শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬

মুক্তিযোদ্ধা দলের সমাবেশে খালেদা জিয়া

khaleda nilfamariমহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত সমাবেশে যোগ দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

আজ রোববার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিইবি) মিলনায়তনে সমাবেশ মঞ্চে প্রধান অতিথির আসন নেন তিনি।

এর আগে, দুপুর সোয়া ১টায় আইডিইবি চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সমাবেশের উদ্বোধন করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এরপর কাজী জুবায়ের মাসুদের পবিত্র কোরআন তেলোয়াতের মধ্য দিয়ে ‘বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সমাবেশ শুরু হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করছেন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত।

সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত আছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক জয়নুল আবদিন ফারুক, অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সালাম, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইসমাঈল হোসেন বেঙ্গল, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক শফিউজ্জামান খোকন প্রমুখ।

সমাবেশে দুস্থ ও অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেন, খুরশিদ আলম, জিয়াউল হক বাবুল, মতিউর রহমান মতি, মোহম্মদ শাজাহান, আবু ইউসুফ হাওলাদার, আব্দুল আজিজ, রমজান আলী, আবুল কালাম ও মোহন মিয়ার হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেবেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

ছাত্রের বিরুদ্ধে শিক্ষিকার ধর্ষণ মামলা

mirpur mapরাজধানীতে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই শিক্ষিকা।

৩২ বছর বয়সী ওই শিক্ষিকা রবিবার সকালে মিরপুর মডেল থানায় হাজির হয়ে ছাত্র রিয়াজ হোসেন বাবুর (২৬) বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা করেছেন।

মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ময়নুল ইসলাম জানান, তিন মাস আগে বাবুর সঙ্গে ওই শিক্ষিকার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। কিন্তু বাবু বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় তাকে আসামী করে ওই শিক্ষিকা মামলা করেছেন।

বিষয়টি তদন্ত করে প্র্র্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

বড়দিন ও থার্টিফাস্ট নাইটে ৪ স্তরের নিরাপত্তা

assadujzamখ্রীষ্টানদের ধর্মীয় উৎসব বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষের থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া এ দুটি উৎসব যেন জনগণ নির্বিঘ্নে উদযাপন করতে পারে এ জন্য সর্বোচ্চ শতর্কতা ও গোয়েন্দা নজরদারী থাকবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ২৫ ডিসেম্বর খ্রীষ্টানদের ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। তার কয়েকদিন পরই ইংরেজি নববর্ষের থার্টিফাস্ট নাইট। দুটি উৎসবকে সামনে রেখে পুলিশ, বিজিবি, ফায়ার সার্ভিস, র‌্যাব, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও খ্রীষ্টান ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি জানান, বৈঠকে বেশ কিছু বিষয়ে সিধান্ত হয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- কুটনৈতিক পাড়ায় নিরাপত্তা জোরদার, ট্রাফিক ব্যবস্থা আরও গতিশীল রাখা, নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, গুলশান-বনানী-বারিধারা এলাকায় চলাচলে বিশেষ নির্দেশনা ও দেশব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারী।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতের কারাগারে বন্দী নূর হোসেনকে (নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত) ভারত সরকার যেদিন ফেরত দিবে, তখনই আমরা তাকে দেশে ফেরত আনব। এ জন্য একটু অপেক্ষা করতে হবে।

বিদায়, চমৎকার বাংলাদেশ

mozinaaতিন বছরেরও বেশি সময় অতিবাহিত হয়ে গেছে, কিন্তু মনে হচ্ছে এই যেন মাত্র সেদিনের কথা। যেন মাত্র গতকালই বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে আমি ঢাকায় এলাম।

আমাকে ও আমার স্ত্রী গ্রেসকে বহন করে নিয়ে আসা বিমানটি এই সেদিন মাত্র হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করল। প্রায় অর্ধেক পৃথিবী ভ্রমণ করে এসে আমরা বেশ ক্লান্ত ছিলাম…গ্রেস আগে নামল…এবং একটা বিশাল ব্যাগ টানতে টানতে আমি  তাকে অনুসরণ করলাম।

ব্যাগটা অনেক ভারী ছিল, কিন্তু আমি সেটাকে টানতে টানতে টার্মিনাল দিয়ে নিয়ে গিয়ে যেখানে সংবাদ সম্মেলন হবে, সেই লাউঞ্জে রাখলাম। সংবাদ সম্মেলন শেষ হওয়ামাত্র একজন সাংবাদিক আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনার ওই  বিশাল ব্যাগের মধ্যে কী আছে? ‘আহ,’ আমি বললাম, ওটার মধ্যে আছে আমার ম্যান্ডেট…যে ম্যান্ডেট নিয়ে আমি বাংলাদেশে এসেছি…বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারত্ব আরও ব্যাপক, আরও গভীর ও শক্তিশালী করার ম্যান্ডেট।

সাংবাদিক আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন আমার ম্যান্ডেটটি এত বড়। উত্তরটি ছিল খুবই সোজা। বাংলাদেশ অনেক বড়; বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ। এটি পৃথিবীর অষ্টম বৃহত্তম দেশ, পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম-অধ্যুষিত দেশ। বাংলাদেশ মধ্যমপন্থী, সহনশীল, ধর্মনিরপেক্ষ এবং সহিংস চরমপন্থার বিকল্প একটি বহুত্ববাদী রাষ্ট্র, যা অন্যান্য দেশে ক্ষত সৃষ্টি করেছে।

সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থা প্রতিহত করতে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে, আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা অভিযানে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখার মাধ্যমে বিশ্বশান্তি বজায় রাখতে, বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধার প্রসারে এবং দুর্যোগ, বিশেষ করে ভূমিকম্প মোকাবিলায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এসব পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আমেরিকা এমন একটি বাংলাদেশকে তুলে ধরে, যা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ, সমৃদ্ধ, সুস্থ ও গণতান্ত্রিক।

বাংলাদেশ থেকে আমার বিদায়ের প্রাক্কালে আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে ব্যাপকতর, গভীরতর এবং অধিকতর শক্তিশালী, যা উভয় দেশের জনগণের জন্যই কল্যাণ বয়ে আনছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের ২০১২ সালের বাংলাদেশ সফরকালে অংশীদারত্ব সংলাপ শুরু করার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে, যা দুই মাস আগে ওয়াশিংটনে তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চলতি বছরের শুরুতে নিরাপত্তা সংলাপ ও দ্বিপক্ষীয় সামরিক সংলাপের তৃতীয় বার্ষিক সম্মেলন এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা অবকাঠামো চুক্তির (টিকফা) প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব সম্পৃক্ততা আমাদের অংশীদারত্বকে আরও উজ্জীবিত করেছে, এগুলো আরও নতুন করে দিকনির্দেশনা পেয়েছে এবং আমাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব চমৎকার নানা উপায়ে ইতিহাস তৈরিতে সহায়তা করছে।

১.মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার কমানো, যাতে করে বাংলাদেশ এসব ক্ষেত্রে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারে।

২. বাংলাদেশিদের পরিবারের আকার বা সদস্যসংখ্যা নিজেদের ইচ্ছানুযায়ী নির্ধারণে সক্ষম করে তোলা। বাংলাদেশ আগামী বছর প্রতিটি নারীর জন্য প্রজনন প্রতিস্থাপন হার ২.১ অর্জন করবে…এটি এমন স্বেচ্ছা অর্জন, যা নতুন করে ইতিহাস লিখেছে।

৩. যে বাংলাদেশ একসময় তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে বিখ্যাত ছিল, সেই বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পথে…এমন একটি অর্জন, যা আগে কেউ কখনো কল্পনাও করেনি।

৪. বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে বন সংরক্ষণ, যা বাঁধ হিসেবে সমুদ্রস্তরের উচ্চতা থেকে জাতিকে রক্ষা করে এবং নতুন লবণাক্ততা, ক্ষরা ও বন্যাসহিষ্ণু বীজের ব্যবহার শুরু করে।

৫. মানব, অস্ত্র ও মাদক পাচার রোধে সামুদ্রিক ও স্থলসীমার নিরাপত্তা, সন্ত্রাসীদের বাধা দেওয়া এবং জাতীয় সামুদ্রিক সম্পদের নিরাপত্তা প্রদান। সামুদ্রিক নিরাপত্তা আরও বাড়ানোর জন্য আমেরিকা পরবর্তী বসন্তে ৩৭৮ ফুট দীর্ঘ দ্বিতীয় আরেকটি ‘কাটার’ জাহাজ প্রদান করবে।

৬. দুর্যোগে বাংলাদেশিদের রক্ষায় আরও ১৩০টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এবং ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুতিতে সাহায্য করা।

এই সব অর্জন বাংলাদেশকে পরবর্তী এশীয় অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হওয়ার জন্য শক্ত অবস্থান তৈরি করে দিচ্ছে। এই বাঘের চারটি শক্তিশালী পা রয়েছে: একটি ব্যাপক আকারের পোশাকশিল্প, যা বিশ্বমানের শিল্পে রূপান্তরিত হতো যদি এর অগ্নি–নিরাপত্তাব্যবস্থ্যা, কারখানার কাঠামোগত দৃঢ়তা এবং শ্রমিকদের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধার বিষয়গুলো যথাযথ মানের হতো; বিশালাকায় জুতা ও তৈরি চামড়াজাত পণ্যশিল্প, তা বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে পড়বে, যখন সাভারের পরিবেশবান্ধব ট্যানারি পার্ক চালু হবে; বাংলাদেশে প্রস্তুত ওষুধ, যা আগামী বছর থেকে আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়বে; এবং তথ্যপ্রযুক্তি, বিশেষত সফটওয়্যারের উন্নয়ন।

ছোট মালবাহী জাহাজ, হিমায়িত চিংড়ি, সিরামিক, ফুল এবং পাট ও রেশমজাত পণ্য এই অর্থনৈতিক বাঘকে আরও শক্তিশালী করবে। সব শিশুর জন্য গুণগত শিক্ষা অর্জনে বাংলাদেশের সফলতা, পরিকাঠামোগত উন্নয়ন

(যেমন: রাস্তা, রেলপথ, বন্দর এবং বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ) এবং সুশাসন, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পারলে বাংলাদেশকে, এশিয়ার পরবর্তী বাঘকে, অর্থাৎ এই রয়েল বেঙ্গল টাইগারকে বিশ্ব অর্থনীতিতে সদর্পে বিচরণের যোগ্য করে তুলবে।

এই দারুণ ও সমৃদ্ধ জাতি এবং এর চমৎকার, কঠোর পরিশ্রমী, সৃজনশীল, উদার, উদ্যোগী ও সহনশীল জনগণকে ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য আমি যখন প্রস্তুতি নিচ্ছি, আমার হৃদয় ভারাক্রান্ত হয়ে উঠছে, যাদের আমি জেনেছি বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় আমার সফরের মাধ্যমে।

যদিও আমার পরবর্তী বসতি অনেক দূরে, তবে বাংলাদেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য পূরণে সাহায্য করতে আমার পক্ষে যত দূর সম্ভব আমি করে যাব।
আবার দেখা হবে!

ড্যান মজীনা : বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত।

ওয়াই-ফাই ইন্টারনেটের আওতায় সচিবালয়

shocibaloyতারহীন ইন্টারনেট সংযোগে (ওয়াই-ফাই) যুক্ত হলো দেশের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক কেন্দ্র- সচিবালয়। রোববার এই নেটওয়ার্কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।

বেলা ১১টায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্থাপিত ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের উদ্বোধন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের (সমন্বয় ও সংস্কার) ভারপ্রাপ্ত সচিব মো: নজরুল ইসলাম এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার।

জানা গেছে, ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের কিছু অংশ পাসওয়ার্ডযুক্ত এবং কিছু অংশ পাসওয়ার্ড মুক্ত থাকবে।

হারিছ-আরিফসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যা মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক এবং হবিগঞ্জের পৌর মেয়র জিকে গউসসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

রোববার দুপুরে হবিগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক আদালতের বিচারক রশিদ আহমেদ এই মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিলেট অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার মেহেরুন নেছা পারুল এই ১১ জনের নাম যোগ করে রোববার হবিগঞ্জের আদালতে সংশোধিত সম্পূরক অভিযোগপত্র জমা দেন।

এদিকে, অভিযোগপত্র গ্রহণ কেন্দ্র করে আদালত এলাকা ও হবিগঞ্জ শহরে ছাত্রলীগ-যুবলীগের সঙ্গে ছাত্রদল-যুবদলের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসির ফল ৩০ ডিসেম্বর

psc20প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল ৩০ ডিসেম্বর প্রকাশ করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ৭ নভেম্বর জেএসসি ও জেডিসি এবং ২৩ নভেম্বর প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় প্রায় ২১ লাখ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। জেএসসির পর ২৩ নভেম্বর শুরু হয় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা।

তারেক মুক্তিযুদ্ধকে ধর্ষণ করছে: কামরুল

kamrul29বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইতিহাস ‘বিকৃত’ ও ‘তথ্য সন্ত্রাস’ চালাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। এর মাধ্যমে তারেক রহমান মুক্তিযুদ্ধকে ধর্ষণ করছে বলেও মন্তব্য করেন কামরুল।

গত ১৫ ডিসেম্বর লন্ডনে এক অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘রাজাকার’ আখ্যায়িত করে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান যদি ৭ মার্চ সেনাবাহিনীর বাঙালি অফিসারদের নিয়ে যুদ্ধ শুরু করতেন, তাহলে যে ‘সামান্যসংখ্যক’ পাকিস্তানি সৈন্য তখন ছিল তাদের সহজেই পরাজিত করা যেত, প্রাণহানি ও অর্থনৈতিক ক্ষতি ‘অনেক কমানো’ যেত।”

তারেক রহমানের এই কথার পরিপ্রেক্ষিতেই খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “একাত্তরের পাক-হানাদার ও ঘতক দালালেরা যেভাবে আমাদের মা-বোনদের ইজ্জত লুট-ধর্ষণ করেছিল। ঠিক তেমনিভাবে স্বাধীনতার ৪৩ বছর পর এসে মুক্তিযুদ্ধকে ধর্ষণ করছে তিনি (তারেক জিয়া)। ইতিহাস বিকৃত ও তথ্য সন্ত্রাস চালাচ্ছেন ‘তারেক’।”

ইতিমধ্যে ওই বক্তব্যের কারণে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে।

রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলানায়তনে বাংলাদেশ কৃষক লীগ আয়োজিত বিজয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্যমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এসময় বিএনপির আন্দোলনের সমালোচনা করে কামরুল বলেন, “তারা লাদেন মার্কা, ভিডিও-অডিও মার্কা আন্দোলন করছে, তাদের এই আন্দোলনে জনগণ সাড়া দেবে না।”

এজন্য বিএনপিকে হুঁশিয়ার করে কামরুল বলেন, “এই আন্দোলনে বাংলার জনগণ সাড়া দেবে না। তবে ২০১৩ সালের মতো দেশে সন্ত্রাস চালিয়ে মানুষ মারার আন্দোলন করলে পরিণতি হবে ভয়াবহ।”

রাজাকার আল-বদরদের সংমিশ্রণে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমামান বিএনপিকে জন্ম দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন কামরুল। “তিনি বলেন, একাত্তরের ঘাতকদের মন্ত্রী বানিয়ে বাংলাদেশের পতাকাকে কলুষিত করেছেন। তার (জিয়া) মর্মান্তিক মৃত্যুর পর, ঠিক একই পথেই হাঁটছে তার স্ত্রী খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক। তাদের উৎস একই। তারা (জিয়া ও তার স্ত্রী-ছেলে) মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ।”

এসময় প্রধানমন্ত্রীকে বিরুদ্ধে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিভিন্ন কথার সমালোচনা করেন সরকারের এই মন্ত্রী। তিনি বলেন, “খালেদা জিয়ার চলাফেরায় যে রকম শালীনতা নেই ঠিক তেমনিভাবেই তার কথাবার্তায়ও শালীনতা নেই। সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে তার ‘অশালীন’ কথা বার্তা রাজনৈতিক শিষ্টাচার বিবর্জিত।”

৫ জানুয়ারি নির্বাচন প্রসঙ্গে কামরুল বলেন, “এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধের স্ব-পক্ষের শক্তির বিজয় হয়েছে। ব্যালট বিপ্লব হয়েছে।”

পরবর্তী নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনার আর কোনো সুযোগ নেই। যে ব্যবস্থা বাতিল হয়েছে তা আর ফিরে আসবে না এবং দেশে আর কোনো মধ্যবর্তী নির্বাচন হবে না।”

তবে বিএনপিকে আগামী ২০১৯ সালের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতেও বলেন খাদ্যমন্ত্রী।

আর নির্বাচনের জন্য বিএনপির সঙ্গে সংলাপ প্রসঙ্গে তিনি অনীহা প্রকাশ করেন। কামরুল বলেন, “যেহেতু বিএনপি সংসদে প্রতিনিধিত্ব করে না তাই তাদের সঙ্গে আলোচনার কোনো প্রশ্নই আসে না।”

সভায় বাংলাদেশ কৃষক লীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাকসুদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোতাহের হোসেন মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান বক্তব্য দেন।

বক্সিং গ্রেট মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে

aliবক্সিং গ্রেট মোহাম্মদ আলীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হালকা নিউেমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ায় তাকে শনিবার সকালে এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে তার এ মুখপাত্র জানিয়েছেন। গতকাল সন্ধ্যায় এক ফোনালাপে বব গানেল বলেন, “তার অবস্থা স্থিতিশীল আছে ”।

তিনি বলেন, “তিনবার বিশ্ব হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন্স মোহাম্মদ আলীকে একদল চিকিৎসক সেবা দিচ্ছেন এবং তিনি স্থিতিশীল আছেন।”  তবে তাকে কোন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এ বিষয়ে কিছুই জানাননি তিনি।

৭২ বছর বয়সী আলীকে সর্বশেষ চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে একটি অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল। তবে ওই অনুষ্ঠানে তিনি কোনো কথা বলেননি। ১৯৮১ সালে বক্সিং থেকে অবসর নেন আলী। এরপর থেকে মূলত সমাজসেবামূলক কাজেই নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন এই বক্সিং গ্রেট।- দ্য হিন্দু।

এবারও জামিন পেলেন না লতিফ

latif courtহজ ও ইসলাম সম্পর্কে চরম আপত্তিকর মন্তব্যের পর দলীয় পদ ও মন্ত্রিত্ব হারানো আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর জামিন আবারো নামঞ্জুর করেছে ঢাকার সিএমএম আদালত।

রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট  রেজাউল করিমের আদালতে  ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া জামিন আবেদন করেন।

জামিনের আবেদনে বলা হয়, লতিফ সিদ্দিকী শারীরিকভাবে অসুস্থ। এছাড়া মামলাটি জামিনযোগ্য ধারার।

তবে আদালত শুনানি শেষে তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।

গত ২৫ নভেন্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমান লতিফ সিদ্দিকীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ওই দিন তিনি জামিন চাননি। পরে একবার জামিন চাইলেও আদালত তা নাকচ করেন।

গত ১ অক্টোবর ঢাকার সিএমএম আদালতে দণ্ডবিধির ২৯৫ (ক) ধারায় মামলাটি করেছিলেন অ্যাডভোকেট আবেদ রেজা।

প্রসঙ্গত,সারা দেশে ৩০টির বেশি মামলা দায়ের করা হয়েছে লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে। ঢাকার আদালতেই তার বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা হয়েছে। প্রতিটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি আছে।