মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬

একরাম হত্যায় মূল হোতাদের বাঁচানোর চেষ্টা পুলিশের!

মূল চক্রান্তকারীদের বাঁচানোর উদ্দেশ্যে ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হক একরাম হত্যাকাণ্ডের তদন্তকে অব্যাহতভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে, তারা জেলার শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের চাপে পড়ে হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল অপরাধীকে চিহ্নিত করার পরিবর্তে স্থানীয় অপরাধীদের গ্রেফতারেই ব্যস্ত রয়েছেন। এমনকি গ্রেফতারকৃতদের চাপ দেয়ার মাধ্যমে নির্দেশ অনুযায়ী সাজানো সাক্ষ্য দিতেও বাধ্য করছেন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা, অভিযোগ নিহত একরামের পরিবারের এবং স্থানীয়দের।image_85539_0

এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।

নিহত একরামের স্ত্রী তাসলিমা আখতার রোববার এক সাক্ষাৎকারে জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর অনেকদিন পেরিয়ে গেলেও হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কোনো কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডের জন্য কে দায়ী তা জেলার প্রতিটি মানুষই জানেন, কিন্তু তারপরেও এ ব্যাপারে কিছুই করছেন না তদন্ত কর্মকর্তারা।”

একরাম হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে পুলিশ গতকাল আরো এক ব্যক্তিকে আটক করেছে। আটককৃত যুবক আরমান হোসেন কাওসার (১৭) ফেনী সরকারি কলেজের ছাত্র এবং পুলিশ কনস্টেবল আব্দুল কাইয়ূমের ছেলে।

একরাম হত্যামামলার তদন্ত কর্মকর্তা এবং ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ জানান, বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে কাইয়ূমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের দিন সড়কের মাঝখানে কাইয়ূম একটি ভ্যান ঠেলে দিয়ে পথরোধ করার মাধ্যমে একরামের গাড়ি থামিয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন হিসেবে পুলিশ এ পর্যন্ত প্রায় ২৪ জনকে গ্রেফতার করেছেন। গ্রেফতারকৃতদের অধিকাংশই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমর্থক এবং বাকিরা বিএনপির সমর্থক। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ১৩ জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে এবং হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আরো ২৯ জনকে এখনো খুঁজছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একরামের ওপর হামলাকারীদের একজন-আবিদ তার স্বীকারোক্তিতে অভিযোগ করেন, একরাম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী এবং জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ আদিল জড়িত ছিলেন।

হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারীদের মধ্যে আরেকজন- জিহাদ চৌধুরীও এর সঙ্গে আদিলের সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে দাবি করেছেন। জিহাদ জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার তাকে যাবতীয় নির্দেশনা দিয়েছিলেন যুবলীগ নেতা জিয়াউল মিস্টার এবং এর জন্য জিয়া প্রায় দুই কোটি টাকা খরচও করেছেন। তিনি বলেন, “হত্যাকাণ্ডের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আনন্দপুর ইউনিয়নের হারুন-উর-রশীদ মজুমদারের নাম বেশ কয়েকবার উল্লেখ করা ছাড়াও হত্যাকাণ্ডের পর বিএনপি নেতা মিনার চৌধুরীও এক লাখ টাকা দিয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন জিয়া।”

স্থানীয় এবং জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা অবশ্য অভিযোগ করেন, এই পুরো বিষয়টিই পুলিশের সাজানো নাটক ছাড়া আর কিছুই নয়। কারণ জিহাদের বক্তব্য তদন্ত কর্মকর্তারা নিজেরাই লিখেছেন। এই অভিযোগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তারা বলেন, নিহত একরামেরই ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন হারুন এবং তিনিই একরামকে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বসতে সাহায্য করেছিলেন। আর এই কারণেই একরাম ও জিহাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছিল।

আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, সংসদ সদস্য নিজামের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকায় আদিল ও মিস্টারের বিরুদ্ধেও কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের পরের এক সপ্তাহ এই দুই ব্যক্তিই প্রকাশ্যে নিজেদের এলাকায় ঘুরে বেড়ালেও এখন ধারণা করা হচ্ছে, তারা প্রতিবেশী দেশ ভারতে পালিয়ে গেছেন। তারা যেদিন পালিয়ে গেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, তার দু’দিন পরেই সীমান্তে রেড অ্যালার্ট জারি করে পুলিশ।

নিহত একরামের বড় ভাই এবং হত্যা মামলার বাদী জিয়াউল হক জসীম বলেন, “আদৌ ন্যায়বিচার পাবো কি-না সে বিষয়ে পুরোপুরি অন্ধকারে  আছি আমরা, কারণ মূল অপরাধীদের গ্রেফতার ছাড়াই তদন্ত যেকোনো সময় শেষ হয়ে যেতে পারে। আমরা আশা করছি এই বিষয়ে কর্তৃপক্ষ যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং অভিযুক্তদের প্রত্যেককে গ্রেফতার না করার আগ পর্যন্ত তারা তদন্তের কাজ শেষ করবে না।”

ফেনীর পুলিশ সুপার পরিতোষ ঘোষ জানান, জিহাদ এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের স্বীকারোক্তি থেকে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, “আমরা সব তথ্য বিশ্লেষণ করছি এবং এগুলো যাচাইয়ের পরেই আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব।”

একবার আদিল ও মিস্টারকে গ্রেফতার করা সম্ভব হলেই এই হত্যারহস্যকে ঘিরে থাকা সব ধাঁধাঁর সমাধান করা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, “এই দুজনের খোঁজে পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে।” সূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন।

চলতি অধিবেশনেই পাস হচ্ছে ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদে জানিয়েছেন, দেশের মানুষকে ফরমালিন থেকে রক্ষা সংসদের চলতি বাজেট অধিবেশনেই ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন পাস হচ্ছে। এই আইনে কঠিন শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।image_85566_0

সোমবার দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে রমজানে নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, চাহিদা চেয়ে বেশি পরিমাণে নিত্যপণ্যের মজুদ আছে। তাই রমজানে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এসব পণ্য আমদানি করা হয়েছে। ডাল, ছোলা, ভোজ্য তেল, চিনি, পেঁয়াজসহ সব পণ্যের স্বাভাবিক মজুদ আছে।

কেবল রমজান মাস নয়, সারা বছর যেন নিত্যপণ্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে সেজন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, উৎপাদক, সরবরাহকারী এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ইতিমধ্যে বৈঠক করা হয়েছে। ২৭ সদস্যের একটি পরামর্শক কমিটি আছে। এই কমিটির সঙ্গেও বৈঠক করা হয়েছে। তারা সবাই আশ্বস্ত করেছে শুধু রমজান মাসেই নয় সারা বছর নিত্যপণ্যের দাম ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখবেন।

সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমদ বলেন, রমজানে চাহিদার তুলনায় ছোলার মজুদ বেশি আছে। সারা বছর ছোলার চাহিদা ৭৫ হাজার ৪৯৮ টন। রমজানে ছোলার চাহিদা ৭০ হাজার টন। টিসিবির কাছে মজুদ আছে ৯৫ হাজার টন।

সরকারের দুর্নীতি ঢাকতেই বিশাল বাজেট: সিপিবি

নিজেদের দুর্নীতি ঢাকতেই সরকার বিশাল অঙ্কের বাজেট দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম।image_85570_0

সোমবার পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সিপিবি- বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত এ বাজেট ধনীকে ধনী আর গরিবকে আরো গরিব করবে বলেও অভিযোগ করেন মুজাহিদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, “২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট গণবিরোধী।”

জামায়াত নিষিদ্ধের বিষয়ে আইনমন্ত্রীর দেয়া বক্ত্যবের সমালোচনা করে বাম নেতারা বলেন, “যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়ার জড়িতদের অর্ন্তকোন্দলের কারণেই তা ধীরগতিতে চলছে।”

সংবাদ সম্মেলন থেকে খাদ্যে ভেজাল, জামায়াত নিষিদ্ধ ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দ্রুত কার্যকরের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

সংবিধান মেনে সংলাপে রাজি আওয়ামী লীগ: সুরঞ্জিত

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, “আওয়ামী লীগ সব সময় আলোচনায় বিশ্বাসী। সংবিধান মেনে যেকোনো স্থানে সংলাপ হতে পারে। তবে খালেদা জিয়াকে সংবিধান মেনে কখন কোথায় কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন সেটা আগে নির্ধারণ করুন।”image_85568_0

সোমবার দুপুরে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে নৌকা সমর্থক গোষ্ঠীর এক আলোচনা সভায় সুরঞ্জিত এসব কথা বলেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বৈঠকে খালেদা জিয়ার সংলাপের ইচ্ছা প্রকাশকে স্বাগত জানিয়ে সুরঞ্জিত বলেন, “আপনি সংলাপে বসতে রাজি, ভালো কথা। কিন্তু এ জন্য আপনাকে সংঘাতে রাজনীতি পরিহার করতে হবে। কারণ অতীতে আপনি সংলাপকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করে সংঘাতের রাজনীতি করেছেন।”

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যখন তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তখন তিনি গোঁ ধরে না থাকলে দেশে এই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হতো না। বঙ্গবন্ধু কন্যা সব সময় গণতন্ত্র ও আলোচনায় বিশ্বাসী। আওয়ামী লীগ কখনো আলোচনার পথ বন্ধ করেনি, করবে না। সাংবিধানিক প্রক্রিয়া মেনে নিলে, সংলাপের পথে কোনো বাধা নেই।”

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, “জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নিয়ে খালেদা জিয়া দেশে একটি কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছেন। আপনি (খালেদা জিয়া) উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। কিন্তু উপনির্বাচনে কেন অংশ নিচ্ছেন না?”

সংসদের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত বলেন, “আওয়ামী লীগের পররাষ্ট্র নীতি পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে সম্প্রসারিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক জাপান সফর দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করেছে। বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।”

বাজেট প্রসঙ্গে সুরঞ্জিত বলেন, “বাজেটে কোনো কিছুর দাম বাড়েনি, তাই মানুষ খুশি। বিএনপিও মানি না, মানব মিছিল করেনি। বাজেটকে যতই উচ্চাভিলাসী, স্বপ্নাভিলাসী নানা বিশেষণে বিশেষায়িত করা হোক না কেন, সবার পক্ষ থেকে সহযোগিতা করলে কার্যকর করা যাবে।”

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ নেতা মোজাফফর হোসেন, ফয়েজউদ্দিন মিয়া প্রমুখ।

র‌্যাবের জিয়াউলকে গ্রেপ্তার দাবি বিএনপির

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত অপহরণ ও খুনের ঘটনায় র‌্যাব সদর দপ্তরের দ্বিতীয় কর্মকর্তা জিয়াউল হাসানকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।image_95096_0

সোমবার সকালে নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এ দাবি জানান।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় র‌্যাব সবকিছু জেনেও কেন চুপ করে ছিল এ প্রশ্ন এখন জনগণের মনে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় যারা আটক হয়েছে তারা কর্নেল জিয়াউল হাসানের নাম প্রকাশ করেছেন। গণমাধ্যমে এমন খবর এসেছে। বিএনপি বিশ্বাস করে, হাইকোর্টের আদেশ না হলে এই তিন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হতো না। সরকার ধুম্রজাল সৃষ্টি করে ধামাচাপা দিতো।’

ন্যায়বিচারের স্বার্থে এ ঘটনায় জড়িত থাকার সঙ্গে যাদের নাম এসেছে তাদের গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবি জানান রিজভী।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন-বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব সালাউদ্দিন আহমেদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহিনসহ অন্যান্য নেতাকর্মী।

উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। এরপর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়। মামলার প্রধান আসামি কাউন্সিলর নূর হোসেন এখনও পলাতক রয়েছেন।

আমরা উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন করতে পারি

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদাক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘যারা হতাশায় ভোগে তারা জাতিকে হতাশ করতে বলছে বাজেট উচ্চাভিলাষী। কিন্তু আমরা উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন করতে পারি বলেই আমাদের এমন বাজেটের প্রস্তাবনা। গত বাজেট ৯৭ ভাগ বাস্তবায়ন করে তার প্র্রমাণ দিয়েছি।’image_95100_0

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে কনফারেন্স লাউঞ্জে দেশরত্ন সেবক পরিষদ আয়োজিত ‘চলমান রাজনীতি, ঘোষিত বাজেট প্রস্তাবনায়- জনগণের প্রত্যাশা পূরণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বাজেট বিশ্লেষণ না করেই বিএনপি-জামায়াত জোট ও কিছু বুদ্ধিজীবী এর সমালোচনা করছে।’

বুদ্ধিজীবীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা প্রস্তাবিত বাজেট সম্পূর্ণ পড়েন তার পর সমালোচনা করেন। গ্রহণযোগত্য থাকলে তা মেনে নেয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি শুনেছি খালেদা জিয়া অসুস্থ। তাই আশা করি তিনি চিকিৎসা করে শারীরিক ও মানসিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে রাজনীতিতে ফিরে আসবেন।’

আলোচনা সভায় চিত্তরঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগ নেতা এম এ করিম, অরুন সরকার রানা প্রমুখ।

জমি দখল করতে গিয়ে ৫ র‌্যাব সদস্য আটক

জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষের হয়ে জমি দখলে সহযোগিতা করার অভিযোগে ৫ র‌্যাব সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।image_95045_0

রোববার রাতে রাজধানীর উত্তরখানে এ ঘটনা ঘটে। আটক ৫ র‌্যাব সদস্যের মধ্যে দুই জনের নাম জানা গেছে। এরা হলেন, কর্পোরাল মিজানুর ও কর্পোরাল আনিসুর রহমান।

জানা যায়, উত্তরখানে একটি জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলে আসছিল। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মামলাও চলছে। রোববার রাতে র‌্যাবের ৫ সদস্য একটি পক্ষের হয়ে ওই জমি দখলে সহযোগিতা করতে যায়। এতে জমির অন্য মালিক থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ এ ৫ র‌্যাব সদস্যকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল কিসমৎ হায়াৎ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বাংলামেইলকে বলেন, ‘এরা আমাদের সদস্য, তবে র‌্যাব হেড কোয়ার্টারে জব করে। একটা জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কিছু একটা হয়েছে। তারা হয়তো সিভিল পোশাকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সেখানে ছিল।’

এ বিষয়ে র‌্যাবের মিডিয়া ও লিগ্যাল উইং এর পরিচালক উইং কমান্ডার হাবিবুর রহমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন না ধরায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

সাতছড়িতে ফের আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি গহীন অরণ্য থেকে ফের মেশিনগানের ব্যারেল ও ৭ শতাধিক গুলি উদ্ধার করেছে র‌্যাব।image_95081_0

সোমবার সকালে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পাহাড়ি একটি টিলার গর্ত থেকে এই অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব টিলায় অভিযান চালিয়ে একটি মেশিনগানের ব্যারেল, ৫৬টি কামান বিধ্বংসী গুলি ও ৬৩৩ট এসএমজির গুলি উদ্ধার করে।

র‌্যাব-৯ এর শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের অধিনায়ক সানা শামীনুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রসঙ্গত,গত মঙ্গলবার ভোর থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতছড়ির ত্রিপুরা পল্লী ও আশপাশের বিভিন্ন পাহাড়ে অভিযান চালায় র‌্যাব। ওই এলাকার ৭টি বাংকার থেকে ১টি রকেট লাঞ্চার, ৪০ মিলিমিটার ২২২টি রকেট, ২৪৮টি রকেট চার্জার, ৪টি মেশিনগান, মেশিনগানের ৫টি ব্যারেল, ১২ হাজার ৯শ’ ৮৭ রাউন্ড বুলেটসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে চুনারুঘাট থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি উল্লেখ করে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো ঢাকা সেন্ট্রাল অ্যামুনিশন ডিপো ও সেন্ট্রাল অর্ডিনেন্স ডিপোতে প্রেরণ করা হয়েছে।

২ র‌্যাব সদস্যকে আদালতে প্রেরণ

রাজধানীর উত্তরখান এলাকায় বিবদমান একটি পক্ষের হয়ে জমি দখল করতে গিয়ে আটক হওয়া ৫ র‌্যাব সদস্যের মধ্যে দুইজনকে আদালতে নেয়া হয়েছে।image_95087_0

সোমবার সকালে তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়ে গেছে পুলিশ।উত্তরখান থানার ওসি ইউনুস আলী বাংলামেইলকে এ তথ্য জানিয়েছেন।এর আগে গতকাল রোববার রাতে উত্তরখানের ফজিরবাতান এলাকায় একটি বিরোধপূর্ণ জমি বিবদমান হুমায়ুন কবির মামুনের পক্ষে দখলে সহযোগিতা করতে গিয়ে র‌্যাবের পাঁচ সদস্য পুলিশের হাতে আটক হন। তাদের মধ্যে দুইজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন, কর্পোরাল মিজানুর ও কর্পোরাল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ। এই দুজনকেই আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে।

আটকের ব্যাপারে রোববার র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল কিসমৎ হায়াৎ জানিয়েছিলেন, তারা র‌্যাব হেড কোয়ার্টারে কর্মরত।

তিনি বলেন, ‘একটা জমি নিয়ে কিছু একটা হয়েছে। তারা হয়তো সিভিল পোশাকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সেখানে ছিল।’

জসিমের নতুন মিউজিক ভিডিও

’ছুটি’ শিরোনামের তার প্রথম একক অ্যালবাম প্রকাশ করেন। শীঘ্রই ’ছুটি’ অ্যালবামের গান গুলো নিয়ে মিউজিক ভিডিও নির্মিত হতে যাচ্ছে।। ভিডিওতে তার সঙ্গে দেখা যাবে জনপ্রিয় কয়েক জন মডেলকে। ভিডিওটি নির্মাণ করবেন পরিচালক ইমারাত হোসেন ইমু। ‘আমি তোমায় দিলাম ছুটি, ইচ্ছে করে করবো আদর, তুমি আমি একসাথে/বৃষ্টি নীল আকাশের কান্না, আমি মেঘের খেয়ায় ভেসে, তুমি আছো অন্তর জুড়ে-এসব গান লিখেছেন জসিম, ইমু, ফারুক, জীবন, সাজু । গানে কণ্ঠ দেয়ার পাশাপাশিJasim সুর ও সঙ্গীত করেছেন জসিম নিজেই। এ প্রসঙ্গে জসিম বলেন, ‘ইচ্ছে করে করবো আদর’ এই গানটি আমার অনেক পছন্দের। প্রথম এ্যালবাম প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই সবার কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। অনেকেই মিউজিক ভিডিওতে এ্যালবামটির প্রত্যাশা করেছিলেন। সেই ভাবনা থেকেই মিউজিক ভিডিও নির্মানের কাজ শুরু করতে যাচ্ছি। বাজারের অন্য সব মিউজিক ভিডিওর থেকে এই কাজটি আলাদা। আশা করি সবাই পছন্দ করবেন।’