েছে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের ভেতরে।

আগামী সম্মেলনে বয়সের কারণে যারা ছাত্রলীগ থেকে বাদ পড়বেন, তারা চাচ্ছেন সম্মেলন দেরিতে হোক। অন্যদিকে যাদের বয়স অপেক্ষাকৃত কম, তারা চাচ্ছেন সম্মেলন দ্রুত হোক।

এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ ও সিদ্দিকী নাজমুল আলমের নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিটির আগের কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন মাহমুদ হাছান রিপন ও মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন। রিপন-রোটন কমিটি মেয়াদ পার করেও দায়িত্ব আঁকড়ে ছিল।

বর্তমান কমিটিও আগের কমিটির মতো পথ অনুসরণ করছে কি না, এ নিয়ে গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে ছাত্রলীগের মধ্যে।

২০১১ সালের ১০ ও ১১ জুলাই অনুষ্ঠিত সম্মেলনে ভোটের মাধ্যমে সভাপতি এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম নির্বাচিত হন।

বর্তমান কমিটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গঠনতন্ত্র অনুসারে পরিচালিত করতে পারেনি সংগঠনকে। কাউন্সিলের পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে ৪ মাস সময় নিয়ে ২৫১ সদস্যের স্থলে ২২১ সদস্যের আংশিক কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তী সময়ে কয়েক দফায় কমিটির কলেবর বাড়িয়ে গঠনতন্ত্র অমান্য করা হয়।

ছাত্রলীগ সূত্রে জানা যায়, সম্মেলনের দাবি করতে পারেন, এমন নেতাদের শেষ মুহূর্তে কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদায়ন করে কিছুটা মুখ রক্ষা করেছে বর্তমান কমিটি।

কেন্দ্রীয় কমিটির সব নেতার নাম এখনও ছাত্রলীগের ওয়েবসাইটে যোগ করা হয়নি। সাংগঠনিক কর্মসূচিতেও নির্দিষ্ট কিছু নেতা ছাড়া বাকিদের জানানো হয় না, এমন অভিযোগও রয়েছে।

বিষয়গুলো নিয়ে সংগঠনের জুনিয়র নেতাদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠনটির বিভিন্ন পদে ছাত্রশিবির থেকে অনুপ্রবেশকারীরা ঠাঁই করে নিলেও শীর্ষ নেতাদের পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।

এসব বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন চাইবেন তখনই সম্মেলন করা হবে। বড় সংগঠনে কিছু সমস্যা থাকাটাও স্বাভাবিক বলে মন্তব্য করেন।’

ক্ষুব্ধ হয়ে বেরিয়ে গেলেন ব্যারিস্টার রফিক

baristar rafik১১ এপ্রিল, ঢাকা: জাতীয় প্রেসক্লাবে সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন ও সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের। সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে উপস্থিত হনও তিনি। এর কিছুক্ষণ পর উপস্থিত হন অনুষ্ঠানের সাত বিশেষ অতিথির একজন- যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

এরপর সোয়া ১১টা পর্যন্ত বসে ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক। আর কোনো অতিথি তখনও পৌঁছাতে পারেননি অনুষ্ঠানস্থলে। শেষ পর্যন্ত সোয়া ১১টার দিকে সেখান থেকে বেরিয়ে যান ব্যারিস্টার রফিক-উল হক। যাওয়ার সময় বলে গেলেন, ‘যারা সময়ের মূল্য দিতে জানে না, তারা মানুষের জাত-ই না।’

এর আগে দেরিতে অনুষ্ঠান শুরু করতে গেলে আয়োজকদের উদ্দেশে প্রবীণ এই আইনজীবী বলেন, ‘বর নাই, কনে নাই এখনই বিয়ে শুরু করবেন?’

অনুষ্ঠানে যাদের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল- সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশসের সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন, সাবেক সাংসদ খায়রুল কবির খোকন , বরিশাল জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়েদুল হক চাঁন, আবুল হোসেন খান, ফারুক আহমেদ প্রমুখ।

পাকিস্তানে তালেবানের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষে নিহত ১২

taleba-pakপাকিস্তানে তালেবানের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে তালেবানের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে শুক্রবার এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে তালেবান ঘোষিত ৪০ দিনের অস্ত্রবিরতি শেষ হওয়ার একদিন পর এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল।

ওই দুই গ্রুপের একটির নেতৃত্বে রয়েছেন কমান্ডার খান সাইদ। আর অন্য গ্রুপটি মূলত সম্প্রতি প্রয়াত তালেবানের শীর্ষ নেতা হাকিমুল্লাহ মেহসুদের অনুসারী। হাকিমুল্লাহ মেহসুদ ২০১৩ সালের ১ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের এক ড্রোন হামলায় নিহত হন।

গত রবিবার থেকেই সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনার পক্ষ ও বিপক্ষ গ্রুপগুলোর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সংঘর্ষে এ পর্যন্ত অন্তত ৫৬ জন নিহত হয়েছে।

এদিকে পাকিস্তানের ইসলামপন্থী জঙ্গি সংগঠনগুলোর ছাতা সংগঠন তেহরিক-ই-তালিবানের (টিটিপি) নেতারা শুক্রবার উত্তর ওয়াজিরিস্তানে একটি বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনা অব্যাহত রাখার উদ্দেশ্যে যুদ্ধবিরতির সময়সীমা আরও বাড়ানো হবে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আলোচনায় বসেছেন তারা।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান সরকার তালেবানের সঙ্গে শান্তি স্থাপনে ‍সংলাপের উদ্যোগ নেয়। পাকিস্তান সরকারের প্রতিনিধিরা তালেবানের সঙ্গে সরাসরি সংলাপেও বসেন। তালেবানরা শান্তির শর্ত হিসেবে তাদের ‘বেসামরিক’ বন্দীদের মুক্তি এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের প্রত্যাহার করে নিয়ে তালেবান অধ্যুষিত এলাকায় একটি ‘পিস জোন’ বা ‘শান্তি এলাকা’ প্রতিষ্ঠার দাবি জানায়।

সূত্র : আল জাজিরা

বিরাট কোহলি-আনুশকা শর্মার প্রেমের নতুন কাহিনী

anuskabiratকেউ বলছেন আনুশকা আর কোহলি ডুবে ডুবে জল খাচ্ছেন। কেউ বলছেন ডুবে ডুবে জল খাওয়ার দিন শেষ, এখন সবাইকে দেখিয়ে খাওয়ার পালা। সেই যাই হোক, আনুশকার সঙ্গে বিরাটের গোপন প্রেম নিয়ে গুঞ্জন অনেক দিন থেকেই। গুঞ্জনের আগুনে ঘি ঢেলেছে তাদের নানান কার্যকলাপ।

চুপিচুপি অভিসারে যাওয়ার ঘটনা আর গোপন থাকেনি। দিন দিন তাদের দুজনের ঘনিষ্ঠতা যেন ভালোবাসার রাডারে ধরা দিয়েছে প্রেম হয়ে। আর তাইতো রাখঢাক না রেখেই সময় সুযোগ পেলেই আনুশকার শুটিং লোকেশনে ঢুঁ মারছেন বিরাট।

আনুশকার প্রতি ভালোবাসার টানেই গতকাল সকালে যোধপুর বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে সোজা চলে গেলেন হোটেলে। সেখান থেকে উড়ে চলে গেলেন যোধপুরে আনুশকারে সঙ্গে দেখা করতে। আর তারপরই শুরু হলো নতুন কাহিনী।

এদিকে যোধপুরে গত মঙ্গলবার শুটিং করতে এসেছেন আনুশকা, ভীষণ ব্যস্ত। এনএইচ-১০ এর শুটিং চলছে যোধপুরের কেজরালাতে। তবে তাতে ভিরাটের সমস্যা নেই বিশেষ। শুটিং স্পটেই সেরে নিলেন দেখা সাক্ষাত ও প্রেমের পালা। তারপর দিনভর মুগ্ধ নয়নে আনুশকার শুটিং দেখা শেষে সন্ধ্যায় বিদায় নিলেন বিরাট কোহলি।

গতবছর একটি শ্যাম্পুর বিজ্ঞাপনচিত্রে একসঙ্গে কাজ করেছেন অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা ও ভারতের জাতীয় দলের ক্রিকেটার বিরাট কোহলি। মূলত এর পর থেকেই তাঁদের মধ্যে সখ্য গড়ে উঠেছে।

১৩০০ বছর পুরনো মমিতে উল্কি করা মিকাইল (আঃ) –এর নাম!

momi1300সম্প্রতি প্রায় ৭০০ খৃষ্টাব্দের এক মিশরীয় নারীর মমিতে খুঁজে পাওয়া গেছে একটি ট্যাটু বা উল্কি! মমিটির পরিধেয় কাপড় খুলে যখন এর দেহ স্ক্যান করা হয়েছে, তখন তার উরুতে এক উঁল্কি পাওয়া গিয়েছে যাতে লেখা মুসলিমদের এবং খৃষ্টানদের ধর্মমত অনুযায়ী এক ফেরেশতা, মাইকেল বা মিকাইল (আঃ) –এর নাম!

একদল গবেষকবৃন্দ গত ২৩ মার্চ এই আবিষ্কারটি করেন যখন তারা বৃটিশ মিউজিয়ামে উন্নত মেডিকাল স্ক্যান পদ্ধতি নিয়ে একটি গবেষনা কার্জ চালাচ্ছিলেন! এতে অন্তর্ভুক্ত ছিল Computed Tomography বা সিটি স্ক্যান পদ্ধতি যার সাহায্যে গত বছর যুক্তরাজ্যের এক হাসপাতালে বেশ কিছু মিশরীয় মমি পরীক্ষা করে দেখা হয়! এটি এক্স-রে প্রযুক্তি ব্যবহার করে রোগীর দেহের ভেতরকার হাড় ও অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলোর ত্রিমাত্রিক ছবি তৈরি করে।

নারীটির দেহ সমাধিস্থ করার আগে উল এবং লিনেন কাপড়ে মোড়া হয়েছিল, এবং তার দেহাবশেষ মমিতে রূপান্তরিত হয় মরুভুমির ভেতরে সমাধিস্থ হওয়ার কারণে। মমি হওয়া নারীটির বয়স ছিল ২০ থেকে ৩৫ এর মাঝামাঝি যিনি ১৩০০ বছর আগে জীবিত ছিলেন। মিউজিয়ামের কিউরেটর কর্তৃক যে পাঠোদ্ধার করা হয় তা অনুযায়ী, তার উরুতে প্রাচীন গ্রীক হরফে লেখা ছিল Μιχαήλ , যা অনুবাদ করলে হয় M-I-X-A-H-A, অথবা Michael (মিশেল বা মাইকেল)।

মিউজিয়ামের কিউরেটরগণ ধারণা করেন যে এই উঁল্কিটি খোদিত হয়েছে ধর্মীয় এবং আত্মিক রক্ষাকবচ হিসেবে,যদিও তারা বিস্তারিত আনুষাংগিক বর্ণনা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

গ্রীক এবং রোমানদের মত, ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী অঞ্চলের লোকজনদের একটি অংশ যারা শিক্ষিত ছিল, তারা অক্ষরের আকৃতি নিয়ে বেশ আকর্ষিত বোধ করত এবং কোন নামের অক্ষর দিয়ে ডিজাইন তৈরি করতে অনেক পছন্দ করত। তথাপি আমরা একটা অনিয়ত আকৃতির উল্কি পেয়েছি যা অক্ষরের সমন্বয়ে তৈরি ছিল।

প্রাচীনকালে কোন শক্তিশালী দৈব রক্ষাকারী সত্ত্বার নাম দেহে উঁল্কির মাধ্যমে খোদাই করা বা কোন কবচে ধারন করা ছিল বহুল প্রচলিত একটি বিষয়। ফক্সনিউজ ডট কমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে টিলি (Tilley) বলেন “ যেসমস্ত খৃষ্টান মেয়েরা গর্ভবতী হতেন তারা প্রায়ই দৈব স্বত্বা অথবা অ্যাঞ্জেলদের নাম সম্বলিত কবচ বা কোমরবন্ধনী তাদের পেটে পরতেন, যাতে করে তাদের সন্তান নিরাপদে জন্ম নিতে পারে।“

“যোনির কাছাকাছি উরুর ভেতরের দিকে উল্কির মাধ্যমে নাম খোদাই করা, যেমনটা এই মমিতে দেখা যাচ্ছে, হয়ত সন্তান জন্ম দেয়ার আশায় অথবা যৌন নির্যাতন থেকে রক্ষা পাবার আশায় করা হয়েছিল, অনেকটা আমরা জমিতে যেভাবে সাইনবোর্ড টানিয়ে দেই, “এই সম্পত্তি অমুকের দ্বারা সুরক্ষিত” সেভাবে! মাইকেল নামটা এমন একধরণের উল্কির জন্য বেশ যুতসই ছিল কেননা তিনি সবচাইতে শক্তিশালী এঞ্জেল বা ফেরেশতা”, টিলি বলেন।

মমিটি প্রায় দশ বছর আগে খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। এটি এতটাই সতেজ ছিল যে প্রত্নতাত্বিকগণ খালি চোখেই এর উরুসন্ধির কাছাকাছি অংকিত উল্কিটি দেখতে পেতেন। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইনফ্রারেড প্রযুক্তি তাদেরকে এটি পরিষ্কারভাবে দেখতে সাহায্য করেছে। মমিটি আরেকটি বিষয় আমাদেরকে জানায় যে শুধু রাজবংশীয় মানুষই নয়, সাধারণ মানুষকেও প্রাচীন মিশরে মমি করে রাখা হত। এপর্যন্ত সবচাইতে পুরনো যে মমির ওপর বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালানো হয়েছিল তার বয়েস ছিল ৫,৫০০ বছর।

হিল্লোল-নওশীন দম্পতির মিষ্টি প্রেম কাহিনী, দেখুন এক ঝাঁক অদেখা ছবিতে

hillolnoushinস্রাবস্তি দত্ত তিন্নিকে ভীষণ ভালোবেসেই বিয়ে করেছিলেন হিল্লোল আর একদিম মহা ধুমধামে ঘরে তুলে এনেছিলেন বধূ বেশে। তারিখটা ছিল ২০০৬ সালের ৮ ডিসেম্বর। বেশ উড়নচণ্ডী তিন্নিকে বিয়ে করা নিয়ে তখন অনেকেই অনেক কিছু বলেছিল, তবে গায়ে মাখেননি হিল্লোল। সত্যি বলতে কি, বেশ কয়েকবছর বেশ সুখেই ছিলেন তাঁরা। ঘর আলো করে এসেছিল কন্যা ওয়ারিশা। সকলেই সেই জুটিকে দেখে বলতেন “বাহ”!

তবে সুখে বেশিদিন সইলো না। নাটক-সিনেমার মতই একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঝড় এসে যেন এলোমেলো করে দিল সব। সিনেমার নায়িকা হবার জন্য তিন্নির সংসার ত্যাগ, ইয়াবায় আসক্তি, ডিভোর্স ইত্যাদি সব মিলিয়ে কম ঝক্কি যায়নি নায়ক হিল্লোলের জীবনে।

কিন্তু না, তিনি ভেঙে পড়েননি। বরং শক্তভাবে সামলে নিয়েছেন নিজেকে, আর আবার শুরু করেছে জীবন। এর এই পথ চলায় তাঁর সঙ্গী হয়েছে মডেল ও অভিনেত্রী নওশীন।

নওশীনেরও অবশ্য এটা প্রথম বিয়ে নয়। এর আগে নওশীন সংসার করেছেন পরিচালক ওয়াহিদ আনামের সঙ্গে। তাদের দুজনের একটি পুত্র সন্তানও আছে। নানান সংঘাতে তাঁরা ডিভোর্সের সিধান্ত নেন।

বেশ মজার নওশীন-হিল্লোলের প্রেম কাহিনী। রীতিমত সিনেম্যাটিক যাকে বলে। বিভিন্ন পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, হিল্লোল প্রায়ই একমাত্র কন্যা ওয়ারিশাকে শুটিং স্পটে নিয়ে যেতেন। এদিকে ছোট্ট ওয়ারিশা মা তিন্নির আদর থেকে বঞ্চিতই হয়ে আসছিল। তাই বুঝি ওয়ারিশা শুটিং স্পটে নওশীনকে দেখামাত্র ছুটে যেত। নওশীনও আর অবুঝ ওয়ারিশাকে ফেরাতে পারেননি, বাড়িয়ে দিয়েছেন মমতার হাত। এভাবেই ওয়ারিশার জন্যই নওশীন-হিল্লোলের মন ক্রমশ কাছাকাছি হয়েছে।

২০১৩ সালের ১ মার্চ সন্ধ্যায় হিল্লোল ও নওশীন বিয়ের কাজটিও সেরে ফেলেন। মিরপুরের ১০ নম্বর সেক্টরের নওশীনের বাবার বাড়ি ‘মালঞ্চ’তে এই বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। বিয়েতে শুধুমাত্র উভয় পরিবারের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। একেবারেই ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের কাজটি সম্পন্ন করেন তারা। মিডিয়ার সহকর্মী ও কাছের বন্ধুদেরকেও তারা বিয়ের বিষয়টি জানাননি।

শেষ ছবিগুলো একদম নতুন। এই তো কিছুদিন আগেই পার হয়ে গেলো তাদের প্রথম বিবাহবার্ষিকী। আর সেই উপলক্ষে কক্সবাজার বেড়াতে গিয়েছিলেন এই দম্পতি। ছবি গুলো দেখুন, দুজনকে দেখে মনে হচ্ছে না যে অবশেষে শান্তি খুঁজে পেয়েছেন তাঁরা জীবনে?

এভাবেই অমলিন থাকুক এই দম্পতির সুখ, হাসতে হাসতে কেটে যাক জীবন। তাদের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা।

ছবি সূত্র- বিভিন্ন পত্রিকা, ফেসবুক পেজ

ভারতে সরকার পরিবর্তন হলে হাসিনা সরকারের পা কাঁপবে: কাদের সিদ্দিকী

bongobir kaderকৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, “কয়েক দিন পর ভারতের নির্বাচন ফল ঘোষণা হবে। তাতে সেখানে সরকার পাল্টে গেলে হাসিনা সরকারের পা কাঁপবে।”

শুক্রবার বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার ঘেচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সময় বেশি দিন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সম্প্রতি উপজেলা নির্বাচনে জালিয়াতির কারণে টাঙ্গাইল-৮ আসনের সখীপুর ঘেচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করা হয়। ১৬ এপ্রিল এ কেন্দ্রে আবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ওই দিন নির্বাচনে অংশ না নেয়ার জন্য নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানান কাদের সিদ্দিকী।

যাদবপুর ইউনিয়ন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি জহির ডিলারের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন দলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকী প্রমুখ।

যে ৭টি ভুল ধারণার কারণে ওজন কমছে না আপনার, উল্টো বাড়ছে!

vat na rutiবাড়তি ওজন নিয়ে ঝামেলার শেষ নেই। মার্কেটে ঘোরাঘুরির সময় একটি পোশাক পছন্দ হলো কিন্তু পোশাকটি পরতে পারবেন না, কিংবা ইচ্ছে হলো একটুখানি পছন্দের খাবার খাবেন কিন্তু শরীরের দিকে তাকিয়ে খাওয়া আর হলো না। এই ধরণের ঝামেলার মূল কারণ হচ্ছে বাড়তি ওজনটুকু। ওজন নিয়ে কে কী মনে করলো কিংবা কে কী বললো তা হয়তো অনেকেই গোনায় ধরেন না, কিন্তু বাড়তি ওজনের জন্য যে আপনার নিজেরই ক্ষতি হচ্ছে তার কি হবে?

অনেকেই আছেন যারা নিজের দেহটাকে ফিট রাখার জন্য অনেক কিছু করেন। বাড়তি ওজন ঝেড়ে ফেলার জন্য চেষ্টা করতে থাকেন। কিন্তু বেশীরভাগ সময় এই চেষ্টার ফল পাওয়া যায় না। এ কারণে অনেকে আশা ছেড়ে দিয়ে চেষ্টা করা বন্ধ করে দেন। এজন্য ভুলগুলো আড়ালেই পরে থাকে। আমাদের দরকার ভুলগুলো খুঁজে বের করে সেগুলো বন্ধ করা চেষ্টা নয়। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক সেই ৭ টি ভুল যার কারণে শত চেষ্টার পরও ওজন কমানো সম্ভব হচ্ছে না।

অতিরিক্ত মানসিক চাপ নেয়া

শত চেষ্টার পরও ওজন না কমার কারণগুলোর মধ্যে এই কারণটি অন্যতম। অনেকেই সামান্যতেই অতিরিক্ত পরিমাণে মানসিক চাপ নেয়া শুরু করেন। ভুলেও এই কাজটি করতে যাবেন না। মানসিক চাপের ফলে যে হরমোন আমাদের দেহে উৎপন্ন হয় তা দেহের মাংসপেশি কমিয়ে দেয় এবং মেদ জমায়। মানসিক চাপের ফলে যে মেদ জমে তা পেটের আশেপাশে জমতে থাকে। তাই মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকুন। মানসিক চাপ মুক্ত থাকতে যোগব্যায়াম, স্ট্রেচিং ইত্যাদি করতে পারেন।

দেহে পরিমিত প্রোটিন না থাকা

অনেকে মনে করেন প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খেলে ওজন বাড়তে থাকে। এটি একটি ভুল ধারণা। দেহে প্রোটিনের ঘাটতির কারণে আপনি অন্য খাবার দিয়ে তা পূরণ করে নেন। যার ফলে উল্টো ওজন বাড়তে থাকে। প্রোটিন এমন একটি খাদ্য উপাদান যা অল্প পরিমাণ খেলে অনেকক্ষণ ক্ষুধার উদ্রেক করে না। তাই দেহে পরিমিত প্রোটিন সরবরাহ করুন। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যতটা খাওয়া প্রয়োজন ততোটাই খান।

আপনি ক্যালোরি গ্রহনের হিসাব রাখেন না

বেশীরভাগ মানুষ এই জিনিষটি জানেন না। খাওয়ার সময় অনেকেই বুঝেশুনে খেতে চান না। বোঝেন না কোন খাবারে কতো ক্যালোরি এবং কোন খাবারটি খেলে দেহে অতিরিক্ত পরিমাণ ক্যালোরি জমা হবে। যদি এই হিসাবটি করতে পারেন যে কোন খাবারটি খেলে দেহে কম ক্যালোরি জমা হবে তাহলে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন আপনার ওজন কমাতে কী কী করা উচিৎ।

দেহে পরিমিত ফ্যাট না থাকা

ওজন বাড়ার ভয়ে অনেকেই প্রোটিন কম খান, আর ফ্যাটের ধারে কাছেও যেতে চান না। ফ্যাট খেলে ওজন বাড়বে এই ভয়ে অনেকেই দেহের জন্য দরকারি ফ্যাটটুকুও বাদ দিয়ে ফেলেন। কিন্তু আপনি জানেন কি, মাছের তেল দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে দেহে ফ্যাট জমা ছাড়াই? আপনি যদি মাছের তেল খান তবে আপনার দেহের শক্তি বৃদ্ধি হবে এবং আপনি বেশি কাজ করতে পারবেন যাতে আপনার দেহের মেদ ঝরে যাবে। সুতরাং মাছের তেল জাতীয় ফ্যাট পরিমিত পরিমাণ খাবেন।

পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান না করা

দেহের ওজন কমানোর সাথে পানি পানের সম্পর্ক অনেক বেশি গভীর। দেহের হজমশক্তি কমে গেলে ওজন বাড়তে থাকে। পানি দেহের হজমশক্তি বাড়াতে সব চাইতে বেশি কার্যকর। গবেষণায় দেখা যায় মাত্র আধা লিটার পানি পানের ফলে হজমশক্তি প্রায় ৩০% বৃদ্ধি পায়। আপনি যদি পানি পর্যাপ্ত পরিমাণে পান করেন তবে আপনার হজমশক্তি বৃদ্ধি পাবে এবং আপনার দেহে মেদ জমবে না। তাই পানি পানের ব্যাপারে কোনো ভুল করবেন না।

স্বাস্থ্যকর ভেবে অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া

অনেক সময় রঙচঙে বিজ্ঞাপনের প্রভাবে অনেকে মনে করেম সকালের নাস্তায় সেরেল এবং বোতলজাত জুস খেলে ওজন কমানো সম্ভব। এই ধরণের বিজ্ঞাপন একেবারেই ভুল। সেরেলে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে যা দেহের মেদ বাড়ায় এবং কৃত্রিম জুসে থাকে কেমিক্যাল এবং প্রিজারভেটিভ। তাই স্বাস্থ্যকরের মোড়কে ঢাকা এই অস্বাস্থ্যকর খাবার থেকে দূরে থাকুন। ফলমূল এবং তাজা ফলের রস খাওয়ার অভ্যাস করুন।

পরিমিত কার্বোহাইড্রেট না খাওয়া

ওজন বাড়ায় কার্বোহাইড্রেট এই কথা জানার পর অনেক স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিরা ডায়েটিং এর নামে খাদ্য তালিকা থেকে একেবারে কার্বোহাইড্রেট বাদ দিয়ে ফেলেন। এটি অনেক বড় একটি ভুল কাজ। কার্বোহাইড্রেট ওজন বাড়ায় তা ঠিক কিন্তু দেহকে সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য কার্বোহাইড্রেটের প্রয়োজন আছে।

কার্বোহাইড্রেটের অভাবে দেহের মাংসপেশি কমে যায় এবং শক্তিও কমে। ফলে কাজকর্মে অনীহা চলে আসে যা দেহে মেদ জমায়। তাই দেহের জন্য যতোটুকু কার্বোহাইড্রেট দরকার খাদ্যতালিকায় তাই রাখুন।

বৈশাখকে ঘিরে ইলিশের আকাশ ছোঁয়া দাম

elish6000পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে ইলিশের দাম এখন আকাশ ছোঁয়া। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ইলিশের দাম দ্বিগুণ থেকে কয়েকগুণ হাঁকাচ্ছে বিক্রেতারা। পাড়ায় মহল্লায় ফেরী করে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। তবে দাম হাতের নাগালের একদম বাইরে। যারা আগে কিনতে পারেননি তাদের সবাইকে দাম দেখেই পস্তাতে হচ্ছে। কিন্তু কিছুই করার নেই। বৈশাখ যত ঘনিয়ে আসছে, দিন দিন দাম আরও বেড়েই চলেছে।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে রাজধানীতে চৈত্র মাসে যেন ইলিশের কৃত্রিম আকাল পড়ে গেছে। যাও মিলছে তার দাম খুচরা বাজারে গিয়ে সর্বসাধারণের সাধ্যের বাইরে চলে যাচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, মাছ ধরায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকায় বাজারে ইলিশ নেই।

দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে বাংলা নববর্ষ, পান্তা ভাতে ইলিশ যেন দিনটির অন্যতম অনুষঙ্গ। ইলিশ মাছ আর পহেলা বৈশাখ যেন একে অন্যের পরিপূরক। এমনিতেই নববর্ষের আগে বেড়ে যায় চাহিদা তার উপর সরকারি নিষেধাজ্ঞায় এবার বাজার ইলিশ শুন্য। একজন বিক্রেতা বলেন, এখন ইলিশ ধরা নিষেধ তাই বাজেরে ইলিশের সরবরাহ কম।

পয়লা বৈশাখকে সামনে রেখে বাড়ছে ইলিশের দাম। গত সপ্তাহের তুলনায় আকার ভেদে বেড়েছে ইলিশ মাছের দাম। অপর দিকে আদার ঝাঁজ কমছেই না। লাগামহীন পাগলা ঘোড়ার মতো লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ছেই। চায়না আদার দাম প্রতিকেজি ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি আদার কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা। অধিকাংশ সবজির দাম প্রতিকেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে আছে।

পহেলা বৈশাখ মানেই ইলিশ পান্তা বাঙালির প্রিয় খাবার। এটা বলার অপেক্ষা রাখে বৈশাখে পান্তা ভাতের সাথে ইলিশ ভাজা আর আলু ভর্তি থাকা চাইই- চাই। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী বৈশাখ আসতে এখনো ৩ দিন বাকি। এ হিসেবে পহেলা বৈশাখ হচ্ছে আগামী ১৪ এপ্রিল। মাঝখানে আরো ৩ দিন থাকলেও এরই মাঝে বেড়েছে ইলিশের দাম। আর সুযোগ বুঝে সরবরাহও কমিয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সরবরাহ কম এই অজুহাতে রাজধানীর মাছের বাজারে যেন আকাল পড়ে গেছে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এক হালি ইলিশের দাম হাকানো হচ্ছে ২৮ হাজার টাকা। যা ইলিশের ভরা মৌসুমে মাত্র আড়াই হাজার টাকায় কেনা সম্ভব।

বৈশাখ ঘনিয়ে আসার সাথে দাম আরো বাড়বে বলে ক্রেতাদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা। প্রতিবছরই বৈশাখ এলে বাজারে ইলিশ নিয়ে হৈ-চৈ পড়ে যায়। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। কিন্তু এবার ইলিশ নিয়ে মাতামাতি হচ্ছে একটু বেশী। যাত্রাবাড়ি আড়তের মাছ ব্যবসায়ী জমির জানালেন এবার তার পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আড়াই টন ইলিশের অর্ডার আছে। এজন্য তিনি বাজারে খুব একটা বিক্রি করছেন না। তাছাড়া দেদারছে সীমান্ত দিয়ে ভারতেও পাচার হচ্ছে বলে তিনি জানান। বাজারে ইলিশ কিনতে সৌখিন ক্রেতাদের আনাগোনাও বেড়েছে। যারা পারছেন কিনে নিচ্ছেন। অনেকে দরদাম করেই চলে যাচ্ছেন।

কারওয়ান বাজারের ইলিশের মোকামে আমদানি প্রচুর দেখা গেলেও দাম অনেক বেশি। শনিবার কারওয়ান বাজারে দুই কেজি ওজনে এক হালি ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১২ হাজার ৫শ’ টাকা। এত দামে ইলিশ কিনেও খুশী আরমান ভাই। তিনি হাসিমুখে বললেন, পহেলা বৈশাখে ইলিশ পান্তা খাবার মজাই আলাদা। দাম একটু বেশী হলেও বছরের প্রথম দিন সবাইকে নিয়ে পান্তাভাব খাবো এটাই সান্তনা।

একজন বিক্রেতা জানালেন, সামনে দাম আরো বাড়বে। এজন্য এখনই ভালো ইলিশ বাজারে উঠেনি। যা বিক্রি হচ্ছে সবই ফ্রিজআপ করা। এছাড়াও রাজধানীর সোয়ারীঘাট, আব্দুল্লাহপুর, মুগদা বাজারসহ যাত্রাবাড়ি আড়তেও ইলিশের দাম বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে। যাত্রাবাড়ি আড়তের মাছ ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম জানালেন, এবার পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে রাজধানীতে ২০ কোটি টাকার ইলিশ মাছ বিক্রি হবে। ইতোমধ্যে ৫ কোটি টাকার বিক্রি হয়ে গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে চাঁদপুর থেকে ইলিশ মাছ এনে আগেই স্টোরে মজুদ রাখা হয়েছে। এখন ছোট সাইজের ইলিশে রাজধানীর পাড়া মহল্লা বলতে গেলে সয়লাব। কিন্তু কিনতে গেলেই চক্ষু চড়কগাছ। আর মাঝারী সাইজের ইলিশ পাওয়া যায় বাজারে। ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলোতেই ইলিশের দাম বাড়ানো হচ্ছে প্রতিদিন। প্রচুর যোগান থাকলেও দাম বাড়ানোর জন্যই মজুতদাররা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছে ইলিশের।

এরই মধ্যে কয়েকটি দোকানে দেখা মিলছে ইলিশের। মাছের আকার আর প্রকারভেদে দামও আলাদা। বড় সাইজের একটি ইলিশের দাম ধরা হচ্ছে ৩ হাজার টাকারও বেশি, তুলনায় ছোট ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ থেকে দেড় হাজার টাকায়। পরিবারের চাওয়া, ইলিশ থাকতেই হবে বৈশাখি উৎসবে। তাই দামের দিকে না তাকিয়েই সাধ্যমতো মাছ কিনছেন ক্রেতারা।

বাঙালির চেতনায় পহেলা বৈশাখকে ঘিরে একদিকে যেমন পান্তা ইলিশের ধুম, তেমনি বিক্রেতারাও যেন দাম হাঁকানোর প্রতিযোগিতায় নেমেছে।

মাছের বাজারে বরাবরের মতই দাম বাড়ার দিকে। এ সময়ে বাজারে প্রচুর মাছ থাকার কথা থাকলেও পয়লা বৈশাখকে সামনে রেখে বিশেষ করে ইলিশের মূল্য বৃদ্ধি ঘটছে। ৫০০ গ্রাম ওজনের বেশি ইলিশ প্রতিকেজি ৫০০-৫৫০ টাকা, ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের বেশি ইলিশ প্রতিকেজি ৭৫০ টাকা, জাটকা মাঝারি ৩৫০-৪০০ টাকা। কাতল মাছ ৩৫০ টাকা, ৭০০ গ্রাম ওজনের রুই মাছের কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, বড় রুই মাছ ২৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, চিংড়ি (বড়) ১ হাজার ২০০ টাকা, সিলভার কার্প ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।তবে গত সপ্তাহের তুলনায় চাল ডাল তেলের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। অপরদিকে দাম কমেছে পেঁয়াজের। প্রতি কেজি পেঁয়াজ খুচরা বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়। ভারতীয় পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১ টাকা বেড়েছে।

গত সপ্তাহের তুলনায় পাইকারী বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ২ টাকা কমেছে। কারওয়ান বাজারে প্রতি পাল্লা (৫ কেজি) পেঁয়াজ ১০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। ভারতীয় পেঁয়াজের পাল্লা পাইকারি ১০ টাকা বেড়ে ৯০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। চালের বাজার রয়েছে স্থিতিশীল।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, মিনিকেট চাল পাইকারি ৫০ থেকে ৫১ টাকা, খুচরা ৫২ থেকে ৫৩ টাকা, বিআর (২৮) পাইকারি ৪৪ থেকে ৪৬ টাকা, খুচরা ৪৫ থেকে ৪৬ টাকা, পারিজা পাইকারি ৩৭ থেকে ৩৮ টাকা, খুচরা ৩৯ থেকে ৪০ টাকা, নাজিরশাইল পাইকারি মান ভেদে ৫২ থেকে ৫৪ টাকা, খুচরা ৫৩ থেকে ৫৫ টাকা। স্বর্ণা পাইকারি ৩৪ থেকে ৩৫ টাকা, খুচরা ৩৬ থেকে ৩৭ টাকা, গুটি পাইকারি ৩৪ থেকে ৩৫ টাকা, খুচরা ৩৬ থেকে ৩৭ টাকা, মোটা চাল ৩১ থেকে ৩২ টাকা, খুচরা ৩৩ থেকে ৩৪ টাকা।

এছাড়া বরবটি, পটল, করলা, ঝিঙা, ঢেঁড়সের দাম কমেছে। প্রতি কেজি আলুর দাম পাইকারি ১১ থেকে ১২ টাকা, খুচরা ১৪ থেকে ১৫ টাকা। পটলের কেজি ৪০-৪৫ টাকা, ঝিঙার কেজি ছিল ৩০ টাকা, ঢেঁড়সের কেজি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গোল বেগুন ৪০ টাকা, লম্বা বেগুন ২০-২৫ টাকা, উস্তা ২০-২৫ টাকা, ফুলকপি আকার ভেদে ২৫ থেকে ৩৫ টাকা, বাঁধা কপি ২৫ টাকা, শিম মানভেদে ২০-২৫ টাকা, চিচিঙ্গা ৩০ টাকা, বরবটি ৩০ টাকা, ঝিঙ্গা ২৫ টাকা, মাঝারি আকারের লাউ ১৫ থেকে ২০ টাকা, শশা ৩০ টাকা, খিরাই ২০ টাকা, টমেটো ২৫ টাকা, পেঁপে ১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচ ৩০-৪০ টাকা, গাজর ১৫-২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন ১০০ টাকা। সুপার ৮৫ টাকা। পামওয়েল ৯০ টাকা। এদিকে প্রতিকেজি পেঁয়াজ খুচরা বিক্রি হচ্ছে ২৭-২৮ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ২০-২২ টাকা, চায়না বড় রসুন ৭০-৮০ টাকা, দেশি রসুন ৪৫-৫০ টাকা, দেশি আদা ২০০ থেকে ২২০ টাকা, শুকনা মরিচ পাইকারি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, খুচরা ১৮০ টাকা, হলুদ ১২০ টাকা, মশুর ডাল দেশি ১০৫-১১০ থেকে ১১৫ টাকা। মোটা দানা মশুর ডাল ৮০ টাকা, খেসারি ডাল ৪৪ টাকা, মুগডাল ১৩০ টাকা, ছোলা ৫৫ টাকা, অ্যাংকর ডাল ৪২ টাকা, মাষকলাই ১২০ টাকা, বুট ৬০ টাকা, প্রতি হালি ডিম ২৬-২৭ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মশলার বাজারে কেচিপ্রতি দারুচিনি ৩০০ টাকা, এলাচি ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা, জিরা ৩৫০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা, খোলা চিনি ৪৪ টাকা, প্যাকেট চিনি ৫২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গরুর গোশত প্রতিকেজি ২৮০ টাকা, খাসির গোশত ৪৫০ থেকে ৪৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকাব্রয়লার মুরগি ১৪০-১৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।