সোমবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬

গৃহকর্ত্রী খোরশেদার কি বিচার হবে?

masum-dmchমাসুমের বয়স মাত্র ১০ বছর। যে বয়সে মাসুমের বই খাতা নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা, মা-বাবার আদর-স্নেহ, ভালোবাসায় ডুবে থাকার কথা। যখন স্কুলের সহপাঠীদের সঙ্গে খেলাধুলা করার কথা। তখন জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে সে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে। টানা তিন মাস গৃহকত্রী খোরশেদার হাতে নির্যাতনের শিকার হয়ে বর্তমানে সে ঢামেকে ২১০নং ওয়াডে চিকিৎসাধীন।

মাসুমের প্রতিদিনের জীবন:

রাজধানীর মোহাম্মদপুর হাউসিং এর ১নং রোডের ২০/৮ নং বাসার ১/এ ফ্ল্যাটে মাসুমের চাচাতো বোন ইয়াসমিন তিনমাস আগে তাকে কাজ দেন।

মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার পর কাতরকণ্ঠে মাসুম জানায়, ‘প্রতিদিনই তারা আমাকে মারতো। একটু ভুল করলেই টয়লেটে আটকে রাখতো। শুধু খোরশেদা খালাম্মার (গৃহকর্ত্রী) ছোট ছেলে শুভ আমাকে খেতে দিত।’

চাচাতো বোন ইয়াসমিন জানান, কাজে সামান্য ভুল হলেই তারা মাসুমকে নানাভাবে নির্যাতন করত। শরীরের বিভিন্ন স্থানে গরম চামচ লাগিয়ে দিত। হাত থেকে গ্লাস পড়ে ভেঙে গেলে ভাঙা গ্লাসের টুকরো দিয়েই তার শরীর থেকে রক্ত বের করা হতো। মাঝে মাঝে সারা দিনে তাকে একবারও খেতে দিত না।

মাসুমের পুরো শরীরে জখমের চিহ্ন। মাথায় চুল নেই, আঘাতের দাগগুলোও দিবালোকের মতো স্পষ্ট। নিয়মিত খাবার না খাওয়ার কারণে মাসুমের বুকের প্রতিটি হাড় গোনা যায়।

যেভাবে উদ্ধার মাসুম:

তিন মাস ধরে মাসুম খোরশেদার বাড়িতে কাজ করে। প্রতিদিন নির্যাতন করতে করতে গৃতকত্রী যখন ভাবলেন মাসুম আর বাঁচবে না। তখন হঠাৎ গত শুক্রবার খোরশেদা অসুস্থতার কথা বলে মাসুমের বাড়ির লোকজনকে খবর দেয়। পরে তারা তাকে ময়মনসিংহ সদরের দক্ষিণ রাজপন্তী গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান।

এদিকে বাড়িতে নেয়ার পর তার সারা শরীরে ক্ষত চিহ্ন দেখে স্থানীয় লোকজন মাসুমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। বর্তমানে তাকে মেডিকেলের ২১০নং ওয়ার্ডের একটি শয্যায় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের পরিচালনক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, শিশুটির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় বোর্ড গঠন করা হবে। তার খাবার দাবার ও চিকিৎসার সব ব্যবস্থা নেবে মেডিকেল কর্তৃপক্ষ।

স্বজনরা মাসুমকে শনিবার ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করে। রোববার ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে দেখা যায় মাসুমের চোখের পানি। আর বীভৎস নির্যাতনের দৃশ্য। সারাটা শরীরে আঘাতের চিহ্ন।

যে মাসুম তার কাজের বিনিময়ে গৃতকত্রীর কাছে মায়ের আদর-স্নেহ পাওয়ার কথা ছিল। সেই মাসুম কাজে সামান্য ভুলের জন্য পেয়েছেন অবর্ণনীয় নির্যাতন। গরম চামচের ছ্যাকা, যা মাসুমের পুরো শরীরে হয়ে আছে নির্যাতনের জীবšত্ম সাক্ষী। শুধু নির্যাতনই নয়, তাকে খাবারও দেয়া হতো না। প্রায়ই টয়লেটে দরজা বন্ধ করে আটকে রাখা হতো তাকে। অসহায় মাসুমের এভাবেই কেটেছে পুরো তিনটি মাস। টয়লেটে বন্ধ করে যখন মাসুমকে খাবার দেয়া হতো না তখন গৃহকর্ত্রীর ছোট ছেলের (মাসুমের সমবয়সী) মনে একটু মায়া জাগতো। অবুঝ এই শিশুর বিবেক তাকে খাবার দেয়ার জন্য উদ্ধুব্ধ করতো। সে মাঝে মাঝে মাসুমকে খাবারও দিতো।

মাসুমের এই কষ্টের চিত্র গৃহকত্রীর ছোট্ট ছেলের বিবেককে নাড়া দিলেও খোরশেদা ইসলামের (গৃহকত্রী) বিবেক জাগ্রত হয়নি। সে কখানো তাকে খাবারও দেয়নি। এমনকি শেষ দিন পর্যšত্মও মাসুমকে নির্যাতনের মাত্রা কমায়নি খোরশেদা। মায়ের বয়সী খোরশেদার ছেলে সমতুল্য মাসুমের জন্য মনে জাগেনি একটুও স্নেহ-ভালবাসা। করেছেন শুধুই নির্যাতন। মাসুমের প্রতি কখনোই সুদৃষ্টি পড়েনি খোরশেদার।

প্রথম দিকে থানা পুলিশও তার দিকে সুদৃষ্টি দেয়নি। মামলা নিতে অপারগতা প্রকাশ করে পুলিশ। কিন্তু স্থানীয় বিবেকবান ও মাসুমের স্বজনেরা চড়াও হলে গৃহকত্রীর বিরুদ্ধে মামলা নেয় মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ।

শনিবার মধ্য রাতে খোরশেদা ইসলাম নামের ওই গৃহকত্রীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মোহাম্মদপুর থানার ডিউটি অফিসার বলেন, ‘আজ খোরশেদাকে আদালতে পাঠানো হবে। সেখানে তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

কিন্তু কী শাস্তি হতে পারে নিষ্ঠুর এই মায়ের! যিনি তার ছেলে সমতুল্য একটি শিশুকে ধারাবাহিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন। ঠিক একই ভাবে যদি খোরশেদার ছেলেকে নির্যাতন করা হতো তাহলে কী শাস্তি কামনা করতেন তিনি। আর শাস্তিতে কী এমন নিষ্ঠুর মায়ের মমত্ববোধ জাগ্রত করা যায়? সমাজের এইসব নিষ্ঠুর মানুষদের কাছে এমন প্রশ্ন চিরদিনই থাকবে সচেতন ও বিবেকবানদের।

গ্লোরিয়া জিন’স

gloria-jeans-picture1-from-dhaka-city-guideগ্লোরিয়া জিন’স এর প্রধান শাখার শুরুটা হয় আমেরিকায়। পরবর্তীতে তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর শাখা স্থাপন করেন। ঢাকার গুলশান-১এ এই কফি শপের একটি শাখা রয়েছে। নাভানা ফুডেরপৃষ্ঠপোষকতায় চালু হওয়া এ শপে রয়েছে শতভাগ অ্যারাবিকা কফি। কফি ছাড়াও এখানে বিভিন্ন ধরনের খাবার পাওয়া যায়।

ঠিকানা ও যোগাযোগ

হাউজ # ৩৫, গুলশান এভিনিউ, গুলশান – ১, ঢাকা।

মোবাইল: ০১৭১০-৭৭১১৯৫

ই-মেইল: customerservice@gloriajeans.com

ওয়েবসাইট: www.gloriajeanscoffees.com/bd

অবস্থান

গুলশান ১ সার্কেল থেকে Village Restaurant এর ডান পাশে এই কফি শপটি অবস্থিত।

খোলা-বন্ধের সময়সূচী

প্রতিদিন সকাল ৯:০০ টা থেকে রাত ১০:০০ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

যেসব স্বাদের কফি পাওয়া যায় ও মূল্য তালিকা

এসপ্রেসো ও মাকিয়াতো ১৩৯ টাকা; ক্যাপুচিনো ও লাটে ছোট ১৫২ টাকা, বড় ১৯২ টাকা; আমেরিকানো (ব্ল্যাক কফি) ছোট ১৩৯ টাকা, বড় ১৭৪ টাকা; গ্লোরিয়া জিন’সের কফি অফ দ্য ডে ছোট ১৩৯ টাকা, বড় ১৭৪ টাকা। এছাড়া এখানে কোল্ড কফি, চা, হট চকলেট, কোল্ড ড্রিংকস ও সালাদ পাওয়া যায়।

অন্যান্য খাবার

চা-কফি ছাড়াও এখানে ইটালিয়ান, কন্টিনেন্টাল ও ফিউশন খাবার পাওয়া যায়। সকালের নাস্তায় গ্লোরিয়া জিন’স এ রয়েছে – ফ্রেঞ্চ ব্রেড সঙ্গে মাখন, স্ক্র্যাম্বলড এগ, চিকেন সসেজ, হ্যাশ ব্রাউন, গ্রিল্ড টমেটো ও বিফ স্ট্রিপ। গ্লোরিয়া জিন’স এর মেনুটি ‘বিগ ব্রেকফাস্ট’ নামে পরিচিত।

এছাড়া ভারী খাবারের মধ্যে রয়েছে ফ্রেঞ্চ ব্রেড সঙ্গে মাখন, স্ক্র্যাম্বলড এগ, চিকেন সসেজ, হ্যাশ ব্রাউন, গ্রিল্ড টমেটো ও বিফ স্ট্রিপ, পাস্তা, মাশরুম রাইস উইথ হট সাওয়ার মিটবল, গ্রিক সালাদ, ল্যাম্ব কাটলেট।

হালকা খাবার হিসেবে রয়েছে বিভিন্ন স্বাদের স্যান্ডুইচ। মিষ্টি জাতীয় খাবারের মধ্যে রয়েছে পেস্ট্রি ও কুকিজ। কফি ও খাবারের সমন্বয়ে কম্বো মিলও রয়েছে এখানে।

৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকার মধ্যেই এসব খাবারের স্বাদ উপভোগ করা যায়।

ভেতর ও বাইরের পরিবেশ

কফি শপটির ভিতরের পাশাপাশি বাইরেও বসার ব্যবস্থা রয়েছে। ভিতরে বেশ আরামদায়ক ও ছোট-বড় টেবিলের সমন্বয়ে বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর কফি শপটির ঠিক পিছনের দিকে গাছপালা ও বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই কফি শপটিতে একসাথে ১৫০ জনের বসার ব্যবস্থা রয়েছে।

বিশেষ আকর্ষণ

গ্লোরিয়া জিন’স এর প্রধান আকর্ষণ হল তাদের লা-মার্জোকো নামের কফি মেশিন। যেটি পৃথিবীর অন্যতম সেরা কফি তৈরির মেশিন হিসেবে পরিচিতি।

ব্র‌্যান্ড সম্পর্কে কিছু তথ্য

এই কফি শপের শুরুটা হয় আমেরিকায়। পরবর্তীতে এক অস্ট্রেলিয়ান এর স্বত্ব কিনে নেন। ১৯৯৬ সালে অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হয় গ্লোরিয়া জিন’স কফি। বিশ্বের ৪২টি দেশে এক হাজারেরও বেশি শাখা রয়েছে গ্লোরিয়া জিনসের।

পিঠাঘর

pithaghar-online-dhaka.comপিঠা একটি মুখরোচক এবং উপাদেয় খাদ্য। ধানমন্ডিতে পিঠার পসরা সাজিয়ে বসেছে পিঠাঘর। ২০০৫ সালে পিঠাঘরের যাত্রা। এখানে হরেক রকমের সুস্বাদু পিঠা পাওয়া যায়। এর কোথাও কোন শাখা নেই।

ঠিকানা এবং অবস্থান

পিঠাঘর

সড়ক ৭/এ, ধানমন্ডি, রবীন্দ্র সরোবর, ঢাকা ১২০৯।

ফোন: ৯১২৪০৪৪, ০১৭১১-০৭৪৭৭৭, ০১১৯৯-৪৯১৫৪৯

খোলা বন্ধের সময়সূচী

সপ্তাহের ৭দিন এটি খোলা থাকে। প্রতিদিন বিকেল ৪.৩০ টা থেকে রাত ৯.৩০ টা পর্যন্ত এটি খোলা থাকে। কোন বন্ধ নেই।

পিঠার নাম ও দরদাম

ক্রমিক নং

পিঠার নাম

মূল্য

০১.

নকশি পিঠা

২৫ টাকা

০২.

মিষ্টি পিঠা

২০ টাকা

০৩.

সুর ভাজা

৩০ টাকা

০৪.

মালপোয়া

২০ টাকা

০৫.

কুলসি পিঠা

২০ টাকা

০৬.

পাক্কান পিঠা

২০ টাকা

০৭.

ঝাল পিঠা

২০ টাকা

০৮.

ফিরনী

২০ টাকা

০৯.

মোরগ সংসার

২০ টাকা

১০.

চিংড়ি

২০ টাকা

১১.

ঝাল পাটিসাপটা

২০ টাকা

বিল পরিশোধ পদ্ধতি

এখান নগদ টাকায় বিল পরিশোধ করতে হয়। বিল পরিশোধে এটিএম কার্ড, ভিসা কার্ড, মাস্টার কার্ড ব্যবহারের সুবিধা নেই।

বসে খাওয়ার ব্যবস্থা

এখানে বসে খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে একসাথে ২০ জন লোক বসে খেতে পারে। গ্রাহকদের সার্ভিস প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ওয়েটার রয়েছে।

পার্সেল এবং খুচরা বিক্রয় ব্যবস্থা

এখানে খুচরা বিক্রয়ের পাশাপাশি পার্সেল বিক্রয়ের ব্যবস্থা রয়েছে।

পিঠা সংরক্ষন ব্যবস্থা

এখানে পিঠা সংরক্ষনের ব্যবস্থা রয়েছে। সাধারনত ফ্রিজে পিঠা সংরক্ষন করা হয়ে থাকে।

অগ্রিম বিক্রয়

অগ্রিম বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নূন্যতম ১/২ পূর্বে অর্ডার প্রদান করতে হয়। অগ্রীম অর্ডার প্রদানের সময় ৫০% টাকা পরিশোধ করতে হয়। অবশিষ্ট টাকা পিঠা ডেলিভারীর সময় পরিশোধ করতে হয়।

ওয়েষ্টার্ণ গ্রীল

download (6)ওয়েষ্টার্ণ গ্রীল ঢাকার সুপরিচিত একটি ফাষ্টফুড আউটলেট। এটি সুস্বাদু ফ্রাইড মুরগী সংশ্লিষ্ট খাবারের জন্য বিখ্যাত।এটি তার গ্রাহকদের নিকট বিভিন্ন স্বাদের বার্গার, স্যান্ডুইচ এবং তত্সংশ্লিষ্ট ফাষ্টফুড খাবার পরিবেশন করে থাকে। এখানে চায়নীজ কুজিন খাবারও পরিবেশন করে থাকে। এখানে পরিবেশিত ফাষ্টফুডের নাম মূল্যসহ নিম্নে বর্ণিত হলো:

ক্রাঞ্চি চিকেন বার্গার

বার্গার ১৫০ টাকা

কম্বো ১৭৫ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

বীফ বার্গার

বার্গার ১২০ টাকা

কম্বো ১৪৫ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

বীফ বার্গার উইথ চীজ

বার্গার ১৪০ টাকা

কম্বো ১৬০ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

আলটি: চীজ বার্গার

বার্গার ১৮০ টাকা

কম্বো ২০৫ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

চিকেন সুপ্রিম বার্গার

বার্গার ১৬০ টাকা

কম্বো ১৮৫ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

বিবিকিউ চীজ বার্গার

বার্গার ১৬০ টাকা

কম্বো ১৮৫ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

ফিশ বার্গার

বার্গার ১২০ টাকা

কম্বো ১৪৫ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

প্যান পিজা

৭ ইঞ্চি ২২৫ টাকা

১২ ইঞ্চি ৪৯৯ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

চিকেন বিবিকিউ মিল

২২৫ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

চিকেন ব্রস্ট মিল

২২৫ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

ক্রাঞ্চি চিকেন বাস্কেট

৫ পিস ৪২৫ টাকা

১০ পিস ৭৯৫ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

হট চিকেন উইংস মিল

১৯৫ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

চিকেন সালাদ

১১৫ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

চিকেন ডিলাইট

২৪০ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

চিকেন নাগেট মিল

২৪০ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

ভেজিটেবল ডিলাইট

১৫০ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

ফাজিটা পকেট মিল

১৭০ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

ফিশ নাগেট মিল

১৮০ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

হ্যাপী কিডস মিল

২০০ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

স্প্যাগেটি মিল

১৭৫ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

এখানে স্পেশাল লাঞ্চ পাওয়া যায়। স্পেশাল লাঞ্চ বক্সের বিবরণ নিম্নরূপ:

টাইপ এ

ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, চিকেন চিলি, চিকেন ভেজিটেবল, গার্ডেন সালাদ এবং সফট ড্রিংকস।

১৭০ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

টাইপ বি

ফ্রাইড রাইস, লেমন চিকেন, চিকেন চিলি, চিকেন ভেজিটেবল, গার্ডেন সালাদ এবং সফট ড্রিংকস।

টাইপ সি

ফ্রাইড রাইস, চিকেন সাসলিক, চিকেন চিলি, চিকেন ভেজিটেবল, গার্ডেন সালাদ এবং সফট ড্রিংকস।

১৭০ টাকা

(ভ্যাট ছাড়া)

টাইপ ডি

ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড প্রণ, চিকেন চিলি, চিকেন ভেজিটেবল, গার্ডেন সালাদ এবং সফট ড্রিংকস।

ড্রিংকস বেভারেজ এবং ফ্রেশ জুসের মধ্যে রয়েছে

পেপসি, সেভেন আপ, মিরিন্ডা, মাউন্টেনডিউ (বড়)- ৩৫ টাকা

বিশুদ্ধ পানি (বড় বোতল) – ২৫ টাকা

আমের জুস / কমলার জুস – ৮০ টাকা।

পেপসি, সেভেন আপ, মিরিন্ডা, মাউন্টেনডিউ (ছোট)- ২৫ টাকা

বিশুদ্ধ পানি (ছোট বোতল) – ১৫ টাকা

আনারসের জুস / পেপের জুস – ৭০ টাকা।

ভারজিন, আরসি ক্যান – ৩০ টাকা

মিল্ক শেক চকোলেট – ৯০ টাকা

মিল্ক শেক স্ট্রবেরী – ৯০ টাকা

তরমুজের জুস – ৭০ টাকা।

ঢাকায় এটির তিনটি শাখা রয়েছে। প্রত্যেকটি শাখা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, সুসজ্জিত এবং নিজস্ব জেনারেটর সমৃদ্ধ। এখানে গাড়ি পার্কিংয়ের নিজস্ব জায়গা রয়েছে। শাখাগুলো নিম্নরূপ:

ধানমন্ডি ব্রাঞ্চ

গুলশান ব্রাঞ্চ

মিরপুর ব্রাঞ্চ

কসবা সেন্টার (গ্রাউন্ড ফ্লোর)

সড়ক ৪, বাড়ি ৫/২,

ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা-১২০৫

ফোন: ৮৬১৮৭৩৩, ০১৭১২-২০২৮০২

ওয়ান্ডার ল্যান্ড শিশু পার্ক

গুলশান এভিনিউ, সড়ক ১০৩

গুলশান ২, ঢাকা।

ফোন: ০১৭১৫-৭৬০৪৩৪

১৪৯/গ/১, শাহ আলী বাগ, মিরপুর-০২, ঢাকা।

ফোন: ০১৮১৯-৬০৯০০৮

পিজা হাট, গুলশান

pizza hut, baily roadএই ফাস্ট ফুড শপটিতে ফাস্ট ফুড জাতীয় বিভিন্ন খাবারের পাশাপাশি আইসক্রীম, কফি ও কোল্ড ড্রিংকস পাওয়া যায়। সিঙ্গেল ফুডের পাশাপাশি এখানে সেট মিলও রয়েছে। নিয়মিত সার্ভিসের পাশাপাশি এখানে পার্টি আয়োজন এর ব্যবস্থা রয়েছে। শপটি সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। এই ফাস্ট ফুড শপটির বেইলী রোড, উত্তরা, ধানমন্ডি ও চট্টগ্রামে ১টি করে শাখা রয়েছে। সবগুলো শাখার খাবার মেনু ও মূল্য একই।

ঠিকানা ও যোগাযোগ:

সাউথ এভিনিউ, গুলশান, ঢাকা।

ফোন: ৯৮৫৭৫৩৫-৮

ই-মেইল: pizzahut@tfl.transcombd.com

লোকেশন:

গুলশান-২ থেকে গুলশান-১ যাওয়ার পথে হাতরে বামে ২৫০ গজ সামনে হাতের বামে এটি অবস্থিত।

অন্যান্য শাখা:

শাখার নাম

ঠিকানা ও যোগাযোগ

বেইলী রোড শাখা

১০, নাটক সরণি, বেইলী রোড, ঢাকা।

ফোন: ৮৩১৭২৬৫, ৮৩১৭০৯৯

উত্তরা শাখা

১৩, সোনারগাঁও জনপথ, উত্তরা, ঢাকা।

ফোন: ৮৯৯১৮৬১-২

ধানমন্ডি শাখা

সাত মসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা।

ফোন: ৯১১৪৪৫৭, ৯১৩৩৫৭৬

চট্টগ্রাম শাখা

জিইসি মোড়, চট্টগ্রাম।

ফোন: ৬৩২৭৩৩, ৬১৪৬৫৬

কর্পোরেট অফিস:

প্রধান শাখার ঠিকানা

যোগাযোগ

গুলশান টাওয়ার (১১তম তলা),প্লট নং ৩১, রোড নং ৫৩, দক্ষিন গুলশান বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা ১২১২।

ফোন নম্বর:০২-৮৮১৮৩২৭,৮৮১৪৬৬২

ফ্যাক্স:৯৮৮৭৩৭২,৯৮৮৭৩৭৬

ওয়েব সাইট :www.pizzahutbd.com

পার্টি আয়োজন:

এখানে ছোটখাটো পার্টি আয়োজনের ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে একসাথে ২০০ জন লোকের বসার ব্যবস্থা রয়েছে। পার্টির জন্য আলাদা কোনো ফ্লোর চার্জ পরিশোধ করতে হয় না।

হোম ডেলিভারী:

এখানে হোম ডেলিভারী সার্ভিস প্রদানের ব্যবস্থা নেই।

বিল পরিশোধের:

ক্যাশের পাশাপাশি ভিসা, মাস্টার ও আমেরিকান এক্সপ্রেস কার্ডের মাধ্যমে বিল পরিশোধের ব্যবস্থা রয়েছে।

খোলা-বন্ধের সময়সূচী:

প্রতিদিন সকাল ১১:৩০ টা থেকে রাত ১২:০০ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা:

৫টি গাড়ি পার্ক করার ব্যবস্থা রয়েছে।

স্লাভিয়ানস্কে রুশপন্থী বন্দুকধারীদের বিরুদ্ধে অভিযান

download (5)ইউক্রেন রোববার দেশের পূর্বাঞ্চলীয় শহর স্লাভিয়ানস্কে ‘সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান’ শুরু করেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরসেন আভাকভ একথা জানান।
উল্লেখ্য, এই শহরে রুশপন্থী বন্দুকধারীরা পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর ভবন দখল করে নিয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরসেন তার ফেসবুক পাতায় লেখেন, ‘দেশের সকল বাহিনীর বেশ কয়েকটি ইউনিট (অভিযানে) অংশ নিচ্ছে। ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল জুড়ে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত বিচ্ছিন্নতাবাদী যোদ্ধারা পুলিশ সদর দফতরে উপর্যুপরি হামলা করার পর শনিবার আরসেন আভাকভ এ ঘটনাকে ‘রাশিয়ার আগ্রাসন’ বলে এর তীব্র সমালোচনা করেন।
সামরিক উর্দি পরা বন্দুকধারীদের এই অত্যন্ত সুসংগঠিত আক্রমন গত মার্চে ক্রিমিয়ায় সংগঠিত ঘটনাবলীর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এর ফলে এমন আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, রাশিয়া তার প্রতিবেশী এ দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপ করার অজুহাত সৃষ্টি করতে অসন্তোষ উস্কে দিচ্ছে।
ইউক্রেনের রুশপন্থী প্রেসিডেন্ট ভিক্তর ইয়ানুকোভিচের বিরুদ্ধে ব্যাপক সহিংস বিক্ষোভের পর পশ্চিমাপন্থী সরকার দেশটির ক্ষমতায় এলে রাশিয়ার ইউক্রেনের পূর্ব সীমান্তে ৪০ হাজার সৈন্যের সমাবেশ ঘটায়।
মস্কো শনিবার যোদ্ধাদের ওপর শক্তি প্রয়োগের বিরুদ্ধে কিয়েভকে হুঁশিয়ার করে দেয়। রুশপন্থী যোদ্ধারা অধিকতর স্বায়ত্তশাসন থেকে শুরু করে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়া পর্যন্ত বেশ কিছু দাবি জানাচ্ছে।
শনিবার রাতে ইউক্রেনের নিরাপত্তা পরিষদ তিন ঘণ্টাব্যাপী এর বৈঠকে দেশের পূর্বাঞ্চলের সংকট নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করে। তবে কোন সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি।

দলের নাম আম আদমি কিন্তু নেতারা কোটিপতি

aapদলের নাম আম আদমি পার্টি। চলতি লোকসভা নির্বাচনে আপ-এর হয়ে প্রতিদ্বন্ধীতাকারীরা অর্থনৈতিকভাবে কিন্তু মোটেও বিশেষ `আম` নন। প্রথম পাঁচ দফার নির্বাচনে আপ -এর হয়ে লড়ছেন এমন ২০০ জনের মধ্যে অন্তত ৮৬ জন কোটিপতি।

বেঙ্গালুরুতে আপ প্রার্থী প্রাক্তন ইনফোসিস সিইও বালাকৃষ্ণানের ব্যক্তিগত সম্পত্তির পরিমাণ ১৮৯ কোটি টাকা।

অন্যদিকে, মোট ৪০০ জন প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারের জন্য বর্তমানে আপ-এর যৌথ তহবিলে ২৫ কোটি টাকার বেশি নেই। ইতিমধ্যেই আপ তহবিল অর্থ সঙ্কটে ভুগতে শুরু করেছে।

আপ-এর অনান্য কোটিপতিদের মধ্যে রয়েছেন মহারাষ্ট্রের অঞ্জলি ডামানিয়া (১৯ কোটি টাকা), অবসরপ্রাপ্ত জেনেরাল আরএস কাদিয়ান (১৩ কোটি টাকা), অভিনেত্রী-সমাজকর্মী গুল পানাগ ( ১২ কোটি টাকা)।

বহু সাংবাদিক তাঁদের পেশা ত্যাগ করে আম আদমি পার্টিতে যোগদান করেছিলেন। তাঁদের অনেকেই এবারের নির্বাচনে দলের হয়ে লড়ছেন। কোটিপতিদের লিস্টে তাঁরাও বেশ দাপটের সঙ্গেই বিরাজকরছেন। স্টার নিউজের প্রাক্তন সঞ্চালিকা সাজিয়া এলমির সম্পত্তির পরিমাণ ৩০ কোটি টাকা। পিছিয়ে নেই অনিতা প্রতাপ (২০ কোটি টাকা), আশুতোষ (৮ কোটি টাকা), আশিষ খেতান (১ কোটি টাকা), জার্নালি সিং (১ কোটি টাকা)।

দলের অন্যতম মেরুদণ্ড গুরগাঁওয়ের প্রার্থী যোগেন্দ্র যাদব ব্যক্তিগত ২ কোটি টাকার মালিক।

বিশ্বে রেমিট্যান্স প্রাপ্তির দিক দিয়ে বাংলাদেশ অষ্টম

images (4)রেমিট্যান্স প্রাপ্তির দিক দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্য বাংলাদেশের অবস্থান এখন অষ্টম। প্রথম স্থানে আছে ভারত। শুক্রবার প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের ‘মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ব্রিফ’ প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে বিশ্বে উন্নয়নশীল দেশগুলো ৪০ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ প্রবাসী-আয় পেয়েছে। বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম, ২০১৩ সালে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে এক হাজার ৪০০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ পাঠিয়েছেন। ভারত পেয়েছে সাত হাজার কোটি ডলারের সমপরিমাণ প্রবাসী-আয়। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে চীন। দেশটির অভিবাসীরা নিজ দেশে ছয় হাজার কোটি ডলারের অর্থ পাঠিয়েছেন গত বছর।

বিশ্বব্যাংকের তালিকায় তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে আছে ফিলিপাইন ও মেক্সিকো। আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়া ও মিসর যথাক্রমে পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানে আছে। পাকিস্তানের অবস্থান সপ্তম। অষ্টম স্থানে থাকা বাংলাদেশের পরে নবম ও দশম স্থানে আছে যথাক্রমে ভিয়েতনাম ও ইউক্রেন।

চিফ হুইপের বিদেশ সফর নিয়ে প্রশ্ন

abul-kalam-ajad_0আবাসন বিষয়ক একটি সেমিনারে অংশ নিতে এমপি ইমরান আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে ১৫ দিনের সফরে বিদেশে অবস্থান করছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ। এর আগে ৩রা মার্চ তিনি আমেরিকার কলম্বিয়ায় যান। ফেরেন ১৯শে মার্চ। দায়িত্ব নেয়ার পর কয়েক দিনের মধ্যে চিফ হুইপের এ সফর নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। একই ভাবে প্রশ্ন উঠেছে উপজেলা নির্বাচনের আগে নিজের নির্বাচনী এলাকায় পাঁচবার সরকারি সফর নিয়ে।

এছাড়া সংসদ সচিবালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে দীর্ঘদিন তিনি অনুপস্থিত থাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও তার ওপর ক্ষুব্ধ। তার কারণে সংসদের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সংসদ অধিবেশনের দৈনন্দিন কার্যক্রম ঠিক করতে প্রধানমন্ত্রীকে আলাপ করতে হয়েছে সচিবালয়ের আইন শাখার কর্মকর্তার সঙ্গে। চিফ হুইপ থাকলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এসব আলোচনা করে ঠিক করতেন তিনি। সদ্য নিয়োগ পাওয়া অন্য হুইপরাও এ নিয়ে মনঃক্ষুণ্ন।

এদিকে এবারের দশম সংসদে যারা হুইপ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তাদের সবাই নতুন। সংসদ পরিচালনায় তাদের পূর্ব কোন অভিজ্ঞতা নেই। একমাত্র চিফ হুইপ অভিজ্ঞ। কারণ, নবম সংসদে তিনি হুইপের দায়িত্ব পালন করেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, আবাসন বিষয়ের ওপর সেমিনারে অংশ নিতে সাধারণত চিফ হুইপ পর্যায়ের কোন এমপি যান না। এবার তার ব্যতিক্রম ঘটেছে। তারা আরও জানান, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে একাধিক প্রকল্প নেয়া হয়। তবে এসব প্রকল্পে সংসদের পক্ষ থেকে যারা যান তাতে দৃশ্যমান কোন ফলাফল পাওয়া যায় না। তবে এসব প্রকল্পে খরচ হয় অবিশ্বাস্য অঙ্কের টাকা। বিশেষ করে আমেরিকা ও ইউরোপের কোন দেশের যাওয়ার প্রকল্প এলেই এমপিরা হুমড়ি খেয়ে পড়েন তালিকায় নিজেদের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে।

এদিকে ২৯শে জানুয়ারি থেকে সংসদ অধিবেশন শুরু হলেও এখন পর্যন্ত এমপিদের বাসা ও অফিস বরাদ্দ শেষ হয়নি। মূলত চিফ হুইপের অনুপস্থিতির কারণে এ অবস্থা। সাধারণত অফিস ও বাসা বরাদ্দের ক্ষমতাটি চিফ হুইপের ওপর ন্যস্ত থাকে। তাই অন্য হুইপরা এ নিয়ে কোন সিদ্ধান্ত জানাতে পারেননি।

এ প্রসঙ্গে হুইপ ইকবালুর রহিম জানান, আমরা নতুন হুইপ। তাই উনার অনুপস্থিতিতে কিছুটা সমস্যায় পড়তে হয়েছে। তিনি অভিজ্ঞ হুইপ। থাকলে আমাদের জন্য ভাল হতো।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, এর আগে সংসদের কোন চিফ হুইপ এত অল্প সময়ে এতবার সরকারি সফরে নির্বাচনী এলাকায় যাননি।

রুনির মৌসুম শেষ

images (6)ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জন্য এমন বাজে মৌসুম শেষ কবে এসেছিল, তা গবেষণার বিষয়। ইংলিশ লীগ, এফএ কাপ, চ্যাম্পিয়ন্স লীগ, লীগ কাপ_ সব আসরেই মুখ থুবড়ে পড়েছে রেড ডেভিলরা।

এবার তাদের জন্য আরও একটি দুঃসংবাদ হলো, ইনজুরির কারণে মৌসুমের বাকি ম্যাচগুলো খেলতে পারবেন না দলটির প্রধান স্ট্রাইকার ওয়েন রুনি। এফএ কাপ, লীগ কাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স লীগ থেকে বিদায় নেওয়ায় ম্যানইউর জন্য মৌসুম বলতে বাকি আছে শুধু ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ।

যদিও গত মৌসুমে আসরটিতে জেতা শিরোপা এবার তারা ধরে রাখতে পারছে না। শীর্ষে থাকা লিভারপুলের সঙ্গে ১৭ পয়েন্ট ব্যবধানে টেবিলের সপ্তম স্থানে ধুঁকছে ম্যানইউ। তাদের হাতে রয়েছে আর মাত্র পাঁচ ম্যাচ।